নগদ মার্চেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম ২০২৬, কাগজ, লিমিট আর চার্জ
কাস্টমার নগদে টাকা দিতে চান? নগদ মার্চেন্ট একাউন্ট কোথা থেকে খুলবেন, কী কাগজ লাগে, ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া হয় কি না, লিমিট আর চার্জ কত, আর যে চার্জ নগদ ওয়েবসাইটে লেখেনি সেটা কীভাবে জেনে নেবেন।

এই লেখায় যা আছে
- নগদ মার্চেন্ট একাউন্ট কী, পার্সোনাল নগদ থেকে পার্থক্য কোথায়?
- অনলাইন সেলারের কোন নগদ একাউন্ট লাগবে?
- কী কী কাগজ লাগে, ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া হয় কি?
- নগদ মার্চেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম, ধাপে ধাপে
- লিমিট কত, দিনে আর মাসে?
- ক্যাশ আউট আর ব্যাংকে নিতে কত চার্জ কাটে?
- কাস্টমার নগদে মার্চেন্ট পেমেন্ট করবেন কীভাবে?
- bKash থাকতে নগদ কেন রাখবেন, কখন রাখবেন না?
- আজ কোন কাজটা করবেন?
নগদ মার্চেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম এখন বেশ সোজা। nagad.com.bd-র একদম নিচে "নগদ মার্চেন্ট হোন" নামে একটা লিংক আছে। ওখানে চাপলে একটা ছোট মার্চেন্ট সাইনআপ ফর্ম খোলে, যেখানে দোকানের নাম, এলাকা, জেলা, আপনার নাম আর ফোন নম্বর দিতে হয়। তারপর তিনটা প্রশ্নের উত্তর দেবেন। আপনার NID আছে কি না, বৈধ ট্রেড লাইসেন্স আছে কি না, আর ব্যাংক একাউন্ট আছে কি না। জমা দিলে নগদের একজন প্রতিনিধি আপনার সাথে যোগাযোগ করবেন, আর কাগজ দেখে একাউন্ট খোলার কাজটা তিনিই এগিয়ে নেবেন।
লিমিট আর চার্জ নিয়ে একটা সত্যি কথা শুরুতেই বলে রাখি। ৭ অক্টোবর ২০২৬-এ নগদের ওয়েবসাইটে সাধারণ একাউন্টের লিমিট আর চার্জ পরিষ্কার লেখা আছে, কিন্তু মার্চেন্টের টাকা তোলার চার্জ কোথাও লেখা নেই। নিচে নগদ যা লিখেছে, সেটা সংখ্যা দিয়ে বলছি। আর যা লেখেনি, সেটা প্রতিনিধির কাছ থেকে কোন প্রশ্ন করে জেনে নেবেন, সেটাও বলে দিচ্ছি।
নগদ মার্চেন্ট একাউন্ট কী, পার্সোনাল নগদ থেকে পার্থক্য কোথায়?
আপনার ফোনে এখন যে নগদ একাউন্টটা আছে, সেটা পার্সোনাল একাউন্ট। নগদের FAQ-তে লেখা আছে, একটা NID দিয়ে এরকম একটাই একাউন্ট খোলা যায়। কাস্টমার এই নম্বরে টাকা পাঠান সেন্ড মানি করে, আর নগদের ট্যারিফ পেজ অনুযায়ী প্রতিটা সেন্ড মানিতে কাস্টমারের ৫ টাকা চার্জ কাটে। সেই টাকা এসে মিশে যায় আপনার সংসারের টাকার সাথে।
মার্চেন্ট একাউন্ট হলো দোকানের একাউন্ট। কাস্টমার এখানে টাকা দেন নগদ অ্যাপের "মার্চেন্ট পে" বাটন দিয়ে, QR স্ক্যান করে, অথবা *167# ডায়াল করে। নগদের ট্যারিফ পেজে মার্চেন্ট পেমেন্টের পাশে লেখা আছে, কাস্টমারের কোনো চার্জ লাগে না। মানে যে কাস্টমার আপনাকে ১৩০ টাকা ডেলিভারি চার্জ অগ্রিম দিচ্ছেন, তাঁকে আর ওপরে ৫ টাকা দিতে হয় না। অঙ্কটা ছোট, কিন্তু অগ্রিম চাইলে কাস্টমার এমনিতেই একটু দোটানায় থাকেন। তখন "আপনার কোনো চার্জ কাটবে না" কথাটা বলতে পারলে কাজ হয়।
নগদের মার্চেন্ট সাইনআপ ফর্মের ওপরেই লেখা আছে এই একাউন্টে কী কী পাবেন। সেখানে মার্চেন্ট QR, কাউন্টার পেমেন্ট, দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা পেমেন্ট নেওয়া আর লেনদেনের স্টেটমেন্টের কথা বলা আছে। অনলাইন সেলারের কাছে শেষেরটাই সবচেয়ে কাজের। ব্যবসার টাকা আলাদা একাউন্টে আসে আর তার স্টেটমেন্টও আলাদা থাকে, তাই মাস শেষে কোন টাকা কাস্টমারের অগ্রিম আর কোনটা ঘরের, সেটা খুঁজে বের করতে হয় না।
নগদের একটা শরিয়াহভিত্তিক শাখাও আছে, নাম নগদ ইসলামিক। ওদের আলাদা ইসলামিক মার্চেন্ট একাউন্ট আছে, আর খোলার ফর্মও আলাদা। ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে The Financial Express লিখেছিল, সাধারণ মার্চেন্ট একাউন্ট থেকে ইসলামিকে যাওয়ার সুবিধা শিগগির চালু হবে। সেটা এখন চালু হয়েছে কি না, নগদের ওয়েবসাইটে আমরা পাইনি, তাই দরকার হলে প্রতিনিধির কাছে জেনে নিন। শরিয়াহ মেনে লেনদেন করতে চাইলে ইসলামিকটা দেখুন, নইলে সাধারণটাতেই কাজ চলবে।
অনলাইন সেলারের কোন নগদ একাউন্ট লাগবে?
