WinningSeller
অনলাইন ব্যবসা শুরু১৪ মিনিটে পড়া যায়

ক্যাশ অন ডেলিভারি ক্যাশ ফ্লো, কুরিয়ারের টাকা কবে আসে, হাতে কত রাখবেন

অর্ডারের টাকা কুরিয়ার থেকে কবে আপনার bKash বা ব্যাংকে আসে, এক মাসে কত টাকা আটকে থাকে, আর হাতে কত টাকা রাখলে স্টক কেনা আর অ্যাড মাঝপথে থামবে না, সব টাকার হিসাবে দেখানো আছে।

ক্যাশ অন ডেলিভারি ক্যাশ ফ্লো, কুরিয়ারের টাকা কবে আসে, হাতে কত রাখবেন
এই লেখায় যা আছে
  1. কুরিয়ারের COD টাকা আসলে কবে হাতে আসে?
  2. ক্যাশ অন ডেলিভারি ক্যাশ ফ্লো কেন টানাটানিতে পড়ে?
  3. কুরিয়ার প্রতিটা পার্সেল থেকে কত টাকা কেটে রাখে?
  4. এক মাসে টাকা কোথায় আটকে থাকে? একটা উদাহরণ টাকায়
  5. হাতে কত টাকা রাখলে স্টক আর অ্যাড থামবে না?
  6. কুরিয়ারের টাকা তাড়াতাড়ি পাওয়ার উপায় কী?
  7. ক্যাশ ফ্লোতে কোন ভুলগুলো সবচেয়ে বেশি টাকা আটকায়?
    1. অর্ডারকে বিক্রি ভেবে খরচ করা
    2. ছাড়ের লোভে পুরো মাসের স্টক একবারে কেনা
    3. ব্যবসা আর সংসারের টাকা এক bKash-এ রাখা
    4. ভালো এক সপ্তাহ দেখে অ্যাড দ্বিগুণ করা
    5. কুরিয়ারের স্টেটমেন্ট না মেলানো
  8. কখন অগ্রিম বা অনলাইন পেমেন্ট নেওয়া উচিত?
  9. আজ থেকে কোন কাজগুলো শুরু করবেন?

ক্যাশ অন ডেলিভারি ক্যাশ ফ্লো মানে আপনার ব্যবসার টাকা কবে বের হয়ে যায় আর কবে ফেরত আসে, তার হিসাব। COD ব্যবসায় স্টক কেনা আর অ্যাডের টাকা আজ খরচ হয়, কিন্তু সেই বিক্রির টাকা কুরিয়ার থেকে আপনার bKash বা ব্যাংকে আসে কয়েক দিন পরে। ঢাকার ভেতরের পার্সেলে অর্ডার থেকে টাকা হাতে আসতে সাধারণত ৩ থেকে ৫ দিন লাগে, আর ঢাকার বাইরের পার্সেলে এক থেকে দুই সপ্তাহও লেগে যায়। এই দিনগুলোর খরচ চালানোর মতো টাকা হাতে না থাকলে লাভের ব্যবসাতেও মাসের মাঝখানে স্টক কেনার টাকা ফুরিয়ে যায়।

হাতে কত টাকা রাখবেন, তার একটা সহজ নিয়ম আছে। টাকা আসতে যত দিন লাগে, তার সাথে আরও ৫ দিন যোগ করুন, তারপর সেটা দিয়ে আপনার এক দিনের মোট খরচকে গুণ করুন। এই নিয়ম কেন কাজ করে, সেটা নিচে বোঝাচ্ছি Steadfast আর Pathao-র নিজের লেখা পেমেন্টের সময় দিয়ে, আর একটা পুরো মাসের টাকার হিসাব দিয়ে।

কুরিয়ারের COD টাকা আসলে কবে হাতে আসে?

একটা অর্ডারের টাকা আপনার হাতে আসার আগে কয়েকটা ধাপ পার হয়। অর্ডার আসে, আপনি ফোনে কনফার্ম করেন, পরের দিন কুরিয়ার পিকআপ করে। তারপর পার্সেল কাস্টমারের কাছে যায়, ডেলিভারিম্যান টাকা নেন, কুরিয়ার সেই টাকা নিজেদের হিসাবে মেলায়, আর তারপর আপনার অ্যাকাউন্টে পাঠায়। প্রতিটা ধাপে একটু একটু সময় যায়, আর সব মিলিয়ে সেটাই আপনার অপেক্ষার সময়।

আগে ডেলিভারির সময়টা দেখি। অক্টোবর ২০২৬-এ Pathao-র কুরিয়ার পেজে লেখা আছে, একই শহরের ভেতরে ডেলিভারি হয় ২৪ ঘণ্টায় আর ঢাকা থেকে অন্য শহরে ৭২ ঘণ্টায়। ওরা এটাও লিখেছে যে ঢাকার বাইরে শুক্রবার কাজ বন্ধ থাকে। এটা কুরিয়ারের নিজের দেওয়া সময়, দূরের উপজেলায় বাস্তবে একটু বেশিও লাগে।

