WinningSeller
অনলাইন ব্যবসা শুরু১৩ মিনিটে পড়া যায়

পেমেন্ট গেটওয়ে বাংলাদেশ, SSLCommerz, bKash, aamarPay, shurjoPay তুলনা

ওয়েবসাইটে কার্ড আর bKash-এ টাকা নিতে কোন গেটওয়ে নেবেন, প্রতি পেমেন্টে কত কাটে আর শুরুতে কত লাগে, সেটা চার কোম্পানির নিজের ওয়েবসাইট মিলিয়ে লেখা। সাথে কী কাগজ লাগে, ওয়েবসাইটে কোন পেজ লাগে, টাকা কবে আসে, আর COD সেলারের আদৌ গেটওয়ে লাগবে কি না।

পেমেন্ট গেটওয়ে বাংলাদেশ, SSLCommerz, bKash, aamarPay, shurjoPay তুলনা
এই লেখায় যা আছে
  1. পেমেন্ট গেটওয়ে কি, কিভাবে কাজ করে?
  2. মার্চেন্ট একাউন্ট আর পেমেন্ট গেটওয়ের পার্থক্য কী?
  3. পেমেন্ট গেটওয়ে বাংলাদেশে কোনগুলো আছে, কে কোন পেমেন্ট নেয়
  4. কোন গেটওয়েতে কত চার্জ কাটে, পাশাপাশি টেবিলে
  5. গেটওয়ে নিতে কী কী কাগজ লাগে?
  6. ওয়েবসাইটে কোন পেজগুলো না থাকলে আবেদন আটকে যায়?
  7. টাকা কত দিনে ব্যাংকে আসে?
  8. COD সেলারের কোন গেটওয়ে দরকার, আর কখন দরকারই নেই?
    1. এক মাসের হিসাব টাকায় (উদাহরণ)
    2. কখন নেবেন, কখন নেবেন না

ওয়েবসাইটে কাস্টমারের কাছ থেকে কার্ড, bKash বা Nagad-এ টাকা নিতে চাইলে আপনার একটা পেমেন্ট গেটওয়ে লাগবে। পেমেন্ট গেটওয়ে বাংলাদেশে কয়েকটা কোম্পানি দেয়। নিচে চারটাকে পাশাপাশি রেখেছি, কারণ এদের রেট বা নিয়ম নিজেদের ওয়েবসাইটে অন্তত কিছুটা লেখা আছে। এরা হলো SSLCommerz, aamarPay, shurjoPay আর bKash-এর নিজের গেটওয়ে।

৭ অক্টোবর ২০২৬-এ SSLCommerz-এর ওয়েবসাইটে লেখা আছে, প্রতিটা সফল পেমেন্টে ২.৫% কাটে, আর শুরুতে একবার ২৫,৫০০ টাকা দিতে হয়, যেটা ফেরত হয় না। aamarPay প্ল্যান অনুযায়ী ২% থেকে ২.৭৫% লিখেছে, তবে শুরুর ফির জায়গায় লেখা "Call For Price"। shurjoPay আর bKash তাদের ওয়েবসাইটে কোনো রেট দেয়নি। কাগজের দিক থেকে তিনটা অ্যাগ্রিগেটরই ট্রেড লাইসেন্স, TIN আর NID চায়।

আপনি যদি COD-তে বিক্রি করেন আর শুধু ডেলিভারি চার্জ অগ্রিম নেন, তাহলে হয়তো এখনই গেটওয়ের দরকার নেই। কখন লাগবে আর কখন লাগবে না, সেটা শেষের দিকে টাকার হিসাব দিয়ে দেখিয়েছি। সব রেট আর নিয়ম প্রতিটা কোম্পানির নিজের ওয়েবসাইট থেকে নেওয়া, তাই আবেদনের দিন আরেকবার মিলিয়ে নেবেন।

পেমেন্ট গেটওয়ে কি, কিভাবে কাজ করে?

পেমেন্ট গেটওয়ে হলো আপনার ওয়েবসাইট আর কাস্টমারের ব্যাংক বা মোবাইল ওয়ালেটের মাঝখানের একটা পেমেন্ট পেজ। কাস্টমার আপনার স্টোরে অর্ডার বাটনে চাপ দিলে তাঁকে গেটওয়ের পেজে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তিনি ঠিক করেন bKash, Nagad, Rocket নাকি কার্ডে টাকা দেবেন। পিন বা OTP দিয়ে টাকা দেওয়ার পর গেটওয়ে নিজেই আপনার ওয়েবসাইটকে জানিয়ে দেয় যে এই অর্ডারের টাকা এসেছে। আপনাকে ইনবক্সে বসে কারও কাছে TrxID চাইতে হয় না।

