চায়না থেকে প্রোডাক্ট আনার উপায়, 1688, এজেন্ট আর কার্গোর পুরো হিসাব
অল্প পরিমাণে চায়না থেকে মাল আনতে কোন রাস্তা সহজ, 1688 আর আলিবাবার পার্থক্য, বৈধ পথে টাকা পাঠানোর নিয়ম, কার্গো কেজি দরে কীভাবে চলে, আর একটা প্রোডাক্ট দেশে আনতে পিসপ্রতি আসলে কত পড়ে, টাকার হিসাবসহ।

এই লেখায় যা আছে
- চায়না থেকে প্রোডাক্ট আনার উপায় কয়টা, ছোট সেলারের জন্য কোনটা?
- 1688 আর আলিবাবার পার্থক্য কী?
- চায়নায় টাকা পাঠাবেন কীভাবে, বৈধ পথে?
- কার্গো কীভাবে কাজ করে, এয়ার না সি, ডোর টু ডোর কী?
- একটা প্রোডাক্ট দেশে আনতে আসলে কত পড়ে (উদাহরণ)
- ইমপোর্ট লাইসেন্স (IRC) কখন লাগে?
- কোন প্রোডাক্ট চায়না থেকে আনবেন না?
- এজেন্ট বা কার্গো কোম্পানি বাছার আগে কী দেখবেন?
- প্রথম চালানটা কীভাবে শুরু করবেন?
চায়না থেকে প্রোডাক্ট আনার উপায় মূলত তিনটা। ছোট সেলাররা বেশিরভাগই প্রথম উপায়টা নেন। বাংলাদেশের একজন বায়িং এজেন্টকে টাকায় পেমেন্ট দিয়ে 1688 থেকে মাল কেনান, তারপর সেই মাল ডোর টু ডোর কার্গোতে কেজি দরে দেশে আনেন। দ্বিতীয় উপায় হলো Alibaba.com-এ সাপ্লায়ারকে সরাসরি অর্ডার দেওয়া, Trade Assurance দিয়ে পেমেন্ট করা, আর একটা ফ্রেইট ফরওয়ার্ডার দিয়ে মাল আনা। তৃতীয়টা পুরো কমার্শিয়াল ইমপোর্ট। এতে আপনার নিজের IRC থাকে, ব্যাংক দিয়ে টাকা যায়, আর কাস্টমসে মাল ছাড়ানো হয় আপনার নামে। প্রথমবার আনলে প্রথম উপায়টাই সহজ। তবে মাল আনার আগেই কাগজে হিসাব করে নিন, একটা পিস দেশে আনতে সব মিলিয়ে কত পড়বে।
এই লেখার নিয়ম আর রেটগুলো অক্টোবর ২০২৬-এ অফিসিয়াল আর কোম্পানির নিজের ওয়েবসাইট থেকে দেখা। দুটোই বদলায়, তাই টাকা পাঠানোর দিন আরেকবার মিলিয়ে নেবেন।
চায়না থেকে প্রোডাক্ট আনার উপায় কয়টা, ছোট সেলারের জন্য কোনটা?
প্রথম উপায়টা হলো এজেন্ট আর ডোর টু ডোর কার্গো। আপনি 1688 থেকে প্রোডাক্টের লিংক বের করে এজেন্টকে দেন। এজেন্ট আপনার কাছ থেকে টাকায় দাম নিয়ে চীনের সাপ্লায়ারকে অর্ডার দেন। মাল যায় এজেন্টের চীনের গুদামে, সেখান থেকে আরও অনেকের মালের সাথে প্লেনে ঢাকায় আসে। কাস্টমস ছাড়ানোর কাজ এজেন্টের। আপনি ঢাকায় তাঁর অফিস থেকে মাল নেন, নয়তো তিনি কুরিয়ারে পাঠিয়ে দেন। চার্জ কেজি দরে হয় বলে পাঁচ-দশ কেজির ছোট চালানও আনা যায়। এজন্যই নতুন সেলারদের কাছে এটা সবচেয়ে জনপ্রিয়।
দ্বিতীয় উপায় Alibaba.com থেকে কেনা। এখানে সাপ্লায়ার সাধারণত কারখানা বা ট্রেডিং কোম্পানি, যারা বিদেশে মাল পাঠাতে অভ্যস্ত। দাম ডলারে, কথা হয় ইংরেজিতে, আর অনেক সাপ্লায়ার স্যাম্পল পাঠান। ঝামেলা হলো পেমেন্টে। টাকা পাঠাতে হবে ডলারে, আর বাংলাদেশ থেকে সেটা কোন পথে বৈধ, সেটা তৃতীয় অংশে বলছি।
তৃতীয় উপায় নিজের নামে কমার্শিয়াল ইমপোর্ট। এর জন্য ট্রেড লাইসেন্স, TIN আর IRC থাকতে হয়। ব্যাংক সাপ্লায়ারকে টাকা পাঠায়, আর কাস্টমসে মাল ছাড়ানো হয় আপনার নামে। কাগজের ঝামেলা বেশি, কিন্তু প্রতিটা চালানের কাগজ আপনার হাতে থাকে। প্রতি মাসে একই প্রোডাক্ট বড় পরিমাণে আনলে একসময় এই পথেই আসতে হয়।
এবার একটা সৎ কথা বলি। যে প্রোডাক্ট আপনি এখনো দেশের পাইকারি মার্কেট থেকে কিনে বিক্রি করে দেখেননি, সেটা দিয়ে চায়না থেকে আনা শুরু করবেন না। চায়নার মাল আসতে কয়েক সপ্তাহ লাগে, আর এক চালানে অনেক টাকা আটকে যায়। প্রোডাক্টটা আগে দেশি মার্কেটের মাল দিয়ে অ্যাডে টেস্ট করুন। চলছে কি না কীভাবে বুঝবেন, সেটা উইনিং প্রোডাক্ট খুঁজে বের করার লেখায় আছে। চলছে দেখলে তখন একই জিনিস চায়না থেকে কম দামে আনুন।
1688 আর আলিবাবার পার্থক্য কী?
