WinningSeller
অনলাইন ব্যবসা শুরু১৪ মিনিটে পড়া যায়

বাংলাদেশে অনলাইন ব্যবসা শুরু করবেন কীভাবে: ২০২৬ সালের পুরো গাইড

প্রোডাক্ট বাছাই থেকে সোর্সিং, ফেসবুক পেজ, নিজের অনলাইন স্টোর, কুরিয়ার, পেমেন্ট, অ্যাড আর হিসাব। ৮টা ধাপে, টাকার অঙ্কসহ, একদম নতুনদের জন্য।

বাংলাদেশে অনলাইন ব্যবসা শুরু করবেন কীভাবে: ২০২৬ সালের পুরো গাইড
এই লেখায় যা আছে
  1. ধাপ ১: কী বেচবেন, সেটা আগে ঠিক করুন
  2. ধাপ ২: প্রোডাক্ট কোথা থেকে আনবেন (সোর্সিং)
  3. ধাপ ৩: ফেসবুক পেজ, কিন্তু শুধু পেজ না
  4. ধাপ ৪: নিজের অনলাইন স্টোর আর ল্যান্ডিং পেজ
  5. ধাপ ৫: কুরিয়ার ঠিক করুন
  6. ধাপ ৬: পেমেন্ট, মানে ক্যাশ অন ডেলিভারি
  7. ধাপ ৭: ফেসবুক অ্যাড: প্রথম ৫,০০০ টাকা
  8. ধাপ ৮: হিসাব, মাস শেষে লাভ না ক্ষতি
  9. ট্রেড লাইসেন্স, DBID আর কাগজপত্র: কখন লাগে
  10. প্রথম ৩০ দিনের চেকলিস্ট
  11. একটা উদাহরণ: রাজশাহীর সুমাইয়ার প্রথম মাস
  12. শেষ কথা: আজ একটা কাজ

ফেসবুক পেজ খুলেছেন, কয়েকটা পোস্ট দিয়েছেন, দু-একটা অর্ডারও এসেছে। তারপর? ইনবক্সে ৪০টা মেসেজ, কে কনফার্ম করলো আর কে শুধু দাম জিজ্ঞেস করলো তা খাতায় লেখা, কুরিয়ার থেকে দুটো পার্সেল ফেরত এলো আর ২৬০ টাকা গচ্চা। মাস শেষে বুঝতে পারছেন না লাভ হলো না ক্ষতি।

বাংলাদেশে অনলাইন ব্যবসা শুরু করতে আসলে ৮টা জিনিস ঠিক করতে হয়: কী বেচবেন, কোথা থেকে আনবেন, ফেসবুক পেজ, নিজের অনলাইন স্টোর, কুরিয়ার, পেমেন্ট, অ্যাড, আর হিসাব। এর কোনোটাতেই কোডিং লাগে না, বড় পুঁজিও না। ১৫ থেকে ৩০ হাজার টাকায় ঘর থেকে শুরু করা যায়। এই লেখায় প্রতিটা ধাপ টাকার অঙ্কসহ, যেভাবে অভিজ্ঞ বিক্রেতারা করেন সেভাবে।

এই লেখায় যা পাবেন

  • কোন প্রোডাক্ট বেচলে লাভ থাকে, আর কোনটায় শুধু খাটুনি
  • ঢাকার কোন মার্কেট থেকে কী আনা যায়, আর প্রথম স্টকে কত টাকা
  • ফেসবুক পেজ আর নিজের অনলাইন স্টোর, দুটোই কেন লাগে
  • Steadfast, Pathao, RedX: চার্জ, মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট, কোনটা কখন
  • ক্যাশ অন ডেলিভারির আসল হিসাব: ফেরত এলে কত যায়
  • প্রথম ৫,০০০ টাকার ফেসবুক অ্যাড কীভাবে চালাবেন
  • মাস শেষে লাভ গোনার সহজ নিয়ম, আর ট্রেড লাইসেন্স কখন লাগে
  • প্রথম ৩০ দিনের চেকলিস্ট
অনলাইন ব্যবসা শুরুর ৮টা ধাপ এক ছবিতে: প্রোডাক্ট, সোর্সিং, ফেসবুক পেজ, অনলাইন স্টোর, কুরিয়ার, পেমেন্ট, অ্যাড, হিসাব
৮টা ধাপ, এই ক্রমে; কোনোটাতেই কোডিং লাগে না

ধাপ ১: কী বেচবেন, সেটা আগে ঠিক করুন

নতুনদের সবচেয়ে বড় ভুল: যা সবাই বেচছে তা-ই বেচা। তিন-পিস, স্মার্ট ওয়াচ, খাঁটি মধু। এগুলো খারাপ প্রোডাক্ট না, কিন্তু অ্যাডের দাম সবাই মিলে বাড়িয়ে রেখেছে। প্রোডাক্ট বাছার সময় চারটা প্রশ্ন করুন।

