WinningSeller
অনলাইন ব্যবসা শুরু১৪ মিনিটে পড়া যায়

ডিবিআইডি নিবন্ধন, অনলাইন সেলারের DBID নেওয়ার নিয়ম ধাপে ধাপে

DBID ফ্রি, আর ট্রেড লাইসেন্স ছাড়াও হয়। কী কী লাগে, dbid.gov.bd-তে কোন স্ক্রিনে কী দেবেন, পেজে বাংলায় কোন শর্ত না থাকলে আবেদন আটকায়, কত দিনে নম্বর আসে, আর ভুল হলে কী করবেন, সব সরকারি পেজ দেখে লেখা।

ডিবিআইডি নিবন্ধন, অনলাইন সেলারের DBID নেওয়ার নিয়ম ধাপে ধাপে
এই লেখায় যা আছে
  1. ডিবিআইডি কী, অনলাইন সেলারের কেন লাগে?
  2. DBID কি বাধ্যতামূলক, নিয়মটা কোথায় লেখা?
  3. ডিবিআইডি নিবন্ধন করতে কী কী লাগে?
    1. পেজে বাংলায় শর্তের পোস্ট, যেটা ছাড়া আবেদন আটকে যায়
  4. ধাপ ১: dbid.gov.bd-তে অ্যাকাউন্ট খোলা
  5. ধাপ ২: ব্যবসার তথ্য আর পেজ বা ওয়েবসাইটের লিংক
  6. ধাপ ৩: কাগজ আপলোড আর জমা
  7. সার্টিফিকেট কত দিনে আসে, নম্বরটা কোথায় দেখাবেন?
  8. আবেদন আটকে গেলে বা ভুল হলে কী করবেন?
  9. আজ কোন কাজটা করবেন?

ডিবিআইডি নিবন্ধন মানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের dbid.gov.bd ওয়েবসাইটে নিজের অনলাইন ব্যবসাটা রেজিস্টার করে একটা ডিজিটাল বিজনেস আইডি নম্বর নেওয়া। পুরো আবেদন অনলাইনে হয়, আর এর জন্য কোনো ফি লাগে না। ট্রেড লাইসেন্স না থাকলেও আবেদন করা যায়। লাগবে আপনার NID, NID-তে রেজিস্টার করা একটা মোবাইল নম্বর, নিজের ছবি আর স্বাক্ষর, আর একটা চালু ফেসবুক পেজ বা ওয়েবসাইট, যেখানে বাংলায় কেনাবেচার শর্ত লেখা আছে। সাইটে বলা আছে, আবেদনের পর সর্বোচ্চ ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে DBID দেওয়া হয়।

নিচের নিয়ম, কাগজের লিস্ট আর স্ক্রিনের নামগুলো dbid.gov.bd-র আবেদনের তথ্য, FAQ আর ইউজার গাইড পেজ থেকে নেওয়া, ২০২৬ সালের মার্চ-এপ্রিলে সেখানে যেমন লেখা ছিল। সরকারি সাইটে নিয়ম মাঝে মাঝে চেঞ্জ হয়, তাই আবেদনের দিন পেজগুলো আরেকবার দেখে নেবেন।

ডিবিআইডি কী, অনলাইন সেলারের কেন লাগে?

DBID-র পুরো নাম Digital Business Identification। এটা অনলাইনে ব্যবসা করা মানুষ আর প্রতিষ্ঠানের জন্য সরকারের দেওয়া একটা পরিচয় নম্বর। ২০২১ সালে কয়েকটা বড় অনলাইন কোম্পানিতে মানুষের অগ্রিম টাকা আটকে গিয়েছিল। এরপর বাণিজ্য মন্ত্রণালয় দেশের সব অনলাইন ব্যবসাকে এক জায়গায় রেজিস্টার করানোর কাজ শুরু করে, আর ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে DBID চালু হয়। The Financial Express-এর খবরে আর dbid.gov.bd-র খবরের অংশে এই তারিখটা পাবেন। The Business Standard-এর ৩০ জুন ২০২২-এর খবর অনুযায়ী নম্বরটা দেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে RJSC, মানে যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর।

ফেসবুক পেজ থেকে বিক্রি করলে এটা আপনার জন্যও। dbid.gov.bd-র খবরের পেজেই বলা আছে, যাঁরা ফেসবুক দিয়ে অনলাইনে ব্যবসা করবেন, তাঁদেরও রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আসতে হবে। অনলাইনে পড়ানো বা ট্রেনিং দিলেও DBID লাগে, সাইটের FAQ-তে এটা আলাদা করে লেখা।

নিয়মের বাইরেও এর একটা কাজের দিক আছে। dbid.gov.bd-র হোমপেজে "ডিবিআইডি অনুসন্ধান" নামে একটা অপশন আছে, যেখানে যে কেউ একটা DBID নম্বর মিলিয়ে দেখতে পারেন। নতুন কাস্টমার অচেনা পেজকে অগ্রিম দিতে ভয় পান, এটা প্রায় সব সেলারই জানেন। পেজে একটা সরকারি নম্বর থাকলে আর কাস্টমার নিজে সেটা মিলিয়ে নিতে পারলে সেই ভয়টা একটু কমে।

