WinningSeller
অনলাইন ব্যবসা শুরু১৪ মিনিটে পড়া যায়

চাকরির পাশাপাশি কি ব্যবসা করা যায়? দিনে দুই ঘণ্টায় অনলাইন ব্যবসা

চাকরির পাশাপাশি অনলাইন ব্যবসা করা যায়, যদি ব্যবসার ধরন অফিসের সময়ের সাথে মেলে আর চাকরির নিয়মে না আটকায়। দিনে দুই ঘণ্টার রুটিন, অফিসে থাকার সময় অর্ডার কে সামলাবে, পিকআপ কখন দেবেন, আর কখন চাকরি ছাড়ার কথা ভাববেন, টাকার হিসাবসহ।

চাকরির পাশাপাশি কি ব্যবসা করা যায়? দিনে দুই ঘণ্টায় অনলাইন ব্যবসা
এই লেখায় যা আছে
  1. চাকরির পাশাপাশি কি ব্যবসা করা যায়, কোন ধরনের ব্যবসা অফিসের সময়ের সাথে মেলে?
  2. সরকারি বা বেসরকারি চাকরিতে নিজের ব্যবসা করা যায় কি, নিয়মটা কী?
  3. দিনে দুই ঘণ্টায় কোন কাজ কখন করবেন (একটা রুটিন)
  4. অফিসে থাকার সময় ইনবক্স আর কনফার্ম কল কে সামলাবে?
  5. প্যাকিং আর কুরিয়ার পিকআপ কখন করবেন?
  6. ছুটির দিনে কোন কাজগুলো একবারে সেরে রাখবেন?
  7. কোন ব্যবসা চাকরির সাথে চালাবেন না?
  8. কখন চাকরি ছাড়ার কথা ভাববেন, হিসাবটা কী?
  9. এই সপ্তাহে কোথা থেকে শুরু করবেন?

হ্যাঁ, চাকরির পাশাপাশি ব্যবসা করা যায়, তবে সব ব্যবসা না, আর সব চাকরিতে না। ফেসবুক পেজ আর ক্যাশ অন ডেলিভারির ছোট অনলাইন ব্যবসা দিনে দুই ঘণ্টায় চালানো যায়, যদি প্রোডাক্ট এমন হয় যে কয়েক ঘণ্টা দেরিতে উত্তর দিলে কিছু নষ্ট হয় না। কাপড়, অ্যাকসেসরিজ বা ঘরের টুকিটাকি এমন প্রোডাক্ট। সরকারি চাকরি করলে আগে নিয়মটা দেখতে হবে। সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯-এর ১৭ নম্বর বিধিতে সরকারের আগের অনুমতি ছাড়া ব্যবসা করা নিষেধ। বেসরকারি চাকরিতে নিয়মটা লেখা থাকে আপনার নিয়োগপত্রে।

কী বেচবেন, সেটা নিয়ে এখনো ভাবছেন? তাহলে আগে অনলাইন ব্যবসার আইডিয়া নিয়ে লেখাটা দেখে নিন। এখানে কথা হবে সময় আর নিয়ম নিয়ে। সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা অফিস করে কখন ইনবক্স দেখবেন, কে কনফার্ম কল দেবে, পার্সেল কে কুরিয়ারের হাতে তুলে দেবে, আর কোন হিসাব মিললে চাকরি ছাড়ার কথা ভাববেন, সব নিচে আছে।

চাকরির পাশাপাশি কি ব্যবসা করা যায়, কোন ধরনের ব্যবসা অফিসের সময়ের সাথে মেলে?

চাকরিজীবী সেলারের আসল সমস্যা মোট সময়ের অভাব না। সমস্যা হলো, দিনের সবচেয়ে ব্যস্ত নয় ঘণ্টা আপনি ফোন ধরতে পারেন না। কাস্টমার মেসেজ দেন দুপুর ১২টায়, কুরিয়ারের রাইডার আসেন বিকেলে, আর আপনি তখন মিটিংয়ে। তাই ব্যবসা বাছার সময় নিজেকে একটা প্রশ্ন করুন। "আমি চার-পাঁচ ঘণ্টা দেরিতে উত্তর দিলে কি এই ব্যবসার ক্ষতি হবে?"

যে ব্যবসায় এই দেরি সয়ে যায়, সেগুলোর কয়েকটা মিল আছে।

  • প্রোডাক্ট তাকে বা বাক্সে রাখা যায়, নষ্ট হয় না। কাপড়, অ্যাকসেসরিজ, বই বা ঘরের টুকিটাকি এক সপ্তাহ পড়ে থাকলেও কিছু হয় না। তাই রাতে প্যাক করে সকালে পাঠালেও মান একই থাকে।
  • একবার ছবি দেখলেই কাস্টমার বোঝেন জিনিসটা কী। যে প্রোডাক্ট নিয়ে প্রতিটা কাস্টমার আধা ঘণ্টা প্রশ্ন করেন, সেটা অফিসে বসে সামলানো যায় না।
  • পার্সেল দিনে একবার একসাথে পাঠালেও চলে। কাস্টমার আজ অর্ডার দিয়ে আজই হাতে চান না, দুই-তিন দিনে পেলেই খুশি।
  • প্রি-অর্ডার চলে। আগে অর্ডার নিয়ে সপ্তাহে একদিন মাল এনে পাঠানো যায়। এতে স্টকে টাকা কম আটকায়, আর মাল আনার কাজটা ছুটির দিনে সেরে ফেলা যায়।

