কুপন কোড কি, আর লস না খেয়ে অনলাইন শপে কুপন দেবেন যেভাবে
কুপন কোড হলো ছোট একটা লেখা, যেটা অর্ডারের সময় দিলে কাস্টমার ছাড় পান। কোড বানানোর আগে টাকায় দেখে নিন কত ছাড়ে লস শুরু হয়, তারপর লিমিট আর শেষ তারিখ দিন, আর আলাদা কোড দিয়ে মাপুন কোন পোস্ট বা ইনফ্লুয়েন্সার অর্ডার আনল।

এই লেখায় যা আছে
- কুপন কোড কি, প্রোমো কোড আর ডিসকাউন্টের সাথে পার্থক্য কী?
- কুপন দেওয়ার আগে লাভের হিসাব, কত ছাড়ে লস শুরু
- পার্সেন্ট ছাড়, টাকা ছাড়, নাকি ফ্রি ডেলিভারি, কোনটা কখন?
- প্রোমো কোড কিভাবে বানাবো, ধাপে ধাপে
- লিমিট না দিলে কী হয়?
- ইনফ্লুয়েন্সার বা পোস্ট ধরে আলাদা কোড, কোনটা অর্ডার আনল দেখবেন যেভাবে
- কুপনের যে ভুলে লস হয়
- কুপন চালানোর পর কোন সংখ্যা দেখবেন?
কুপন কোড হলো ছোট একটা লেখা, যেমন EID10, যেটা কাস্টমার অর্ডারের সময় লিখলে বা ফোনে বললে একটা নির্দিষ্ট ছাড় পান। প্রোমো কোডও একই জিনিস, শুধু নামটা আলাদা। নিজের শপের জন্য প্রোমো কোড বানাতে চারটা কাজ করতে হয়। প্রথমে টাকায় হিসাব করে দেখুন কত ছাড় দিলে লাভ থাকে। তারপর ঠিক করুন ছাড়টা পার্সেন্টে দেবেন, টাকায় দেবেন, নাকি ডেলিভারি ফ্রি করবেন। এরপর কোডের একটা সহজ নাম দিন, আর শেষে লিমিট আর শেষ তারিখ বসিয়ে দিন। ওয়েবসাইট না থাকলেও এটা করা যায়, একটা শিট থাকলেই চলে।
শেষের কাজটাই অনেক সেলার বাদ দেন, আর লসটা হয় ঠিক ওখান থেকে। ধরুন ঈদের দশ দিন আগে আপনি পেজে পোস্ট দিলেন, "EID10 কোড দিলে ১০% ছাড়"। প্রথম দুই দিন অর্ডার দেখে মনটা ভালো হয়ে গেল। তৃতীয় দিন রাতে অর্ডারের লিস্ট মেলাতে বসে দেখলেন, একই নম্বর থেকে তিনটা অর্ডার, তিনটাতেই ছাড়। পরদিন একজন ইনবক্সে স্ক্রিনশট পাঠালেন, কোডটা নাকি কোন এক কুপন শেয়ারের গ্রুপে ঘুরছে। আর যে প্রোডাক্টে আপনার লাভই ছিল ৮০ টাকা, সেটাতেও ছাড় চলে গেছে। ঈদ শেষে হিসাব করে দেখলেন অর্ডার বেড়েছে ঠিকই, কিন্তু হাতে টাকা আগের ঈদের চেয়ে কম। এটা একটা উদাহরণ, কিন্তু অনেক সেলারের কাছে গল্পটা চেনা লাগবে।
নিচে পুরো নিয়মটা হাতে-কলমে দেখাচ্ছি, যাতে কোনো সফটওয়্যার ছাড়াই কাল থেকে কুপন চালাতে পারেন।
কুপন কোড কি, প্রোমো কোড আর ডিসকাউন্টের সাথে পার্থক্য কী?