তবে DBID সব কাগজের কাজ করে না, এটা শুরুতেই জেনে রাখুন। bKash মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট বা ব্যাংকে ব্যবসার নামে অ্যাকাউন্ট খুলতে ট্রেড লাইসেন্সই চায়, DBID দিয়ে সেটা হয় না। ট্রেড লাইসেন্স কোথায় আর কীভাবে করবেন, সেটা আলাদা করে লেখা আছে অনলাইন ব্যবসার ট্রেড লাইসেন্সের লেখায়। আর লাইসেন্স ছাড়া bKash-এ অগ্রিম নেওয়ার রাস্তা আছে bKash মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টের লেখায়।

DBID কি বাধ্যতামূলক, নিয়মটা কোথায় লেখা?

নিয়মটা তিন জায়গায় লেখা আছে, আর তিনটার ওজন এক না। তাই একটা একটা করে বলছি।

প্রথমটা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা ২০২১, যেটা গেজেট হয়েছে ৪ জুলাই ২০২১-এ। এর ৩.১.১২ অনুচ্ছেদে বলা আছে, অনলাইনে ব্যবসা করা প্রত্যেক মানুষ বা প্রতিষ্ঠানকে ট্রেড লাইসেন্স, VAT রেজিস্ট্রেশন, TIN, ইউনিক বিজনেস আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (UBID) বা পার্সোনাল রিটেইল অ্যাকাউন্টের (PRA) নম্বর, এর অন্তত একটা নিতে হবে, আর সেটা পেজে দেখাতে হবে। পরের অনুচ্ছেদ ৩.১.১৩-তে বলা হয়েছে, UBID ধাপে ধাপে সবার জন্য বাধ্যতামূলক করা হবে। পরে এই UBID-ই DBID নামে চালু হয়েছে।

দ্বিতীয়টা DBID-র নিজের ২০২২ সালের নির্দেশিকা। dbid.gov.bd-র আবেদনের তথ্য পেজে এর শর্তগুলো তোলা আছে। সেখানে পরিষ্কার লেখা, DBID ছাড়া ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ব্যবসা করা যাবে না। যাঁরা আগে থেকে ব্যবসা করছিলেন, তাঁদের নির্দেশিকা বের হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে বলা হয়েছিল। আর নতুন কেউ ব্যবসা শুরুর আগে পেজ বা ওয়েবসাইট খুলে সেই লিংক দিয়ে আবেদন করবেন।

তৃতীয়টা শাস্তির কথা, যেটা নিয়ে "DBID ছাড়া অনলাইন ব্যবসায় ১ বছর জেল" ধরনের পোস্ট এখন ফেসবুকে ঘুরছে। bdnews24.com-এর ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর খবর অনুযায়ী বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ভোক্তা অধিকার আইন ২০০৯ সংশোধনের একটা ড্রাফট মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে দিয়েছে, ৩০ দিন মানুষের মতামত নেওয়ার জন্য। সেই ড্রাফটে আছে, DBID ছাড়া ব্যবসা চালালে এক বছর কারাদণ্ড বা ২ লাখ টাকা জরিমানা। এটা এখনো ড্রাফট, সংসদে বা অধ্যাদেশে পাস হওয়া আইন না। তাই কেউ ভয় দেখিয়ে টাকা চাইলে ঘাবড়াবেন না।

তাহলে আপনার জন্য সিদ্ধান্তটা সহজ। নির্দেশিকা এখনই DBID চায়, আর শাস্তির আইনও আসার পথে। তার ওপর এটা নিতে এক টাকাও লাগে না। পেজে নিয়মিত অর্ডার আসতে শুরু করলে এই মাসেই আবেদনটা করে ফেলুন। শুধু পরীক্ষা করে দেখার জন্য কয়েক দিন একটা প্রোডাক্ট পোস্ট করেছেন, এমন হলে আগে দেখুন ব্যবসাটা চালাবেন কি না, কারণ একটা ব্যবসার জন্য DBID একটাই আর পরে নাম চেঞ্জ করা যায় না।

ডিবিআইডি নিবন্ধন করতে কী কী লাগে?

dbid.gov.bd-র আবেদনের তথ্য পেজে "প্রয়োজনীয় কাগজপত্র" নামে একটা লিস্ট আছে। এর কিছু জিনিস সবার লাগে, কিছু লাগে শুধু কিছু ক্ষেত্রে, আর কিছু না থাকলেও চলে। ফেসবুকে বিক্রি করা একজন ছোট সেলারের দিক থেকে সেটা এভাবে ভাগ করা যায়।