তবে টাকাটা সাথে সাথে আপনার হাতে আসে না। গেটওয়ে কয়েক দিনের পেমেন্ট জমিয়ে রাখে, তারপর নিজের চার্জ কেটে বাকিটা আপনার ব্যাংক একাউন্টে পাঠায়। একে বলে সেটেলমেন্ট। ব্যাপারটা কুরিয়ারের COD-র মতোই। কুরিয়ার দরজায় টাকা তুলে কয়েক দিন পরে চার্জ কেটে আপনাকে দেয়, গেটওয়েও অনলাইনে তোলা টাকা নিয়ে একই কাজ করে।

আরেকটা জিনিস জেনে রাখুন। Bangladesh Bank-এর Payment Systems Department-এর পেজে লেখা আছে, পেমেন্ট গেটওয়ে বা পেমেন্ট অ্যাগ্রিগেটর চালাতে PSO লাইসেন্স লাগে। অ্যাগ্রিগেটর মানে এমন কোম্পানি, যে অনেকগুলো পেমেন্টের রাস্তা এক জায়গায় এনে দেয়। SSLCommerz, aamarPay আর shurjoPay এই ধরনের, তাই একটা চুক্তিতেই কার্ড, bKash, Nagad সব পাওয়া যায়। bKash-এর নিজের গেটওয়ে শুধু bKash-এর পেমেন্ট নেয়।

চেকআউটের নকশায় bKash, Nagad, Rocket আর কার্ডের অপশন, তীর দিয়ে দেখানো টাকা আগে গেটওয়েতে জমে, তারপর চার্জ কেটে সেলারের ব্যাংকে আসে, উদাহরণে ১,০০০ টাকায় ২৫ টাকা কেটে ৯৭৫ টাকা
কাস্টমার গেটওয়ের পেজে টাকা দেন, গেটওয়ে চার্জ কেটে পরে আপনার ব্যাংকে পাঠায়

মার্চেন্ট একাউন্ট আর পেমেন্ট গেটওয়ের পার্থক্য কী?

অনেকে ভাবেন bKash মার্চেন্ট একাউন্ট খুললেই পেমেন্ট গেটওয়ে হয়ে গেল। আসলে দুটো আলাদা জিনিস। মার্চেন্ট একাউন্টে কাস্টমার নিজের bKash অ্যাপ খুলে আপনার নম্বরে Payment করেন, তারপর আপনাকে TrxID পাঠান। আপনি নিজের মার্চেন্ট অ্যাপে মিলিয়ে দেখেন টাকা এসেছে কি না, তারপর অর্ডার কনফার্ম করেন। পুরো কাজটাই হাতে করতে হয়।

গেটওয়েতে এই মেলানোর কাজটা নিজে থেকেই হয়ে যায়। কাস্টমার আপনার ওয়েবসাইটের চেকআউট থেকেই টাকা দেন, আর অর্ডারের পাশে "পেইড" লেখা উঠে যায়। যে কাস্টমার কার্ডে টাকা দিতে চান, তিনিও এখানে দিতে পারেন। bKash মার্চেন্ট নম্বরে সেটা সম্ভব না।

এই পার্থক্য কতটা জরুরি, সেটা বোঝা যায় অর্ডারের সংখ্যা দেখে। দিনে ৫টা অগ্রিম এলে হাতে মেলাতে দশ মিনিটও লাগে না। কিন্তু দিনে ৫০টা এলে প্রতিটা TrxID খুঁজে অর্ডারের সাথে মেলাতে ঘণ্টা চলে যায়। তখন ভুলও হয়, আর ভিড়ের মধ্যে কেউ বানানো স্ক্রিনশট দিয়ে পার পেয়ে যায়।

bKash-এর বেলায় দুটো একসাথেও চলে। bKash-এর Online Business পেজে লেখা আছে, যাঁদের আগে থেকেই মার্চেন্ট একাউন্ট আছে তাঁরা bKash Business Dashboard-এ সাইন আপ করলেই হবে। আর যাঁদের ট্রেড লাইসেন্স নেই, তাঁরা পার্সোনাল রিটেইল একাউন্ট খুলতে পারেন। মার্চেন্ট বা রিটেইল একাউন্ট খুলতে কী কাগজ লাগে, লিমিট আর চার্জ কত, সব আছে bKash মার্চেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম নিয়ে লেখায়।

পেমেন্ট গেটওয়ে বাংলাদেশে কোনগুলো আছে, কে কোন পেমেন্ট নেয়

Bangladesh Bank-এর ওয়েবসাইটে লাইসেন্স পাওয়া PSO আর PSP কোম্পানির একটা লিস্ট আছে। অক্টোবর ২০২৬-এ সেই লিস্টে PSO হিসেবে Sslcommerz Limited, Software Shop Limited, Soft Tech Innovation Limited আর ShurjoMukhi Ltd-এর নাম আছে। SSLCommerz-এর মার্চেন্ট শর্তে Software Shop Limited-কে SSLCOMMERZ ব্র্যান্ডের সেবাদাতা বলা হয়েছে। aamarPay-এর ওয়েবসাইটের নিচে লেখা আছে এটা Soft Tech Innovation Ltd-এর। shurjoPay নিজের ওয়েবসাইটে লিখেছে তারা PSO লাইসেন্স পাওয়া, আর তাদের সাপোর্টের ইমেইল shurjomukhi-র ডোমেইনে। bKash আছে Bangladesh Bank-এর মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের লিস্টে।