ডিসকাউন্ট মানে দামটাই কমিয়ে দেওয়া, সবার জন্য। পোস্টে "১,৪৫০ টাকার পাঞ্জাবি এখন ১,৩০০" লিখলে যিনিই দেখবেন, তিনিই কম দামে পাবেন। কুপন কোডে ছাড়টা পান শুধু তিনি, যাঁর কাছে কোডটা আছে আর যিনি অর্ডারের সময় সেটা লেখেন বা বলেন। দাম সবার জন্য আগের মতোই থাকে।
কেউ বলেন কুপন কোড, কেউ প্রোমো কোড, কেউ ভাউচার কোড, কিন্তু সবাই একই জিনিস বোঝান। আপনার ফেসবুক পেজ বা ছোট অনলাইন শপের জন্য এদের মধ্যে কোনো তফাত নেই।
তাহলে সোজা ডিসকাউন্ট না দিয়ে কোড দেবেন কেন? সবচেয়ে বড় কারণ হলো, কোড দিয়ে আপনি বেছে নিতে পারেন কে ছাড় পাবেন। পুরনো কাস্টমারকে SMS-এ একটা কোড দিলেন, অ্যাড দেখে আসা নতুন মানুষ সেটা পেলেন না। কোডে লিমিটও বসানো যায়, কতজন পাবেন আর কবে পর্যন্ত পাবেন সেটা আপনিই ঠিক করেন। আরেকটা সুবিধা অনেকে খেয়ালই করেন না। প্রতিটা কোড অর্ডারের গায়ে একটা ট্যাগের মতো লেগে থাকে। কোন অর্ডারে কোন কোড এলো দেখেই বুঝে যান, সেই কাস্টমার কোন পোস্ট বা কোন ইনফ্লুয়েন্সারের ভিডিও দেখে এসেছেন।
তবে সব জায়গায় কুপন খাটে না। পুরনো স্টক সবার কাছে কম দামে বের করে দিতে চাইলে সোজা দাম কমানোই ভালো। কোড লেখার একটা বাড়তি ধাপ আছে, আর কিছু মানুষ সেই ধাপেই আটকে যান।
কুপন দেওয়ার আগে লাভের হিসাব, কত ছাড়ে লস শুরু
কুপনের সবচেয়ে বড় ভুল হলো ছাড়টা দামের ওপর ভাবা। "১,৪৫০ টাকার জিনিসে ১৪৫ টাকা ছাড়, এ আর এমন কী।" কিন্তু ১৪৫ টাকা কাটে আপনার লাভ থেকে, কারণ কেনা দাম, প্যাকেট আর অ্যাডের খরচ ছাড়ের পরেও একই থাকে। তাই কোড বানানোর আগে দেখে নিন ডেলিভারি হওয়া একটা অর্ডারে আপনার হাতে আসলে কত থাকে।
নিচের সংখ্যাগুলো একটা উদাহরণ, কোনো দোকানের আসল হিসাব না। নিজের দাম আর খরচ বসিয়ে একবার কষে নিন।
ধরুন আপনি পাঞ্জাবি বিক্রি করেন ১,৪৫০ টাকায়। কিনতে পড়ে ৮০০ টাকা, প্যাকেট আর ট্যাগে যায় ৩০ টাকা। ডেলিভারি হওয়া প্রতিটা অর্ডারের পেছনে অ্যাডের খরচ পড়ে ২৫০ টাকা, আর ফেরত আসা পার্সেলের খরচ ভাগ করলে প্রতিটা ডেলিভারিতে আরও ৫০ টাকা। ডেলিভারি চার্জ কাস্টমার দেন, আর হিসাব সহজ রাখতে ধরছি কুরিয়ারের কাটা টাকা ওর মধ্যেই মিটে যায়। তাহলে একটা পাঞ্জাবি ডেলিভারি হলে লাভ থাকে ১,৪৫০ − ৮০০ − ৩০ − ২৫০ − ৫০ = ৩২০ টাকা। অ্যাডের খরচ আর ফেরতের খরচ প্রতি ডেলিভারিতে কীভাবে ভাগ করবেন, সেটা প্রোডাক্টের দাম নির্ধারণের লেখায় ধাপে ধাপে আছে।
এবার ১০% কুপন দিন। ১,৪৫০ টাকার ১০% হলো ১৪৫ টাকা, তাই লাভ ৩২০ থেকে নেমে দাঁড়ায় ১৭৫ টাকায়। মাসে ১০০টা ডেলিভারিতে আগে লাভ হতো ৩২,০০০ টাকা। কুপনের পরে একই ৩২,০০০ টাকা পেতে লাগবে ৩২,০০০ ÷ ১৭৫, মানে প্রায় ১৮৩টা ডেলিভারি। কুপনটা যদি আপনার ডেলিভারি প্রায় দ্বিগুণ করতে না পারে, তাহলে আপনি আগের জায়গাতেও ফিরবেন না। লাভ বাড়ার কথা তো তার পরে।
এই হিসাবটা প্রতিটা কুপনের আগে এক লাইনে করে ফেলা যায়।
আগের সমান লাভ পেতে কত গুণ ডেলিভারি লাগবে = আগের লাভ ÷ (আগের লাভ − ছাড়)
১৫% ছাড়ে পাঞ্জাবিতে ছাড় যায় প্রায় ২১৮ টাকা, লাভ থাকে ১০২ টাকা। তখন লাগবে ৩২০ ÷ ১০২, মানে তিন গুণের বেশি ডেলিভারি। আর ছাড় যখন ৩২০ টাকায় পৌঁছায়, মানে দামের প্রায় ২২%, তখন প্রতিটা অর্ডারে লাভ শূন্য। এর বেশি ছাড় মানে প্রতিটা পার্সেল পাঠিয়ে পকেট থেকে টাকা দেওয়া। ২৫% কুপন যে কত অর্ডারই আনুক, এই প্রোডাক্টে সেটা শুধু লসই বাড়াবে।
