WinningSeller
অনলাইন ব্যবসা শুরু১৪ মিনিটে পড়া যায়

অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা করার নিয়ম, থ্রি-পিস দিয়ে প্রথম ১০০ অর্ডার

কত টাকা আর কয়টা ডিজাইন দিয়ে শুরু করবেন, কাপড়ের কোন ছবিগুলো লাগে, সাইজ আর রঙের কারণে ফেরত কীভাবে কমাবেন, এক্সচেঞ্জের নিয়ম কী লিখবেন, আর থ্রি-পিসের প্রথম ১০০ অর্ডারের পুরো হিসাব টাকায়।

অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা করার নিয়ম, থ্রি-পিস দিয়ে প্রথম ১০০ অর্ডার
এই লেখায় যা আছে
  1. অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা করার নিয়ম, প্রথম সপ্তাহে কী করবেন?
  2. কোন কাপড় দিয়ে শুরু করবেন, থ্রি-পিস, শাড়ি না বোরকা?
  3. কত টাকা আর কত পিস দিয়ে শুরু করবেন?
  4. কাপড়ের ছবি কেমন হলে কাস্টমার বিশ্বাস করেন?
  5. সাইজ চার্ট আর রঙের অমিলে ফেরত কমাবেন কীভাবে?
  6. এক্সচেঞ্জের নিয়ম কী রাখবেন, আর পেজে কীভাবে লিখবেন?
  7. থ্রি-পিসের প্রথম ১০০ অর্ডারে আসলে কত লাভ থাকে?
  8. কাপড়ের ব্যবসায় যে ভুলে স্টক আটকে যায়
    1. নিজের পছন্দে ডিজাইন কেনা
    2. প্রতিটা ডিজাইন সব রং আর সব সাইজে কেনা
    3. ঈদের স্টক দেরিতে আর বেশি কেনা
    4. ফেরত আসা পিস হিসাবে না তোলা
    5. না চলা ডিজাইনে আরও অ্যাড ঢালা
  9. আজ থেকে কোথায় শুরু করবেন?

অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা করার নিয়ম আসলে কয়েকটা সোজা কাজ। এক ধরনের কাপড় দিয়ে শুরু করুন, আর নতুন হলে আনস্টিচড থ্রি-পিস সবচেয়ে সহজ, কারণ এতে সাইজের ঝামেলা নেই। প্রথম চালানে ৫ থেকে ৬টা ডিজাইন নিন, প্রতিটা ৪ থেকে ৫ পিস করে। প্রতিটা ডিজাইনের ছবি দিনের আলোয় নিজে তুলুন। পেজে বাংলায় কাপড়ের মাপ, সাইজ আর এক্সচেঞ্জের নিয়ম লিখে রাখুন। আর অর্ডার কনফার্মের ফোনে রং আর সাইজ মুখে মিলিয়ে নিন। প্রথম ১০০ অর্ডারে লাভের চেয়েও দরকারি হলো এটা শেখা যে কোন ডিজাইন চলে আর কোনটা ফেরত আসে।

কাপড়ের ব্যবসায় অন্য প্রোডাক্টের চেয়ে দুটো ঝুঁকি বেশি। প্রথমটা হলো রং। ছবির সাথে হাতের কাপড় না মিললে কাস্টমার পার্সেল ফেরত দেন। দ্বিতীয়টা হলো স্টক, কারণ যে ডিজাইন চলে না সেটা মাসের পর মাস ব্যাগে পড়ে থাকে। পেজ খোলা, কুরিয়ার আর পেমেন্টের সাধারণ কাজগুলো অনলাইন ব্যবসা শুরুর পুরো গাইডে বলা আছে। এই লেখায় শুধু কাপড়ের আলাদা নিয়মগুলো বলব, আর শেষে ১০০ অর্ডারের একটা পুরো হিসাব দেখাব।

অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা করার নিয়ম, প্রথম সপ্তাহে কী করবেন?

প্রথম সপ্তাহে অ্যাড চালানোর আগে পাঁচটা কাজ শেষ করুন। কাজগুলো ছোট, কিন্তু এর একটা বাদ পড়লে পরে সেটা ফেরত পার্সেল হয়ে আপনার কাছেই ফিরে আসে।

প্রথম দুই দিন বাজার ঘুরুন আর প্রথম চালান কিনুন। ঢাকায় থাকলে ইসলামপুর বা কেরানীগঞ্জের মতো পাইকারি বাজারে যান, ঢাকার বাইরে থাকলে আগে নিজের জেলার পাইকারদের দেখুন। কোন মার্কেটে কোন কাপড় পাবেন আর কোন দিন কোন মার্কেট বন্ধ থাকে, সেটা ঢাকার পাইকারি কাপড়ের বাজার নিয়ে লেখাটায় আছে। প্রথম দিনেই বেশি কিনবেন না। কত পিস আর মোট কত টাকা লাগবে, সেটা নিচে আলাদা করে বলছি।

তৃতীয় দিন ছবি তুলুন। প্রতিটা ডিজাইনের আলাদা ছবি লাগবে, আর তুলতে হবে দিনের আলোয়, যাতে রংটা সত্যি দেখায়। কোন কোন ছবি লাগে, সেটাও নিচে আছে।