কী লাগবে কার লাগবে
নিজের ছবি আর স্বাক্ষর, NID নম্বর, NID-তে রেজিস্টার করা মোবাইল নম্বর সবার
চালু ফেসবুক পেজ বা ওয়েবসাইট, যেখানে বাংলায় কেনাবেচার শর্ত লেখা সবার
বাড়িওয়ালার NID নম্বর, বিদ্যুৎ বিলের কপি বা অফিস ভাড়ার চুক্তির কপি অফিস ভাড়া নেওয়া হলে
প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান আর পরিচালকদের NID নম্বর কোম্পানি হলে
ট্রেড লাইসেন্স, কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন, VAT (BIN) বা TIN নম্বর, চেয়ারম্যান বা কাউন্সিলরের সুপারিশ থাকলে দেবেন, না থাকলেও চলে

ভাড়া অফিসের ব্যাপারটা একটু খেয়াল করুন। সাইটের FAQ বলছে, ভাড়া অফিস হলে বাড়িওয়ালার নাম, NID নম্বর, মোবাইল নম্বর আর অফিস ভাড়ার চুক্তির কপি লাগবে। ফর্মে অফিসের জায়গা নিজের না ভাড়া, সেটা জিজ্ঞেস করা হয়। আপনি যদি ভাড়া বাসা থেকেই ব্যবসা চালান আর "ভাড়া" দেন, তাহলে বাড়িওয়ালার এই তথ্যগুলো হাতে রাখতে হবে। অনেক বাড়িওয়ালা NID নম্বর দিতে দ্বিধা করেন, তাই আবেদনের আগেই তাঁর সাথে কথা বলে নিন। মাঝপথে আটকে গেলে পুরো আবেদন ঝুলে থাকে।

পেজে বাংলায় শর্তের পোস্ট, যেটা ছাড়া আবেদন আটকে যায়

কাগজের চেয়েও বেশি জরুরি এই জিনিসটা, অথচ অনেক সেলারের পেজে এটা থাকে না। DBID-র নির্দেশিকায় লেখা আছে, পেজে বা ওয়েবসাইটে বাংলায় কেনাবেচার শর্ত থাকতে হবে। সেখানে ডেলিভারির সময়, টাকা ফেরত, প্রোডাক্ট ফেরত আর বিক্রির পরের সাপোর্টের কথা পরিষ্কার লেখা থাকতে হবে। ফেসবুক পেজ হলে কোথায় রাখবেন, সেটাও সাইটের FAQ-তে বলা আছে। শর্তগুলো একটা পোস্টে লিখে পোস্টটা পিন করে রাখতে হবে। ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকার ৩.১.১৭ অনুচ্ছেদেও একই কথা আছে, ফেসবুক পেজেও এই শর্ত বাংলায় লেখা থাকতে হবে।

নিচের পোস্টটা একটা উদাহরণ। ব্র্যাকেটের দিন আর টাকার অঙ্ক নিজের ব্যবসা অনুযায়ী বসাবেন, যেটা আপনি সত্যিই মানতে পারবেন সেটাই লিখবেন।

  1. অর্ডার। ইনবক্সে বা ওয়েবসাইটে অর্ডার দিলে আমরা ফোন করে অর্ডার কনফার্ম করি। কনফার্ম না হলে পার্সেল পাঠানো হয় না।
  2. ডেলিভারির সময়। অর্ডার কনফার্মের পর ঢাকার ভেতরে [২ থেকে ৩] দিন আর ঢাকার বাইরে [৩ থেকে ৫] দিনের মধ্যে পার্সেল পৌঁছায়। দেরি হলে আমরা নিজে ফোন করে জানাব।
  3. ডেলিভারি চার্জ। ঢাকার ভেতরে [৭০] টাকা, ঢাকার বাইরে [১৩০] টাকা। কোনো অর্ডারে অগ্রিম চাইলে সেটা অর্ডারের সময়েই জানিয়ে দেব।
  4. প্রোডাক্ট ফেরত বা চেঞ্জ। ডেলিভারিম্যানের সামনে পার্সেল খুলে দেখে নেবেন। প্রোডাক্ট ভাঙা, ভুল সাইজের বা ছবির সাথে না মিললে [৩] দিনের মধ্যে জানালে আমরা চেঞ্জ করে দেব বা ফেরত নেব।
  5. টাকা ফেরত। অগ্রিম দেওয়া টাকা ফেরত দেওয়ার কথা হলে [৭] দিনের মধ্যে, যে মাধ্যমে টাকা দিয়েছিলেন সেই মাধ্যমেই ফেরত দেব।
  6. বিক্রির পরের সাপোর্ট আর যোগাযোগ। কোনো সমস্যা হলে [মোবাইল নম্বর]-এ ফোন বা পেজের ইনবক্সে মেসেজ দিন। ওয়ারেন্টি থাকা প্রোডাক্টে ওয়ারেন্টির মেয়াদ প্রোডাক্টের পেজে লেখা থাকবে।

