WinningSeller
মার্কেটিং ও ল্যান্ডিং পেজ১৪ মিনিটে পড়া যায়

ফেসবুক পেজ হ্যাক হলে করণীয়, শপের পেজ ফেরত আনার ধাপ

পেজ থেকে আপনাকে বের করে দিয়েছে, অ্যাডমিন বদলে গেছে, কার্ডে অচেনা অ্যাড চলছে? প্রথম এক ঘণ্টায় কী করবেন, Meta-র কোন ফর্মে পেজ ফেরত চাইবেন, কার্ডের টাকা কীভাবে আটকাবেন, আর "পেজ ফেরত দেব" বলা প্রতারকদের কীভাবে চিনবেন।

ফেসবুক পেজ হ্যাক হলে করণীয়, শপের পেজ ফেরত আনার ধাপ
এই লেখায় যা আছে
  1. পেজ হ্যাক হয়েছে, নাকি অন্য কিছু? কীভাবে বুঝবেন
  2. ফেসবুক পেজ হ্যাক হলে করণীয়, প্রথম এক ঘণ্টায়
  3. facebook.com/hacked দিয়ে নিজের প্রোফাইল ফেরত আনা
  4. পেজের অ্যাক্সেস কেউ কেড়ে নিলে Meta-র কাছে কোথায় জানাবেন?
  5. অ্যাড অ্যাকাউন্টে কার্ড থেকে টাকা কাটলে কী করবেন?
  6. পেজ ফেরত না পাওয়া পর্যন্ত কাস্টমারকে কীভাবে জানাবেন?
  7. "পেজ ফেরত দেব" বলা প্রতারকদের চিনবেন কীভাবে?
  8. আবার যেন হ্যাক না হয়, ৬টা সেটিং
    1. ১. টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন, পেজের সব অ্যাডমিনের
    2. ২. Advanced Protection চালু করুন
    3. ৩. full control রাখুন শুধু দুজনের হাতে
    4. ৪. মাসে একবার লগইন আর ইমেইল চেক
    5. ৫. অ্যাডের কার্ডে লিমিট কম রাখুন
    6. ৬. ফেসবুকের ইমেইলটাও তালাবন্ধ রাখুন

ফেসবুক পেজ হ্যাক হলে করণীয় কাজগুলো একটা সিরিয়াল ধরে করতে হয়, আর প্রথম এক ঘণ্টাটাই সবচেয়ে দামি। আগে নিজের ফেসবুক প্রোফাইলটা ফেরত আনুন, কারণ পেজ চলে আপনার প্রোফাইল দিয়েই। এর জন্য আগে যে ফোন বা কম্পিউটারে লগইন করতেন, সেটা থেকে facebook.com/hacked খুলুন। প্রোফাইলে ঢুকতে পারলে Meta-র পেজ রিকভারি ফর্ম জমা দিন। Meta-র হেল্প পেজ বলছে, এটাই পেজ ফেরত পাওয়ার সবচেয়ে দ্রুত রাস্তা। একই সময়ে ব্যাংকে ফোন দিয়ে অ্যাড অ্যাকাউন্টের কার্ডটা ব্লক করান, যাতে হ্যাকার আপনার টাকায় অ্যাড চালাতে না পারে। আর যে কেউ টাকার বিনিময়ে পেজ ফেরত দেওয়ার কথা বলে, তাকে এক টাকাও দেবেন না।

নিচের প্রতিটা ধাপ আর বাটনের নাম Meta-র নিজের হেল্প পেজ থেকে নেওয়া, ২০২৬ সালের অক্টোবরে সেখানে যেমন লেখা আছে। বাটনের নাম ইংরেজিতেই রেখেছি, কারণ স্ক্রিনে আপনি ওটাই দেখবেন। Meta মাঝে মাঝে মেনুর নাম আর জায়গা চেঞ্জ করে, তাই হুবহু না মিললে কাছাকাছি নামটা খুঁজে নিন।

পেজ হ্যাক হয়েছে, নাকি অন্য কিছু? কীভাবে বুঝবেন

সেলাররা পেজের যেকোনো ঝামেলাকেই "পেজ হ্যাক" বলেন। কিন্তু আসলে চারটা আলাদা জিনিস বেহাত হতে পারে। আপনার প্রোফাইল, পেজের অ্যাক্সেস, Business Suite-এর business portfolio, আর অ্যাড অ্যাকাউন্ট। প্রতিটা ফেরত আনার রাস্তা আলাদা, আর ভুল জায়গায় দৌড়ালে প্রথম কয়েক ঘণ্টা নষ্ট হয়।

Meta-র হেল্প পেজে প্রোফাইল হ্যাক হলে কী কী দেখা যায়, তার কয়েকটা উদাহরণ আছে। প্রোফাইল ছবি চেঞ্জ হয়ে গেছে, আপনি লেখেননি এমন পোস্ট বা মেসেজ গেছে, লগইন করতে পারছেন না, অথবা ইমেইল এসেছে যে আপনার ইমেইল, ফোন নম্বর বা পাসওয়ার্ড চেঞ্জ হয়েছে। Where you're logged in অংশে অচেনা ফোন বা অচেনা শহর দেখালেও বুঝবেন কেউ ঢুকেছে। আপনার কোনটা হয়েছে, নিচের টেবিলে মিলিয়ে নিন।

