eCourier মার্চেন্ট হওয়ার নিয়ম, আর ফেরতে কেন দুইবার চার্জ কাটে
eCourier-এ মার্চেন্ট হতে ফর্মে কী কী লাগে, পিকআপের শহর কোনগুলো, প্যানেলে লগইন করে পার্সেল কীভাবে বুক করবেন, ঢাকা আর ঢাকার বাইরে কত টাকা কাটে, ফেরত এলে কত যায় আর বিক্রির টাকা কোন দিন আসে, টাকার হিসাবসহ।

এই লেখায় যা আছে
eCourier মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট খোলার পুরো কাজটা একটা অনলাইন ফর্মে হয়, কোনো অফিসে যেতে হয় না। ecourier.com.bd/registration পেজে দোকানের নাম, ফেসবুক পেজের লিংক, পিকআপের ঠিকানা, নিজের মোবাইল আর ইমেইল, আর টাকা নেওয়ার bKash বা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট দিলেই হয়। NID বা ট্রেড লাইসেন্স স্ক্যান করে দিতে হয় না। অ্যাকাউন্ট চালু হলে সাইটের Login বাটন দিয়ে মার্চেন্ট প্যানেলে ঢুকে পার্সেল বুক করবেন। ২০২৬ সালের অক্টোবরে eCourier-এর প্রাইসিং পেজে ঢাকার ভেতরে ডেলিভারি চার্জ ৮০ টাকা আর ঢাকার বাইরে ১৩০ থেকে ১৬০ টাকা লেখা। বিক্রির টাকা আসে সপ্তাহে তিন দিন, রবিবার, মঙ্গলবার আর বৃহস্পতিবার।
ধরুন রাত সাড়ে দশটা। দিনের শেষ অর্ডারগুলো খাতায় তুলছেন, এমন সময় পরিচিত এক সেলার ভাই মেসেজ দিলেন, "eCourier-এ একটা অ্যাকাউন্ট খুলে রাখো, ঈদের চাপে কাজে দেবে।" কথাটা মাথায় ঘুরতে থাকে, আর সাথে একগাদা প্রশ্ন। খুলতে কী লাগে? চার্জ কত কাটবে? টাকা আটকে থাকবে না তো? পার্সেল হারালে কে দেবে? নতুন কুরিয়ারে যাওয়ার আগে এই খচখচানিটা সবারই থাকে, কারণ ভুল হলে কষ্টের লাভটাই কাটা যায়। নিচে প্রতিটা প্রশ্নের উত্তর দিয়েছি ২০২৬ সালের অক্টোবরে eCourier-এর নিজের ওয়েবসাইট, প্রাইসিং পেজ, FAQ আর টার্মস পড়ে। কোনো মেনুর নাম না মিললে স্ক্রিনে যা দেখছেন সেটাই ধরবেন।
eCourier কি, অন্য কুরিয়ার থেকে কোথায় আলাদা?
eCourier হলো eCourier Limited-এর হোম ডেলিভারি কুরিয়ার। ওরা আপনার কাছ থেকে পার্সেল তুলে কাস্টমারের দরজায় দেয়, আর দরজায় তোলা টাকা আপনাকে ফেরত পাঠায়। ওদের "Our story" অংশে লেখা, যাত্রা শুরু ২০১৪ সালে। কাভারেজ ম্যাপের পেজে লেখা আছে ওরা ৬৪ জেলায় কাজ করে। হোমপেজে আরেকটা কথা আছে যেটা খেয়াল করার মতো। ঢাকা আর চট্টগ্রামে ওদের নিজেদের ৩৫০-এর বেশি ডেলিভারি এজেন্ট, আর বাকি দেশে ৫০-এর বেশি ফ্র্যাঞ্চাইজির সাথে কাজ।
এর মানে কী, সেটা একটু ভেবে দেখুন। ঢাকা আর চট্টগ্রামের পার্সেল যায় ওদের নিজের লোকের হাতে। জেলায় গেলে কাজটা করে ফ্র্যাঞ্চাইজি, তাই এক জেলার সার্ভিস আরেক জেলার মতো নাও হতে পারে। এজন্য শুরুতেই সব অর্ডার এক কুরিয়ারে ঢেলে দেবেন না, আগে নিজের কাস্টমারের এলাকায় কয়েকটা পার্সেল পাঠিয়ে দেখুন।
নতুন সেলার হিসেবে eCourier-এর কয়েকটা জিনিস আপনার কাজে সরাসরি লাগবে। পার্সেল দেওয়ার সময় ওরা কাস্টমারের OTP মিলিয়ে নেয়, এটা হোমপেজেই লেখা। কেউ পরে "আমি তো পার্সেল পাইনি" বলে ঝামেলা করলে এই OTP আপনার পক্ষে একটা প্রমাণ হয়ে দাঁড়ায়। টাকা দেওয়ার দিনও বাঁধা, সপ্তাহে তিনবার, যেটা নিচে টেবিলে দেখাচ্ছি। মধু, তেল বা কাচের বোতলে যাঁরা বেচেন, তাঁদের জন্য ভাঙা যায় এমন আর তরল জিনিসের আলাদা একটা সার্ভিস আছে।
