দারাজ সেলার একাউন্ট খোলার নিয়ম ২০২৬, কমিশন কত আর টাকা কবে আসে
দারাজে সেলার একাউন্ট খুলতে কী কাগজ লাগে, ধাপগুলো কী, কোন ক্যাটাগরিতে কত কমিশন আর ফি কাটে, টাকা কবে ব্যাংকে আসে, কোন ভুলে জরিমানা হয়, আর একটা পাঞ্জাবির উদাহরণে দারাজ আর নিজের শপের লাভ পাশাপাশি।

এই লেখায় যা আছে
- দারাজ সেলার একাউন্ট খুলতে কী কী লাগে?
- দারাজ সেলার একাউন্ট খোলার নিয়ম, ধাপে ধাপে
- প্রথম প্রোডাক্ট লিস্ট করবেন কীভাবে?
- দারাজ সেলার কমিশন কত, আর কী কী কেটে রাখে?
- বিক্রির টাকা কবে আর কীভাবে আসে?
- কোন ভুলে জরিমানা বা একাউন্ট বন্ধ হয়?
- একটা অর্ডারে দারাজে কত থাকে, নিজের শপে কত (উদাহরণ)
- দারাজ নাকি নিজের শপ, নাকি দুটোই?
- আজ কোথা থেকে শুরু করবেন?
দারাজ সেলার একাউন্ট খোলার নিয়ম খুব সোজা, আর খুলতে কোনো টাকা লাগে না। sellercenter.daraz.com.bd-তে গিয়ে মোবাইল নম্বর দিয়ে সাইন আপ করবেন, তারপর ইমেইল আর পিকআপের ঠিকানা দেবেন, শেষে NID আর ব্যাংকের কাগজ আপলোড করবেন। ট্রেড লাইসেন্স ছাড়াই ব্যক্তি হিসেবে খোলা যায়। Daraz-এর ব্লগে লেখা আছে, কাগজ আর তথ্য ঠিক থাকলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সেলার হয়ে যাবেন। টাকা কাটে বিক্রির পরে, ডেলিভারি হওয়া প্রতিটা প্রোডাক্ট থেকে কমিশন, পেমেন্ট ফি আর হ্যান্ডলিং ফি মিলিয়ে।
তাই আসল প্রশ্নটা একাউন্ট খোলা না, খোলার পর হাতে কত থাকে। এই লেখায় কমিশন, টাকা আসার দিন আর জরিমানার নিয়ম Daraz-এর নিজের পেজ থেকে তুলে দিয়েছি, তারপর একটা পাঞ্জাবি ধরে দারাজ আর নিজের শপের লাভ পাশাপাশি হিসাব করেছি। সব সংখ্যা ২০২৬ সালের অক্টোবরে Daraz Seller Center আর Daraz University-র পেজ থেকে নেওয়া। Daraz রেট চেঞ্জ করলে আপনার Seller Center-এ যা দেখাবে, সেটাই ধরবেন।
দারাজ সেলার একাউন্ট খুলতে কী কী লাগে?
Daraz-এর "Sell on Daraz" পেজে পরিষ্কার লেখা আছে, দারাজে বিক্রি করতে রেজিস্টার্ড ব্যবসা লাগে না। নিজের ব্যক্তিগত তথ্য দিয়েও একাউন্ট খোলা যায়, আবার ব্যবসার তথ্য দিয়েও। কোনটা দিয়ে খুলবেন, সেটা ঠিক করে দেয় কাগজের লিস্ট।
Seller Center-এর সাইন আপ পেজে লেখা আছে, ব্যক্তি সেলারের লাগবে পরিচয়পত্র আর ব্যাংকের কাগজ। কোম্পানি বা ব্যবসার নামে খুললে লাগবে ব্যবসার রেজিস্ট্রেশনের কাগজ আর ব্যাংকের কাগজ। Daraz-এর ব্লগে এটা আরেকটু খুলে বলা আছে। ব্যক্তি সেলারের জন্য NID আর ব্যাংকের একটা চেক, বিজনেস সেলারের জন্য ট্রেড লাইসেন্স আর ব্যাংকের চেক। এর বাইরে লাগবে একটা চালু মোবাইল নম্বর, একটা ইমেইল অ্যাড্রেস, আর পিকআপ ও রিটার্নের ঠিকানা।
