WinningSeller
মার্কেটিং ও ল্যান্ডিং পেজ১৪ মিনিটে পড়া যায়

অফার পোস্টার ডিজাইন, মোবাইলে Canva দিয়ে সেলের পোস্টার বানানোর নিয়ম

ঈদ, ১১.১১ বা কম্বো অফারের পোস্টার ডিজাইনার ছাড়াই মোবাইলে বানান। পোস্টারে কোন ৫টা জিনিস থাকবে, ফিড আর স্টোরির সাইজ, Canva-তে বাংলা ফন্টসহ ধাপগুলো, আর অফারের কোন কথা লিখলে বিপদ।

অফার পোস্টার ডিজাইন, মোবাইলে Canva দিয়ে সেলের পোস্টার বানানোর নিয়ম
এই লেখায় যা আছে
  1. অফার পোস্টার ডিজাইন করার আগে কী ঠিক করবেন?
  2. একটা অফার পোস্টারে কোন ৫টা জিনিস থাকতেই হবে?
    1. ১. প্রোডাক্ট, বড় করে আর আসল ছবিতে
    2. ২. অফার, এক লাইনে, সবচেয়ে বড় লেখায়
    3. ৩. শেষ তারিখ
    4. ৪. দাম আর ডেলিভারি চার্জ
    5. ৫. অর্ডার করার উপায়
  3. ফেসবুকে অফার পোস্টারের সাইজ কত হবে?
  4. ধাপ ১: Canva-তে সাইজ আর টেমপ্লেট
  5. ধাপ ২: প্রোডাক্টের ছবি বসানো
  6. ধাপ ৩: বাংলা লেখা, ফন্ট আর রং
  7. ধাপ ৪: ডাউনলোড আর পোস্ট
  8. পরের অফারের পোস্টার ১০ মিনিটে বানাবেন কীভাবে?
  9. অফারের কোন কথা লিখলে বিপদ?
  10. কোন ভুলে সুন্দর পোস্টারেও অর্ডার আসে না?
    1. পোস্টার এক কথা বলে, অর্ডারের পেজ আরেক কথা
    2. ঝাপসা বা কাটা পোস্টার
    3. সপ্তাহের পর সপ্তাহ একই পোস্টার

অফার পোস্টার ডিজাইন করতে আলাদা ডিজাইনার লাগে না। মোবাইলে Canva-র ফ্রি অ্যাপ দিয়েই আধা ঘণ্টায় একটা পরিষ্কার সেলের পোস্টার বানাতে পারবেন। কাজটা হয় তিন ধাপে। প্রথমে ঠিক করবেন পোস্টারে কী কী লিখবেন। প্রোডাক্টের নাম, এক লাইনের অফার, অফার কবে শেষ, দাম আর ডেলিভারি চার্জ, আর অর্ডার করার উপায়, এই পাঁচটা জিনিস। তারপর Canva-তে ১৪৪০ x ১৮০০ পিক্সেলের একটা ডিজাইন খুলে প্রোডাক্টের ছবি আর বাংলা লেখা বসাবেন। শেষে PNG ফাইল ডাউনলোড করে পেজে পোস্ট দেবেন।

তবে সুন্দর পোস্টার আর অর্ডার আনা পোস্টার এক জিনিস না। তাই নিচে প্রতিটা ধাপের সাথে কেন করবেন, সেটাও বলছি। প্রোডাক্টের ছবি তোলা আর এডিট করার নিয়ম মোবাইল দিয়ে প্রোডাক্ট ফটোগ্রাফির লেখায় আলাদা করে আছে। এখানে ধরে নিচ্ছি ছবিটা আপনার ফোনে তোলা আছে।

অফার পোস্টার ডিজাইন করার আগে কী ঠিক করবেন?

Canva খোলার আগে ফোনের নোটে তিনটা প্রশ্নের উত্তর লিখে ফেলুন। অফারটা ঠিক কী, সেটা কত দিন চলবে, আর পোস্টারটা কোথায় দেবেন। এগুলো ঠিক না করে ডিজাইনে বসলে টেমপ্লেট ঘাঁটতেই এক ঘণ্টা চলে যায়। শেষে দেখা যায় পোস্টার রঙিন হয়েছে, কিন্তু অফারটাই বোঝা যাচ্ছে না।

প্রথমে দেখুন অফারটা এক লাইনে বলতে পারছেন কি না। "২ কেজি মধু নিলে ডেলিভারি ফ্রি" হলো এক লাইনের অফার। "কিছু প্রোডাক্টে ছাড়, কিছুতে গিফট, শর্ত প্রযোজ্য" পড়ে কাস্টমার ধাঁধায় পড়ে যান। যে অফার আপনি নিজেই এক লাইনে বলতে পারছেন না, কাস্টমার ফিডে দুই সেকেন্ডে সেটা বুঝবেন না।