আর আছে bKash on Delivery। এতে কাস্টমার দরজায় নগদ না দিয়ে bKash-এ টাকা দিতে পারেন, খুচরা টাকার ঝামেলা থাকে না। eCourier-এর FAQ অনুযায়ী এর চার্জ তোলা টাকার ২% বা ২০ টাকা, যেটা বেশি। এই টাকা ডেলিভারির পরের দিন দেওয়া হয় (রবি থেকে বৃহস্পতিবার), তবে বৃহস্পতি আর শুক্রবারের টাকা আসে রবিবারের পেমেন্টে।
একটা জায়গায় eCourier একটু কড়া। ওদের টার্মসে ফেরতের চার্জ ডেলিভারি চার্জের সমান লেখা, মানে ফেরত এলে চার্জটা দুইবার কাটে। এর হিসাব নিচে টাকায় দেখাচ্ছি। সব কুরিয়ারের পুরো লিস্ট আছে কুরিয়ার সার্ভিস লিস্টের লেখায়, এখানে শুধু eCourier-এ কাজ শুরু করার কথা।
eCourier মার্চেন্ট রেজিস্ট্রেশনের কাগজ আর ধাপ
রেজিস্ট্রেশনের জন্য আলাদা কোনো কাগজ স্ক্যান করে জমা দিতে হয় না। ecourier.com.bd/registration খুললে একটা ফর্ম আসে, যেটা তিন ভাগে ভাগ করা। ফর্ম খোলার আগে হাতের কাছে চারটা জিনিস রাখুন। আপনার ফেসবুক পেজের লিংক, পিকআপের পুরো ঠিকানা, নিজের মোবাইল আর ইমেইল, আর টাকা নেওয়ার bKash নম্বর বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য।
ফর্মের প্রথম ভাগের নাম Merchant Info। এখানে Company, Site Url (web / facebook), City, Zone আর Address চাওয়া হয়। Company-র ঘরে সেই নামটাই দিন যে নামে কাস্টমার আপনার পেজ চেনেন, কারণ পরে সাপোর্টে ফোন দিলে বা হিসাব মেলাতে এই নামটাই বলতে হবে। Site Url ঘরটা বাধ্যতামূলক, ওয়েবসাইট না থাকলে ফেসবুক পেজের লিংকটাই দিন। Address-এ বাসা বা দোকানের নম্বর, রোড আর কাছের একটা চেনা জায়গার নাম লিখুন, যাতে পিক এজেন্ট প্রথম দিনেই খুঁজে পান।
City-র ঘরে একটা জিনিস রংপুর, সিলেট বা খুলনার সেলারকে আগে জানতে হবে। ২০২৬ সালের অক্টোবরে ফর্মের City আর Zone ঘরে শুধু Dhaka আর Chittagong বাছার অপশন আছে। মানে ফর্ম দিয়ে পিকআপের শহর হিসেবে এই দুটোই দেওয়া যায়। আপনি অন্য শহর থেকে পাঠালে ফর্ম পূরণের আগেই হটলাইনে ফোন দিয়ে জিজ্ঞেস করুন, আপনার এলাকা থেকে ওরা পার্সেল তোলে কি না, না তুললে পার্সেল কোথায় পৌঁছে দিতে হবে।
দ্বিতীয় ভাগ Entrepreneur Info, এখানে নাম, ইমেইল, মোবাইল আর পাসওয়ার্ড দেবেন। মোবাইল নম্বরটা এমন দিন যেটা সবসময় আপনার নিজের হাতে থাকে। eCourier-এর FAQ অনুযায়ী পিকআপে কে আসবেন তাঁর নাম আর নম্বর SMS-এ এই নম্বরেই আসে, আর টাকা পাঠানোর খবরও SMS আর ইমেইলে আসে। কর্মচারীর নম্বর দিলে এসব খবর আপনার আগে তাঁর কাছে যাবে।
তৃতীয় ভাগ Account Info, এখানে ঠিক করবেন টাকা কোথায় নেবেন। Payment Method-এ Bank বা Bkash সিলেক্ট করা যায়। ব্যাংকে নিলে ব্যাংকের নাম, অ্যাকাউন্ট হোল্ডারের নাম, অ্যাকাউন্ট নম্বর, ব্রাঞ্চ আর রাউটিং নম্বর লাগে। ব্যাংকের ঘরে BRAC আর DBBL নাম ধরে দেওয়া, বাকি সব ব্যাংক OTHER। bKash-এ নিলে bKash Type (Agent বা Personal) আর নম্বর দিতে হয়। eCourier-এর পেমেন্ট টেবিলে bKash আর ব্যাংকের জন্য আলাদা দিন লেখা নেই, তবে অন্য ব্যাংকে টাকা ট্রান্সফার হয়ে ঢুকতে কখনো একটু দেরি হয়। তাই বাছার আগে সাপোর্টে জিজ্ঞেস করে নিন, আপনার মাধ্যমে টাকা কোন দিন ঢোকে।

