WinningSeller
অনলাইন ব্যবসা শুরু১৩ মিনিটে পড়া যায়

অনলাইন ব্যবসার ট্রেড লাইসেন্স, বাসার ঠিকানায় করার নিয়ম আর খরচ

দোকান নেই, বাসা থেকে ফেসবুকে বিক্রি করেন? ট্রেড লাইসেন্স কোথায় করবেন, বাসার ঠিকানায় হয় কি না, কী কাগজ লাগে আর কত টাকা যায়, সব সরকারি ওয়েবসাইট দেখে লেখা। ঢাকায় নবায়নের খরচ কেন প্রায় দ্বিগুণ হয়, সেটাও টাকার হিসাবে আছে।

অনলাইন ব্যবসার ট্রেড লাইসেন্স, বাসার ঠিকানায় করার নিয়ম আর খরচ
এই লেখায় যা আছে
  1. অনলাইন ব্যবসার ট্রেড লাইসেন্স কি লাগে?
  2. বাসার ঠিকানায় ট্রেড লাইসেন্স করা যায়?
  3. কোথায় আবেদন করবেন, সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা না ইউনিয়ন পরিষদ?
  4. ট্রেড লাইসেন্স করতে কি কি লাগে?
  5. ট্রেড লাইসেন্স অনলাইনে আবেদন করবেন কীভাবে?
  6. ট্রেড লাইসেন্স করতে কত টাকা লাগে?
  7. কত দিনে পাবেন, আর প্রতি বছর নবায়নে কী লাগে?
  8. ট্রেড লাইসেন্স হওয়ার পর কী কী করবেন?
  9. ট্রেড লাইসেন্স কখন করবেন? একটা সহজ নিয়ম

অনলাইন ব্যবসার ট্রেড লাইসেন্স লাগে, ফেসবুক পেজ থেকে বিক্রি করলেও লাগে। দোকান না থাকলে সাধারণত যে বাসায় থাকেন সেই ঠিকানা দিয়েই আবেদন করা যায়, সাথে লাগবে বাসার দলিল বা ভাড়ার চুক্তি আর হোল্ডিং ট্যাক্সের রিসিট। আবেদন করবেন আপনার এলাকার সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদে, আর ঢাকায় পুরো কাজটা অনলাইনে হয়। লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন দেখে ঠিক হয়। SME ফাউন্ডেশনের হিসাবে সিটি কর্পোরেশনে এটা ১০০ থেকে ৬০,০০০ টাকা পর্যন্ত, আর বাসা থেকে চলা ছোট ব্যবসা সাধারণত নিচের দিকেই পড়ে।

একটা জিনিস অনেকে আগে জানেন না, সেটা হলো নবায়নের খরচ। ঢাকা আর চট্টগ্রাম সিটিতে প্রতি বছর নবায়নের সময় লাইসেন্স ফির সাথে ৩,০০০ টাকা আয়কর দিতে হয়, আর আয়কর রিটার্ন জমার প্রমাণ দেখাতে হয়। কোথায় আবেদন করবেন আর প্রথম বছর ও পরের বছরে আসলে কত টাকা যায়, নিচে টাকার হিসাবসহ বলছি।

অনলাইন ব্যবসার ট্রেড লাইসেন্স কি লাগে?

ট্রেড লাইসেন্স হলো স্থানীয় সরকারের দেওয়া ব্যবসা করার অনুমতি। আপনার এলাকা সিটি কর্পোরেশনে পড়লে সিটি কর্পোরেশন দেয়, পৌরসভায় পড়লে পৌরসভা, আর গ্রামে ইউনিয়ন পরিষদ। ব্যবসাটা দোকানে হচ্ছে নাকি ফেসবুকে, আইন এখানে আলাদা করে দেখে না। শিল্প মন্ত্রণালয়ের SME ফাউন্ডেশন তাদের WE-Help পেজে লিখেছে, ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা চালানো বেআইনি। ওই পেজে জরিমানার কথাও আছে, প্রথমবার ৫,০০০ টাকা আর পরের বার প্রতিদিন ৫০০ টাকা।

তবে সত্যি কথা হলো, শুরুর দিন সাধারণত কেউ আপনার কাছে লাইসেন্স দেখতে চাইবে না। ফেসবুক পেজ খুলতে লাইসেন্স লাগে না। ২০২৬ সালের অক্টোবরে Steadfast-এর মার্চেন্ট সাইন আপ ফর্মেও ট্রেড লাইসেন্সের কোনো ঘর নেই। তাই প্রথম কয়েকটা অর্ডার লাইসেন্স ছাড়াই পাঠানো যায়।