ছাড় দিলে আদৌ লাভ থাকবে কি না, নাকি দাম না কমিয়ে অন্য কিছু দেবেন, সেই হিসাব প্রোডাক্টের দাম নির্ধারণের লেখায় টাকায় কষে দেখানো আছে। পোস্টার বানানোর আগে একবার মিলিয়ে নিন। কারণ পোস্টারে অফার লিখে দেওয়ার পর লোকসান দেখে সেটা ফিরিয়ে নিলে কাস্টমার রাগ করেন, পেজের ওপর ভরসাও কমে যায়।

এরপর ঠিক করুন অফার কবে শেষ হবে। "সীমিত সময়ের অফার" দেখে কারও তাড়া লাগে না, কারণ এটা সবাই লেখে। "অফার চলবে ১৫ নভেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত" পড়লে মানুষ বোঝেন আজ না নিলে মিস হবে। তারিখটা সত্যি রাখবেন। তারিখ পার হওয়ার পরেও একই অফার চালালে পরের বার আপনার শেষ তারিখ আর কেউ বিশ্বাস করবেন না।

শেষ প্রশ্নটা হলো, পোস্টারটা পেজের পোস্টে যাবে, স্টোরিতে যাবে, নাকি পেইড অ্যাডে? তিন জায়গায় মাপ আর লেখার পরিমাণ আলাদা। শুরুতেই জানা থাকলে একবার বসে সবগুলো বানিয়ে ফেলতে পারবেন।

একটা অফার পোস্টারে কোন ৫টা জিনিস থাকতেই হবে?

পোস্টার দেখে কাস্টমারের মাথায় পাঁচটা প্রশ্ন আসে। জিনিসটা কী, এখন নিলে লাভ কী, অফার কত দিন থাকবে, কত টাকা পড়বে, আর কীভাবে অর্ডার করবেন। এর একটার উত্তর না পেলেই তিনি কমেন্টে "প্রাইস?" লিখে চলে যান, নয়তো কিছু না লিখেই স্ক্রল করে যান। তাই প্রতিটা অফার পোস্টারে এই পাঁচটা জিনিস রাখবেন।

১. প্রোডাক্ট, বড় করে আর আসল ছবিতে

পোস্টারের প্রায় অর্ধেক জায়গা প্রোডাক্টের ছবিকে দিন। ফোনের ফিডে পুরো পোস্টারটা হাতের তালুর চেয়েও ছোট দেখায়। এক কোণায় ছোট করে বসানো প্রোডাক্ট তাই কারও চোখেই পড়ে না। প্রোডাক্টের নামটাও লিখুন, যেমন "সুন্দরবনের খাঁটি মধু, ১ কেজি"। শুধু ছবি দেখে অনেক সময় বোঝা যায় না বোতলে কী আছে বা কতটুকু আছে।

২. অফার, এক লাইনে, সবচেয়ে বড় লেখায়

পোস্টারের সবচেয়ে বড় লেখা হবে অফারের লাইনটা, দোকানের নাম না। কাস্টমার দোকানের নাম দেখে থামেন না। থামেন "ডেলিভারি ফ্রি" বা "২টা নিলে ১টা ফ্রি" দেখে। দোকানের নাম আর লোগো এক কোণায় ছোট করে রাখলেই যথেষ্ট।

৩. শেষ তারিখ

তারিখ আর সময় দুটোই লিখুন, যেমন "১৫ নভেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত"। শুধু "আজই শেষ" লিখলে ঝামেলা হয়। দুই দিন পরে যিনি পোস্টটা দেখবেন, তিনি বুঝবেন না অফার এখনো আছে কি না। তখন ইনবক্সে একই প্রশ্ন বারবার আসতে থাকবে।

৪. দাম আর ডেলিভারি চার্জ

অফারের পরের দামটা পরিষ্কার লিখুন, ডেলিভারি চার্জ আলাদা কি না সেটাও লিখুন। "৯৫০ টাকা, ঢাকায় ডেলিভারি ৭০, ঢাকার বাইরে ১৩০" এক লাইনেই লেখা যায়। "দাম জানতে ইনবক্স করুন" লিখে দাম লুকাবেন না। অনেকেই দাম না দেখে মেসেজ দিতে চান না, পরের পোস্টে চলে যান। আর দাম জেনে যিনি মেসেজ দেন, তাঁর সাথে কথা তাড়াতাড়ি অর্ডারে গিয়ে দাঁড়ায়।

৫. অর্ডার করার উপায়

একটাই উপায় বলুন। হয় "অর্ডার করতে পেজে মেসেজ দিন", নয়তো "নিচের লিংকে অর্ডার করুন", নয়তো একটা ফোন নম্বর। তিনটা একসাথে দিলে পোস্টারের জায়গা খরচ হয়, কিন্তু কাস্টমার আরও দ্বিধায় পড়েন। ওয়েবসাইটের লিংক পোস্টারের ছবিতে লিখেও লাভ নেই, কারণ ছবির ভেতরের লেখায় কেউ চাপ দিতে পারেন না। লিংকটা দেবেন পোস্টের লেখায়।

