WinningSeller
মার্কেটিং ও ল্যান্ডিং পেজ১৪ মিনিটে পড়া যায়

এসইও কি? অনলাইন শপে অ্যাডের টাকা ছাড়া গুগল থেকে অর্ডার আনার শুরু

এসইও কি, সেটা কোর্সের ভাষায় না, একজন শপের মালিকের মতো করে বুঝিয়ে বলেছি। মানুষ গুগলে কী লিখে খোঁজে, প্রোডাক্টের নাম আর ছবি কীভাবে দেবেন, Search Console কীভাবে খুলবেন, আর কত দিনে ফল আসে, টাকার হিসাবসহ।

এসইও কি? অনলাইন শপে অ্যাডের টাকা ছাড়া গুগল থেকে অর্ডার আনার শুরু
এই লেখায় যা আছে
  1. এসইও কি, অনলাইন শপের জন্য সহজ কথায়
  2. কোন শপে এসইও কাজ করে, কোনটায় অ্যাডই ভরসা?
  3. মানুষ গুগলে কী লিখে খোঁজে, বের করবেন যেভাবে
  4. প্রোডাক্টের নাম, টাইটেল আর ডেসক্রিপশনে কী লিখবেন?
  5. ক্যাটাগরি পেজ আর কাস্টমারের প্রশ্নের উত্তরের পেজ
  6. ছবির নাম, অল্ট টেক্সট আর পেজের গতি
  7. নিজের ডোমেইন আর Search Console কেন দরকার?
  8. এসইও-তে কত দিনে ফল আসে, টাকা দিয়ে কী কিনবেন না?
  9. আজ কোন কাজটা করবেন?

এসইও কি, এক কথায় বললে এসইও (SEO, মানে Search Engine Optimization) হলো আপনার শপের পেজগুলো এমনভাবে সাজানো, যাতে কেউ গুগলে আপনার প্রোডাক্টের নাম লিখে খুঁজলে আপনার শপটা সামনে আসে। এই লেখা এসইও শেখার কোর্স না, ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ারের গাইডও না। এটা অনলাইন শপের মালিকের জন্য, যিনি জানতে চান গুগল থেকে বিনা অ্যাডে কাস্টমার আনা যায় কি না। ছোট উত্তর হলো, যায়, তবে ধীরে। প্রোডাক্টের নাম মানুষের ভাষায় লেখা, প্রতিটা প্রোডাক্টের নিজের লেখা ডেসক্রিপশন, ছবির ঠিক নাম, নিজের ডোমেইন আর Google Search Console দিয়েই কাজটা শুরু হয়, আর কোনোটাতেই ডেভেলপার লাগে না।

একটা উদাহরণ দিয়ে বলি। ধরুন শুক্রবার সকাল। এই সপ্তাহে কার্ডে ডলার ছিল না বলে অ্যাড বন্ধ রেখেছেন, আর মনের ভেতর একটা খচখচ চলছে যে আজ বোধহয় একটা অর্ডারও আসবে না। চা খেতে খেতে ফোনে অর্ডারের লিস্ট খুলে দেখলেন, রাতে একটা অর্ডার ঢুকেছে, এক লিটার ঘানি ভাঙা সরিষার তেল। কনফার্ম কলে কাস্টমার হেসে বললেন, "ভাই, গুগলে ঘানি ভাঙা সরিষার তেল লিখে খুঁজছিলাম, আপনার সাইটটা পেলাম।" এই অর্ডারে অ্যাডের এক টাকাও যায়নি। এমন অর্ডার মাঝে মাঝে যে আসে, অনেক সেলারই জানেন। আসল প্রশ্ন হলো, এটাকে কপালের ওপর না ছেড়ে নিয়ম করে আনবেন কীভাবে। নিচে সেটাই বলছি, কোথায় কাজ করে আর কোথায় করে না, দুটোই।

এসইও কি, অনলাইন শপের জন্য সহজ কথায়

গুগলের কাছে কোটি কোটি পেজের একটা বিশাল লিস্ট আছে। কেউ কিছু লিখে খুঁজলে গুগল সেই লিস্ট থেকে বেছে দেখায় কোন পেজগুলো তাঁর প্রশ্নের সবচেয়ে ভালো উত্তর। আপনার শপের এসইও মানে দুটো কাজ। এক, গুগল যেন আপনার পেজগুলো খুঁজে পায় আর বুঝতে পারে কোন পেজে কী বিক্রি হচ্ছে। দুই, খুঁজতে আসা মানুষের কাছে আপনার পেজটা যেন অন্যদের চেয়ে কাজের হয়। প্রথমটা একটু কারিগরি কাজ, দ্বিতীয়টা আসলে ভালো দোকানদারি।

