বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম ২০২৬ (কাগজ, লিমিট আর চার্জসহ)
ফেসবুক পেজের কাস্টমারের কাছ থেকে bKash-এ টাকা নিতে কোন একাউন্ট লাগবে, ট্রেড লাইসেন্স না থাকলে কী করবেন, কী কাগজ লাগে, লিমিট আর চার্জ কত, আর কাস্টমারকে কীভাবে মার্চেন্ট নম্বরে পেমেন্ট করাবেন।

এই লেখায় যা আছে
- মার্চেন্ট একাউন্ট কী, পার্সোনাল bKash থেকে পার্থক্য কোথায়?
- অনলাইন সেলারের কোন একাউন্টটা লাগবে?
- কী কী কাগজ লাগে, ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া হয় কি?
- বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম, অনলাইনে আর এজেন্সি দিয়ে
- মার্চেন্ট একাউন্টের লিমিট আর চার্জ কত?
- টাকা ব্যাংকে বা ক্যাশ আউটে আনবেন কীভাবে, কোনটায় খরচ কম?
- কাস্টমারকে মার্চেন্ট নম্বরে পেমেন্ট করাবেন যেভাবে
- একাউন্ট খোলার পর যে ভুলগুলো হয়
- আজ কোন কাজটা করবেন?
বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম আসলে দুই রকম, আর আপনি কোন রাস্তায় যাবেন সেটা ঠিক করে দেয় ট্রেড লাইসেন্স। ট্রেড লাইসেন্স আর ব্যাংক একাউন্ট থাকলে bKash-এর ওয়েবসাইটে মার্চেন্ট সাইন আপ ফর্মটা পূরণ করবেন, তারপর bKash নিজেই আপনার সাথে যোগাযোগ করবে। ট্রেড লাইসেন্স না থাকলে bKash আপনাকে পাঠাবে পার্সোনাল রিটেইল একাউন্টে, ছোট করে যাকে PRA বলে। ফেসবুকে বিক্রি করা ছোট সেলারদের জন্যই এটা বানানো। PRA খুলতে লাগবে আপনার NID, নিজের নামে রেজিস্টার করা এমন একটা সিম যাতে আগে কখনো bKash খোলা হয়নি, সিমের মালিকানার প্রমাণ, আর আপনার ব্যবসার পেজের লিংক।
নিচের সব লিমিট আর চার্জ অক্টোবর ২০২৬-এ bKash-এর নিজের ওয়েবসাইট থেকে নেওয়া। bKash মাঝে মাঝে রেট চেঞ্জ করে, তাই আবেদনের দিন আরেকবার মিলিয়ে নেবেন।
মার্চেন্ট একাউন্ট কী, পার্সোনাল bKash থেকে পার্থক্য কোথায়?
আপনার ফোনে এখন যে bKash একাউন্টটা আছে, সেটা পার্সোনাল একাউন্ট। এটা বানানো হয়েছে নিজের টাকা পাঠানো, তোলা আর রিচার্জ করার জন্য। কাস্টমার এই নম্বরে সেন্ড মানি করেন, আর সেই টাকা গিয়ে মেশে আপনার সংসারের টাকার সাথে। টাকা তুলতেও খরচ বেশি পড়ে, সেই হিসাব একটু পরে টেবিলে দেখাচ্ছি।
মার্চেন্ট একাউন্ট হলো দোকানের একাউন্ট। কাস্টমার এখানে টাকা দেন bKash অ্যাপের Payment অপশন দিয়ে, QR স্ক্যান করে বা পেমেন্ট গেটওয়ে দিয়ে। পেমেন্টের সময় কাস্টমারের স্ক্রিনে আপনার দোকানের নাম দেখায়। bKash-এর মার্চেন্ট পেজে লেখা আছে, এই একাউন্টের সাথে bKash Merchant অ্যাপ, মার্চেন্ট QR আর লেনদেনের স্টেটমেন্ট পাবেন, আর পেমেন্ট নিতে পারবেন দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা। ব্যবসার টাকা আলাদা থাকে বলে মাস শেষে হিসাব মেলাতে কষ্ট কম হয়।
এই দুইয়ের মাঝখানে আছে পার্সোনাল রিটেইল একাউন্ট। নামে "পার্সোনাল" থাকলেও এটা আসলে ব্যবসার একাউন্ট। bKash-এর ইংরেজি পেজে লেখা আছে, এটা খুচরা আর এফ-কমার্সের ছোট ব্যবসার জন্য বানানো। এফ-কমার্স মানে ফেসবুকে বিক্রি, অর্থাৎ ঠিক আপনার মতো সেলার। কাস্টমার এখানেও Payment দিয়েই টাকা দেন, আর আপনি একই bKash Merchant অ্যাপ চালাতে পারবেন। তফাত হলো, এটা খুলতে ট্রেড লাইসেন্স লাগে না, কিন্তু দিনে টাকা নেওয়ার লিমিট কম।
শুরুর আগে একটা কথা জেনে রাখুন। আপনার এখনকার পার্সোনাল নম্বরটাকে রিটেইল বা মার্চেন্ট একাউন্টে বদলানো যায় না, bKash-এর PRA পেজের শর্তে এটা পরিষ্কার লেখা আছে। নতুন একাউন্টের জন্য এমন একটা নম্বর লাগবে যাতে আগে কখনো bKash খোলা হয়নি। তাই আবেদনের আগেই নিজের NID দিয়ে একটা নতুন সিম কিনে রাখুন।
অনলাইন সেলারের কোন একাউন্টটা লাগবে?