এবার টাকা পাঠানোর সময়। Steadfast-এর হোমপেজে লেখা আছে, ওরা পরের দিন পেআউট দেয়। তবে ওদের টার্মস অ্যান্ড কন্ডিশনসে আরও একটা কথা আছে। পেমেন্টের রিকোয়েস্টটা মার্চেন্টকেই নিজের প্যানেল থেকে দিতে হয়, আর চাইলে সপ্তাহের একটা নির্দিষ্ট দিনে পেমেন্ট নেওয়ার শিডিউলও করা যায়। টাকা নেওয়া যায় ব্যাংকে, bKash, Nagad বা Rocket-এ, আর ক্যাশেও নেওয়ার অপশন আছে। মানে রিকোয়েস্ট দিতে আপনি দেরি করলে টাকাও দেরিতে আসবে।

Pathao নিজের ব্লগে জুন ২০২৬-এ লিখেছে, সাধারণ COD সেটেলমেন্টে ঢাকার ভেতরে সাধারণত ১ থেকে ৩ কর্মদিবস লাগে, আর ঢাকার বাইরের ডেলিভারিতে ৭ থেকে ১০ দিন পর্যন্ত। মাঝে ছুটি আর সাপ্তাহিক বন্ধ পড়লে সময় আরও বাড়ে, সেটাও ওরা লিখেছে। RedX তাদের হোমপেজে লিখেছে, ডেলিভারি হয়ে গেলে পরের দিনই পেমেন্ট পাবেন।

অর্ডার আসা থেকে টাকা হাতে আসা পর্যন্ত একটা সময়রেখা, যেখানে কনফার্ম, পিকআপ, ডেলিভারি, কুরিয়ারের হিসাব মেলানো আর পেআউট আলাদা আলাদা দিনে দেখানো
অর্ডারের দিন থেকে টাকা হাতে আসা পর্যন্ত প্রতিটা ধাপে কিছু দিন যায়

এই সময়গুলো যোগ করলে মোটামুটি একটা হিসাব পাওয়া যায়। ঢাকার ভেতরের অর্ডারে অর্ডারের দিন থেকে টাকা হাতে আসতে সাধারণত ৩ থেকে ৫ দিন লাগে। ঢাকার বাইরের অর্ডারে সেটা এক সপ্তাহ থেকে দুই সপ্তাহ পর্যন্ত যেতে পারে। ঈদের আগে-পরে এই সময় সবচেয়ে লম্বা হয়, অথচ ঠিক তখনই স্টক আর অ্যাডে সবচেয়ে বেশি টাকা লাগে।

ক্যাশ অন ডেলিভারি ক্যাশ ফ্লো কেন টানাটানিতে পড়ে?

বেশিরভাগ সময় সমস্যাটা লাভ নিয়ে হয় না, হয় সময় নিয়ে। আপনার প্রোডাক্টে ভালো মার্জিন থাকতে পারে, তবুও মাসের মাঝখানে পকেট খালি হয়ে যেতে পারে। কারণ খরচগুলো আগে হয়, আর আয়টা আসে পরে।

ফেসবুক অ্যাডের কথাই ধরুন। অ্যাড যতক্ষণ চলে, ততক্ষণ টাকা খরচ হয়, আর সেই বিল আপনার ডলার কার্ডে বা এজেন্সিকে আগেই মেটাতে হয়। আজকের অ্যাডে আজ যে অর্ডার এলো, তার টাকা আসবে পরের সপ্তাহে। মাঝের এই কয়েক দিনের অ্যাডের টাকা আপনাকে নিজের পকেট থেকেই দিতে হচ্ছে।

স্টকের বেলায় টাকার অঙ্কটা আরও বড়। পাইকার সাধারণত একসাথে বেশি মাল নিলে দাম কম রাখেন, তাই অনেকেই মাসের শুরুতে একবারে বড় চালান কেনেন। এতে একটা বড় অঙ্ক একদিনে বের হয়ে যায়, আর সেটা ফেরত আসে ধীরে ধীরে, একটা একটা পার্সেল ধরে।

তারপর আছে ফেরত পার্সেল। একটা পার্সেল ফেরত এলে তার টাকা তো আসেই না, উল্টো ডেলিভারি চার্জটা কুরিয়ার আপনার অন্য পার্সেলের টাকা থেকে কেটে রাখে। আর প্রোডাক্টটা ফিরে আসতে আসতে আরও কয়েক দিন স্টকের বাইরে থাকে। ফেরত কীভাবে কমানো যায়, সেটা নিয়ে আলাদা করে লিখেছি ফেক অর্ডার আর রিটার্ন কমানোর লেখায়।

সবচেয়ে অবাক করা ব্যাপার হলো, বিক্রি বাড়লে টাকার টানও বাড়ে। দিনে ১০টার জায়গায় ২০টা অর্ডার পাঠালে কুরিয়ারের কাছে আটকে থাকা টাকাও দ্বিগুণ হয়ে যায়। নতুন সেলাররা ভাবেন ব্যবসা বড় হলে টাকার চিন্তা কমবে, কিন্তু COD ব্যবসায় বড় হওয়ার সময়টাতেই হাতে টাকা সবচেয়ে কম থাকে। এটা আগে থেকে জানা থাকলে আপনি ভয় পাবেন না, হিসাব করে ধীরে ধীরে বাড়াবেন।

কুরিয়ার প্রতিটা পার্সেল থেকে কত টাকা কেটে রাখে?