নিজের প্রোডাক্ট নিয়ে একটা ছোট পরীক্ষা করুন। গত দশটা অর্ডারের কথা ভাবুন, বা আপনার মতো প্রোডাক্ট বেচেন এমন কোনো পরিচিত সেলারকে জিজ্ঞেস করুন। একটা অর্ডার পেতে আর পৌঁছাতে মোট কয়টা ফোন আর কয়টা মেসেজ লাগে? দুই-তিনটা হলে চাকরির সাথে চলবে। দশটা হলে সেই কাজের জন্য আলাদা মানুষ লাগবে, নইলে অফিসের কাজ আর ব্যবসা দুটোই খারাপ হবে।

সরকারি বা বেসরকারি চাকরিতে নিজের ব্যবসা করা যায় কি, নিয়মটা কী?

আগে সরকারি চাকরির কথা বলি, কারণ এখানে নিয়মটা লেখা আছে। সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯ বাংলাদেশ গেজেটে ছাপা হয়েছিল ১৮ মে ১৯৭৯ তারিখে। এর ১৭(১) বিধিতে বলা আছে, সরকারের আগের অনুমোদন ছাড়া কোনো সরকারি কর্মচারী নিজের সরকারি কাজের বাইরে কোনো ব্যবসায় জড়াতে পারবেন না, অন্য কোনো চাকরি বা কাজও নিতে পারবেন না। নিয়মিত মাল কিনে ফেসবুকে বেচা ব্যবসা না, এমন বলার কোনো কারণ নেই। আর বিধিতে অনলাইনের জন্য আলাদা কোনো ছাড়ও লেখা নেই।

একই বিধির নিচে একটা ছাড় আছে। নন-গেজেটেড সরকারি কর্মচারী অনুমতি ছাড়াই এমন ছোট ব্যবসা করতে পারেন, যেখানে পরিবারের লোকজন খাটে। তবে সেই ব্যবসার বিবরণ সম্পদের বিবরণীর সাথে জমা দিতে হয়। আপনার পদ গেজেটেড কি না, আর আপনার ব্যবসা এই ছাড়ের মধ্যে পড়ে কি না, সেটা নিজে আন্দাজ করবেন না। অফিসের প্রশাসন শাখায় জিজ্ঞেস করুন।

পরিবারের নামে ব্যবসা খুললেই নিয়মের বাইরে চলে গেলেন, তাও না। ১৭(৩) বিধি অনুযায়ী, যে এলাকায় আপনার এখতিয়ার আছে, সেখানে পরিবারের কোনো সদস্যকে ব্যবসা করতে দিতে হলেও সরকারের আগের অনুমতি লাগে। বিধিমালার ৩ নম্বর বিধিতে পরিবারের সদস্য বলতে ধরা হয়েছে স্ত্রী, সন্তান আর সৎসন্তান, সাথে সেই আত্মীয়রা যাঁরা আপনার সাথে থাকেন আর পুরোপুরি আপনার ওপর নির্ভরশীল। আর ৩২ নম্বর বিধিতে বলা আছে, এই বিধিমালার কোনো নিয়ম ভাঙলে সেটা অসদাচরণ বলে ধরা হবে, যার জন্য বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

দুটো কথা মাথায় রাখুন। এক, এই লেখার জন্য ১৯৭৯ সালের ছাপানো পাঠ পড়া হয়েছে। তার পরে কোনো সংশোধনী এসেছে কি না, সেটা আপনার অফিসই ভালো বলতে পারবে। দুই, সরকারি ব্যাংক, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান বা MPO-ভুক্ত স্কুল-কলেজে চাকরি করলে আপনার প্রতিষ্ঠানের নিজের চাকরির প্রবিধান থাকতে পারে, যেটা আলাদা কথা বলে। অনুমতি কীভাবে আর কোন ফর্মে চাইবেন, সেটাও প্রশাসন শাখা বলে দেবে।

বেসরকারি চাকরিতে সবার জন্য এক নিয়ম নেই। নিয়মটা থাকে আপনার নিয়োগপত্রে আর অফিসের এমপ্লয়ি হ্যান্ডবুকে। ওখানে "full-time engagement", "other employment" বা "conflict of interest" লেখা অংশগুলো খুঁজে পড়ুন। কোনো কোম্পানি শুধু জানিয়ে রাখতে বলে, কোনোটা লিখিত অনুমতি চায়, কোনোটা পুরোপুরি মানা করে। পরিষ্কার না হলে HR-কে একটা ইমেইল করে জিজ্ঞেস করুন। মুখে পাওয়া "সমস্যা নেই" দুই বছর পরে কোনো কাজে আসে না, কিন্তু ইমেইলের উত্তর আসে।