নগদের ওয়েবসাইটে ব্যবসার জন্য দুটো রাস্তা দেখা যায়, সাধারণ মার্চেন্ট একাউন্ট আর নগদ ইসলামিক মার্চেন্ট একাউন্ট। bKash-এর যেমন ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া ছোট ব্যবসার জন্য আলাদা একাউন্ট আছে, নগদের সাইটে ৭ অক্টোবর ২০২৬-এ এমন কিছু আমরা খুঁজে পাইনি। তাই আপনার আসল সিদ্ধান্ত দুটোর মধ্যে। আপাতত পার্সোনাল নগদ নম্বর দিয়েই চালাবেন, নাকি মার্চেন্ট একাউন্টের আবেদন করবেন।
সিদ্ধান্তটা নিন একটা সহজ নিয়মে। এক মাস ধরে একটা খাতায় দাগ দিন, কতজন কাস্টমার নিজে থেকে নগদে টাকা দিতে চাইলেন। সংখ্যাটা হাতে গোনা কয়েকজন হলে আলাদা একাউন্টের ঝামেলায় এখনই যাবেন না। মাসে দশজনের বেশি হলে, আর আপনার ট্রেড লাইসেন্স থাকলে, মার্চেন্ট একাউন্টের ফর্মটা পূরণ করে ফেলুন। দশ সংখ্যাটা নগদের কোনো নিয়ম না, শুধু শুরু করার একটা মাপ। এর চেয়ে কম কাস্টমারের জন্য আরেকটা একাউন্টের হিসাব রাখার সময়টা পোষায় না।
কার একেবারেই দরকার নেই, সেটাও বলি। যাঁরা কোনো অগ্রিম নেন না, পুরোটাই ক্যাশ অন ডেলিভারিতে চালান, তাঁদের কাছে কাস্টমারের টাকা নগদে আসেই না। কুরিয়ারের টাকা নগদে নিতেও আলাদা মার্চেন্ট একাউন্ট লাগে না। Steadfast-এর শর্তে লেখা আছে, ওরা মার্চেন্টকে টাকা দেয় ব্যাংকে, অথবা bKash, Nagad বা Rocket-এ।
আরেকটা জিনিস মাথায় রাখুন, সেটা হলো লিমিট। পার্সোনাল নগদ থেকে দিনে ৩০,০০০ টাকার বেশি ক্যাশ আউট করা যায় না, নিচে লিমিটের অংশে নগদের পেজ থেকে সেটা দেখাচ্ছি। শুধু ডেলিভারি চার্জ অগ্রিম নিলে এই লিমিটে কখনো আটকাবেন না। কিন্তু পুরো দাম অগ্রিম নিলে ঈদের আগে এক দিনেই এই অঙ্ক পার হয়ে যেতে পারে। তখন মার্চেন্ট একাউন্টটা আর শখ থাকে না, দরকার হয়ে যায়।
কী কী কাগজ লাগে, ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া হয় কি?