যাঁরা এখন শুধু bKash দিয়ে ব্যবসা চালান, তাঁদের জন্য সবচেয়ে বড় কাজ এই ব্যাংক একাউন্ট। Daraz-এর Payment Policy-তে লেখা আছে, বিক্রির টাকা যায় ইন্টার ব্যাংক ট্রান্সফারে, সেলারের ব্যাংক একাউন্টে। মোবাইল ওয়ালেটে টাকা পাঠানোর কথা সেখানে নেই। তাই সাইন আপের আগেই নিজের নামে একটা ব্যাংক একাউন্ট খুলে চেক বই হাতে রাখুন। ভেরিফিকেশনে NID আর ব্যাংকের কাগজ দুটোই দেখা হয়। তাই ভাই বা বাবার নামের একাউন্ট দিলে দুই কাগজের নাম মিলবে না, আর আটকে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
ঠিকানা দুটো লিখবেন যত্ন করে। Seller Center নিজেই বলছে পিকআপ আর রিটার্নের ঠিকানা ঠিকঠাক দিতে, যাতে ডেলিভারি ঝামেলা ছাড়া চলে। কাস্টমার কোনো প্রোডাক্ট ফেরত দিলে সেটা আপনার রিটার্নের ঠিকানাতেই ফিরবে। ঠিকানা আধা লেখা থাকলে ফেরত আসা মাল খুঁজে পেতে দিন চলে যায়।
দারাজ সেলার একাউন্ট খোলার নিয়ম, ধাপে ধাপে
Seller Center-এর পেজে পুরো কাজটা চার ধাপে দেওয়া, প্রতিটার পাশে আন্দাজি সময়ও লেখা। কাগজ হাতে থাকলে আধা ঘণ্টার মধ্যেই শেষ হয়ে যায়।
- মোবাইল নম্বর দিয়ে সাইন আপ (২ মিনিট)। sellercenter.daraz.com.bd-র সাইন আপ পেজে নিজের মোবাইল নম্বর দিন, তারপর SMS-এ আসা কোড দিয়ে নম্বরটা ভেরিফাই করুন। Daraz Seller Center অ্যাপ দিয়েও এই কাজ করা যায়।
- ইমেইল আর ঠিকানা (১ মিনিট)। যে ইমেইল রোজ দেখেন সেটা দিন, কারণ Daraz জরুরি আপডেটগুলো এই ইমেইলেই পাঠায়। তারপর পিকআপ আর রিটার্নের ঠিকানা দিন, সাথে দোকানের নাম।
- পরিচয় আর ব্যাংকের তথ্য (৫ মিনিট)। NID বা ট্রেড লাইসেন্সের ছবি আর চেকের ছবি আপলোড করুন, সাথে পেমেন্ট পাওয়ার জন্য ব্যাংক একাউন্টের তথ্য দিন।
- প্রোডাক্ট আপলোড (১০ মিনিট)। Daraz নিজেই শুরুতে অন্তত ১০টা প্রোডাক্ট দিতে বলছে। কারণটা সহজ, দোকানে জিনিস বেশি থাকলে কাস্টমারের কাছে দোকানটা ভরা দেখায়।
জমা দেওয়ার পর Daraz-এর ভেরিফিকেশন টিম কাগজগুলো দেখে। ব্লগে লেখা আছে, ভুল কাগজ বা ভুল তথ্য দিয়ে ফেললে টিম নিজেই যোগাযোগ করে ঠিক করতে সাহায্য করে। কোথাও আটকে গেলে Seller Help Center থেকে Daraz-এর সাপোর্টের সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন।
নতুন সেলারের জন্য Seller Center-এর সাইন আপ পেজে কয়েকটা সুবিধাও লেখা আছে। প্রথম ৩০ দিন প্ল্যাটফর্ম কমিশন ০% থাকে, আর ৯০ দিন একজন ইনকিউবেশন স্পেশালিস্ট আপনাকে সাপোর্ট দেন। Daraz University-র পেজে এর সাথে আরেকটা সুবিধা লেখা আছে, নতুন সেলার সর্বোচ্চ ৯০ দিন Free Shipping Max-এর ফি ছাড়াই এতে যোগ দিতে পারেন। এই ৩০ দিনটা কীভাবে কাজে লাগাবেন, সেটা নিচের টিপে বলছি।
প্রথম প্রোডাক্ট লিস্ট করবেন কীভাবে?