এখান থেকে একটা কাজের নিয়ম বের হয়। অ্যাড দেখে আসা নতুন কাস্টমারের জন্য ছাড়টা ডেলিভারিপ্রতি লাভের তিন ভাগের এক ভাগের মধ্যে রাখুন। পাঞ্জাবিতে সেটা ১০০ টাকার আশেপাশে। এই ছাড়ে আগের লাভ ধরতে দেড় গুণ ডেলিভারি লাগে। এর বেশি ছাড়ে দরকারটা দ্রুত দুই-তিন গুণে চলে যায়, আর শুধু একটা কোড দিয়ে বিক্রি দুই-তিন গুণ করা সহজ কাজ না।
পুরনো কাস্টমারের বেলায় হিসাবটা অনেক সহজ। তাঁকে আনতে অ্যাডের ২৫০ টাকা লাগেনি, তাই তাঁর অর্ডারে লাভ ৫৭০ টাকা। ১০% কুপনের পরেও থাকে ৪২৫ টাকা, আর আগের সমান লাভ পেতে লাগে মাত্র ১.৩৪ গুণ অর্ডার। এজন্য কুপনের সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা পুরনো কাস্টমার। তাঁদের কাছে কীভাবে ফিরে যাবেন, কাকে আগে ফোন দেবেন, সেটা পুরনো কাস্টমারকে আবার বিক্রির লেখায় পুরোটা আছে।

আরেকটা কথা মাথায় রাখুন। কুপনের সব অর্ডার নতুন অর্ডার না। কিছু মানুষ কুপন ছাড়াও কিনতেন, কোড পেয়ে তাঁরা শুধু ১৪৫ টাকা কম দিলেন। ওই অর্ডারগুলোতে কুপন আপনাকে কিছুই দেয়নি, শুধু নিয়েছে।
পার্সেন্ট ছাড়, টাকা ছাড়, নাকি ফ্রি ডেলিভারি, কোনটা কখন?
কুপন মূলত তিন রকম। একই পাঞ্জাবিতে তিনটা পাশাপাশি রাখলে তফাতটা ধরা যায়। এখানে ঢাকার বাইরের ডেলিভারি চার্জ ১৩০ টাকা ধরা হয়েছে উদাহরণ হিসেবে, আপনার কুরিয়ার আর এলাকা ধরে এটা কমবেশি হবে।
| ধরন | কখন ভালো | কোথায় বিপদ |
|---|---|---|
| পার্সেন্ট ছাড় (EID10) | দোকানে নানা দামের প্রোডাক্ট, সবাইকে একই ভাগ ছাড় দিতে চান | বড় অর্ডারে ছাড়ও বড়, ৩টা পাঞ্জাবিতে ১০% মানে ৪৩৫ টাকা |
| টাকা ছাড় (SAVE100) | মিনিমাম অর্ডারের সাথে, যাতে কাস্টমার আরেকটা জিনিস যোগ করেন | কম দামের প্রোডাক্টে ১০০ টাকা মানে লাভের বড় অংশ |
| ফ্রি ডেলিভারি (FREESHIP) | ঢাকার বাইরে, কম দামের জিনিসে, যেখানে চার্জটাই কাস্টমারকে থামায় | হুট করে দেওয়া অর্ডার আর দরজা থেকে ফেরত বাড়তে পারে |
পার্সেন্ট ছাড় কাস্টমার সবচেয়ে সহজে বোঝেন। কিন্তু এর টাকার অঙ্ক অর্ডারের সাথে বাড়ে। একজন তিনটা পাঞ্জাবি নিলে ১০% মানে ৪৩৫ টাকা, অথচ তিনটা পার্সেলের প্যাকেট আর অ্যাডের খরচ তো আলাদা করে কমেনি। আবার ৪৫০ টাকার একটা জিনিসে ১০% মাত্র ৪৫ টাকা, কাস্টমারের কাছে সেটা ছাড় বলেই মনে হয় না। তাই পার্সেন্ট ছাড় মাঝারি দামের প্রোডাক্টে ভালো চলে।
টাকা ছাড়ে আপনি আগে থেকেই জানেন প্রতিটা অর্ডারে কত যাবে। "১,৫০০ টাকার বেশি অর্ডারে ১০০ টাকা ছাড়" লিখলে ১,৪৫০ টাকার পাঞ্জাবির কাস্টমার অনেক সময় সাথে একটা টুপি বা আতর যোগ করেন। ছাড়টা তখন দুই জিনিসে ভাগ হয়ে যায়, আর একই পার্সেলে বেশি বিক্রি হয়। শুধু খেয়াল রাখবেন, মিনিমাম অর্ডারটা যেন আপনার বেশি বিক্রি হওয়া প্রোডাক্টের দামের একটু ওপরে থাকে। খুব ওপরে রাখলে কেউ সেটা ছুঁতেই চেষ্টা করবেন না।
ফ্রি ডেলিভারি কাস্টমারের কানে বড় শোনায়, অথচ আপনার খরচ শুধু চার্জটুকু, আর সেটা প্রতিটা অর্ডারে একই। ঢাকার বাইরের যে কাস্টমার ৩৫০ টাকার জিনিসে ১৩০ টাকা চার্জ দেখে পিছিয়ে যান, তাঁর কাছে এটা সবচেয়ে কাজের কুপন। তবে কাস্টমারকে কিছু দিতে না হলে হুট করে দেওয়া অর্ডারও বাড়ে, তাই এই কুপনের অর্ডারে কনফার্ম কলটা কখনো বাদ দেবেন না। ফ্রি ডেলিভারি লাভ থেকে ঠিক কত খায়, সেটা দামের লেখাটায় টাকায় দেখানো আছে।