এবার একটা উদাহরণ দেখি। ধরুন আপনি মধু বিক্রি করেন, ঈদের আগে একটা অফার দিতে চান। এখানের দাম আর চার্জগুলো বানানো, আপনি নিজেরটা বসাবেন। ওপর থেকে নিচে পোস্টারের লেখা এমন হতে পারে।

  • ওপরের কোণায় ছোট করে দোকানের লোগো।
  • সবচেয়ে বড় লেখায় "২ কেজি নিলে ডেলিভারি ফ্রি"।
  • তার নিচে মাঝারি লেখায় "সুন্দরবনের খাঁটি মধু, ১ কেজি ৯৫০ টাকা"।
  • মাঝখানে বড় করে দুটো বোতলের ছবি, পাশাপাশি।
  • ছবির নিচে "অফার চলবে ১৫ নভেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত"।
  • একদম নিচে "অর্ডার করতে পেজে মেসেজ দিন"।

লোগো বাদ দিলে পুরো পোস্টারে লেখা মাত্র চার লাইন। মধু কোথা থেকে আসে, ১ কেজি নিলে ডেলিভারি চার্জ কত, ফেরতের নিয়ম কী, এসব কথা পোস্টারে না দিয়ে পোস্টের লেখায় দিন। পোস্টারের কাজ শুধু মানুষকে থামানো আর অফারটা বুঝিয়ে দেওয়া।

ফেসবুকে অফার পোস্টারের সাইজ কত হবে?

ফেসবুকে ছবি কোন মাপে দিলে পুরোটা দেখায়, সেটা Meta নিজেই তাদের অ্যাড গাইডে লিখে রেখেছে। অক্টোবর ২০২৬-এ সেখানে Facebook Feed-এর ছবির অ্যাডের জন্য ৪:৫ মাপ, মানে ১৪৪০ x ১৮০০ পিক্সেল রেকমেন্ড করা আছে। Stories-এর জন্য ৯:১৬ মাপ, মানে ১৪৪০ x ২৫৬০ পিক্সেল। পেজের সাধারণ পোস্টেও ৪:৫ মাপের লম্বা ছবি ফোনের ফিডে বেশি জায়গা নেয়। তাই ফিডের পোস্ট আর অ্যাড, দুটোর জন্য একই মাপে বানালেই চলে।

কোথায় দেবেন মাপ পিক্সেলে লেখা কতটা
পেজের পোস্ট ৪:৫ ১৪৪০ x ১৮০০ পাঁচ জিনিসের পুরোটা
ফিডের অ্যাড ৪:৫ ১৪৪০ x ১৮০০ অফার আর দাম, বাকিটা অ্যাডের লেখায়
স্টোরি ৯:১৬ ১৪৪০ x ২৫৬০ মাঝের অংশে, ওপর-নিচ ফাঁকা রেখে

স্টোরির বেলায় একটা জিনিস না জানলে লেখা ঢাকা পড়ে যায়। Meta-র অ্যাড গাইডে বলা আছে, স্টোরির ছবির ওপরের প্রায় ১৪%, নিচের ৩৫% আর দুই পাশের ৬% জায়গায় লেখা বা লোগো রাখবেন না। কারণ ওখানে ফেসবুকের নিজের বাটন আর পেজের নাম বসে। শতাংশগুলো Meta-র, পিক্সেলের হিসাবটা আমরা করে দিচ্ছি। ১৪৪০ x ২৫৬০ মাপে ওপরে মোটামুটি ৩৬০ পিক্সেল, নিচে ৯০০ পিক্সেল আর দুই পাশে ৯০ পিক্সেল করে ফাঁকা রাখুন। অফারের লাইন আর দাম থাকবে মাঝখানে।

অ্যাডের পোস্টারে লেখা কম রাখার কারণও আছে। Meta আগে ছবিতে কতটা লেখা থাকবে তার একটা সীমা বেঁধে দিত। এখন সেই সীমা নেই, তবে Meta এখনো পরামর্শ দেয় ছবিতে লেখা অল্প রাখতে আর বেশিরভাগ কথা অ্যাডের লেখায় দিতে। অ্যাডে যাঁরা আপনাকে দেখেন, তাঁরা আপনাকে চেনেন না। তাই প্রথম দেখায় ছবিটা পরিষ্কার হওয়াই বেশি জরুরি।

ধাপ ১: Canva-তে সাইজ আর টেমপ্লেট

Play Store বা App Store থেকে Canva অ্যাপটা নামিয়ে Google বা ইমেইল দিয়ে সাইন আপ করুন। অফার পোস্টারের সব কাজ ফ্রি অ্যাকাউন্টেই হয়ে যায়। Canva-র ফ্রি ছবি, আইকন, ফন্ট আর টেমপ্লেট কোনো টাকা ছাড়াই কাজে লাগাতে পারবেন। কিছু জিনিস অবশ্য Pro, সেগুলোর থাম্বনেইলের কোণায় একটা ছোট মুকুট চিহ্ন থাকে। ফ্রি অ্যাকাউন্টে Pro জিনিস বসালে ডাউনলোডের সময় হয় টাকা দিয়ে ওই জিনিসের লাইসেন্স কিনতে হবে, নয়তো ওয়াটারমার্কসহ নামাতে হবে। তাই শুরু থেকেই মুকুট ছাড়া জিনিস বেছে নিন।