Seller Center-এ লগইন করে Add Product অপশনে যান। এরপর ক্যাটাগরি সিলেক্ট করবেন, টাইটেল লিখবেন, ছবি দেবেন, দাম আর স্টক বসাবেন, তারপর বর্ণনা লিখবেন। জমা দেওয়ার পর Daraz-এর কোয়ালিটি কন্ট্রোল প্রোডাক্টটা চেক করে, পাস হলে সেটা লাইভ হয়। একসাথে অনেক প্রোডাক্ট থাকলে Daraz University-তে বাল্ক আপলোডের আলাদা গাইড আছে।
ক্যাটাগরি সিলেক্ট করার সময় তাড়াহুড়ো করবেন না। কমিশন কাটে ক্যাটাগরি ধরে, আর পরের অংশে দেখবেন একই ধরনের জিনিসেও ক্যাটাগরিভেদে রেট আলাদা। প্রোডাক্টটা আসলে যে ক্যাটাগরির, সেখানেই দিন। ভুল ক্যাটাগরিতে দিলে যিনি ঠিক ক্যাটাগরিতে খুঁজছেন, তিনি আপনার প্রোডাক্টটা দেখতেই পাবেন না।

একই প্রোডাক্ট দুবার লিস্ট করবেন না। Daraz-এর Duplicate Products Policy অনুযায়ী শুধু রং, সাইজ বা দাম বদলে আরেকটা লিস্টিং বানালেও সেটা ডুপ্লিকেট ধরা হয়। তখন যে লিস্টিংয়ে বিক্রি কম, সেটা বন্ধ বা লক করে দেওয়া হয়। একটা পাঞ্জাবির তিন রং আর চার সাইজ থাকলে একটা লিস্টিংয়েই ভ্যারিয়েশন হিসেবে দিন।
ছবিতেও নিয়ম আছে। জুলাই ২০২৬-এর Product Image Policy-তে লেখা, ম্যানিকিন বা শুধু প্রোডাক্টের ছবি চলবে। কিন্তু আসল মডেলের এমন ছবি চলবে না, যেখানে শরীরের নিষেধ করা অংশ দেখা যায় বা পাতলা কাপড়ে শরীর বোঝা যায়। প্রথমবার এমন ছবি দিলে প্রোডাক্টটা সরিয়ে দেওয়া হয়। দ্বিতীয়বার দিলে ৪৮ নন-কমপ্লায়েন্স পয়েন্ট আসে, আর সেলারকে ডিলিস্ট করা হয়।
শেষ কথা দাম নিয়ে। দাম বসানোর আগে নিচের কমিশন আর ফি হিসাবে ধরে নিন। ফেসবুকে যে দামে বেচেন, দারাজে সেই একই দাম বসালে লাভের একটা বড় অংশ চলে যাবে। কোন কোন খরচ দামের ভেতরে ধরতে হয়, তার পুরো হিসাব আছে দাম ঠিক করার লেখায়।
দারাজ সেলার কমিশন কত, আর কী কী কেটে রাখে?
Daraz-এর Payment Policy আর Marketplace Commission Structure পেজে লেখা আছে, প্রিপেইড হোক বা ক্যাশ অন ডেলিভারি, প্রতিটা ডেলিভারি হওয়া অর্ডার থেকে এগুলো কেটে বাকি টাকা সেলারকে দেওয়া হয়।
- মার্কেটপ্লেস কমিশন। ক্যাটাগরি অনুযায়ী আলাদা, আর এর ওপর VAT আলাদা যোগ হয়।
- পেমেন্ট ফি। ট্যাক্স ছাড়া ২.৬৯%, ট্যাক্সসহ ৩.০৯%।
- আইটেম হ্যান্ডলিং ফি। প্রোডাক্টের দাম ৫০০ টাকার নিচে হলে ৫.৭৫ টাকা, ৫০১ থেকে ১,০০০ টাকায় ৯.২০ টাকা, ১,০০০ টাকা বা তার বেশি হলে ২৩ টাকা, VAT সহ। বিকেল ৪টা বা তার পরে ড্রপ-অফ পয়েন্টে পার্সেল দিলে প্রতিটায় আরও ১ টাকা কাটে, VAT সহ ১.১৫ টাকা। ফেরত আসা প্রোডাক্টেও এই ফি লাগে।
- জরিমানা, যদি থাকে। এটা নিচে আলাদা করে বলছি।
কমিশনের রেট Daraz একটা PDF-এ দিয়েছে, নাম "BD Commission Rates - May 2026"। Daraz University-র কমিশন পেজে লেখা, নতুন রেট কিছু ক্যাটাগরিতে ১ জুন ২০২৬ থেকে চালু। PDF-এর ওপরেই লেখা, সব রেট VAT ছাড়া। VAT কত ধরবেন, সেটা Daraz-এর নিজের হ্যান্ডলিং ফির টেবিল থেকেই বোঝা যায়। সেখানে VAT ছাড়া ৫ টাকা VAT সহ হয়েছে ৫.৭৫ টাকা, মানে ১৫%। নিচের টেবিলে ফেসবুকের সেলাররা যা বেশি বেচেন, তার কয়েকটা ক্যাটাগরি দিলাম। শেষ কলামে ১৫% VAT যোগ করে হিসাব করা।
| প্রোডাক্ট (Daraz-এর ক্যাটাগরি) | কমিশন, VAT ছাড়া | ১,০০০ টাকার বিক্রিতে VAT সহ কমিশন |
|---|---|---|
| পাঞ্জাবি, শাড়ি, সালোয়ার কামিজ, আনস্টিচড থ্রি-পিস | ১৭.৩৯% | প্রায় ২০০ টাকা |
| ফোনের কভার | ১৫.৬৫% | প্রায় ১৮০ টাকা |
