WinningSeller
অনলাইন ব্যবসা শুরু১৩ মিনিটে পড়া যায়

ফুড লাইসেন্স কিভাবে করব? অনলাইনে খাবার বেচার কাগজপত্র ২০২৬

ঘরে বানানো আচার, কেক, ঘি বা মধু অনলাইনে বেচলে কোন কাগজ লাগে, জুলাই ২০২৬-এর নতুন রেজিস্ট্রেশনের নিয়ম কী, BSTI কোন খাবারে লাগে, কত টাকা যায় আর প্যাকেটের লেবেলে কী লিখতেই হবে। সরকারি ওয়েবসাইট আর আইন মিলিয়ে লেখা।

ফুড লাইসেন্স কিভাবে করব? অনলাইনে খাবার বেচার কাগজপত্র ২০২৬
এই লেখায় যা আছে
  1. অনলাইনে খাবার বিক্রি করতে কোন কোন লাইসেন্স লাগে?
  2. "ফুড লাইসেন্স" বলতে আসলে কোনটা বোঝায়?
  3. ফুড লাইসেন্স কিভাবে করব? নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষে রেজিস্ট্রেশনের পথ
  4. ফুড লাইসেন্স করতে কি কি লাগে?
  5. ফুড লাইসেন্স করতে কত টাকা লাগে?
    1. একটা উদাহরণ, ঘি বেচলে প্রথম বছরে BSTI-তে কত যায়
  6. BSTI লাইসেন্স কোন খাবারে লাগে, মধু, ঘি আর তেলে কী নিয়ম?
  7. প্যাকেটের লেবেলে কী লিখতেই হবে?
  8. লাইসেন্স ছাড়া খাবার বেচলে কী ঝুঁকি?
  9. কোনটা আগে করবেন? আপনার খাবার ধরে একটা সহজ নিয়ম

ফুড লাইসেন্স কিভাবে করব, এর সোজা উত্তর হলো একটা না, সাধারণত তিনটা কাগজ করতে হয়। প্রথমটা ট্রেড লাইসেন্স, যেটা খাবারের ব্যবসার ধরন দিয়ে করবেন আপনার সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে। দ্বিতীয়টা বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের রেজিস্ট্রেশন। ১৬ জুলাই ২০২৬-এর গেজেটের পর খাবারের প্রায় সব ব্যবসার এটা লাগে। তৃতীয়টা BSTI-র CM লাইসেন্স, যেটা লাগে শুধু তখন, যখন আপনার খাবার BSTI-র বাধ্যতামূলক লিস্টে আছে। মধু, ঘি, সরিষার তেল, মসলার গুঁড়া, আচার, কেক আর চানাচুর এই লিস্টেই পড়ে।

কোনটা আপনার লাগবে, সেটা নির্ভর করে আপনি কী বেচেন আর নিজের নামে প্যাকেট করেন কি না। নিচে প্রতিটা কাগজ কোথায় করবেন, কী জমা দিতে হয়, কত টাকা যায় আর প্যাকেটে কী লিখতেই হবে, সরকারি ওয়েবসাইট, আইন আর খবর মিলিয়ে লিখেছি। নিয়মগুলো ২০২৬ সালেই বদলেছে, সামনে আরও বদলাতে পারে। তাই প্রতিটা টাকার অঙ্কের পাশে কোথা থেকে নেওয়া সেটাও লিখে দিয়েছি, আবেদনের দিন একবার মিলিয়ে নেবেন।

অনলাইনে খাবার বিক্রি করতে কোন কোন লাইসেন্স লাগে?

শুরু করুন ট্রেড লাইসেন্স দিয়ে, কারণ বাকি দুই অফিসই এটার কপি চায়। কোথায় করবেন, বাসার ঠিকানায় করা যায় কি না, কী কাগজ আর কত টাকা লাগে, সেটা আলাদা করে আছে অনলাইন ব্যবসার ট্রেড লাইসেন্সের লেখায়। খাবারের বেলায় শুধু একটা জিনিস খেয়াল রাখবেন। আবেদনের ফর্মে ব্যবসার ধরন হিসেবে খাবার বানানো বা খাবার বিক্রির ধরনটাই সিলেক্ট করবেন। লাইসেন্সে "জেনারেল স্টোর" লেখা থাকলে পরে BSTI বা নিরাপদ খাদ্য অফিসে কাগজ দেওয়ার সময় প্রশ্ন ওঠে।