শেষে টার্মস মেনে নিয়ে ফর্ম জমা দিতে হয়। জমা দেওয়ার পর কত সময়ে অ্যাকাউন্ট চালু হয়, সেটা eCourier-এর সাইটে লেখা নেই। এক-দুই দিনে কোনো সাড়া না পেলে হটলাইনে ফোন দিন বা support@ecourier.com.bd-তে মেইল করুন। ওদের কন্টাক্ট পেজের ফর্মে Registration Query নামে আলাদা একটা অপশনও আছে।
প্রাইসিং পেজে দুটো প্ল্যান লেখা, Standard আর Express। ডেলিভারি চার্জ দুটোতেই এক। Express-এ কমপক্ষে ২ মাসের জন্য সাইন আপ করতে হয়, বদলে পাওয়া যায় API অ্যাক্সেস, আর আলাদা অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার, যার জন্য মাসে ৫০০ টাকা। বাসা থেকে দিনে কয়েকটা পার্সেল পাঠালে Standard-ই যথেষ্ট। API-র কথাটা মনে রাখবেন, শেষে কাজে লাগবে।
মার্চেন্ট প্যানেলে লগইন আর পার্সেল এন্ট্রি
ecourier.com.bd-র ওপরের Login বাটনে চাপ দিলে মার্চেন্ট প্যানেলের লগইন পেজ খোলে, যার লিংক backoffice.ecourier.com.bd দিয়ে শুরু। প্রথমবার ঢুকেই পেজটা ব্রাউজারে বুকমার্ক করে রাখুন। গুগলে "ecourier merchant login" লিখে প্রতিবার খুঁজলে কোনো একদিন ভুল লিংকে চাপ পড়তে পারে। সেখানে পাসওয়ার্ড দিলে বিক্রির টাকার পুরো হিসাব অন্যের হাতে চলে যেতে পারে।
মোবাইলে কাজ করতে চাইলে Google Play-তে eCourier Limited-এর "eCourier Merchant" অ্যাপ আছে, নামের সাথে এখনো Beta লেখা। বিবরণ অনুযায়ী অ্যাপ থেকে পিকআপ চাওয়া, পার্সেল বুক করা, কাস্টমারের নম্বর দিয়ে পার্সেল খোঁজা আর পেমেন্টের স্টেটমেন্ট দেখা যায়। সন্ধ্যায় একসাথে বিশ-পঁচিশটা পার্সেল তুললে অবশ্য কম্পিউটারে প্যানেল খুলে বসাই আরাম।
পার্সেল বুক করার তিনটা রাস্তার কথা eCourier-এর FAQ-তে আছে, আর তিনটার খরচ এক না। সাধারণ বুকিংয়ে প্যানেলের বুকিং অপশনে গিয়ে সব ঘর পূরণ করে সাবমিট দিলে পিকআপ নিজে থেকে অ্যাসাইন হয়ে যায়। অনেক অর্ডার হলে CSV ফাইল দিয়ে বাল্ক আপলোড করা যায়। এই দুটোয় আলাদা কোনো চার্জ নেই বলে FAQ-তে লেখা। তৃতীয় রাস্তা কুইক রিকোয়েস্ট, যেখানে তাড়াহুড়ায় শুধু পিকআপের ঠিকানা আর পার্সেলের সংখ্যা দিয়ে রিকোয়েস্ট পাঠানো যায়। কিন্তু এতে বুকিং চার্জ লাগে। তাই কুইক রিকোয়েস্ট রাখুন সত্যিকারের জরুরি দিনের জন্য, রোজকার অভ্যাস বানাবেন না।
সময়ের হিসাবটাও জানা দরকার। FAQ অনুযায়ী সাধারণ ডেলিভারির জন্য প্যানেলে বুকিংয়ের শেষ সময় সন্ধ্যা ৬টা, আর পিক এজেন্ট পার্সেল তুলতে আসেন রাত ৮টা পর্যন্ত। যিনি আসবেন তাঁর নাম আর মোবাইল নম্বর SMS-এ আপনার কাছে আসে। পার্সেল হাতে দেওয়ার সময় তাঁর কাছ থেকে পিক স্লিপ চেয়ে নিন, যেখানে কয়টা পার্সেল, তারিখ আর তাঁর সই থাকে। পরে "এই পার্সেল তো আমরা পাইনি" ধরনের কথা উঠলে এই কাগজটাই আপনাকে বাঁচাবে। eCourier-এর সাপ্তাহিক কোনো ছুটি নেই, শুধু কিছু সরকারি ছুটির দিনে বন্ধ থাকে, আর সেটা অন্তত দুই দিন আগে জানানোর কথা।

বুকিংয়ের সময় ছোট কয়েকটা ভুল পরে টাকা খায়। লেবেল দিয়ে শুরু করি। ওদের প্যাকেজিং নির্দেশনায় লেখা, প্রতিটা পার্সেলের গায়ে বুকিং পোর্টাল থেকে প্রিন্ট করা ট্র্যাকিং লেবেল লাগাতে হবে, হাতে লেখা চিরকুটে কাজ চলবে না। এরপর ঠিকানা। বুক করার আগেই কাস্টমারের সাথে মিলিয়ে নিন, কারণ FAQ অনুযায়ী বুকিংয়ের পরে ঠিকানা চেঞ্জ করতে মেইল বা হটলাইনে জানাতে হয়, আর এর জন্য আলাদা চার্জ লাগে। আর কাস্টমার যদি পুরনো জিনিস ফেরত দিয়ে নতুনটা নিতে চান, বুকিংয়ের সময়েই EXCHANGE DELIVERY সিলেক্ট করবেন। এরও আলাদা চার্জ আছে বলে FAQ-তে লেখা।