| ফেস কেয়ার (স্কিন কেয়ার) | ১৪.০৬% | প্রায় ১৬২ টাকা |
| পাওয়ার ব্যাংক | ১৩.০৪% | প্রায় ১৫০ টাকা |
| ঘি | ১২.৬১% | প্রায় ১৪৫ টাকা |
| মধু | ১০.৪৩% | প্রায় ১২০ টাকা |
টেবিলটা দেখে একটা জিনিস চোখে পড়ার কথা। কাপড়ের ক্যাটাগরিতেই রেট সবচেয়ে বেশি, আর ফেসবুকের সেলারদের বড় অংশই কাপড় বেচেন। এই PDF-এ আগের রেটও পাশে দেওয়া আছে। পাঞ্জাবি আর শাড়িতে আগে ছিল ১৬.৬৭%, নতুন লিস্টে সেটা বেড়ে ১৭.৩৯% হয়েছে। আপনার প্রোডাক্টের ঠিক রেটটা জানতে Seller Help Center-এর Self Service Tools-এ "Seller Commission" অপশনটা খুলে দেখুন।
এর বাইরে দুটো খরচ আপনার ইচ্ছার ওপর। একটা হলো Free Shipping Max, ছোট করে FSM। এতে যোগ দিলে কাস্টমার একটা নির্দিষ্ট অঙ্কের বেশি কিনলে ফ্রি ডেলিভারি পান, সেই অঙ্ক Daraz ঠিক করে। বদলে আপনি প্রতিটা ডেলিভারি হওয়া প্রোডাক্টে একটা ফি দেন। Daraz-এর FSM পেজে লেখা, ১ জুন ২০২৬ থেকে এই ফি ৫%, প্রতিটায় সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা। আগে ছিল ৩%, সর্বোচ্চ ২০০ টাকা। যোগ দিলে কমপক্ষে ৩০ দিন থাকতে হয়, তার আগে বের হওয়া যায় না। আরেকটা হলো দারাজের ভেতরের অ্যাড। Seller Center-এ Product Ads বানিয়ে সার্চে ওপরে আসা যায়, তবে সেই টাকা কমিশনের বাইরে আলাদা যায়।
বিক্রির টাকা কবে আর কীভাবে আসে?
Daraz-এর Payment Policy অনুযায়ী টাকার হিসাব হয় সপ্তাহে একবার। একটা সাপ্তাহিক সাইকেল শেষ হওয়ার পরের দিন Seller Center-এর Reports অংশে স্টেটমেন্ট দেখা যায়। সাইকেলের শেষ দিনের ৫ দিন পর টাকা ব্যাংক একাউন্টে পাঠানো হয়। সেদিন ছুটি বা সাপ্তাহিক বন্ধ পড়লে টাকা যায় পরের কর্মদিবসে।
এখানে একটা জরুরি শর্ত আছে। হিসাবে আসে শুধু সেই অর্ডার, যেটা Seller Center-এ "Delivered" হয়েছে। পার্সেল হাবে দিয়ে দিলেই টাকা পাওয়ার হিসাব শুরু হয় না, কাস্টমারের হাতে পৌঁছানো পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। আর টাকা পাওয়ার পরে কাস্টমার প্রোডাক্ট ফেরত দিলে, পরের সাইকেলের টাকা থেকে সেই অঙ্কটা কেটে নেওয়া হয়, আর প্রোডাক্টটা আপনার কাছে ফেরত আসে।
একটা উদাহরণে দেখুন সময়টা কত লম্বা হয়। ধরুন শনিবার অর্ডার এলো, রবিবার হাবে দিলেন, বুধবার কাস্টমার পার্সেল নিলেন। আপনার সাইকেল যদি বৃহস্পতিবার শেষ হয়, তাহলে শুক্রবার স্টেটমেন্ট দেখবেন আর পরের মঙ্গলবার টাকা ব্যাংকে যাবে। অর্ডার থেকে টাকা পর্যন্ত প্রায় ১০ দিন। ডেলিভারি সাইকেলের শেষ দিন পার হয়ে গেলে আরও এক সপ্তাহ যোগ হবে। দিনগুলো উদাহরণ, আপনার সাইকেল কোন দিন শেষ হয় সেটা Seller Center-এ দেখে নিন।
তুলনার জন্য বলি, নিজের শপে COD পার্সেল Steadfast দিয়ে পাঠালে ওদের ওয়েবসাইটে লেখা "Payout the next day", মানে প্যানেল থেকে পেমেন্ট রিকোয়েস্ট দিলে ডেলিভারির পরের দিনই টাকা পাওয়া যায়। দারাজে টাকা নিরাপদে আসে, কিন্তু দেরিতে আসে। তাই দারাজে বিক্রি বাড়ার সাথে সাথে স্টক কেনার টাকা এক থেকে দুই সপ্তাহ আটকে থাকবে, সেটা আগে থেকে হিসাবে রাখুন।
আরেকটা ছোট নিয়ম মনে রাখবেন। Payment Policy-তে লেখা, পেমেন্ট পেতে হলে Daraz-এর শিপিং পার্টনারকে দেওয়া প্রতিটা পার্সেলের সই করা এয়ারওয়ে বিলের কপি অন্তত ৩ মাস রেখে দিতে হবে। পার্সেল নিয়ে কোনো ঝামেলা হলে এই কাগজটাই আপনার প্রমাণ।
কোন ভুলে জরিমানা বা একাউন্ট বন্ধ হয়?