কাস্টমারের কাছ থেকে কুরিয়ার যে টাকা নেয়, তার পুরোটা আপনাকে দেয় না। তিনটা জিনিস কেটে রাখে, আর এগুলো জানা না থাকলে মাস শেষে হিসাব মেলে না।

প্রথমটা ডেলিভারি চার্জ। অক্টোবর ২০২৬-এ Pathao-র ওয়েবসাইটে লেখা আছে, একই শহরের ভেতরে ৫০০ গ্রাম থেকে ১ কেজির পার্সেলে ৭০ টাকা, আর ঢাকা থেকে অন্য শহরে একই ওজনে ১৩০ টাকা, VAT ছাড়া। ওজন বাড়লে চার্জও বাড়ে। কোন কুরিয়ারে কোন এলাকায় কত পড়ে, সেটা বিস্তারিত আছে কোন কুরিয়ার ভালো, সেই লেখায়।

দ্বিতীয়টা COD চার্জ। Steadfast-এর টার্মসে লেখা আছে, ডেলিভারি চার্জ বাদ দেওয়ার পরে বাকি টাকার ওপর ১% "ক্যাশ হ্যান্ডলিং ও রিস্ক ম্যানেজমেন্ট" চার্জ কাটা হয়। Pathao-র কুরিয়ার পেজের রেট টেবিলে ১% লেখা, আর একই পেজের FAQ-তে লেখা ঢাকা মেট্রোর ভেতরে ০.৫% আর ঢাকার বাইরে ১%। চুক্তি করা মার্চেন্টদের রেট আলাদা হতে পারে, আর রেট যেকোনো সময় বদলাতেও পারে, তাই নিজের প্যানেলে যে রেট দেখাচ্ছে সেটাই আসল।

তৃতীয়টা ফেরতের চার্জ। Steadfast-এর টার্মসে লেখা আছে, ডেলিভারি হোক বা বাতিল, প্রতিটা পার্সেলের ডেলিভারি চার্জ দিতে হয়, আর ফেরতের জন্য আলাদা চার্জ নেই। তবে ওদের বিজনেস পেজের প্রশ্নোত্তরে লেখা রিটার্ন চার্জ আলাদা, তাই প্রথম ফেরতের পরে প্যানেলের হিসাবটা দেখে নিন। Pathao-র পেজে লেখা, ঢাকার বাইরের ফেরত পার্সেলে ডেলিভারি চার্জের সাথে তার ৫০% রিটার্ন চার্জ যোগ হয়, আর ঢাকা মেট্রোর ভেতরের ফেরতে রিটার্ন চার্জ নেই।

এবার একটা উদাহরণে দেখি একটা পার্সেল থেকে আসলে কত হাতে আসে। ধরুন আপনি ১,২৫০ টাকার একটা থ্রি-পিস বিক্রি করলেন, আর ১২০ টাকা ডেলিভারি চার্জ কাস্টমার দিলেন। কাস্টমার মোট দিলেন ১,৩৭০ টাকা। কুরিয়ার ১২০ টাকা ডেলিভারি চার্জ রাখল, আর বাকি ১,২৫০ টাকার ১% মানে প্রায় ১৩ টাকা COD চার্জ রাখল। আপনার হাতে এলো ১,২৩৭ টাকা। এই ১২০ টাকা চার্জটা উদাহরণের জন্য ধরা, আপনার কুরিয়ার আর এলাকা অনুযায়ী এটা কম-বেশি হবে।

এক মাসে টাকা কোথায় আটকে থাকে? একটা উদাহরণ টাকায়

এই অংশটা পুরোটাই একটা উদাহরণ। সংখ্যাগুলো বানানো, কোনো আসল দোকানের না, কিন্তু বেশিরভাগ COD ব্যবসায় হিসাবটা এভাবেই চলে। হিসাব সহজ রাখতে মাসটাকে ৪ সপ্তাহ ধরছি। ধরুন আপনি থ্রি-পিস বিক্রি করেন, আর আপনার অবস্থা এরকম।

  • শুরুতে হাতে আছে ১ লাখ টাকা। প্রতিটা থ্রি-পিস পাইকারের কাছ থেকে ৭০০ টাকায় কেনেন, বিক্রি করেন ১,২৫০ টাকায়।
  • দিনে ১০টা কনফার্ম অর্ডার পাঠান, মানে সপ্তাহে ৭০টা। এর ৮০% ডেলিভারি হয় (৫৬টা), ২০% ফেরত আসে (১৪টা)।
  • অ্যাডে দিনে ১,৫০০ টাকা যায়, প্যাকেটে প্রতি অর্ডারে ২০ টাকা। প্রতিটা ফেরতে ১২০ টাকা চার্জ কাটে।
  • এক সপ্তাহে যা পাঠালেন, তার টাকা কুরিয়ার থেকে আসে পরের সপ্তাহে। ফেরত মাল স্টকে ফেরে তারও এক সপ্তাহ পরে।