নগদের মার্চেন্ট সাইনআপ ফর্মটা খুব ছোট। সেখানে কোনো কাগজ আপলোড করতে হয় না, শুধু জানতে চায় কোন কাগজ আপনার আছে। তবে প্রতিনিধি যখন যোগাযোগ করবেন, তখন এগুলো হাতে থাকলে কাজ আটকাবে না।
- আপনার NID কার্ড। ফর্মে সরাসরি জিজ্ঞেস করে NID আছে কি না।
- বৈধ ট্রেড লাইসেন্স। মেয়াদ পার হয়ে গেলে আগে নবায়ন করে নিন, কারণ ফর্মে "বৈধ" শব্দটা আলাদা করে লেখা।
- একটা ব্যাংক একাউন্ট। ফর্মে এটাও হ্যাঁ বা না দিয়ে জানতে চায়। নগদ ইসলামিক মার্চেন্ট চালুর খবরে The Financial Express লিখেছিল, সেখানে পেমেন্টের টাকা শেষে মার্চেন্টের ব্যাংক একাউন্টে যায়। তাই ব্যবসার টাকা কোন একাউন্টে নেবেন, সেটা আগে থেকে ঠিক করে রাখুন।
- এমন একটা ফোন নম্বর, যেটা আপনি নিজে ধরেন। প্রতিনিধি এই নম্বরেই ফোন দেবেন। ফোন না ধরলে আবেদন ওখানেই পড়ে থাকে।
- ফেসবুক পেজ বা ওয়েবসাইটের লিংক। ফর্মে এর আলাদা ঘর নেই, তাই "অতিরিক্ত তথ্য" ঘরে লিখে দিন, যাতে প্রতিনিধি বোঝেন আপনি অনলাইনে বিক্রি করেন।
এবার ট্রেড লাইসেন্সের প্রশ্নে আসি। নগদের ফর্মে লাইসেন্স আছে কি না, সেটা হ্যাঁ বা না দিয়ে জানতে চায়, কিন্তু "না" দিলে কী হবে সেটা কোথাও লেখা নেই। ২০২৪ সালে নগদ ইসলামিক মার্চেন্ট চালুর খবরে The Financial Express লিখেছিল, একটা ট্রেড লাইসেন্সের বিপরীতে একটা একাউন্ট খোলা যাবে, আর নগদ লাইসেন্স ভেরিফাই করে তারপর একাউন্ট দেবে। খবরটা ইসলামিক মার্চেন্ট নিয়ে, তবে সাধারণ মার্চেন্টের ফর্মেও একই প্রশ্ন আছে। তাই ধরে নিন নগদের কাছে লাইসেন্সটাই আসল কাগজ। লাইসেন্স ছাড়া মার্চেন্ট একাউন্ট পাবেন, এই আশায় বসে থাকবেন না।
লাইসেন্স না থাকলে ফর্মে মিথ্যা "হ্যাঁ" দেবেন না। প্রতিনিধি কাগজ চাইলে তখন ধরা পড়বেন, আর মাঝখানের সময়টা নষ্ট হবে। তার চেয়ে বাসার ঠিকানায় লাইসেন্সটা করে ফেলুন। কোথায় আবেদন করবেন আর কত টাকা লাগে, সেটা আলাদা করে লেখা আছে অনলাইন ব্যবসার ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে লেখায়। লাইসেন্সে ব্যবসার যে নাম থাকবে, নগদের ফর্মেও হুবহু সেই নামটাই দেবেন।
ফর্মের বাইরে আর কোন কাগজ লাগবে, যেমন দোকানের ছবি বা অন্য কিছু, সেটা নগদের সাইটে লেখা নেই। প্রতিনিধি ফোন দিলে পুরো লিস্টটা একবারেই চেয়ে নিন, যাতে দুইবার দৌড়াতে না হয়।
নগদ মার্চেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম, ধাপে ধাপে
পুরো কাজটা ফোন থেকেই শুরু করা যায়, আর নগদের ওয়েবসাইটে ফর্মটা পূরণ করতে পাঁচ মিনিটের বেশি লাগে না। ধাপগুলো এরকম।
- nagad.com.bd ওপেন করে একদম নিচে স্ক্রল করুন। "নগদ মার্চেন্ট হোন" লিংকে চাপলে "মার্চেন্ট সাইনআপ" নামে ফর্মটা খুলবে।
- "মার্চেন্ট/দোকানের নাম" ঘরে আপনার ব্যবসার নাম লিখুন। ফেসবুক পেজ আর ট্রেড লাইসেন্সে যে বানান আছে, ঠিক সেটাই দিন।
- এরিয়া আর জেলার ঘরে আপনার এলাকা আর জেলার নাম লিখুন।
- "কন্টাক্ট পারসন" ঘরে নিজের নাম আর তার নিচে ফোন নম্বর দিন। ইমেইল না দিলেও ফর্ম জমা হয়, তবে দিয়ে রাখা ভালো।
- "অতিরিক্ত তথ্য" ঘরে দুই লাইনে লিখুন আপনি কী বিক্রি করেন, ফেসবুক পেজের লিংক কী, আর মাসে মোটামুটি কত টাকা অগ্রিম আসে।