১. এক পিসে কত টাকা থাকে? কেনা দাম, কুরিয়ার চার্জ, অ্যাডের খরচ, আর ফেরত আসার ক্ষতি, সব বাদ দিয়ে কমপক্ষে ৩০০ টাকা না থাকলে ক্যাশ অন ডেলিভারিতে টেকা কঠিন। ৫০০ টাকার প্রোডাক্টে ১০০ টাকা লাভ রেখে অনলাইনে বেচা যায় না, কারণ একটা ফেরত এলেই তিনটার লাভ শেষ।

২. পার্সেল করা সহজ কি না? কাচের জিনিস, বড় সাইজ, বা গরমে নষ্ট হয় এমন প্রোডাক্ট শুরুতে না। কুরিয়ার ওজন ধরে চার্জ করে; ১ কেজির ওপরে গেলে চার্জ বাড়ে।

৩. একই কাস্টমার আবার কিনবেন কি না? মধু, ঘি, মসলা, স্কিনকেয়ার, বাচ্চার জিনিস: এগুলো ফুরায়, মানুষ আবার কেনে। একটা স্মার্ট ওয়াচ কিনলে পরেরটা তিন বছর পর। যে প্রোডাক্টে রিপিট সেল আছে, সেখানে দ্বিতীয়বার বিক্রিতে অ্যাডের টাকা লাগে না, শুধু একটা ফোন।

৪. আপনি নিজে প্রোডাক্টটা বোঝেন কি না? যে জিনিস নিজে চেনেন, তার ছবি, বর্ণনা আর কাস্টমারের প্রশ্নের উত্তর ভালো হয়। রাজশাহীর মানুষ আম আর সিল্ক চেনেন, বগুড়ার মানুষ দই আর ঘি।

একটা সহজ তুলনা, একই ৫০০ টাকা লাভের লক্ষ্যে:

প্রোডাক্ট বিক্রি − কেনা দাম কুরিয়ার ৳১৩০ + অ্যাড (সাধারণত) হাতে থাকে
থ্রি-পিস ৳১,৪৫০ − ৳৭৫০ = ৳৭০০ ৳১৩০ (কাস্টমার দিলে ০) + ৳১৫০–২৫০ ৳৩০০–৪২০
খাঁটি ঘি ৫০০ গ্রাম ৳৯৫০ − ৳৬০০ = ৳৩৫০ ৳১৩০ + ৳১০০–১৫০ ৳৭০–১২০; রিপিট সেলে (অ্যাড ০) ৳২২০
স্মার্ট ওয়াচ ৳১,২৯০ − ৳৭৫০ = ৳৫৪০ ৳১৩০ + ৳২০০–৩৫০ ৳৬০–২১০

অ্যাডের খরচ এখানে আন্দাজি রেঞ্জ, আপনার পেজ, ছবি আর মৌসুমে বদলায়। কিন্তু হিসাবের ধরনটা এটাই: লাভ গুনতে হয় অ্যাড আর ফেরত বাদ দিয়ে, বিক্রির দাম থেকে কেনা দাম বিয়োগ করে না।

যে প্রোডাক্ট মানুষ আবার কেনে, সেটায় দ্বিতীয় বিক্রিটা ফ্রি; যে প্রোডাক্ট একবারই কেনে, সেটায় প্রতিটা বিক্রি অ্যাডের টাকায়।

ধাপ ২: প্রোডাক্ট কোথা থেকে আনবেন (সোর্সিং)

সোর্সিং মানে পাইকারি দামে প্রোডাক্ট কেনা। বাংলাদেশে তিনটা রাস্তা।

ঢাকার পাইকারি মার্কেট। যে প্রোডাক্ট বেচবেন, তার মার্কেট আলাদা:

  • কাপড়, থ্রি-পিস, শাড়ি: ইসলামপুর, কেরানীগঞ্জ, গাউছিয়া আর নিউমার্কেটের পাইকারি গলি, মিরপুর বেনারসি পল্লী
  • কসমেটিকস, স্কিনকেয়ার: চকবাজার (মৌলভীবাজার পাশেই, মসলাও সেখানে)
  • গ্যাজেট, মোবাইল অ্যাক্সেসরিজ: গুলিস্তান, নবাবপুর, মোতালেব প্লাজা
  • বাচ্চার জিনিস, খেলনা: চকবাজার আর গুলিস্তান
  • ঘি, মধু, খেজুর, সরিষার তেল: সরাসরি উৎপাদক। পাবনা-সিরাজগঞ্জের ঘি, সুন্দরবন অঞ্চলের মধু, এগুলো ফোনে অর্ডার করে কুরিয়ারে আনা যায়

প্রথমবার মার্কেটে গিয়ে ১০ পিসের বেশি কিনবেন না। পাইকার বলবে এক ডজন বা এক থান না নিলে দাম হবে না। হোক। প্রথম ১০ পিস বেচে দেখুন কাস্টমার কী বলে, ছবিতে কোন রং চলে, কোন সাইজ ফেরত আসে। তারপর বড় কেনাকাটা।