আটকে যাবেন ব্যবসা একটু বড় হওয়ার সময়। bKash-এর ওয়েবসাইটে লেখা, মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টের জন্য ট্রেড লাইসেন্স লাগে। ব্যবসার নামে ব্যাংকে কারেন্ট অ্যাকাউন্ট খুলতে গেলেও বেশিরভাগ ব্যাংক লাইসেন্স চায়। কিছু বড় পাইকার বাকিতে মাল দেওয়ার আগে লাইসেন্সের কপি দেখতে চান। মানে লাইসেন্স না থাকলে বিক্রি থামে না, কিন্তু বড় হওয়ার দরজাগুলো বন্ধ থাকে। পেজ খোলা থেকে প্রথম অর্ডার পর্যন্ত কোন কাজটা কখন করবেন, সেটা দেখতে চাইলে অনলাইন ব্যবসা শুরুর পুরো গাইডটা পড়ে নিন।

বাসার ঠিকানায় ট্রেড লাইসেন্স করা যায়?

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে যায়। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (DNCC) ওয়েবসাইটে যে কাগজের লিস্ট দেওয়া আছে, সেখানে জায়গার মালিকানার প্রমাণ হিসেবে দলিল বা পর্চা চাওয়া হয়েছে, আর ভাড়াটিয়া হলে ভাড়ার চুক্তিপত্র। সাথে লাগে সবশেষ হোল্ডিং ট্যাক্স দেওয়ার রিসিট আর একটা অনাপত্তি সনদ। জায়গাটা দোকান হতেই হবে, এমন কথা ওই লিস্টে আলাদা করে লেখা নেই।

নিজের বাসা হলে কাজ সহজ। বাড়ির দলিল বা পর্চা আর হোল্ডিং ট্যাক্সের রিসিটের কপি দিলেই হয়। বাড়িটা যদি বাবার নামে হয়, তাহলে বাবার কাছ থেকে একটা অনাপত্তি পত্র লিখে নিন যে তাঁর বাড়ির ঠিকানায় আপনি ব্যবসা করবেন। ভাড়া বাসা হলে বাড়িওয়ালার সাথে একটা ভাড়ার চুক্তিপত্র লাগবে, আর তাঁর হোল্ডিং ট্যাক্সের রিসিটের কপি। অনেক বাড়িওয়ালা এই কাগজ দিতে সময় নেন, তাই আবেদনের অন্তত এক সপ্তাহ আগে তাঁর সাথে কথা বলুন।

তবে একটা জায়গায় সাবধান থাকুন। SME ফাউন্ডেশনের পেজে লেখা, সিটি কর্পোরেশন যে এলাকাকে বাণিজ্যিক এলাকা বলে ঘোষণা করেছে, ব্যবসার জায়গা তার ভেতরে হতে হবে। তাই কিছু পরিকল্পিত আবাসিক এলাকায় প্রশ্ন উঠতে পারে। আবেদনের আগে আপনার জোন অফিসের লাইসেন্স সুপারভাইজারকে একবার জিজ্ঞেস করে নিন। বলতে পারেন, "ভাই, আমি বাসা থেকে অনলাইনে কাপড় বিক্রি করি, কোনো দোকান বা সাইনবোর্ড নেই। এই ঠিকানায় ট্রেড লাইসেন্স হবে? হলে কী কী কাগজ আনব?" এক ফোনে উত্তর পেলে ভুল কাগজ নিয়ে দুবার দৌড়াতে হয় না।

আপনার ঠিকানায় না হলেও রাস্তা বন্ধ না। পরিচিত কারও দোকান বা অফিসের একটা অংশ ভাড়ার চুক্তি করে নিয়ে সেই ঠিকানায় আবেদন করা যায়। শুধু মনে রাখবেন, লাইসেন্সে যে ঠিকানা থাকবে, সরকারি কাগজে সেটাই আপনার ব্যবসার ঠিকানা হয়ে যাবে।

একজন তরুণ পুরুষ সেলার বাসার টেবিলে বসে ল্যাপটপে ট্রেড লাইসেন্সের অনলাইন ফর্ম পূরণ করছেন, পাশে জাতীয় পরিচয়পত্র, বাড়ির দলিলের ফটোকপি আর হোল্ডিং ট্যাক্সের রিসিট রাখা
বাসার ঠিকানায় আবেদন করতে দলিল বা ভাড়ার চুক্তি আর হোল্ডিং ট্যাক্সের রিসিট আগেই হাতে রাখুন

কোথায় আবেদন করবেন, সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা না ইউনিয়ন পরিষদ?