- শেষের তিনটা প্রশ্নে NID, ট্রেড লাইসেন্স আর ব্যাংক একাউন্টের ঘরে সত্যি উত্তর দিয়ে ফর্মটা জমা দিন।

ফর্মে লেখা আছে, জমা দেওয়ার পর নগদের একজন প্রতিনিধি যোগাযোগ করবেন। কত দিনের মধ্যে ফোন আসবে বা কত দিনে একাউন্ট চালু হবে, নগদ সেটা কোথাও লেখেনি। তাই কেউ নির্দিষ্ট দিনের কথা বললে বুঝবেন, সেটা নগদের লেখা কথা না। এক-দুই সপ্তাহে কোনো খবর না পেলে নগদের হেল্পলাইনে ফোন দিন। নগদের যোগাযোগ পেজে নম্বর দুটো লেখা আছে, 16167 আর 09609616167।
ইসলামিক মার্চেন্ট একাউন্ট চাইলে ফর্মটা আলাদা। সেটা আছে nagadislamic.com.bd সাইটে, "Islamic Merchant Onboarding" নামে। সেখানে নাম, ফোন, ঠিকানা, বিভাগ, জেলা আর থানা দিতে হয়। ব্যবসার ধরনে Online, Offline বা Both থেকে একটা সিলেক্ট করতে হয়, আর প্রোডাক্ট কী সেটা লিখতে হয়। ট্রেড লাইসেন্স আছে কি না, সেই প্রশ্ন এখানেও আছে। ফেসবুকে বিক্রি করলে Online সিলেক্ট করবেন।
একটা জিনিস আগে থেকে জানিয়ে রাখি। bKash-এর যেমন আলাদা একটা মার্চেন্ট অ্যাপ আছে, নগদের ওয়েবসাইটে তেমন কোনো অ্যাপের কথা আমরা পাইনি। তাই একাউন্ট চালু হলে পেমেন্ট আর স্টেটমেন্ট কোথায় দেখবেন, কোনো অ্যাপে নাকি ওয়েব পোর্টালে, সেটা প্রথম দিনেই প্রতিনিধির কাছ থেকে জেনে নিন।
লিমিট কত, দিনে আর মাসে?
মার্চেন্ট একাউন্টের লিমিট নিয়ে নগদের লিমিট পেজে একটা লাইনই আছে। প্রতিটা পেমেন্ট সর্বনিম্ন ১ টাকা হতে পারে, আর সর্বোচ্চ লিমিট মার্চেন্টের ধরন অনুযায়ী আলাদা হয়। মানে আপনার মার্চেন্ট একাউন্টে দিনে কত টাকা নিতে পারবেন, সেটা সবার জন্য এক না। একাউন্ট খোলার সময় এই সংখ্যাটা অবশ্যই জেনে নেবেন।
পার্সোনাল একাউন্টের লিমিট অবশ্য পরিষ্কার লেখা আছে। যতদিন পার্সোনাল নম্বরে অগ্রিম নিচ্ছেন, এগুলোই আপনার সীমা। নিচের সংখ্যাগুলো ৭ অক্টোবর ২০২৬-এ নগদের "লিমিট ও চার্জ" পেজ থেকে নেওয়া।
| লেনদেন | দিনে সর্বোচ্চ | মাসে সর্বোচ্চ |
|---|---|---|
| সেন্ড মানি | ৫০,০০০ টাকা, ৫০ বার | ৩,০০,০০০ টাকা, ১০০ বার |
| ক্যাশ আউট | ৩০,০০০ টাকা, ১৫ বার | ২,০০,০০০ টাকা, ১৫০ বার |
| ক্যাশ ইন | ৫০,০০০ টাকা, ১৫ বার | ৩,০০,০০০ টাকা, ১৫০ বার |
একই পেজে আরও লেখা আছে, একটা নগদ একাউন্টে একসাথে ৫ লাখ টাকার বেশি রাখা যায় না। ক্যাশ আউট একবারে সর্বনিম্ন ৫০ টাকা করা যায়, আর এক লেনদেনে সর্বোচ্চ ৩০,০০০ টাকা।
এই লিমিট বাস্তবে কোথায় লাগে, একটা উদাহরণে দেখি। ধরুন আপনি ১,৮০০ টাকার জুতা বিক্রি করেন, আর ঈদের আগে পুরো দাম অগ্রিম নিচ্ছেন। তাহলে এক দিনে ১৭টা অর্ডারেই ৩০,৬০০ টাকা চলে আসে। সেদিন আপনি ৩০,০০০ টাকার বেশি ক্যাশ আউট করতে পারবেন না, অথচ পরের দিন পাইকারকে টাকা দেওয়ার কথা। সংখ্যাগুলো উদাহরণ, নিজের দাম বসিয়ে একবার গুনে দেখুন।
একটা ছোট খটকাও আছে। নগদের লিমিট পেজের নিচে লেখা, "এই বর্ধিত লিমিট আগামী ৩০ মে ২০২৬ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে"। অক্টোবরেও পেজে একই সংখ্যা দেখাচ্ছে, কিন্তু তারিখটা পার হয়ে গেছে। তাই বড় কোনো সিজনের আগে পেজটা আরেকবার খুলে মিলিয়ে নেবেন।
ক্যাশ আউট আর ব্যাংকে নিতে কত চার্জ কাটে?