প্রোমো কোড কিভাবে বানাবো, ধাপে ধাপে
ওয়েবসাইট থাকুক বা না থাকুক, কাজের ধাপগুলো একই। হাতে চালালে শুধু খাতা বা শিটের কাজটা একটু বেশি।
১. কুপনের একটা কাজ ঠিক করুন। কোডটা কী জন্য, পুরনো কাস্টমার ফেরাতে, ঈদের বিক্রি বাড়াতে, একজন ইনফ্লুয়েন্সারের ফলোয়ারদের জন্য, নাকি পড়ে থাকা স্টক বের করতে? প্রতিটা কাজের জন্য আলাদা কোড বানান। একটা কোড দিয়ে সব কাজ চালালে মাস শেষে বুঝতেই পারবেন না কোনটা কাজ করল।
২. ওপরের হিসাবে সর্বোচ্চ ছাড় বের করুন। যে প্রোডাক্টে কুপন চলবে, তার ডেলিভারিপ্রতি লাভ লিখুন। নতুন কাস্টমারের কুপনে সেটার তিন ভাগের এক ভাগ পর্যন্ত, পুরনো কাস্টমারের কুপনে একটু বেশি।
৩. কোডের নাম দিন। নাম রাখুন ইংরেজি বড় হাতের অক্ষর আর সংখ্যায়, চার থেকে দশ অক্ষরের মধ্যে, যাতে ফোনে মুখে বলা যায়। নামের মধ্যেই কাজটা রাখুন, যেমন EID10, FREESHIP, OLD100 বা ইনফ্লুয়েন্সারের নামে RAKIB10। কাস্টমার নাম দেখেই বোঝেন কী পাচ্ছেন, আর আপনিও অর্ডারের লিস্টে এক নজরে চিনে ফেলেন।
৪. শর্তগুলো আগে লিখে ফেলুন। খাতায় লিখে রাখুন কোন প্রোডাক্টে চলবে, মিনিমাম অর্ডার কত, মোট কতজন পাবেন, এক নম্বরে কয়বার, কবে শুরু আর কবে শেষ। পরের অংশে দেখাচ্ছি এর একটা বাদ দিলে কী হয়।
৫. কোড আর শর্ত একসাথে পোস্টে দিন। শর্তগুলো পোস্টের একদম নিচে ছোট করে না লিখে কোডের ঠিক পরের লাইনে লিখুন। যেমন, "কোড RAKIB10, প্যান্ট আর পাঞ্জাবিতে ১০% ছাড়, এক নম্বরে একবার, ২০ তারিখ রাত ১২টা পর্যন্ত।" পোস্টার বানালে কোডটা পোস্টারেই বড় করে লিখে দিন, যাতে স্ক্রল করতে করতেও চোখে পড়ে।
৬. হাতে চালালে অর্ডারের শিটে দুটো কলাম যোগ করুন। একটায় কুপন কোড, আরেকটায় ছাড়ের টাকা। ইনবক্সে বা ফোনে কেউ কোড বললে ছাড় দেওয়ার আগে শিটে তাঁর নম্বরটা খুঁজুন, আগে নিয়েছেন কি না দেখুন। প্রতিদিন রাতে কোডটা মোট কয়বার গেল গুনে ফেলুন। লিমিটে পৌঁছালে পোস্টের কমেন্টে লিখে দিন কোড শেষ।
৭. শেষ তারিখে কোড বন্ধ করুন, আর জানিয়েও দিন। পোস্ট এডিট করে লিখুন "অফার শেষ"। না লিখলে দুই মাস পরেও কেউ পুরনো পোস্ট দেখে কোড নিয়ে হাজির হবেন।
হাতে চালালে ঝামেলাটা টের পাবেন ৬ নম্বর ধাপে, ঈদের ভিড়ে দিনে পঞ্চাশটা নম্বর মেলাতে গিয়ে। WinningSeller-এ এই খাতার কাজটা দোকান নিজেই করে। মেনুর "কুপন" থেকে "নতুন কুপন" চাপলে ওপরের প্রতিটা শর্তের জন্য আলাদা ঘর পাবেন। ছাড়ের ধরনে শতাংশ ছাড়, নির্দিষ্ট টাকা ছাড় বা ফ্রি ডেলিভারি সিলেক্ট করবেন। তার নিচে মিনিমাম অর্ডার, মোট কতবার, এক মোবাইল নম্বর থেকে কতবার (শুরুতে ১ দেওয়া থাকে), শুরু আর শেষের তারিখ, আর কোন প্রোডাক্ট বা ক্যাটাগরিতে চলবে, সবকিছুর ঘর আছে। কুপন শুরুতে দোকানে বন্ধ থাকে। "দোকানে কুপন চালু" সুইচটা অন করলে, আর অন্তত একটা কুপন চালু থাকলে, তবেই চেকআউট আর ল্যান্ডিং পেজের অর্ডার ফর্মে "কুপন কোড" ঘরটা দেখা যায়। ছাড়ের টাকা সিস্টেম নিজে হিসাব করে, তাই কাস্টমার ফর্মে সংখ্যা বদলে বেশি ছাড় নিতে পারেন না। এক নম্বরের লিমিট গোনার সময় ক্যানসেল হওয়া অর্ডারও ধরা হয়, ফলে কেউ ক্যানসেল করে একই কোড আবার নিতে পারেন না। ফোনে অর্ডার নিলে আপনার টিম "নতুন অর্ডার" ফর্মে কোডটা লিখে দিলেই একই নিয়মে ছাড় কাটে।

লিমিট না দিলে কী হয়?