স্থানীয় কারিগর বা উৎপাদক। সবচেয়ে কম প্রতিযোগিতা এখানে। যশোরের নকশিকাঁথা, টাঙ্গাইলের শাড়ি, কুমিল্লার খাদি, চট্টগ্রামের শুঁটকি। নিজের জেলার জিনিস ঢাকায় বেচা এখন সবচেয়ে বড় সুযোগগুলোর একটা, কারণ ঢাকার ক্রেতা আসল জিনিসের জন্য বেশি দেয়।

চীন থেকে আমদানি। 1688 বা Alibaba থেকে এজেন্টের মাধ্যমে কেজি দরে আনা হয়, সাধারণত কেজিপ্রতি ৬০০ থেকে ৯০০ টাকা শিপিং, ১৫ থেকে ২৫ দিনে আসে। গ্যাজেট আর অ্যাক্সেসরিজে এটাই বেশিরভাগ বিক্রেতার সোর্স। কিন্তু প্রথম ব্যবসায় না। আগে দেশি মার্কেট থেকে কিনে ৫০টা অর্ডার ডেলিভারি করুন, তারপর যে প্রোডাক্ট চলে সেটা সরাসরি আনুন।

ঢাকার পাইকারি মার্কেটের তালিকা প্রোডাক্ট ধরে: ইসলামপুর, চকবাজার, গুলিস্তান, নবাবপুর, কেরানীগঞ্জ, নিউমার্কেট
কোন প্রোডাক্টের জন্য কোন মার্কেট

প্রথম স্টকে কত টাকা? ১০ থেকে ২০ হাজার। এর বেশি স্টক করলে টাকা আটকে থাকে, আর পছন্দ না চললে বিপদ।

ধাপ ৩: ফেসবুক পেজ, কিন্তু শুধু পেজ না

ফেসবুক পেজ লাগবেই। এটাই আপনার দোকানের সাইনবোর্ড, এখান থেকেই অ্যাড চলে, এখানেই কাস্টমার প্রথম দেখে। পেজ খোলার সময় তিনটা জিনিস:

  1. নাম সহজ, বানান এক। পেজের নাম, ওয়েবসাইটের ডোমেইন, বিকাশ মার্চেন্টের নাম, সব এক হলে কাস্টমার ভরসা পান। "Sumaiya's Collection" এর চেয়ে "সুমাইয়া ফ্যাশন" সহজ, মানুষ বাংলায় সার্চ করে।
  2. প্রোফাইল ছবি লোগো, কভারে প্রোডাক্ট। লোগো Canva-তে ৩০ মিনিটে হয়। কভারে এই সপ্তাহের অফার।
  3. About-এ ফোন নম্বর, WhatsApp নম্বর আর ওয়েবসাইটের লিংক। লিংকটা পরে বসালেও হবে, কিন্তু জায়গাটা ফাঁকা রাখবেন না।

কিন্তু শুধু পেজে ব্যবসা চালালে তিনটা সমস্যা দেখবেন, সাধারণত ৫০টা অর্ডারের পরেই।

  • অর্ডার লেখা আপনার কাজ হয়ে যায়। কাস্টমার ইনবক্সে বলেন "নেব", তারপর নাম, ঠিকানা, নম্বর, সাইজ, রং, সব আপনাকে জিজ্ঞেস করে লিখতে হয়। একটা অর্ডারে ১০ মিনিট। দিনে ২০ অর্ডার মানে সাড়ে তিন ঘণ্টা শুধু টাইপিং।
  • ভুল ঠিকানায় পার্সেল যায়। ইনবক্সের ঠিকানায় থানার নাম থাকে না, নম্বরে একটা ডিজিট কম থাকে। কুরিয়ার ফোন পায় না, পার্সেল ফেরত, ১৩০ টাকা গচ্চা।
  • পেজ রেস্ট্রিক্টেড হলে ব্যবসা বন্ধ। ফেসবুক কোনো কারণ না বলেই পেজ বা অ্যাড অ্যাকাউন্ট আটকে দেয়। যাঁদের সব কাস্টমার ইনবক্সে, তাঁদের সেদিন থেকে আয় শূন্য।

এজন্যই পরের ধাপ।

ধাপ ৪: নিজের অনলাইন স্টোর আর ল্যান্ডিং পেজ

নিজের অনলাইন স্টোর মানে এমন একটা ঠিকানা (যেমন sumaiyafashion.com বা আপাতত একটা সাবডোমেইন) যেখানে প্রোডাক্টের ছবি, দাম আর "অর্ডার করুন" বাটন আছে। কাস্টমার নিজেই নাম, মোবাইল নম্বর আর ঠিকানা লিখে ক্যাশ অন ডেলিভারিতে অর্ডার দেন। আপনার কাছে অর্ডারটা আসে একটা তালিকায়, ঠিকানা-নম্বরসহ, টাইপ করার কিছু নেই।