দ্বিতীয় কাগজটা নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের। নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর ৩৯ ধারায় লেখা আছে, কোনো আইনে রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক হলে রেজিস্ট্রেশন ছাড়া খাবার বানানো, মজুত বা বেচা যাবে না। এতদিন ছোট সেলারের বেলায় ব্যাপারটা পরিষ্কার ছিল না। Bangladesh Monitor আর The Daily Star-এর জুলাই ২০২৬-এর খবর অনুযায়ী, ১৬ জুলাই নতুন প্রবিধানমালার গেজেট বের হয়েছে। সেখানে প্যাকেট করা খাবার বানানো প্রতিষ্ঠান, বেকারি, মিষ্টির দোকান, এমনকি রাস্তার পাশের পিঠার দোকানকেও রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আনা হয়েছে। ঘরে আচার বা কেক বানিয়ে প্যাকেটে ভরে বেচলে আপনিও এই দলে পড়েন।

তৃতীয়টা BSTI-র CM লাইসেন্স, মানে প্যাকেটে BSTI-র মান চিহ্ন বসানোর অনুমতি। এটা সব খাবারে লাগে না, লাগে সরকারের বাধ্যতামূলক লিস্টে থাকা খাবারে। কোন খাবার সেই লিস্টে আছে, নিচে আলাদা করে বলছি।

"ফুড লাইসেন্স" বলতে আসলে কোনটা বোঝায়?

সরকারি কাগজে "ফুড লাইসেন্স" নামে আলাদা কোনো সনদ নেই। মানুষ মুখে এই এক নাম দিয়ে তিনটা আলাদা জিনিস বোঝায়। কেউ বোঝায় খাবারের ধরনে করা ট্রেড লাইসেন্স, কেউ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কাগজ, কেউ আবার BSTI-র লাইসেন্স। তাই কোনো এজেন্সি "ফুড লাইসেন্স করে দেব" বললে আগে জিজ্ঞেস করুন, কোন অফিসের কোন কাগজ, আর তার সরকারি ফি কত। এই এক প্রশ্নেই বুঝে যাবেন উনি কাজটা জানেন, নাকি শুধু নামটা বেচছেন।

নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নতুন নিয়মেও দুটো ভাগ আছে, একটা রেজিস্ট্রেশন আর একটা লাইসেন্স। খবর অনুযায়ী বেশিরভাগ ছোট আর মাঝারি খাবারের ব্যবসার জন্য রেজিস্ট্রেশনই যথেষ্ট। লাইসেন্স লাগবে কিছু বিশেষ খাবারে। সেই দলে আছে শিশুদের ফর্মুলা দুধ, ভিটামিন মেশানো ফর্টিফায়েড খাবার, অর্গানিক আর জিএমও খাবার, ভোজ্যতেল আর বেসরকারি খাদ্য গুদাম।

এখান থেকে দুটো কাজের কথা পাওয়া যায়। ঘানিতে ভাঙানো সরিষার তেল বেচলে জেলা অফিসে আলাদা করে জিজ্ঞেস করুন, আপনার রেজিস্ট্রেশন লাগবে নাকি লাইসেন্স। আর প্যাকেটে বা অ্যাডে "অর্গানিক" লেখার আগে দুবার ভাবুন। অর্গানিক খাবার লাইসেন্সের দলে পড়ে, আর প্রমাণ ছাড়া এই দাবি করলে নিচের লেবেলের নিয়মেও আটকে যাবেন।

ফুড লাইসেন্স কিভাবে করব? নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষে রেজিস্ট্রেশনের পথ

এখানে সত্যি কথাটা আগে বলি। নিয়মটা গেজেটে এসেছে, কিন্তু অক্টোবর ২০২৬-এ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের ওয়েবসাইট bfsa.gov.bd-তে সবার জন্য খোলা কোনো আবেদনের লিংক পাইনি। ওয়েবসাইটের আইন ও বিধির পেজেও নতুন প্রবিধানমালার পুরো লেখা তখনো তোলা হয়নি। ITV-র ২৩ আগস্ট ২০২৬-এর খবরে কর্তৃপক্ষ বলেছে, পুরো কাজটা অনলাইনে হবে। আর Bangladesh Monitor-এর খবরে বলা হয়েছে, শুরুতে নজর থাকবে বড় খাবার কারখানার দিকে।

মানে ছোট সেলার হিসেবে হাতে কিছুটা সময় আছে, কিন্তু বসে থাকার মতো সময় না। কাজটা এভাবে শুরু করুন। প্রথমে আপনার জেলার নিরাপদ খাদ্য অফিস খুঁজে বের করুন। বেশিরভাগ জেলার আলাদা ওয়েবসাইট আছে, লিংকটা সাধারণত bfsa.জেলার-নাম.gov.bd ধাঁচের, যেমন ঢাকার জন্য bfsa.dhaka.gov.bd। সেখানে "জেলা অফিসের কর্মকর্তাগণ" অংশে ফোন নম্বর পাবেন।