শুরুর গল্পের প্রতিটা ক্ষতি আসলে একটা করে লিমিট না দেওয়ার ফল। একটা একটা করে দেখুন।
মোট কতবার। লিমিট ছাড়া কোড একবার বাইরে গেলে আর থামে না। কুপন শেয়ারের গ্রুপ, বন্ধুর ইনবক্স, পুরনো স্ক্রিনশট, সব জায়গা থেকে অর্ডার আসতে থাকে, আর তার বড় অংশ এমন মানুষ যাঁদের আপনি কোড দেনইনি। "প্রথম ৫০ জন" লিখে ৫০-এর লিমিট দিলে অফারটাও সৎ থাকে, খরচটাও আগে থেকে জানা থাকে। ৫০টা অর্ডারে ১৪৫ টাকা করে মানে সর্বোচ্চ ৭,২৫০ টাকা, এর বেশি যাবে না।
এক নম্বরে কতবার। এটা না দিলে একজনই তিনবার ছাড় নেন, কখনো নিজের জন্য, কখনো আত্মীয়দের জন্য একটা একটা করে। বেশিরভাগ কুপনে এক নম্বরে একবার রাখুন। তবে সৎ কথা বলি, যাঁর দুটো সিম আছে তিনি দুবার নিতে পারেন। নম্বরের লিমিট বেশিরভাগ মানুষকে থামায়, সবাইকে না। হাতে গুনলে ক্যানসেল হওয়া অর্ডারও গুনবেন, না হলে কেউ অর্ডার দিয়ে ক্যানসেল করে আবার কোড চাইবেন।
শেষ তারিখ। তারিখ না থাকলে ঈদের কোড কোরবানির ঈদেও চলে। আর কোনো কাস্টমার যদি তিন মাস পুরনো স্ক্রিনশট দেখিয়ে বলেন "আপনারাই তো কোড দিয়েছিলেন", তখন তর্ক করার মতো কিছু আপনার হাতে থাকে না। পোস্টে তারিখ লেখা থাকলে আলাপটা এক লাইনে শেষ হয়।
মিনিমাম অর্ডার। টাকা ছাড়ের কুপনে এটা না দিলে ১০০ টাকা ছাড় চলে যায় ৩৫০ টাকার জিনিসে, যেখানে লাভই হয়তো ১০০ টাকার কম।
কোন প্রোডাক্টে। সব প্রোডাক্টে কুপন খোলা রাখলে যে জিনিসে মার্জিন সবচেয়ে কম, সেটাতেও একই ছাড় যায়। নতুন কালেকশন, যেটা ছাড় ছাড়াই বিক্রি হচ্ছে, সেটাতেও যায়। কুপন রাখুন শুধু সেই প্রোডাক্টে, যেটার হিসাব ওপরে কষে দেখেছেন।
ইনফ্লুয়েন্সার বা পোস্ট ধরে আলাদা কোড, কোনটা অর্ডার আনল দেখবেন যেভাবে
একজন ইনফ্লুয়েন্সারকে টাকা দিলেন, ভিডিও এলো, ভিউও হলো ভালো। কিন্তু অর্ডার কয়টা তাঁর ভিডিও থেকে এলো, সেটা না জানলে পরের মাসে আবার টাকা দেবেন কি না, ঠিক করতে পারবেন না। এর একটা সহজ সমাধান হলো প্রতিটা জায়গার জন্য আলাদা কোড।
ধরুন ইনফ্লুয়েন্সার রাকিবের জন্য বানালেন RAKIB10, একটা ফেসবুক গ্রুপের পোস্টের জন্য GROUP10, আর টিকটকের ভিডিওর জন্য TIKTOK10। ছাড় একই রাখুন, যাতে তুলনাটা ঠিক হয়। তারপর মাস শেষে প্রতিটা কোডের পাশে তিনটা সংখ্যা লিখুন, কয়টা অর্ডার, কয়টা ডেলিভারি, আর কয়টা ফেরত।
একটা উদাহরণ ধরুন, সংখ্যাগুলো বানানো। রাকিবকে একটা ভিডিওর জন্য দিলেন ৬,০০০ টাকা। তাঁর কোডে এলো ৪০টা অর্ডার, ডেলিভারি হলো ৩০টা। তাহলে ডেলিভারিপ্রতি খরচ ৬,০০০ ÷ ৩০ = ২০০ টাকা, সাথে প্রতিটায় ১৪৫ টাকা ছাড়, মোট ৩৪৫ টাকা। আপনার অ্যাডে ডেলিভারিপ্রতি খরচ ছিল ২৫০ টাকা। মানে এই হিসাবে রাকিবের ভিডিও অ্যাডের চেয়ে দামি পড়ল। তবে খেয়াল করুন, ছাড়টা বাদ দিলে খরচ হতো ২০০ টাকা, অ্যাডের চেয়ে কম। ভিডিওটা খারাপ ছিল না, হিসাবটা ভারী করেছে ১৪৫ টাকার ছাড়। তাই পরের বার কোডের ছাড় কমিয়ে ৫% করে দেখুন, তারপর অর্ডার কতটা কমল সেটা এই একই হিসাবে মিলিয়ে নিন।