২০২৬ সালে এটা বানাতে ডেভেলপার লাগে না। WinningSeller-এর মতো প্ল্যাটফর্মে অ্যাকাউন্ট খুললেই স্টোর তৈরি, তারপর প্রোডাক্টের ছবি-দাম দিলেই দোকান চালু। ৭টা রেডিমেড ডিজাইন থেকে একটা বেছে নিন, রং বদলান, হয়ে গেল। পুরো কাজটা ফেসবুক পেজ চালানোর চেয়ে কঠিন না। কত খরচ পড়ে আর ডেভেলপার দিয়ে বানালে কী হয়, সেই পুরো হিসাব আলাদা লেখায়: ই-কমার্স ওয়েবসাইট বানাতে কত টাকা লাগে।

স্টোরের সাথে আরেকটা জিনিস লাগবে: ল্যান্ডিং পেজ। এটা এক প্রোডাক্টের জন্য এক পাতার পেজ, যেখানে ওপরে বড় ছবি, মাঝে কেন কিনবেন, রিভিউ, আর নিচে অর্ডার ফর্ম। ফেসবুক অ্যাড থেকে কাস্টমারকে পুরো দোকানে না পাঠিয়ে সরাসরি এই পেজে পাঠালে অর্ডার বেশি আসে, কারণ তাঁর সামনে একটাই সিদ্ধান্ত: নেব কি নেব না। কীভাবে বানাবেন, তা আছে ল্যান্ডিং পেজের লেখায়।

ফেসবুক পেজ থেকে নিজের স্টোরে যাওয়ার ধাপগুলো ১০ মিনিটে, এই লেখায়।

ধাপ ৫: কুরিয়ার ঠিক করুন

বাংলাদেশে ই-কমার্সের তিনটা বড় কুরিয়ার: Steadfast, Pathao আর RedX। তিনটাতেই মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট ফ্রি, অনলাইনে খোলা যায়, পার্সেল আপনার বাসা থেকে পিকআপ করে নেয়, আর ক্যাশ অন ডেলিভারির টাকা আপনার বিকাশ বা ব্যাংকে পাঠায়।

চার্জ কেমন? প্রতিটা কুরিয়ারের রেট আলাদা আর মাঝে মাঝে বদলায়, তাই অ্যাকাউন্ট খোলার সময় রেট কার্ডটা দেখে নেবেন। বাজারে সাধারণত যা চলে:

খাত সাধারণত কে দেয়
ঢাকা সিটির ভেতরে ডেলিভারি ৳৬০–৮০ (বেশিরভাগ দোকান কাস্টমারের কাছে ৳৭০ রাখে) কাস্টমার, আপনার স্টোরে যা ঠিক করবেন
ঢাকার বাইরে ডেলিভারি ৳১১০–১৫০ (সাধারণত ৳১৩০) কাস্টমার
ক্যাশ অন ডেলিভারি চার্জ পার্সেলের দামের প্রায় ১% আপনি
পার্সেল ফেরত এলে কুরিয়ারভেদে যাওয়ার চার্জের পুরোটা বা আধা আপনি
ওজন ১ কেজির বেশি হলে কেজিপ্রতি বাড়তি কাস্টমার বা আপনি

এই ৭০/১৩০ টাকাই WinningSeller-এ নতুন স্টোরের ডিফল্ট দুটো জোন: "ঢাকা সিটির ভেতরে" আর "ঢাকা সিটির বাইরে"। চাইলে বদলাবেন, "ফ্রি ডেলিভারি" অফারও করা যায়।

কোনটা নেবেন? সত্যি কথা: এলাকা ধরে বদলায়। যে কুরিয়ারের হাব আপনার কাস্টমারদের থানায় কাছে, সেটার ডেলিভারি দ্রুত আর ফেরত কম। শুরুতে একটা দিয়ে ৩০টা পার্সেল পাঠান, তারপর আরেকটা দিয়ে ৩০টা, নিজের নম্বর দেখে ঠিক করুন। অনেকে দুটো রাখেন: ঢাকার ভেতরে একটা, বাইরে আরেকটা।

একটা একটা করে কুরিয়ারের প্যানেলে নাম-ঠিকানা কপি করে বসানোর দরকার নেই। WinningSeller-এ কুরিয়ারের API কী একবার বসালে অর্ডার কনফার্ম করে এক ক্লিকে Steadfast, Pathao বা RedX-এ পাঠানো যায়, একসাথে অনেকগুলোও। কনসাইনমেন্ট নম্বর নিজে থেকে অর্ডারে বসে, পার্সেল ডেলিভারি হলে অর্ডার "ডেলিভারড" হয়ে যায়, ফেরত এলে "রিটার্ন" আর স্টকও ফেরত। আর আপনার নিজের মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট, নিজের রেট; মাঝখানে কেউ নেই।