তারপর একটা ফোন দিন, আর তিনটা প্রশ্ন একবারেই করে ফেলুন। বলতে পারেন, "ভাই, আমি বাসায় ঘি বানিয়ে বয়ামে ভরে অনলাইনে বেচি। নতুন নিয়মে আমার কি রেজিস্ট্রেশন লাগবে, নাকি লাইসেন্স? আবেদন কি এখন অনলাইনে হচ্ছে, নাকি অফিসে এসে ফর্ম দিতে হবে? কী কী কাগজ আনব, আর ফি কত?" যে উত্তর পান, তারিখ আর অফিসারের নামসহ খাতায় লিখে রাখুন। পরে অনলাইন সিস্টেম চালু হলে বা অফিসে গিয়ে অন্য কথা শুনলে এই নোটটাই কাজে আসবে।

আবেদন জমা দেওয়ার পর রিসিট বা আবেদনের নম্বরটার ছবি তুলে রাখুন। রেজিস্ট্রেশনের সনদ হাতে এলে নম্বরটা পেজের "About" অংশে আর ওয়েবসাইটের নিচে লিখে দিন। অচেনা পেজ থেকে খাবার কিনতে মানুষ একটু ভয় পান, সরকারি নম্বর দেখলে কাস্টমারের ভরসা বাড়ে।

বাসার রান্নাঘরের টেবিলে বসে একজন তরুণ পুরুষ সেলার ফোনে কথা বলছেন আর খাতায় নোট লিখছেন, পাশে ঘিয়ের কয়েকটা কাচের বয়াম, জাতীয় পরিচয়পত্র আর ট্রেড লাইসেন্সের ফটোকপি রাখা
আবেদনের আগে জেলা অফিসে একটা ফোন, আর উত্তরগুলো তারিখসহ খাতায় লিখে রাখা

ফুড লাইসেন্স করতে কি কি লাগে?

ট্রেড লাইসেন্সের কাগজের লিস্ট আগের লেখাতেই আছে, তাই এখানে আর দিচ্ছি না। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নতুন রেজিস্ট্রেশনে ঠিক কোন কাগজ লাগবে, তার সরকারি লিস্ট অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত পাইনি। সরকারি যেকোনো রেজিস্ট্রেশনে সাধারণত যা চায়, সেগুলো এক ফাইলে গুছিয়ে রাখুন। আপনার NID আর ছবি, ট্রেড লাইসেন্সের কপি, যেখানে খাবার বানান সেই জায়গার ঠিকানা আর TIN সার্টিফিকেট। জেলা অফিস যে লিস্ট দেবে, তার সাথে মিলিয়ে বাকিটা যোগ করবেন।

BSTI-র লিস্ট অবশ্য পরিষ্কার লেখা আছে। ওদের ওয়েবসাইটের "সিএম লাইসেন্স প্রদান/নবায়ন" পেজ অনুযায়ী আবেদনের সাথে এগুলো দিতে হয়।

  • আপডেট করা ট্রেড লাইসেন্সের সত্যায়িত ফটোকপি
  • ট্রেডমার্ক রেজিস্ট্রেশন বা শিল্প নকশার কাগজের সত্যায়িত ফটোকপি
  • VAT বা TIN সনদের সত্যায়িত ফটোকপি
  • খাবারের বেলায় আপডেট করা প্রিমিসেস লাইসেন্সের সত্যায়িত ফটোকপি
  • প্যাকেটের লেবেল, যেখানে সব তথ্য বাংলায় লেখা

ওই পেজেই লেখা আছে, খাবারভেদে কাগজ একটু আলাদা হতে পারে। প্রিমিসেস লাইসেন্স কোন অফিস থেকে নেবেন, সেটা পেজে বলা নেই, তাই BSTI-র ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টারে জিজ্ঞেস করে নিন। ট্রেডমার্কের কাগজটাও অনেকের কাছে নতুন। ব্র্যান্ডের নাম এখনো ট্রেডমার্ক করা না থাকলে BSTI-তে আবেদনের আগেই এটার খোঁজ নিন, কারণ অনেকের সময় এখানেই আটকে যায়।

ফুড লাইসেন্স করতে কত টাকা লাগে?

খরচ আসে কাগজ ধরে, তাই আলাদা করে দেখুন। নিচের টেবিলে অক্টোবর ২০২৬-এ যেখানে যা লেখা পেয়েছি, সেটাই দিলাম। ট্রেড লাইসেন্সের ফি ব্যবসার ধরন আর এলাকা ভেদে আলাদা, তার হিসাব আগের লেখায় আছে।

কাগজ কে দেয় খরচ (যেখানে লেখা)
ট্রেড লাইসেন্স সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা বা ইউনিয়ন ধরন আর এলাকা ভেদে আলাদা, প্রতি বছর নবায়ন
খাবারের ব্যবসার রেজিস্ট্রেশন নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ১,০০০ টাকা থেকে শুরু, নবায়ন ৫০০ টাকা, মেয়াদ ৩ বছর (জুলাই ২০২৬-এর খবর)
CM লাইসেন্স (লিস্টের খাবারে) BSTI আবেদন ১,০০০ টাকা, আর বছরের এক্স-ফ্যাক্টরি দামের ০.১০%, কমপক্ষে ৩,৫০০ টাকা। ফল থেকে বানানো খাবারে ০.০৭%, কমপক্ষে ৩,০০০ টাকা (BSTI-র ফি শিডিউল)