নিয়মটা সহজ। যে বাসা থেকে বিক্রি করেন, সেটা যার এলাকায় পড়ে, লাইসেন্স সেখান থেকেই নেবেন। কোনটায় পড়ে বোঝার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো বাসার হোল্ডিং ট্যাক্সের রিসিট দেখা। ট্যাক্সটা যে অফিসে জমা হয়, ট্রেড লাইসেন্সও সাধারণত সেই অফিসেই হয়।

সিটি কর্পোরেশন এলাকায় আবেদন যায় আপনার অঞ্চলের জোন অফিসে। ঢাকা উত্তর সিটির ওয়েবসাইট অনুযায়ী এদের ১০টা অঞ্চল আছে, আর আবেদন হয় erevenue.dncc.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে। ঢাকা দক্ষিণ সিটির ওয়েবসাইটে অনলাইন আবেদনের লিংক দেওয়া আছে erevenue.dscc.gov.bd। সিলেট সিটিরও নিজের ট্রেড লাইসেন্সের ওয়েবসাইট আছে, tradelicence.scc.gov.bd। অন্য সিটিতে থাকলে সিটি কর্পোরেশনের নিজের ওয়েবসাইটে "ট্রেড লাইসেন্স" লিখে খুঁজুন, বা জোন অফিসে গিয়ে জিজ্ঞেস করুন।

পৌরসভা এলাকায় আবেদন করবেন পৌরসভা অফিসের লাইসেন্স শাখায়। ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় করবেন ইউনিয়ন পরিষদ থেকে, আর অনেক ইউনিয়নে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে গিয়েও আবেদনের খোঁজ নিতে পারেন। পৌরসভা আর ইউনিয়নে এখনো অনেক জায়গায় অফিসে গিয়ে ফর্ম জমা দিতে হয়, তাই যাওয়ার আগে ফোন করে কাগজের লিস্ট জেনে নিন।

আরেকটা কথা আগেই জেনে রাখুন। জাতীয় তথ্য বাতায়নে লেখা, ট্রেড লাইসেন্স শুধু লাইসেন্সধারীর নামেই থাকে, এটা পরে অন্য কারও নামে দেওয়া যায় না। তাই যিনি আসলে ব্যবসা চালান, লাইসেন্স তাঁর নামেই করুন। ভাইয়ের নামে লাইসেন্স করে নিজে ব্যবসা চালালে পরে bKash বা ব্যাংকের কাগজে নাম মেলাতে গিয়ে ঝামেলায় পড়বেন।

ট্রেড লাইসেন্স করতে কি কি লাগে?

বেশিরভাগ ফেসবুক সেলারের ব্যবসা একজন মালিকের। এমন ব্যবসার জন্য ঢাকা উত্তর সিটির লিস্ট আর আয়কর আইন মিলিয়ে নিচের কাগজগুলো হাতে রাখুন।

  • আপনার ছবি আর জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি
  • বাসার দলিল বা পর্চা, ভাড়া বাসা হলে ভাড়ার চুক্তিপত্র
  • বাড়ির সবশেষ হোল্ডিং ট্যাক্সের রিসিট
  • অনাপত্তি সনদ (বাড়ির মালিক বা আশেপাশের মানুষের কাছ থেকে, অফিস যেটা চায়)
  • মূলধনের প্রমাণ হিসেবে কোনো কাগজ
  • নাম আর TIN লেখা আয়করের সার্টিফিকেট (সিটি কর্পোরেশন আর পৌরসভায়)

TIN-এর ব্যাপারটা অনেকের কাছে নতুন। আয়কর আইন ২০২৩-এর ২৬৪ ধারায় লেখা আছে, সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা এলাকায় নতুন ট্রেড লাইসেন্স নিতে নাম আর TIN লেখা, সিস্টেম থেকে বের হওয়া একটা সার্টিফিকেট দিতে হবে। TIN না থাকলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের e-TIN ওয়েবসাইটে NID দিয়ে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করে নিন। পরের বছর নবায়নের সময় এই TIN দিয়েই রিটার্ন জমা দিতে হবে, সেটা নিচে বলছি।

মূলধনের প্রমাণ নিয়ে অনেকে ঘাবড়ে যান। ছোট ব্যবসার বেলায় অফিস কোন কাগজ নেয়, সেটা জায়গা ভেদে আলাদা হতে পারে, তাই লাইসেন্স সুপারভাইজারকে যে ফোনটা করবেন, তাতেই এটা জিজ্ঞেস করে নিন। নিজে থেকে বড় অঙ্ক দেখাতে যাবেন না, কারণ কিছু ধরনের ব্যবসায় মূলধন দেখেও ফি ঠিক হয়।

অফিসে গিয়ে হাতে কাগজ জমা দিলে কপিগুলো সত্যায়িত করে নিতে হয়। SME ফাউন্ডেশনের পেজ অনুযায়ী এটা করাতে পারেন ওয়ার্ড কাউন্সিলর বা প্রথম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তাকে দিয়ে।

ব্যবসার নামটা আবেদনের আগেই ঠিক করে ফেলুন, আর চেষ্টা করুন নামটা আপনার ফেসবুক পেজের নামের সাথে মিলিয়ে রাখতে। এই নামটাই পরে bKash মার্চেন্ট, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট আর DBID-তে যাবে। পেজের নাম "রাফি ফ্যাশন" আর লাইসেন্সে "মেসার্স রহমান ট্রেডার্স" হলে bKash বা ব্যাংকে কাগজ দেওয়ার সময় প্রশ্ন উঠবে, আর অ্যাকাউন্ট খুলতে দেরি হবে।

ট্রেড লাইসেন্স অনলাইনে আবেদন করবেন কীভাবে?