দুটো সাইটই Alibaba গ্রুপের, কিন্তু কাস্টমার আলাদা। 1688 বানানো হয়েছে চীনের ভেতরের ব্যবসায়ীদের জন্য। সাইটের লেখা চাইনিজে, দাম ইউয়ানে, আর পেমেন্ট হয় Alipay বা চীনের ব্যাংক দিয়ে। বেশিরভাগ সাপ্লায়ার শুধু চীনের ভেতরের ঠিকানায় মাল পাঠান। তাই বাংলাদেশ থেকে 1688-এ কিনতে মাঝখানে একজন এজেন্ট লাগবেই।
1688-এর বড় সুবিধা হলো দাম। চীনের দোকানদাররা এখান থেকেই কেনেন, তাই একই প্রোডাক্ট এখানে সাধারণত Alibaba.com-এর চেয়ে কম দামে মেলে। অনেক সাপ্লায়ার অল্প পিসেও বিক্রি করেন, ফলে একটা ডিজাইনের দশ-বিশ পিসও আনা যায়। অসুবিধা হলো, সাপ্লায়ার আপনাকে চেনেন না, চেনেন এজেন্টকে। ভুল বা কম মাল এলে সেটা ঠিক করাতে হবে এজেন্টের মাধ্যমেই।
Alibaba.com বানানো হয়েছে বিদেশি ক্রেতাদের জন্য। এখানের অনেক সাপ্লায়ার প্রোডাক্টে আপনার লোগো বসিয়ে দিতেও রাজি হন। তবে মিনিমাম অর্ডার প্রায়ই বেশি থাকে।
Alibaba.com-এ Trade Assurance জিনিসটা না বুঝলে টাকা হারানোর ভয় আছে। Alibaba-র Money-back policy পেজে লেখা আছে, এই সুরক্ষা পাবেন শুধু সেই অর্ডারে, যার টাকা Alibaba.com-এর ভেতর দিয়ে দেওয়া হয়েছে। মাল না পাঠালে, কম এলে, ভুল বা নষ্ট এলে তখন রিফান্ডের আবেদন করা যায়। আবেদনের সময় ডেলিভারির পর ৩০ দিন, আর কিছু বড় অ্যাকাউন্টের বেলায় ৬০ দিন। সাপ্লায়ার যদি বলেন "আমার ব্যাংকে সরাসরি পাঠান, একটু কম রাখব", তাহলে বুঝবেন সেই টাকার কোনো সুরক্ষা নেই।
তাহলে কোনটা বেছে নেবেন? অল্প পরিমাণে অনেক ডিজাইন আনতে চাইলে 1688 আর এজেন্ট দিয়ে আনুন। একটা প্রোডাক্ট বড় পরিমাণে, নিজের ব্র্যান্ডের প্যাকেটে আনতে চাইলে Alibaba.com-এর কারখানার সাথে কথা বলুন।
চায়নায় টাকা পাঠাবেন কীভাবে, বৈধ পথে?