স্ক্রিনে যা দেখছেন আসলে কী গেছে কোথা থেকে শুরু করবেন
প্রোফাইলে লগইন হচ্ছে না, পাসওয়ার্ড বা ইমেইল চেঞ্জের মেইল এসেছে আপনার প্রোফাইল facebook.com/hacked
প্রোফাইলে ঢুকতে পারছেন, কিন্তু পেজটা আর আপনার লিস্টে নেই পেজের অ্যাক্সেস Meta-র পেজ রিকভারি ফর্ম
Business Suite-এ অচেনা মানুষ বা পার্টনার, পেজ portfolio থেকে সরে গেছে business portfolio পেজ রিকভারি ফর্ম, তারপর People আর Partners
ব্যাংক থেকে অচেনা ফেসবুক অ্যাডের খরচের SMS অ্যাড অ্যাকাউন্ট আর কার্ড আগে ব্যাংকে ফোন, তারপর Billing and payments

সব ঝামেলা কিন্তু হ্যাক না। পেজ যাঁরা চালান, তাঁদের মধ্যেই কেউ আপনাকে সরিয়ে দিয়ে থাকতে পারেন। ধরুন আগের একজন মডারেটরের হাতে full control ছিল, ঝগড়া করে চলে যাওয়ার সময় তিনি আপনাকে বের করে দিলেন। এমন হলে আগে তাঁর সাথে কথা বলুন। আর অ্যাক্সেস ঠিক আছে, কিন্তু পেজে "restricted" বা ভায়োলেশনের নোটিশ দেখাচ্ছে? সেটা হ্যাক না, Meta-র নেওয়া ব্যবস্থা। তার রাস্তা আলাদা, পেজ রেস্ট্রিক্টেড হলে কী করবেন লেখায় ধাপে ধাপে বলেছি।

ফেসবুক পেজ হ্যাক হলে করণীয়, প্রথম এক ঘণ্টায়

হ্যাক টের পাওয়ার পর মাথা ঠিক রাখা কঠিন। তাই কাজগুলো এই সিরিয়ালে করুন। প্রতিটার পাশে কারণটাও লিখে দিলাম, যাতে কোনোটা বাদ দেওয়ার কথা মনে না আসে।

  1. যা দেখছেন তার স্ক্রিনশট নিন। ফেসবুকের ইমেইল, নোটিফিকেশন, ব্যাংকের SMS, হ্যাকারের দেওয়া পোস্ট, সব। Meta-র ফর্মে, ব্যাংকের ডিসপিউটে আর দরকার হলে থানায় এগুলোই আপনার প্রমাণ। হ্যাকার পরে এসব মুছে দিতে পারে।
  2. ইমেইলের ইনবক্সে ফেসবুকের মেইল খুঁজুন। Meta-র হেল্প পেজ বলছে, কেউ অ্যাকাউন্টের ইমেইল চেঞ্জ করলে আগের ইমেইলে একটা লিংক পাঠানো হয়। ওই লিংকে চাপলে চেঞ্জটা উল্টে দেওয়া যায়। অনেকে এই মেইলটা খেয়ালই করেন না।
  3. ব্যাংকের হেল্পলাইনে ফোন দিয়ে কার্ড ব্লক করান। যে কার্ড অ্যাড অ্যাকাউন্টে লাগানো, সেটা। হেল্পলাইনের নম্বর কার্ডের পেছনে বা ব্যাংকের অ্যাপে থাকে। Meta থেকে কার্ড সরাতে কিছু শর্ত আছে, সেটা নিচে বলছি, তাই ব্যাংকের ফোনটাই দ্রুত কাজ করে।
  4. প্রোফাইলে এখনো ঢুকতে পারলে পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করুন। তারপর Where you're logged in থেকে অচেনা সব ডিভাইস লগ আউট করুন। নইলে নতুন পাসওয়ার্ড দেওয়ার পরও হ্যাকার পুরনো সেশন দিয়ে ভেতরে থেকে যেতে পারে।
  5. টিমকে জানিয়ে দিন। মডারেটর বা পরিবারের যাঁরা পেজ চালান, তাঁদের বলুন এই কয়দিন কোনো লিংকে চাপবেন না, কোনো অ্যাক্সেস রিকোয়েস্ট Accept করবেন না। হ্যাকার প্রায়ই একজনের পর আরেকজনকে টার্গেট করে।
  6. পেজ রিকভারি ফর্ম জমা দিন। কীভাবে, সেটা নিচে আলাদা করে বলেছি।