ঢাকা উত্তর সিটির ওয়েবসাইটে আবেদনের পদ্ধতি পরিষ্কার করে লেখা আছে, তাই এটাকেই উদাহরণ ধরছি। অন্য সিটিতে স্ক্রিন আলাদা হতে পারে, কিন্তু কাজের ক্রম প্রায় একই।

  1. erevenue.dncc.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে নতুন ইউজার অ্যাকাউন্ট খুলুন। যে মোবাইল নম্বর বছরের পর বছর রাখবেন, সেটাই দিন, কারণ পেমেন্টের মেসেজ ওই নম্বরেই আসবে।
  2. ফর্মে ব্যবসার নাম, ধরন আর ঠিকানা দিন। ব্যবসার ধরন সাবধানে সিলেক্ট করুন, কারণ লাইসেন্স ফি এই ধরন দেখেই ঠিক হয়।
  3. ছবি, NID, দলিল বা ভাড়ার চুক্তি, হোল্ডিং ট্যাক্সের রিসিট আর বাকি কাগজ স্ক্যান করে ওদের দেওয়া ফরম্যাটে আপলোড করুন।
  4. লাইসেন্স ও বিজ্ঞাপন সুপারভাইজার কাগজ চেক করে অনুমোদনের জন্য ওপরের অফিসারের কাছে পাঠাবেন।
  5. অনুমোদন হলে ফি জমা দেওয়ার কথা জানিয়ে আপনার মোবাইলে SMS আর ইমেইলে মেইল আসবে।
  6. ফি জমা দিলে নিজের অ্যাকাউন্টে লগইন করে লাইসেন্স প্রিন্ট করতে পারবেন। সিটি কর্পোরেশনও ছাপা লাইসেন্স ডাকে বা কুরিয়ারে আপনার ঠিকানায় পাঠায়।

এখানে একটা ভালো খবর আছে। DNCC-র ওয়েবসাইটে লেখা, ঝুঁকিপূর্ণ বা জনসংবেদনশীল ব্যবসা ছাড়া বাকি সব ব্যবসার লাইসেন্স এখন অটো জেনারেট হয়, মানে আবেদন জমা দিয়ে পেমেন্ট করার সাথে সাথেই পাওয়া যায়। কাপড়, গ্যাজেট বা ঘরের জিনিসের মতো সাধারণ খুচরা ব্যবসা সাধারণত এই দলেই পড়ার কথা। খাবার, কসমেটিকস বা ওষুধ জাতীয় কিছু বিক্রি করলে আলাদা চেক বা অনুমতি লাগে কি না, জোন অফিসে জিজ্ঞেস করে নিন।

ঢাকা দক্ষিণ সিটির ওয়েবসাইটে পদ্ধতিটা একটু অন্যভাবে লেখা। সেখানে নির্দিষ্ট ফর্মে ৩ কপি ছবি, ভাড়ার চুক্তি, ভাড়ার রিসিট আর কর দেওয়ার রিসিট দিয়ে কর কর্মকর্তার কাছে আবেদন করতে হয়। এরপর লাইসেন্স সুপারভাইজার নিজে এসে জায়গাটা দেখে যান, আর সব ঠিক পেলে লাইসেন্স দেন।

ট্রেড লাইসেন্স করতে কত টাকা লাগে?

খরচটা কয়েকটা ভাগে আসে, তাই আলাদা করে বুঝে নিন। সবচেয়ে বড় অংশ লাইসেন্স ফি। DNCC-র ওয়েবসাইটে লেখা, এই ফি ঠিক হয় "সিটি কর্পোরেশন আদর্শ কর তফসিল, ২০১৬" অনুযায়ী, ব্যবসার ধরন ধরে। SME ফাউন্ডেশনের পেজে সিটি কর্পোরেশনের জন্য এই ফি ১০০ থেকে ৬০,০০০ টাকা লেখা, আর ইউনিয়ন থেকে লাইসেন্সের পেজে ২০০ থেকে ২৬,০০০ টাকা। ফারাকটা এত বড় কারণ একটা বড় কারখানা আর বাসার একটা ছোট অনলাইন দোকান একই লিস্টে পড়ে।