BSTI-র অঙ্কগুলো নিয়ে একটা কথা জেনে রাখুন। টেবিলের সংখ্যা এসেছে BSTI-র "সি এম লাইসেন্স ফি শিডিউল" পেজ থেকে, যেটা শেষ আপডেট হয়েছে ২৭ জুলাই ২০২৫-এ। সেখানে নবায়নের আবেদন ফিও ১,০০০ টাকা। কিন্তু "সিএম লাইসেন্স প্রদান/নবায়ন" পেজটা পুরনো, শেষ আপডেট ডিসেম্বর ২০২৩। সেখানে নবায়ন ৫০০ টাকা, বছরে কমপক্ষে ১,৮৭৫ টাকা মার্কিং ফি আর বছরে ২০০ টাকার লাইসেন্স ফি লেখা। দুই পেজে দুই রকম অঙ্ক, তাই বিল হাতে পাওয়ার আগে ওয়ান স্টপ সার্ভিসে জেনে নিন এখন কোনটা চলছে। আর নিরাপদ খাদ্যের ফি এসেছে খবর থেকে, প্রবিধানমালার মূল লেখা থেকে না, এটাও মাথায় রাখবেন।

একটা উদাহরণ, ঘি বেচলে প্রথম বছরে BSTI-তে কত যায়

নিচের হিসাবটা একটা উদাহরণ, কোনো আসল দোকানের হিসাব না। ধরুন আপনি মাসে ৬০টা ৫০০ গ্রামের ঘিয়ের বয়াম বেচেন, প্রতিটা ৯৫০ টাকায়। বছরে বিক্রি হলো ৬০ × ১২ × ৯৫০ = ৬,৮৪,০০০ টাকা। BSTI-র CM ফি হিসাব হয় এক্স-ফ্যাক্টরি দামের ওপর, মানে বানানোর জায়গা থেকে মাল বের হওয়ার সময়ের দাম। এটা আপনার বিক্রির দামের চেয়ে কম, কিন্তু হিসাব সহজ রাখতে পুরো বিক্রির অঙ্কটাই ধরলাম। এর ০.১০% হলো ৬৮৪ টাকা।

৬৮৪ টাকা কমপক্ষে ৩,৫০০ টাকার চেয়ে কম, তাই দিতে হবে ৩,৫০০ টাকাই। সাথে আবেদন ফি ১,০০০ টাকা। পুরনো পেজের বছরে ২০০ টাকার লাইসেন্স ফিটাও যদি ধরা হয়, প্রথম বছরে BSTI-তে যায় প্রায় ৪,৭০০ টাকা। বছরে ৭২০টা বয়াম বেচলে প্রতি বয়ামে খরচ পড়ে সাড়ে ছয় টাকার মতো।

এই হিসাব থেকে একটা জিনিস পরিষ্কার। ছোট সেলারকে প্রায় সবসময় কমপক্ষে ফিটাই দিতে হয়, শতাংশের হিসাব কাজে আসে না। তাই বিক্রি যত কম, বয়াম প্রতি খরচ তত বেশি। মাসে ১০টা বয়াম বেচলে একই ৪,৭০০ টাকা বয়াম প্রতি প্রায় ৩৯ টাকা হয়ে যায়। ল্যাবে নমুনা পরীক্ষার খরচ BSTI-র এই দুই পেজে লেখা নেই, তাই সেটা এই হিসাবের বাইরে। আবেদনের সময় সেটাও জিজ্ঞেস করুন, তারপর মোট অঙ্কটা প্রোডাক্টের দামের হিসাবে ধরে নিন।

BSTI লাইসেন্স কোন খাবারে লাগে, মধু, ঘি আর তেলে কী নিয়ম?

BSTI-র ওয়েবসাইটে "বিএসটিআই'র বাধ্যতামূলক পণ্যের তালিকা" নামে একটা পেজ আছে, শেষ আপডেট ১ জুলাই ২০২৬। মূল লিস্টটা জুন ২০২৫-এর, ৩১৫টা জিনিসের, আর তার প্রথম ভাগে কৃষি আর খাবারের ১১৫টা নাম। জানুয়ারি ২০২৬-এ আরও কিছু জিনিস যোগ হয়েছে, যার মধ্যে খাবারের দিকে আছে এনার্জি ড্রিংক আর ফর্টিফায়েড ক্যানোলা ও ভুট্টার তেল। অনলাইনে যা বেশি বিক্রি হয়, তার মধ্যে মূল লিস্টে এগুলো পেয়েছি।