এবার নিজের মাপে নতুন ডিজাইন খুলুন। হোমপেজে Custom size অপশনে গিয়ে মাপের একক px রাখুন, চওড়া ১৪৪০ আর লম্বা ১৮০০ লিখে ডিজাইন খুলুন। Canva মাঝে মাঝে অ্যাপের মেনু এদিক-ওদিক করে। অপশনটা ঠিক ওই জায়গায় না পেলে হোমের + বাটনে চাপুন, বা সার্চে "custom" লিখে খুঁজুন। নিজে মাপ দেওয়ার কারণ সোজা। পোস্টারটা যাবে ফেসবুকে, তাই মাপটাও ফেসবুকের রেকমেন্ড করা মাপ হলে ভালো।

ডিজাইন খোলার পর টেমপ্লেটের ঘরে "sale", "offer" বা "eid offer" লিখে খুঁজুন। টেমপ্লেট বাছবেন সাজানো দেখে, রং দেখে না। রং পরে এক মিনিটে চেঞ্জ করা যায়, কিন্তু সাজানো বদলাতে অনেক সময় লাগে। এমন টেমপ্লেট নিন যেখানে একটা বড় ছবির জায়গা আছে আর লেখার বক্স তিন-চারটার বেশি নেই। আট-দশটা লেখার বক্স থাকলে সবগুলো ভরাতে ইচ্ছা করে, তখন পোস্টারে কথা বেড়ে যায়।

আরেকটা কথা আগে জেনে রাখুন। Canva-র হেল্প পেজ বলছে, এক মাপের ডিজাইন আরেক মাপে বদলানোর Magic Resize শুধু পেইড প্ল্যানে আছে। তাই ফ্রি অ্যাকাউন্টে স্টোরির জন্য ১৪৪০ x ২৫৬০ মাপের আলাদা একটা ডিজাইন খুলবেন। ফিডের পোস্টার শেষ হলে তার লেখা আর ছবি কপি করে স্টোরির ডিজাইনে পেস্ট করুন, তারপর নতুন মাপে সাজিয়ে নিন।

ধাপ ২: প্রোডাক্টের ছবি বসানো

Canva-র Uploads অংশ থেকে ফোনের গ্যালারির ছবিটা আপলোড করুন। টেমপ্লেটের নমুনা ছবিটা ডিলিট করে তার জায়গায় নিজের ছবি টেনে বসান। টেমপ্লেটের ছবি যত সুন্দরই হোক, ওটা রাখবেন না। কাস্টমার পার্সেল খুলে পোস্টারের জিনিসটাই হাতে পেতে চান। পোস্টারের বোতল আর হাতের বোতল না মিললে তিনি পার্সেল ফেরত দেবেন, নয়তো পেজে খারাপ রিভিউ লিখবেন।

Canva-তে অনেক ফ্রি স্টক ছবি আছে। ফুল বা চাঁদ-তারার মতো ছবি পোস্টারের পেছনের সাজে দিতে পারেন। কিন্তু প্রোডাক্টের জায়গায় স্টক ছবি দেবেন না, কারণ যে বোতল আপনি পাঠাবেন না সেটা দেখিয়ে বিক্রি করা মানে কাস্টমারকে ভুল জিনিস দেখানো। Google বা অন্য পেজ থেকে নামানো ছবিও দেবেন না। ছবির মালিক Facebook-এ কপিরাইট রিপোর্ট করলে আপনার পোস্ট সরিয়ে দেওয়া হতে পারে।

ছবির পেছনে এলোমেলো ঘর বা টেবিল দেখা গেলে পোস্টার সস্তা লাগে। Canva-র Background Remover এক চাপে পেছনটা সরায়, কিন্তু এটা শুধু পেইড প্ল্যানে আছে। ফ্রি অ্যাকাউন্টে সহজ উপায় হলো শুরুতেই সাদামাটা ব্যাকগ্রাউন্ডে ছবি তোলা।

ছবি বড় বা ছোট করবেন কোণা ধরে টেনে, পাশ ধরে না। পাশ ধরে টানলে বোতল মোটা বা চিকন হয়ে যায়। চেপে যাওয়া প্রোডাক্ট দেখলে মানুষ ছবিটাকেই নকল ভাবেন। কম্বো অফার হলে সব জিনিস একসাথে রেখে একটা ছবি তুলুন, কারণ কাস্টমার তো একটা প্যাকেটই পাবেন।