দিনে দুই ঘণ্টায় কোন কাজ কখন করবেন (একটা রুটিন)

দুই ঘণ্টা একটানা বসার চেয়ে তিন ভাগে বসলে কাজ ভালো হয়। কারণ ব্যবসার একেক কাজের একেক সময়। কুরিয়ারের পিকআপ রিকোয়েস্ট দিতে হয় দিনের প্রথম ভাগে, কাস্টমার মেসেজ বেশি দেন রাতে, আর প্যাকিংয়ের জন্য চুপচাপ একটা ঘণ্টা লাগে। নিচের রুটিনটা একটা নমুনা, নিজের অফিসের সময় অনুযায়ী আগে-পিছে করে নিন।

কখন কী করবেন কেন তখন
সকালে অফিসের আগে, ৪৫ মিনিট রাতের মেসেজের উত্তর, কনফার্ম হওয়া অর্ডার কুরিয়ারে এন্ট্রি, পিকআপ রিকোয়েস্ট রিকোয়েস্টের শেষ সময় বিকেলে, তখন আপনি অফিসে থাকবেন
দুপুরের বিরতিতে, ১৫ থেকে ২০ মিনিট বাসার মানুষ বা হেল্পারের কনফার্ম লিস্ট দেখা, আটকে থাকা প্রশ্নের উত্তর সকালের মেসেজের উত্তর বিকেলের আগে পেলে কাস্টমার অন্য পেজে যান না
রাতে খাওয়ার পরে, এক ঘণ্টা প্যাকিং, পরের দিনের পোস্ট শিডিউল, দিনের হিসাব লেখা বাসা শান্ত থাকে, আর সকালের কাজ হালকা হয়ে যায়

সকালের ৪৫ মিনিটই সবচেয়ে জরুরি। এই সময়টা মিস করলে আগের রাতের প্যাক করা পার্সেল সেদিন আর যায় না, এক দিন দেরি হয়। ক্যাশ অন ডেলিভারিতে প্রতিটা দেরির দিনে কাস্টমারের মন বদলানোর সুযোগ বাড়ে, এটা অনেক সেলারই দেখেছেন। তাই সকালের কাজ আগের রাতেই গুছিয়ে রাখুন, যাতে সকালে শুধু এন্ট্রি আর রিকোয়েস্ট দিলেই হয়।

অফিসে বসে প্রতি দশ মিনিটে ইনবক্স দেখবেন না। এতে দুই দিকেই ক্ষতি হয়। অফিসের কাজে ভুল হয়, আর বস সেটা খেয়াল করেন। আবার তাড়াহুড়োয় কাস্টমারকে ভুল দাম বা ভুল সাইজ বলে ফেলেন, যা পরে ফেরত পার্সেল হয়ে আসে। দুপুরের বিরতির ১৫ মিনিট আর রাতের এক ঘণ্টা ঠিক করে রাখুন, বাকি সময় ফোনটা ব্যাগে থাকুক।

পোস্ট রোজ নিজের হাতে দেওয়ার দরকার নেই। Meta Business Suite থেকে ফেসবুক পেজের পোস্ট আগে থেকে শিডিউল করে রাখা যায়। ছুটির দিনে সপ্তাহের পোস্ট লিখে শিডিউল করলে কাজের দিনে পেজ নিজে থেকেই চলে।

রাতের এক ঘণ্টার শেষ পাঁচ মিনিট হিসাবের জন্য রাখুন। আজ কয়টা অর্ডার এলো, কয়টা কনফার্ম হলো, কয়টা পাঠালেন আর অ্যাডে কত গেল, এই চারটা সংখ্যা একটা খাতায় বা শিটে লিখুন। চাকরি ছাড়ার হিসাবটা পরে এই সংখ্যাগুলো থেকেই আসবে।

রাতে বাসার টেবিলে বসে একজন তরুণ চাকরিজীবী পুরুষ পার্সেল প্যাক করছেন, পাশে অফিসের ব্যাগ, মোবাইলে খোলা অর্ডারের লিস্ট আর কয়েকটা লেবেল লাগানো প্যাকেট
রাতের এক ঘণ্টায় প্যাকিং সেরে রাখলে সকালে শুধু কুরিয়ারে এন্ট্রি আর পিকআপ রিকোয়েস্ট বাকি থাকে

অফিসে থাকার সময় ইনবক্স আর কনফার্ম কল কে সামলাবে?