ফেসবুক অ্যাড আর গুগল সার্চের মধ্যে একটা বড় ফারাক আছে, এটা বুঝলে এসইওর দাম বুঝবেন। ফেসবুকে আপনি এমন মানুষের সামনে প্রোডাক্ট ধরেন, যিনি তখন কিছু খুঁজছিলেন না, রিল দেখছিলেন। তাঁর মন জয় করতে ছবি, ভিডিও, অফার সব লাগে। গুগলে ব্যাপারটা উল্টো। মানুষটা নিজে "বাচ্চাদের স্কুল ব্যাগ" লিখে খুঁজছেন, মানে দরকারটা তাঁর আগে থেকেই আছে। আপনাকে শুধু সেই মুহূর্তে সামনে থাকতে হবে।

আরেকটা ফারাক টাকায়। অ্যাডের টাকা বন্ধ করলে পরদিন থেকে অর্ডারও কমে যায়, এটা যিনি একবার অ্যাড বন্ধ করে দেখেছেন তিনি জানেন। গুগলে একটা পেজ ভালো জায়গায় বসে গেলে সেটা মাসের পর মাস মানুষ আনতে পারে। তবে কোনো গ্যারান্টি নেই, অন্য শপ আরও ভালো পেজ বানালে জায়গাটা হারাতেও পারেন।

একজন তরুণ সেলার দোকানের টেবিলে বসে মোবাইলে গুগলে খুঁজছেন, সামনে সরিষার তেলের তিনটা বোতল আর এক গ্লাস চা
গুগলে যিনি খোঁজেন, তাঁর দরকারটা আগে থেকেই আছে

কোন শপে এসইও কাজ করে, কোনটায় অ্যাডই ভরসা?

এসইও সবার জন্য সমান কাজ করে না, আর এটা আগে জানলে অনেক মন খারাপ বাঁচে। যে প্রোডাক্টের নাম মানুষ আগে থেকেই জানে আর খোঁজে, সেখানে এসইও ভালো কাজ করে। সরিষার তেল, মধু, খেজুর, পাঞ্জাবি, স্কুল ব্যাগ, ক্রিকেট ব্যাট বা মডেল নম্বর ধরে খোঁজা গ্যাজেট, এমন জিনিস মানুষ রোজ গুগলে লেখে। যে শপে অনেক প্রোডাক্ট আর কয়েকটা ক্যাটাগরি আছে, সেখানেও কাজ করে, কারণ প্রতিটা প্রোডাক্ট পেজ গুগলে ঢোকার একটা আলাদা দরজা।

আরেকটা জায়গায় এসইও চুপচাপ আপনার অ্যাডের টাকাও বাঁচায়। অনেক কাস্টমার ফেসবুকে অ্যাড দেখে অর্ডার দেওয়ার আগে গুগলে দোকানের নামটা লিখে দেখেন, দোকানটা আসল কি না। তখন দোকানের নামে আপনার নিজের ওয়েবসাইট সামনে এলে ভরসা বাড়ে। কিছুই না এলে মনে সন্দেহ ঢোকে, আর অর্ডারটা হয়তো আর আসে না।

কোথায় কাজ করে না, সেটাও খোলাখুলি বলি। একদম নতুন ধরনের কোনো গ্যাজেট, যেটা মানুষ রিলে প্রথম দেখল, তার নামই কেউ জানে না। যা কেউ জানে না, তা কেউ খোঁজেও না। এমন প্রোডাক্ট বিক্রি হয় অ্যাড আর ভিডিওতে। এক মাসের ট্রেন্ডের প্রোডাক্টেও এসইও কাজে আসে না, কারণ গুগল আপনার পেজ সামনে আনতে আনতে ট্রেন্ড শেষ হয়ে যায়। আর শুধু অ্যাডের জন্য বানানো এক প্রোডাক্টের ল্যান্ডিং পেজ এসইওর জন্য বানানো হয় না, ওটার কাজ আলাদা।

এবার একটু টাকার হিসাব করি। নিচের সংখ্যাগুলো একটা উদাহরণ, কোনো দোকানের আসল হিসাব না, কোনো প্রতিশ্রুতিও না। ধরুন অ্যাডে আপনার একটা অর্ডার আনতে গড়ে ২৫০ টাকা যায়, আর মাসে ১২০টা অর্ডার হয়। তাহলে মাসে অ্যাডে যায় ৩০,০০০ টাকা। ছয় মাস নিয়ম করে কাজ করার পর গুগল থেকে যদি মাসে ২০টা অর্ডার আসে, সেই ২০টার পেছনে অ্যাডের ২০ × ২৫০ = ৫,০০০ টাকা প্রতি মাসে আর লাগল না। বছরে সেটা ৬০,০০০ টাকা। এর বদলে আপনি দিচ্ছেন নিজের সময়, সপ্তাহে কয়েক ঘণ্টা, আর ডোমেইনের বছরের টাকা।

দুটো কলামের একটা সাধারণ হিসাব, বাঁ দিকে অ্যাড থেকে আসা ১২০টা অর্ডারে ৩০,০০০ টাকা খরচ, ডান দিকে গুগল থেকে আসা ২০টা অর্ডারে অ্যাডের খরচ শূন্য আর ৫,০০০ টাকা বাঁচানো দাগানো
উদাহরণের হিসাব, গুগল থেকে আসা প্রতিটা অর্ডারে অ্যাডের টাকা বাঁচে