ধাপ ৬: পেমেন্ট, মানে ক্যাশ অন ডেলিভারি

বাংলাদেশে অনলাইন অর্ডারের বড় অংশই ক্যাশ অন ডেলিভারি: কাস্টমার পার্সেল হাতে পেয়ে কুরিয়ারকে টাকা দেন, কুরিয়ার কয়েক দিন পর আপনাকে দেয়। এটা না রাখলে বিক্রি হবে না। কিন্তু এর দুটো দিক মাথায় রাখুন।

টাকা দেরিতে আসে। আজ পাঠানো পার্সেলের টাকা সাধারণত ৩ থেকে ৭ দিন পর পাবেন। মানে মাসে ৩ লাখ টাকার বিক্রিতে সব সময় ৫০–৭০ হাজার টাকা কুরিয়ারের কাছে ঘুরছে। প্রথম স্টক কেনার সময় এই টাকাটা হিসাবে রাখবেন, নইলে দ্বিতীয় সপ্তাহে স্টক কেনার টাকা থাকবে না।

ফেরত এলে খরচ আপনার। কাস্টমার দরজায় এসে "লাগবে না" বললে কুরিয়ার পার্সেল ফেরত আনে, আর যাওয়ার চার্জ আপনার হিসাবে কাটে। এটা কমানোর উপায় আছে, নিচে।

ক্যাশ অন ডেলিভারির পাশে বিকাশ বা নগদে অগ্রিম রাখুন, বিশেষ করে ঢাকার বাইরের বড় অর্ডারে। অনেক দোকান ঢাকার বাইরে ডেলিভারি চার্জটা (১৩০ টাকা) অগ্রিম নেয়; যিনি ১৩০ টাকা পাঠান, তিনি পার্সেল ফেরত দেন না বললেই চলে। শুরুতে বিকাশ পার্সোনাল নম্বরেই চলে; বিক্রি বাড়লে মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট, তাতে ক্যাশ আউট চার্জ কম।

ধাপ ৭: ফেসবুক অ্যাড: প্রথম ৫,০০০ টাকা

অর্গানিক পোস্টে দিনে দুটো অর্ডার আসতে পারে, তার বেশি না। বিক্রি বাড়াতে অ্যাড লাগবেই। প্রথম মাসে ৫,০০০ টাকার বেশি না, আর এই টাকাটা শেখার টাকা।

কী রকম খরচ ধরবেন? ২০২৬ সালে বাংলাদেশে সাধারণত ১,০০০ জনকে অ্যাড দেখাতে (CPM) ৮০ থেকে ২৫০ টাকা লাগে, একটা মেসেজ পেতে ১০ থেকে ৪০ টাকা, আর একটা ক্যাশ অন ডেলিভারি অর্ডার পেতে ৮০ থেকে ৩০০ টাকা। ঈদের আগে সব বাড়ে। এগুলো গড় রেঞ্জ, আপনার প্রোডাক্ট আর ছবিতে অনেক বদলায়।

শুরুর নিয়ম:

  1. প্রথম অ্যাডটা ভিডিও। মোবাইলে তোলা ২০ সেকেন্ডের ভিডিও, প্রোডাক্ট হাতে নিয়ে দেখানো, যথেষ্ট। স্টুডিও লাগে না।
  2. অ্যাড থেকে ল্যান্ডিং পেজে পাঠান, ইনবক্সে না। ইনবক্সের অ্যাডে মেসেজ আসে বেশি, অর্ডার আসে কম, আর প্রতিটা মেসেজে আপনার সময় যায়। ল্যান্ডিং পেজে কাস্টমার নিজে অর্ডার দেন।
  3. একসাথে দুটো অ্যাড, দুটো ছবি, দিনে ২৫০ টাকা করে। তিন দিন পর যেটা কম খরচে অর্ডার আনছে সেটা রাখুন, অন্যটা বন্ধ।
  4. পিক্সেল বসান প্রথম দিনেই। পিক্সেল হলো ফেসবুকের একটা কোড যা আপনার স্টোরে বসালে ফেসবুক জানতে পারে কোন অ্যাড থেকে আসল অর্ডার এলো, আর সেই রকম মানুষকেই অ্যাড দেখায়। WinningSeller-এ পিক্সেল আইডি আর Conversions API টোকেন বসিয়ে দিলেই হয়; iPhone বা অ্যাড ব্লকারে হারানো ইভেন্টও সার্ভার থেকে যায়। চাইলে "Purchase" যাবে শুধু আপনি অর্ডার কনফার্ম করার পর, যাতে ফেসবুক ভুয়া অর্ডার থেকে না শেখে।