তিনটা একাউন্ট আসলে চার জায়গায় আলাদা হয়ে যায়। কোনটায় ট্রেড লাইসেন্স লাগে, কাস্টমার কোন রাস্তায় টাকা দেন, দিনে কত টাকা নিতে পারবেন আর টাকা তুলতে কত কাটে, সেটা নিচের টেবিলে পাশাপাশি দিলাম। সব সংখ্যা অক্টোবর ২০২৬-এ bKash-এর ক্যাশ আউট, লিমিট, PRA আর মার্চেন্ট চার্জের পেজ থেকে নেওয়া।
| বিষয় | পার্সোনাল | পার্সোনাল রিটেইল (PRA) | মার্চেন্ট |
|---|---|---|---|
| ট্রেড লাইসেন্স | লাগে না | লাগে না | লাগে, ফর্মে নম্বর আর মেয়াদ চায় |
| কাস্টমার টাকা দেন | সেন্ড মানি দিয়ে | Payment, QR, পেমেন্ট লিংক বা গেটওয়ে দিয়ে | Payment, QR বা গেটওয়ে দিয়ে |
| লিমিট | ক্যাশ আউট দিনে ৩০,০০০, মাসে ২ লাখ টাকা | পেমেন্ট নেওয়া দিনে ৩০,০০০, মাসে ৫ লাখ টাকা | মার্চেন্টের ধরন অনুযায়ী আলাদা |
| টাকা তোলার চার্জ | এজেন্টে হাজারে ১৮.৫০ টাকা (প্রিয় এজেন্টে ১৩.৯৫) | প্রথম ৩ মাস ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত ফ্রি, পরে চার্জ আছে | এজেন্টে ১.৩৫% বা ১.১৫%, ব্যাংকে ১.১৫% |
এবার নিজের জন্য সিদ্ধান্তটা নিন একটা সহজ নিয়মে। ট্রেড লাইসেন্স নেই আর দিনে ৩০,০০০ টাকার কম অগ্রিম আসে, তাহলে PRA খুলুন। ট্রেড লাইসেন্স আর ব্যাংক একাউন্ট দুটোই আছে, অথবা ব্যস্ত দিনে ৩০,০০০ টাকার বেশি অগ্রিম আসে, তাহলে সরাসরি মার্চেন্ট একাউন্টে যান।
৩০,০০০ টাকা কত তাড়াতাড়ি ভরবে, সেটা নির্ভর করে আপনি কী অগ্রিম নেন তার ওপর। ধরুন আপনি শুধু ঢাকার বাইরের অর্ডারে ১৩০ টাকা ডেলিভারি চার্জ অগ্রিম নেন। তাহলে দিনে ৫০টা অর্ডারেও অগ্রিম আসবে ৬,৫০০ টাকা, যা লিমিটের অনেক নিচে। কিন্তু ১,৫০০ টাকার পাঞ্জাবিতে যদি পুরো টাকা অগ্রিম নেন, তাহলে দিনে ২০টা অর্ডারেই ৩০,০০০ টাকা হয়ে যায়। ঈদের আগের সপ্তাহে তখন ২১ নম্বর কাস্টমারের পেমেন্ট আটকে যাবে। দুটো সংখ্যাই উদাহরণ, নিজের দাম বসিয়ে একবার গুনে দেখুন।
পার্সোনাল নম্বরে ব্যবসা চালানোর সুবিধা একটাই, নতুন করে কিছু খুলতে হয় না। কিন্তু অর্ডার বাড়লে এর দাম দিতে হয়। বাজারের টাকা আর কাস্টমারের অগ্রিম এক নম্বরে মিশে যায় বলে মাস শেষে বোঝা যায় না লাভ কত হলো। আর নতুন কাস্টমার সেন্ড মানি করার সময় স্ক্রিনে কোনো দোকানের নাম দেখেন না, শুধু একটা মোবাইল নম্বর দেখেন। অচেনা পেজকে টাকা দেওয়ার সময় ওই দোকানের নামটুকুই অনেকের ভরসা।
এখনই কোনো একাউন্ট খোলার দরকার নেই কাদের? যাঁরা একদম অগ্রিম নেন না, পুরোটাই ক্যাশ অন ডেলিভারিতে চালান, আর কুরিয়ার টাকা পাঠায় সরাসরি ব্যাংকে। তাঁদের কাছে কাস্টমারের টাকা bKash-এ আসেই না, তাই আলাদা একাউন্ট খুলে লাভ নেই। যেদিন রিটার্ন কমাতে ডেলিভারি চার্জ অগ্রিম নেওয়া শুরু করবেন, সেদিন PRA খুলবেন।
কী কী কাগজ লাগে, ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া হয় কি?
ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া হয়, তবে সাধারণ মার্চেন্ট একাউন্ট না, পার্সোনাল রিটেইল একাউন্ট। bKash-এর Online Business পেজেই সরাসরি লেখা আছে, ট্রেড লাইসেন্স না থাকলে PRA খুলতে পারেন। আর PRA-র বাংলা পেজে লেখা আছে, এই একাউন্ট খুলতে কোনো ট্রেড লাইসেন্স লাগে না।
PRA খুলতে পারবেন যদি আপনি বাংলাদেশি হন, বয়স ১৮ বা তার বেশি হয়, বৈধ NID থাকে, আর আপনি ছোট বা খুব ছোট ব্যবসা করেন। bKash-এর PRA পেজ অনুযায়ী এই জিনিসগুলো হাতে রাখবেন।
- আপনার NID কার্ড, আর তার পরিষ্কার ছবি।
- আপনার নিজের নামে রেজিস্টার করা একটা মোবাইল নম্বর, যাতে আগে কখনো bKash একাউন্ট খোলা হয়নি।
- সিমের মালিকানার প্রমাণ। ফোন থেকে *16001# ডায়াল করে NID-র শেষ ৪টা সংখ্যা দিলে একটা SMS আসে, তাতে আপনার NID-তে রেজিস্টার করা সব নম্বর লেখা থাকে। সেই SMS-এর স্ক্রিনশট আপলোড করতে হয়।
- আবেদনের সময় তোলা আপনার নিজের একটা লাইভ ছবি।
- আপনার ব্যবসার ফেসবুক পেজ বা গ্রুপের লিংক, ব্যক্তিগত প্রোফাইলের লিংক না।
- নমিনি রাখলে তাঁর NID। বাবা, মা, ভাই, বোন, স্বামী, স্ত্রী বা সন্তান, যাঁর বয়স ১৮ বা তার বেশি, তিনি নমিনি হতে পারেন।
bKash-এর বাংলা পেজে আরও কয়েকটা শর্ত লেখা আছে, যেগুলো না মানলে অনেকের আবেদন আটকে যায়। ব্যবসার পেজের নাম আর আবেদনে দেওয়া ব্যবসার নাম একই হতে হবে। দোকানের ছবি চাইলে ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করা ছবি দেবেন না, আর অন্য ছবির ওপর ক্যামেরা ধরে ছবি তুলবেন না। লাইভ ছবি তুলবেন আলোতে, চোখ খোলা রেখে, আর ফ্রেমে আপনি ছাড়া কেউ যেন না থাকে। NID-র কোনো তথ্য চেঞ্জ করে লিখবেন না, সব তথ্য NID-তে যেমন আছে তেমনই দিতে হবে। আর আপনার NID দিয়ে আগেই কোনো bKash এজেন্ট বা মার্চেন্ট একাউন্ট খোলা থাকলে, সেই NID দিয়ে PRA খোলা যাবে না।
PRA-র শর্তে "Proof of Profession" নামে একটা কাগজের কথাও আছে। সেখানে বলা হয়েছে, এটা পেতে কাছের মেয়র, ওয়ার্ড কমিশনার বা ইউনিয়ন পরিষদের অফিসে যোগাযোগ করতে হবে। আবেদনের সময় এটা চাইলে এলাকার কাউন্সিলর বা চেয়ারম্যানের অফিস থেকে একটা প্রত্যয়ন নিয়ে নিন।
সাধারণ মার্চেন্ট একাউন্টে কী লাগবে, সেটা bKash-এর মার্চেন্ট পেজের ফর্মটা দেখলেই বোঝা যায়। ফর্মে চায় দোকানের নাম, জেলা আর এলাকা, যোগাযোগের মানুষের নাম আর ফোন নম্বর। এরপর জানতে চায় NID আছে কি না, বৈধ ট্রেড লাইসেন্স আছে কি না, লাইসেন্সের নম্বর আর মেয়াদ কবে শেষ, আর ব্যাংক একাউন্ট আছে কি না। এর বাইরে আর কোন কাগজ লাগবে, সেটা ওই পেজে লেখা নেই। bKash থেকে যখন যোগাযোগ করবে, তখন পুরো লিস্টটা জেনে নিন। বাসার ঠিকানায় ট্রেড লাইসেন্স কীভাবে করবেন, সেটা আলাদা করে লেখা আছে অনলাইন ব্যবসার ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে লেখায়।
বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম, অনলাইনে আর এজেন্সি দিয়ে
PRA খোলার দুটো রাস্তা আছে। bKash-এর বাংলা পেজে লেখা আছে, bKash-এর ঠিক করা এজেন্সির মাধ্যমে খোলা যায়, আবার ঘরে বসে নিজে সেলফ রেজিস্ট্রেশন করেও খোলা যায়। কাস্টমার কেয়ারে যাওয়ার দরকার নেই, সেটাও শর্তে বলা আছে। নিজে খোলার ধাপগুলো bKash-এর পেজে এভাবে দেওয়া।
- bKash-এর ওয়েবসাইটে "পার্সোনাল রিটেইল একাউন্ট" পেজে গিয়ে খোলার লিংকে চাপুন, আর নিয়ম ও শর্তে সম্মতি দিন।
- যে নতুন নম্বরে একাউন্ট খুলবেন সেটা দিন, অপারেটর সিলেক্ট করুন, আর SMS-এ আসা কোড দিয়ে নম্বরটা ভেরিফাই করুন।
- ফর্মে প্রথমে নিজের তথ্য দিন, তারপর ব্যবসার তথ্য, মানে ব্যবসার নাম আর পেজের লিংক।
- নিজের লাইভ ছবি তুলুন, NID-র ছবি আর সিমের মালিকানার স্ক্রিনশট আপলোড করে জমা দিন।
জমা দিলে স্ক্রিনে একটা আবেদন আইডি দেখাবে। এটা লিখে রাখুন বা স্ক্রিনশট নিয়ে রাখুন, কারণ এই আইডি আর মোবাইল নম্বর দিয়েই আবেদনের স্ট্যাটাস দেখতে হয়। আইডি হারালে 16247-এ ফোন দিতে হবে। bKash সব তথ্য চেক করে একাউন্ট খুলে দিলে একটা SMS আসবে। তারপর ওই নম্বর থেকে *247# ডায়াল করে পিন সেট করবেন। bKash-এর পেজ বলছে, একাউন্ট খোলার সাথে সাথেই পেমেন্ট নেওয়া যায়।
একটা জিনিস আগে থেকে বলে রাখি। ৭ অক্টোবর ২০২৬-এ bKash-এর PRA পেজের খোলার লিংকে চাপলে সেটা সাধারণ মার্চেন্ট সাইন আপ ফর্মে চলে যাচ্ছিল। মানে নিজে নিজে খোলার রাস্তাটা হয়তো এখন চেঞ্জ হচ্ছে। আপনার বেলাতেও এমন হলে 16247-এ ফোন দিয়ে জিজ্ঞেস করুন PRA এখন কোন রাস্তায় খোলা যাচ্ছে, আর কাছের কোন এজেন্সি এটা খুলে দেয়। bKash-এর PRA পেজেও এই অবস্থায় 16247-এ ফোন দিতে বলা আছে।
সাধারণ মার্চেন্ট একাউন্ট নিজে খোলা যায় না, আপনি শুধু আগ্রহ জানিয়ে ফর্ম জমা দেন। দোকান বা অফলাইন ব্যবসা হলে bKash-এর মার্চেন্ট পেজের ফর্ম পূরণ করুন। শুধু অনলাইনে বিক্রি করলে আর ওয়েবসাইটে bKash পেমেন্ট গেটওয়ে চাইলে "Online Business" পেজের ফর্মটা পূরণ করুন। ওখানে ব্যবসার ধরন হিসেবে "Online Shopping" সিলেক্ট করা যায়, আর ওয়েবসাইট বা ফেসবুক পেজের লিংক দিতেই হয়। দুটো পেজেই বলা আছে, ফর্ম জমা দিলে bKash যোগাযোগ করবে। কত দিনে একাউন্ট চালু হয়, সেটা bKash কোথাও লেখেনি, তাই কেউ নির্দিষ্ট দিনের কথা বললে বুঝবেন সেটা bKash-এর কথা না।
একাউন্ট চালু হলে Google Play Store থেকে bKash Merchant অ্যাপটা ডাউনলোড করে নিন। PRA আর মার্চেন্ট দুটোর সব পেমেন্ট আর স্টেটমেন্ট এখানেই দেখবেন।
মার্চেন্ট একাউন্টের লিমিট আর চার্জ কত?