এই এক ঘণ্টায় হ্যাকারকে মেসেজ দিয়ে অনুনয় করবেন না, টাকাও দেবেন না। টাকা দিলে পেজ ফেরত আসবে, তার কোনো গ্যারান্টি নেই। বরং আপনি টাকা দেন জানলে সে আবার আসবে।

facebook.com/hacked দিয়ে নিজের প্রোফাইল ফেরত আনা

পেজের নিজের কোনো পাসওয়ার্ড নেই। পেজ চলে যাঁদের হাতে অ্যাক্সেস আছে, তাঁদের প্রোফাইল দিয়ে। তাই হ্যাকার সাধারণত আগে আপনার প্রোফাইলে ঢোকে, তারপর পেজে নিজেকে বসিয়ে আপনাকে সরিয়ে দেয়। প্রোফাইল ফেরত না পেলে পেজের ফর্মও জমা দিতে পারবেন না, কারণ ফর্ম দেখতে হলে লগইন করা লাগে।

প্রোফাইল ফেরত আনতে facebook.com/hacked খুলুন। Meta বারবার একটা কথা বলে, এটা খুলবেন সেই ফোন বা কম্পিউটার থেকে, যেটায় আগে ফেসবুকে লগইন করতেন। চেনা ডিভাইস দেখে Meta বুঝতে পারে আসল মালিক আপনি। নতুন ফোন বা সাইবার ক্যাফে থেকে চেষ্টা করলে এই সুবিধাটা হারান। তারপর স্ক্রিনে যে প্রশ্ন আসে, সেগুলোর সত্যি উত্তর দিয়ে ধাপগুলো শেষ করুন।

হ্যাকার যদি ইমেইল আর ফোন নম্বর দুটোই চেঞ্জ করে দেয়, তখনো রাস্তা আছে। চেনা ডিভাইস থেকে facebook.com/login/identify খুলুন, আর পুরনো ইমেইল, ফোন নম্বর বা নাম দিয়ে অ্যাকাউন্টটা খুঁজুন। তারপর No longer have access to these? ধরনের অপশনে চেপে এমন একটা নতুন ইমেইল বা নম্বর দিন, যেটা আগে এই অ্যাকাউন্টে ছিল না। এরপর Meta যা চায়, সেই ভেরিফিকেশন শেষ করে নতুন পাসওয়ার্ড দিন।

অনেক সময় Meta পরিচয় মিলিয়ে নিতে চায়। তখন নামসহ কোনো সরকারি আইডির ছবি চাইতে পারে, কোথাও ভিডিও সেলফির অপশনও আসে। কোনটা লাগবে, সেটা স্ক্রিনই বলে দেবে। আইডি দেবেন শুধু facebook.com-এর ভেতরের এই ধাপে, অন্য কোনো লিংকে বা কাউকে মেসেজে না।

প্রোফাইলে ঢুকতে পারলে সাথে সাথে পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করুন, আর Where you're logged in থেকে নিজের ফোন ছাড়া সব ডিভাইস লগ আউট করুন। Accounts Center-এ অচেনা কোনো ইমেইল বা ফোন নম্বর যোগ হয়ে থাকলে সেটাও সরান। কিছু ফোনে Accounts Center-এর নাম এখন Meta Account দেখায়। হ্যাকার নিজের নম্বর রেখে গেলে পাসওয়ার্ড রিসেট করে আবার ঢুকে পড়বে।

পেজের অ্যাক্সেস কেউ কেড়ে নিলে Meta-র কাছে কোথায় জানাবেন?

প্রোফাইল আপনার হাতে, কিন্তু পেজটা আর লিস্টে নেই। তার মানে হ্যাকার পেজে নিজেকে full control দিয়ে আপনাকে সরিয়ে দিয়েছে। Meta-র "About Facebook Page access" হেল্প পেজে লেখা আছে, full control যার হাতে থাকে সে আপনাকেসহ যে কাউকে পেজ থেকে সরাতে পারে, চাইলে পুরো পেজ ডিলিটও করতে পারে। তাই এখানে দেরি করা মানে পেজ হারানোর ঝুঁকি বাড়ানো।

রাস্তা একটাই, Meta-র পেজ রিকভারি ফর্ম। "Recover a hacked Facebook Page that you manage" হেল্প পেজে এই ফর্মের লিংক আছে, সরাসরি খুলতে চাইলে লিংকটা facebook.com/help/contact/957215276032920। ফর্মে আপনি যে পেজের অ্যাক্সেস হারিয়েছেন সেটা সিলেক্ট করবেন, তারপর স্ক্রিনের প্রশ্নগুলোর উত্তর দেবেন। Meta লিখেছে, তারা ইমেইলে উত্তর দেয়, চেষ্টা করে এক দিনের মধ্যে দিতে, তবে কিছু রিভিউতে বেশি সময় লাগে।

ফর্মে পেজটাই সিলেক্ট করা না গেলে, Meta-র কথায় তারা দেখছে না যে আপনি সম্প্রতি এই পেজের অ্যাক্সেস হারিয়েছেন। এটা প্রায়ই হয় যখন অনেক দিন আগে সরানো হয়েছে, অথবা হ্যাক হয়েছে অন্য কোনো অ্যাডমিনের প্রোফাইল। শেষেরটা হলে ফর্ম জমা দিতে হবে ওই অ্যাডমিনকেই, নিজের প্রোফাইলে লগইন করে। Meta বলে, অন্যের হয়ে জমা দেওয়া যায় না।