তাহলে কার এখনই এসইও নিয়ে মাথা ঘামানোর দরকার নেই? যিনি প্রথম ১০-২০টা অর্ডারের জন্য লড়ছেন আর হাতে টাকা কম, তিনি আগে ফেসবুকে বিক্রি দাঁড় করান। এসইও হলো পাশে পাশে চলা একটা ধীরে বাড়া কাজ, এই মাসের দোকান ভাড়ার টাকা এখান থেকে আসবে না। আর গুগল ম্যাপে দোকান দেখানোর ব্যাপারটা আলাদা। Google-এর নিয়মে শুধু অনলাইনে চলা ব্যবসা সেখানে প্রোফাইল পায় না, কারা পায় আর না পেলে কী করবেন, সেটা গুগল বিজনেস প্রোফাইলের লেখায় খুলে বলা আছে।

মানুষ গুগলে কী লিখে খোঁজে, বের করবেন যেভাবে

এসইওর সবচেয়ে বড় ভুলটা শুরুতেই হয়। সেলার নিজের মাথায় যে নাম আছে সেটা লেখেন, কাস্টমার যে নামে খোঁজেন সেটা না। আপনি হয়তো বলেন "প্রিমিয়াম কটন পাঞ্জাবি", আর কাস্টমার লেখেন "ছেলেদের সুতি পাঞ্জাবি"। তাই লেখার আগে শুনতে হবে মানুষ আসলে কী লেখে। এর জন্য কোনো টুল কিনতে হয় না, এই চারটা জায়গাই যথেষ্ট।

  • গুগলের সার্চ বক্সে "সরিষার তেল" লিখে একটু থামুন, নিচে গুগল নিজে থেকে কয়েকটা লাইন সাজেস্ট করবে। এগুলো মানুষের সত্যিকারের খোঁজা কথা থেকেই আসে। বাংলায় একবার লিখুন, ইংরেজি অক্ষরে একবার (sorishar tel, mustard oil), কারণ অনেকে ইংরেজি অক্ষরেই খোঁজেন।
  • ফলাফলের মাঝে "অন্যরা যা জানতে চেয়েছেন" বক্স আর পেজের একদম নিচের সার্চগুলোয় মানুষের প্রশ্ন পাবেন, যেমন "খাঁটি সরিষার তেল চেনার উপায়"।
  • নিজের ইনবক্স আর কমেন্টও একটা খনি। কাস্টমার বারবার যা জিজ্ঞেস করেন, অন্য অনেকে ঠিক সেটাই গুগলে লেখেন।
  • ওয়েবসাইট কিছুদিন চললে Search Console-এ দেখা যায় কোন কথা লিখে খুঁজে মানুষ আপনার পেজ দেখেছেন। নিচে এটা খোলার নিয়ম আছে।
মোবাইলের সার্চ বক্সে সরিষার তেল লেখা, নিচে সাজেস্ট করা কয়েকটা লাইন, পাশে খাতায় সেগুলো তিন কলামে টুকে রাখা
গুগল নিজেই বলে দেয় মানুষ কী লিখে খোঁজে, শুধু টুকে রাখুন

পাওয়া কথাগুলো একটা শিটে তিন কলামে লিখুন। প্রথম কলামে মানুষ কী লিখে খোঁজে, মাঝেরটায় মানুষটা কিনতে চাইছেন না জানতে চাইছেন, আর শেষেরটায় আপনার কোন পেজ এর উত্তর দেবে। এই মাঝের কলামটাই আসল। "সরিষার তেলের দাম" বা "ঘানি ভাঙা সরিষার তেল ১ লিটার" যিনি লেখেন, তিনি কিনতে চান, তাঁকে প্রোডাক্ট পেজে আনতে হবে। "সরিষার তেলের উপকারিতা" যিনি লেখেন, তিনি জানতে চান। তাঁর সামনে প্রোডাক্ট পেজ এলে তিনি ফিরে যাবেন, তাঁর জন্য লাগবে একটা কাজের লেখা।

একটা নিয়ম মাথায় গেঁথে নিন, এক পেজে এক কাজ। এক পেজে দশটা কথার উত্তর দিতে গেলে গুগলও বোঝে না পেজটা কীসের, কাস্টমারও না।

প্রোডাক্টের নাম, টাইটেল আর ডেসক্রিপশনে কী লিখবেন?