এই প্রশ্নের উত্তর না থাকলে চাকরির পাশাপাশি ব্যবসা বেশি দূর যায় না। কাস্টমার দুপুরে দাম জিজ্ঞেস করে চার ঘণ্টা উত্তর না পেলে অন্য পেজে চলে যান। আর অর্ডার কনফার্মের ফোন না গেলে ফেক অর্ডার আর ফেরত দুটোই বাড়ে। এই কাজটা তিনভাবে সামলানো যায়।

প্রথম উপায় হলো বাসার এমন কেউ, যিনি দিনে বাসায় থাকেন। ছোট ভাই, বাবা বা কলেজে পড়া কোনো আত্মীয় হতে পারেন। তাঁকে একটা কাগজে বা ফোনের নোটে লিখে দিন প্রতিটা প্রোডাক্টের দাম, সাইজ, ডেলিভারি চার্জ আর কত দিনে পৌঁছায়। সাথে কাস্টমার সবচেয়ে বেশি যে দশটা প্রশ্ন করেন, সেগুলোর তৈরি উত্তর আর কনফার্ম কলে কী বলবেন তার লাইনগুলো দিন। আর একটা সীমা বলে দিন, যেমন "দাম কমানোর কথা উঠলে বলবে, ভাইয়া রাতে জানাবে"। তাহলে তিনি নিজে থেকে ছাড় দিয়ে আপনার লাভ খেয়ে ফেলবেন না।

দ্বিতীয় উপায় একজন পার্টটাইমার। কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো ছাত্র দিনে দুই-তিন ঘণ্টা ইনবক্স আর কনফার্ম কল সামলাতে পারেন। টাকার হিসাবটা আগে করে নিন। নিচের সংখ্যাগুলো উদাহরণ, বাজারের রেট না। ধরুন তাঁকে মাসে ৫,০০০ টাকা দেবেন, আর আপনার একটা ডেলিভারি হওয়া অর্ডারে সব খরচ বাদে লাভ থাকে ২০০ টাকা। তাহলে শুধু তাঁর টাকা তুলতেই মাসে ২৫টা ডেলিভারি লাগবে। মাসে ৪০টা অর্ডার এলে, আর তার ৮০% ডেলিভারি হলে, ডেলিভারি হয় ৩২টা। তাঁর টাকা দেওয়ার পরে আপনার থাকে মাত্র ৭টার লাভ, মানে ১,৪০০ টাকা। তাই এর চেয়ে কম অর্ডারে পার্টটাইমার রাখা লাভের না, আগে বাসার কাউকে দিয়ে চালান। বেতন ফিক্সড দেবেন নাকি ডেলিভারি ধরে, আর প্রথম সপ্তাহে কীভাবে শেখাবেন, সেটা মডারেটর রাখার লেখায় বিস্তারিত আছে।

তৃতীয় উপায় হলো, কেউ না থাকলে কাস্টমারকে নিজে অর্ডার দেওয়ার রাস্তা খুলে দেওয়া। পেজের অটোমেটেড রিপ্লাইতে লিখে রাখুন, "আমরা দুপুর ১টায় আর রাত ১০টার পরে রিপ্লাই দিই। এখনই অর্ডার করতে চাইলে এই লিংকে নাম, নম্বর আর ঠিকানা দিন।" লিংকে একটা অর্ডার ফর্ম বা ল্যান্ডিং পেজ থাকলে কাস্টমার অপেক্ষা না করেই অর্ডার দিতে পারেন। আপনি দুপুরে বা রাতে শুধু কনফার্ম কল দেন।

যে-ই সামলান, তাঁকে আপনার Facebook-এর পাসওয়ার্ড দেবেন না। পেজে তাঁকে শুধু মেসেজের কাজের আলাদা অ্যাক্সেস দিন, যাতে কাজ ছেড়ে গেলে শুধু তাঁর অ্যাক্সেস সরালেই হয়।

প্যাকিং আর কুরিয়ার পিকআপ কখন করবেন?

চাকরিজীবী সেলার সবচেয়ে বেশি আটকান এখানে, কারণ কুরিয়ারের সময় আর অফিসের সময় একই। ২০২৬ সালের অক্টোবরে Steadfast-এর ওয়েবসাইটের শর্তাবলিতে লেখা আছে, সাধারণ ডেলিভারির জন্য পিকআপ রিকোয়েস্ট আর পার্সেল এন্ট্রি মার্চেন্ট প্যানেলে বিকেল ৪টার মধ্যে দিতে হয়। একই দিনে ডেলিভারি চাইলে দিতে হয় সকাল ১১টার আগে। Pathao-র হেল্প পেজে, যেটা শেষ আপডেট হয়েছে নভেম্বর ২০২৪-এ, সাধারণ ডেলিভারির এন্ট্রির শেষ সময় বিকেল ৪টা, আর পিকআপ চলে দুপুর ২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত। ঢাকার বাইরের মার্চেন্টের পিকআপ সেখানে রাত ৭টা পর্যন্ত লেখা। কুরিয়ার এই সময়গুলো চেঞ্জ করতে পারে, তাই নিজের কুরিয়ারের প্যানেলে বা হেল্প পেজে একবার দেখে নিন।