আগে PRA-র কথা বলি, কারণ বেশিরভাগ নতুন সেলার এটাই খুলবেন। অক্টোবর ২০২৬-এ bKash-এর PRA পেজে লেখা আছে, কাস্টমারের পেমেন্ট নেওয়া যায় প্রতিবারে ৩০,০০০ টাকা পর্যন্ত, দিনে মোট ৩০,০০০ টাকা আর মাসে ৫ লাখ টাকা। একাউন্টে একসাথে ৫ লাখ টাকার বেশি রাখা যায় না। এজেন্ট আর ATM মিলিয়ে ক্যাশ আউট করা যায় দিনে ২০,০০০ টাকা আর মাসে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত। কাস্টমারকে সেন্ড মানি করা যায় দিনে ১০,০০০ টাকা আর মাসে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত, যেটা রিফান্ড দেওয়ার সময় কাজে লাগে।
PRA-র চার্জও একই পেজে আছে। কাস্টমারের পেমেন্ট নিতে আপনার কোনো চার্জ লাগে না। প্রথম ৩ মাস ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশ আউট ফ্রি। এরপরের ক্যাশ আউটে কত কাটবে, সেটা পেজে টাকার অঙ্কে লেখা নেই, শুধু বলা আছে চার্জ লাগবে। অন্য PRA বা মার্চেন্টকে পেমেন্ট করলে কাটে ০.২০%, আর কোনো কাস্টমারকে সেন্ড মানি করলে ৫ টাকা। ব্যাংকে টাকা পাঠানোর চার্জ লেখা ১.৩%, তবে পাশে লেখা "next phase", মানে এই সুবিধা হয়তো এখনো চালু হয়নি। পেজের নিচে এটাও লেখা আছে, এগুলো প্রমোশনাল অফার, পরের নোটিশ পর্যন্ত চলবে।
সাধারণ মার্চেন্ট একাউন্টের লিমিট bKash এক জায়গায় লেখেনি, কারণ মার্চেন্টও কয়েক ধরনের হয় (Merchant Plus, Medium, Small, Micro ইত্যাদি)। কোন ধরন পাবেন সেটা bKash আপনার ব্যবসা দেখে ঠিক করে, তাই আবেদনের সময় দিনের আর মাসের লিমিটটা জেনে নিন।
মার্চেন্টের টাকা তোলার চার্জ পাবেন bKash-এর "পেমেন্ট মানেই বিকাশ" নামের একটা পেজে। সেখানে লেখা আছে, মার্চেন্ট একাউন্টে পেমেন্ট নেওয়ার নতুন সেটেলমেন্ট চার্জ আগের চেয়ে কম। এজেন্ট বা ATM থেকে ক্যাশ আউটে আগে কাটত ১.৪৯%। নতুন টেবিলে "বিকাশ" ঘরে লেখা ১.৩৫% আর "অন্যান্য" ঘরে ১.১৫%। ব্যাংকে টাকা নিলে দুই ঘরেই ১.১৫%। কোন পেমেন্ট কোন ঘরে পড়ে, পেজে সেটা বুঝিয়ে বলা নেই, তাই হিসাব করার সময় বেশি রেটটাই ধরুন। পেজে লেখা এই রেট "১লা জুলাই থেকে", কিন্তু কোন বছরের জুলাই সেটা লেখা নেই। আবেদনের সময় নিজের একাউন্টের রেট লিখিতভাবে জেনে নিন।
টাকা ব্যাংকে বা ক্যাশ আউটে আনবেন কীভাবে, কোনটায় খরচ কম?
একটা উদাহরণ দিয়ে দেখলে পরিষ্কার হবে। ধরুন কাস্টমারদের অগ্রিম মিলিয়ে মাসে ১ লাখ টাকা bKash-এ আসে, আর পুরোটাই আপনি তুলে নেন। সংখ্যাটা বানানো, কিন্তু চার্জগুলো ওপরে বলা bKash-এর পেজ থেকে নেওয়া।
পার্সোনাল নম্বরে সাধারণ এজেন্ট থেকে তুললে কাটবে প্রতি হাজারে ১৮.৫০ টাকা, মানে মাসে ১,৮৫০ টাকা। দুইটা প্রিয় এজেন্ট সেট করা থাকলে প্রথম ৫০,০০০ টাকায় কাটবে ৬৯৭.৫০ টাকা আর বাকি ৫০,০০০ টাকায় ৯২৫ টাকা। সব মিলিয়ে প্রায় ১,৬২৩ টাকা।
মার্চেন্ট একাউন্ট থেকে এজেন্টে তুললে বেশি রেটটা ধরলেও ১.৩৫%, মানে ১,৩৫০ টাকা। আর ব্যাংকে নিলে ১.১৫%, মানে ১,১৫০ টাকা। পার্সোনালের সাধারণ এজেন্টের সাথে তুলনা করলে মাসে ৭০০ টাকা বাঁচে, বছরে ৮,৪০০ টাকা। বিক্রি বাড়লে এই বাঁচতিও একই হারে বাড়ে।
সবচেয়ে বেশি টাকা বাঁচে অন্য জায়গায়, আর সেটা হলো টাকা না তোলা। আপনার পাইকারের যদি bKash মার্চেন্ট বা রিটেইল একাউন্ট থাকে, তাহলে PRA থেকে তাঁকে সরাসরি পেমেন্ট করুন। PRA পেজে লেখা আছে, অন্য মার্চেন্টকে পেমেন্ট করলে কাটে ০.২০%। ১ লাখ টাকায় সেটা মাত্র ২০০ টাকা। একই টাকা ক্যাশ আউট করে নগদে দিলে চার্জ যেত হাজারের ওপরে। তাই মাল কেনার আগে পাইকারকে একবার জিজ্ঞেস করুন, "ভাই, আপনার bKash মার্চেন্ট নম্বর আছে?"