মোবাইলে একটা ডিজাইন অ্যাপের নকশায় মধুর অফার পোস্টার, ওপরে বড় করে অফারের লাইন, মাঝখানে দুটো মধুর বোতল আর নিচে দাম ও শেষ তারিখ, পাশে পোস্টারের পাঁচটা অংশের ব্যাখ্যা
প্রোডাক্ট বড়, অফার এক লাইনে, নিচে দাম আর শেষ তারিখ। পুরো পোস্টারে লেখা চার লাইন

ধাপ ৩: বাংলা লেখা, ফন্ট আর রং

টেমপ্লেটের ইংরেজি লেখায় চাপ দিয়ে সেটা মুছুন, তারপর ফোনের বাংলা কিবোর্ডে নিজের লেখা টাইপ করুন। পুরনো কোনো ফাইল থেকে বাংলা লেখা কপি করে আনলে মাঝে মাঝে অক্ষর উল্টাপাল্টা দেখায়। মাত্র কয়েকটা লাইন, তাই নিজে টাইপ করে নেওয়াই ভালো।

বাংলা লেখার জায়গায় যদি ▯ বা ☒ এর মতো বাক্স দেখায়, ঘাবড়াবেন না। Canva-র হেল্প পেজ বলছে, এর মানে ফন্টটা আপনার ভাষা সাপোর্ট করে না। লেখাটা সিলেক্ট করে ফন্টের লিস্ট খুলুন। একটু নিচে নামলে Fonts in your language অংশ পাবেন, সেখান থেকে একটা ফন্ট বেছে নিন। Canva-র Language অপশনে বাংলা সিলেক্ট করে রাখলে বাংলা ফন্ট খুঁজতেও সুবিধা হয়।

বাক্স না দেখালেও একবার জুম করে প্রতিটা শব্দ পড়ুন। কিছু ফন্টে যুক্তাক্ষর ভেঙে যায়, কার-চিহ্নও ভুল জায়গায় বসে। "ক্ষ", "ন্ত", "স্ত" আর "ড্র" এর মতো অক্ষরগুলো আলাদা করে দেখুন। ভাঙা বানানের পোস্টার দেখলে মানুষ ভাবেন দোকানটা অযত্নে চলে, প্রোডাক্টও হয়তো তেমনই হবে।

ফন্ট রাখুন বড়জোর দুটো। অফারের লাইনের জন্য একটা মোটা, ভারী ফন্ট, আর বাকি সব লেখার জন্য একটা সাধারণ পরিষ্কার ফন্ট। তিন-চার রকম ফন্ট দিলে চোখ বুঝতে পারে না কোনটা আগে পড়বে। খুব চিকন বা নকশাদার ফন্টও নেবেন না। Canva-র হেল্প পেজে বলা আছে, Facebook আপলোড করা ছবি কমপ্রেস করে, তাতে ডিজাইন ঝাপসা দেখাতে পারে। এই ঝাপসা হওয়ায় সবার আগে পড়া কঠিন হয় চিকন ফন্টের লেখা।

লেখার সাইজেও একটা ক্রম রাখুন। অফারের লাইন সবচেয়ে বড়, দাম তার চেয়ে একটু ছোট, বাকিগুলো আরও ছোট। সব লেখা সমান বড় হলে কোনোটাই আলাদা করে চোখে পড়ে না। নিজের ফন্ট আপলোড করা যায় শুধু পেইড প্ল্যানে, আর Canva বলে দিয়েছে, যে ফন্টের লাইসেন্স আপনার আছে শুধু সেটাই আপলোড করবেন। ইন্টারনেটে "ফ্রি" লেখা সব বাংলা ফন্ট ব্যবসার কাজে ফ্রি না।

রং রাখুন দুই থেকে তিনটা। একটা ব্যাকগ্রাউন্ডের জন্য, একটা লেখার জন্য, আর একটা শুধু অফারের লাইন বা তার পেছনের ব্যাজের জন্য। লাল বা হলুদ ঠিকই চোখে পড়ে, কিন্তু পুরো পোস্টার লাল করে দিলে কোনো কিছুই আলাদা করে চোখে পড়ে না। হালকা ব্যাকগ্রাউন্ডে গাঢ় লেখা দিন, অথবা গাঢ় ব্যাকগ্রাউন্ডে সাদা লেখা। আর প্রতিটা অফারে পেজের একই রং রাখুন। তিন-চারটা অফারের পর মানুষ লেখা পড়ার আগেই ফিডে আপনার পোস্টার চিনে ফেলবেন।

ধাপ ৪: ডাউনলোড আর পোস্ট

ডিজাইন শেষ হলে Share থেকে Download চাপুন, ফাইলের ধরন রাখুন PNG। Canva-র হেল্প পেজে সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়ার জন্য PNG-ই রেকমেন্ড করা আছে, কারণ JPG ছবি ছোট করতে গিয়ে কিছু ডিটেইল ফেলে দেয়। ফ্রি অ্যাকাউন্টে ডাউনলোডের সাইজ আর কোয়ালিটি বাড়ানোর সেটিং পাবেন না, ওটা পেইড প্ল্যানে। তবে আপনি তো ১৪৪০ পিক্সেল মাপে বানিয়েছেন, তাই সাধারণ ডাউনলোডেই কাজ চলবে।