এই সংখ্যায় দুটো ফাঁক থাকে। অনেকে ভিডিও দেখে কোড না লিখেই ইনবক্সে অর্ডার দেন, তাই কোড অনেক সময় আসলের চেয়ে কম গোনে। এজন্য কনফার্ম কলে একটা প্রশ্ন যোগ করুন, "ভাই, আমাদের কোথায় দেখেছিলেন?" উল্টো দিকে, কোড কুপনের গ্রুপে চলে গেলে এমন অর্ডারও তাঁর ঘরে ওঠে যেটা তিনি আনেননি। ইনফ্লুয়েন্সারের কোডে মোট লিমিট আর ছোট শেষ তারিখ দিন, তাহলে এই ভুলটা কম হয়।
WinningSeller-এ প্রতিটা কুপনের "কারা ব্যবহার করেছে" লিস্টে সেই কোড দিয়ে আসা অর্ডারগুলো পাশাপাশি দেখা যায়, নতুনটা আগে। প্রতিটা অর্ডারের পাশে তার স্ট্যাটাস লেখা থাকে, তাই কোনটা ডেলিভারি হলো আর কোনটা ফেরত এলো, গুনতে আলাদা করে খুঁজতে হয় না। অর্ডার নম্বরে চাপলে পুরো অর্ডারটা খোলে। কুপনের সাথে নিজের জন্য একটা নোট রাখার ঘরও আছে, সেখানে "রাকিবের ভিডিও, ১২ অক্টোবর, ৬,০০০ টাকা" লিখে রাখলে তিন মাস পরেও মনে থাকে কোডটা কিসের ছিল।
কুপনের যে ভুলে লস হয়
অ্যাডের অর্ডারে বড় কুপন
অ্যাড দেখে আসা কাস্টমারের অর্ডারে আপনি একবার অ্যাডের টাকা দিয়েছেন, বড় কুপন মানে একই অর্ডারে দ্বিতীয় খরচ। ওপরের পাঞ্জাবিতে ২০% কুপনের পরে লাভ থাকে মাত্র ৩০ টাকা। বড় ছাড় রাখুন পুরনো কাস্টমারের জন্য।
কোড কাজ না করা, বা শর্ত লুকানো
পোস্টে কোড দিলেন, অথচ কাস্টমার অর্ডারের সময় দেখলেন কোড চলে না, কারণ শর্তটা লেখা ছিল পোস্টের একদম নিচে। কাস্টমার তখন নিজেকে ঠকে যাওয়া মানুষ ভাবেন, আর তাঁকে দোষও দেওয়া যায় না। লুকানো শর্তের অফার নিয়ে কেউ অভিযোগ করলে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর দুটো ধারা সামনে আসতে পারে। ৪৪ ধারায় আছে, মিথ্যা বিজ্ঞাপন দিয়ে ক্রেতাকে ঠকালে এক বছর পর্যন্ত জেল, দুই লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা, বা দুটোই হতে পারে। ৪৫ ধারায় আছে, টাকা নিয়ে যা দেওয়ার কথা দিয়েছেন তা ঠিকমতো না দিলে এক বছর পর্যন্ত জেল, পঞ্চাশ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা, বা দুটোই। আইনটা সরকারের bdlaws.minlaw.gov.bd সাইটে পড়ে নিতে পারেন। একটা কোড না চললেই মামলা হবে, ব্যাপারটা এমন না। কিন্তু কাস্টমারের অভিযোগ করার জায়গা আছে, আর পেজের কমেন্টে যা লেখা হয় সেটা আইনের আগেই আপনার ক্ষতি করে। তাই যে অফার ঘোষণা করেছেন, সেটা রাখুন, আর ভুল হলে নিজের পকেট থেকে হলেও ছাড়টা দিয়ে দিন।
প্রতি মাসে একটা কুপন
যে পেজে প্রতি মাসে কোড আসে, সেখানে কাস্টমার কোডের অপেক্ষায় বসে থাকতে শেখেন, আর কুপন ছাড়া সপ্তাহগুলোতে বিক্রি পড়ে যায়। কুপন রাখুন ঈদ, নতুন কালেকশন বা পুরনো কাস্টমারের মতো উপলক্ষের জন্য, নিয়ম বানাবেন না।
কুপনের অর্ডারে কনফার্ম কল বাদ দেওয়া
ছাড় দেখে অনেকে তাড়াহুড়োয় অর্ডার দেন, পরে মত বদলান। ছাড়ের ভিড়ে কনফার্ম কল বাদ দিলে সেই অর্ডারগুলো দরজা থেকে ফেরত আসে, আর প্রতিটা ফেরতের চার্জ আপনার কাঁধে। কুপনের সপ্তাহে কনফার্ম কল আরও বেশি দরকার, কম না।
কুপন চালানোর পর কোন সংখ্যা দেখবেন?