লিস্টে আরও অনেক কোম্পানি আছে। এখানে এই চারটা রেখেছি, কারণ এদের কাগজের লিস্ট, রেট বা টাকা দেওয়ার নিয়মের অন্তত কিছুটা নিজেদের ওয়েবসাইটে লেখা আছে। তাই আমাদের কথা না মেনে আপনি নিজেও মিলিয়ে দেখতে পারবেন।

SSLCommerz তাদের Pricing পেজে Visa, Mastercard, bKash, Nagad আর Rocket-এর নাম লিখেছে, পাশে লেখা "and more"। এর বাইরে তাদের ওয়েবসাইটে পেমেন্ট লিংক, পেমেন্ট ইনভয়েস, কার্ডে কিস্তি বা EMI আর Bangla QR-এর সেবার কথাও আছে। ইনবক্সের কাস্টমারকে লিংক পাঠিয়ে টাকা নিতে চাইলে পেমেন্ট লিংকটা কাজে লাগবে।

aamarPay হোমপেজে লিখেছে তারা Visa, MasterCard, UnionPay, bKash, Rocket, Nagad, Tap, Upay, OK Wallet সহ আরও কয়েকটা পেমেন্ট নেয়। তাদের Easy Trx প্ল্যানে শুরুতে শুধু Visa, MasterCard আর bKash থাকে, আর প্রতিটা বাড়তি পেমেন্টের রাস্তা যোগ করতে ১,০০০ টাকা লাগে বলে লেখা আছে। অন্য প্ল্যানগুলোতে সব রাস্তা শুরু থেকেই চালু থাকে। QR পেমেন্ট আর পেমেন্ট লিংক সব প্ল্যানেই আছে।

shurjoPay-এর হোমপেজে কার্ডের দিকে Visa, Mastercard, American Express, Diners Club আর UnionPay-এর লোগো আছে। মোবাইল ওয়ালেটের দিকে আছে bKash, Nagad, Rocket, Upay, Tap, Pathao Pay, Cellfin সহ আরও অনেকগুলো। তাদের FAQ-তে লেখা আছে, বিদেশের কাস্টমারের কাছ থেকেও টাকা নেওয়া যায়।

bKash পেমেন্ট গেটওয়ে শুধু bKash-এর টাকা নেয়। আপনার প্রায় সব কাস্টমার যদি bKash-এই টাকা দেন, তাহলে অনেক সময় এটুকুই যথেষ্ট। এর একটা সুবিধা পুরনো কাস্টমারের বেলায় খুব কাজের। bKash-এর PGW শর্তে লেখা আছে, Tokenized Checkout চালু থাকলে একই দোকানে পরের বার টাকা দিতে কাস্টমারকে নম্বর বা OTP দিতে হয় না, শুধু পিন দিলেই হয়। যিনি প্রতি মাসে আপনার কাছ থেকে কেনেন, তাঁর জন্য টাকা দেওয়া এতে অনেক সহজ হয়ে যায়।

কোন গেটওয়েতে কত চার্জ কাটে, পাশাপাশি টেবিলে

নিচের টেবিলের সব সংখ্যা ৭ অক্টোবর ২০২৬-এ প্রতিটা কোম্পানির নিজের ওয়েবসাইট থেকে নেওয়া। যেখানে কোম্পানি কিছু লেখেনি, সেখানে "লেখা নেই" দিয়েছি। আন্দাজে কোনো সংখ্যা বসাইনি।

গেটওয়ে প্রতি পেমেন্টে চার্জ শুরুর এককালীন ফি টাকা আপনার কাছে আসে
SSLCommerz ২.৫%, American Express কার্ডে ৩.৫% ২৫,৫০০ টাকা, ফেরত হয় না ডেলিভারির প্রমাণ পেলে, কত দিনে তা লেখা নেই
aamarPay aamarGrowth প্ল্যানে কার্ডে ২.৫৫% আর bKash-Nagad-এ ২%, Easy Trx প্ল্যানে ২.৭৫% আর ২.২০% "Call For Price", মাসিক ফি নেই সপ্তাহে দুইবার, কাজের দিন দেখে
shurjoPay ওয়েবসাইটে লেখা নেই, আবেদনের পর কোটেশন দেয় লেখা নেই সপ্তাহে একবার, ব্যাংকে
bKash PGW ওয়েবসাইটে লেখা নেই লেখা নেই লেখা নেই

aamarPay-এর aamarEducation প্ল্যানটা টেবিলে রাখিনি, কারণ ওটা শুধু স্কুল, কলেজ আর বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য। তাদের aamarSME নামে আরেকটা প্ল্যান আছে, কিন্তু তার রেট পেজে লেখা নেই। bKash-এর PGW শর্তে শুধু এটুকু বলা আছে যে মার্চেন্ট আর bKash যেভাবে ঠিক করবে, সেভাবে পেমেন্টের ওপর ফি লাগতে পারে। মানে রেটটা bKash-এর সাথে কথা বলেই ঠিক হয়।