প্রতিটা লাইনের একটা কাজ আছে। DBID-র নির্দেশিকা যে চারটা বিষয় নাম ধরে চেয়েছে, ২, ৪, ৫ আর ৬ নম্বর লাইন ঠিক সেগুলোর উত্তর দেয়। ১ আর ৩ নম্বর লাইন রাখা হয়েছে আপনার নিজের সুবিধার জন্য। পরে কোনো কাস্টমার তর্ক করলে আপনি পিন করা পোস্টটা দেখিয়ে দিতে পারবেন। আর পুরো দাম অগ্রিম নিলে ডেলিভারির দিন নির্দেশিকার চেয়ে বেশি লিখবেন না। ডিজিটাল কমার্স নির্দেশিকার ৩.৩.২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তখন কাস্টমার একই শহরে থাকলে ৫ দিনের মধ্যে, আর অন্য শহর বা গ্রামে থাকলে ১০ দিনের মধ্যে ডেলিভারি দিতে হয়।

ধাপ ১: dbid.gov.bd-তে অ্যাকাউন্ট খোলা

DBID-তে আলাদা পাসওয়ার্ড বানিয়ে অ্যাকাউন্ট খোলার ব্যাপার নেই। লগইন হয় সরকারের myGov অ্যাকাউন্ট দিয়ে। আবেদনের তথ্য পেজে দুটো শর্ত লেখা আছে। আবেদন করতে একটা ভেরিফাইড অ্যাকাউন্ট লাগবে, আর সেই অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে এমন মোবাইল নম্বর দিয়ে, যেটা আপনার NID-র সাথে রেজিস্টার করা।

এই দ্বিতীয় শর্তটা হালকাভাবে নেবেন না। অনেকে ব্যবসার জন্য ভাই বা বাবার নামের সিম চালান। সেই নম্বর দিলে আপনার NID-র সাথে মিলবে না, আর ভেরিফিকেশন আটকে যাবে। তার চেয়েও বড় কথা, FAQ অনুযায়ী আবেদন শেষ হয়ে গেলে মোবাইল নম্বর আর এডিট করা যায় না। তাই শুরুতেই নিজের নামের সিমটা ঠিক করে নিন। আপনার NID-তে কোন কোন নম্বর রেজিস্টার করা, সেটা জানতে ফোন থেকে *16001# ডায়াল করে NID-র শেষ ৪টা সংখ্যা দিন। ফিরতি SMS-এ নম্বরগুলোর লিস্ট আসবে।

এবার কাজটা এভাবে করুন। dbid.gov.bd খুলে "আবেদন করুন" বা লগইনে চাপুন, তারপর "আবেদনকারী লগইন" সিলেক্ট করুন। এরপর myGov-এর লগইন স্ক্রিন আসবে। myGov অ্যাকাউন্ট আগে থেকে থাকলে সেটা দিয়ে লগইন করুন। না থাকলে সেখানেই সাইন আপ করুন। নিজের নামের সেই মোবাইল নম্বর দিন, SMS-এ আসা OTP দিয়ে নম্বরটা ভেরিফাই করুন, তারপর myGov যেভাবে বলে সেভাবে NID দিয়ে অ্যাকাউন্টটা ভেরিফাই করুন। লগইন হলে DBID-র ড্যাশবোর্ড খুলবে।

OTP না এলে বা myGov-এ লগইন না হলে DBID-র হেল্প ডেস্ক এটা ঠিক করতে পারবে না, কারণ সমস্যাটা myGov-এর। dbid.gov.bd-র FAQ এই অবস্থায় myGov-এর সাপোর্ট নম্বর 09666727278-এ ফোন দিতে বলে।

ধাপ ২: ব্যবসার তথ্য আর পেজ বা ওয়েবসাইটের লিংক

ড্যাশবোর্ডে "আবেদন করুন" মেনুতে গেলে প্রথমেই একটা প্রশ্ন আসে, আপনি ইতোমধ্যে কোনো সংস্থার সদস্য কি না। এখানে সংস্থা মানে ekShop-এর মতো প্ল্যাটফর্ম বা ব্যবসায়ীদের কোনো সংগঠন। বেশিরভাগ ছোট সেলার কোনোটার সদস্য নন, তাঁরা "না" চাপবেন। সদস্য হলে "হ্যাঁ" চেপে সদস্য নম্বর দিয়ে "যাচাই" করতে হয়। ekShop-এর সদস্য নম্বর মিলছে না, এমন হলে FAQ অনুযায়ী 09638007007 নম্বরে যোগাযোগ করবেন।

এরপর আসে প্রতিষ্ঠানের তথ্য। সাইটের "স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড অপারেশনাল ডকুমেন্ট" অংশে এই ফর্মের যে ঘরগুলোর নাম আছে, সেগুলো হলো বাংলা আর ইংরেজিতে ব্যবসার নাম, ওয়েবসাইটের লিংক, ফেসবুক পেজের লিংক, অফিস নিজের না ভাড়া, বাংলা আর ইংরেজিতে ঠিকানা, ব্যবসার মোবাইল নম্বর, ইমেইল, কোন সাল থেকে ব্যবসা, আর ব্যবসার ক্যাটাগরি ও ধরন। লাল তারা দেওয়া ঘরগুলো পূরণ করতেই হবে, বাকিগুলো না দিলেও চলে।