তাহলে প্রতি সপ্তাহে কুরিয়ার থেকে আসে ৫৬টা ডেলিভারির ৬৯,২৭২ টাকা, তার থেকে ১৪টা ফেরতের ১,৬৮০ টাকা কেটে মোট ৬৭,৫৯২ টাকা। আর প্রতি সপ্তাহে খরচ হয় অ্যাডে ১০,৫০০ টাকা, প্যাকেটে ১,৪০০ টাকা, আর স্টকে ৪৯,০০০ টাকা (৭০ পিস)। তৃতীয় সপ্তাহ থেকে আগের ফেরত মাল ফিরে আসে, তাই তখন ৫৬ পিস কিনলেই চলে, মানে ৩৯,২০০ টাকা।

সপ্তাহ খরচ (স্টক + অ্যাড + প্যাকেট) কুরিয়ার থেকে এলো সপ্তাহ শেষে হাতে
১ম ৬০,৯০০ টাকা ০ টাকা ৩৯,১০০ টাকা
২য় ৬০,৯০০ টাকা ৬৭,৫৯২ টাকা ৪৫,৭৯২ টাকা
৩য় ৫১,১০০ টাকা ৬৭,৫৯২ টাকা ৬২,২৮৪ টাকা
৪র্থ ৫১,১০০ টাকা ৬৭,৫৯২ টাকা ৭৮,৭৭৬ টাকা

টেবিলে একটা জিনিস লুকিয়ে আছে। দ্বিতীয় সপ্তাহের শুরুতে আপনার হাতে ৩৯,১০০ টাকা, কিন্তু ৭০ পিস স্টক কিনতে লাগবে ৪৯,০০০ টাকা। কুরিয়ারের টাকা তখনো আসেনি, আসবে সপ্তাহের মাঝামাঝি থেকে একটু একটু করে। তাই ওই সোমবার আপনি পুরো স্টক কিনতে পারবেন না। হয় অর্ধেক কিনবেন আর অ্যাড কমাবেন, নয়তো কারও কাছে ধার চাইবেন। আপনার ব্যবসা লাভেই চলছে, তবুও এই সপ্তাহটা টানাটানির মধ্যে যাবে।

চার সপ্তাহের একটা বার চার্ট, যেখানে প্রতি সপ্তাহে হাতের টাকা, কুরিয়ারের কাছে আটকে থাকা টাকা আর ফেরত আসা স্টক আলাদা রঙে দেখানো
উদাহরণের মাসে লাভ হলো, কিন্তু হাতের টাকা কমল, কারণ বড় একটা অংশ কুরিয়ার আর ফেরত স্টকে আটকে

এবার মাস শেষের হিসাবটা দেখুন। এই মাসে ২২৪টা পার্সেল ডেলিভারি হয়েছে। প্রতিটায় ১,২৩৭ টাকা এসেছে আর ৭০০ টাকার মাল গেছে, মানে প্রতিটায় ৫৩৭ টাকা থেকেছে, মোট ১,২০,২৮৮ টাকা। এখান থেকে ২৮০টা অর্ডারের অ্যাড ৪২,০০০ টাকা, প্যাকেট ৫,৬০০ টাকা, আর ৫৬টা ফেরতের চার্জ ৬,৭২০ টাকা বাদ দিলে মাসের আসল লাভ দাঁড়ায় ৬৫,৯৬৮ টাকা।

কিন্তু হাতে টাকা আছে মাত্র ৭৮,৭৭৬ টাকা, যেখানে মাস শুরু করেছিলেন ১ লাখ টাকা দিয়ে। খাতায় ৬৫,৯৬৮ টাকা লাভ, অথচ হাতের টাকা কমেছে ২১,২২৪ টাকা। বাকি টাকা গেল কোথায়? ৬৭,৫৯২ টাকা এখনো কুরিয়ারের কাছে, এটা শেষ সপ্তাহের পার্সেলের টাকা। আর ১৯,৬০০ টাকার মাল, মানে শেষ দুই সপ্তাহের ২৮টা ফেরত পার্সেল, এখনো ফেরত আসার পথে। এই দুটো যোগ করলে হিসাব পুরো মিলে যায়।

এই উদাহরণ থেকে দুটো জিনিস মনে রাখুন। প্রথমত, মাসের লাভ আর মাসের শেষে হাতের টাকা এক জিনিস না। দ্বিতীয়ত, ব্যবসা যতদিন চলবে, প্রায় এক সপ্তাহের বিক্রির টাকা সবসময় কুরিয়ারের কাছে আটকে থাকবে। ওই টাকাটাকে ব্যবসার পুঁজির অংশ ধরুন, তুলে খরচ করার টাকা না। প্রোডাক্টের দাম ঠিক করার সময় অ্যাড, কুরিয়ার আর ফেরতের খরচ কীভাবে হিসাবে আনবেন, সেটা আছে দাম নির্ধারণের লেখায়।

হাতে কত টাকা রাখলে স্টক আর অ্যাড থামবে না?