যে টাকাটা সত্যিই নগদে লাগবে, শুধু সেটুকু তুলুন। আর যে টাকা দিয়ে অ্যাডের ডলার কিনবেন বা অন্য বিল দেবেন, সেটা ব্যাংকে নিন। কোন খরচ আগে আসে আর কোন টাকা পরে, সেই টানাটানির পুরো হিসাব আছে ক্যাশ অন ডেলিভারির ক্যাশ ফ্লো নিয়ে লেখায়।

কাস্টমারকে মার্চেন্ট নম্বরে পেমেন্ট করাবেন যেভাবে
একাউন্ট খোলার পর আসল কাজ হলো কাস্টমারকে ঠিক রাস্তায় টাকা পাঠানো শেখানো। কাস্টমার অভ্যাসমতো সেন্ড মানি করতে চাইবেন। কিন্তু bKash-এর PRA পেজে কাস্টমারের টাকা দেওয়ার যে রাস্তাগুলো লেখা আছে, সেগুলো হলো QR স্ক্যান, পেমেন্ট গেটওয়ে, আর *247# ডায়াল করে রিটেইল নম্বর লিখে পেমেন্ট। তাই কাস্টমারকে পরিষ্কার করে বলে দিতে হবে, Payment অপশন দিয়ে পাঠাবেন।
ইনবক্সে বা হোয়াটসঅ্যাপে অর্ডার কনফার্ম করার পর নিচের মেসেজটা কপি করে পাঠাতে পারেন। নাম, নম্বর আর টাকার অঙ্ক নিজেরটা বসিয়ে নিন।
"ভাই, আপনার অর্ডার নম্বর ১০৪৫। ডেলিভারি চার্জের ১৩০ টাকা অগ্রিম দিতে bKash অ্যাপে Payment অপশনে যান, তারপর এই নম্বরটা দিন 01XXXXXXXXX। দোকানের নাম দেখাবে 'রাকিব ফ্যাশন'। রেফারেন্সে লিখবেন 1045। টাকা পাঠানোর পর যে TrxID আসবে, সেটা এখানে লিখে দিলেই আজ পার্সেল বুক করে দেব।"
এই মেসেজের প্রতিটা লাইনের একটা কাজ আছে। দোকানের নাম আগে বলে দিলে কাস্টমার স্ক্রিনে নামটা মিলিয়ে নেন, ভুল নম্বরে টাকা যাওয়ার ভয় থাকে না। রেফারেন্সে অর্ডার নম্বর থাকলে দিনে ত্রিশটা পেমেন্টের মধ্যে কোনটা কার, খুঁজতে হয় না। আর TrxID চাইলে আপনি স্ক্রিনশটের বদলে আসল লেনদেন মিলিয়ে দেখতে পারেন।

মার্চেন্ট নম্বরটা এমন জায়গায় রাখুন যেখানে কাস্টমার নিজেই খুঁজে পান। পেজের About অংশে, পিন করা পোস্টে, ল্যান্ডিং পেজে আর অর্ডার কনফার্মের মেসেজে একই নম্বর আর একই দোকানের নাম দিন। মার্চেন্ট অ্যাপ থেকে QR কোডটা প্রিন্ট করে পার্সেলের ভেতরে একটা কার্ডে দিয়ে দিতে পারেন। পরের অর্ডারে কাস্টমার সেটা স্ক্যান করেই অগ্রিম দিতে পারবেন।
ডেলিভারি চার্জ অগ্রিম নেওয়ার আসল লাভ হলো রিটার্ন কমে যাওয়া। যিনি ১৩০ টাকা আগে দিয়েছেন, তিনি দরজা থেকে পার্সেল ফেরত দেন কম, এটা বেশিরভাগ সেলারের অভিজ্ঞতা। কোন অর্ডারে অগ্রিম চাইবেন আর কোনটায় চাইবেন না, সেটা বিস্তারিত লেখা আছে ফেক অর্ডার আর রিটার্ন কমানোর লেখায়।
একাউন্ট খোলার পর যে ভুলগুলো হয়
পুরনো পার্সোনাল নম্বরটাও চালু রাখা
নতুন একাউন্ট খোলার পরেও অনেকে পুরনো কাস্টমারদের পুরনো পার্সোনাল নম্বরটাই দিতে থাকেন। তখন অর্ধেক টাকা আসে এক নম্বরে আর অর্ধেক আরেক নম্বরে। মাস শেষে কোনো একাউন্টের হিসাবই পুরো মেলে না। নতুন একাউন্ট চালুর দিন থেকেই পেজের সব জায়গা থেকে পুরনো নম্বর সরিয়ে নতুনটা দিন, আর পুরনো কাস্টমারদের একবার জানিয়ে দিন।
পেজ, আবেদন আর ওয়েবসাইটে আলাদা নাম রাখা