এখানে তিনটা জিনিস সাবধানে দেবেন, কারণ পরে চেঞ্জ করা কঠিন।

শুরু করি ব্যবসার নাম দিয়ে। পেজের নাম আর আবেদনের নাম হুবহু এক রাখুন, ট্রেড লাইসেন্স থাকলে সেটার নামও। FAQ-তে লেখা আছে, এখন DBID-তে নাম চেঞ্জ করা যায় না, শুধু বলা হয়েছে শিগগিরই এই সুবিধা আসবে। পেজের নাম "সাকিব গ্যাজেট" আর DBID-তে "সাকিব গ্যাজেট হাউস" হলে কাস্টমার নম্বর মিলিয়ে দেখতে গিয়েই দ্বিধায় পড়বেন।

পেজের লিংকেও একটা ভুল প্রায়ই হয়। ব্যবসার পেজের লিংক দেবেন, নিজের ব্যক্তিগত প্রোফাইলের না। আর একটা লিংক দিয়ে একটাই ব্যবসার আবেদন হয়। FAQ বলছে, একই ওয়েবসাইট বা ফেসবুক লিংক দিয়ে আলাদা আলাদা ব্যবসার DBID নেওয়া যায় না। আপনার দুইটা পেজে দুই রকম ব্যবসা থাকলে দুইটা আলাদা আবেদন করবেন।

শেষে ব্যবসার ধরন। লিস্ট থেকে যেটা আপনার কাজের সাথে মেলে সেটা সিলেক্ট করুন। খাবার বিক্রি করলে FAQ অনুযায়ী ধরন হবে "ফুড এগ্রিগেটর"। আর গ্রামের ঠিকানায় ফ্ল্যাট বা রোড নম্বর না থাকলে ঘরগুলো খালি রেখে গ্রাম, উপজেলা আর জেলা লিখলেই চলবে, এটাও FAQ-তে বলা আছে।

একজন তরুণ পুরুষ সেলার টেবিলে বসে ল্যাপটপে একটা সরকারি আবেদন ফর্ম পূরণ করছেন, পাশে তাঁর জাতীয় পরিচয়পত্র আর মোবাইল ফোন রাখা
আবেদনে বসার আগে NID, নিজের নামের সিম আর পেজের লিংক হাতের কাছে রাখুন

প্রতিষ্ঠানের তথ্যের পর আরও তিনটা ছোট অংশ আসে, একটার পর একটা। প্রথমে মালিকানার তথ্য, তারপর আবেদনকারীর তথ্য, তারপর যোগাযোগের জন্য যিনি থাকবেন তাঁর তথ্য। নাম, NID নম্বর, জন্মতারিখ, ঠিকানা, মোবাইল আর ইমেইল দিয়ে প্রতিটার শেষে "পরবর্তী" চাপুন। মালিক আর আবেদনকারী আপনি নিজেই হলে একই তথ্য দুই জায়গায় দেবেন।

একটা সুবিধার কথা জেনে রাখুন। সাইটের নিয়ম অনুযায়ী "পরবর্তী" চাপলে তার আগের সব তথ্য সেভ থাকে, শুধু সংযুক্ত ফাইলগুলো ছাড়া। তাই নেট চলে গেলে বা মাঝপথে উঠতে হলে ভয় নেই। পরে লগইন করে আবেদনে ঢুকলে সেভ করা তথ্য পাবেন, বাকিটা পূরণ করে শেষ করতে পারবেন।

ধাপ ৩: কাগজ আপলোড আর জমা

এই ধাপে আপনার ছবি আর স্বাক্ষর আপলোড করতে হয়। "Choose File" বাটনে চেপে ফোন বা কম্পিউটার থেকে ফাইল দুটো সিলেক্ট করবেন, তারপর "পরবর্তী"। ছবিটা হালকা রঙের দেয়ালের সামনে দাঁড়িয়ে দিনের আলোতে তুলুন, যাতে মুখ পরিষ্কার দেখা যায়। স্বাক্ষরটা সাদা কাগজে কালো কলমে করে কাছ থেকে ছবি তুলে নিন, তারপর চারপাশের বাড়তি জায়গা ক্রপ করে দিন। ফাইল বড় হওয়ার এরর এলে ছবিটা ছোট করে আবার দিন।

মনে রাখবেন, আগের ধাপের তথ্য সেভ থাকলেও সংযুক্ত ফাইল সেভ থাকে না। তাই আপলোডের কাজটা এক বসায় শেষ করুন, আর ফাইল দুটো আগে থেকেই ফোনে তৈরি রাখুন।

এরপর সাইট আপনার সব তথ্য একসাথে দেখাবে। এটা মন দিয়ে পড়ুন, কারণ এটাই শেষ সুযোগ। কোথাও ভুল থাকলে "পূর্ববর্তী" বাটনে বা অ্যাপ্লিকেশন টাইমলাইনের ট্যাবে গিয়ে ঠিক করুন। সব ঠিক থাকলে "দাখিল" বাটনে চাপুন। জমা দেওয়ার আগে এই কয়েকটা জিনিস শেষবার মিলিয়ে নিন।