কুপন শেষ হলে শুধু "অর্ডার বেড়েছিল" বলে থামবেন না। পাঁচটা সংখ্যা লিখুন, আর পরের কুপনটা এই সংখ্যা দেখে ঠিক করুন।
শুরু করুন কোড দিয়ে মোট কয়টা অর্ডার এলো আর তার কয়টা ডেলিভারি হলো, সেটা দিয়ে। গুনবেন শুধু ডেলিভারি হওয়া অর্ডার, কারণ ফেরত আসা পার্সেলে ছাড়ও কাজে আসেনি, টাকাও আসেনি। এই নিয়মটা কেন পুরো হিসাবের গোড়ার কথা, সেটা অনলাইন ব্যবসার লাভ-ক্ষতির হিসাবের লেখায় বোঝানো আছে।
এরপর যোগ করুন কুপনে মোট কত টাকা গেল। ডেলিভারি হওয়া অর্ডারের ছাড় আর ফ্রি ডেলিভারির চার্জ, দুটোই এর মধ্যে পড়ে। ধরুন EID10-এ ৪৮টা পাঞ্জাবি ডেলিভারি হলো, প্রতিটায় ১৪৫ টাকা ছাড়, তাহলে মোট গেল ৬,৯৬০ টাকা। এই টাকাটাই কুপনের আসল দাম।
তারপর দেখুন কুপনের অর্ডারে রিটার্ন কত, আর সেটা আপনার সাধারণ অর্ডারের চেয়ে বেশি কি না। বেশি হলে বুঝবেন ছাড় দেখে এমন মানুষও অর্ডার দিয়েছেন যাঁরা আসলে কিনতে চাননি।
একটা সংখ্যা অনেকে দেখেনই না। কুপনের সপ্তাহে কুপন ছাড়া অর্ডার কমে গেল কি না। আগের সপ্তাহে কোড ছাড়া ৮০টা অর্ডার আসত, কুপনের সপ্তাহে এলো ৫০টা কোড ছাড়া আর ৬০টা কোডসহ। তাহলে মোট বাড়তি অর্ডার ৬০টা না, ৩০টা। বাকি ৩০ জন এমনিতেই কিনতেন, কোড পেয়ে শুধু কম দিলেন।
শেষে গুনে দেখুন কোডসহ অর্ডারে কতজন নতুন কাস্টমার এলেন। কুপনের সবচেয়ে বড় লাভ অনেক সময় ওই নতুন নম্বরগুলো, কারণ তাঁদের পরের অর্ডারে আর অ্যাডের টাকা লাগবে না।
WinningSeller-এর কুপন পেজের ওপরে এই মাসে কুপনে দেওয়া মোট ছাড়, কুপন দিয়ে আসা অর্ডার আর ফ্রি ডেলিভারির সংখ্যা লেখা থাকে। ওখানে ক্যানসেল হওয়া অর্ডার বাদ যায়, কিন্তু ফেরত আসা অর্ডার থেকে যায়। তাই ডেলিভারি হওয়া অর্ডার আলাদা করে গুনতে কুপনের "কারা ব্যবহার করেছে" লিস্টে স্ট্যাটাসটা দেখে নিন। কোনো কুপন একবার অর্ডারে লেগে গেলে সেটা আর ডিলিট হয় না, শুধু বন্ধ করা যায়, তাই পুরনো অর্ডারের হিসাব কখনো হারায় না। দোকানের বাকি ফিচারগুলো এখানে দেখে নিন।
আজ শুধু একটা কাজ করুন। আপনার সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া প্রোডাক্টটা নিন, আর ওপরের মতো ডেলিভারিপ্রতি লাভটা কষে ফেলুন। তারপর পুরনো কাস্টমারদের জন্য একটা কোড বানান, এক নম্বরে একবার আর সাত দিনের মেয়াদে। এক সপ্তাহ পরে পাঁচটা সংখ্যা মিলিয়ে দেখুন। প্রথম কুপনটা যদি ছোটও হয়, এবার অন্তত জানবেন ঠিক কত টাকা দিয়ে কয়টা অর্ডার কিনলেন, আর ঈদের রাতে হিসাব মেলাতে বসে বুকটা আর ধক করে উঠবে না।
সাধারণ প্রশ্ন
কুপন কোড মানে কি?