গুগলে আপনার পেজ যখন আসে, ওপরে নীল রঙের যে লাইনটা দেখা যায়, বেশিরভাগ সময় সেটা আপনার প্রোডাক্টের নাম বা পেজের টাইটেল থেকে আসে। Google-এর SEO Starter Guide বলে, ভালো টাইটেল প্রতিটা পেজে আলাদা, পরিষ্কার, ছোট, আর পেজে কী আছে সেটা ঠিকঠাক বলে। মানে কাস্টমার আর গুগল দুজনেই একই লাইন পড়েন। তাই দুজনের জন্য নিয়মও একটাই, মানুষ যে ভাষায় খোঁজে সেই ভাষায় লিখুন।

ভালো নাম বানানোর সহজ ছক হলো, জিনিসটা কী, কার জন্য, কী দিয়ে বানানো, আর এমন একটা কথা যা দিয়ে এটাকে আলাদা করে চেনা যায়। "নিউ কালেকশন ০২৩" বা "প্রিমিয়াম আইটেম" নামে গুগল কিছুই বোঝে না, কাস্টমারও না। "ছেলেদের সুতি পাঞ্জাবি, হালকা নীল, কলারে এমব্রয়ডারি" নামে দুজনেই বোঝেন, আর "ছেলেদের সুতি পাঞ্জাবি" লিখে খোঁজা মানুষের সামনে আসার একটা সুযোগ তৈরি হয়।

দুটো প্রোডাক্ট কার্ড পাশাপাশি, একটায় শুধু নিউ কালেকশন ০২৩ লেখা আর ছবি, অন্যটায় একই হালকা নীল পাঞ্জাবির ছবির নিচে ছেলেদের সুতি পাঞ্জাবি, হালকা নীল, কলারে এমব্রয়ডারি লেখা
একই পাঞ্জাবি, দুটো নাম। গুগল আর কাস্টমার শুধু ডান দিকেরটা বোঝেন

উল্টো দিকে বাড়াবাড়িও করবেন না। "পাঞ্জাবি সেরা পাঞ্জাবি সস্তা পাঞ্জাবি ঈদের পাঞ্জাবি" ধরনের নাম দেখতে খারাপ লাগে। Google-এর স্প্যাম পলিসিতে একই কথা বারবার ঠেসে দেওয়াকে keyword stuffing বলে নিষেধও করা আছে। একবার পরিষ্কার করে বললেই যথেষ্ট।

ডেসক্রিপশনে সবচেয়ে বড় ভুল হলো সাপ্লায়ারের দেওয়া লেখা হুবহু বসিয়ে দেওয়া। ওই একই লেখা হয়তো আরও পঞ্চাশটা পেজে আছে। Starter Guide বলে, একই লেখা থাকা নিজে স্প্যাম না, কিন্তু তাতে গুগলের কাছে আপনার পেজটা আলাদা করে দেখানোর কোনো কারণও থাকে না। আর অন্যের লেখা নিজের কিছু যোগ না করে তুলে দেওয়াকে Google-এর স্প্যাম পলিসি scraped content বলে। তাই নিজের ভাষায় লিখুন, ঠিক যেভাবে ইনবক্সে কাস্টমারকে বোঝান। কত শব্দ লিখবেন, সেটা গুনে লাভ নেই, Starter Guide নিজেই বলে লেখার কোনো জাদুর মাপ নেই। ইনবক্সে বারবার আসা প্রশ্নের উত্তর শেষ হলে থামুন। মাপ, কাপড়, বক্সে কী থাকে, কোন কথা লিখলে ফেরত কমে, পাঁচটা প্রোডাক্টের উদাহরণসহ সব আছে প্রোডাক্ট ডেসক্রিপশন লেখার নিয়মের লেখায়।

নাম আর লেখা ঠিক হলে পেজটা দেখতেও যেন ভরসার হয়, সেটা খেয়াল করুন। WinningSeller-এ প্রোডাক্টের নাম আর ডেসক্রিপশন আপনি নিজেই লেখেন, আর প্রোডাক্ট পেজের কয়েকটা ডিজাইন থেকে আপনার দোকানের সাথে যেটা মানায় সেটা বেছে নিতে পারেন, কোড ছাড়াই। তবে ডিজাইন যতই সুন্দর হোক, নামটা আপনাকেই মাথা খাটিয়ে লিখতে হবে।

নিজের শপে প্রোডাক্ট পেজ সাজিয়ে দেখুনপ্রথম মাস মাত্র ৯৯ টাকা, তারপর রেগুলার দাম

ক্যাটাগরি পেজ আর কাস্টমারের প্রশ্নের উত্তরের পেজ

যিনি "ছেলেদের পাঞ্জাবি" লিখে খোঁজেন, তিনি একটা পাঞ্জাবি দেখতে চান না, কয়েকটা দেখে বাছতে চান। তাঁর জন্য সবচেয়ে ভালো উত্তর হলো একটা ক্যাটাগরি পেজ, যেখানে আপনার সব পাঞ্জাবি এক জায়গায় আছে। তাই শপে বিশ-ত্রিশটা প্রোডাক্ট হলেই সেগুলো ক্যাটাগরিতে ভাগ করুন, আর ক্যাটাগরির নামও দিন মানুষের খোঁজার ভাষায়। "ছেলেদের পাঞ্জাবি", "সুতি থ্রি-পিস", "বাচ্চাদের স্কুল ব্যাগ" ধরনের নাম দিন, "কালেকশন এ" বা "সামার স্পেশাল" দেবেন না।