  • পেজে বাংলায় শর্তের পোস্টটা পিন করা আছে, আর পেজটা চালু আছে।
  • আবেদনে পেজের লিংক দিয়েছেন, ব্যক্তিগত প্রোফাইলের না।
  • ব্যবসার নাম পেজের নামের সাথে হুবহু মিলেছে।
  • মোবাইল নম্বরটা আপনার নিজের NID-তে রেজিস্টার করা, আর সেটা আপনি অনেক দিন রাখবেন।
  • ঠিকানায় থানা, উপজেলা আর জেলার নাম ঠিক আছে।

"দাখিল" চাপার পর প্রতিটা আবেদনের জন্য একটা আলাদা ট্র্যাকিং নম্বর দেওয়া হয়। এটা লিখে রাখুন বা স্ক্রিনশট নিয়ে রাখুন। হারিয়ে গেলেও চিন্তা নেই, FAQ অনুযায়ী ড্যাশবোর্ডে লগইন করলে আবেদনের সব তথ্য আর ট্র্যাকিং নম্বর পাওয়া যায়।

সার্টিফিকেট কত দিনে আসে, নম্বরটা কোথায় দেখাবেন?

dbid.gov.bd-র আবেদনের তথ্য পেজে সেবা দেওয়ার সময় লেখা আছে ৬০ কার্যদিবস, আর FAQ বলছে সর্বোচ্চ ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে DBID দেওয়া হয়। কার্যদিবস মানে অফিস খোলার দিন। সপ্তাহে দুই দিন ছুটি ধরলে ৬০ কার্যদিবস মানে ১২ সপ্তাহ, মানে প্রায় তিন মাস, আর মাঝে সরকারি ছুটি পড়লে আরও কিছু দিন। কোনো ব্যাংক বা পার্টনার DBID চাইলে তাঁকে আগে থেকেই এই সময়ের কথা বলে রাখুন।

অপেক্ষার মাঝে আবেদন কোথায় আছে, সেটা নিজেই দেখতে পারবেন। dbid.gov.bd-র হোমপেজে "ট্র্যাক ডিবিআইডি" নামে একটা অংশ আছে, সেখানে ট্র্যাকিং নম্বর আর সাইট যে তথ্য চায় সেটা দিয়ে খুঁজলে আবেদনের অবস্থা দেখা যায়। আবেদন অনুমোদন হলে ড্যাশবোর্ড থেকেই সার্টিফিকেট ডাউনলোড করতে পারবেন। একটা কপি ফোনে আর একটা প্রিন্ট করে ব্যবসার কাগজের ফাইলে রাখুন।

নম্বর পাওয়ার পর সেটা পেজে দেখানো আপনার দায়িত্ব। DBID-র নির্দেশিকায় লেখা আছে, DBID পাওয়া প্রত্যেককে নিজের ওয়েবসাইটে বা সোশ্যাল মিডিয়ার পেজে বাধ্যতামূলকভাবে DBID দেখাতে হবে। ফেসবুক পেজের About বা Intro অংশে লিখুন, শর্তের পিন করা পোস্টের নিচে একটা লাইন যোগ করুন, আর ওয়েবসাইট বা ল্যান্ডিং পেজ থাকলে পেজের নিচের দিকে নাম আর ফোন নম্বরের পাশে দিন। লেখার ধরনটা এমন হতে পারে, "DBID নম্বর [আপনার নম্বর], dbid.gov.bd-তে মিলিয়ে দেখতে পারেন।"

শেষের ওই অংশটুকু কাস্টমারের ভরসার জন্য। সব কাস্টমার নম্বরটা মিলিয়ে দেখবেন না। কিন্তু মিলিয়ে দেখার সুযোগ আছে জানলেই অনেকে নিশ্চিন্ত হন। আর কোনো কারণে DBID স্থগিত বা বাতিল হলে নির্দেশিকা অনুযায়ী সেটা আর কোথাও দেখানো যাবে না, তখন পেজ থেকে নম্বরটা সরিয়ে ফেলতে হবে।

মোবাইল স্ক্রিনে একটা ফেসবুক পেজের নকশা, ওপরে পিন করা পোস্টে বাংলায় ডেলিভারি, ফেরত আর টাকা ফেরতের শর্ত লেখা, আর পেজের Intro অংশে DBID নম্বরের লাইন
শর্তের পোস্ট পিন করা, আর DBID নম্বর পেজের Intro-তে, যাতে কাস্টমার নিজেই মিলিয়ে নিতে পারেন

আবেদন আটকে গেলে বা ভুল হলে কী করবেন?