Meta এটাও লিখেছে, পেজটা যে হ্যাক হয়েছিল সেটা তারা মিলিয়ে নিতে পারলে তবেই ব্যবস্থা নেয়। তাই ফর্মে ছোট করে সত্যি কথা লিখুন। কখন টের পেলেন, কোন ইমেইল বা নোটিফিকেশন এসেছিল, আর পেজে কী কী চেঞ্জ হয়েছে। একই ফর্ম দিনে পাঁচবার জমা দিলে কাজ দ্রুত হয় না।

ফেসবুক পেজের Page access অংশের সহজ নকশা, People with Facebook access লিস্টে একটা অচেনা প্রোফাইল লাল দাগে চিহ্নিত আর পাশে Remove বাটন, ডানে পেজ ফেরত পাওয়ার পর মিলিয়ে দেখার পাঁচটা জায়গা
পেজ ফেরত পেলে প্রথম কাজ, Page access-এ অচেনা সবাইকে সরানো

পেজ ফেরত পেলে Meta বলছে, পেজ আর business portfolio-তে যা যা চেঞ্জ হয়েছে আর আপনি চেনেন না, সব উল্টে দিন। পেজে সুইচ করে প্রোফাইল ছবিতে চাপুন, তারপর Settings and privacy, তারপর Settings। সেখান থেকে Page setup, তারপর Page access। People with Facebook access লিস্টে অচেনা কেউ থাকলে সরিয়ে দিন। Business Suite-এর Settings-এ People আর Partners দুটোই দেখুন, কারণ হ্যাকার অনেক সময় নিজের বিজনেসকে পার্টনার বানিয়ে রেখে যায়। এরপর পেজের নাম, প্রোফাইল ছবি, পিন করা পোস্ট আর চালু থাকা অ্যাডগুলো দেখুন। হ্যাকারের দেওয়া পোস্ট আর অ্যাড ডিলিট করুন, কারণ ওগুলো দিয়েই সে আপনার কাস্টমারদের ঠকাতে চেয়েছে।

অ্যাড অ্যাকাউন্টে কার্ড থেকে টাকা কাটলে কী করবেন?

শপের পেজ হ্যাক করার সবচেয়ে বড় লোভ হলো অ্যাড অ্যাকাউন্টে লাগানো কার্ড। হ্যাকার আপনার টাকায় নিজের অ্যাড চালায়, প্রায়ই ভুয়া অফার বা প্রতারণার অ্যাড। এজন্যই প্রথম এক ঘণ্টার লিস্টে কার্ড ব্লক করাকে Meta-র ফর্মের আগে রেখেছি।

একটা উদাহরণ দিলে বুঝবেন কেন। ধরুন অ্যাডের জন্য আপনার ডুয়েল কারেন্সি কার্ডে ৫০০ ডলারের লিমিট আছে। ডলার ১২২ টাকা ধরলে সেটা ৬১,০০০ টাকা। হ্যাকার রাত ১টায় ঢুকল, আর আপনি টের পেলেন সকাল ১০টায়। মাঝের নয় ঘণ্টায় পুরো লিমিটটাই তার নাগালে ছিল। সংখ্যাগুলো উদাহরণ, কিন্তু হিসাবটা সত্যি। যতক্ষণ কার্ড চালু, ততক্ষণ ক্ষতি বাড়তেই পারে।

ব্যাংকের ফোনটা আগে কেন, সেটা Meta-র নিয়মেই আছে। Meta-র "Remove a payment method from your Meta ad account" হেল্প পেজে লেখা আছে, কার্ড সরাতে হলে আপনার সেই পারমিশন থাকতে হবে আর কোনো বকেয়া থাকা যাবে না। অ্যাড চালু থাকলে আগে সব অ্যাড পজ করতে হয়, আর পজের পরেও ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। হ্যাকার অ্যাকাউন্ট দখলে রাখলে এর কিছুই আপনি পারবেন না। অথচ ব্যাংক এক ফোনেই কার্ড বন্ধ করে দেয়।

অ্যাড অ্যাকাউন্টে ঢুকতে পারলে আগে সব অ্যাড পজ করুন। তারপর Billing and payments খুলে Payment settings থেকে কার্ডের পাশে Options, তারপর Remove চাপুন। Billing-এ পেমেন্টের ইতিহাস আর প্রতিটা চার্জের Billing Reason দেখুন, আর Ad Account Roles-এ দেখুন কার কার হাতে অ্যাকাউন্টের অ্যাক্সেস আছে। এসব দেখার পরও অচেনা খরচ থাকলে Meta-র "Troubleshoot unrecognised activity on your ad account" হেল্প পেজের রাস্তা দিয়ে Meta-কে জানান।

এজেন্সির অ্যাড অ্যাকাউন্ট দিয়ে অ্যাড চালালে এজেন্সিকেও এখনই ফোন দিন। হ্যাকার আপনার পেজ দিয়ে ওই অ্যাকাউন্টে অ্যাড চালাতে পারে। সেই টাকা কাটবে এজেন্সির ব্যালেন্স থেকে, যা শেষে আপনার ঘাড়েই পড়বে।