বাংলাদেশ থেকে বিদেশে মালের টাকা পাঠানোর বৈধ পথ একটাই, ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংক ১৩ আগস্ট ২০২৬-এ FEPD-1 Circular No. 30 দিয়েছে, যেখানে ইমপোর্টের পেমেন্টের সব নিয়ম এক জায়গায় আছে। সেই সার্কুলারের শুরুর দিকেই বলা আছে, CCI&E-তে রেজিস্ট্রেশন ছাড়া বা ছাড় না পেয়ে কেউ বাংলাদেশে মাল ইমপোর্ট করতে পারেন না। এই রেজিস্ট্রেশনটাই IRC।
IRC থাকলে টাকা পাঠানোর কয়েকটা উপায় আছে। বড় চালানে LC খোলা যায়। ছোট চালানে ব্যাংক সাপ্লায়ারকে আগাম টাকা পাঠাতে পারে। ওই সার্কুলার অনুযায়ী ২০,০০০ ডলার পর্যন্ত আগাম পেমেন্টে সাপ্লায়ারের দিক থেকে বিদেশি ব্যাংকের গ্যারান্টি লাগে না। পেমেন্ট চাইনিজ ইউয়ানেও করা যায়, সেটাও সার্কুলারে লেখা আছে। The Business Standard-এর খবর অনুযায়ী, নতুন আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬-২০২৯-এ অনুমোদিত মাল LC ছাড়াই কেনাবেচার চুক্তিতে আনা যাবে, পরিমাণ যত হোক। আপনার চালানে কোন উপায় সহজ, সেটা নিজের ব্যাংকের ট্রেড সার্ভিসের ডেস্কে গিয়ে জেনে নিন।
এজেন্টের পথে ব্যাপারটা আলাদা। আপনি এজেন্টকে টাকায় পেমেন্ট দেন, আর এজেন্ট নিজের ব্যবস্থায় চীনে টাকা পাঠান। সেই পথটা আপনি দেখতে পান না। তাই অন্তত এটুকু দেখে নিন যে টাকা দিচ্ছেন একটা প্রতিষ্ঠানকে, কোনো অচেনা মানুষকে না। প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা মার্চেন্ট নম্বরে টাকা দিন, আর প্রতিটা পেমেন্টের ইনভয়েস নিন। ইনভয়েসে প্রোডাক্টের দাম, ইউয়ানের রেট আর সার্ভিস চার্জ আলাদা করে লেখা থাকতে হবে।
অনেকে নিজের ডুয়েল কারেন্সি কার্ড দিয়ে Alibaba-য় মালের দাম দেওয়ার কথা ভাবেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ গাইডলাইনের ১৯ নম্বর অধ্যায়ে ইন্টারন্যাশনাল কার্ডে কোন কোন টাকা খরচ করা যায়, তার লিস্ট আছে। সেখানে আছে ব্যক্তিগত ট্রাভেল কোটা, RFCD অ্যাকাউন্টের টাকা, এক্সপোর্টারের ERQ অ্যাকাউন্টের টাকা আর এমন কয়েকটা খাত। বিক্রির জন্য মাল ইমপোর্ট সেখানে নেই। তাই কার্ডে স্টক কেনার আগে নিজের ব্যাংককে জিজ্ঞেস করুন। না জিজ্ঞেস করে কিনলে ব্যাংক কার্ডের লেনদেন আটকে দিতে পারে।
হুন্ডির কথা আলাদা করে বলি, কারণ অনেকে কম রেটের লোভে এই পথে যান। হুন্ডি বেআইনি পথ, এতে আইনি ঝামেলায় পড়ার ঝুঁকি আছে। আর টাকা মাঝপথে হারালে কোথাও অভিযোগ করার জায়গাও নেই, কারণ আপনার হাতে কোনো কাগজ থাকে না।
কার্গো কীভাবে কাজ করে, এয়ার না সি, ডোর টু ডোর কী?
ডোর টু ডোর কার্গো মানে চীনের গুদাম থেকে আপনার হাত পর্যন্ত পুরো দায়িত্ব কার্গো কোম্পানির। তারা অনেক ক্রেতার মাল একসাথে করে প্লেনে বা জাহাজে আনে, কাস্টমস ছাড়ায়, তারপর প্রত্যেকের মাল ওজন করে কেজি দরে টাকা নেয়। কাস্টমসের ডিউটি আপনাকে আলাদা করে দিতে হয় না। কোম্পানিগুলো জানায়, কেজির রেটের মধ্যেই সেটা ধরা আছে।