ধাপ ৮: হিসাব, মাস শেষে লাভ না ক্ষতি

বেশিরভাগ নতুন বিক্রেতা মাসে ২ লাখ টাকা বিক্রি করে ভাবেন ব্যবসা ভালো চলছে, আর তিন মাস পর দেখেন হাতে টাকা নেই। কারণ লাভ গোনা হয় ভুল নিয়মে।

ক্যাশ অন ডেলিভারির ব্যবসায় লাভের নিয়ম:

লাভ = শুধু ডেলিভারি হওয়া অর্ডারের বিক্রি − সেগুলোর কেনা দাম − অ্যাডের মোট খরচ − ফেরত আসা পার্সেলের কুরিয়ার চার্জ − প্যাকেজিং, বেতন, অন্য খরচ

একটা উদাহরণ। ধরা যাক মাসে ২০০টা অর্ডার, গড়ে ১,২০০ টাকার, কেনা দাম ৭০০। অ্যাডে গেছে ৩০,০০০ টাকা। ২০০-র মধ্যে ১৬০টা ডেলিভারি হয়েছে, ৪০টা ফেরত।

খাত টাকা
ডেলিভারি হওয়া ১৬০ অর্ডারের বিক্রি ৳১,৯২,০০০
ওই ১৬০টার কেনা দাম (৭০০ × ১৬০) − ৳১,১২,০০০
অ্যাড − ৳৩০,০০০
৪০টা ফেরতের কুরিয়ার চার্জ (ধরুন গড়ে ৳১০০) − ৳৪,০০০
প্যাকেজিং (২০০ × ৳১৫) − ৳৩,০০০
হাতে থাকে ৳৪৩,০০০
WinningSeller-এর হিসাব-নিকাশ পাতা: মাসের লাভ শুধু ডেলিভারি হওয়া অর্ডার থেকে, ফেরতের কুরিয়ার চার্জ খরচে, অ্যাডের ROAS আর রিটার্নের হার
মাস শেষে আন্দাজ না, আসল লাভ

এখন ফেরত ৪০ থেকে ২০-তে নামাতে পারলে? ২০টা বাড়তি ডেলিভারিতে ১০,০০০ টাকা লাভ যোগ হয়, আর ২,০০০ টাকা কুরিয়ার চার্জ বাঁচে। মাসে ১২,০০০ টাকা, শুধু ফোন করে কনফার্ম করার জন্য। এজন্যই ফেরত কমানো নিয়ে আলাদা লেখা: ফেক অর্ডার আর কুরিয়ার রিটার্ন কমানোর ১২টা উপায়।

এই হিসাবটা খাতায় রাখা কঠিন, কারণ অর্ডার আজ, ডেলিভারি চার দিন পর, ফেরতের খবর সাত দিন পর। WinningSeller-এর হিসাব-নিকাশে প্রোডাক্টের কেনা দাম আর অ্যাডের খরচ লিখে রাখলে লাভ গোনা হয় শুধু ডেলিভারি হওয়া অর্ডার থেকে, ফেরত আসা পার্সেলের দুই দিকের কুরিয়ার চার্জ খরচে যোগ হয়, আর অ্যাডের লিংকে utm_campaign দিলে দেখা যায় কোন ক্যাম্পেইনে ১ টাকা খরচ করে কত টাকার বিক্রি এলো। কুরিয়ারের কাছে কত পাওনা, সেটাও এক নজরে।

ট্রেড লাইসেন্স, DBID আর কাগজপত্র: কখন লাগে

শুরুর দিন লাগে না। ফেসবুক পেজ, নিজের স্টোর, কুরিয়ারের মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট (অনেক কুরিয়ার শুধু NID দিয়ে খুলে দেয়), বিকাশ পার্সোনাল: এগুলো দিয়ে প্রথম ১০০ অর্ডার করা যায়।

যখন লাগে:

  • ট্রেড লাইসেন্স: ব্যাংকে বিজনেস অ্যাকাউন্ট, বিকাশ/নগদ মার্চেন্ট, কিছু কুরিয়ারের কর্পোরেট রেট, আর বড় পাইকারের সাথে বাকিতে কাজ করতে। সিটি করপোরেশন বা পৌরসভা থেকে, "অনলাইন ব্যবসা" বা "ই-কমার্স" ক্যাটাগরিতে, সাধারণত কয়েক হাজার টাকার মধ্যে। বাসার ঠিকানায়ই হয়।
  • DBID (ডিজিটাল বিজনেস আইডি): বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনলাইন ব্যবসার নিবন্ধন, অনলাইনেই আবেদন। থাকলে কাস্টমার আর পেমেন্ট সার্ভিসের কাছে ভরসা বাড়ে।
  • TIN: ব্যাংক অ্যাকাউন্ট আর ট্রেড লাইসেন্স নবায়নে লাগে, অনলাইনে ফ্রি।

নিয়ম: প্রথম মাসে বিক্রি শুরু করুন, দ্বিতীয় বা তৃতীয় মাসে ট্রেড লাইসেন্স করুন। উল্টোটা করলে অনেকে লাইসেন্স পর্যন্ত এসেই থেমে যান।