ক্যাটাগরির ওপরে দুই-তিন লাইন লেখা থাকলে আরও ভালো হয়। কী কী আছে, কোন মাপ পাওয়া যায়, কোন দামের মধ্যে, এটুকু লিখে দিন। এতে গুগল বোঝে পেজটা কীসের, আর কাস্টমার এক নজরে বোঝেন তিনি ঠিক জায়গায় এসেছেন। তবে প্রায় একই রকম দশটা ক্যাটাগরি বানাবেন না, যেমন "পাঞ্জাবি", "নতুন পাঞ্জাবি", "ঈদ পাঞ্জাবি", আর সবগুলোয় একই প্রোডাক্ট। এতে আপনার পেজগুলো নিজেরাই নিজেদের সাথে লড়াই করে।

এর পরের ধাপ হলো কাস্টমারের প্রশ্নের উত্তর দেওয়া পেজ। আপনি সরিষার তেল বেচলে "খাঁটি সরিষার তেল চেনার উপায়" নিয়ে একটা সৎ লেখা, পাঞ্জাবি বেচলে "পাঞ্জাবির মাপ নেবেন যেভাবে"। এই প্রশ্নগুলো মানুষ কেনার আগে গুগলে লেখেন। আপনার লেখা যদি সত্যিই প্রশ্নের উত্তর দেয়, আর নিচে আপনার প্রোডাক্টের লিংক থাকে, তাহলে পড়তে আসা মানুষের একটা অংশ কাস্টমার হয়ে যান। নিজের অভিজ্ঞতা থেকে লিখুন, যা আপনি ঘানিতে গিয়ে দেখেছেন বা মাপ নিতে গিয়ে শিখেছেন। মাসে একটা মন দিয়ে লেখা পোস্ট ত্রিশটা কপি করা লেখার চেয়ে অনেক বেশি কাজে আসে।

ছবির নাম, অল্ট টেক্সট আর পেজের গতি

ফোনে তোলা ছবির নাম সাধারণত থাকে IMG_20261003_2214.jpg ধরনের। এই নাম গুগলকে কিছুই বলে না। আপলোডের আগে নামটা চেঞ্জ করে দিন, যেমন chheleder-suti-panjabi-halka-nil.jpg। Google-এর ছবির এসইও গাইডেও এমন উদাহরণ আছে, যেখানে my-new-black-kitten.jpg নামকে IMG00023.JPG-এর চেয়ে ভালো বলা হয়েছে। নামে ইংরেজি অক্ষর রাখুন আর শব্দের মাঝে হাইফেন দিন, তাহলে কোথাও লিংক ভাঙবে না।

অল্ট টেক্সট হলো ছবির সাথে লেখা ছোট একটা বর্ণনা, যেটা পেজে চোখে পড়ে না, কিন্তু গুগল পড়ে। ছবি লোড না হলে, বা যিনি চোখে দেখেন না তাঁর ফোন এটা পড়ে শোনায়। Starter Guide বলে, অল্ট টেক্সট ছোট হবে, কিন্তু ছবিটা পেজের লেখার সাথে কীভাবে মেলে সেটা বুঝিয়ে দেবে। তাই ছবিতে যা আছে সেটাই লিখুন, যেমন "হালকা নীল সুতি পাঞ্জাবি, কলারে সাদা এমব্রয়ডারি"। "পাঞ্জাবি পাঞ্জাবি সস্তা পাঞ্জাবি" লিখবেন না, Google-এর ছবির গাইডে এমন ঠেসে দেওয়া অল্ট টেক্সটকে খারাপ উদাহরণ হিসেবেই দেখানো আছে। আপনার প্ল্যাটফর্মে অল্ট টেক্সট লেখার ঘর আছে কি না, একবার দেখে নিন।

একটা ল্যাপটপের স্ক্রিনে ছবির ফাইলের নাম IMG_20261003_2214.jpg থেকে chheleder-suti-panjabi-halka-nil.jpg করা হচ্ছে, পাশে অল্ট টেক্সটের ঘরে হালকা নীল সুতি পাঞ্জাবি, কলারে সাদা এমব্রয়ডারি লেখা
আপলোডের আগে দুই মিনিট, ছবির নাম আর অল্ট টেক্সট

এবার পেজের গতি নিয়ে দুটো কথা বলি। Google-এর ছবির গাইড বলে, একটা পেজের ওজনের সবচেয়ে বড় অংশ প্রায়ই ছবি। ফোনের ক্যামেরার একটা ছবি কয়েক MB হতে পারে, আর প্রোডাক্ট পেজে এমন আট-দশটা ছবি থাকলে মোবাইল ডেটায় পেজ খুলতে অনেক সময় লাগে। গ্রামের দিকে বা ভিড়ের নেটওয়ার্কে কাস্টমার দুই-তিন সেকেন্ড অপেক্ষা করে ফিরে যান। গুগল থেকে আসা মানুষই হোক বা অ্যাড থেকে, ধীর পেজে আপনি দুজনকেই হারান। তাই আপলোডের আগে ছবি ছোট করে নিন, যাতে চোখে একই রকম দেখায় কিন্তু ফাইলটা হালকা হয়।

নিজের ডোমেইন আর Search Console কেন দরকার?