রেটের একটা ধারণা দিই। ঢাকার একটা ইমপোর্ট এজেন্সি, Total Import Solution-এর ওয়েবসাইটের একটা পেজে অক্টোবর ২০২৬-এ এয়ার ডোর টু ডোর রেট লেখা ছিল এরকম। ব্যাগ, জুতা, ফোনের কভার আর প্লাস্টিকের খেলনার মতো সাধারণ মালে কেজিপ্রতি প্রায় ৬৫০ থেকে ৮৫০ টাকা। কসমেটিকস, লিকুইড, ব্যাটারি আর স্মার্টওয়াচের মতো সেনসিটিভ মালে প্রায় ৯০০ থেকে ১,২০০ টাকা। আসতে লাগে ৭ থেকে ১২ দিন। সি কার্গোতে চার্জ হয় ওজনে না, জায়গায়, মানে প্রতি CBM ধরে। ওই পেজে এর রেট লেখা ছিল প্রায় ২৫,০০০ থেকে ৩৫,০০০ টাকা, সময় ৩০ থেকে ৪৫ দিন। তবে খেয়াল করুন, একই কোম্পানির অন্য পেজে একটু আলাদা রেট আর সময় লেখা আছে। এজন্যই ওয়েবসাইটের রেট শুধু ধারণার জন্য দেখবেন, আর অর্ডারের আগে লিখিত রেট নেবেন। কোম্পানির নামটা শুধু সূত্র হিসেবে দিলাম, এটা কোনো সুপারিশ না।
ব্যাটারি, চুম্বক, লিকুইড আর পাউডার প্লেনে নেওয়ার আলাদা নিয়ম আছে, তাই এগুলোর রেট বেশি। প্রোডাক্টের ভেতরে ছোট একটা ব্যাটারি থাকলেও সেটা সেনসিটিভ ধরা হতে পারে। তাই রেট জিজ্ঞেস করার সময় শুধু নাম না বলে প্রোডাক্টের লিংক দিন।
আরেকটা জিনিস না জানলে বিল দেখে চমকে যাবেন। বালিশ, ফোমের খেলনা বা বড় বাক্সের মতো বড় কিন্তু হালকা মাল অনেক কোম্পানি ওজনে না মেপে আকারে মাপে। কার্টনের দৈর্ঘ্য, প্রস্থ আর উচ্চতা সেন্টিমিটারে গুণ করে একটা সংখ্যা দিয়ে ভাগ করা হয়। সংখ্যাটা সাধারণত ৫,০০০ বা ৬,০০০, কোম্পানিভেদে আলাদা। আসল ওজন আর এই হিসাবের ওজনের মধ্যে যেটা বেশি, চার্জ হয় সেটার ওপর। অর্ডারের আগে কোম্পানির কাছে এই নিয়মটা লিখিত চেয়ে নিন।

এয়ারে আনবেন নাকি সি-তে, সেটা ঠিক করবেন প্রোডাক্ট কত তাড়াতাড়ি বিক্রি হয় আর কতটা ভারী তা দেখে। ট্রেন্ডের প্রোডাক্ট, ঈদের মাল বা যে জিনিস এক মাসে শেষ হয়ে যায়, সেটা এয়ারে আনুন। দেড় মাস অপেক্ষা করতে করতে ট্রেন্ডও চলে যায়, ঈদও চলে যায়। ভারী বা বড় আকারের যে মাল সারা বছর একইভাবে বিক্রি হয়, সেটা সি কার্গোতে আনলে খরচ অনেক কমে। তবে সি কার্গোতে এক চালানে বেশি মাল আনতে হয়, তাই টাকাও বেশি আটকে থাকে।
দেরিতে আসবে বলে অনেকে কাস্টমারের কাছ থেকে প্রি-অর্ডারে পুরো টাকা আগে নেন। এর একটা আইনি সীমা আছে, যেটা ড্রপশিপিং নিয়ে লেখার বিদেশের অংশে বলা আছে। টাকা নেওয়ার আগে একবার পড়ে নিন।
একটা প্রোডাক্ট দেশে আনতে আসলে কত পড়ে (উদাহরণ)
নিচের সংখ্যাগুলো একটা উদাহরণ, কোনো দোকানের আসল হিসাব না। ইউয়ানের রেট, এজেন্টের চার্জ আর কার্গোর রেট নিজের এজেন্টের কাছ থেকে নিয়ে আপনার হিসাবটা বসিয়ে নিন।