কার্ড থেকে টাকা কেটে গেলে ব্যাংকে ডিসপিউট জমা দিন, মানে লিখিতভাবে জানান যে লেনদেনটা আপনি করেননি। প্রতিটা ব্যাংকের নিয়ম আলাদা। উদাহরণ হিসেবে, Eastern Bank-এর "EBL Card Dispute Mechanism" কাগজে লেখা আছে লেনদেনের তারিখ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে অভিযোগ জানাতে হয়, আর মিটতে ৩৫ থেকে ১২০ দিন লাগতে পারে। নিজের ব্যাংকের সময়সীমা হেল্পলাইনে জেনে নিন, সাথে স্ক্রিনশটগুলো দিন। টাকা ফেরত আসবেই, এই কথা কেউ দেয় না। তবে দেরিতে জানালে সুযোগটাই হারান।

পেজ ফেরত না পাওয়া পর্যন্ত কাস্টমারকে কীভাবে জানাবেন?

হ্যাক হওয়া শপের পেজের সবচেয়ে বড় বিপদটা আপনার কাস্টমারের। হ্যাকার আপনার পেজের নাম আর রিভিউ দেখিয়ে ইনবক্সে "ধামাকা অফার" দেয়, তারপর bKash-এ অগ্রিম টাকা চায়। কাস্টমার ভাবেন আপনিই চাইছেন, কারণ পেজটা তো আপনারই। টাকা গেলে দোষ পড়ে আপনার দোকানের নামে। তাই পেজ ফেরত আসার অপেক্ষা না করে ফেসবুকের বাইরের রাস্তায় কাস্টমারকে জানিয়ে দিন।

সবচেয়ে কাজের রাস্তা হলো পুরনো কাস্টমারদের ফোন নম্বর। যাঁরা আপনার কাছ থেকে কিনেছেন, হ্যাকারের প্রথম টার্গেট তাঁরাই। তাই আপনার প্রথম মেসেজও তাঁদের কাছেই যাবে। একটা ছোট SMS পাঠান, এরকম।

"রহিম ভাই, মধুবন শপের পেজ হ্যাক হয়েছে। পেজ থেকে কেউ অগ্রিম টাকা চাইলে দেবেন না। অর্ডার করতে কল দিন 01XXXXXXXXX"

নাম, দোকান আর নম্বর নিজেরটা বসিয়ে নিন। বাংলা অক্ষরের SMS ৭০ অক্ষরের বেশি হলে কয়েক ভাগে যায়, তাই এটা দুই-তিনটা SMS-এর সমান হবে। এখানে খরচ বাঁচানোর চেয়ে কথাটা পরিষ্কার পৌঁছানো জরুরি। নম্বরের লিস্ট হাতে না থাকলে কুরিয়ারের প্যানেলে আগের পার্সেলগুলো খুলুন, সেখানে নাম আর নম্বর থাকে। পুরনো কাস্টমারের লিস্ট কীভাবে গুছিয়ে রাখবেন আর কাকে আগে ফোন দেবেন, সেটা পুরনো কাস্টমারকে আবার বিক্রির লেখায় বিস্তারিত আছে।

WhatsApp স্ট্যাটাসে আর নিজের প্রোফাইলেও একই কথা দিন, বন্ধু আর পরিবারকে শেয়ার করতে বলুন। নিজের ওয়েবসাইট থাকলে হোমপেজের ওপরে এক লাইনের নোটিশ রাখুন, আর অর্ডার নেওয়া চালু রাখুন ওয়েবসাইট আর ফোনে। পেজ যেকোনো দিন হাতছাড়া হতে পারে, কিন্তু নিজের ডোমেইনের ওয়েবসাইট আপনার নিজের।

পেজ ফেরত পেলে পেজে একটা পোস্ট দিন। কবে থেকে কবে পর্যন্ত পেজ আপনার হাতে ছিল না, সেটা লিখুন, আর ওই সময়ে কেউ টাকা পাঠিয়ে থাকলে আপনাকে জানাতে বলুন। এই সময়ে আপনার আচরণ দেখেই কাস্টমার ঠিক করেন, পরে আবার আপনার কাছ থেকে কিনবেন কি না।

"পেজ ফেরত দেব" বলা প্রতারকদের চিনবেন কীভাবে?

পেজ হ্যাকের পোস্ট দিলেই কমেন্টে আর ইনবক্সে কিছু লোক আসেন। কেউ বলেন "রিকভারি এক্সপার্ট", কেউ বলেন "Meta-তে আমার লোক আছে", তবে আগে টাকা দিতে হবে। Meta-র রিকভারি ফর্ম আর facebook.com/hacked আপনি নিজেই খুলতে পারেন, কোনো টাকা লাগে না। বাইরের কেউ এর বেশি কিছু করতে পারেন, এমন কোনো রাস্তার কথা Meta-র হেল্প পেজে নেই। এঁদের বেশিরভাগ হয় অগ্রিম টাকা নিয়ে উধাও হন, নয়তো পাসওয়ার্ড আর লগইন কোড চেয়ে নেন। তারপর যা বাকি ছিল, সেটাও যায়।