এর সাথে কিছু ছোট খরচ আছে। SME ফাউন্ডেশনের হিসাবে সিটি কর্পোরেশনে আবেদন ফর্ম ১০ টাকা, আদর্শ কর তফসিল ৩০ টাকা, লাইসেন্স বই ৫০ টাকা, আর দরকার হলে ১৫০ থেকে ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প। সাইনবোর্ড থাকলে তার আকার অনুযায়ী সাইনবোর্ড ফি লাগে। বাসায় সাইনবোর্ড না থাকলে এই খরচ আসবে কি না, অফিসে জেনে নিন। NTV-র ২০২২ সালের একটা প্রতিবেদনে লাইসেন্স ফির ওপর ১৫% VAT-এর কথা লেখা আছে।

উৎসে আয়করের নিয়ম ২০২৬ সালে একটু বদলেছে, এটা খেয়াল করুন। bdlaws ওয়েবসাইটে আয়কর আইন ২০২৩-এর ১৩১ ধারার এখনকার লেখায় কর নেওয়ার কথা আছে শুধু লাইসেন্স নবায়নের সময়, এ-চালানের মাধ্যমে। অর্থ আইন ২০২৬ দিয়ে ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ধারার শিরোনাম থেকে "প্রদান" কথাটাও বাদ দেওয়া হয়েছে। হারটা হলো ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ আর চট্টগ্রাম সিটিতে ৩,০০০ টাকা, অন্য সিটিতে ২,০০০ টাকা, জেলা সদরের পৌরসভায় ১,০০০ টাকা আর অন্য পৌরসভায় ৫০০ টাকা। ইউনিয়ন পরিষদের কথা এই লিস্টে নেই।

এবার একটা উদাহরণে প্রথম বছর আর পরের বছরের খরচ পাশাপাশি দেখি। নিচের লাইসেন্স ফিটা একটা ধরা অঙ্ক, ঢাকা উত্তর সিটির আসল কোনো ধরনের ফি না। আপনার ব্যবসার ধরনের আসল ফি বসিয়ে নিজের হিসাবটা করে নিন।

খাত (ঢাকা উত্তর সিটি, উদাহরণ) প্রথম বছর পরের বছর নবায়ন
লাইসেন্স ফি (ধরা হলো) ২,০০০ টাকা ২,০০০ টাকা
লাইসেন্স ফির ওপর ১৫% VAT ৩০০ টাকা ৩০০ টাকা
ফর্ম, আদর্শ কর তফসিল আর লাইসেন্স বই ৯০ টাকা লাগার কথা না
নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প (লাগলে) ৩০০ টাকা পর্যন্ত লাগার কথা না
উৎসে আয়কর ০ টাকা ৩,০০০ টাকা
মোট (সাইনবোর্ড ফি ছাড়া) প্রায় ২,৬৯০ টাকা প্রায় ৫,৩০০ টাকা

টেবিলের শেষ লাইনটাই আসল কথা। ঢাকায় প্রথম বছরের চেয়ে নবায়নে খরচ প্রায় দ্বিগুণ হয়, কারণ ৩,০০০ টাকা আয়কর তখন যোগ হয়। বছরের বাজেটে এই টাকাটা আগে থেকে আলাদা করে রাখুন। জাতীয় তথ্য বাতায়নেও লেখা আছে, নবায়ন ফি নতুন লাইসেন্সের ফির সমান। কেউ "পুরোটা করে দেব" বলে বাড়তি টাকা চাইলে আগে দেখে নিন সরকারি অংশ কত, আর প্রতিটা পেমেন্টের রিসিট রেখে দিন।

কত দিনে পাবেন, আর প্রতি বছর নবায়নে কী লাগে?

সময়টা নির্ভর করে আপনি কোথায় আবেদন করছেন তার ওপর। ঢাকা উত্তর সিটিতে সাধারণ ব্যবসার অটো জেনারেটেড লাইসেন্স পেমেন্টের সাথে সাথেই পাওয়া যায়, আর বাকিগুলোর জন্য ওদের ওয়েবসাইটে ৩ কর্মদিবস লেখা। ঢাকা দক্ষিণ সিটির ওয়েবসাইটে লেখা ৩ দিন, আর স্বাস্থ্য বিভাগের মতো অন্য বিভাগের তদন্ত লাগলে ৭ দিন। SME ফাউন্ডেশন বলছে, সব কাগজ ঠিকমতো দিলে সাধারণত ৩ থেকে ৫ কর্মদিবসে লাইসেন্স পাওয়া যায়। তবে দলিল, ভাড়ার চুক্তি আর সত্যায়ন জোগাড় করতে আগেই কিছু দিন চলে যায়, তাই ওরা প্রস্তুতির জন্য ৩০ দিন হাতে রাখতে বলেছে।