ধরুন আপনি বাচ্চাদের প্লাস্টিকের বিল্ডিং ব্লক খেলনা আনবেন। 1688-এ এক সেটের দাম ১২ ইউয়ান, আপনি নেবেন ১০০ সেট। সাপ্লায়ার থেকে এজেন্টের চীনের গুদাম পর্যন্ত শিপিং খরচ ৪০ ইউয়ান। এজেন্ট ইউয়ানপ্রতি ১৮ টাকা ধরছেন, আর প্রোডাক্টের দামের ওপর ৫% সার্ভিস চার্জ নেন। প্যাকেটসহ একেকটা সেটের ওজন ১৮০ গ্রাম, কার্টন মিলিয়ে পুরো চালান ১৯ কেজি। কার্গোর রেট ধরলাম সাধারণ মালে কেজিপ্রতি ৮০০ টাকা, যেটা ওপরের পাবলিক রেটের ভেতরেই পড়ে।
| খাত | হিসাব | টাকা |
|---|---|---|
| প্রোডাক্ট আর চীনের ভেতরের শিপিং | (১,২০০ + ৪০) ইউয়ান × ১৮ | ২২,৩২০ |
| এজেন্টের সার্ভিস চার্জ | ২২,৩২০-এর ৫% | ১,১১৬ |
| এয়ার কার্গো, ডোর টু ডোর | ১৯ কেজি × ৮০০ | ১৫,২০০ |
| ঢাকার অফিস থেকে বাসায় আনা | একবারের খরচ | ৩০০ |
| মোট | ৩৮,৯৩৬ |
এবার ধরুন কার্টন খুলে দেখলেন ৩টা সেট ভাঙা বা কম এসেছে। ভালো সেট থাকল ৯৭টা। তাহলে প্রতিটা সেট আপনার ঘরে পৌঁছাতে খরচ পড়ল ৩৮,৯৩৬ ÷ ৯৭ = প্রায় ৪০১ টাকা।
1688-এর পেজে ১২ ইউয়ান দেখে মনে হয় সেটটা ২১৬ টাকার। আসলে পড়ল প্রায় দ্বিগুণ। এই পার্থক্যের সবচেয়ে বড় অংশ কার্গো, যেটা পুরো খরচের প্রায় ৩৯%। এখান থেকে একটা কাজের নিয়ম পাওয়া যায়। একটা পিসের কার্গো খরচ যদি তার চীনের দামের সমান বা বেশি হয়ে যায়, তাহলে প্রোডাক্টটা এয়ারে আনার মতো না। তখন হয় সি কার্গো দেখুন, নয়তো দেশের পাইকারি বাজারেই কিনুন। এই উদাহরণে একটা সেটের কার্গো পড়েছে প্রায় ১৫৭ টাকা আর চীনের দাম ২১৬ টাকা, তাই টেনেটুনে চলে। একই দামের এক কেজি ওজনের একটা লোহার কড়াই হলে শুধু কার্গোই পড়ত ৮০০ টাকা।
মনে রাখবেন, ৪০১ টাকা বিক্রির দাম না, এটা শুধু মাল ঘরে আনার খরচ। এর ওপর প্যাকেট, কুরিয়ারের COD চার্জ, ফেরত পার্সেলের খরচ আর অর্ডারপ্রতি অ্যাডের খরচ যোগ হবে। সব ধরে বিক্রির দাম কীভাবে ঠিক করবেন, সেটা ধাপে ধাপে আছে প্রোডাক্টের দাম নির্ধারণের লেখায়।
এবার দেখুন ডোর টু ডোর এত জনপ্রিয় কেন। একই খেলনা নিজের নামে কমার্শিয়ালি আনলে কাস্টমসের ডিউটি আলাদা করে দিতে হতো। ৭ অক্টোবর ২০২৬-এ Bangladesh Customs-এর ওয়েবসাইটে দেখা গেছে, এই ধরনের খেলনা যে HS কোডে পড়তে পারে, সেই 9503.00.90-এর মোট ট্যাক্স ৯৬.১%। এই মোট ট্যাক্সকে TTI বলে। শুধু প্রোডাক্টের ২১,৬০০ টাকার ওপর ধরলেও এটা প্রায় ২০,৭৬০ টাকা। আর কাস্টমস আসলে হিসাব করে মালের দামের সাথে ভাড়া আর ইন্স্যুরেন্স যোগ করে। সব প্রোডাক্টে ডিউটি এত বেশি না। একই ওয়েবসাইটে হেডফোন আর ইয়ারফোনের HS কোড 8518.30.00-এর TTI লেখা ৬৪.২৫%। কোন প্রোডাক্টে কত, সেটা সাইটের Duty Calculator-এ HS কোড দিয়ে দেখে নিতে পারবেন।
এই সংখ্যা দেখলে একটা প্রশ্ন মনে আসা উচিত। কেজিপ্রতি ৮০০ টাকার মধ্যে যদি ডিউটিও ধরা থাকে, তাহলে কাস্টমসে মালটা কার নামে আর কোন নিয়মে ছাড়ানো হচ্ছে? এজেন্টের কাছে এর উত্তর জানতে চাওয়া আপনার অধিকার। জিজ্ঞেস করতে লজ্জা পাবেন না, কারণ মাল আটকে গেলে লোকসানটা আপনারই।
ইমপোর্ট লাইসেন্স (IRC) কখন লাগে?