টেবিল দেখে শুধু শতাংশ মেলাবেন না, শুরুর ফিটাও হিসাবে ধরবেন। ধরুন ১,২০০ টাকার একটা অর্ডারে কাস্টমার bKash-এ পুরো টাকা দিলেন। ২.৫% হারে কাটবে ৩০ টাকা, ২% হারে ২৪ টাকা। প্রতি অর্ডারে ৬ টাকার তফাত ছোট মনে হয়। কিন্তু মাসে ৩০০টা অনলাইন পেমেন্ট হলে সেটা দাঁড়ায় ১,৮০০ টাকায়, আর বছরে ২১,৬০০ টাকায়।

আবার যে গেটওয়ের শুরুর ফি বেশি, সেখানে প্রথম বছরের হিসাবটাই বদলে যায়। তাই কোটেশন নেওয়ার সময় দুটো সংখ্যা লিখিত চাইবেন, প্রতি পেমেন্টের রেট আর শুরুর মোট ফি। তারপর নিজের মাসের অনলাইন পেমেন্টের অঙ্ক বসিয়ে এক বছরের মোট খরচ গুনে মেলাবেন।

গেটওয়ে নিতে কী কী কাগজ লাগে?

তিনটা অ্যাগ্রিগেটর নিজেদের ওয়েবসাইটে কাগজের লিস্ট দিয়েছে। আপনি যদি একাই ব্যবসার মালিক হন, তাহলে SSLCommerz-এর Onboarding Requirements পেজে এই কাগজগুলো চাওয়া আছে।

  • মেয়াদ আছে এমন ট্রেড লাইসেন্স, আর TIN সার্টিফিকেট।
  • ব্যবসার নামে একটা ব্যাংক একাউন্ট, আর সেই একাউন্টের একটা চেকের স্ক্যান কপি।
  • যিনি সই করবেন তাঁর NID, আর মালিকের সত্যায়িত পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
  • DBID, মানে ডিজিটাল বিজনেস আইডেন্টিফিকেশন নম্বর।
  • পূরণ করে সই আর সিল দেওয়া Merchant Enrollment Form, যাকে ছোট করে MEF বলে।

ফার্মেসির মতো কিছু ব্যবসায় ড্রাগ লাইসেন্সের মতো বাড়তি কাগজও লাগে, সেটাও ওই পেজে লেখা। একই পেজে "Facebook Merchant" নামে একটা আলাদা ভাগ আছে। সেখানে চাওয়া হয়েছে ফোন নম্বর, চালু ইমেইল, মালিকের NID আর ছবি, ডিজিটাল সই, সই-সিলসহ একটা অঙ্গীকারনামা আর DBID। এই ভাগে ট্রেড লাইসেন্সের নাম নেই। তবে এই একাউন্টে ঠিক কোন সেবা পাওয়া যায়, পেজে সেটা বলা নেই, তাই আবেদনের আগে SSLCommerz-কে জিজ্ঞেস করে নিন।

aamarPay-এর Pricing পেজের FAQ-তে চাওয়া আছে ট্রেড লাইসেন্স, TIN, VAT (থাকলে), NID আর একটা ছবি। পার্টনারশিপ ব্যবসা হলে পার্টনারশিপ ডিড লাগে। তারা নিজেরা একটা আবেদন ফর্ম আর ব্যাংকের সাব-মার্চেন্ট ফর্ম দেয়, যেটা প্রিন্ট করে সই-সিল দিয়ে স্ক্যান করে পাঠাতে হয়। সাথে দিতে হয় ওয়েবসাইটের ডোমেইন নাম আর হোস্টিং IP। এই শেষের দুটো চাওয়া থেকেই বোঝা যায়, আবেদনের আগে আপনার ওয়েবসাইট তৈরি থাকতে হবে।

shurjoPay-এর হোমপেজের FAQ-তে চাওয়া আছে ট্রেড লাইসেন্সের কপি, ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে সাব-মার্চেন্ট চুক্তি, দুই কপি ছবি, TIN বা VAT সার্টিফিকেট আর NID-র কপি। এর সাথে তাদের আবেদন ফর্ম আর শর্ত মেনে নেওয়ার ফর্মও পূরণ করতে হয়। ব্যবসার জন্য আলাদা ব্যাংক একাউন্টও লাগবে, সেটাও তাদের FAQ-তে লেখা।

ট্রেড লাইসেন্স এখনো না থাকলে আগে ওটা করে নিন, কারণ তিনটা লিস্টের সাধারণ ভাগেই এটা আছে। ব্যবসার নামে ব্যাংক একাউন্ট খুলতেও সাধারণত ট্রেড লাইসেন্স চায়। তাই লাইসেন্স, TIN, ব্যবসার ব্যাংক একাউন্ট আর SSLCommerz নিলে DBID, এগুলো হাতে নিয়ে তারপর আবেদন করুন। একটা কাগজ বাকি রেখে আবেদন করলে ফাইল ঝুলে থাকে, আর বারবার ফোনে একই কথা বলতে হয়।

ওয়েবসাইটে কোন পেজগুলো না থাকলে আবেদন আটকে যায়?