চার্জ, COD আর ফেরতের হিসাব
২০২৬ সালের অক্টোবরে eCourier-এর প্রাইসিং পেজে ডেলিভারি চার্জ এমন লেখা। ঢাকার ভেতরে সাধারণ ডেলিভারি ৮০ টাকা, পৌঁছায় ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায়। ঢাকার বাইরে মেট্রো এলাকায় ১৩০ টাকা, লাগে ৩ থেকে ৪ দিন। ঢাকার বাইরে থানা বা ইউনিয়নে ১৬০ টাকা, লাগে ৫ থেকে ৭ দিন। এই দাম ১ কেজি পর্যন্ত, তারপর প্রতি কেজিতে ৩০ টাকা যোগ হয়। ঢাকার ভেতরে পরের দিনের গ্যারান্টি (১০০ টাকা) আর একই দিনে ডেলিভারির (১৩০ টাকা) ঘরে এখন "Currently unavailable" লেখা।
এর ওপর আছে COD চার্জ, মানে কাস্টমারের কাছ থেকে টাকা তুলে আপনাকে দেওয়ার খরচ। ঢাকার ভেতরে তোলা টাকার ১% বা ১০ টাকা, যেটা বেশি। ঢাকার বাইরে ২% বা ২০ টাকা, যেটা বেশি। আর টার্মসে লেখা, ফেরতের চার্জ ডেলিভারি চার্জের সমান, আর এটা ঢাকার ভেতরে ও বাইরে দুই জায়গাতেই লাগতে পারে।
সংখ্যাগুলো আলাদা আলাদা পড়লে ছোট মনে হয়। একটা অর্ডারে বসালে বোঝা যায় পকেট থেকে আসলে কত যায়। নিচের অর্ডারগুলো একটা উদাহরণ, কোনো দোকানের আসল হিসাব না। চার্জের অঙ্কগুলো ওপরের প্রাইসিং পেজ থেকে নেওয়া।
ধরুন ঢাকার ভেতরে একটা পাঞ্জাবি পাঠাচ্ছেন। দাম ১,২০০ টাকা, প্যাকেটসহ ওজন ১ কেজির কম, আর কাস্টমার ডেলিভারি চার্জ ৮০ টাকা দেন। রাইডার তুলবেন ১,২৮০ টাকা। ডেলিভারি চার্জ কাটবে ৮০ টাকা, আর COD চার্জ ১,২৮০ টাকার ১%, মানে প্রায় ১৩ টাকা। আপনার কাছে আসবে মোটামুটি ১,১৮৭ টাকা।
এবার ধরুন থানা পর্যায়ের এক কাস্টমারকে এক কেজি মধু পাঠাচ্ছেন। দাম ১,০০০ টাকা, আর আপনি কাস্টমারের কাছ থেকে ডেলিভারি চার্জ নেন ১৫০ টাকা। রাইডার তুলবেন ১,১৫০ টাকা। eCourier কাটবে ডেলিভারির ১৬০ টাকা আর COD-র ২%, মানে ২৩ টাকা। আপনার কাছে আসবে ৯৬৭ টাকা। খেয়াল করুন, কাস্টমারের দেওয়া ১৫০ টাকায় কুরিয়ারের ১৬০ টাকা ওঠেনি। বাকি ১০ টাকা আর COD-র ২৩ টাকা আপনার লাভ থেকে গেল। আর মধুর বোতল যদি প্যাকেটসহ ১ কেজির একটু বেশি হয়ে যায়, আরও ৩০ টাকা যোগ হতে পারে। তাই ওজন মেপে তারপর ডেলিভারি চার্জ ঠিক করুন।
এখন ভাবুন সেই মধুর পার্সেলটাই ফেরত এলো। কাস্টমার ফোন ধরেননি, পার্সেল দুই দিন ঘুরে ফেরত। যাওয়ার ১৬০ টাকা আর ফেরার ১৬০ টাকা মিলে ৩২০ টাকা যেতে পারে, অথচ বিক্রি হয়নি একটাও। এর সাথে নষ্ট প্যাকেট আর এক সপ্তাহ আটকে থাকা মধু। হিসাবটা দেখে মন খারাপ হওয়াই স্বাভাবিক, কারণ এই ৩২০ টাকা তুলতে আপনাকে আরও কয়েকটা পার্সেল ঠিকঠাক ডেলিভারি করাতে হবে। টাকা না ওঠায় COD-র শতাংশ কাটার কথা না, তবে প্রথম ফেরতের বিলটা প্যানেলে মিলিয়ে দেখবেন কী কী কেটেছে।

এই হিসাব থেকে একটা সোজা নিয়ম দাঁড়ায়। থানা পর্যায়ের অর্ডারে ফোনে কনফার্ম না করে পার্সেল পাঠাবেন না। আর যে নম্বরের রেকর্ডে আগে ফেরত আছে, তাঁর কাছে ডেলিভারি চার্জটা অগ্রিম চান। ১৬০ টাকা অগ্রিম এলে ফেরত হলেও আপনার ক্ষতির অর্ধেক অন্তত উঠে আসে। eCourier-এর নিজের Fraud Alert সার্ভিস আছে, তবে FAQ অনুযায়ী এটা টাকা দিয়ে প্যাকেজ কিনে নিতে হয়। শুরুতে বিনা খরচে কাস্টমারের আগের রেকর্ড দেখতে চাইলে নিচের চেকারটা কাজে লাগান।
পেমেন্ট কবে, কোন মাধ্যমে?