গুগল আপনার শপ সম্পর্কে যা শেখে, কোন পেজ কীসের, কোনটা কাজের, সব জমা হয় আপনার ওয়েবসাইটের অ্যাড্রেসের নামে। অ্যাড্রেসটা যদি অন্য কোনো প্ল্যাটফর্মের নামের নিচে থাকে, আর কোনোদিন আপনি সরে যান, তাহলে নতুন অ্যাড্রেসে গুগলের কাছে আবার শূন্য থেকে শুরু করতে হবে। নিজের ডোমেইনে সেই জমানো পরিচয় আপনার সাথেই থাকে। ডোমেইন কোথা থেকে কিনবেন, আর কেন নিজের নামে কিনবেন, সেটা ডোমেইন কেনার লেখায় ধাপে ধাপে আছে। WinningSeller-এ কেনা ডোমেইনটা স্টোরের Settings-এর "নিজের ডোমেইন" থেকে জুড়ে দেওয়া যায়। এটা গ্রোথ আর প্রো প্ল্যানে আছে, কোন প্ল্যানে কী আছে তা দামের পেজে দেখে নিন।

Search Console হলো Google-এর একটা ফ্রি টুল। এখানে দেখা যায় আপনার কোন পেজ গুগলের লিস্টে আছে, মানুষ কী লিখে খুঁজে আপনার পেজ দেখেছেন, কতজন ক্লিক করেছেন, আর কোন পেজে সমস্যা আছে। এসইওর কাজ করবেন অথচ Search Console খুলবেন না, সেটা অন্ধকারে ঢিল ছোড়ার মতো। খোলার কাজটা এরকম।

  1. Gmail দিয়ে search.google.com/search-console-এ লগইন করুন।
  2. "Add property" চাপুন। দুই রকম অপশন পাবেন। "Domain" নিলে www সহ পুরো ডোমেইন একসাথে ধরা হয়, তবে Google-এর হেল্প পেজ বলে এটা ভেরিফাই করা যায় শুধু DNS রেকর্ড দিয়ে। এখানেই নিজের ডোমেইনের দাম বোঝা যায়, কারণ DNS আপনার হাতে থাকলেই কাজটা নিজে করতে পারবেন। "URL prefix" নিলে শুধু ওই অ্যাড্রেস দিয়ে শুরু হওয়া পেজগুলো ধরা হয়, আর ভেরিফাই করার আরও কয়েকটা উপায় থাকে।
  3. Search Console যে TXT রেকর্ডটা দেয়, সেটা ডোমেইন যেখান থেকে কিনেছেন তাদের DNS প্যানেলে বসান, তারপর Verify চাপুন। রেকর্ড সব জায়গায় পৌঁছাতে কখনো কিছু সময় লাগে, তাই প্রথমবারে না হলে একটু পরে আবার চাপুন।
  4. ভেরিফাই হলে ওপরের সার্চ বক্সে, যেটার নাম URL Inspection, একটা প্রোডাক্টের লিংক দিন। দেখাবে পেজটা গুগলে আছে কি না। না থাকলে "Request indexing" চাপুন।
Search Console-এর নকশা, URL Inspection-এ একটা প্রোডাক্টের লিংক দিয়ে দেখা পেজটা গুগলে আছে কি না, নিচে খোলার চারটা ধাপ
একটা প্রোডাক্টের লিংক দিয়ে দেখুন, গুগল পেজটা চেনে কি না

Request indexing নিয়ে দুটো কথা জেনে রাখুন, তাহলে অযথা টেনশন হবে না। Google-এর হেল্প পেজ বলে, এই রিকোয়েস্টের একটা লিমিট আছে, আর রিকোয়েস্ট দিলেই পেজ গুগলে আসবে এমন গ্যারান্টিও নেই। "Ask Google to recrawl" পেজে লেখা আছে, গুগলের পেজ পড়তে কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহ লাগতে পারে, আর একই লিংকে বারবার রিকোয়েস্ট দিলে কাজ তাড়াতাড়ি হয় না। তাই নতুন প্রোডাক্ট তুলে একবার রিকোয়েস্ট দিন, তারপর অন্য কাজে মন দিন।

গুগল নতুন পেজ মূলত খুঁজে পায় আগে থেকে চেনা পেজের লিংক ধরে, এটা Starter Guide-এই লেখা। তাই নতুন প্রোডাক্টকে হোম পেজ বা ক্যাটাগরি পেজ থেকে লিংক দিন, কোনো পেজকে একা ফেলে রাখবেন না। আপনার প্ল্যাটফর্ম যদি sitemap-এর লিংক দেয়, সেটা Search Console-এর Sitemaps অংশে একবার জমা দিতে পারেন। আর শপটা আদৌ গুগলে আছে কি না দেখার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো গুগলে site:apnarshop.com লেখা, apnarshop.com-এর জায়গায় আপনার ডোমেইন বসিয়ে। ফলাফলে পেজ এলে বুঝবেন আপনি গুগলের লিস্টে আছেন।

নিজের ডোমেইনে শপ খুলে গুগলে আনুনপ্রথম মাস মাত্র ৯৯ টাকা, তারপর রেগুলার দাম

এসইও-তে কত দিনে ফল আসে, টাকা দিয়ে কী কিনবেন না?