IRC হলো ইমপোর্টারের রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট। এটা দেয় আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের দপ্তর, ইংরেজিতে যাকে CCI&E বলে। নিজের নামে ব্যাংকের মাধ্যমে বিক্রির মাল আনতে চাইলে এটা লাগবেই, ওপরের বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলারেও সেটাই বলা আছে। Bangladesh Trade Portal-এ রাখা আমদানি নীতি আদেশের ইমপোর্ট পদ্ধতির অংশেও লেখা আছে, ছাড় না পেলে ব্যাংক বৈধ আর নবায়ন করা IRC ছাড়া প্রাইভেট ইমপোর্টারের LC খুলবে না।
কমার্শিয়াল IRC-র জন্য Bangladesh Trade Portal-এ কাগজের একটা লিস্ট দেওয়া আছে। এতে আছে মালিকের ছবি, বৈধ ট্রেড লাইসেন্স, কোনো চেম্বার অব কমার্স বা ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনের মেম্বারশিপ, ব্যাংকের সলভেন্সি সার্টিফিকেট, নাগরিকত্ব সনদ, ট্রেজারি চালান আর TIN সার্টিফিকেট। পার্টনারশিপ বা কোম্পানি হলে তার কাগজও লাগে। পেজটা পুরনো আমদানি নীতির ভিত্তিতে লেখা, তাই আবেদনের আগে CCI&E থেকে হালনাগাদ লিস্টটা মিলিয়ে নিন। মোটকথা, IRC-র আগে ট্রেড লাইসেন্স আর ব্যবসার নামে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট গুছিয়ে রাখতে হবে।
ফি নির্ভর করে বছরে কত টাকার মাল আনবেন তার ওপর। CCI&E আমদানির সীমা ধরে কয়েকটা ধাপে ফি রাখে। Dhaka Tribune-এর ২০২২ সালের খবর অনুযায়ী, তখন বছরে ২৫ থেকে ৫০ লাখ টাকার সীমায় রেজিস্ট্রেশন ফি বাড়িয়ে ২৪,০০০ টাকা করা হয়েছিল। আপনার সীমার এখনকার ফি আর প্রতি বছরের নবায়ন ফি আবেদনের সময় CCI&E-র অফিস বা ওয়েবসাইট থেকে জেনে নিন।
তাহলে IRC নেবেন কখন? প্রথম কয়েকটা চালান এজেন্ট দিয়েই আনুন। যখন দেখবেন একই প্রোডাক্ট প্রতি মাসে আনছেন, এক চালানে কয়েক লাখ টাকার মাল আসছে, আর কার্গোর কেজি রেট মোট খরচের বড় অংশ খেয়ে ফেলছে, তখন একজন C&F এজেন্ট আর নিজের ব্যাংকের সাথে বসে দুই পথের খরচ পাশাপাশি লিখে দেখুন। নিজের নামে আনলে প্রতিটা চালানের বিল অব এন্ট্রি আপনার হাতে থাকে, তাই কেউ মালের উৎস জানতে চাইলে কাগজ দেখাতে পারবেন।
কোন প্রোডাক্ট চায়না থেকে আনবেন না?
কিছু প্রোডাক্ট আনা পুরো নিষেধ, কিছু আনতে আলাদা অনুমতি লাগে। আবার কিছু আইনে আটকায় না, কিন্তু কার্গোতে আনা ঝামেলার। প্রথমবার এগুলো আনবেন না।
- ব্র্যান্ডের কপি। নামী ব্র্যান্ডের লোগো বসানো নকল জুতা, ঘড়ি বা ব্যাগ। NBR-এর IPR Enforcement (Import and Export) Rules, 2019 অনুযায়ী কাস্টমস নিজে থেকেই এমন মাল আটকাতে আর নষ্ট করতে পারে, আর সেই খরচও ইমপোর্টারকে দিতে হয়। ফেসবুকে এমন মালের অ্যাড দিলে পেজও ঝুঁকিতে পড়ে।
- আলাদা ব্যাটারি আর পাওয়ার ব্যাংক। লিথিয়াম ব্যাটারি প্লেনে নেওয়ার জন্য IATA-র কড়া নিয়ম আছে। অনেক কার্গো কোম্পানি এগুলো নেয়ই না, নিলেও সেনসিটিভ রেটে নেয়।
- লিকুইড, স্প্রে, পারফিউম আর নেইলপলিশ। সহজে আগুন ধরে বলে প্লেনে আটকে যায়। পথে লিক হলে পাশের মালও নষ্ট হয়।
- ওয়্যারলেস যন্ত্র। ওয়াকিটকি, ওয়্যারলেস মাইক বা রাউটারের মতো অনেক রেডিও যন্ত্র আনার আগে BTRC-র অনুমতি লাগে। The Business Standard-এর খবর অনুযায়ী, ২০২৬ সালে টেলিযোগাযোগ আইনের সংশোধনের পর ওয়াকিটকি আনা, রাখা বা বিক্রি করতে লাইসেন্স বাধ্যতামূলক। BTRC এখন অবৈধ ওয়্যারলেস যন্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযানও চালাচ্ছে।
- ওষুধ, সাপ্লিমেন্ট আর খাবার। এগুলোতে ঔষধ প্রশাসন, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ বা BSTI-র নিয়ম আছে। কারও শরীরে কিছু হলে দায়টা পুরো আপনার।
এর বাইরে প্রতিটা আমদানি নীতি আদেশে নিষিদ্ধ আর শর্তসাপেক্ষ মালের আলাদা লিস্ট থাকে। নতুন ধরনের প্রোডাক্ট আনার আগে সেই লিস্টে আর Bangladesh Customs-এর সাইটে HS কোডটা একবার দেখে নিন। এজেন্ট "সব আনা যায়" বললেও মাল আটকে গেলে টাকা যাবে আপনার।
এজেন্ট বা কার্গো কোম্পানি বাছার আগে কী দেখবেন?