এর একটা সহজ হিসাব আছে। প্রথমে বের করুন আপনার এক দিনের মোট খরচ কত, মানে দিনে গড়ে স্টকে, অ্যাডে আর প্যাকেটে কত টাকা যায়। তারপর দেখুন কুরিয়ারের টাকা আসতে গড়ে কত দিন লাগে। এরপর এই নিয়মে গুণ করুন।

হাতে রাখার টাকা = এক দিনের মোট খরচ × (টাকা আসতে যত দিন লাগে + ৫ দিন)

বাড়তি ৫ দিন রাখছি ছুটি, ব্যাংক বন্ধ, কুরিয়ারের দেরি আর হঠাৎ ফেরত বেড়ে যাওয়ার জন্য। ওপরের উদাহরণে প্রথম সপ্তাহে খরচ ৬০,৯০০ টাকা, মানে দিনে প্রায় ৮,৭০০ টাকা। টাকা আসতে ৭ দিন লাগলে হিসাব দাঁড়ায় ৮,৭০০ × ১২, মানে প্রায় ১ লাখ ৪ হাজার ৪০০ টাকা। উদাহরণের দোকান ১ লাখ দিয়ে শুরু করেছিল, তাই দ্বিতীয় সপ্তাহেই টান পড়েছে।

টাকা আসতে কত দিন লাগে, সেটা আন্দাজে না ধরে নিজের প্যানেল থেকে বের করুন। কুরিয়ারের প্যানেলে আপনার গত ২০টা পার্সেলের পিকআপের তারিখ আর পেমেন্টের তারিখ পাশাপাশি লিখুন। দুটোর মাঝে কত দিন গেল তার গড় করুন, আর সাথে অর্ডার থেকে পিকআপ পর্যন্ত এক দিন যোগ করুন। ঢাকার আর ঢাকার বাইরের পার্সেল আলাদা করে গুনলে আরও ভালো, কারণ দুটোর সময় অনেক আলাদা।

অ্যাড বাড়ানোর আগেও এই হিসাবটা কাজে লাগে। নিয়মটা হলো, নতুন বাজেটে এক দিনের খরচ কত হবে সেটা ধরে ওপরের হিসাবটা আবার করুন। সেই পুরো টাকাটা হাতে থাকলে তবেই বাজেট বাড়ান, আর কুরিয়ারের কাছে আটকে থাকা টাকা এই হিসাবে ধরবেন না। ধরুন আপনি দিনে ১০টা থেকে ২০টা অর্ডারে যেতে চান। তাহলে খরচও প্রায় দ্বিগুণ হবে, হাতে রাখার টাকাও দ্বিগুণ লাগবে। একবারে না বাড়িয়ে প্রতি সপ্তাহে একটু একটু বাড়ান, যাতে কুরিয়ারের টাকা আসতে আসতে পরের ধাপের পুঁজি তৈরি হয়ে যায়।

এই পরামর্শ সবার জন্য সমান জরুরি না। আপনি যদি শুধু ঢাকার ভেতরে বিক্রি করেন আর প্রতিদিন পেমেন্ট নেন, তাহলে আপনার ফাঁকটা ছোট, অল্প টাকাতেই চলবে। আবার আপনি যদি অগ্রিম নিয়ে প্রি-অর্ডারে বিক্রি করেন, তাহলে টাকা আগেই আসে, তাই এই হিসাব আপনার বেলায় অনেকটা উল্টো। টান বেশি পড়ে তাঁদের, যাঁরা ঢাকার বাইরে বেশি বিক্রি করেন আর স্টক আগে কিনে রাখেন।

কুরিয়ারের টাকা তাড়াতাড়ি পাওয়ার উপায় কী?

সবচেয়ে সহজ উপায় হলো প্রতিদিন পেমেন্ট রিকোয়েস্ট দেওয়া। Steadfast-এ রিকোয়েস্ট আপনাকেই দিতে হয়, আর সপ্তাহে একদিন পেমেন্ট নেওয়ার শিডিউলও করা যায়। টাকার টান থাকলে সপ্তাহে একদিনের শিডিউল নেবেন না, কারণ তাতে প্রতিটা পার্সেলের টাকা গড়ে আরও তিন-চার দিন আটকে থাকে। রোজ সকালে চা খাওয়ার মতো এটাকে অভ্যাস বানিয়ে ফেলুন, প্যানেল খুলে রিকোয়েস্ট দিয়ে দিন।

দ্বিতীয় উপায় হলো কুরিয়ারের দ্রুত পেমেন্টের সার্ভিস, যেটার জন্য টাকা দিতে হয়। Pathao-র InstaPay-তে ডেলিভারির পরেই টাকা আপনার Pathao Pay মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টে চলে আসে, আর ওদের কুরিয়ার পেজে লেখা, নিয়মিত InstaPay দিনে ৩ বার নিজে থেকে পেআউট পাঠায়। Pathao Pay-এর মার্চেন্ট টার্মসে লেখা, ফ্রি ট্রায়ালের পরে এর সাধারণ ফি ১%, যদিও মার্চেন্ট ভেদে এটা আলাদা হতে পারে। আর যখন দরকার তখন টাকা তোলার InstaPay On-Demand-এ Pathao-র ব্লগ (ফেব্রুয়ারি ২০২৬) প্রতিবার তোলায় ২% ফির কথা লিখেছে। Pathao Pay-এর টার্মসে আবার লেখা, মার্চেন্ট ভেদে এই ফি ২.৫% পর্যন্ত হতে পারে, তাই চালু করার আগে নিজের প্যানেলে ফি-টা দেখে নিন।