bKash-এর শর্ত অনুযায়ী আবেদনের ব্যবসার নাম আর পেজের নাম একই হতে হবে। নাম না মিললে আবেদন আটকে যেতে পারে। পরেও এটা কাজে লাগে, কারণ কাস্টমার পেমেন্টের সময় স্ক্রিনে যে নাম দেখেন, সেটা আপনার পেজের নামের সাথে না মিললে টাকা পাঠাতে দ্বিধা করেন। পেজ, bKash আর ওয়েবসাইটে একই বানানে একই নাম রাখুন।
অন্যের নামের সিমে একাউন্ট খোলা
ভাই বা বাবার নামের সিমে খুলতে গেলে সিমের মালিকানার প্রমাণে গিয়েই আটকে যাবেন, কারণ নম্বরটা আপনার NID-তে রেজিস্টার করা থাকতে হয়। কোনোভাবে খুলে ফেললেও পরে পিন রিসেট বা সিম হারালে বিপদে পড়বেন। bKash-এর শর্তে লেখা আছে, পিন ভুলে গেলে ওই নম্বর থেকেই 16247-এ ফোন দিতে হয়, আর সিম হারালে 16247-এ ফোন দিয়ে নম্বর ব্লক করাতে হয়। নিজের নামের সিম হলে এসব কাজ কয়েক মিনিটেই হয়ে যায়।
ঈদের সপ্তাহে লিমিট নিয়ে না ভাবা
PRA-র দিনের লিমিট সমস্যা করে ঈদের আগের কয়েকটা দিনে, ঠিক যখন অর্ডার সবচেয়ে বেশি। গত ঈদে কোনো দিন ৩০,০০০ টাকার কাছাকাছি অগ্রিম এসে থাকলে এখনই মার্চেন্ট একাউন্টের আবেদন শুরু করুন। ট্রেড লাইসেন্স করতে আর bKash-এর সাড়া পেতে সময় লাগে, ঈদের সপ্তাহে শুরু করলে দেরি হয়ে যাবে।
রিফান্ড জমিয়ে রাখা
কাস্টমার অর্ডার ক্যানসেল করলে অগ্রিম ফেরত দিতে হয়। PRA থেকে কাস্টমারকে সেন্ড মানি করা যায় প্রতিবার ৫ টাকা চার্জে, দিনে ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত। কয়েক দিনের রিফান্ড জমিয়ে একদিনে দিতে গেলে এই লিমিটে আটকে যাবেন, আর কাস্টমার ভাববেন আপনি টাকা মেরে দিচ্ছেন। তাই যেদিন ক্যানসেল হয়, সেদিনই টাকাটা ফেরত দিয়ে দিন।
আজ কোন কাজটা করবেন?
প্রথমে ঠিক করুন আপনার কোনটা লাগবে। ট্রেড লাইসেন্স নেই আর দিনে ৩০,০০০ টাকার কম অগ্রিম আসে, তাহলে PRA। ট্রেড লাইসেন্স আর ব্যাংক একাউন্ট আছে, তাহলে মার্চেন্ট। এরপর নিজের NID দিয়ে একটা নতুন সিম কিনুন, *16001# ডায়াল করে সিমের মালিকানার SMS-এর স্ক্রিনশট নিয়ে রাখুন, আর পেজের নামটা আবেদনের নামের সাথে মিলিয়ে নিন। এই তিনটা জিনিস হাতে থাকলে আবেদনে আর আটকাবেন না।
একাউন্ট চালু হলে কাস্টমারের কাছ থেকে অগ্রিম নেওয়ার কাজটা আরও সহজ করা যায়। WinningSeller-এর স্টোরে bKash-এ অনলাইন পেমেন্ট চালু করলে কাস্টমার অর্ডার করার সময়েই bKash-এ টাকা দিতে পারেন, ইনবক্সে বসে TrxID চাইতে হয় না। চাইলে পুরো টাকা অগ্রিম নিতে পারেন, অথবা শুধু ডেলিভারি চার্জ। ইনবক্সের কাস্টমারকে একটা পেমেন্ট লিংকও পাঠাতে পারেন। বাকি ফিচারগুলো এখানে দেখে নিন।
সাধারণ প্রশ্ন
ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া কি বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট খোলা যায়?
সাধারণ মার্চেন্ট একাউন্ট খোলা যায় না, কারণ ওটার ফর্মে ট্রেড লাইসেন্সের নম্বর আর মেয়াদ চায়। ট্রেড লাইসেন্স না থাকলে bKash নিজেই পার্সোনাল রিটেইল একাউন্ট (PRA) খুলতে বলে, যেটা ছোট আর অনলাইন ব্যবসার জন্য বানানো। এটা খুলতে লাগে NID, নিজের নামে একটা নতুন সিম আর ব্যবসার পেজের লিংক।
পুরনো পার্সোনাল bKash নম্বরটাকেই কি মার্চেন্ট বা রিটেইল একাউন্টে বদলানো যায়?