লাইসেন্স নবায়ন করতে হয় প্রতি বছর। ঢাকা দক্ষিণ সিটির ওয়েবসাইটেও নবায়নকে বছরভিত্তিক বলা হয়েছে। লাইসেন্সে মেয়াদের শেষ তারিখ লেখা থাকে, সেটার এক মাস আগে ফোনের ক্যালেন্ডারে একটা রিমাইন্ডার দিয়ে রাখুন। দেরি করলে সারচার্জ যোগ হয়, আর সেটা কত হবে তা অফিস আর কত দেরি হলো তার ওপর নির্ভর করে।

ঢাকা উত্তর সিটিতে নবায়ন হয় erevenue.dncc.gov.bd-এ আপনার আগের ইউজার অ্যাকাউন্ট থেকেই, আর ওদের ওয়েবসাইটে এর সময় লেখা ২ কর্মদিবস। আগে হাতে লেখা লাইসেন্স থাকলে প্রথমবার সেটা আপলোড করে নিতে হয়। এরপর কাগজ চেক, অনুমোদন, ফির SMS, পেমেন্ট আর প্রিন্ট, ঠিক নতুন আবেদনের মতোই চলে।

রিটার্ন জমা দিতে আপনার ব্যবসার আয়-খরচের একটা হিসাব লাগবে। সারা বছর কোনো হিসাব না রাখলে রিটার্নের সময় আন্দাজে সংখ্যা বসাতে হয়, আর সেটা পরে ঝামেলা বাড়ায়। প্রতিদিন কোন সংখ্যাগুলো লিখে রাখলে বছর শেষে হিসাব তৈরি থাকে, সেটা আছে অনলাইন ব্যবসার হিসাব রাখার লেখায়।

ট্রেড লাইসেন্স হওয়ার পর কী কী করবেন?

লাইসেন্স হাতে পাওয়ার পর পরের কাজগুলো সহজ হয়ে যায়। কোনটা কেন করবেন, এক এক করে বলছি।

DBID হলো বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাল বিজনেস আইডেন্টিটি, অনলাইন ব্যবসার আলাদা একটা পরিচয় নম্বর। Prothom Alo-র ২০২২ সালের প্রতিবেদনে লেখা, ফেসবুকে যাঁরা ব্যবসা করেন এটা তাঁদের জন্যও, dbid.gov.bd ওয়েবসাইটে ফ্রিতে রেজিস্ট্রেশন করা যায়, আর RJSC চেক করে সার্টিফিকেট দেয়। dbid.gov.bd-র নিজের FAQ অনুযায়ী এতে সর্বোচ্চ ৬০ কার্যদিবস লাগে। The Daily Star-এর জুলাই ২০২২-এর খবর অনুযায়ী অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা সোশ্যাল মিডিয়া পেজ থাকলে ট্রেড লাইসেন্স ছাড়াও NID দিয়ে DBID নেওয়া যায়, আর নম্বরটা পেজ বা ওয়েবসাইটে দেখাতে হয়। ট্রেড লাইসেন্স থাকলে একই ব্যবসার নাম দিয়ে DBID করে নিন, তাহলে দুই কাগজে নাম মিলে যায়। আবেদনের পুরো ধাপ, কোন কাগজ লাগে আর পেজে কী পোস্ট করতে হয়, সেটা আছে ডিবিআইডি নিবন্ধনের লেখায়।

bKash-এ কাস্টমারের অগ্রিম নিতে মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট সবচেয়ে কাজের, আর bKash-এর ওয়েবসাইট অনুযায়ী এর ফর্মে ট্রেড লাইসেন্সের নম্বর আর মেয়াদ চাওয়া হয়। লাইসেন্স হওয়ার আগ পর্যন্ত ছোট সেলারদের জন্য bKash-এর পার্সোনাল রিটেইল অ্যাকাউন্ট (PRA) আছে, যেটা খুলতে লাইসেন্স লাগে না। দুটোর কাগজ, লিমিট আর চার্জের পার্থক্য আলাদা করে লেখা আছে bKash মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট খোলার লেখায়। লাইসেন্স হাতে এলে মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টের আবেদন করুন, আর লাইসেন্সে যে নাম আছে, bKash-এর ফর্মেও হুবহু সেই নাম দিন।