পোস্ট করার আগে একটা ছোট পরীক্ষা করুন। সবচেয়ে ভালো পরীক্ষা হলো কিছু না বলে ছবিটা কোনো বন্ধুকে WhatsApp-এ পাঠানো। তারপর জিজ্ঞেস করুন, "অফারটা কী বুঝলি?" সে ঠিকঠাক বলতে না পারলে পোস্টারে কিছু একটা চেঞ্জ করতে হবে।

পোস্টের লেখায় অফারটা আরেকবার লিখুন, শর্ত থাকলে পুরোটা লিখুন, আর অর্ডারের লিংক দিন। অফার যত দিন চলবে, পোস্টটা পেজে পিন করে রাখুন। অফার শেষ হলে আনপিন করে লেখার শুরুতে "এই অফার শেষ হয়েছে" লিখে দিন। নইলে এক মাস পরে কেউ পুরনো পোস্টার দেখে অর্ডার দিলে হয় লোকসানে সেই দাম রাখতে হবে, নয়তো কাস্টমারকে না বলতে হবে।

পাশাপাশি দুটো মোবাইল স্ক্রিনের নকশা, বাঁয়ে ৪:৫ মাপের ফিডের অফার পোস্টার, ডানে ৯:১৬ মাপের স্টোরি পোস্টার, স্টোরির ওপরের আর নিচের ফাঁকা রাখার জায়গা লাল দাগে দেখানো আর অফারের লেখা মাঝখানে
একই অফার, দুই মাপ। স্টোরিতে ওপর আর নিচের অংশে লেখা রাখবেন না, ওখানে ফেসবুকের বাটন বসে

পরের অফারের পোস্টার ১০ মিনিটে বানাবেন কীভাবে?

প্রথম পোস্টারটা বানাতে আধা ঘণ্টা বা তার বেশি লাগবে, এটা স্বাভাবিক। কিন্তু প্রতিটা অফারে নতুন করে শুরু করার দরকার নেই। Canva আপনার ডিজাইন নিজে থেকেই সেভ করে রাখে। প্রথম পোস্টারটার নাম দিন "অফার টেমপ্লেট ফিড", আর স্টোরিরটার নাম দিন "অফার টেমপ্লেট স্টোরি"। এই দুটো আর কখনো সরাসরি এডিট করবেন না।

পরের অফারে টেমপ্লেটটা খুলে আগে Make a copy দিয়ে একটা কপি বানান। তারপর কপিতে শুধু ছবি, অফারের লাইন, দাম আর তারিখ চেঞ্জ করুন। সাজানো, ফন্ট আর রং যেমন আছে তেমনই থাকবে। এতে সময় বাঁচে, আর মানুষও আপনার পোস্টার দেখেই চিনতে শুরু করেন।

কপি করা পোস্টারে সবচেয়ে বেশি যে ভুল হয়, সেটা হলো পুরনো তারিখ বা দাম রয়ে যাওয়া। তাই ডাউনলোডের আগে প্রতিটা লাইন জোরে পড়ুন। অ্যাড চালালে তৃতীয় একটা কপি রাখুন, যেখানে শুধু অফারের লাইন আর দাম থাকবে।

অফারের কোন কথা লিখলে বিপদ?

সবচেয়ে বড় বিপদ হলো বানানো "আগের দাম"। জিনিসটা কখনো ১,৫০০ টাকায় বিক্রি হয়নি, অথচ ছাড় বড় দেখাতে পোস্টারে ১,৫০০ কেটে ৯৫০ লেখা হলো। অনেকে এটাকে ছোটখাটো কৌশল ভাবেন। কিন্তু আইনের চোখে এটা মিথ্যা বিজ্ঞাপন হতে পারে।

দ্বিতীয় বিপদ লুকানো শর্ত। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা ২০২১-এর সারসংক্ষেপে বলা আছে, ডিসকাউন্ট বা ফ্রি ডেলিভারির মতো সুবিধা থাকলে সেটা পরিষ্কার লিখতে হবে। নিয়মের বাইরেও ক্ষতিটা আপনার পকেটের। একটা উদাহরণ দেখুন, সংখ্যাগুলো বানানো। আপনি পোস্টারে "২ কেজি নিলে" কথাটা লিখতে ভুলে গেলেন, শুধু "ডেলিভারি ফ্রি" লিখলেন। ঢাকার বাইরে থেকে ১ কেজির ৪০টা অর্ডার এলো। প্রতিটায় ১৩০ টাকা ডেলিভারি চার্জ ধরলে ৪০টায় ৫,২০০ টাকা। এখন হয় এই টাকা নিজের পকেট থেকে দেবেন, নয়তো ৪০ জনকে ফোন করে বলবেন "ভাই, আসলে শর্ত ছিল"। দ্বিতীয়টা করলে অনেক অর্ডার ক্যানসেল হবে, আর কয়েকজন কমেন্টে লিখবেন পেজটা ধোঁকা দেয়।