কমেন্টে আর ইনবক্সে এই প্রশ্নটাই সবচেয়ে বেশি আসে, "ভাই, এসইও করলে কবে থেকে অর্ডার আসবে?" সৎ উত্তরটা একটু হতাশার। Google-এর SEO Starter Guide বলে, কোনো চেঞ্জের ফল কয়েক ঘণ্টায় দেখা যায়, কোনোটার কয়েক মাস লাগে। নতুন ওয়েবসাইট, যার কোনো ইতিহাস নেই, সেখানে সাধারণত ধৈর্য বেশি লাগে। তাই প্রথম দুই-তিন মাস Search Console-এ সামান্য নড়াচড়া দেখলেই খুশি থাকুন। কোন কথায় আপনার পেজ দেখা যাচ্ছে সেটা খেয়াল করুন, আর সেই পেজটাকেই আরও ভালো করুন।

এই সময়টাতেই সবচেয়ে বেশি টাকা নষ্ট হয়, কারণ মন অস্থির থাকে আর ইনবক্সে "SEO প্যাকেজ"-এর অফার আসতে থাকে। কিছু জিনিস কিনবেন না, কেন কিনবেন না সেটাও বলছি।

যে কেউ "গুগলে এক নম্বরে আনার গ্যারান্টি" দেয়, তার থেকে দূরে থাকুন। Google-এর "Do you need an SEO?" পেজে পরিষ্কার লেখা আছে, কেউ গুগলে এক নম্বর র‍্যাংকের গ্যারান্টি দিতে পারে না। গুগলের সাথে "বিশেষ সম্পর্ক" বা "প্রায়োরিটি সাবমিট"-এর দাবি করলেও সাবধান হতে বলা আছে। একই পেজ এটাও বলে, ছোট লোকাল ব্যবসা চালালে কাজের অনেকটা হয়তো নিজেই করতে পারবেন।

শত শত আর্টিকেলের প্যাকেজও কিনবেন না, যেগুলো অন্যের লেখা কপি করে বা মেশিনে একটার পর একটা বানিয়ে দেওয়া হয়। নিজের কিছু যোগ না করে অন্যের লেখা তুলে দেওয়া Google-এর স্প্যাম পলিসিতে নিষেধ। শুরুতে দামি এসইও টুলের সাবস্ক্রিপশনও লাগে না। Search Console ফ্রি, আর আপনার যা দরকার তার প্রায় সবটাই সেখানে আছে।

আজ কোন কাজটা করবেন?

সব একদিনে করার দরকার নেই। আজ শুধু এটুকু করুন। আপনার সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া প্রোডাক্টটার নাম গুগলে লিখে দেখুন গুগল কী সাজেস্ট করে, বাংলায় একবার আর ইংরেজি অক্ষরে একবার। সেই কথাগুলো দেখে আপনার সেরা পাঁচটা প্রোডাক্টের নাম নতুন করে লিখুন। তারপর একটা প্রোডাক্টের ডেসক্রিপশন থেকে সাপ্লায়ারের লেখা ফেলে দিয়ে নিজের ভাষায় লিখুন, ইনবক্সের প্রশ্নগুলোর উত্তর দিয়ে।

এই সপ্তাহের মধ্যে Search Console খুলে ডোমেইন ভেরিফাই করে ফেলুন। তারপর প্রতি সপ্তাহে একদিন আধা ঘণ্টা বসুন। Performance অংশে দেখুন কোন কথায় পেজ দেখা যাচ্ছে আর ক্লিক আসছে, তারপর একটা পেজ একটু ভালো করুন। এক সপ্তাহে একটা পেজ, এর বেশি চাপ নেবেন না।

শুরুতে মনে হবে কিছুই হচ্ছে না, এটাই স্বাভাবিক, আর এই সময়টাতেই বেশিরভাগ মানুষ হাল ছেড়ে দেন। তারপর একদিন সকালে এমন একটা অর্ডার আসবে, যার পেছনে অ্যাডের এক টাকাও যায়নি, আর কাস্টমার ফোনে বলবেন "গুগলে খুঁজে পেয়েছি"। সেই প্রথম অর্ডারটার আনন্দই আপনাকে পরের পেজটা লিখতে বসাবে।

সাধারণ প্রশ্ন

এসইও কি, সহজ ভাষায়?