মানে রিকোয়েস্ট আপনি সকালে দিতে পারবেন, কিন্তু রাইডার আসবেন যখন আপনি অফিসে। তাই পুরো কাজটা এভাবে সাজান। রাতে প্যাক করুন, প্রতিটা প্যাকেটে লেবেল লাগান, আর সব পার্সেল দরজার পাশে একটা বাক্সে রাখুন। সকালে কুরিয়ারে এন্ট্রি দিয়ে পিকআপ রিকোয়েস্ট পাঠান। বাসায় যিনি থাকবেন, তাঁকে বলে যান আজ কয়টা পার্সেল যাবে। ফ্ল্যাট বাসায় দারোয়ানের হাতে দিতে হলে তাঁকেও সংখ্যাটা বলে রাখুন।

ছুটির দিনের কথা আলাদা করে ভাবুন। ধরুন বৃহস্পতিবার রাতে ছয়টা অর্ডার কনফার্ম হলো, আর আপনি রাত ১০টার পরে প্যাক করে বাক্সে রাখলেন। শুক্র-শনি আপনার অফিস বন্ধ, কিন্তু কুরিয়ার সেদিন পিকআপ নেয় কি না, সেটা আপনার এলাকা আর কুরিয়ারের ওপর নির্ভর করে। আগে থেকে জানা না থাকলে কাস্টমারকে ভুল তারিখ বলে ফেলবেন। তাই পিকআপ রাইডারের নম্বরটা রেখে দিন, আর প্রথম সপ্তাহেই জিজ্ঞেস করে নিন তিনি কোন দিন আসেন না।

রাতে বাসায় ফিরে একটা কাজ অবশ্যই করবেন। কুরিয়ারের প্যানেলে দেখুন, আজকের পার্সেলগুলো পিকআপ হয়েছে বলে দেখাচ্ছে কি না। ছয়টা দিয়েছিলেন অথচ পাঁচটা পিকআপ দেখাচ্ছে, এমন হলে সেদিন রাতেই কুরিয়ারের সাপোর্টে জানান। তিন দিন পরে জানালে কোন পার্সেল কোথায় গেল, প্রমাণ করা কঠিন হয়ে যায়।

বাসার গেটে একজন পুরুষ কুরিয়ার রাইডার এক তরুণ ছেলের হাত থেকে লেবেল লাগানো কয়েকটা পার্সেল নিচ্ছেন, পাশে একটা কার্টনে আরও প্যাকেট রাখা
আপনি অফিসে থাকলেও পিকআপ আটকায় না, যদি পার্সেল আগের রাতে প্যাক করা থাকে আর বাসার কেউ হাতে তুলে দেন

ছুটির দিনে কোন কাজগুলো একবারে সেরে রাখবেন?

কাজের দিনের দুই ঘণ্টায় শুধু রোজকার কাজ হয়, মানে উত্তর দেওয়া, প্যাক করা আর পাঠানো। ব্যবসা বড় করার কাজগুলো সেখানে আঁটে না। ওগুলো জমিয়ে রাখুন ছুটির দিনের জন্য, একবারে চার-পাঁচ ঘণ্টা। একই ধরনের কাজ একসাথে করলে সময় অনেক কম লাগে। প্রতিদিন দশ মিনিট করে ছবি তোলার চেয়ে সপ্তাহে একদিন এক ঘণ্টা বসে সব ছবি তোলা সহজ, কারণ আলো, কাপড় আর ফোন একবারই সাজাতে হয়।

ছুটির দিনের কাজগুলো সাধারণত এরকম হয়।

  1. প্রি-অর্ডারের মাল আর পরের সপ্তাহের স্টক একদিনে কিনে আনুন। কাজের দিনে পাইকারি বাজারে যাওয়ার সুযোগ থাকে না, আর বারবার গেলে যাতায়াতেই টাকা যায়।
  2. নতুন প্রোডাক্টের ছবি তুলুন আর সপ্তাহের পোস্ট শিডিউল করে রাখুন। তাহলে কাজের দিনে পোস্ট নিয়ে ভাবতে হয় না।
  3. প্যাকিংয়ের কাজ আগেই অর্ধেক সেরে রাখুন। যে সাইজের অর্ডার বেশি আসে, সেগুলো ভাঁজ করে পলিতে ভরে রাখুন। তাহলে রাতের এক ঘণ্টায় প্যাকিং অর্ধেক সময়ে হয়।
  4. সপ্তাহের হিসাব মেলান। কুরিয়ারের পেমেন্ট আপনার খাতার ডেলিভারির সাথে মিলিয়ে দেখুন, আর কোন পার্সেল ফেরত এলো সেটা লিখুন।
  5. পুরনো কাস্টমারদের কয়েকজনকে ফোন দিন। কাজের দিনে এই ফোনের সময় থাকে না, অথচ অ্যাডের টাকা ছাড়া অর্ডার আসে এখান থেকেই।

ছুটির দিনটা পুরোপুরি ব্যবসায় দিয়ে দেবেন না। পরিবারের সাথে সময় আর একটু বিশ্রাম না পেলে দুই-তিন মাসের মাথায় অফিস আর ব্যবসা দুটোতেই মন থাকে না। চার-পাঁচ ঘণ্টার একটা ব্লক রাখুন, তারপর থামুন।

কোন ব্যবসা চাকরির সাথে চালাবেন না?