  • মধু, ঘি (Butter Oil and Ghee), মাখন আর সরিষার তেল
  • হলুদ, মরিচ, ধনিয়া আর জিরার গুঁড়া, কারি পাউডার
  • আচার (Pickled Fruits and Vegetables), চাটনি, জ্যাম আর জেলি
  • কেক, ডেকোরেটেড কেক, পেস্ট্রি, পাউরুটি, বিস্কুট, রুটি, মিষ্টি, চানাচুর, লাচ্ছা সেমাই, মুড়ি আর চা

খেজুর, শুঁটকি বা রান্না করা খাবার এই লিস্টে পাইনি। ফ্রোজেন পরোটা বেচলে লিস্টের Roti (Flat bread) লাইনটা দেখিয়ে BSTI-কে একবার জিজ্ঞেস করুন। নামের সামান্য ফারাকে নিয়ম বদলে যায়, তাই নিজের খাবারের নাম লিস্টের PDF-এ খুঁজে মিলিয়ে নিন।

লিস্টে থাকার মানে কী, সেটা BSTI আইন, ২০১৮-এর ২১ ধারায় আছে। সরকার গেজেট দিয়ে যে জিনিস লিস্টে তোলে, সেটা বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড না মানলে বেচা, বিতরণ আর বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন নিষেধ। ফেসবুকে টাকা দিয়ে চালানো অ্যাডও বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন। আর একই আইনের ১৬ ধারায় লেখা, লাইসেন্সের মেয়াদ তিন বছর।

তাই মধু বা ঘির ছোট সেলারের সামনে দুটো রাস্তা থাকে। প্রথম রাস্তা হলো, যে উৎপাদকের ওই খাবারে নিজের CM লাইসেন্স আছে, তাঁর সিল করা বয়াম কিনে তাঁর নামেই বেচা। তখন CM তাঁর, আপনি শুধু সেলার। কেনার আগে তাঁর লাইসেন্সের কপি দেখে নিন। দ্বিতীয় রাস্তা হলো নিজের ব্র্যান্ডে বয়াম ভরা। তখন নিজের CM লাগবে, কারণ খোলা মধু কিনে নিজের লেবেল লাগালেই আইনের চোখে আপনি প্যাকেটকারী, মানে মোড়কজাতকারী।

নিজে আবেদন করলে কাজটা হয় bstieapp.gov.bd ওয়েবসাইটে, অথবা BSTI-র প্রধান অফিস বা বিভাগীয় অফিসের ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টারে। BSTI-র পেজে ধাপগুলো এভাবে লেখা। প্রথমে আবেদন চেক, তারপর কারখানা পরিদর্শন আর নমুনা সিল, ল্যাবে পরীক্ষা, রিপোর্ট দেখে অনুমোদন, বিল, ফি জমা, আর শেষে লাইসেন্স। পুরো কাজে সময় লেখা কমপক্ষে ১৯ আর সর্বোচ্চ ৪২ কর্মদিবস। পরিদর্শন মানে যেখানে খাবার বানান, সেই জায়গা দেখতে লোক আসবে। বাসার রান্নাঘর এই পরিদর্শনে চলবে কি না, BSTI-র পেজে সে কথা লেখা নেই, তাই আবেদনের আগেই জিজ্ঞেস করুন।

আরেকটা কাগজের কথা অনেকে জানেন না। BSTI-র মেট্রোলজি উইংয়ের পেজে লেখা আছে, বিক্রির জন্য প্যাকেটে ভরা জিনিসের মোড়কজাতকরণ রেজিস্ট্রেশন সনদ নিতে হয়। এটা ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮-এর অধীনে, তাই লিস্টের বাইরের খাবারেও লাগতে পারে। এর ফি ওই পেজে লেখা নেই, CM-এর খোঁজ নেওয়ার সময় এটাও জিজ্ঞেস করে নিন।

প্যাকেটের লেবেলে কী লিখতেই হবে?

লেবেলের নিয়ম আছে নিরাপদ খাদ্য (মোড়কাবদ্ধ খাদ্য লেবেলিং) প্রবিধানমালা, ২০১৭-এ, যেটা নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের ওয়েবসাইটের আইনের পেজে পাবেন। দেশে বানানো প্যাকেটের খাবারের লেবেল বাংলায় লিখতেই হবে, চাইলে পাশে ইংরেজিও দিতে পারেন। প্রবিধানমালার ৪ ধারা অনুযায়ী লেবেলে পরিষ্কার করে এই তথ্যগুলো থাকবে।

  1. যিনি বানিয়েছেন, প্যাকেট করেছেন বা বাজারে দিচ্ছেন, তাঁর নাম আর ঠিকানা
  2. ভেতরের উপাদানগুলোর নাম, প্রাকৃতিক নাকি কৃত্রিম
  3. ব্যাচ, কোড বা লট নম্বর
  4. নিট ওজন বা পরিমাণ
  5. উৎপাদনের তারিখ আর প্যাকেট করার তারিখ
  6. মেয়াদ শেষের তারিখ, আর যেখানে দরকার "এর আগে খেলে ভালো" তারিখ
  7. পুষ্টির তথ্য, প্রতি ১০০ গ্রাম বা ১০০ মিলিতে
  8. খাবারে কিছু মেশানো থাকলে (রং, প্রিজারভেটিভ) তার নাম
  9. খাওয়া বা রাখার নিয়ম বলে দেওয়া দরকার হলে সেটা