দ্বিতীয় দলটা আরও চালাক। তারা "Meta Support" বা "Facebook Team" নামে মেসেজ পাঠায়। বলে আপনার পেজ কপিরাইট বা কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ডস ভেঙেছে, ২৪ ঘণ্টায় আপিল না করলে ডিলিট হবে। লিংকে গেলে ফেসবুকের মতো দেখতে একটা লগইন পেজ আসে। Meta-র হেল্প পেজ বলছে, পলিসি ভাঙার মিথ্যা অভিযোগ আর অ্যাকাউন্ট বন্ধের হুমকি এই প্রতারণার চেনা কৌশল। অনেক পেজ ঠিক এভাবেই প্রথমবার হ্যাক হয়।

এই কয়েকটা জিনিস দেখলেই থেমে যাবেন।

  • পেজ ফেরত দেওয়ার বা "ভেরিফাই" করার জন্য টাকা চাইছে। Meta-র বিজনেস হেল্প পেজে লেখা আছে, Meta-র আসল লোক কখনো টাকা, পাসওয়ার্ড বা কার্ডের তথ্য চান না।
  • পাসওয়ার্ড, লগইন কোড বা রিকভারি কোড চাইছে। Meta লিখেছে, ফেসবুক কখনো ইমেইলে আপনার পাসওয়ার্ড চায় না।
  • "২৪ ঘণ্টার মধ্যে না করলে পেজ ডিলিট" বলে তাড়া দিচ্ছে। তাড়া দেওয়া হয়, যাতে আপনি ভেবে দেখার সময় না পান।
  • ইমেইল অ্যাড্রেসের বানান ফেসবুকের মতো, কিন্তু একটু আলাদা। Meta-র হেল্প পেজ অনুযায়ী আসল মেইল আসে শুধু fb.com, facebook.com, facebookmail.com, instagram.com, meta.com আর metamail.com থেকে।
  • অচেনা বিজনেস থেকে পার্টনার রিকোয়েস্ট এসেছে, সাথে একটা লিংক। প্রতারকেরা Business Suite দিয়ে এমন রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছে, যার মেইল আসল facebookmail.com থেকেই আসে। তাই শুধু ইমেইল অ্যাড্রেস দেখে ভরসা করবেন না।
একটা মোবাইলের স্ক্রিনে ভুয়া "Meta Support" মেসেজের নকশা, যেখানে পেজ ২৪ ঘণ্টায় ডিলিট হওয়ার হুমকি আর একটা আপিলের লিংক, তিনটা জায়গা লাল গোল দাগে চিহ্নিত
তাড়া, হুমকি আর লিংক একসাথে দেখলেই বুঝবেন মেসেজটা ভুয়া

কোনো মেইল সত্যিই Meta-র কি না, নিজেই মিলিয়ে নিতে পারেন। facebook.com/recent_emails/security খুলুন, অথবা Accounts Center থেকে Password and security, তারপর Recent emails। Meta-র হেল্প পেজ বলছে, এখানে গত এক বছরের সিকিউরিটি মেইল দেখা যায়। সন্দেহের মেইল phish@fb.com-এ ফরোয়ার্ড করে Meta-কে জানাতে পারেন।

আবার যেন হ্যাক না হয়, ৬টা সেটিং

পেজ ফেরত পেলে সবাই হাঁফ ছেড়ে আগের মতো চলতে থাকেন। কিন্তু যে দরজা দিয়ে হ্যাকার একবার ঢুকেছে, সেটা বন্ধ না করলে সে আবার আসতে পারে। নিচের ছয়টা কাজ আজই করে ফেলুন, আধা ঘণ্টার বেশি লাগবে না।

১. টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন, পেজের সব অ্যাডমিনের

টু-ফ্যাক্টর চালু থাকলে অচেনা ডিভাইস থেকে লগইনের সময় পাসওয়ার্ডের পরেও একটা কোড লাগে। তাই পাসওয়ার্ড চুরি হলেও হ্যাকার সহজে ঢুকতে পারে না। চালু করার রাস্তা হলো Settings and privacy, তারপর Settings, Accounts Center, Password and security, আর Two-factor authentication। কোন পদ্ধতিটা বেছে নেবেন আর ১০টা রিকভারি কোড কোথায় রাখবেন, সেটা ফেসবুক বিজনেস পেজ খোলার নিয়মের লেখায় ধাপে ধাপে বলেছি। আর এটা পেজের প্রতিটা অ্যাডমিনের প্রোফাইলে চালু করাবেন, কারণ দলের সবচেয়ে দুর্বল প্রোফাইল দিয়েই পুরো পেজ যায়।

২. Advanced Protection চালু করুন

Advanced Protection হলো Meta-র একটা বাড়তি পাহারা। এটা চালু করলে Meta আপনার অ্যাকাউন্টের দুর্বল জায়গাগুলো খুঁজে দেখায়, আর পাসকি বানাতে, শক্ত পাসওয়ার্ড দিতে বা টু-ফ্যাক্টর চালু করতে বলে। Meta-র হেল্প পেজে লেখা আছে, অ্যাড চালানো কোনো business portfolio-তে যুক্ত প্রোফাইল, আর অনেক ফলোয়ারের পেজের সাথে যুক্ত প্রোফাইলের জন্য এটা চালু করতেই হবে। শেষ না করলে কিছু ফিচার বা পুরো অ্যাকাউন্টের অ্যাক্সেস হারাতে পারেন। চালু করতে Settings and privacy, তারপর Accounts Center, তারপর Password and security, তারপর Advanced Protection। পেজ রিকভারির হেল্প পেজেও Meta পেজ ফেরত পাওয়ার পর এটা চালু করতে বলেছে।