কাগজপত্র ব্যবসার পরে আসে; আগে আসে প্রথম ৩০টা ডেলিভারি, যেগুলো বলে দেয় ব্যবসাটা আদৌ আছে কি না।

প্রথম ৩০ দিনের চেকলিস্ট

সপ্তাহ ১ - প্রোডাক্ট ঠিক, ১০ পিস কেনা, নিজের ফোনে ২০টা ছবি আর ৩টা ভিডিও - ফেসবুক পেজ, লোগো, About-এ নম্বর - WinningSeller-এ অ্যাকাউন্ট (কার্ড লাগে না, প্রথম মাস মাত্র ৯৯ টাকা, তারপর রেগুলার দাম), প্রোডাক্ট আপলোড, ডিজাইন বাছাই - Steadfast বা Pathao-তে মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট, API কী স্টোরে বসানো

সপ্তাহ ২ - প্রথম ল্যান্ডিং পেজ, অর্ডার ফর্মসহ - পিক্সেল বসানো, টেস্ট ইভেন্ট দিয়ে দেখা - দিনে ২৫০ টাকা করে দুটো অ্যাড - প্রতিটা অর্ডারে ফোন করে কনফার্ম, তারপর কুরিয়ার

সপ্তাহ ৩ - যে অ্যাড চলছে তাতে বাজেট ৫০০ - প্রথম ফেরতগুলো দেখা: কেন ফিরলো, কোন এলাকা, কোন কুরিয়ার - আত্মীয়-বন্ধু বাদে প্রথম ৩০টা সত্যিকারের ডেলিভারি

সপ্তাহ ৪ - হিসাব: ডেলিভারি হওয়া অর্ডারের লাভ, অ্যাড বাদ দিয়ে - দ্বিতীয় স্টক, এবার ৩০ পিস, যে রং-সাইজ চলেছে সেটা - যাঁরা কিনেছেন তাঁদের ফোন করে জিজ্ঞেস করা কেমন লাগলো; এটাই রিপিট সেলের শুরু

একটা উদাহরণ: রাজশাহীর সুমাইয়ার প্রথম মাস

ধরা যাক রাজশাহীর সুমাইয়া বাসা থেকে থ্রি-পিস বেচা শুরু করলেন। ঢাকার ইসলামপুর থেকে ভাইকে দিয়ে ১২ পিস আনালেন, ৯,০০০ টাকা। পেজ খুললেন, WinningSeller-এ স্টোর বানালেন এক সন্ধ্যায়, ১২টা প্রোডাক্ট তুলে একটা ল্যান্ডিং পেজ বানালেন সবচেয়ে সুন্দর পিসটার জন্য।

প্রথম সপ্তাহে অ্যাডে ১,৭৫০ টাকা, অর্ডার ৯টা। ফোন করে কনফার্ম করলেন ৭টা, দুজন ফোন ধরেননি, পাঠালেন না। ৭টার ৬টা ডেলিভারি, ১টা ফেরত। বিক্রি ৬ × ১,৪৫০ = ৮,৭০০, কেনা দাম ৬ × ৭৫০ = ৪,৫০০, অ্যাড ১,৭৫০, ফেরতের চার্জ ১৩০। হাতে ২,৩২০ টাকা, প্রথম সপ্তাহে।

বড় অঙ্ক না। কিন্তু চতুর্থ সপ্তাহে তিনি জানেন কোন রং চলে, কোন অ্যাডে অর্ডার আসে, আর ফোন না ধরলে পার্সেল পাঠাতে নেই। দ্বিতীয় মাসে ৩০ পিস, অ্যাডে ৮,০০০, আর প্রথম মাসের ২০ জন ক্রেতার কাছে ঈদের নতুন কালেকশনের ফোন। সেই ফোনে অ্যাডের খরচ শূন্য।

সাধারণ প্রশ্ন

অনলাইন ব্যবসা শুরু করতে কত টাকা লাগে?

ছোট করে শুরু করলে ১৫ থেকে ৩০ হাজার টাকায় হয়ে যায়। এর মধ্যে প্রোডাক্টের প্রথম স্টক ১০ থেকে ২০ হাজার, ফেসবুক অ্যাডে প্রথম মাসে ৫ হাজার, আর অনলাইন স্টোরের মাসিক ফি ৯৯৯ টাকা। ঘর থেকে করলে দোকানভাড়া বা কর্মচারীর খরচ নেই।

অনলাইন ব্যবসা করতে কি ট্রেড লাইসেন্স লাগে?