কিছু ব্যবসা ভালো, কিন্তু চাকরির সাথে চলে না। সমস্যাটা ব্যবসার না, সময়ের। নিচের ধরনগুলো চাকরি করে শুরু করলে সাধারণত দুটোর একটা ছাড়তে হয়।

যে প্রোডাক্ট সেদিনই পৌঁছাতে হয়, যেমন কেক বা বাসায় রান্না করা খাবার, সেটা চাকরির সাথে কঠিন। অর্ডার আসে দিনে, বানাতে আর পাঠাতেও হয় দিনেই। একটা দেরি মানেই নষ্ট খাবার আর রাগী কাস্টমার। খাবারের ব্যবসায় লাইসেন্স আর রেজিস্ট্রেশনের কাজও থাকে, যার জন্য সরকারি অফিসে যেতে হয় অফিসের সময়েই।

মাপমতো বানানো জিনিসও কঠিন, যেমন কাস্টমারের মাপে সেলাই করা পোশাক। প্রতিটা অর্ডারে মাপ নেওয়া, ডিজাইন মেলানো আর দর্জির সাথে কথা বলতে অনেকগুলো ফোন লাগে। আর ভুল হলে পুরো জিনিসটাই ফেরত আসে।

যে প্রোডাক্টে বিক্রির পরেও অনেক সাপোর্ট লাগে, সেটাও ঝামেলা করে। ধরুন এমন গ্যাজেট, যেটা চালু করতে কাস্টমার ফোন দেন, কাজ না করলে আবার ফোন দেন। আপনি অফিসে থাকলে সেই ফোন কেউ ধরেন না, আর পরের দিন পেজে একটা খারাপ রিভিউ আসে।

নির্দিষ্ট সময়ে লাইভে এসে বেচার ব্যবসাও চাকরির সাথে মেলে না, যদি সেই সময়টা অফিসের ভেতরে পড়ে। আর যে ব্যবসায় অনেক টাকার স্টক বাকিতে তুলতে হয়, সেটা চাকরির শুরুতেই করবেন না। কোন মাল কোথায় কতটা আছে আর কোন টাকা কবে শোধ করবেন, সেটা দিনে দুই ঘণ্টায় দেখে রাখা যায় না।

এই রুটিন সবার জন্যও না। আপনার চাকরি যদি নাইট শিফটের হয়, বা মাসে পনেরো দিন বাইরে ঘুরতে হয়, তাহলে ওপরের রুটিন খাটবে না। তখন হয় পুরো কাজ বাসার একজনের হাতে দিন, নয়তো চাকরিটা একটু স্থির হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।

কখন চাকরি ছাড়ার কথা ভাববেন, হিসাবটা কী?

অনেকে প্রথম ভালো মাস দেখেই চাকরি ছাড়ার কথা ভাবেন। ঈদের মাসে অর্ডার তিনগুণ হলো, মনে হলো এবার বেতনের চেয়ে বেশি আসবে। কিন্তু ঈদের পরের দুই মাস অর্ডার আবার নেমে আসে, আর তখনো সংসারের খরচ থামে না। তাই আবেগ দিয়ে না, একটা হিসাব দিয়ে সিদ্ধান্ত নিন।

প্রথমে চাকরির আসল মাসিক দামটা বের করুন। শুধু বেতন ধরবেন না। বছরের বোনাসগুলো যোগ করে ১২ দিয়ে ভাগ করুন। প্রভিডেন্ট ফান্ডে অফিস যে টাকা দেয়, সেটা যোগ করুন। আর যাতায়াত, মোবাইল বিল বা চিকিৎসার মতো যে খরচগুলো অফিস দেয়, সেগুলোও ধরুন।

এরপর ব্যবসার নিট লাভ। এটা গুনবেন শুধু ডেলিভারি হওয়া অর্ডার থেকে, অর্ডার নেওয়ার দিনের হিসাবে না। প্রোডাক্টের কেনা দাম, কুরিয়ার চার্জ, ফেরত পার্সেলের খরচ, অ্যাডের পুরো টাকা, প্যাকেট আর হেল্পারের টাকা, সব বাদ দিয়ে যা থাকে সেটাই নিট লাভ।

সিদ্ধান্তের নিয়মটা এই। পরপর ছয় মাসের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ মাসের নিট লাভও যদি চাকরির মাসিক দামের সমান বা বেশি হয়, আর হাতে ছয় মাসের সংসার খরচ আলাদা জমা থাকে, তখন চাকরি ছাড়ার কথা ভাবুন। গড় না, সবচেয়ে খারাপ মাসটা ধরবেন, কারণ খারাপ মাসেও সংসার চালাতে হয়।