এই ফি দেবেন কি না, সেটা হিসাব করে ঠিক করুন। ওপরের উদাহরণে সপ্তাহে ৬৭,৫৯২ টাকা আসে, তার ১% মানে সপ্তাহে প্রায় ৬৭৬ টাকা, মাসে প্রায় ২,৭০০ টাকা। স্টক ফুরিয়ে যাওয়ায় যে ৫-৬টা অর্ডার হাতছাড়া হতো, এই টাকায় সেগুলো বাঁচাতে পারলে ফি দেওয়াটা লাভের। আর এমনিতেই হাতে যথেষ্ট টাকা থাকলে এটা শুধু বাড়তি খরচ। সারা বছর না নিয়ে শুধু ঈদের মতো ব্যস্ত সময়ে চালু রাখাটাও একটা ভালো উপায়।

তৃতীয় উপায় হলো পেমেন্ট কোথায় নেবেন সেটা ঠিক করা। ব্যাংক বন্ধের দিনে ব্যাংক ট্রান্সফার আটকে থাকে, তাই বৃহস্পতিবার বিকেলের টাকা অনেক সময় রবিবারে আসে। আপনার পাইকার যদি bKash-এ টাকা নেন, তাহলে কুরিয়ারের টাকা bKash-এ নিলে স্টক কিনতে এক দিনও দেরি হয় না। শুধু মনে রাখবেন, bKash থেকে ক্যাশ আউট করলে চার্জ লাগে। তাই যে টাকা নগদে লাগবে না, সেটা bKash-এ রেখেই পেমেন্ট করুন।

আরেকটা কথা অনেকে খেয়াল করেন না। ঢাকার ভেতরের অর্ডারের টাকা অনেক তাড়াতাড়ি আসে, আর ফেরতও সাধারণত কম হয়। যে সপ্তাহে টাকার টান বেশি, সেই সপ্তাহে অ্যাডের একটা অংশ ঢাকা আর আশেপাশের এলাকায় টার্গেট করলে টাকা দ্রুত ঘোরে। পুরো ব্যবসা ঢাকায় আটকে রাখার দরকার নেই, টানের সময়টা পার করার জন্য শুধু এটা কাজে লাগান।

ক্যাশ ফ্লোতে কোন ভুলগুলো সবচেয়ে বেশি টাকা আটকায়?

অর্ডারকে বিক্রি ভেবে খরচ করা

১০০টা অর্ডার পাঠালে ১০০টার টাকা আসে না। ফেরত, কুরিয়ারের চার্জ আর COD চার্জ বাদ দিয়ে যা আসে, সেটাই আসল বিক্রি। যাঁরা অর্ডারের সংখ্যা দেখে খরচ ঠিক করেন, তাঁরা মাসের শেষে প্রায় সবসময় বেশি খরচ করে ফেলেন।

ছাড়ের লোভে পুরো মাসের স্টক একবারে কেনা

ধরুন পাইকার বললেন, একবারে পুরো মাসের মাল নিলে পিস প্রতি ২০ টাকা কম রাখবেন। কিন্তু সেই মাল যদি তিন সপ্তাহ গুদামে বসে থাকে, ওই টাকা দিয়ে আপনি তিন সপ্তাহের অ্যাড চালাতে পারতেন। সপ্তাহে দুবার অল্প অল্প করে কেনা প্রায়ই বেশি লাভের, বিশেষ করে শুরুর দিকে।

ব্যবসা আর সংসারের টাকা এক bKash-এ রাখা

দুই টাকা এক জায়গায় থাকলে বোঝাই যায় না কোন টাকা স্টকের আর কোন টাকা বাজারের। মাস শেষে মনে হয় লাভ হয়নি, অথচ টাকাটা আসলে সংসারে খরচ হয়ে গেছে। ব্যবসার জন্য আলাদা একটা bKash বা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট রাখুন, আর কুরিয়ারের টাকা শুধু ওখানেই নিন।

ভালো এক সপ্তাহ দেখে অ্যাড দ্বিগুণ করা

বিক্রি ভালো গেলে মন চায় বাজেট বাড়িয়ে দিই। কিন্তু বাড়তি অ্যাডের টাকা আজ যাবে, আর তার অর্ডারের টাকা আসবে পরের সপ্তাহে। ওপরের নিয়ম মেনে হাতে টাকা না থাকলে দ্বিগুণ বাজেট দুই সপ্তাহ পরে আপনাকে স্টক ছাড়া বসিয়ে রাখবে।

কুরিয়ারের স্টেটমেন্ট না মেলানো

ভুল ওজনে বেশি চার্জ, ভুল করে ফেরত দেখানো, বা কোনো পার্সেলের টাকা না আসা, এগুলো মাঝে মাঝে হয়। সপ্তাহে একবার কুরিয়ারের পেমেন্ট স্টেটমেন্ট আপনার অর্ডারের লিস্টের সাথে মিলিয়ে নিন। না মেলালে ছোট ছোট অঙ্ক জমে মাসে কয়েক হাজার টাকা হয়ে যেতে পারে, আর পরে দাবি করলে প্রমাণ দেখানোও কঠিন হয়।

কখন অগ্রিম বা অনলাইন পেমেন্ট নেওয়া উচিত?