পুষ্টির তথ্যে একটা ছাড় আছে। চাল-ডাল, শাকসবজি, মসলা আর চিনির মতো কৃষিজাত কাঁচা জিনিসে পুষ্টির তথ্য লেখা বাধ্যতামূলক না। তবে হলুদের গুঁড়ার প্যাকেটেও বাকি সব তথ্য থাকতে হবে। BSTI-র লিস্টের খাবারে CM পাওয়ার পর মান চিহ্নটাও লেবেলে বসবে। আর BSTI-র পেজের লেবেলের লিস্টে সর্বোচ্চ খুচরা দাম (MRP) আর ব্র্যান্ডের নামও চাওয়া আছে।

ব্যাচ নম্বর শুনে ঘাবড়ানোর কিছু নেই। একদিনে যতটা ঘি একসাথে বানালেন, সেটা একটা ব্যাচ। তারিখ দিয়ে নম্বর দিন, যেমন ০৭১০-১। কোনো কাস্টমার অভিযোগ করলে এই নম্বর দেখে বুঝবেন কোন হাঁড়ির ঘি, আর বাকি বয়ামগুলো ফেরত আনবেন কি না।

মধুর একটা কাচের বয়ামের নকশা, গায়ে বাংলায় লেখা লেবেল, যেখানে দোকানের নাম আর ঠিকানা, উপাদান, নিট ওজন, ব্যাচ নম্বর, উৎপাদন আর মেয়াদের তারিখ দাগ দিয়ে দেখানো, পাশে লেবেলে যা থাকতেই হবে তার লিস্ট
লেবেলে বাংলায় নাম-ঠিকানা, উপাদান, ওজন, ব্যাচ আর দুটো তারিখ থাকতেই হবে

আরেকটা খবর জেনে রাখুন। ২৬ জানুয়ারি ২০২৬-এ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ লেবেলিংয়ের নতুন একটা প্রবিধানমালার ড্রাফট মতামতের জন্য ওয়েবসাইটে দিয়েছে। মানে লেবেলের নিয়ম সামনে বদলাতে পারে। তাই হাজার হাজার লেবেল একবারে ছাপানোর আগে জেলা অফিসে জিজ্ঞেস করুন নতুনটা চালু হয়েছে কি না, নইলে ছাপা লেবেল ফেলে দিতে হতে পারে।

লেবেলের পরিষ্কার ছবি প্রোডাক্ট পেজেও দিন। খাবার কেনার আগে কাস্টমার উপাদান আর মেয়াদ দেখতে চান। কোন ছবি আর কোন তথ্য দিলে পেজ থেকে বেশি অর্ডার আসে, সেটা আছে এক প্রোডাক্টের ল্যান্ডিং পেজের লেখায়।

লাইসেন্স ছাড়া খাবার বেচলে কী ঝুঁকি?

আগে আইনের দিকটা বলি। নিরাপদ খাদ্য আইনের ৩৯ ধারা মানে রেজিস্ট্রেশনের নিয়ম, আর ৩২ ধারা মানে লেবেলের নিয়ম। এগুলো না মানা আইনের ৫৮ ধারায় অপরাধ, আর কোনটায় কত শাস্তি তা আইনের তফসিলে লেখা আছে। ৭৫ ধারা অনুযায়ী এসব অপরাধের বিচার মোবাইল কোর্টেও হতে পারে। BSTI-র লিস্টের খাবার স্ট্যান্ডার্ড না মেনে বেচলে BSTI আইনের ২৯ ধারায় শাস্তি আরও কড়া। সেখানে চার বছর পর্যন্ত জেল, অথবা ৫০ হাজার থেকে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা, অথবা দুটোই লেখা আছে।

এগুলো শুধু কাগজের কথা না। অক্টোবর ২০২৬-এ BSTI-র ওয়েবসাইটের খবরের অংশেই দেখা যায়, মোহাম্মদপুরে CM লাইসেন্স ছাড়া সরিষার তেল বানিয়ে বেচার জন্য মোবাইল কোর্ট ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে।

ছোট সেলারের জন্য এর চেয়েও কাছের ঝুঁকিটা হলো অভিযোগ। নিরাপদ খাদ্য আইনের ৬৬ ধারায় যেকোনো ক্রেতা লিখিত অভিযোগ করতে পারেন। আর ৬২ ধারা অনুযায়ী খাদ্য আদালত জরিমানা করলে তার ২৫ শতাংশ পান অভিযোগকারী। মানে একজন রাগী কাস্টমার, বা আপনার সাথে পাল্লা দেওয়া কোনো পেজ, অভিযোগ করলে টাকা পাওয়ার সুযোগ আইনেই রাখা আছে। কাগজ ঠিক থাকলে এমন অভিযোগেও আপনি শান্ত মাথায় সনদ দেখাতে পারবেন।