৩. full control রাখুন শুধু দুজনের হাতে

পেজে full control মানে পেজের চাবি। এটা থাকুক আপনার আর পরিবারের এমন একজনের হাতে, যাঁকে চোখ বুজে বিশ্বাস করেন। আবার একজনের হাতে রাখাও ঝুঁকি। Meta-র হেল্প পেজ বলছে, full control থাকা কেউ না থাকলে পেজ নিজে থেকেই ডিঅ্যাক্টিভেট হয়ে ডিলিটের জন্য শিডিউল হয়ে যায়। মডারেটরকে দিন task access, যাতে তিনি Business Suite থেকে মেসেজ আর কমেন্টের উত্তর দিতে পারেন কিন্তু কাউকে সরাতে না পারেন। কেউ কাজ ছেড়ে দিলে সেদিনই তাঁর অ্যাক্সেস সরান।

৪. মাসে একবার লগইন আর ইমেইল চেক

মাসের প্রথম দিন পাঁচ মিনিট সময় দিন। Where you're logged in-এ অচেনা ফোন বা শহর আছে কি না দেখুন, আর Page access ও Business Suite-এর People লিস্টে অচেনা নাম আছে কি না দেখুন। Recent emails-এ ফেসবুকের মেইলগুলো একবার পড়ুন। হ্যাকার অনেক সময় কয়েক দিন চুপচাপ থাকে, এই অভ্যাস থাকলে সে কিছু করার আগেই ধরে ফেলবেন।

৫. অ্যাডের কার্ডে লিমিট কম রাখুন

অ্যাডের জন্য আলাদা একটা কার্ড রাখুন, আর তাতে এক সপ্তাহের অ্যাডের টাকার বেশি রাখবেন না। অনেক ব্যাংকের অ্যাপে কার্ডের অনলাইন লেনদেন বন্ধ-চালু করার বা লিমিট ঠিক করার অপশন থাকে, আপনার ব্যাংকে আছে কি না জেনে নিন। হ্যাক হলে তখন ক্ষতি থেমে যায় ওই লিমিটেই। ওপরের ৫০০ ডলারের উদাহরণে লিমিট ১০০ ডলার রাখলে সবচেয়ে খারাপ দিনেও ক্ষতি পাঁচ ভাগের এক ভাগ।

৬. ফেসবুকের ইমেইলটাও তালাবন্ধ রাখুন

ফেসবুকের পাসওয়ার্ড রিসেটের লিংক আর ইমেইল চেঞ্জ উল্টে দেওয়ার লিংক, দুটোই যায় আপনার ইমেইলে। তাই ইমেইল হ্যাক হলে ফেসবুকও যায়। ইমেইলেও টু-ফ্যাক্টর চালু করুন, আর দুই জায়গায় একই পাসওয়ার্ড রাখবেন না। যে পুরনো ইমেইল আর খোলেন না, তার জায়গায় এমন একটা দিন যেটা রোজ দেখেন।

পেজ সামলানোর পাশাপাশি একবার ভাবুন, পেজ হাতছাড়া হলে ব্যবসা কতটা চলবে। কাস্টমারের লিস্ট খাতা বা Google Sheet-এও রাখা যায়, আর WinningSeller-এ এটা নিজে থেকেই হয়। সেখানে নিজের ডোমেইনে স্টোর থাকে, প্রতিটা অর্ডারের নাম-নম্বর এক জায়গায় জমা থাকে, আর নিজের SMS অ্যাকাউন্ট দিয়ে অর্ডারের SMS যায়। পুরনো কাস্টমারকে ফোন দেওয়ার জন্য ফলোআপ কল সিস্টেমও আছে। বাকি সব ফিচার এখানে দেখে নিন।

আজ অন্তত একটা কাজ করুন। নিজের প্রোফাইলে টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন চালু আছে কি না দেখুন, আর পেজের Page access লিস্টটা একবার খুলে পড়ুন। হ্যাকের পরে এসব করতে গেলে হাত-পা বাঁধা থাকে। আগে করলে দশ মিনিটের কাজ।

সাধারণ প্রশ্ন

হ্যাক হওয়া ফেসবুক পেজ কি আবার ফেরত পাওয়া যায়?

অনেক সময় যায়, তবে কেউ গ্যারান্টি দিতে পারে না। Meta-র হেল্প পেজে লেখা আছে, পেজটা যে হ্যাক হয়েছিল সেটা তারা মিলিয়ে দেখতে পারলে তবেই ব্যবস্থা নেয়। তাই যত তাড়াতাড়ি পারেন পেজ রিকভারি ফর্ম জমা দিন, আর ফর্মে হ্যাকের সময় আর আপনার কাছে আসা ইমেইলের কথা পরিষ্কার লিখুন।

পেজ রিকভারি ফর্ম জমা দিলে উত্তর পেতে কত দিন লাগে?