ভালো এজেন্ট চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো প্রশ্ন করা, আর উত্তরগুলো লিখিত চাওয়া। যিনি লিখে দিতে চান না, তাঁকে দিয়ে বড় চালান আনাবেন না।
প্রথমে দেখুন প্রতিষ্ঠানটা আসলেই আছে কি না। ঢাকায় অফিসের ঠিকানা আছে কি না, ট্রেড লাইসেন্স আছে কি না, আর প্রতিষ্ঠানের নামে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা মার্চেন্ট নম্বর আছে কি না। সম্ভব হলে প্রথমবার অফিসে গিয়ে কথা বলুন। শুধু একটা ফেসবুক পেজ আর একটা পার্সোনাল bKash নম্বর থাকলে সেটা ঝুঁকির।
তারপর রেট লিখিত চান। সাধারণ আর সেনসিটিভ মালের কেজি রেট কত, আকার ধরে মাপার নিয়ম কী, ইউয়ানের রেট কীভাবে ঠিক হয়, সার্ভিস চার্জ কত, আর ঢাকায় মাল নেওয়ার সময় আর কোনো চার্জ আছে কি না। চীনের গুদামে মাল পৌঁছালে তারা মালের ছবি আর ওজনের ছবি পাঠায় কি না, সেটাও জিজ্ঞেস করুন। ঢাকায় মাল নেওয়ার সময় নিজে আবার ওজন করে মিলিয়ে নিন।
সবচেয়ে জরুরি প্রশ্ন হলো, মাল হারালে বা কাস্টমসে আটকালে কী হবে। কত দিনের মধ্যে টাকা ফেরত দেবে, পুরো টাকা দেবে নাকি অর্ধেক, সেটা আগেই লিখে নিন। প্রথম চালানটা পাঁচ-দশ কেজির রাখুন। এই ছোট চালানে এজেন্টের কথা আর কাজ মেলে কি না দেখুন, তারপর বড় অর্ডার দিন।

প্রথম চালানটা কীভাবে শুরু করবেন?
যে প্রোডাক্ট দেশি মার্কেটের মাল দিয়ে অন্তত কয়েক সপ্তাহ ভালো চলেছে, শুধু সেটা দিয়ে শুরু করুন। 1688-এ একই প্রোডাক্ট খুঁজে তিন-চারজন সাপ্লায়ারের দাম আর রিভিউ দেখুন। তারপর এজেন্টের কাছ থেকে লিখিত রেট নিয়ে ওপরের টেবিলের মতো করে পিসপ্রতি খরচ বের করুন। এই খরচ যদি দেশি পাইকারের দামের চেয়ে অন্তত ২০ থেকে ৩০ শতাংশ কম না হয়, তাহলে এত অপেক্ষা আর ঝুঁকি নেওয়ার মানে হয় না। এই হারটা কোনো বাঁধা নিয়ম না, নিজের হিসাবে একটা সীমা ঠিক করে নিন।
প্রথম চালানে টাকাও কম আটকান। এমন পরিমাণ আনুন, যেটা দেড়-দুই মাসে বিক্রি হয়ে যাবে। মাল আসার এক সপ্তাহ আগে থেকেই পেজে ছবি আর অফার তৈরি রাখুন, যাতে মাল হাতে পেয়েই বিক্রি শুরু করতে পারেন।
মাল আসার পর আসল কাজ হিসাব রাখা। কোন চালানে কোন সাপ্লায়ার থেকে কত পিস কত টাকায় এলো, কয়টা ভাঙা এলো, আর পিসপ্রতি আসল খরচ কত পড়ল, এগুলো লিখে না রাখলে তিন চালান পরে আর মনে থাকবে না কোনটায় লাভ হয়েছিল। WinningSeller-এ সাপ্লায়ার আর পারচেজ অর্ডার রাখার জায়গা আছে, তাই প্রতিটা চালানের পিস আর দাম আলাদা করে লেখা থাকে। লাভ-ক্ষতি গোনা হয় শুধু ডেলিভারি হওয়া অর্ডার থেকে, আর পাশে অ্যাড খরচের হিসাবও রাখা যায়। বাকি ফিচারগুলো এখানে দেখে নিন।
সাধারণ প্রশ্ন
চায়না থেকে প্রোডাক্ট আনতে কি ট্রেড লাইসেন্স আর IRC লাগে?
নিজের নামে ব্যাংকের মাধ্যমে বিক্রির মাল আনতে হলে IRC লাগবে, আর IRC করতে ট্রেড লাইসেন্স আর TIN লাগে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ১৩ আগস্ট ২০২৬-এর সার্কুলারে লেখা আছে, CCI&E-তে রেজিস্ট্রেশন ছাড়া বা ছাড় না পেয়ে কেউ মাল ইমপোর্ট করতে পারেন না। এজেন্ট আর ডোর টু ডোর কার্গোতে আনলে কাগজের কাজ এজেন্ট করেন, তাই ছোট সেলাররা শুরুতে এই পথ নেন।
1688 থেকে কি সরাসরি বাংলাদেশে অর্ডার দেওয়া যায়?