eCourier প্রতিদিন টাকা দেয় না। ওদের FAQ-তে লেখা, পেমেন্ট হয় সপ্তাহে তিনবার, রবিবার, মঙ্গলবার আর বৃহস্পতিবার। কোন দিনের ডেলিভারির টাকা কবে আসবে, নিচের টেবিলটা ওদের FAQ থেকে নেওয়া।
| যে দিনগুলোর ডেলিভারি | টাকা আসে |
|---|---|
| বুধ, বৃহস্পতি আর শুক্রবার | রবিবার |
| শনি আর রবিবার | মঙ্গলবার |
| সোম আর মঙ্গলবার | বৃহস্পতিবার |
টেবিলটা আপনার স্টক কেনার দিনে কী করে, একটা উদাহরণে দেখুন। বুধবারে ডেলিভারি হওয়া পার্সেলের টাকা আসবে রবিবার, চার দিন পর। শুক্রবারের ডেলিভারির টাকাও আসে সেই রবিবারেই, মাত্র দুই দিনে। মানে একটা ডেলিভারির টাকা হাতে পেতে দুই থেকে চার দিন লাগে। ঈদের আগে যখন প্রতিদিন নতুন মাল তুলতে হয়, তখন এই চার দিনকে অনেক লম্বা মনে হয়। তাই বড় স্টক কেনার দিনটা পেমেন্টের দিনের ঠিক পরে রাখুন, আগে না।

টাকা নগদে দেওয়া হয় না, যায় শুধু ব্যাংক বা bKash-এ। টাকা পাঠানো হলে SMS আর ইমেইলে খবর আসে, আর ইমেইলের সাথে একটা ইনভয়েস থাকে। টার্মস অনুযায়ী eCourier আগে ডেলিভারি চার্জ, সার্ভিস চার্জ আর অন্য চার্জ কেটে নেয়, তারপর বাকিটা পাঠায়।
তাই সপ্তাহে একবার এই ইনভয়েস খুলে নিজের খাতার সাথে মিলিয়ে নিন। কোন পার্সেল ডেলিভারি হয়েছে অথচ টাকা আসেনি, কোনটায় ওজনের জন্য বাড়তি চার্জ কেটেছে, এসব চোখে পড়ে শুধু তখনই। এক মাস না মিলিয়ে বসে থাকলে কোন পার্সেলের টাকা কোথায় গেল, সেটা আর বের করা যায় না।
যাঁদের আরও তাড়াতাড়ি টাকা দরকার, তাঁদের জন্য eCourier-এর InstaPay আছে। ওদের InstaPay পেজে লেখা, কাস্টমার পার্সেল নিয়ে রাইডারের হাতে টাকা দেওয়ার সাথে সাথে সেই টাকা মার্চেন্টের পার্সোনাল bKash অ্যাকাউন্টে চলে যায়। এর জন্য কত ফি লাগে, সেটা ওই পেজে লেখা নেই। চালু করার আগে সাপোর্টে ফি-টা জেনে নিন, তারপর হিসাব করুন দুই-চার দিন আগে টাকা পাওয়ার দাম সেটা কি না।
ব্রাঞ্চ, ট্র্যাকিং আর অভিযোগ
পার্সেল কোথায় আছে দেখতে eCourier-এর হোমপেজে TRACK PARCEL ঘরে ট্র্যাকিং নম্বর লিখুন। ওখানে লেখা, নম্বর শুরু হয় ECR বা BL দিয়ে, আর কমপক্ষে ১১ অক্ষরের। মার্চেন্ট প্যানেলে কাস্টমারের ফোন নম্বর, প্রোডাক্ট আইডি বা কনসাইনমেন্ট নম্বর দিয়েও খোঁজা যায়। কাস্টমার ফোন দিয়ে "ভাই, পার্সেল কই?" জিজ্ঞেস করলে নম্বরটা পাঠিয়ে দিন, তিনি নিজেই দেখে নেবেন।