অগ্রিম নিলে টাকা আগে আসে, তাই ক্যাশ ফ্লোর সমস্যা অনেকটাই মিটে যায়। কিন্তু বাংলাদেশে বেশিরভাগ কাস্টমার এখনো হাতে প্রোডাক্ট পেয়ে টাকা দিতে চান। কম দামের প্রোডাক্টে পুরো অগ্রিম চাইলে অনেক কাস্টমার অর্ডারই দেন না, এটা বেশিরভাগ সেলারের অভিজ্ঞতা। তাই অগ্রিম কোথায় চাইবেন, সেটা বুঝে চাইতে হয়।

শুধু ডেলিভারি চার্জ অগ্রিম নিলে ক্যাশ ফ্লোতে তেমন পার্থক্য হয় না, কারণ টাকার অঙ্কটা ছোট। এর আসল কাজ হলো ফেরত কমানো, আর ফেরত কমলে ঘুরিয়ে আপনার টাকাই বাঁচে। আংশিক বা পুরো অগ্রিম চাইবেন তখন, যখন প্রোডাক্টের দাম বেশি, কাস্টমারের মাপে বানাতে হয়, বা আপনি প্রি-অর্ডারে মাল আনছেন। এসব ক্ষেত্রে কাস্টমারও বোঝেন কেন অগ্রিম লাগছে।

পাইকারের সাথে কথা বলাটাও একরকম অগ্রিম। যে পাইকারের কাছ থেকে আপনি নিয়মিত কেনেন, তাঁর কাছে ৭ থেকে ১৫ দিনের বাকি চাইতে পারেন। কুরিয়ার যত দিন পরে আপনাকে টাকা দেয়, পাইকারকে তত দিন পরে টাকা দিতে পারলে আপনার ফাঁকটা প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। সবাই রাজি হবেন না, কিন্তু কয়েক মাস সময়মতো টাকা দিলে অনেক পাইকারই রাজি হন।

আজ থেকে কোন কাজগুলো শুরু করবেন?

আজ কুরিয়ারের প্যানেল খুলে গত ২০টা পার্সেলের পিকআপ আর পেমেন্টের তারিখ লিখুন, তাহলে আপনার আসল অপেক্ষার দিন বের হবে। তারপর এক দিনের মোট খরচ দিয়ে ওপরের নিয়মে হাতে রাখার টাকাটা গুনুন। আর পেমেন্ট রিকোয়েস্ট যদি সপ্তাহে একবার দেন, কাল থেকে প্রতিদিন দিন।

এই হিসাবগুলো খাতায় রাখা যায়, তবে অর্ডার বাড়লে খাতা সামলানো কঠিন হয়ে যায়। WinningSeller-এ Steadfast, Pathao, RedX সহ ৬টা কুরিয়ারে এক ক্লিকে পার্সেল যায় আর স্ট্যাটাস নিজে থেকে আপডেট হয়। ডেলিভারি হওয়া অর্ডার থেকে লাভ-ক্ষতি আর অ্যাডের খরচের হিসাবও ওখানেই দেখা যায়, আর দরকার হলে bKash বা SSLCommerz-এ অগ্রিম বা শুধু ডেলিভারি চার্জ নেওয়া যায়। নিজের দোকানের সংখ্যা দিয়ে আগে একবার দেখে নিতে পারেন (প্রথম মাস মাত্র ৯৯ টাকা, তারপর রেগুলার দাম)।

সাধারণ প্রশ্ন

Steadfast কত দিনে COD-র টাকা দেয়?

Steadfast-এর হোমপেজে লেখা আছে ওরা পরের দিন পেআউট দেয়। তবে ওদের টার্মস অনুযায়ী পেমেন্টের রিকোয়েস্টটা মার্চেন্টকেই প্যানেল থেকে দিতে হয়, আর টাকা নেওয়া যায় ব্যাংক, bKash, Nagad বা Rocket-এ। মাঝে ছুটি বা ব্যাংক বন্ধের দিন পড়লে বাস্তবে এক-দুই দিন বেশি লাগতে পারে।

Pathao থেকে টাকা পেতে কত দিন লাগে?

Pathao-র নিজের ব্লগে (জুন ২০২৬) লেখা, সাধারণ COD সেটেলমেন্টে ঢাকার ভেতরে সাধারণত ১ থেকে ৩ কর্মদিবস আর ঢাকার বাইরের ডেলিভারিতে ৭ থেকে ১০ দিন পর্যন্ত লাগে। তাড়াতাড়ি চাইলে ওদের InstaPay আছে, যেটা চালু করলে দিনে তিনবার টাকা Pathao Pay মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টে আসে। তবে ফ্রি ট্রায়ালের পরে এর সাধারণ ফি ১%।

কুরিয়ারের COD চার্জ কত?