আগে বলি নগদ কী লিখেছে। ৭ অক্টোবর ২০২৬-এ নগদের ট্যারিফ পেজে পার্সোনাল একাউন্টের চার্জ এরকম। অ্যাপ দিয়ে ক্যাশ আউট করলে প্রতি হাজারে ১২.৯৯ টাকা কাটে, আর *167# ডায়াল করে করলে প্রতি হাজারে ১৫ টাকা। নগদ ইসলামিক একাউন্টে অ্যাপ দিয়ে করলেও প্রতি হাজারে ১৫ টাকা লেখা। নগদ থেকে যেকোনো ব্যাংকের VISA ডেবিট কার্ডে টাকা পাঠালে ১.৫% কাটে, আর ব্যাংক থেকে নগদে টাকা আনতে কোনো চার্জ নেই। কাস্টমার মার্চেন্ট পেমেন্ট করলে তাঁর কোনো চার্জ নেই, সেটা আগেই বলেছি।
মার্চেন্ট একাউন্টের টাকা ক্যাশ আউট বা ব্যাংকে নেওয়ার চার্জ নগদের ওয়েবসাইটে লেখা নেই। এখানেই অনেকে ভুল করেন। নতুন সেলার কোনো ব্লগে একটা রেট দেখে সেটা ধরে হিসাব করে ফেলেন, তারপর মাস শেষে দেখেন অঙ্ক মিলছে না।
তাহলে হিসাবটা করবেন কীভাবে? একটা উদাহরণ দিয়ে দেখাই। ধরুন মাসে ৩০০টা অর্ডারে ঢাকার বাইরের ১৩০ টাকা ডেলিভারি চার্জ অগ্রিম নেন। তাহলে মাসে নগদে আসে ৩০০ × ১৩০ = ৩৯,০০০ টাকা। অর্ডারের সংখ্যাটা বানানো, কিন্তু চার্জগুলো নগদের ট্যারিফ পেজের।
পার্সোনাল নম্বরে নিলে আপনার দিক থেকে খরচ শুধু ক্যাশ আউটের। অ্যাপ দিয়ে তুললে ৩৯,০০০ টাকায় কাটবে প্রায় ৫০৭ টাকা, আর *167# দিয়ে তুললে ৫৮৫ টাকা। কিন্তু কাস্টমারের দিকেও একটা খরচ আছে, যেটা অনেকে গোনেন না। ৩০০ জন কাস্টমার প্রত্যেকে সেন্ড মানিতে ৫ টাকা করে দিলে মোট ১,৫০০ টাকা যায়। টাকাটা আপনার পকেট থেকে যায়নি ঠিকই। তবে "১৩০ টাকা পাঠান, সাথে আপনার আরও ৫ টাকা কাটবে" শুনে কিছু কাস্টমার অগ্রিমই দেন না, আর অর্ডারটা তখন ক্যানসেলের দিকে চলে যায়।
মার্চেন্ট একাউন্টে কাস্টমারের দিকের এই ৫ টাকা নেই। আপনার দিকের খরচ কত হবে, সেটা নির্ভর করবে প্রতিনিধি যে রেট বলবেন তার ওপর। এখানে মাপার একটা সহজ উপায় আছে। পার্সোনাল থেকে অ্যাপে ক্যাশ আউটে কাটে প্রতি হাজারে ১২.৯৯ টাকা, মানে প্রায় ১.৩%। মার্চেন্টের রেট এর কম হলে আপনার খরচও কমবে, কাস্টমারের ৫ টাকাও বাঁচবে। রেট এর বেশি হলে ভেবে দেখুন, কাস্টমারের সুবিধা আর আলাদা হিসাবের জন্য আপনি কতটা বাড়তি দিতে রাজি।
প্রতিনিধি ফোন দিলে নিচের প্রশ্নগুলো একটা কাগজে লিখে সামনে রাখুন। উত্তরগুলো পাশে লিখে নিন, আর রেটগুলো লিখিত চেয়ে নিন।
- দিনে আর মাসে সর্বোচ্চ কত টাকা পেমেন্ট নিতে পারব?
- একাউন্টের টাকা ব্যাংকে যায় কীভাবে, নিজে থেকে নাকি আমাকে রিকোয়েস্ট দিতে হবে? কত দিনে পৌঁছায়?
- ব্যাংকে নিলে কত শতাংশ কাটে, আর এজেন্টের কাছ থেকে ক্যাশ আউট করলে কত?
- একাউন্ট খুলতে বা প্রতি বছর কোনো ফি আছে কি?
- পেমেন্ট আর স্টেটমেন্ট কোথায় দেখব, প্রতিটা পেমেন্টে SMS আসবে কি?