ডেলিভারির নিয়মের দুটো কথা কাস্টমারকে আগে থেকেই বলে রাখা ভালো। FAQ অনুযায়ী eCourier একটা পার্সেল ডেলিভারির জন্য সর্বোচ্চ দুইবার চেষ্টা করে। আর কাস্টমার পরে নিতে চাইলে পার্সেল সর্বোচ্চ তিন দিন ধরে রাখা হয়, এরপর নিজে থেকে বাতিল হয়ে যায়। তাই কেউ "চার-পাঁচ দিন পর দিয়েন" বললে পার্সেল এখনই পাঠাবেন না, তাঁর বলা দিনের কাছাকাছি সময়ে বুক করুন। হোল্ড বা বাতিল হলে কারণসহ SMS আসে, আর ডেলিভারি হলে ইমেইল। টার্মস অনুযায়ী বাতিল হওয়া পার্সেল ঢাকার ভেতরে ২ কর্মদিবসে আর ঢাকার বাইরে ৫ কর্মদিবসে আপনার কাছে ফেরার কথা।
eCourier-এর হেড অফিস গুলশান-১-এর উদয় টাওয়ারের ১২ তলায়। কন্টাক্ট পেজে পুরো ঠিকানার সাথে Our Branch Offices নামে একটা অংশ আছে, আর কোন কোন জেলায় ওরা যায় সেটা কাভারেজ ম্যাপের পেজে লিস্ট করা।
অভিযোগের জন্য support@ecourier.com.bd-তে মেইল করুন, বিষয়ের ঘরে কনসাইনমেন্ট নম্বর লিখে। কন্টাক্ট পেজের ফর্মে Billing And Payment আর Shipment Delivery & Pick নামে আলাদা অপশনও আছে। ফোনে বললেও পরে একটা মেইল করে রাখুন, যাতে লিখিত রেকর্ড থাকে। আর একটা সাবধানতা ওদের টার্মসেই লেখা। ইন্টারনেটে পাওয়া কোনো নম্বর বা লিংক নিজেকে eCourier কাস্টমার কেয়ার বললে সেটা প্রতারণা হতে পারে, আর eCourier-এর লোক কখনো কোনো অর্ডারের জন্য বাড়তি টাকা চাইবে না। তাই ফোন নম্বর নেবেন শুধু ecourier.com.bd থেকে।
কাচের বোতল, মধু বা তেল যাঁরা পাঠান, তাঁদের জন্য eCourier-এর Fragile & Liquid সার্ভিস আছে। মার্চেন্ট প্যানেল থেকে রিকোয়েস্ট পাঠালে ওরা সার্ভিসটা চালু করে আর আপনার ঠিকানায় Fragile স্টিকার পাঠায়। FAQ-তে এর বাক্সের দাম লেখা, ছোট বাক্স ২৫ টাকা, মাঝারি ৫০ টাকা আর বড় বাক্স ১০০ টাকা। এই সার্ভিসে বুক করা পার্সেল ভাঙলে পুরো ক্ষতিপূরণের কথাও FAQ-তে আছে। তবে এটা শুধু বিভাগীয় শহরে থাকা মার্চেন্টদের জন্য। টার্মসের নিষিদ্ধ লিস্টে সুরক্ষা ছাড়া কাচের জিনিস, ফল-সবজির মতো পচনশীল জিনিস আর দাহ্য জিনিস আছে। কাচের প্রতিটা জিনিস বাবল র্যাপে মুড়ে শক্ত বাক্সে ভরতে বলা আছে।

একাধিক কুরিয়ারের মধ্যে eCourier কখন রাখবেন?