এসইও মানে আপনার ওয়েবসাইটের পেজগুলো এমনভাবে সাজানো, যাতে কেউ গুগলে আপনার প্রোডাক্টের নাম লিখে খুঁজলে আপনার পেজটা সামনে আসে। এর জন্য গুগলকে টাকা দিতে হয় না। কাজটা হলো পেজকে গুগলের কাছে পড়ার মতো আর খুঁজতে আসা মানুষের কাছে সত্যিই কাজের করে তোলা।

অনলাইন শপের এসইও কি নিজে করা যায়?

হ্যাঁ, শুরুর কাজগুলো নিজেই করা যায়। Google-এর নিজের "Do you need an SEO?" পেজেও লেখা আছে, ছোট লোকাল ব্যবসা চালালে কাজের অনেকটা হয়তো নিজেই করতে পারবেন। প্রোডাক্টের নাম, ডেসক্রিপশন, ছবির নাম আর Search Console, এগুলোর কোনোটায় ডেভেলপার লাগে না।

এসইও করলে কত দিনে ফল পাওয়া যায়?

কোনো বাঁধা সময় নেই। Google-এর SEO Starter Guide বলে, কোনো চেঞ্জের ফল কয়েক ঘণ্টায় দেখা যায়, কোনোটার কয়েক মাস লাগে। নতুন ওয়েবসাইটে সাধারণত ধৈর্য বেশি লাগে, তাই এসইওর ভরসায় অ্যাড বন্ধ করবেন না।

ফেসবুক পেজ দিয়ে কি গুগলে প্রোডাক্ট আনা যায়?

পেজের নাম দিয়ে খুঁজলে অনেক সময় ফেসবুক পেজটা গুগলে আসে। কিন্তু "ছেলেদের সুতি পাঞ্জাবি" লিখে খোঁজা মানুষের সামনে আপনার আলাদা আলাদা প্রোডাক্ট আনতে হলে প্রতিটা প্রোডাক্টের নিজের পেজ লাগে, মানে নিজের ওয়েবসাইট।

আমার শপ গুগলে আছে কি না কীভাবে দেখব?

গুগলে site:apnarshop.com লিখে খুঁজুন, apnarshop.com-এর জায়গায় নিজের ডোমেইন বসিয়ে। ফলাফলে আপনার পেজগুলো এলে সেগুলো গুগলের লিস্টে আছে। কোনো একটা প্রোডাক্ট আছে কি না দেখতে Search Console-এর URL Inspection-এ সেই প্রোডাক্টের লিংক দিন।

ব্যাকলিংক কিনলে কি তাড়াতাড়ি র‍্যাংক হয়?

না, উল্টো বিপদ হতে পারে। র‍্যাংকিংয়ের জন্য টাকা দিয়ে লিংক কেনা Google-এর স্প্যাম পলিসিতে নিষেধ, আর এমন সাইট নিচে নেমে যেতে পারে বা ফলাফল থেকে বাদও পড়তে পারে। ওই টাকা ভালো ছবি বা প্রোডাক্টের ভালো লেখায় খরচ করুন।

#এসইও#ই-কমার্স এসইও#গুগল সার্চ#Search Console#প্রোডাক্ট পেজ#অনলাইন শপ

আরও পড়ুন

ওয়েবসাইটের মেনু আর ফুটারে কী রাখবেন? অনলাইন দোকানের জরুরি পেজসহ

ওয়েবসাইটের মেনুতে কয়টা লিংক রাখবেন, হেডারে কল আর WhatsApp বাটন কেন, ফুটারে ঠিকানা আর ট্রেড লাইসেন্স নম্বর কোথায় বসবে, আর About, যোগাযোগ, ডেলিভারি ও রিটার্নের পেজে কী লিখবেন। ফোনে দোকান খুলে এক ঘণ্টায় গুছিয়ে নেওয়ার পুরো নিয়ম।

·১২ মিনিটে পড়া যায়

গুগল সার্চ কনসোল কি? দোকানের ওয়েবসাইট গুগলে তুলবেন যেভাবে

গুগল সার্চ কনসোল হলো Google-এর ফ্রি টুল, যেখানে দেখা যায় কোন সার্চে আপনার দোকান আসছে আর কোন পেজ গুগলের লিস্টে আছে। নিজের ডোমেইনে DNS দিয়ে মালিকানা প্রমাণ, sitemap.xml সাবমিট, URL Inspection, "Not indexed" দেখলে কী করবেন, আর কোন পথ দোকানে আসলে কাজ করে না।

·১২ মিনিটে পড়া যায়

বিজনেস ক্যাপশন, ফেসবুকে সেল পোস্টে কী লিখলে অর্ডার আসে

ছবি সুন্দর, তবু ইনবক্সে সবাই শুধু দাম জিজ্ঞেস করে? সেল পোস্টের প্রথম দুই লাইনে কী লিখবেন, ক্যাপশনে কোন পাঁচটা কথা থাকতেই হবে, দাম লিখবেন কি না, নতুন মাল, অফার, স্টকে ফেরা আর রিভিউর চারটা নমুনা, আর কোন কথায় পোস্ট রিপোর্ট খায়।

·১০ মিনিটে পড়া যায়