কাগজ সব ঠিক থাকার পরেও অনেক আবেদন আটকে যায় ওয়েবসাইটের কারণে। গেটওয়ে কোম্পানি আপনার সাইট খুলে দেখে, কাস্টমার এখানে টাকা দিলে কোথায় অভিযোগ করবেন, টাকা ফেরত পাবেন কীভাবে, আর দোকানটা আসল কি না। SSLCommerz তাদের Terms and Conditions পেজে ওয়েবসাইটের জন্য একটা পরিষ্কার লিস্ট দিয়েছে। অন্য গেটওয়ের নিয়ম হুবহু এক না-ও হতে পারে, তবে এই লিস্ট মেনে সাইট সাজালে বেশিরভাগ জায়গায় কাজ চলে যাবে।

  • সাইটের একদম নিচে, মানে ফুটারে, Terms and Conditions, Return and Refund Policy আর Privacy Policy পেজের লিংক থাকতে হবে।
  • রিটার্ন আর রিফান্ড পলিসিতে টাকা ফেরতের একটা নির্দিষ্ট সময় লিখতে হবে। SSLCommerz উদাহরণ দিয়েছে ৭ থেকে ১০ কাজের দিন।
  • ফুটারে About Us পেজ থাকবে, যেখানে ব্যবসা আর যাঁরা চালান তাঁদের তথ্য থাকবে।
  • ট্রেড লাইসেন্সে যে ঠিকানা আছে, সেটা ফুটারে বা Contact Us পেজে দিতে হবে। ট্রেড লাইসেন্স বা TIN নম্বরও ফুটারে বা About Us-এ থাকবে।
  • ডেলিভারিতে কত দিন লাগে লিখতে হবে। SSLCommerz-এর উদাহরণে ঢাকার ভেতরে ৫ দিন আর ঢাকার বাইরে ১০ দিন।
  • প্রোডাক্টের পেজে স্টকে কয়টা আছে লেখা থাকবে, আর স্টক শেষ হলে সেটাও দেখাতে হবে।
  • চেকআউটে অর্ডার কনফার্মের ঠিক আগে একটা খালি টিক বক্স থাকবে। কাস্টমার নিজে সেখানে টিক দিয়ে শর্ত, প্রাইভেসি আর রিফান্ড পলিসি মেনে নেবেন, আর তিনটারই লিংক থাকবে।

এর বাইরে ফুটারে গেটওয়ের পেমেন্ট ব্যানার বসাতে হয়, আর ডেমো বা মেইনটেন্যান্সে থাকা সাইট তারা নেয় না। নিয়মগুলো শুধু গেটওয়ের জন্য না, আপনার বিক্রির জন্যও কাজের। যে কাস্টমার প্রথমবার অচেনা দোকানে কার্ডে টাকা দিচ্ছেন, তিনি ঠিক এগুলোই খোঁজেন। দোকানের ঠিকানা কোথায়, টাকা ফেরতের নিয়ম কী, আর জিনিসটা কত দিনে হাতে আসবে।

একটা অনলাইন স্টোরের ফুটারের নকশা, তাতে Terms and Conditions, Return and Refund Policy, Privacy Policy, About Us আর Contact Us লিংক, ঠিকানা আর ট্রেড লাইসেন্স নম্বর আলাদা রঙে দাগানো
গেটওয়ের আবেদনের আগে ফুটারে এই লিংক আর তথ্যগুলো বসিয়ে নিন

টাকা কত দিনে ব্যাংকে আসে?

aamarPay-এর FAQ-তে লেখা আছে, তারা কাজের দিন দেখে সপ্তাহে দুইবার টাকা দেয়। ব্যাংকের ছুটি, সাপ্তাহিক ছুটি বা সরকারি ছুটির দিনে টাকা যায় না। shurjoPay-এর FAQ বলছে, টাকা তোলা যায় সপ্তাহে একবার, আর সেটা জমা হয় আপনার রেজিস্টার করা ব্যাংক একাউন্টে।

SSLCommerz-এর মার্চেন্ট শর্তে লেখা আছে, লেনদেনের নেট টাকা ছাড়া হয় "proof of delivery" পেলে, মানে প্রোডাক্ট কাস্টমারের কাছে পৌঁছানোর প্রমাণ পেলে। কত দিনে টাকা আসে, সেটা ওয়েবসাইটে লেখা নেই। bKash গেটওয়ের টাকা আসার দিনও bKash-এর ওয়েবসাইটে খুঁজে পাইনি। তাই চুক্তি সই করার আগে প্রশ্নটা লিখিতভাবে করুন, "আমার টাকা কোন কোন দিন ব্যাংকে আসবে?"