Meta-র হেল্প পেজ বলছে, তারা এক দিনের মধ্যে ইমেইলে উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করে, তবে কিছু রিভিউতে বেশি সময় লাগে। এই সময়ে একই ফর্ম বারবার জমা না দিয়ে ইমেইলটা খেয়াল রাখুন, স্প্যাম ফোল্ডারও দেখুন।

প্রোফাইলেই লগইন করতে পারছি না, তাহলে পেজের ফর্ম জমা দেব কীভাবে?

আগে প্রোফাইল ফেরত আনতে হবে, কারণ ফর্মটা দেখতে হলে লগইন করা লাগে। আগে যে ফোন বা কম্পিউটারে ফেসবুক চালাতেন, সেটা থেকে facebook.com/hacked খুলে স্ক্রিনের ধাপগুলো শেষ করুন। প্রোফাইলে ঢুকতে পারলে তারপর পেজের ফর্মে যান।

কেউ টাকা নিয়ে পেজ ফেরত দেওয়ার কথা বলছে, দেব?

না। Meta-র নিজের রিকভারি ফর্ম আর facebook.com/hacked চালাতে কোনো টাকা লাগে না, আর Meta-র বিজনেস হেল্প পেজে লেখা আছে, Meta-র আসল লোক কখনো টাকা, পাসওয়ার্ড বা কার্ডের তথ্য চান না। এমন লোক সাধারণত অগ্রিম টাকা নিয়ে উধাও হয়, নয়তো আপনার লগইন কোড চেয়ে নিয়ে দ্বিতীয়বার হ্যাক করে।

হ্যাকারের চালানো অ্যাডের টাকা কি ফেরত পাওয়া যায়?

টাকা ফেরত আসবেই, এমন কথা Meta বা ব্যাংক কেউ লিখে দেয় না। আপনার কাজ হলো কার্ড ব্লক করা, Meta-কে অচেনা খরচের কথা জানানো, আর ব্যাংকে ডিসপিউট জমা দেওয়া। যেমন Eastern Bank-এর কার্ড ডিসপিউটের নিয়মে লেনদেনের তারিখ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে অভিযোগ জানাতে হয়, তাই দেরি করবেন না।

Meta Verified থাকলে কি পেজ তাড়াতাড়ি ফেরত পাব?

Meta-র পেজ রিকভারির হেল্প পেজেই লেখা আছে, Meta Verified বা অন্য কোনো সাপোর্ট থাকলেও এই ফর্মটাই পেজ ফেরত পাওয়ার সবচেয়ে দ্রুত রাস্তা। তাই শুধু হ্যাকের ভয়ে কিছু কিনতে হবে না। আর কেউ "ভেরিফায়েড করে দেব, পেজও ফেরত দেব" বলে টাকা চাইলে সেটাও প্রতারণা।

#পেজ হ্যাক#ফেসবুক পেজ#পেজ রিকভারি#টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন#অ্যাড অ্যাকাউন্ট#ফিশিং#অনলাইন ব্যবসা

আরও পড়ুন

ওয়েবসাইটের মেনু আর ফুটারে কী রাখবেন? অনলাইন দোকানের জরুরি পেজসহ

ওয়েবসাইটের মেনুতে কয়টা লিংক রাখবেন, হেডারে কল আর WhatsApp বাটন কেন, ফুটারে ঠিকানা আর ট্রেড লাইসেন্স নম্বর কোথায় বসবে, আর About, যোগাযোগ, ডেলিভারি ও রিটার্নের পেজে কী লিখবেন। ফোনে দোকান খুলে এক ঘণ্টায় গুছিয়ে নেওয়ার পুরো নিয়ম।

·১২ মিনিটে পড়া যায়

গুগল সার্চ কনসোল কি? দোকানের ওয়েবসাইট গুগলে তুলবেন যেভাবে

গুগল সার্চ কনসোল হলো Google-এর ফ্রি টুল, যেখানে দেখা যায় কোন সার্চে আপনার দোকান আসছে আর কোন পেজ গুগলের লিস্টে আছে। নিজের ডোমেইনে DNS দিয়ে মালিকানা প্রমাণ, sitemap.xml সাবমিট, URL Inspection, "Not indexed" দেখলে কী করবেন, আর কোন পথ দোকানে আসলে কাজ করে না।

·১২ মিনিটে পড়া যায়

বিজনেস ক্যাপশন, ফেসবুকে সেল পোস্টে কী লিখলে অর্ডার আসে

ছবি সুন্দর, তবু ইনবক্সে সবাই শুধু দাম জিজ্ঞেস করে? সেল পোস্টের প্রথম দুই লাইনে কী লিখবেন, ক্যাপশনে কোন পাঁচটা কথা থাকতেই হবে, দাম লিখবেন কি না, নতুন মাল, অফার, স্টকে ফেরা আর রিভিউর চারটা নমুনা, আর কোন কথায় পোস্ট রিপোর্ট খায়।

·১০ মিনিটে পড়া যায়