না, যায় না। bKash-এর শর্তে লেখা আছে, পার্সোনাল একাউন্টকে রিটেইল একাউন্টে ট্রান্সফার করা যায় না। রিটেইল একাউন্ট খুলতে হয় এমন নম্বরে, যাতে আগে কোনো bKash একাউন্ট খোলা হয়নি। তবে একই NID দিয়ে পার্সোনাল আর রিটেইল দুটোই রাখতে পারবেন।
পার্সোনাল রিটেইল একাউন্টে দিনে কত টাকা নেওয়া যায়?
অক্টোবর ২০২৬-এ bKash-এর PRA পেজে লেখা আছে, কাস্টমারের পেমেন্ট নেওয়া যায় প্রতিবারে আর দিনে ৩০,০০০ টাকা পর্যন্ত, মাসে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত। একাউন্টে একসাথে ৫ লাখ টাকার বেশি রাখা যায় না। দিনে এর বেশি অগ্রিম এলে মার্চেন্ট একাউন্টের কথা ভাবুন।
পার্সোনাল রিটেইল একাউন্ট থেকে ক্যাশ আউটে কত চার্জ কাটে?
bKash-এর PRA পেজে লেখা আছে, প্রথম ৩ মাস ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশ আউটে কোনো চার্জ নেই। এরপর কত কাটবে, সেটা ওই পেজে টাকার অঙ্কে লেখা নেই, শুধু বলা আছে চার্জ লাগবে। ক্যাশ আউটের আগে মার্চেন্ট অ্যাপে দেখে নিন, বা 16247-এ ফোন দিয়ে রেটটা জেনে নিন।
মার্চেন্ট একাউন্টের টাকা ব্যাংকে নিতে কত চার্জ লাগে?
bKash-এর "পেমেন্ট মানেই বিকাশ" পেজে মার্চেন্টের নতুন সেটেলমেন্ট চার্জের টেবিলে ব্যাংকে নিলে ১.১৫% লেখা আছে। এজেন্ট বা ATM থেকে ক্যাশ আউটে লেখা "বিকাশ" ঘরে ১.৩৫% আর "অন্যান্য" ঘরে ১.১৫%। রেটটা ১লা জুলাই থেকে চালু বলা আছে, কিন্তু কোন বছরের সেটা লেখা নেই, তাই আবেদনের সময় নিজের একাউন্টের রেট bKash-এর কাছ থেকে লিখিত নিয়ে নিন।
কাস্টমার পেমেন্টের স্ক্রিনশট পাঠালেই কি অর্ডার পাঠানো যায়?
না, পাঠাবেন না। স্ক্রিনশট বানানো খুব সহজ, তাই টাকা এসেছে কি না দেখবেন নিজের মার্চেন্ট অ্যাপে বা bKash-এর নিজের পাঠানো SMS-এ। কাস্টমারের দেওয়া TrxID আর টাকার অঙ্ক অ্যাপের লেনদেনের সাথে মিললে তবেই পার্সেল পাঠান।
আরও পড়ুন
খেলনা ব্যবসার আইডিয়া, কোন খেলনা অনলাইনে চলে আর নিরাপত্তার নিয়ম
বাচ্চাদের খেলনা অনলাইনে বেচতে চাইলে কোন খেলনা চলে, চকবাজার থেকে প্রথম লট কীভাবে নেবেন, ২০২৬ সালে BSTI-র তালিকায় খেলনা আসার মানে কী, ব্যাটারির খেলনা চালিয়ে দেখা, মাপ বোঝানো ছবি আর না ভাঙার প্যাকিং, একটা লটের টাকার হিসাবসহ।
থ্রিফট শপিং কি? পুরনো বিদেশি জ্যাকেট-শার্টের থ্রিফট ব্যবসার নিয়ম
থ্রিফট শপিং কি, মাল কোথা থেকে আসে আর পুরনো কাপড় আমদানির নিয়ম কী বলে, গাইট খুলে বাছাই, ধোয়া আর ছবি, কন্ডিশন সত্যি করে লেখা, আর একটা গাইট থেকে এক পিসের দাম কীভাবে বের করবেন, হিসাবসহ।
অনলাইনে শাড়ির ব্যবসা, তাঁতের শাড়ি থেকে প্রথম লট, ছবি আর ফেরত
অনলাইনে শাড়ির ব্যবসা শুরু করবেন? কোন শাড়ি চলে, টাঙ্গাইলের হাট আর পাইকার, BSTI-র ২০২৬ সালের নতুন শাড়ির নিয়ম, মডেল ছাড়া শাড়ির ছবি, মাপ আর যত্নের কথা লেখা, আর একটা লটে কত থাকে, হিসাবসহ।