দিনের এই হিসাবটা জরুরি, কারণ অনলাইনে টাকা নিলেই টাকা হাতে আসে না। ধরুন কাস্টমার সোমবার bKash-এ পুরো টাকা দিলেন। গেটওয়ে সপ্তাহে একবার টাকা দিলে সেটা আপনার ব্যাংকে আসতে পারে পরের সপ্তাহে। এর মধ্যে আপনি পার্সেল পাঠিয়েছেন, কুরিয়ারের চার্জ দিয়েছেন, অ্যাডের টাকাও চলে গেছে। তাই স্টক কেনার টাকা কোন দিন হাতে থাকবে, সেটা গুনবেন গেটওয়ের টাকা আসার দিন ধরে। কাস্টমার যেদিন টাকা দিলেন, সেদিন ধরে গুনলে হিসাব মিলবে না।

রিফান্ডের দিকটাও মাথায় রাখুন। SSLCommerz-এর FAQ অনুযায়ী মার্চেন্ট প্যানেল থেকে পুরো বা আংশিক রিফান্ড দেওয়া যায়, আর কাস্টমারের কাছে টাকা পৌঁছাতে ৫ থেকে ৭ কাজের দিন লাগে। কাস্টমার যদি নিজের ব্যাংকে গিয়ে চার্জব্যাক করেন, মানে বলেন "আমি জিনিস পাইনি", তখন আপনার কাছে ডেলিভারির প্রমাণ চাওয়া হয়। SSLCommerz-এর শর্তে লেখা আছে, লেনদেনের পর ১৮০ দিন পর্যন্ত চার্জব্যাক হতে পারে। তাই অনলাইনে টাকা নেওয়া প্রতিটা অর্ডারের কুরিয়ার ডেলিভারি রেকর্ড আর ইনভয়েস অন্তত ছয় মাস রেখে দিন।

COD সেলারের কোন গেটওয়ে দরকার, আর কখন দরকারই নেই?

বাংলাদেশে বেশিরভাগ অনলাইন অর্ডার এখনো ক্যাশ অন ডেলিভারিতে চলে, এটা সেলারদের সাধারণ অভিজ্ঞতা। COD কীভাবে কাজ করে আর কখন অগ্রিম চাইবেন, সেটা আলাদা করে লেখা আছে ক্যাশ অন ডেলিভারি নিয়ে লেখায়। এখানে প্রশ্নটা অন্য। COD সেলারের জন্য গেটওয়ের খরচটা পোষায় কি না, সেটা একটা উদাহরণে দেখি।

এক মাসের হিসাব টাকায় (উদাহরণ)

নিচের সংখ্যাগুলো একটা উদাহরণ, কোনো দোকানের আসল হিসাব না। রেট আর ফি নিয়েছি SSLCommerz-এর, কারণ ওদের দুটো সংখ্যাই ওয়েবসাইটে লেখা আছে। অন্য গেটওয়ের কোটেশন পেলে নিজের সংখ্যা বসিয়ে একই হিসাব করুন।

ধরুন আপনার মাসে ২০০টা অর্ডার আসে, গড় দাম ১,২০০ টাকা। প্রথম অবস্থায় আপনি শুধু ঢাকার বাইরের অর্ডারে ১৩০ টাকা ডেলিভারি চার্জ অগ্রিম নেন, আর এমন অর্ডার মাসে ১২০টা। তাহলে মাসে অনলাইনে আসে ১২০ × ১৩০ = ১৫,৬০০ টাকা। ২.৫% হারে চার্জ কাটে ৩৯০ টাকা, বছরে ৩৯০ × ১২ = ৪,৬৮০ টাকা। সাথে ২৫,৫০০ টাকার সেটআপ ফি যোগ করলে প্রথম বছরে মোট খরচ ৩০,১৮০ টাকা। দিনে চারটা অগ্রিমের জন্য এটা অনেক টাকা। এই অবস্থায় bKash-এর রিটেইল বা মার্চেন্ট একাউন্টে Payment নিয়ে হাতে মিলিয়ে নেওয়াই যথেষ্ট।

দ্বিতীয় অবস্থায় ধরুন ২০০ জনের মধ্যে ৮০ জন পুরো টাকা অনলাইনে দেন, কেউ কার্ডে, কেউ bKash-এ। মাসে অনলাইনে আসে ৮০ × ১,২০০ = ৯৬,০০০ টাকা। ২.৫% হারে চার্জ কাটে ২,৪০০ টাকা, বছরে ২৮,৮০০ টাকা। সেটআপ ফিসহ প্রথম বছরে মোট ৫৪,৩০০ টাকা। খরচটা বড়, কিন্তু বদলে আপনি কয়েকটা জিনিস পাচ্ছেন। দিনে আড়াই-তিনটা পেমেন্ট নিজে থেকে মিলে যায়, কার্ডের কাস্টমার হারাতে হয় না, আর অর্ডারগুলো আগে টাকা দেওয়া। যিনি আগে টাকা দিয়েছেন তিনি দরজা থেকে পার্সেল ফেরত দেন অনেক কম, এটাও সেলারদের সাধারণ অভিজ্ঞতা। তাই আপনার রিটার্নে মাসে কত টাকা যায়, সেটা পাশে রেখে তারপর সিদ্ধান্ত নিন।