এখন আসল প্রশ্ন। আপনার কি eCourier দরকার? সত্যি বলি, সবার দরকার নেই। দিনে তিন-পাঁচটা পার্সেল পাঠালে আর যে কুরিয়ারে আছেন সেখানে টাকা ঠিকঠাক আসলে নতুন অ্যাকাউন্ট মানে শুধু আরেকটা পাসওয়ার্ড আর আরেকটা হিসাব মেলানো।
eCourier রাখার কথা ভাবুন যদি আপনি ঢাকা বা চট্টগ্রাম থেকে পাঠান, আর আপনার বেশিরভাগ কাস্টমারও এই দুই শহরে, যেখানে ওদের নিজেদের এজেন্ট কাজ করেন। কাচ বা তরল জিনিস পাঠালে Fragile & Liquid সার্ভিসটা কাজে লাগবে। কাস্টমাররা দরজায় bKash-এ টাকা দিতে চাইলেও eCourier ভালো অপশন। আবার ঈদের চাপে আপনার মূল কুরিয়ারের পিকআপ দেরিতে এলে হাতে দ্বিতীয় একটা রাস্তা থাকলে মাল আটকে থাকে না। অনেক সেলার এজন্যই দুইটা কুরিয়ার চালান।
উল্টো দিকে, আপনার বেশিরভাগ অর্ডার যদি ঢাকার বাইরে থানা পর্যায়ে যায় আর ফেরতের হার বেশি হয়, তাহলে আগে হিসাব করুন। ফেরতের চার্জ ডেলিভারি চার্জের সমান হলে প্রতিটা ফেরত আপনাকে ভালোই ভোগাবে। Pathao-তে যেমন ঢাকার বাইরের ফেরতে ডেলিভারি চার্জের ওপর আরও অর্ধেক যোগ হয়, পুরোটা না। ওদের নিয়ম পাঠাও মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টের গাইডে আছে।
ঠিক করার সবচেয়ে ভালো উপায় এক মাসের ছোট টেস্ট। eCourier-এ বিশ-ত্রিশটা পার্সেল পাঠান, নিজের সাধারণ এলাকাগুলোতেই, আর প্রতিটার পাশে লিখুন কত দিনে পৌঁছাল, ফেরত এলো কি না, আর টাকা কোন দিন এলো। টেস্টটা কীভাবে সাজাবেন আর মাস শেষে কোন সংখ্যা দেখে রাখবেন, তার পুরো নিয়ম কোন কুরিয়ার ভালো, সেই তুলনার লেখায় আছে। আন্দাজে নয়, নিজের সংখ্যা দেখে সিদ্ধান্ত নিলে আফসোস কম থাকে।

ঝামেলা শুরু হয় যখন দুইটা কুরিয়ারই চালু থাকে। দুইটা প্যানেলে আলাদা লগইন, আলাদা ফরম্যাটে এন্ট্রি, আর কোন পার্সেল কোথায় আছে দেখতে দুই জায়গায় খোঁজা। রাত এগারোটায় কাস্টমারের "পার্সেল কই" মেসেজের উত্তর দিতে গিয়ে আগে মনে করতে হয় এটা কোন কুরিয়ারে গিয়েছিল।
WinningSeller-এ Steadfast, Pathao, RedX, Paperfly, Carrybee আর eCourier, এই ছয়টা কুরিয়ার একসাথে কানেক্ট করা যায়। eCourier কানেক্ট করতে লাগে User ID, API Key আর API Secret, যেটা eCourier সাপোর্ট বা আপনার অ্যাকাউন্ট ম্যানেজারের কাছে চেয়ে নিতে হয়। প্রাইসিং পেজে API অ্যাক্সেস Express প্ল্যানের ঘরে লেখা, তাই চাওয়ার সময় জিজ্ঞেস করে নিন আপনার অ্যাকাউন্টে এটা দেবে কি না। তথ্যগুলো বসিয়ে "সংযোগ পরীক্ষা" চাপলে আপনার eCourier প্যাকেজের লিস্ট আসে, সেখান থেকে ঢাকার ভেতরের আর বাইরের প্যাকেজ সিলেক্ট করে দেন। এরপর অর্ডারে কাস্টমারের থানাটা eCourier-এর লিস্ট থেকে বেছে দিলে কনফার্ম করা অর্ডার এক ক্লিকে পার্সেল হয়ে যায়, আর স্ট্যাটাস প্রায় প্রতি ঘণ্টায় নিজে থেকে আপডেট হয়।
যেভাবেই চালান, আজ রাতেই শুরুটা করে ফেলুন। ঢাকা-চট্টগ্রামের বাইরে থাকলে আগে হটলাইনে পিকআপের কথা জেনে নিন, তারপর ফর্মটা পূরণ করে অ্যাকাউন্ট খুলুন। প্যানেলের লিংকটা বুকমার্ক করুন, আর প্রথম পার্সেলটা সন্ধ্যা ৬টার আগে বুক করে পিক স্লিপটা যত্ন করে রেখে দিন। ছোট এই কাজগুলোই পরে বড় ঝামেলা থেকে বাঁচায়।
সাধারণ প্রশ্ন
eCourier মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট খুলতে কি ট্রেড লাইসেন্স বা NID লাগে?
না, eCourier-এর রেজিস্ট্রেশন ফর্মে ট্রেড লাইসেন্স বা NID জমা দেওয়ার কোনো ঘর নেই। ফর্মে চাওয়া হয় দোকানের নাম, ফেসবুক পেজ বা ওয়েবসাইটের লিংক, পিকআপের শহর আর ঠিকানা, আপনার নাম, মোবাইল, ইমেইল, আর টাকা নেওয়ার bKash বা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট। ২০২৬ সালের অক্টোবরে ফর্মের City ঘরে শুধু Dhaka আর Chittagong আছে, তাই অন্য শহর থেকে পাঠালে আগে হটলাইনে জেনে নিন। ব্যবসা নিয়মিত চললে ট্রেড লাইসেন্স করে রাখা ভালো, কারণ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট আর মার্চেন্ট পেমেন্টের কাজে পরে এটা লাগে।
eCourier-এর ডেলিভারি চার্জ কত?