কুপন কোড হলো অক্ষর আর সংখ্যার ছোট একটা লেখা, যেমন EID10, যেটা অর্ডারের সময় লিখলে বা বললে কাস্টমার একটা নির্দিষ্ট ছাড় পান। ছাড়টা সবাই পান না, পান শুধু যাঁর কাছে কোডটা আছে। এজন্য সেলার ঠিক করতে পারেন কে ছাড় পাবেন, কতজন পাবেন আর কত দিন পর্যন্ত।
প্রোমো কোড আর কুপন কোড কি একই জিনিস?
হ্যাঁ, অনলাইন শপের কাজে দুটো একই জিনিস। কেউ বলেন কুপন কোড, কেউ প্রোমো কোড, কেউ আবার ভাউচার কোড। নাম যা-ই হোক, কাজ একটাই, কোড দিলে ছাড়।
ওয়েবসাইট ছাড়া কি ফেসবুক পেজে কুপন কোড দেওয়া যায়?
যায়। পোস্টে কোডটা দিন, কাস্টমার ইনবক্সে বা ফোনে অর্ডারের সময় কোডটা বলবেন, আর আপনি হাতে ছাড় কেটে দেবেন। শুধু অর্ডারের শিটে কুপন কোড আর ছাড়ের টাকার জন্য দুটো কলাম রাখুন, আর ছাড় দেওয়ার আগে নম্বরটা শিটে খুঁজে দেখুন আগে নিয়েছেন কি না।
কুপনে কত পার্সেন্ট ছাড় দেওয়া উচিত?
সবার জন্য এক সংখ্যা নেই, নির্ভর করে ডেলিভারি হওয়া প্রতিটা অর্ডারে আপনার লাভ কত তার ওপর। অ্যাড থেকে আসা নতুন কাস্টমারের বেলায় ছাড়টা সেই লাভের তিন ভাগের এক ভাগের মধ্যে রাখলে আগের সমান লাভ পেতে দেড় গুণ ডেলিভারি লাগে। পুরনো কাস্টমারকে একটু বেশি ছাড় দেওয়া যায়, কারণ তাঁর অর্ডারে অ্যাডের খরচ নেই।
একজন কাস্টমার কি একই কুপন দুইবার নিতে পারবেন?
সেটা আপনি ঠিক করবেন। বেশিরভাগ কুপনে এক মোবাইল নম্বরে একবার রাখাই ভালো, না হলে একজনই বারবার ছাড় নিয়ে নেন। তবে কারও দুটো সিম থাকলে তিনি দুবার নিতে পারেন, নম্বরের লিমিট বেশিরভাগ মানুষকে থামায়, সবাইকে না।
কুপন কোডের নাম কেমন হলে ভালো?
ছোট আর মুখে বলা যায় এমন নাম রাখুন, যাতে নামের মধ্যেই কাজটা বোঝা যায়, যেমন EID10, FREESHIP বা ইনফ্লুয়েন্সারের নামে RAKIB10। একটা চেনা শব্দের পরে সংখ্যা দিলে কাস্টমার ভুল পড়েন না। X0O1I-এর মতো এলোমেলো কোডে O আর 0, I আর 1 গুলিয়ে যায়, আর কোড না মিললে কাস্টমার রাগ করেন।
আরও পড়ুন
ওয়েবসাইটের মেনু আর ফুটারে কী রাখবেন? অনলাইন দোকানের জরুরি পেজসহ
ওয়েবসাইটের মেনুতে কয়টা লিংক রাখবেন, হেডারে কল আর WhatsApp বাটন কেন, ফুটারে ঠিকানা আর ট্রেড লাইসেন্স নম্বর কোথায় বসবে, আর About, যোগাযোগ, ডেলিভারি ও রিটার্নের পেজে কী লিখবেন। ফোনে দোকান খুলে এক ঘণ্টায় গুছিয়ে নেওয়ার পুরো নিয়ম।
গুগল সার্চ কনসোল কি? দোকানের ওয়েবসাইট গুগলে তুলবেন যেভাবে
গুগল সার্চ কনসোল হলো Google-এর ফ্রি টুল, যেখানে দেখা যায় কোন সার্চে আপনার দোকান আসছে আর কোন পেজ গুগলের লিস্টে আছে। নিজের ডোমেইনে DNS দিয়ে মালিকানা প্রমাণ, sitemap.xml সাবমিট, URL Inspection, "Not indexed" দেখলে কী করবেন, আর কোন পথ দোকানে আসলে কাজ করে না।
বিজনেস ক্যাপশন, ফেসবুকে সেল পোস্টে কী লিখলে অর্ডার আসে
ছবি সুন্দর, তবু ইনবক্সে সবাই শুধু দাম জিজ্ঞেস করে? সেল পোস্টের প্রথম দুই লাইনে কী লিখবেন, ক্যাপশনে কোন পাঁচটা কথা থাকতেই হবে, দাম লিখবেন কি না, নতুন মাল, অফার, স্টকে ফেরা আর রিভিউর চারটা নমুনা, আর কোন কথায় পোস্ট রিপোর্ট খায়।