ব্যবসা বড় করতে গেলেও কাগজ লাগে। ব্যবসার নামে bKash মার্চেন্ট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে ট্রেড লাইসেন্স চায়। সুপারশপ বা কোনো অফিসে খাবার সাপ্লাই দিতে চাইলে তারাও সাধারণত এই কাগজগুলো দেখতে চায়। কাগজ না থাকলে ছোট বিক্রি হয়তো চলবে, কিন্তু বড় অর্ডারগুলো হাতছাড়া হবে।

কোনটা আগে করবেন? আপনার খাবার ধরে একটা সহজ নিয়ম

সবার জন্য এক নিয়ম না, তাই নিজের অবস্থাটা মিলিয়ে নিন। কোনো কোম্পানির সিল করা খাবার কিনে হুবহু বেচলে আপনার লাগবে ট্রেড লাইসেন্স। এমন খুচরা সেলারের নিরাপদ খাদ্যের রেজিস্ট্রেশন লাগবে কি না, খবরে পরিষ্কার না, তাই জেলা অফিসে জেনে নিন। BSTI-র CM তখন কোম্পানির, আপনার না।

ঘরে রান্না করা বা ফ্রোজেন খাবার বেচলে, যেটা BSTI-র লিস্টে নেই, লাগবে ট্রেড লাইসেন্স আর নিরাপদ খাদ্যের রেজিস্ট্রেশন। প্যাকেটে ভরে বেচলে লেবেলের নিয়মও মানতে হবে। আর নিজের ব্র্যান্ডে মধু, ঘি, তেল, মসলা, আচার বা কেক বেচলে তিনটা কাগজই লাগবে, সাথে মোড়কজাতকরণের রেজিস্ট্রেশন আর পুরো লেবেল।

ক্রমটাও ঠিক রাখুন। প্রথমে ট্রেড লাইসেন্স, কারণ বাকি সব অফিস এটার কপি চায়। তারপর জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসে ফোন করে রেজিস্ট্রেশন। তারপর দরকার হলে BSTI। এক সপ্তাহে সব হবে না। তবে আজই দুটো কাজ শুরু করা যায়, ট্রেড লাইসেন্সের কাগজ গোছানো আর জেলা অফিসে একটা ফোন।

এই লেখা তাঁদের জন্য না, যাঁরা বড় খাবার কারখানা চালান, ভোজ্যতেলের পাইকারি করেন বা বিদেশ থেকে খাবার আমদানি করেন। সেখানে লাইসেন্স, ফি আর কাগজ অনেক বেশি, তাই একজন অভিজ্ঞ আইনজীবী বা পরামর্শকের সাথে বসে নেওয়াই ভালো। অনলাইন ব্যবসার বাকি কাজগুলো কোনটা কখন করবেন, দেখতে চাইলে অনলাইন ব্যবসা শুরুর পুরো গাইডটা পড়ে নিন।

কাগজ হাতে এলে সেগুলো কাস্টমারকে দেখানোর জায়গাও লাগে। WinningSeller-এ নিজের ডোমেইনে স্টোর বানিয়ে প্রোডাক্ট পেজ নিজের মতো সাজানো যায়। তাই নিরাপদ খাদ্যের নম্বর, BSTI-র মান চিহ্ন আর লেবেলের ছবি প্রতিটা খাবারের পেজেই রাখতে পারবেন। বাকি সব ফিচার এখানে দেখে নিন, আর আগে নিজে চালিয়ে দেখুন (প্রথম মাস মাত্র ৯৯ টাকা, তারপর রেগুলার দাম)।

সাধারণ প্রশ্ন

ফুড লাইসেন্স করতে কত টাকা লাগে?

একটা ফি না, প্রতিটা কাগজের আলাদা ফি। জুলাই ২০২৬-এর খবর অনুযায়ী নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের রেজিস্ট্রেশন ফি ১,০০০ টাকা থেকে শুরু, আর নবায়ন ৫০০ টাকা। খাবারটা BSTI-র বাধ্যতামূলক লিস্টে থাকলে BSTI-র ফি শিডিউল অনুযায়ী আবেদনে ১,০০০ টাকা আর বছরে কমপক্ষে ৩,৫০০ টাকা CM ফি লাগে (ফল থেকে বানানো খাবারে কমপক্ষে ৩,০০০ টাকা)। ট্রেড লাইসেন্সের খরচ এর বাইরে।

ঘরে বানানো খাবার অনলাইনে বেচতে কি লাইসেন্স লাগে?