কখন নেবেন, কখন নেবেন না

তিনটা লক্ষণের যেকোনো একটা দেখলে বুঝবেন গেটওয়ে নেওয়ার সময় হয়েছে। প্রথমটা হলো, প্রতিদিন TrxID মেলাতে আপনার আধা ঘণ্টার বেশি চলে যাচ্ছে। দ্বিতীয়টা, কাস্টমার বারবার কার্ডে টাকা দিতে চাইছেন, আর আপনি না বলে অর্ডার হারাচ্ছেন। তৃতীয়টা, আপনি চান কাস্টমার ওয়েবসাইটে অর্ডার করার সময়েই টাকা দিয়ে দিন, যাতে ইনবক্সে কথা বাড়াতে না হয়। এর কোনোটাই না মিললে এখনো bKash মার্চেন্ট বা রিটেইল একাউন্ট দিয়েই কাজ চলবে।

আপনি যদি পুরোটাই COD-তে চালান আর কোনো অগ্রিম না নেন, তাহলে গেটওয়ের দরকার একদমই নেই। যাঁরা শুধু ফেসবুক ইনবক্সে অর্ডার নেন আর যাঁদের কোনো ওয়েবসাইট নেই, তাঁদেরও এখন লাগবে না। ট্রেড লাইসেন্স না হওয়া পর্যন্তও আবেদন করে লাভ নেই। শেষের দুই অবস্থায় আগের কাজ হলো লাইসেন্স করা আর একটা চালু ওয়েবসাইট দাঁড় করানো। একটা স্টোর বানাতে কত খরচ পড়ে, সেই হিসাব আছে ই-কমার্স ওয়েবসাইটের খরচ নিয়ে লেখায়।

কোন গেটওয়ে নেবেন, সেটা ঠিক করুন নিজের কাস্টমার দেখে। প্রায় সবাই bKash-এ টাকা দিলে শুধু bKash-এর গেটওয়েতেও চলতে পারে। কার্ড, Nagad, Rocket সবই লাগলে SSLCommerz, aamarPay বা shurjoPay-এর মতো অ্যাগ্রিগেটর দেখুন। অন্তত দুইটা থেকে লিখিত কোটেশন নিন, এক বছরের মোট খরচ গুনুন, আর টাকা কোন দিন আসবে সেটাও লিখিত নিন।

গেটওয়ে একাউন্ট চালু হলে পরের কাজ হলো সেটা স্টোরের চেকআউটে লাগানো। WinningSeller-এর স্টোরে bKash আর SSLCommerz দিয়ে অনলাইন পেমেন্ট নেওয়া যায়। নিজের গেটওয়ে একাউন্ট স্টোরে কানেক্ট করে ঠিক করে দেন, কাস্টমার পুরো টাকা অগ্রিম দেবেন নাকি শুধু ডেলিভারি চার্জ। ইনবক্সের কাস্টমারকে একটা পেমেন্ট লিংকও পাঠাতে পারেন। বাকি ফিচারগুলো এখানে দেখে নিন।

সাধারণ প্রশ্ন

বাংলাদেশে সবচেয়ে ভালো পেমেন্ট গেটওয়ে কোনটা?

সবার জন্য একটাই "সবচেয়ে ভালো" গেটওয়ে নেই, কারণ রেট, শুরুর ফি আর কাগজের নিয়ম একেক কোম্পানির একেক রকম। যে গেটওয়ে আপনার কাস্টমারের পছন্দের পেমেন্ট নেয়, আপনার কাগজে আবেদন নেয়, আর এক বছরের মোট খরচে কম পড়ে, আপনার জন্য সেটাই ভালো। তাই অন্তত দুইটা গেটওয়ে থেকে লিখিত কোটেশন নিন, তারপর এক বছরের খরচ পাশাপাশি গুনে দেখুন।

ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া কি পেমেন্ট গেটওয়ে পাওয়া যায়?

সাধারণ ব্যবসার জন্য SSLCommerz, aamarPay আর shurjoPay যে কাগজের লিস্ট দিয়েছে, তিনটাতেই ট্রেড লাইসেন্স আছে। SSLCommerz-এর লিস্টে "Facebook Merchant" নামে আলাদা একটা ভাগ আছে, সেখানে ট্রেড লাইসেন্সের নাম নেই কিন্তু DBID আছে। ওই একাউন্টে ঠিক কোন সেবা পাবেন, সেটা আবেদনের আগে SSLCommerz-এর কাছ থেকে জেনে নিন। লাইসেন্স না থাকলে শুরুটা bKash-এর পার্সোনাল রিটেইল একাউন্ট দিয়েও করতে পারেন।

SSLCommerz-এর চার্জ কত?