অক্টোবর ২০২৬-এ Steadfast-এর টার্মসে লেখা, ডেলিভারি চার্জ বাদ দেওয়ার পরে বাকি টাকার ওপর ১% কাটে। Pathao-র কুরিয়ার পেজের রেট টেবিলে ১% লেখা, আর একই পেজের FAQ-তে ঢাকা মেট্রোর ভেতরে ০.৫% আর বাইরে ১%। RedX-এর হোমপেজে লেখা ঢাকার ভেতরে ০% আর বাইরে ১%। চুক্তির রেটে এটা আলাদা হতে পারে, তাই নিজের প্যানেলে একবার দেখে নিন।

ফেরত আসা পার্সেলের চার্জ কি কুরিয়ার পেমেন্ট থেকে কেটে রাখে?

হ্যাঁ, সাধারণত ডেলিভারি হওয়া পার্সেলের টাকা থেকেই ফেরতের চার্জ কেটে বাকিটা পাঠায়। Steadfast-এর টার্মসে বাতিল পার্সেলেও ডেলিভারি চার্জ দিতে হয়, আর আলাদা রিটার্ন চার্জ নেই, যদিও ওদের বিজনেস পেজে রিটার্ন চার্জ আলাদা লেখা। Pathao-র পেজে লেখা, ঢাকার বাইরের ফেরতে ডেলিভারি চার্জের সাথে তার ৫০% রিটার্ন চার্জ যোগ হয়।

COD ব্যবসা চালাতে হাতে কত টাকা রাখা দরকার?

একটা সহজ নিয়ম হলো, কুরিয়ারের টাকা আসতে যত দিন লাগে তার সাথে আরও ৫ দিন যোগ করুন, তারপর সেটা দিয়ে এক দিনের মোট খরচকে (স্টক, অ্যাড, প্যাকেট) গুণ করুন। দিনে ৮,৭০০ টাকা খরচ হলে আর ৭ দিনে টাকা এলে সেটা দাঁড়ায় প্রায় ১ লাখ ৪ হাজার টাকা। এটা একটা উদাহরণ, নিজের সংখ্যা বসিয়ে আপনার হিসাবটা বের করে নিন।

bKash-এ নাকি ব্যাংকে কুরিয়ার পেমেন্ট নেওয়া ভালো?

পাইকারকে যদি bKash-এ টাকা দেন, বা ছোট খরচ bKash থেকে চালান, তাহলে কুরিয়ারের টাকা bKash-এ নিলে টাকা হাতবদলে দেরি হয় না। বড় অঙ্ক আর পরিষ্কার হিসাবের জন্য ব্যাংক ভালো, কিন্তু ব্যাংক বন্ধের দিনে ট্রান্সফার আটকে থাকে। অনেক সেলার দুটোই রাখেন।

#ক্যাশ ফ্লো#ক্যাশ অন ডেলিভারি#কুরিয়ার পেমেন্ট#Steadfast#Pathao#অনলাইন ব্যবসা

আরও পড়ুন

খেলনা ব্যবসার আইডিয়া, কোন খেলনা অনলাইনে চলে আর নিরাপত্তার নিয়ম

বাচ্চাদের খেলনা অনলাইনে বেচতে চাইলে কোন খেলনা চলে, চকবাজার থেকে প্রথম লট কীভাবে নেবেন, ২০২৬ সালে BSTI-র তালিকায় খেলনা আসার মানে কী, ব্যাটারির খেলনা চালিয়ে দেখা, মাপ বোঝানো ছবি আর না ভাঙার প্যাকিং, একটা লটের টাকার হিসাবসহ।

·১২ মিনিটে পড়া যায়

থ্রিফট শপিং কি? পুরনো বিদেশি জ্যাকেট-শার্টের থ্রিফট ব্যবসার নিয়ম

থ্রিফট শপিং কি, মাল কোথা থেকে আসে আর পুরনো কাপড় আমদানির নিয়ম কী বলে, গাইট খুলে বাছাই, ধোয়া আর ছবি, কন্ডিশন সত্যি করে লেখা, আর একটা গাইট থেকে এক পিসের দাম কীভাবে বের করবেন, হিসাবসহ।

·১২ মিনিটে পড়া যায়

অনলাইনে শাড়ির ব্যবসা, তাঁতের শাড়ি থেকে প্রথম লট, ছবি আর ফেরত

অনলাইনে শাড়ির ব্যবসা শুরু করবেন? কোন শাড়ি চলে, টাঙ্গাইলের হাট আর পাইকার, BSTI-র ২০২৬ সালের নতুন শাড়ির নিয়ম, মডেল ছাড়া শাড়ির ছবি, মাপ আর যত্নের কথা লেখা, আর একটা লটে কত থাকে, হিসাবসহ।

·১২ মিনিটে পড়া যায়