- অর্ডার ক্যানসেল হলে কাস্টমারকে টাকা ফেরত দেব কীভাবে, তাতে কত চার্জ?
শেষ প্রশ্নটা অনেকে ভুলে যান, অথচ অগ্রিম নিলে রিফান্ড দিতেই হয়। মার্চেন্ট একাউন্ট থেকে কাস্টমারকে টাকা ফেরত পাঠানোর রাস্তা না জানলে প্রথম ক্যানসেলের দিনেই বিপদে পড়বেন।
কাস্টমার নগদে মার্চেন্ট পেমেন্ট করবেন কীভাবে?
একাউন্ট চালু হলে আসল কাজ হলো কাস্টমারকে ঠিক রাস্তায় টাকা পাঠানো শেখানো, কারণ অভ্যাসে সবাই সেন্ড মানি করতে চাইবেন। নগদের FAQ-তে মার্চেন্ট পেমেন্টের দুটো রাস্তা লেখা আছে, অ্যাপ দিয়ে আর ডায়াল করে।
অ্যাপ দিয়ে করলে কাস্টমার নগদ অ্যাপে লগইন করে "মার্চেন্ট পে" বাটনে চাপবেন। তারপর আপনার মার্চেন্ট নম্বর লিখবেন, অথবা আপনার QR কোড স্ক্যান করবেন। এরপর টাকার অঙ্ক, রেফারেন্স আর পিন দিয়ে স্ক্রিনে চেপে ধরে রাখলেই পেমেন্ট হয়ে যায়।
যাঁর স্মার্টফোন বা ইন্টারনেট নেই, তিনিও পারবেন। *167# ডায়াল করে মেনু থেকে ৪ চাপলে পেমেন্ট আসে। তারপর মার্চেন্ট নম্বর, টাকার অঙ্ক, কাউন্টার নম্বর, রেফারেন্স আর পিন দিতে হয়। কাউন্টার নম্বরের ঘরে কী দিতে হবে, সেটা একাউন্ট খোলার সময় প্রতিনিধির কাছ থেকে জেনে নিন। যে কাস্টমার এখনো বাটন ফোনে নগদ চালান, তাঁর জন্য এই রাস্তাটাই ভরসা।

অর্ডার কনফার্ম করার পর নিচের মেসেজটা কপি করে পাঠাতে পারেন। নাম, নম্বর আর টাকার অঙ্ক নিজেরটা বসিয়ে নিন।
"ভাই, অর্ডার নম্বর ২০৮৭। ডেলিভারি চার্জের ১৩০ টাকা নগদ অ্যাপের 'মার্চেন্ট পে' দিয়ে এই নম্বরে দিন 01XXXXXXXXX। এভাবে দিলে আপনার কোনো চার্জ কাটবে না। রেফারেন্সে লিখবেন 2087। অ্যাপ না থাকলে *167# ডায়াল করে ৪ চাপলেই পেমেন্ট পাবেন। পেমেন্টের পর যে Transaction ID আসবে, সেটা এখানে লিখে দিলেই আজ পার্সেল পাঠিয়ে দেব।"
এই মেসেজে "কোনো চার্জ কাটবে না" লাইনটা ইচ্ছা করেই রাখা। কাস্টমার যখন শোনেন সেন্ড মানির ৫ টাকা লাগবে না, তখন মার্চেন্ট পে করতে তাঁর আপত্তি থাকে না। আর রেফারেন্সে অর্ডার নম্বর থাকলে দিনশেষে কোন পেমেন্ট কোন অর্ডারের, সেটা খুঁজতে হয় না।
টাকা এসেছে কি না দেখবেন নিজের একাউন্টে, কাস্টমারের পাঠানো স্ক্রিনশটে না। নগদের FAQ-তে Transaction ID-কে বলা হয়েছে প্রতিটা লেনদেনের আলাদা পরিচয় নম্বর। কাস্টমারের দেওয়া Transaction ID আর টাকার অঙ্ক আপনার স্টেটমেন্টের সাথে মিললে তবেই পার্সেল বুক করবেন। স্ক্রিনশট দিয়ে কীভাবে ঠকানো হয়, আর মার্চেন্ট নম্বর আর QR পেজের কোথায় কোথায় রাখলে কাস্টমার নিজেই খুঁজে পান, দুটোই বিস্তারিত আছে bKash মার্চেন্ট একাউন্টের লেখায়। নিয়মগুলো নগদেও একই।
bKash থাকতে নগদ কেন রাখবেন, কখন রাখবেন না?