মিথ্যা তাড়া দেখানোও বিপদ ডেকে আনে। গুদামে ৫০টা থাকতে "মাত্র ৩টা বাকি" লিখলে কেউ না কেউ পরপর তিন দিন একই পোস্টার দেখবেন। তখন তিনি আপনার আর কোনো কথাই বিশ্বাস করবেন না। "রোগ সারায়" বা "৭ দিনে ১০ কেজি কমবে" জাতীয় দাবি, কিংবা অন্য ব্র্যান্ডের লোগো বসানো পোস্টারও একই রকম ঝুঁকির। এমন পোস্টারে Meta অ্যাড আটকে দিতে পারে, পেজেও সমস্যা আসতে পারে। পোস্টারে শুধু সেই কথা লিখুন, যেটা পার্সেল খুলে কাস্টমার নিজের চোখে মিলিয়ে নিতে পারবেন।

কোন ভুলে সুন্দর পোস্টারেও অর্ডার আসে না?

পোস্টার এক কথা বলে, অর্ডারের পেজ আরেক কথা

পোস্টারে লেখা ৯৫০ টাকা, অথচ লিংকে গিয়ে অর্ডারের পেজে দাম দেখাচ্ছে ১,০৫০ টাকা। পুরনো দাম পেজে রয়ে গেছে, আপনি খেয়াল করেননি। কাস্টমার তখন ভাবেন আপনি ফাঁদ পেতেছেন, আর অর্ডারটা ওখানেই থেমে যায়। অফার চালুর আগে নিজে একবার লিংকে চাপ দিয়ে দাম, অফার আর তারিখ মিলিয়ে নিন। অর্ডারের পেজে কী কী থাকলে কাস্টমার শেষ পর্যন্ত অর্ডার করেন, সেটা এক প্রোডাক্টের ল্যান্ডিং পেজ নিয়ে লেখায় বিস্তারিত আছে।

ঝাপসা বা কাটা পোস্টার

ভুল মাপে বানালে ফেসবুক ছবির কিছু অংশ কেটে দেখাতে পারে, আর কাটা পড়ে সাধারণত নিচের দাম আর তারিখ। আবার Canva-র হেল্প পেজ বলছে, ৫০০ x ৫০০ পিক্সেলের চেয়ে ছোট ডিজাইন ডাউনলোডের পর ঝাপসা দেখাতে পারে। ওপরের মাপ আর PNG মেনে চললে দুটোর কোনোটাই হয় না।

সপ্তাহের পর সপ্তাহ একই পোস্টার

একই ছবি বারবার দেখলে মানুষ সেটা আর খেয়াল করেন না, চোখ পিছলে চলে যায়। পেইড অ্যাডে এটা আরও তাড়াতাড়ি হয়। সাজানো আর রং একই রাখুন, যাতে পেজটা চেনা যায়। কিন্তু প্রতিটা নতুন অফারে নতুন ছবি দিন, আর অফারের লাইনটাও সত্যিই নতুন রাখুন।

পোস্টার মানুষকে থামায়, কিন্তু অর্ডার হয় কাস্টমার ক্লিক করে যেখানে যান সেখানে। WinningSeller-এ পোস্টারের অফারের সাথে মিলিয়ে একটা কুপন বানিয়ে রাখতে পারেন, আর কোডটা পোস্টারেই লিখে দিতে পারেন, যেমন EID100। ব্র্যান্ড কিটে নিজের রং আর লোগো একবার সেট করলে স্টোরও পোস্টারের রঙে দেখায়। তাতে কাস্টমার ক্লিক করে এসে অচেনা কোনো পেজে পড়েছেন বলে মনে করেন না। এক প্রোডাক্টের অফারের জন্য AI দিয়ে ৫ মিনিটে একটা ল্যান্ডিং পেজও বানিয়ে নিতে পারবেন। বাকি ফিচারগুলো এখানে দেখে নিন।

আজই একটা কাজ করুন। আপনার সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া প্রোডাক্টটা নিয়ে ওপরের পাঁচটা জিনিস নোটে লিখে ফেলুন। তারপর Canva-তে ১৪৪০ x ১৮০০ মাপে প্রথম পোস্টারটা বানান। পরের অফারে এটাই হবে আপনার টেমপ্লেট।

সাধারণ প্রশ্ন

মোবাইলে অফার পোস্টার বানানোর সহজ অ্যাপ কোনটা?

বেশিরভাগ সেলারের জন্য Canva-র ফ্রি অ্যাপই যথেষ্ট। এতে অনেক ফ্রি টেমপ্লেট, ছবি, আইকন আর ফন্ট আছে, বাংলা লেখাও বসানো যায়। শুরু করতে কোনো টাকা লাগে না, Google বা ইমেইল দিয়ে সাইন আপ করলেই হয়।

Canva কি পুরো ফ্রি? ফ্রি অ্যাকাউন্টে কী পাওয়া যায় না?