দারাজে জরিমানা দুই রকম। একটা সরাসরি টাকা কাটা, আরেকটা নন-কমপ্লায়েন্স পয়েন্ট, ছোট করে NCP। Daraz-এর Financial Penalties Policy অনুযায়ী ১২ পয়েন্ট হলে ৭ দিন আপনার প্রোডাক্ট সার্চে দেখাবে না। পয়েন্ট বাড়লে নতুন প্রোডাক্ট দেওয়া বন্ধ হয়, প্রোডাক্ট অফলাইন হয়। আর ৪৮ পয়েন্ট হলে একাউন্ট চিরতরে বন্ধ। নতুন সেলাররা সবচেয়ে বেশি যে ভুলগুলোতে পড়েন, সেগুলো একে একে বলছি।
৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পার্সেল হাবে না দেওয়া
অর্ডার আসার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পার্সেল হাবে পৌঁছাতে হবে। দেরি হলে প্রতিটা দেরির অর্ডারে প্রোডাক্টের দামের ১% কাটে, বারবার হলে ৫%। গত ৯০ দিনে ৯০%-এর বেশি অর্ডার সময়মতো দিলে এই জরিমানা মাফ। তাই রোজ একটা নির্দিষ্ট সময় হাবে যাওয়ার জন্য রাখুন।
স্টক না থাকায় নিজে অর্ডার ক্যানসেল করা
এটাই সবচেয়ে দামি ভুল। সেলারের কারণে অর্ডার ক্যানসেল হলে প্রোডাক্টের দামের ২০% জরিমানা, প্রতিটায় সর্বোচ্চ ৪০০ টাকা। ১,২০০ টাকার পাঞ্জাবি স্টকে নেই বলে ক্যানসেল করলে যাবে ২৪০ টাকা। ফেসবুকে যে মাল বিক্রি হয়ে গেছে, দারাজে তার স্টক সাথে সাথে শূন্য করে দিন। গত ৯০ দিনে ক্যানসেলের হার ১%-এর নিচে থাকলে এই জরিমানা লাগে না।
খারাপ, নষ্ট বা ছবির সাথে না মেলা প্রোডাক্ট পাঠানো
কাস্টমার কোয়ালিটির কারণে ফেরত দিলে আর Daraz-এর QC সেটা আপনার দোষ বললে, দামের ২০% জরিমানা, সর্বোচ্চ ৪০০ টাকা। গত ৯০ দিনে এমন ফেরতের হার ১%-এর নিচে থাকলে আর প্রোডাক্টটা কোয়ালিটি স্কোরে ফ্ল্যাগ না হলে এই জরিমানা লাগে না। ছবিতে এক জিনিস দেখিয়ে আরেক জিনিস পাঠালে সেটা Fair Trade Policy-তে প্রতারণা ধরা হয়। প্রথমবারে ৬ পয়েন্ট, দ্বিতীয়বারে ২৪, তৃতীয়বারে ৪৮ পয়েন্ট আর একাউন্ট বন্ধ।
কাস্টমারকে নিজের পেজ বা হোয়াটসঅ্যাপে ডাকা
ফেসবুকের সেলাররা এই ভুলটা না বুঝেই করে ফেলেন। Fair Trade Policy-তে দারাজের কাস্টমারকে নিজের ফোন বা হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর, ইমেইল, ফেসবুক পেজ বা ওয়েবসাইটের লিংক দেওয়া নিষেধ। দারাজের বাইরে অর্ডার করতে বলাও নিষেধ। প্রথমবার ধরা পড়লে ৬ পয়েন্ট আসে, দ্বিতীয়বারে ২৪, তৃতীয়বারে ৪৮ পয়েন্ট আর একাউন্ট বন্ধ। পলিসিতে এটাও লেখা, এমন ক্ষেত্রে Daraz আপনার পেআউট আটকে রাখতে পারে। তাই দারাজের পার্সেলে নিজের পেজের লিংক লেখা কার্ড ঢোকাবেন না।
নিজের প্রোডাক্ট নিজে বা আত্মীয়কে দিয়ে অর্ডার করানো
রিভিউ বা বিক্রির সংখ্যা বাড়াতে নিজের প্রোডাক্ট নিজে কিনলে প্রতিবার সর্বোচ্চ ৩৬ পয়েন্ট আসে। দুইবার পুরো ৩৬ পয়েন্ট এলেই ৪৮ পার হয়ে যায়। প্রথম রিভিউগুলো আসুক আসল কাস্টমার থেকে, তাতে সময় একটু বেশি লাগলেও একাউন্ট থাকে।