শুরুতে একটা সংখ্যা দেখে রাখুন। ১৮ মে ২০২৬-এ dbid.gov.bd-র হোমপেজের পরিসংখ্যানে লেখা ছিল, মোট আবেদন ১৪,০৬৭টা, তার মধ্যে নিষ্পন্ন ১৩,৪৮৬টা, আর মোট DBID ২,২০৬টা। মানে মোটামুটি প্রতি ছয়টা নিষ্পন্ন আবেদনে একটা DBID দেওয়া হয়েছে। বাকিগুলো কেন পায়নি, সাইট সেটা লেখেনি। তবে সংখ্যাটা থেকে এটুকু বোঝা যায় যে আবেদন করলেই নম্বর চলে আসে না। ওপরের শর্তগুলো মেনে আবেদন করাটাই আসল কাজ।

আবেদন বাতিল হলে প্রথমে নির্দেশিকার শর্তগুলোর সাথে নিজের আবেদন মিলিয়ে দেখুন। পেজে বাংলায় শর্তের পোস্ট আছে কিনা, পেজটা চালু কিনা, পেজের বদলে প্রোফাইলের লিংক দিয়ে ফেলেছেন কিনা, সেটা দেখুন। ওই লিংক দিয়ে আগে অন্য কেউ আবেদন করেছে কিনা, আর NID বা ঠিকানায় কোথাও অমিল আছে কিনা, সেটাও দেখুন। ভুলটা ঠিক করে তারপর নতুন করে আবেদন করুন। FAQ-তে পরিষ্কার লেখা, আবেদন বাতিল হলে আবার নতুন আবেদন করা যায়। একই ভুল রেখে আবার জমা দিলে আরও কয়েক মাস যাবে, ফলও একই হবে।

দাখিলের পরে কোনো তথ্যে ভুল ধরা পড়লে নিজে চেঞ্জ করার রাস্তা নেই। নির্দেশিকায় বলা আছে, আবেদনকারী তথ্য সংশোধনের আবেদন করলে কর্তৃপক্ষ চেক করে সেটা ঠিক করবে। তাই হেল্প ডেস্কে যোগাযোগ করে আপনার ট্র্যাকিং নম্বর দিয়ে ভুলটা জানান। আর মনে রাখবেন, মোবাইল নম্বর, মালিক আর অফিসের ঠিকানা আবেদন শেষ হওয়ার পর এডিট করা যায় না, এটা FAQ-তে লেখা।

৬০ কার্যদিবস পার হয়ে গেছে অথচ অবস্থা একই জায়গায় আটকে আছে, এমন হলে হেল্প ডেস্কে ফোন দিন। এপ্রিল ২০২৬-এ dbid.gov.bd-র হেল্প ডেস্ক পেজে নম্বর দেওয়া ছিল 09666776608 আর 01958633208, আর ইমেইল support@dbid.gov.bd। ফোন দেওয়ার আগে ট্র্যাকিং নম্বর, আবেদনে দেওয়া মোবাইল নম্বর আর আবেদনের তারিখ হাতের কাছে রাখুন। ইমেইল করলে এই তিনটা জিনিস প্রথম লাইনেই লিখে দিন, তাহলে আপনার আবেদন খুঁজে বের করতে তাঁদের সময় কম লাগবে। আর কেউ "টাকা দিলে তাড়াতাড়ি করিয়ে দেব" বললে মনে রাখবেন, সেবাটা ফ্রি, আর সাইটে এমন কোনো দ্রুত রাস্তার কথা কোথাও লেখা নেই।

আজ কোন কাজটা করবেন?

আজ আবেদন না করে আগে প্রস্তুতিটা শেষ করুন, তাহলে আবেদনে বসে আর আটকাবেন না। *16001# ডায়াল করে দেখে নিন কোন নম্বরটা আপনার NID-তে রেজিস্টার করা। ওপরের উদাহরণ থেকে নিজের দিন আর টাকা বসিয়ে পেজে শর্তের পোস্টটা দিন আর পিন করুন। নিজের একটা পরিষ্কার ছবি আর সাদা কাগজে স্বাক্ষরের ছবি ফোনে রেখে দিন। ভাড়া অফিস হলে বাড়িওয়ালার সাথে কথা বলে নিন। কাল এক বসায় তিনটা ধাপ শেষ করুন।

DBID-র ফর্মে ফেসবুক পেজের পাশাপাশি ওয়েবসাইটের লিংক দেওয়ার ঘরও আছে। WinningSeller-এ নিজের ডোমেইনে অনলাইন স্টোর বানালে সেই লিংকটা আবেদনে দিতে পারবেন, আর পেজ বন্ধ বা রেস্ট্রিক্টেড হলেও কাস্টমারের কাছে আপনার একটা ঠিকানা থেকে যায়। স্টোরে আর কী কী করা যায়, সেটা ফিচারের পেজে দেখে নিন। DBID-র পরে ট্রেড লাইসেন্স, TIN আর বাকি কাগজ কখন লাগে, সেটা এক জায়গায় পাবেন অনলাইন ব্যবসা শুরুর পুরো গাইডে।

সাধারণ প্রশ্ন

ডিবিআইডি করতে কত টাকা লাগে?

কোনো টাকা লাগে না। dbid.gov.bd-র আবেদনের তথ্য পেজে সেবার দামের ঘরে লেখা আছে, এটা ফ্রি। কেউ টাকা নিয়ে করে দেওয়ার কথা বললে সেটা তাঁর নিজের সার্ভিস চার্জ, সরকারের কোনো ফি না।

ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া কি DBID করা যায়?