টাকায় একটা উদাহরণ দেখি। সংখ্যাগুলো বানানো, কারও আসল হিসাব না। ধরুন আপনার বেতন ৩৫,০০০ টাকা। বছরে দুই ঈদে দুটো বোনাস পান, প্রতিটা ৩৫,০০০ টাকা। তাহলে বোনাস থেকে মাসে আসে ৭০,০০০ ÷ ১২, মানে প্রায় ৫,৮৩৩ টাকা। অফিসের দেওয়া মোবাইল বিল আর যাতায়াত মিলিয়ে আরও ধরুন ২,০০০ টাকা। এই উদাহরণে প্রভিডেন্ট ফান্ড ধরিনি। চাকরির মাসিক দাম দাঁড়াল প্রায় ৪২,৮৩৩ টাকা।

এবার ব্যবসা। গত ছয় মাসের সবচেয়ে খারাপ মাসে ডেলিভারি হয়েছে ১৮০টা অর্ডার, আর প্রতিটায় সব খরচ বাদে লাভ ছিল ২২০ টাকা। তাতে আসে ১৮০ × ২২০ = ৩৯,৬০০ টাকা। হেল্পারের ৫,০০০ টাকা বাদ দিলে থাকে ৩৪,৬০০ টাকা। চাকরির দামের চেয়ে এটা এখনো প্রায় ৮,২৩৩ টাকা কম। মানে এই অবস্থায় চাকরি ছাড়লে প্রতি মাসে আগের চেয়ে কম টাকায় সংসার চালাতে হবে।

চাকরি ছাড়লে আপনার সময় অনেক বাড়বে, কিন্তু লাভ নিজে থেকে দ্বিগুণ হবে না। নতুন সময় দিয়ে কী করবেন, যেমন নতুন প্রোডাক্ট আনা, পুরনো কাস্টমারকে ফোন দেওয়া বা হেল্পারের কাজ নিজে করা, সেটা আগে থেকে ঠিক করে রাখুন। হেল্পারের কাজ নিজে নিলে তাঁর ৫,০০০ টাকা বাঁচবে, সেটা হিসাবে যোগ করতে পারেন। তবে তখন আপনার নিজের সময়েরও একটা দাম আছে, সেটা ভুলবেন না।

এই সপ্তাহে কোথা থেকে শুরু করবেন?

প্রথমে নিয়মটা পরিষ্কার করুন। সরকারি চাকরি হলে অফিসের প্রশাসন শাখা থেকে, বেসরকারি হলে HR থেকে লিখিতভাবে জেনে নিন। তারপর বাসার কে দিনে ইনবক্স আর কনফার্ম কল সামলাতে পারবেন, তাঁর সাথে কথা বলুন। নিজের অফিসের সময় ধরে তিন ভাগের রুটিনটা ফোনের ক্যালেন্ডারে বসিয়ে ফেলুন। কুরিয়ার অ্যাকাউন্ট, পেমেন্ট আর প্রথম মাসের পুরো কাজ ধাপে ধাপে দেখতে চাইলে অনলাইন ব্যবসা শুরুর পুরো গাইডটা পড়ে নিন।

চাকরি করে ব্যবসা চালালে সবচেয়ে দামি জিনিস হলো এমন সিস্টেম, যেটা আপনি না থাকলেও চলে। WinningSeller-এর স্টোরে কাস্টমার নিজেই ল্যান্ডিং পেজ বা অর্ডার ফর্ম থেকে অর্ডার দেন, ইনবক্সে আপনার উত্তরের অপেক্ষা করতে হয় না, আর নতুন অর্ডার এলে সাউন্ড বাজে। বাসার মানুষ বা হেল্পারকে টিম রোল দিয়ে আলাদা লগইন দিতে পারেন, আর ফলোআপ কল সিস্টেমে তিনি দেখেন কাকে কখন ফোন দিতে হবে। কনফার্ম হওয়া অর্ডার এক ক্লিকে Steadfast, Pathao, RedX সহ ছয়টা কুরিয়ারে পাঠানো যায়, আর ডেলিভারি হওয়া অর্ডার থেকে লাভ-ক্ষতির হিসাব নিজে থেকেই তৈরি হয়। বাকি ফিচারগুলো এখানে দেখে নিন।

সাধারণ প্রশ্ন

সরকারি চাকরি করে কি অনলাইন ব্যবসা করা যায়?

সরকারের আগের অনুমতি ছাড়া করা যায় না। সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯-এর ১৭(১) বিধিতে বলা আছে, আগের অনুমোদন ছাড়া কোনো সরকারি কর্মচারী নিজের সরকারি কাজের বাইরে কোনো ব্যবসায় জড়াতে পারবেন না। নন-গেজেটেড কর্মচারীর জন্য একটা ছাড় আছে। পরিবারের লোকজন খাটে এমন ছোট ব্যবসা তাঁরা অনুমতি ছাড়াই করতে পারেন, তবে তার বিবরণ সম্পদের বিবরণীর সাথে জমা দিতে হয়।

স্ত্রীর বা পরিবারের কারও নামে ব্যবসা করলে কি নিয়মে আটকায় না?