bKash-এর মার্চেন্ট একাউন্ট আর লাইসেন্স ছাড়া খোলা যায় এমন পার্সোনাল রিটেইল একাউন্টের কাগজ, লিমিট আর চার্জ ওপরের লিংকের লেখাতেই আছে। এখানে শুধু তুলনাটা করি। নগদ রাখার মূল কারণ একটাই, কাস্টমারের সুবিধা। যিনি শুধু নগদ চালান, তাঁকে bKash-এ টাকা দিতে বললে আগে কারও কাছ থেকে টাকা নিতে হয়, নয়তো তিনি বলেন "পার্সেল আসলে দিব"। তখন অগ্রিম নেওয়ার পুরো উদ্দেশ্যটাই নষ্ট হয়ে যায়।
নগদ রাখবেন যখন কাস্টমার নিজে থেকে বারবার নগদের কথা জিজ্ঞেস করছেন। ওপরে খাতায় দাগ দেওয়ার যে কথা বললাম, সেটাই এখানে কাজে আসবে। আর আপনার পাইকার বা সাপ্লায়ার যদি নগদে টাকা নেন, তাহলে টাকাটা তুলে ক্যাশে দেওয়ার দরকার পড়ে না। নগদের ট্যারিফ অনুযায়ী পার্সোনাল নম্বর থেকে সেন্ড মানিতে কাটে ৫ টাকা, অথচ ৩০,০০০ টাকা অ্যাপে ক্যাশ আউট করলে কাটে প্রায় ৩৯০ টাকা। মার্চেন্ট একাউন্ট থেকে সাপ্লায়ারকে টাকা পাঠানো যায় কি না আর তাতে কত কাটে, সেটা প্রতিনিধির কাছে জেনে নিন।
তিনটা অবস্থায় নগদ রাখার দরকার নেই, অন্তত এখনই না। প্রথমত, মাসে হাতে গোনা দুই-একজন যদি নগদে দিতে চান। দ্বিতীয়ত, আপনার ট্রেড লাইসেন্স যদি এখনো না থাকে, কারণ তখন bKash-এর লাইসেন্স ছাড়া একাউন্টটাই আপনার জন্য সহজ। তৃতীয়ত, আপনি যদি একা সব সামলান আর প্রতিদিন দুটো একাউন্টের পেমেন্ট মেলানোর সময় না পান। দুটো একাউন্ট মানে দুই জায়গায় চোখ রাখা। দিনের শেষে একটা পেমেন্ট মিস হলে একজন কাস্টমার ভাববেন আপনি টাকা নিয়ে পার্সেল দেননি।
আজ কোন কাজটা করবেন?
আজ থেকে এক মাস একটা খাতায় লিখে রাখুন, কতজন কাস্টমার নগদে টাকা দিতে চাইলেন। ট্রেড লাইসেন্সের মেয়াদটা দেখে নিন, শেষ হয়ে গেলে নবায়নের কাজ শুরু করুন। তারপর nagad.com.bd-র নিচের "নগদ মার্চেন্ট হোন" লিংক থেকে ফর্মটা পূরণ করুন। প্রতিনিধির ফোনের জন্য ওপরের ছয়টা প্রশ্ন লিখে রাখুন, আর রেটগুলো লিখিত নিন। এটুকু করলে মাস শেষে চার্জ নিয়ে আর কোনো চমক থাকবে না।
ইনবক্সে বসে প্রতিটা কাস্টমারের কাছে Transaction ID চাওয়ার কাজটা কমাতে চাইলে নিজের স্টোরে অনলাইন পেমেন্ট চালু করতে পারেন। WinningSeller-এর স্টোরে SSLCommerz চালু করলে কাস্টমার SSLCommerz-এর পেমেন্ট পেজে গিয়ে bKash, Nagad, Rocket বা কার্ড, যেটা দিয়ে চান টাকা দিতে পারেন। এর জন্য SSLCommerz-এ আপনার আলাদা একাউন্ট লাগবে, আর তাদের চার্জ ও কাগজের শর্ত তাদের নিজের। সেই চার্জ আর কাগজের হিসাব আছে পেমেন্ট গেটওয়ের তুলনা নিয়ে লেখায়। স্টোরে চাইলে পুরো দাম অগ্রিম নিতে পারেন, অথবা শুধু ডেলিভারি চার্জ, আর ইনবক্সের কাস্টমারকে একটা পেমেন্ট লিংকও পাঠাতে পারেন। বাকি ফিচারগুলো এখানে দেখে নিন।
সাধারণ প্রশ্ন
ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া কি নগদ মার্চেন্ট একাউন্ট খোলা যায়?
নগদের মার্চেন্ট সাইনআপ ফর্মে জানতে চায় আপনার বৈধ ট্রেড লাইসেন্স আছে কি না, কিন্তু না থাকলে কী হবে সেটা লেখা নেই। ২০২৪ সালে নগদ ইসলামিক মার্চেন্ট চালুর খবরে The Financial Express লিখেছিল, ট্রেড লাইসেন্স ভেরিফাই করেই একাউন্ট দেওয়া হবে। তাই ধরে নিন লাইসেন্সটাই আসল কাগজ, আর না থাকলে ফর্মে সত্যি উত্তর দিয়ে প্রতিনিধির কাছে জেনে নিন।
নগদ মার্চেন্ট একাউন্ট খুলতে কত টাকা লাগে?