২০২৬ সালের অক্টোবরে eCourier-এর প্রাইসিং পেজে ঢাকার ভেতরে সাধারণ ডেলিভারি ৮০ টাকা, ঢাকার বাইরে মেট্রো এলাকায় ১৩০ টাকা আর থানা বা ইউনিয়নে ১৬০ টাকা লেখা। এই দাম ১ কেজি পর্যন্ত, এরপর প্রতি কেজিতে ৩০ টাকা যোগ হয়। এর সাথে COD চার্জ আছে, ঢাকার ভেতরে তোলা টাকার ১% বা ১০ টাকা, আর বাইরে ২% বা ২০ টাকা, যেটা বেশি।
eCourier থেকে বিক্রির টাকা কবে আসে?
eCourier সপ্তাহে তিন দিন টাকা দেয়, রবিবার, মঙ্গলবার আর বৃহস্পতিবার। ওদের FAQ-র টেবিল অনুযায়ী বুধ, বৃহস্পতি আর শুক্রবারের ডেলিভারির টাকা আসে রবিবার, শনি-রবির টাকা মঙ্গলবার, আর সোম-মঙ্গলের টাকা বৃহস্পতিবার। টাকা যায় আপনার দেওয়া bKash বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে, হাতে নগদ দেওয়া হয় না।
eCourier মার্চেন্ট লগইন কোথায় করব?
ecourier.com.bd-র ওপরের Login বাটনে চাপ দিলে মার্চেন্ট প্যানেলের লগইন পেজ খোলে, যার লিংক backoffice.ecourier.com.bd দিয়ে শুরু। মোবাইলে চালাতে চাইলে Google Play-তে eCourier Limited-এর "eCourier Merchant" অ্যাপ আছে। লগইনে সমস্যা হলে ওয়েবসাইটে লেখা হটলাইনে ফোন দিন বা support@ecourier.com.bd-তে মেইল করুন।
eCourier হেল্পলাইন নম্বর কত?
eCourier-এর ওয়েবসাইটের নিচে Call Us অংশে 09642 500 500 লেখা, আর প্রাইসিং পেজে হটলাইন হিসেবে 09612500500 দেওয়া। ইমেইল support@ecourier.com.bd। ওদের টার্মসে সাবধান করা আছে, ইন্টারনেটে পাওয়া অন্য কোনো নম্বর নিজেকে eCourier কাস্টমার কেয়ার বললে সেটা প্রতারণা হতে পারে, তাই নম্বর নেবেন শুধু ওদের নিজের সাইট থেকে।
eCourier-এ পার্সেল ফেরত এলে কত টাকা কাটে?
eCourier-এর টার্মসে লেখা আছে, রিটার্ন চার্জ ডেলিভারি চার্জের সমান, আর এটা ঢাকার ভেতরে ও বাইরে দুই জায়গাতেই লাগতে পারে। মানে থানা পর্যায় থেকে ১ কেজির একটা পার্সেল ফেরত এলে যাওয়ার ১৬০ আর ফেরার ১৬০, মোট ৩২০ টাকা যেতে পারে। তাই দূরের অর্ডার পাঠানোর আগে কনফার্ম কল আর নম্বরের রেকর্ড দেখা এখানে আরও জরুরি।
আরও পড়ুন
হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল না গ্রুপ? পুরনো কাস্টমারকে নতুন মালের খবর দিন
নতুন কালেকশনের খবর পুরনো কাস্টমারকে দিতে চান, কিন্তু চ্যানেল খুলবেন, গ্রুপ, না স্ট্যাটাস? কে কার নম্বর দেখে, কে উত্তর দিতে পারে, চ্যানেল খোলার ধাপ, কী পোস্ট দেবেন, গ্রুপের নিয়ম আর ঝুঁকি, আর এক মাসে কোনটায় কত সময় যায়, হিসাবসহ।
শার্ট, প্যান্ট আর টি-শার্টের সাইজ চার্ট বানাবেন যেভাবে, ফেরত কমবে
সাপ্লায়ারের ট্যাগে M লেখা, অথচ কাস্টমার বলেন টাইট। টি-শার্ট, শার্ট আর প্যান্ট টেবিলে বিছিয়ে ফিতা দিয়ে মাপার নিয়ম, ইঞ্চিতে নিজের সাইজ চার্ট বানানো, কাস্টমারকে নিজের শার্ট মেপে সাইজ বাছতে শেখানো, আর একটা ভুল সাইজে কত টাকা যায়, হিসাবসহ।
প্রোডাক্ট ক্যাটালগ ও প্রাইস লিস্ট বানানোর নিয়ম, পাইকার আর অফিসের জন্য
পাইকার, রিসেলার বা অফিসের লোক বলছেন "ক্যাটালগ আর রেট দেন"? প্রতিটা প্রোডাক্টে কী লিখবেন, খুচরা আর পাইকারি দাম কেন আলাদা ফাইলে, পরিমাণ ধরে দামের ধাপ টাকায়, PDF না লিংক, আর দাম বদলালে পুরনো কপি থামাবেন কীভাবে।