ব্যাংকে ব্যবসার নামে কারেন্ট অ্যাকাউন্টও এখন খুলতে পারবেন। কুরিয়ারের টাকা ওই অ্যাকাউন্টে নিলে ব্যবসা আর সংসারের টাকা আলাদা থাকে, আর রিটার্নের সময় ব্যাংক স্টেটমেন্টটাই আপনার আয়ের সবচেয়ে পরিষ্কার প্রমাণ হয়। কুরিয়ারের প্যানেলেও ব্যবসার নামটা লাইসেন্সের নামের সাথে মিলিয়ে নিন। পেমেন্ট নেওয়ার ব্যাংক অ্যাকাউন্টের নাম আর প্যানেলের নাম এক থাকলে পরে হিসাব মেলাতে সুবিধা হয়।

একজন পুরুষ সেলার ব্যাংকের কাউন্টারে দাঁড়িয়ে ট্রেড লাইসেন্স আর জাতীয় পরিচয়পত্র এগিয়ে দিচ্ছেন, সামনে ব্যাংকের একজন পুরুষ কর্মকর্তা ফর্ম দেখছেন
লাইসেন্স হাতে পেলে ব্যবসার নামে ব্যাংক আর bKash মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টের দরজা খোলে

ট্রেড লাইসেন্স কখন করবেন? একটা সহজ নিয়ম

আইনের চোখে লাইসেন্স যত তাড়াতাড়ি করবেন তত ভালো। তবে প্রথম সপ্তাহে আপনি যদি শুধু একটা প্রোডাক্ট টেস্ট করছেন, আর জানেন না ব্যবসাটা চালাবেন কি না, তাহলে আগে দেখে নিন কাস্টমার আসলে কিনছেন কি না। যে ব্যবসা দুই সপ্তাহ পরে বন্ধ হয়ে যাবে, তার জন্য লাইসেন্স আর প্রতি বছরের নবায়নের খরচ টানার মানে নেই।

নিয়মটা এরকম। ব্যবসাটা চালিয়ে যাবেন বলে ঠিক করেছেন আর বিক্রি নিয়মিত হচ্ছে, তাহলে এই সপ্তাহেই আবেদন শুরু করুন। কাস্টমারের কাছ থেকে bKash-এ নিয়মিত অগ্রিম নিচ্ছেন বা নিতে চান, তাহলেও দেরি করবেন না, কারণ মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট লাইসেন্স ছাড়া হয় না। আর কোনো পাইকার লাইসেন্সের কপি চাইলে বা ব্যবসার নামে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট লাগলে তো অপেক্ষার কোনো কারণই নেই, তখন লাইসেন্স না থাকাটাই আপনাকে পিছিয়ে রাখবে।

এই লেখাটা মূলত একজন মালিকের ছোট ব্যবসার জন্য। অংশীদারি ব্যবসা বা লিমিটেড কোম্পানি করলে কাগজ আরও লাগে, যেমন কোম্পানির ক্ষেত্রে মেমোরেন্ডাম অব আর্টিকেলস আর ইনকর্পোরেশন সার্টিফিকেট। সেই অবস্থায় একজন অভিজ্ঞ আইনজীবী বা হিসাবরক্ষকের সাথে কথা বলে নেওয়াই ভালো।

লাইসেন্স আর DBID হয়ে গেলে পরের ধাপ হলো ব্যবসার নামে নিজের একটা ঠিকানা, মানে নিজের ডোমেইনে একটা অনলাইন স্টোর। WinningSeller-এ নিজের ডোমেইনে স্টোর বানিয়ে bKash বা SSLCommerz-এ অগ্রিম বা শুধু ডেলিভারি চার্জ নেওয়া যায়, আর ৬টা কুরিয়ারে এক ক্লিকে পার্সেল যায়। কোন প্ল্যানে কত পড়ে, সেটা দামের পেজে আছে, আর আগে নিজে চালিয়ে দেখতে পারেন (প্রথম মাস মাত্র ৯৯ টাকা, তারপর রেগুলার দাম)।

সাধারণ প্রশ্ন

ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া কি অনলাইনে ব্যবসা করা যায়?

আইনের চোখে যায় না, অনলাইন ব্যবসার জন্যও স্থানীয় সরকারের ট্রেড লাইসেন্স লাগে। বাস্তবে ফেসবুক পেজ খুলতে বা Steadfast-এ সাইন আপ করতে লাইসেন্স চায় না, তাই অনেকে প্রথম কয়েক সপ্তাহ লাইসেন্স ছাড়াই বিক্রি করেন। কিন্তু bKash মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট আর ব্যবসার নামে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে গেলে লাইসেন্স লাগবেই, তাই বিক্রি নিয়মিত হলে দেরি করবেন না।

ফেসবুক পেজের ব্যবসার ট্রেড লাইসেন্স করতে কত টাকা লাগে?

লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন আর এলাকা ভেদে আলাদা। SME ফাউন্ডেশনের পেজে সিটি কর্পোরেশনে এই ফি ১০০ থেকে ৬০,০০০ টাকা লেখা, সাথে ফর্ম আর লাইসেন্স বইয়ের মতো কিছু ছোট খরচ আছে, আর NTV-র ২০২২ সালের একটা প্রতিবেদন অনুযায়ী ফির ওপর ১৫% VAT যোগ হয়। বাসা থেকে চলা ছোট খুচরা ব্যবসার ফি সাধারণত এই সীমার নিচের দিকেই পড়ে, তবে আপনার ধরনের আসল ফি জোন অফিস বা অনলাইন ফর্মে দেখে নিন।

ভাড়া বাসার ঠিকানায় ট্রেড লাইসেন্স করা যাবে?

যায়, তবে বাড়িওয়ালার সাথে ভাড়ার চুক্তিপত্র আর বাড়ির সবশেষ হোল্ডিং ট্যাক্সের রিসিটের কপি লাগবে। ঢাকা উত্তর সিটির কাগজের লিস্টে ভাড়াটিয়ার জন্য ঠিক এই দুটো চাওয়া আছে। বাড়িওয়ালার কাছ থেকে কাগজ পেতে সময় লাগে, তাই আগে তাঁর সাথে কথা বলে নিন।

ট্রেড লাইসেন্স করতে কি TIN লাগে?

সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা এলাকায় লাগে। আয়কর আইন ২০২৩-এর ২৬৪ ধারা অনুযায়ী নতুন লাইসেন্সে নাম আর TIN লেখা সার্টিফিকেট দিতে হয়, আর নবায়নের সময় আয়কর রিটার্ন জমার প্রমাণ দিতে হয়। TIN জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের e-TIN ওয়েবসাইট থেকে NID দিয়ে অনলাইনে নেওয়া যায়।

ট্রেড লাইসেন্স কত দিন পর পর নবায়ন করতে হয়?

প্রতি বছর। লাইসেন্সে মেয়াদের শেষ তারিখ লেখা থাকে, সেটার আগেই নবায়ন করে ফেলুন, দেরি হলে সারচার্জ যোগ হয়। নবায়ন ফি নতুন লাইসেন্সের ফির সমান, আর সিটি বা পৌরসভায় এর সাথে উৎসে আয়কর আর রিটার্ন জমার প্রমাণ লাগে।

DBID থাকলে কি ট্রেড লাইসেন্স লাগবে না?

দুটো আলাদা জিনিস। DBID হলো বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনলাইন ব্যবসার পরিচয় নম্বর, যেটা ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া NID আর ফেসবুক পেজ বা ওয়েবসাইট দিয়েও নেওয়া যায়। কিন্তু bKash মার্চেন্ট বা ব্যাংক ট্রেড লাইসেন্সের জায়গায় DBID নেয় না, তাই সময় হলে দুটোই করে রাখুন।

#ট্রেড লাইসেন্স#অনলাইন ব্যবসা#ফেসবুক ব্যবসা#DBID#bKash মার্চেন্ট#TIN

আরও পড়ুন

খেলনা ব্যবসার আইডিয়া, কোন খেলনা অনলাইনে চলে আর নিরাপত্তার নিয়ম

বাচ্চাদের খেলনা অনলাইনে বেচতে চাইলে কোন খেলনা চলে, চকবাজার থেকে প্রথম লট কীভাবে নেবেন, ২০২৬ সালে BSTI-র তালিকায় খেলনা আসার মানে কী, ব্যাটারির খেলনা চালিয়ে দেখা, মাপ বোঝানো ছবি আর না ভাঙার প্যাকিং, একটা লটের টাকার হিসাবসহ।

·১২ মিনিটে পড়া যায়

থ্রিফট শপিং কি? পুরনো বিদেশি জ্যাকেট-শার্টের থ্রিফট ব্যবসার নিয়ম

থ্রিফট শপিং কি, মাল কোথা থেকে আসে আর পুরনো কাপড় আমদানির নিয়ম কী বলে, গাইট খুলে বাছাই, ধোয়া আর ছবি, কন্ডিশন সত্যি করে লেখা, আর একটা গাইট থেকে এক পিসের দাম কীভাবে বের করবেন, হিসাবসহ।

·১২ মিনিটে পড়া যায়

অনলাইনে শাড়ির ব্যবসা, তাঁতের শাড়ি থেকে প্রথম লট, ছবি আর ফেরত

অনলাইনে শাড়ির ব্যবসা শুরু করবেন? কোন শাড়ি চলে, টাঙ্গাইলের হাট আর পাইকার, BSTI-র ২০২৬ সালের নতুন শাড়ির নিয়ম, মডেল ছাড়া শাড়ির ছবি, মাপ আর যত্নের কথা লেখা, আর একটা লটে কত থাকে, হিসাবসহ।

·১২ মিনিটে পড়া যায়