অক্টোবর ২০২৬-এ নগদের ট্যারিফ পেজে লেখা আছে, একাউন্ট খুলতে কোনো চার্জ নেই। তবে ওটা সাধারণ একাউন্টের কথা, মার্চেন্টের জন্য আলাদা কোনো ফি সেখানে লেখা নেই। প্রতিনিধি ফোন দিলে খোলার ফি বা বছরে কোনো ফি আছে কি না, লিখিত জেনে নিন।
নগদ মার্চেন্ট একাউন্টের লিমিট কত?
নগদের লিমিট পেজে লেখা আছে, প্রতিটা পেমেন্ট সর্বনিম্ন ১ টাকা হতে পারে, আর সর্বোচ্চ লিমিট মার্চেন্টের ধরন অনুযায়ী আলাদা হয়। মানে সব মার্চেন্টের জন্য একটা নির্দিষ্ট সংখ্যা নগদ লেখেনি। আপনার একাউন্টে দিনে আর মাসে কত নিতে পারবেন, সেটা একাউন্ট খোলার সময় জেনে নিন।
নগদ মার্চেন্ট থেকে ক্যাশ আউট চার্জ কত?
৭ অক্টোবর ২০২৬-এ নগদের ওয়েবসাইটে মার্চেন্টের ক্যাশ আউট বা ব্যাংকে নেওয়ার চার্জ লেখা নেই। লেখা আছে শুধু সাধারণ একাউন্টের রেট, অ্যাপ দিয়ে প্রতি হাজারে ১২.৯৯ টাকা আর *167# ডায়াল করে প্রতি হাজারে ১৫ টাকা। অন্য ওয়েবসাইটে মার্চেন্টের যে রেট দেখবেন, সেটা নগদের লেখা রেট না, তাই নিজের রেট প্রতিনিধির কাছ থেকে লিখিত নিন।
কাস্টমার মার্চেন্ট পেমেন্ট করলে কি তাঁর চার্জ কাটে?
না, কাটে না। নগদের ট্যারিফ পেজে "Payment (Merchant)"-এর পাশে লেখা আছে কোনো চার্জ নেই। অথচ পার্সোনাল নম্বরে সেন্ড মানি করলে কাস্টমারের ৫ টাকা কাটে, তাই মার্চেন্ট পে করতে বললে তাঁর টাকাও বাঁচে।
অ্যাপ ছাড়া কি নগদে মার্চেন্ট পেমেন্ট করা যায়?
হ্যাঁ, যায়। নগদের FAQ অনুযায়ী *167# ডায়াল করে মেনু থেকে ৪ চাপলে পেমেন্ট আসে। তারপর মার্চেন্ট নম্বর, টাকার অঙ্ক, কাউন্টার নম্বর, রেফারেন্স আর পিন দিলেই পেমেন্ট হয়ে যায়, ইন্টারনেট লাগে না।
আরও পড়ুন
খেলনা ব্যবসার আইডিয়া, কোন খেলনা অনলাইনে চলে আর নিরাপত্তার নিয়ম
বাচ্চাদের খেলনা অনলাইনে বেচতে চাইলে কোন খেলনা চলে, চকবাজার থেকে প্রথম লট কীভাবে নেবেন, ২০২৬ সালে BSTI-র তালিকায় খেলনা আসার মানে কী, ব্যাটারির খেলনা চালিয়ে দেখা, মাপ বোঝানো ছবি আর না ভাঙার প্যাকিং, একটা লটের টাকার হিসাবসহ।
থ্রিফট শপিং কি? পুরনো বিদেশি জ্যাকেট-শার্টের থ্রিফট ব্যবসার নিয়ম
থ্রিফট শপিং কি, মাল কোথা থেকে আসে আর পুরনো কাপড় আমদানির নিয়ম কী বলে, গাইট খুলে বাছাই, ধোয়া আর ছবি, কন্ডিশন সত্যি করে লেখা, আর একটা গাইট থেকে এক পিসের দাম কীভাবে বের করবেন, হিসাবসহ।
অনলাইনে শাড়ির ব্যবসা, তাঁতের শাড়ি থেকে প্রথম লট, ছবি আর ফেরত
অনলাইনে শাড়ির ব্যবসা শুরু করবেন? কোন শাড়ি চলে, টাঙ্গাইলের হাট আর পাইকার, BSTI-র ২০২৬ সালের নতুন শাড়ির নিয়ম, মডেল ছাড়া শাড়ির ছবি, মাপ আর যত্নের কথা লেখা, আর একটা লটে কত থাকে, হিসাবসহ।