সাধারণত না। 1688 চীনের ভেতরের পাইকারি সাইট। লেখা চাইনিজে, দাম ইউয়ানে, আর বেশিরভাগ সাপ্লায়ার শুধু চীনের ভেতরের ঠিকানায় মাল পাঠান। তাই বাংলাদেশ থেকে কিনতে একজন এজেন্ট লাগে, যিনি অর্ডার দেন, চীনের গুদামে মাল নেন, তারপর কার্গোতে পাঠান।
চায়না থেকে কার্গোতে মাল আসতে কত দিন লাগে?
অক্টোবর ২০২৬-এ ঢাকার একটা ইমপোর্ট এজেন্সির ওয়েবসাইটে এয়ারে ৭ থেকে ১২ দিন আর সি কার্গোতে ৩০ থেকে ৪৫ দিন লেখা ছিল। এই সময় গোনা শুরু হয় এজেন্টের চীনের গুদাম থেকে। সাপ্লায়ার থেকে গুদামে মাল পৌঁছাতে আরও কয়েক দিন যায়, ছুটি বা কাস্টমসের ভিড়েও দেরি হয়, তাই হাতে বাড়তি সময় রাখুন।
চায়না থেকে কার্গো চার্জ কেজিপ্রতি কত?
রেট কোম্পানি, মালের ধরন আর মৌসুম অনুযায়ী আলাদা। অক্টোবর ২০২৬-এ ঢাকার একটা ইমপোর্ট এজেন্সির ওয়েবসাইটের একটা পেজে এয়ার ডোর টু ডোরে সাধারণ মালের রেট লেখা ছিল কেজিপ্রতি প্রায় ৬৫০ থেকে ৮৫০ টাকা, আর ব্যাটারি, লিকুইড বা কসমেটিকসের মতো সেনসিটিভ মালে প্রায় ৯০০ থেকে ১,২০০ টাকা। একই সাইটের অন্য পেজে একটু আলাদা সংখ্যাও আছে, তাই অর্ডারের আগে নিজের এজেন্টের কাছ থেকে লিখিত রেট নিন।
প্রথমবার চায়না থেকে মাল আনতে কত টাকা লাগে?
বাঁধা কোনো অঙ্ক নেই, তবে প্রথম চালানটা ছোট রাখাই ভালো। এই লেখার উদাহরণে ১০০ সেট হালকা খেলনা আনতে প্রোডাক্ট, এজেন্টের চার্জ আর কার্গো মিলিয়ে প্রায় ৩৯ হাজার টাকা পড়েছে, তবে এটা শুধু একটা উদাহরণ। এর বাইরে অ্যাড আর কুরিয়ারের টাকা আলাদা করে হাতে রাখতে হবে।
ডুয়েল কারেন্সি কার্ড দিয়ে কি আলিবাবায় মালের টাকা দেওয়া যায়?
আগে নিজের ব্যাংককে জিজ্ঞেস করুন। বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ গাইডলাইনে ইন্টারন্যাশনাল কার্ডে কোন কোন টাকা খরচ করা যায় তার লিস্ট আছে, যেমন ব্যক্তিগত ট্রাভেল কোটা, RFCD অ্যাকাউন্টের টাকা বা এক্সপোর্টারের ERQ অ্যাকাউন্টের টাকা। বিক্রির জন্য মাল ইমপোর্ট সেই লিস্টে নেই। এর বৈধ পথ হলো ব্যাংকের মাধ্যমে ইমপোর্ট পেমেন্ট।
আরও পড়ুন
খেলনা ব্যবসার আইডিয়া, কোন খেলনা অনলাইনে চলে আর নিরাপত্তার নিয়ম
বাচ্চাদের খেলনা অনলাইনে বেচতে চাইলে কোন খেলনা চলে, চকবাজার থেকে প্রথম লট কীভাবে নেবেন, ২০২৬ সালে BSTI-র তালিকায় খেলনা আসার মানে কী, ব্যাটারির খেলনা চালিয়ে দেখা, মাপ বোঝানো ছবি আর না ভাঙার প্যাকিং, একটা লটের টাকার হিসাবসহ।
থ্রিফট শপিং কি? পুরনো বিদেশি জ্যাকেট-শার্টের থ্রিফট ব্যবসার নিয়ম
থ্রিফট শপিং কি, মাল কোথা থেকে আসে আর পুরনো কাপড় আমদানির নিয়ম কী বলে, গাইট খুলে বাছাই, ধোয়া আর ছবি, কন্ডিশন সত্যি করে লেখা, আর একটা গাইট থেকে এক পিসের দাম কীভাবে বের করবেন, হিসাবসহ।
অনলাইনে শাড়ির ব্যবসা, তাঁতের শাড়ি থেকে প্রথম লট, ছবি আর ফেরত
অনলাইনে শাড়ির ব্যবসা শুরু করবেন? কোন শাড়ি চলে, টাঙ্গাইলের হাট আর পাইকার, BSTI-র ২০২৬ সালের নতুন শাড়ির নিয়ম, মডেল ছাড়া শাড়ির ছবি, মাপ আর যত্নের কথা লেখা, আর একটা লটে কত থাকে, হিসাবসহ।