হ্যাঁ, যায়। DBID-র কাগজের লিস্টে ট্রেড লাইসেন্সের পাশে লেখা আছে "যদি থাকে"। সাইটের FAQ-তে এটাও বলা আছে যে TIN বা BIN ছাড়াও আবেদন করা যায়। আবেদনকারীর NID, ছবি, স্বাক্ষর আর একটা চালু পেজ বা ওয়েবসাইট থাকলেই শুরু করতে পারবেন।

DBID পেতে কত দিন লাগে?

dbid.gov.bd-র FAQ অনুযায়ী আবেদনের পর সর্বোচ্চ ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে DBID দেওয়া হয়। কার্যদিবস মানে অফিস খোলার দিন, তাই ক্যালেন্ডারে এটা প্রায় তিন মাস ধরে রাখুন। আবেদনের অবস্থা ট্র্যাকিং নম্বর দিয়ে সাইটেই দেখা যায়।

ফেসবুক পেজ ছাড়া কি আবেদন করা যায়?

না, আগে পেজ বা ওয়েবসাইট লাগবে। DBID-র আবেদনের নির্দেশিকায় লেখা আছে, ওয়েবসাইট বা সোশ্যাল মিডিয়ায় পেজ খোলার আগে আবেদন করা যাবে না, আর পেজটা চালু থাকতে হবে। আগে পেজ খুলুন, তাতে বাংলায় কেনাবেচার শর্ত লিখুন, তারপর সেই পেজের লিংক দিয়ে আবেদন করুন।

দুইটা আলাদা পেজে দুই রকম ব্যবসা করলে কয়টা DBID লাগবে?

দুইটা আলাদা DBID লাগবে। dbid.gov.bd-র FAQ বলছে, ব্যবসা আলাদা আর পেজ বা ওয়েবসাইট আলাদা হলে প্রতিটার জন্য আলাদা DBID নিতে হবে, আর একই লিংক দিয়ে দুই ব্যবসার আবেদন করা যায় না। তবে একই ব্যবসার কয়েকটা শাখা থাকলে সবগুলোর জন্য একটাই DBID।

DBID না থাকলে কি জেল হবে?

এখনই না, কারণ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত এমন শাস্তির আইন পাস হয়নি। bdnews24.com-এর ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর খবর অনুযায়ী বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ভোক্তা অধিকার আইন ২০০৯ সংশোধনের যে ড্রাফট মতামতের জন্য দিয়েছে, তাতে DBID ছাড়া ব্যবসা চালালে এক বছর কারাদণ্ড বা ২ লাখ টাকা জরিমানার কথা আছে। তবে DBID-র নিজের নির্দেশিকায় আগে থেকেই লেখা আছে যে DBID ছাড়া অনলাইনে ব্যবসা করা যাবে না। আর এটা নিতে টাকাও লাগে না, তাই দেরি করে লাভ নেই।

#ডিবিআইডি#DBID#ডিজিটাল বিজনেস আইডি#অনলাইন ব্যবসা#ফেসবুক ব্যবসা#ট্রেড লাইসেন্স

আরও পড়ুন

খেলনা ব্যবসার আইডিয়া, কোন খেলনা অনলাইনে চলে আর নিরাপত্তার নিয়ম

বাচ্চাদের খেলনা অনলাইনে বেচতে চাইলে কোন খেলনা চলে, চকবাজার থেকে প্রথম লট কীভাবে নেবেন, ২০২৬ সালে BSTI-র তালিকায় খেলনা আসার মানে কী, ব্যাটারির খেলনা চালিয়ে দেখা, মাপ বোঝানো ছবি আর না ভাঙার প্যাকিং, একটা লটের টাকার হিসাবসহ।

·১২ মিনিটে পড়া যায়

থ্রিফট শপিং কি? পুরনো বিদেশি জ্যাকেট-শার্টের থ্রিফট ব্যবসার নিয়ম

থ্রিফট শপিং কি, মাল কোথা থেকে আসে আর পুরনো কাপড় আমদানির নিয়ম কী বলে, গাইট খুলে বাছাই, ধোয়া আর ছবি, কন্ডিশন সত্যি করে লেখা, আর একটা গাইট থেকে এক পিসের দাম কীভাবে বের করবেন, হিসাবসহ।

·১২ মিনিটে পড়া যায়

অনলাইনে শাড়ির ব্যবসা, তাঁতের শাড়ি থেকে প্রথম লট, ছবি আর ফেরত

অনলাইনে শাড়ির ব্যবসা শুরু করবেন? কোন শাড়ি চলে, টাঙ্গাইলের হাট আর পাইকার, BSTI-র ২০২৬ সালের নতুন শাড়ির নিয়ম, মডেল ছাড়া শাড়ির ছবি, মাপ আর যত্নের কথা লেখা, আর একটা লটে কত থাকে, হিসাবসহ।

·১২ মিনিটে পড়া যায়