একটা ভালো খবরও আছে। Financial Penalties Policy-তে লেখা, জরিমানা হওয়ার পর পরের ৩ সপ্তাহ আর কোনো জরিমানা না হলে আর পারফরম্যান্স ভালো হলে জরিমানার ৫০% ফেরত দেওয়া হয়। আর ভুল দাম বা ডুপ্লিকেট অর্ডারের কারণে ক্যানসেল করতে হলে নিজে না করে Seller Support-কে দিয়ে করান, তাহলে জরিমানা লাগে না। ভুল জরিমানা মনে হলে Help Center থেকে প্রমাণসহ ক্লেইম করা যায়।
একটা অর্ডারে দারাজে কত থাকে, নিজের শপে কত (উদাহরণ)
নিচের হিসাবটা একটা উদাহরণ, কোনো দোকানের আসল হিসাব না। দারাজের ফি Daraz-এর পেজ থেকে নেওয়া, বাকি খরচ আন্দাজ। নিজের দাম বসিয়ে একবার মিলিয়ে নিন।
ধরুন আপনি একটা পাঞ্জাবি ১,২০০ টাকায় বেচেন। কিনতে পড়ে ৬৫০ টাকা, প্যাকেটে যায় ২৫ টাকা। দুই জায়গাতেই ডেলিভারি চার্জ কাস্টমার দেন।
দারাজে এই পাঞ্জাবি ডেলিভারি হলে কাটবে এভাবে। কমিশন ১৭.৩৯% মানে ২০৮.৬৮ টাকা, তার ওপর ১৫% VAT যোগ করে প্রায় ২৪০ টাকা। পেমেন্ট ফি ৩.০৯% মানে প্রায় ৩৭ টাকা। দাম ১,০০০ টাকার বেশি বলে হ্যান্ডলিং ফি ২৩ টাকা। সব মিলিয়ে প্রায় ৩০০ টাকা, আপনার ব্যাংকে আসবে প্রায় ৯০০ টাকা। ধরুন হাবে যাওয়া-আসায় দিনে ১০০ টাকা খরচ হয় আর দিনে ৫টা পার্সেল দেন, তাহলে পার্সেলপ্রতি আরও ২০ টাকা। হাতে থাকে ৯০০ − ৬৫০ − ২৫ − ২০ = ২০৫ টাকা। প্রথম ৩০ দিনের ০% কমিশনের সময়ে এই অঙ্ক প্রায় ৪৪৫ টাকা হবে। আর নতুন সেলারের ফ্রি সময়টা পার হওয়ার পরে FSM-এ থাকলে ৫% মানে আরও ৬০ টাকা কেটে হাতে থাকবে ১৪৫ টাকা।
নিজের শপে একই পাঞ্জাবি Facebook অ্যাড দিয়ে বেচলে হিসাবটা অন্যরকম। Steadfast-এর ১% COD চার্জে যায় প্রায় ১২ টাকা। ধরুন প্রতিটা ডেলিভারি হওয়া অর্ডারের পেছনে অ্যাডে গেছে ২০০ টাকা। ফেরত আসা পার্সেলের কুরিয়ার চার্জ আর নষ্ট প্যাকেট ভাগ করে দিলে অর্ডারপ্রতি ধরুন আরও ৪০ টাকা। হাতে থাকে ১,২০০ − ৬৫০ − ২৫ − ১২ − ২০০ − ৪০ = ২৭৩ টাকা।

এখানে আসল শিক্ষাটা সংখ্যার পার্থক্যে না। দারাজ যে প্রায় ৩০০ টাকা নেয়, নিজের শপে সেই টাকাটাই যায় অ্যাড আর ফেরতের পেছনে। কোনটায় বেশি থাকবে, সেটা ঠিক করে দেয় আপনার একটা সংখ্যা, ডেলিভারি হওয়া প্রতিটা অর্ডারে অ্যাডের খরচ। এই উদাহরণে সেটা প্রায় ২৭০ টাকা ছাড়ালে দারাজেই বেশি থাকে। ২০০ টাকার নিচে নামাতে পারলে নিজের শপ ভালোভাবে এগিয়ে যায়।
দ্বিতীয় অর্ডারে পার্থক্যটা অনেক বড় হয়। নিজের শপের কাস্টমারকে পরের মাসে একটা ফোন দিলেই আরেকটা অর্ডার আসতে পারে, তখন অ্যাডের ২০০ টাকা লাগে না। দারাজের কাস্টমারকে আপনি আলাদা করে ডাকতে পারবেন না, তিনি আবার কিনলে আবারও ৩০০ টাকা কাটবে।
দারাজ নাকি নিজের শপ, নাকি দুটোই?