হ্যাঁ, লাগে। জুলাই ২০২৬-এর নতুন প্রবিধানমালা নিয়ে যে খবরগুলো বের হয়েছে, তার কোথাও বাসার রান্নাঘরের জন্য আলাদা ছাড়ের কথা পাইনি। উল্টো রাস্তার পাশের পিঠার দোকানকেও রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আনা হয়েছে। তাই ঘরে বানালেও ট্রেড লাইসেন্স আর নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের রেজিস্ট্রেশন ধরে নিয়েই প্রস্তুতি নিন।

মধু বিক্রি করতে কি BSTI লাইসেন্স লাগে?

নিজের নামে বয়াম ভরে বেচলে লাগে, কারণ মধু BSTI-র বাধ্যতামূলক লিস্টে আছে। যে কোম্পানির নিজের CM লাইসেন্স আছে, তাদের সিল করা বয়াম কিনে তাদের নামেই বেচলে CM তাদের, আপনার আলাদা করে লাগার কথা না। কিন্তু খোলা মধু কিনে নিজের লেবেল লাগালে প্যাকেটকারী হিসেবে দায়টা আপনার।

নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের রেজিস্ট্রেশন কোথায় করব?

শুরু করুন আপনার জেলার নিরাপদ খাদ্য অফিস দিয়ে। বেশিরভাগ জেলার নিজের ওয়েবসাইট আছে, যেমন ঢাকার bfsa.dhaka.gov.bd, সেখানে অফিসারদের ফোন নম্বর পাবেন। কর্তৃপক্ষ বলেছে পুরো কাজ অনলাইনে হবে, কিন্তু অক্টোবর ২০২৬-এ bfsa.gov.bd-তে সবার জন্য খোলা আবেদনের লিংক পাইনি। তাই আগে ফোন করে জেনে নিন এখন আবেদন কোথায় নিচ্ছে।

শুধু ট্রেড লাইসেন্স দিয়ে কি খাবার বেচা যায়?

আগে অনেকে তাই করতেন, কিন্তু এখন এটুকু আর যথেষ্ট না। ১৬ জুলাই ২০২৬-এর গেজেটের পর খাবারের ব্যবসায় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের রেজিস্ট্রেশনও লাগে। আর খাবারটা BSTI-র লিস্টে থাকলে BSTI-র CM লাইসেন্সও লাগে।

ফুড লাইসেন্সের মেয়াদ কত দিন?

কাগজভেদে আলাদা। খবর অনুযায়ী নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের রেজিস্ট্রেশন আর লাইসেন্স দুটোর মেয়াদই তিন বছর। BSTI-র CM লাইসেন্সের মেয়াদও তিন বছর, এটা BSTI আইন, ২০১৮-এর ১৬ ধারায় লেখা। ট্রেড লাইসেন্স অবশ্য প্রতি বছর নবায়ন করতে হয়।

#ফুড লাইসেন্স#নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ#BSTI#খাবারের ব্যবসা#ট্রেড লাইসেন্স#খাবারের লেবেল

আরও পড়ুন

খেলনা ব্যবসার আইডিয়া, কোন খেলনা অনলাইনে চলে আর নিরাপত্তার নিয়ম

বাচ্চাদের খেলনা অনলাইনে বেচতে চাইলে কোন খেলনা চলে, চকবাজার থেকে প্রথম লট কীভাবে নেবেন, ২০২৬ সালে BSTI-র তালিকায় খেলনা আসার মানে কী, ব্যাটারির খেলনা চালিয়ে দেখা, মাপ বোঝানো ছবি আর না ভাঙার প্যাকিং, একটা লটের টাকার হিসাবসহ।

·১২ মিনিটে পড়া যায়

থ্রিফট শপিং কি? পুরনো বিদেশি জ্যাকেট-শার্টের থ্রিফট ব্যবসার নিয়ম

থ্রিফট শপিং কি, মাল কোথা থেকে আসে আর পুরনো কাপড় আমদানির নিয়ম কী বলে, গাইট খুলে বাছাই, ধোয়া আর ছবি, কন্ডিশন সত্যি করে লেখা, আর একটা গাইট থেকে এক পিসের দাম কীভাবে বের করবেন, হিসাবসহ।

·১২ মিনিটে পড়া যায়

অনলাইনে শাড়ির ব্যবসা, তাঁতের শাড়ি থেকে প্রথম লট, ছবি আর ফেরত

অনলাইনে শাড়ির ব্যবসা শুরু করবেন? কোন শাড়ি চলে, টাঙ্গাইলের হাট আর পাইকার, BSTI-র ২০২৬ সালের নতুন শাড়ির নিয়ম, মডেল ছাড়া শাড়ির ছবি, মাপ আর যত্নের কথা লেখা, আর একটা লটে কত থাকে, হিসাবসহ।

·১২ মিনিটে পড়া যায়