ফ্রি অ্যাকাউন্টে ফ্রি জিনিস দিয়ে যত খুশি ডিজাইন বানাতে পারবেন। তবে মুকুট চিহ্ন দেওয়া Pro জিনিস বসালে ডাউনলোডে ওয়াটারমার্ক আসে। Canva-র হেল্প পেজ বলছে, Background Remover, Magic Resize আর নিজের ফন্ট আপলোড শুধু পেইড প্ল্যানে পাওয়া যায়। অফার পোস্টার বানাতে এগুলো ছাড়াও কাজ চলে যায়।

Canva-তে বাংলা লেখা ভেঙে যায় বা বাক্স দেখায় কেন?

বাক্স দেখানোর মানে হলো ফন্টটা বাংলা সাপোর্ট করে না, Canva-র হেল্প পেজেও এটাই লেখা। লেখাটা সিলেক্ট করে ফন্টের লিস্ট খুলুন, নিচে "Fonts in your language" অংশ থেকে একটা ফন্ট দিন। তারপর ডাউনলোডের আগে জুম করে দেখে নিন যুক্তাক্ষরগুলো ঠিক বসেছে কি না।

ফেসবুক পোস্টের পোস্টার কোন সাইজে বানাব?

ফিডের পোস্ট আর অ্যাডের জন্য ১৪৪০ x ১৮০০ পিক্সেল বানান, এটা ৪:৫ মাপ। স্টোরির জন্য বানান ১৪৪০ x ২৫৬০ পিক্সেল, মানে ৯:১৬। অক্টোবর ২০২৬-এ Meta-র অ্যাড গাইডে এই দুটো মাপই রেকমেন্ড করা আছে।

Canva-র ছবি আর ফন্ট দিয়ে বানানো পোস্টার কি ব্যবসার কাজে দেওয়া যায়?

হ্যাঁ, পোস্টারটা মার্কেটিং আর সোশ্যাল মিডিয়ায় দিতে পারবেন, Canva-র লাইসেন্স পেজে এটা লেখা আছে। তবে Canva-র কোনো ছবি আলাদা করে বিক্রি করা বা নিজের লোগোতে বসানো যায় না। আর প্রোডাক্টের জায়গায় স্টক ছবি না দিয়ে নিজের তোলা আসল ছবি দিন।

পোস্টারে দাম লিখব, নাকি "দাম জানতে ইনবক্স করুন" লিখব?

দাম লিখে দিন। দাম লুকালে কিছু মানুষ মেসেজ দেন ঠিকই, কিন্তু অনেকেই দাম না দেখে মেসেজ দিতে চান না, স্ক্রল করে চলে যান। দাম দেখে যিনি মেসেজ দেন, তিনি সাধারণত কেনার কথা ভেবেই দেন।

#অফার পোস্টার#পোস্টার ডিজাইন#Canva#ডিসকাউন্ট অফার#ফেসবুক পোস্ট#বাংলা ফন্ট

আরও পড়ুন

ওয়েবসাইটের মেনু আর ফুটারে কী রাখবেন? অনলাইন দোকানের জরুরি পেজসহ

ওয়েবসাইটের মেনুতে কয়টা লিংক রাখবেন, হেডারে কল আর WhatsApp বাটন কেন, ফুটারে ঠিকানা আর ট্রেড লাইসেন্স নম্বর কোথায় বসবে, আর About, যোগাযোগ, ডেলিভারি ও রিটার্নের পেজে কী লিখবেন। ফোনে দোকান খুলে এক ঘণ্টায় গুছিয়ে নেওয়ার পুরো নিয়ম।

·১২ মিনিটে পড়া যায়

গুগল সার্চ কনসোল কি? দোকানের ওয়েবসাইট গুগলে তুলবেন যেভাবে

গুগল সার্চ কনসোল হলো Google-এর ফ্রি টুল, যেখানে দেখা যায় কোন সার্চে আপনার দোকান আসছে আর কোন পেজ গুগলের লিস্টে আছে। নিজের ডোমেইনে DNS দিয়ে মালিকানা প্রমাণ, sitemap.xml সাবমিট, URL Inspection, "Not indexed" দেখলে কী করবেন, আর কোন পথ দোকানে আসলে কাজ করে না।

·১২ মিনিটে পড়া যায়

বিজনেস ক্যাপশন, ফেসবুকে সেল পোস্টে কী লিখলে অর্ডার আসে

ছবি সুন্দর, তবু ইনবক্সে সবাই শুধু দাম জিজ্ঞেস করে? সেল পোস্টের প্রথম দুই লাইনে কী লিখবেন, ক্যাপশনে কোন পাঁচটা কথা থাকতেই হবে, দাম লিখবেন কি না, নতুন মাল, অফার, স্টকে ফেরা আর রিভিউর চারটা নমুনা, আর কোন কথায় পোস্ট রিপোর্ট খায়।

·১০ মিনিটে পড়া যায়