দারাজের সুবিধাগুলো সত্যি। কাস্টমার আনতে আপনাকে অ্যাড শিখতে হয় না, মানুষ নিজেই দারাজে সার্চ করে কেনেন। প্রোডাক্ট লিস্ট করতে টাকা লাগে না, ডেলিভারি আর টাকা তোলার কাজ দারাজ করে, আর টাকা সাপ্তাহিক নিয়মে ব্যাংকে আসে। ১১.১১-এর মতো ক্যাম্পেইনে এক দিনে অনেক অর্ডার আসার সুযোগ থাকে। নতুন সেলারের জন্য Daraz University-তে ফ্রি ট্রেনিংও আছে।
অসুবিধাগুলোও সত্যি। কাপড়ের মতো ক্যাটাগরিতে কমিশন, VAT আর ফি মিলে দামের প্রায় চার ভাগের এক ভাগ যায়। একই প্রোডাক্ট অনেক সেলার একসাথে বেচেন, কাস্টমার এক স্ক্রিনেই সবার দাম দেখেন, তাই দাম নিয়ে টানাটানি বেশি। নিয়মও কড়া, ১,২০০ টাকার একটা পাঞ্জাবির অর্ডার নিজে ক্যানসেল করলেই ২৪০ টাকা চলে যেতে পারে। টাকাও হাতে আসে এক-দুই সপ্তাহ পরে। আর সবচেয়ে বড় কথা, কাস্টমার থাকেন দারাজের, আপনার লিস্টে আসেন না।
তাহলে কার জন্য কোনটা? যিনি সবে শুরু করছেন আর অ্যাডে এখনো হাত পাকেনি, তাঁর জন্য দারাজ ভালো জায়গা। এখানে ঝুঁকি কম, অ্যাডে টাকা ঢেলে ক্ষতির ভয় নেই। যে জিনিস মানুষ নাম ধরে খোঁজেন, যেমন চার্জার, পাওয়ার ব্যাংক বা ফোনের কভার, সেগুলো দারাজে ভালো চলে। আবার যে প্রোডাক্ট কাস্টমার বারবার কেনেন, যেমন মধু, ঘি বা স্কিন কেয়ার, সেগুলোর লাভ আসে দ্বিতীয় আর তৃতীয় অর্ডার থেকে। সেখানে নিজের শপ আর নিজের কাস্টমার লিস্ট ছাড়া চলে না।
অনেক সেলার দুটোই চালান, আর সেটা বুদ্ধিমানের কাজ। দারাজ থেকে আসে নতুন বিক্রি আর বাজার বোঝার সুযোগ, কোন ডিজাইন মানুষ বেশি দেখে সেটা টের পাওয়া যায়। নিজের ফেসবুক পেজ আর ওয়েবসাইট থেকে আসে নিজের কাস্টমার, যাঁদের কাছে বারবার বেচা যায়। শুধু দুই দোকান আলাদা রাখুন। দারাজের কাস্টমারকে নিজের পেজে টানবেন না, আর দুই জায়গায় একই প্রোডাক্টের স্টক মিলিয়ে রাখুন, যাতে দারাজের অর্ডার ক্যানসেল করতে না হয়। নিজের অনলাইন স্টোর কেন লাগে আর পেজের সাথে সেটা কীভাবে চলে, সেটা লেখা আছে ফেসবুক পেজ থেকে নিজের অনলাইন স্টোরের লেখায়। আর নিজের ওয়েবসাইটে আসলে কত খরচ পড়ে, তার হিসাব আছে ই-কমার্স ওয়েবসাইটের খরচের লেখায়।
আজ কোথা থেকে শুরু করবেন?
আজ থেকেই কাজগুলো এভাবে শুরু করুন। নিজের নামে ব্যাংক একাউন্ট না থাকলে খুলে ফেলুন, কারণ এটা ছাড়া দারাজের টাকা আসবে না। তারপর যে ১০টা প্রোডাক্ট দিয়ে শুরু করবেন, সেগুলোর ছবি আর দাম রেডি করুন। দাম ঠিক করবেন ওপরের টেবিল থেকে নিজের ক্যাটাগরির কমিশন ধরে, যাতে ০% কমিশনের ৩০ দিন শেষ হওয়ার পরেও লাভ থাকে। এরপর সাইন আপ করুন। আর নিজের শপে একটা অর্ডারের পেছনে অ্যাডে কত যায়, গত মাসের হিসাব থেকে সেটা বের করে ওপরের উদাহরণের সাথে মিলিয়ে দেখুন।
দারাজের পাশাপাশি নিজের শপ চালাতে চাইলে WinningSeller-এ নিজের ডোমেইনে স্টোর খোলা যায়, আর AI দিয়ে ৫ মিনিটে একটা প্রোডাক্টের ল্যান্ডিং পেজ বানানো যায়। Steadfast, Pathao, RedX সহ ৬টা কুরিয়ারে এক ক্লিকে পার্সেল বুক হয়, নম্বর দিয়ে ফ্রড চেক হয়। ডেলিভারির পরে পুরনো কাস্টমারকে আবার ফোন দেওয়ার ফলোআপ কল সিস্টেমও আছে, কারণ নিজের শপের কাস্টমার আপনার নিজের লিস্টেই থাকেন। আগে চালিয়ে দেখতে পারেন (প্রথম মাস মাত্র ৯৯ টাকা, তারপর রেগুলার দাম), প্ল্যানের দাম এখানে দেখে নিন।
সাধারণ প্রশ্ন
দারাজ সেলার একাউন্ট খুলতে কি টাকা লাগে?