শুরুতে ফেসবুক পেজ আর নিজের স্টোর থেকে বিক্রি করতে কেউ লাইসেন্স চায় না। কিন্তু কুরিয়ারের মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট, ব্যাংকের বিজনেস অ্যাকাউন্ট বা বিকাশ মার্চেন্ট নিতে গেলে চাইতে পারে। সিটি করপোরেশন বা পৌরসভা থেকে সাধারণত কয়েক হাজার টাকার মধ্যে হয়ে যায়।

ফেসবুক পেজ থাকতে আলাদা ওয়েবসাইট কেন লাগবে?

পেজে অর্ডার আসে ইনবক্সে, একটা একটা করে লিখে নিতে হয়, রাতে মেসেজ জমে। নিজের স্টোরে কাস্টমার নিজেই অর্ডার দেন, ঠিকানা-নম্বর সব ঠিকঠাক আসে, আর কুরিয়ারে পাঠানো এক ক্লিকে। পেজ রেস্ট্রিক্টেড হলেও স্টোর চলে।

ক্যাশ অন ডেলিভারিতে ফেরত আসা পার্সেলের খরচ কে দেয়?

আপনি। পার্সেল ফেরত এলে বেশিরভাগ কুরিয়ার যাওয়ার চার্জটা কাটে, কেউ কেউ আধা। তাই অর্ডার কনফার্ম করার আগে ফোন করা আর ক্রেতার কুরিয়ার রেকর্ড দেখা দুটোই দরকার।

কোন কুরিয়ার দিয়ে শুরু করবো?

Steadfast, Pathao বা RedX, যেকোনো একটা দিয়ে শুরু করুন; তিনটারই মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট ফ্রি। আপনার এলাকায় কোনটার ডেলিভারি ভালো তা দুই-তিন সপ্তাহ চালিয়ে বোঝা যায়। পরে দুটো রাখলে একটার সমস্যায় অন্যটায় পাঠানো যায়।

শেষ কথা: আজ একটা কাজ

অনলাইন ব্যবসা শুরু করার জন্য সব ৮টা ধাপ একদিনে লাগে না। আজ শুধু ধাপ ১ করুন: কাগজে তিনটা প্রোডাক্টের নাম লিখুন, প্রতিটার পাশে কেনা দাম, বিক্রির দাম, কুরিয়ার ১৩০ আর অ্যাড ২০০ টাকা বাদ দিয়ে কত থাকে। যেটায় ৩০০-র বেশি থাকে আর মানুষ আবার কেনে, সেটা দিয়ে শুরু।

স্টোরটা বানাতে এক সন্ধ্যা লাগে। WinningSeller-এ কার্ড লাগে না, প্রথম মাস মাত্র ৯৯ টাকা, তারপর রেগুলার দাম; স্টার্টার প্ল্যানের রেগুলার দাম মাসে ৳৯৯৯, তাতে ১০০টা প্রোডাক্ট, মাসে ৩০০ অর্ডার, Steadfast/Pathao/RedX, পিক্সেল আর হিসাব সবই আছে। প্রোডাক্ট ঠিক হলে বাকিটা ক্লিকের কাজ।

#অনলাইন ব্যবসা#ই-কমার্স#ফেসবুক পেজ#কুরিয়ার#ক্যাশ অন ডেলিভারি

আরও পড়ুন

খেলনা ব্যবসার আইডিয়া, কোন খেলনা অনলাইনে চলে আর নিরাপত্তার নিয়ম

বাচ্চাদের খেলনা অনলাইনে বেচতে চাইলে কোন খেলনা চলে, চকবাজার থেকে প্রথম লট কীভাবে নেবেন, ২০২৬ সালে BSTI-র তালিকায় খেলনা আসার মানে কী, ব্যাটারির খেলনা চালিয়ে দেখা, মাপ বোঝানো ছবি আর না ভাঙার প্যাকিং, একটা লটের টাকার হিসাবসহ।

·১২ মিনিটে পড়া যায়

থ্রিফট শপিং কি? পুরনো বিদেশি জ্যাকেট-শার্টের থ্রিফট ব্যবসার নিয়ম

থ্রিফট শপিং কি, মাল কোথা থেকে আসে আর পুরনো কাপড় আমদানির নিয়ম কী বলে, গাইট খুলে বাছাই, ধোয়া আর ছবি, কন্ডিশন সত্যি করে লেখা, আর একটা গাইট থেকে এক পিসের দাম কীভাবে বের করবেন, হিসাবসহ।

·১২ মিনিটে পড়া যায়

অনলাইনে শাড়ির ব্যবসা, তাঁতের শাড়ি থেকে প্রথম লট, ছবি আর ফেরত

অনলাইনে শাড়ির ব্যবসা শুরু করবেন? কোন শাড়ি চলে, টাঙ্গাইলের হাট আর পাইকার, BSTI-র ২০২৬ সালের নতুন শাড়ির নিয়ম, মডেল ছাড়া শাড়ির ছবি, মাপ আর যত্নের কথা লেখা, আর একটা লটে কত থাকে, হিসাবসহ।

·১২ মিনিটে পড়া যায়