৭ অক্টোবর ২০২৬-এ SSLCommerz-এর Pricing পেজে লেখা আছে, প্রতিটা সফল পেমেন্টে ২.৫% কাটে, আর American Express কার্ডে ৩.৫%। এর সাথে শুরুতে একবার ২৫,৫০০ টাকা সেটআপ ফি দিতে হয়, যেটা ফেরত হয় না। Visa, Mastercard, bKash, Nagad আর Rocket, সবগুলোতেই একই ২.৫% লেখা।

ওয়েবসাইট ছাড়া শুধু ফেসবুক পেজ দিয়ে কি পেমেন্ট গেটওয়ে নেওয়া যায়?

bKash-এর Online Business ফর্মে ওয়েবসাইট, ফেসবুক পেজ বা অ্যাপের যেকোনো একটার লিংক দেওয়া যায়, আর SSLCommerz-এর কাগজের লিস্টেও ফেসবুক মার্চেন্টের আলাদা ভাগ আছে। কিন্তু কাস্টমার অর্ডার করার সময়েই চেকআউটে টাকা দেবেন, এই কাজটার জন্য একটা চালু ওয়েবসাইট লাগে। SSLCommerz-এর শর্তে পরিষ্কার লেখা আছে, ডেমো বা মেইনটেন্যান্সে থাকা সাইট তারা নেয় না।

গেটওয়ের টাকা কত দিনে ব্যাংকে আসে?

aamarPay-এর FAQ-তে লেখা আছে, তারা কাজের দিন দেখে সপ্তাহে দুইবার টাকা দেয়। shurjoPay-এর ওয়েবসাইটে লেখা সপ্তাহে একবার। SSLCommerz-এর শর্তে শুধু লেখা আছে ডেলিভারির প্রমাণ পেলে টাকা ছাড়া হয়, কত দিনে সেটা লেখা নেই, তাই চুক্তির সময় দিনটা লিখিত নিয়ে নিন।

কাস্টমার অনলাইনে টাকা দিয়ে পরে ফেরত চাইলে কী হয়?

আপনি গেটওয়ের মার্চেন্ট প্যানেল থেকে পুরো বা আংশিক রিফান্ড দেবেন। SSLCommerz-এর FAQ অনুযায়ী রিফান্ড শুরু করার পর কাস্টমারের কাছে টাকা পৌঁছাতে ৫ থেকে ৭ কাজের দিন লাগে। কাস্টমার ব্যাংকে গিয়ে চার্জব্যাক করলে আপনার কাছে ডেলিভারির প্রমাণ চাওয়া হবে, তাই কুরিয়ারের ডেলিভারি রেকর্ড আর ইনভয়েস রেখে দিন।

#পেমেন্ট গেটওয়ে#SSLCommerz#aamarPay#shurjoPay#bKash পেমেন্ট গেটওয়ে#অনলাইন পেমেন্ট#অগ্রিম পেমেন্ট

আরও পড়ুন

খেলনা ব্যবসার আইডিয়া, কোন খেলনা অনলাইনে চলে আর নিরাপত্তার নিয়ম

বাচ্চাদের খেলনা অনলাইনে বেচতে চাইলে কোন খেলনা চলে, চকবাজার থেকে প্রথম লট কীভাবে নেবেন, ২০২৬ সালে BSTI-র তালিকায় খেলনা আসার মানে কী, ব্যাটারির খেলনা চালিয়ে দেখা, মাপ বোঝানো ছবি আর না ভাঙার প্যাকিং, একটা লটের টাকার হিসাবসহ।

·১২ মিনিটে পড়া যায়

থ্রিফট শপিং কি? পুরনো বিদেশি জ্যাকেট-শার্টের থ্রিফট ব্যবসার নিয়ম

থ্রিফট শপিং কি, মাল কোথা থেকে আসে আর পুরনো কাপড় আমদানির নিয়ম কী বলে, গাইট খুলে বাছাই, ধোয়া আর ছবি, কন্ডিশন সত্যি করে লেখা, আর একটা গাইট থেকে এক পিসের দাম কীভাবে বের করবেন, হিসাবসহ।

·১২ মিনিটে পড়া যায়

অনলাইনে শাড়ির ব্যবসা, তাঁতের শাড়ি থেকে প্রথম লট, ছবি আর ফেরত

অনলাইনে শাড়ির ব্যবসা শুরু করবেন? কোন শাড়ি চলে, টাঙ্গাইলের হাট আর পাইকার, BSTI-র ২০২৬ সালের নতুন শাড়ির নিয়ম, মডেল ছাড়া শাড়ির ছবি, মাপ আর যত্নের কথা লেখা, আর একটা লটে কত থাকে, হিসাবসহ।

·১২ মিনিটে পড়া যায়