না, খুলতে কোনো টাকা লাগে না, আর Daraz-এর নিজের পেজে লেখা আছে প্রোডাক্ট লিস্ট করতেও কোনো ফি নেই। টাকা কাটে বিক্রি হলে, ডেলিভারি হওয়া প্রতিটা প্রোডাক্ট থেকে কমিশন, পেমেন্ট ফি আর হ্যান্ডলিং ফি হিসেবে। নতুন সেলারদের জন্য প্রথম ৩০ দিন প্ল্যাটফর্ম কমিশন ০% রাখার অফার Seller Center-এর পেজে লেখা আছে।
ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া কি দারাজে সেলার হওয়া যায়?
হ্যাঁ, যায়। ব্যক্তি হিসেবে খুললে লাগে আপনার NID আর ব্যাংকের কাগজ, মানে নিজের ব্যাংক একাউন্টের একটা চেক। ট্রেড লাইসেন্স লাগে শুধু তখন, যখন ব্যবসার নামে বিজনেস সেলার হিসেবে খুলবেন।
দারাজ কত পার্সেন্ট কমিশন কাটে?
রেটটা ক্যাটাগরি অনুযায়ী আলাদা হয়। Daraz-এর মে ২০২৬-এর কমিশন লিস্টে পাঞ্জাবি, শাড়ি আর সালোয়ার কামিজে ১৭.৩৯%, মধুতে ১০.৪৩%, ফেস কেয়ারে ১৪.০৬%, সবই VAT ছাড়া। এর ওপর VAT, ৩.০৯% পেমেন্ট ফি আর প্রোডাক্টপ্রতি ৫ থেকে ২৪ টাকার হ্যান্ডলিং ফি কাটে।
দারাজ সেলার বিক্রির টাকা কবে পায়?
Daraz সপ্তাহে একবার টাকা পাঠায়। ওদের Payment Policy অনুযায়ী সাপ্তাহিক সাইকেল শেষ হওয়ার পরের দিন স্টেটমেন্ট দেখা যায়, আর শেষ দিনের ৫ দিন পর টাকা ব্যাংক একাউন্টে পাঠানো হয়। শুধু "Delivered" হওয়া অর্ডারের টাকাই এই হিসাবে আসে।
দারাজের টাকা কি bKash-এ নেওয়া যায়?
Daraz-এর Payment Policy-তে লেখা আছে টাকা যায় ইন্টার ব্যাংক ট্রান্সফারে, সেলারের ব্যাংক একাউন্টে। সাইন আপেও ব্যাংকের কাগজ চায়। তাই শুধু bKash দিয়ে ব্যবসা চালালে আগে নিজের নামে একটা ব্যাংক একাউন্ট খুলে নিন।
দারাজের কাস্টমারকে কি নিজের ফেসবুক পেজে আনা যায়?
না, এটা Daraz-এর নিয়মে নিষেধ। Fair Trade Policy-তে কাস্টমারকে নিজের ফোন বা হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর, ফেসবুক পেজ বা ওয়েবসাইটের লিংক দেওয়া আর দারাজের বাইরে অর্ডার করতে বলা নিষেধ। প্রথমবার ধরা পড়লে ৬ নন-কমপ্লায়েন্স পয়েন্ট আসে, তৃতীয়বারে ৪৮ পয়েন্ট আর একাউন্ট বন্ধ।
আরও পড়ুন
খেলনা ব্যবসার আইডিয়া, কোন খেলনা অনলাইনে চলে আর নিরাপত্তার নিয়ম
বাচ্চাদের খেলনা অনলাইনে বেচতে চাইলে কোন খেলনা চলে, চকবাজার থেকে প্রথম লট কীভাবে নেবেন, ২০২৬ সালে BSTI-র তালিকায় খেলনা আসার মানে কী, ব্যাটারির খেলনা চালিয়ে দেখা, মাপ বোঝানো ছবি আর না ভাঙার প্যাকিং, একটা লটের টাকার হিসাবসহ।
থ্রিফট শপিং কি? পুরনো বিদেশি জ্যাকেট-শার্টের থ্রিফট ব্যবসার নিয়ম
থ্রিফট শপিং কি, মাল কোথা থেকে আসে আর পুরনো কাপড় আমদানির নিয়ম কী বলে, গাইট খুলে বাছাই, ধোয়া আর ছবি, কন্ডিশন সত্যি করে লেখা, আর একটা গাইট থেকে এক পিসের দাম কীভাবে বের করবেন, হিসাবসহ।
অনলাইনে শাড়ির ব্যবসা, তাঁতের শাড়ি থেকে প্রথম লট, ছবি আর ফেরত
অনলাইনে শাড়ির ব্যবসা শুরু করবেন? কোন শাড়ি চলে, টাঙ্গাইলের হাট আর পাইকার, BSTI-র ২০২৬ সালের নতুন শাড়ির নিয়ম, মডেল ছাড়া শাড়ির ছবি, মাপ আর যত্নের কথা লেখা, আর একটা লটে কত থাকে, হিসাবসহ।