সব ক্ষেত্রে না। একই বিধিমালার ১৭(৩) বিধি অনুযায়ী, যে এলাকায় আপনার এখতিয়ার আছে, সেখানে পরিবারের কোনো সদস্যকে ব্যবসা করতে দিতে হলেও সরকারের আগের অনুমতি লাগে। আর ব্যবসাটা কাগজে স্ত্রীর নামে থাকলেও আসল কাজ যদি আপনি করেন, তাহলে সেটা আপনারই ব্যবসা হিসেবে দেখা হতে পারে। নিজের অফিসের প্রশাসন শাখা থেকে লিখিতভাবে জেনে নিন।

বেসরকারি চাকরিতে কি ব্যবসা করতে অনুমতি লাগে?

সেটা আপনার নিয়োগপত্র আর অফিসের নিয়মের ওপর নির্ভর করে, সব কোম্পানিতে এক না। নিয়োগপত্রে "full-time", "other employment" বা "conflict of interest" লেখা অংশগুলো পড়ুন। পরিষ্কার না হলে HR-কে ইমেইলে জিজ্ঞেস করুন, যাতে উত্তরটা লিখিত থাকে।

অফিসে থাকলে কুরিয়ার পিকআপ কীভাবে হবে?

পার্সেল আগের রাতে প্যাক করে রাখুন, আর সকালে অফিসে যাওয়ার আগেই পিকআপ রিকোয়েস্ট দিয়ে দিন। Steadfast-এর শর্তাবলিতে সাধারণ ডেলিভারির পিকআপ রিকোয়েস্ট বিকেল ৪টার মধ্যে দিতে বলা আছে, আর Pathao-র হেল্প পেজে পিকআপের সময় লেখা দুপুর ২টা থেকে রাত ৯টা। রাইডার যখন আসবেন, তখন বাসার কেউ পার্সেলগুলো তাঁর হাতে তুলে দেবেন।

চাকরির পাশাপাশি ব্যবসায় দিনে কত সময় লাগে?

শুরুতে কাজের দিনে দুই ঘণ্টার মতো, আর ছুটির দিনে একবারে চার-পাঁচ ঘণ্টা। এটা একটা আন্দাজ, প্রোডাক্ট আর অর্ডারের সংখ্যা অনুযায়ী কমবেশি হবে। অফিসের সময়ের ইনবক্স আর কনফার্ম কলের জন্য বাসার কেউ বা একজন পার্টটাইমার থাকলে এই দুই ঘণ্টাতেই কাজ চলে।

কখন চাকরি ছেড়ে পুরো সময় ব্যবসা করা উচিত?

যখন পরপর ছয় মাসের সবচেয়ে খারাপ মাসের নিট লাভও চাকরির মাসিক আয়ের সমান বা বেশি হয়, আর হাতে ছয় মাসের সংসার খরচ আলাদা জমা থাকে। লাভ গুনবেন শুধু ডেলিভারি হওয়া অর্ডার থেকে, সব খরচ বাদ দিয়ে। ঈদের একটা ভালো মাস দেখে চাকরি ছাড়বেন না।

#চাকরির পাশাপাশি ব্যবসা#সাইড বিজনেস#অনলাইন ব্যবসা#সরকারি চাকরির নিয়ম#কুরিয়ার পিকআপ#ক্যাশ অন ডেলিভারি

আরও পড়ুন

খেলনা ব্যবসার আইডিয়া, কোন খেলনা অনলাইনে চলে আর নিরাপত্তার নিয়ম

বাচ্চাদের খেলনা অনলাইনে বেচতে চাইলে কোন খেলনা চলে, চকবাজার থেকে প্রথম লট কীভাবে নেবেন, ২০২৬ সালে BSTI-র তালিকায় খেলনা আসার মানে কী, ব্যাটারির খেলনা চালিয়ে দেখা, মাপ বোঝানো ছবি আর না ভাঙার প্যাকিং, একটা লটের টাকার হিসাবসহ।

·১২ মিনিটে পড়া যায়

থ্রিফট শপিং কি? পুরনো বিদেশি জ্যাকেট-শার্টের থ্রিফট ব্যবসার নিয়ম

থ্রিফট শপিং কি, মাল কোথা থেকে আসে আর পুরনো কাপড় আমদানির নিয়ম কী বলে, গাইট খুলে বাছাই, ধোয়া আর ছবি, কন্ডিশন সত্যি করে লেখা, আর একটা গাইট থেকে এক পিসের দাম কীভাবে বের করবেন, হিসাবসহ।

·১২ মিনিটে পড়া যায়

অনলাইনে শাড়ির ব্যবসা, তাঁতের শাড়ি থেকে প্রথম লট, ছবি আর ফেরত

অনলাইনে শাড়ির ব্যবসা শুরু করবেন? কোন শাড়ি চলে, টাঙ্গাইলের হাট আর পাইকার, BSTI-র ২০২৬ সালের নতুন শাড়ির নিয়ম, মডেল ছাড়া শাড়ির ছবি, মাপ আর যত্নের কথা লেখা, আর একটা লটে কত থাকে, হিসাবসহ।

·১২ মিনিটে পড়া যায়