চতুর্থ দিন প্রোডাক্টের লেখা গুছিয়ে নিন। প্রতিটা ডিজাইনের একটা নম্বর বা নাম দিন, তারপর কাপড়ের ধরন, প্রতিটা অংশ কত গজ বা কত ইঞ্চি, দাম আর ডেলিভারি চার্জ লিখুন। সাথে এক্সচেঞ্জের নিয়মটা বাংলায় পেজে লিখে রাখুন। এটা শুধু ভালো অভ্যাস না, নিয়মও। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের "ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা ২০২১"-এ বলা আছে, টাকা ফেরত, প্রোডাক্ট ফেরত আর বদল, ডেলিভারি কীভাবে আর কত দিনে হবে, এসব শর্ত বাংলায় লিখে পরিষ্কার করে দেখাতে হবে। ফেসবুক পেজে বিক্রি করলেও এই নিয়ম খাটে।

পঞ্চম দিন কুরিয়ারের মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট খুলুন আর প্যাকেট কিনে রাখুন। কাপড় ভাঁজ করে আগে একটা পলিব্যাগে ভরুন, তারপর কুরিয়ারের প্যাকেটে দিন, তাহলে পথে বৃষ্টিতে ভিজলেও দাগ পড়ে না। ভেজা কাপড় হাতে পেলে কাস্টমার দরজা থেকেই পার্সেল ফিরিয়ে দেন।

শেষ দুই দিন পেজে পোস্ট দিন আর ছোট বাজেটে অ্যাড শুরু করুন। প্রথম সপ্তাহে অর্ডার কম এলে ভয় পাবেন না। বরং খেয়াল করুন কোন ডিজাইনের দাম মানুষ ইনবক্সে বেশি জিজ্ঞেস করছেন, কারণ পরের চালানে ওটাই আগে আনতে হবে।

কোন কাপড় দিয়ে শুরু করবেন, থ্রি-পিস, শাড়ি না বোরকা?

যে কাপড়ের বাজার আপনি নিজে বোঝেন, সেটা দিয়ে শুরু করুন। তবে কোনো দিকে ঝোঁক না থাকলে আনস্টিচড থ্রি-পিস নতুনদের জন্য সবচেয়ে কম ঝামেলার। আনস্টিচড মানে কামিজ, সালোয়ার আর ওড়নার কাপড় আলাদা টুকরো হিসেবে আসে, আর কাস্টমার নিজের দর্জিকে দিয়ে মাপমতো বানিয়ে নেন। তাই "সাইজ মেলেনি" বলে ফেরতের ভয় প্রায় থাকে না। থ্রি-পিস সারা বছর চলে, আর ঈদের আগে চাহিদা অনেক বেড়ে যায়।

ওজনের দিক থেকেও থ্রি-পিসে সুবিধা আছে। অক্টোবর ২০২৬-এ Pathao-র কুরিয়ার পেজে লেখা আছে, ঢাকা থেকে অন্য শহরে আধা কেজি পর্যন্ত পার্সেলে ১১০ টাকা আর আধা থেকে এক কেজিতে ১৩০ টাকা, VAT ছাড়া। ঢাকার ভেতরে একই দুই ওজনে লাগে ৬০ আর ৭০ টাকা। মানে পার্সেল আধা কেজির নিচে রাখতে পারলে ঢাকার বাইরের প্রতিটা অর্ডারে ২০ টাকা বাঁচে। তবে ভারী কাপড় বা মোটা কাজের থ্রি-পিসে ওজন বাড়ে, তাই প্রথম পার্সেলটা প্যাকেটসহ একবার মেপে নিন।

রেডিমেড বা স্টিচড থ্রি-পিস আর কুর্তি বিক্রি করা সহজ, কারণ কাস্টমার হাতে পেয়েই পরতে পারেন। কিন্তু এখানে প্রতিটা ডিজাইন কয়েকটা সাইজে রাখতে হয়। একটা ডিজাইন চার সাইজে আনলে এক ডিজাইনের স্টকই চার ভাগ হয়ে যায়। তখন প্রায়ই M শেষ হয়ে যায়, আর XL পড়ে থাকে।

শাড়িতে সাইজের ঝামেলা নেই, কিন্তু দাম সাধারণত বেশি, আর কাস্টমার কেনার আগে অনেক বেশি দেখে-শুনে নেন। জমিন, পাড় আর আঁচল আলাদা করে না দেখালে বিশ্বাস আসে না, তাই ছবি আর ভিডিওর কাজও বেশি।

বোরকার কাস্টমার একবার মাপ আর কাপড় পছন্দ করলে অনেক সময় একই দোকান থেকে বারবার কেনেন। কিন্তু বোরকা বিক্রি হয় লম্বার মাপে, ইঞ্চি ধরে, তাই এখানেও প্রতিটা ডিজাইন কয়েক মাপে রাখতে হয়। মাপ ভুল হলেই এক্সচেঞ্জ করতে হয়। ছেলেদের পাঞ্জাবি বা শার্ট দিয়েও শুরু করা যায়, নিচের নিয়মগুলো সেখানেও একই। শুধু মনে রাখবেন, অনেক সেলারের অভিজ্ঞতায় পাঞ্জাবির বেশিরভাগ বিক্রি হয় ঈদ আর বিয়ের মৌসুমে, বছরের বাকি সময়ে অনেক কম চলে।

যেটাই বাছুন, প্রথম দুই-তিন মাস এক ধরনের কাপড়েই থাকুন। সব একসাথে তুললে প্রতিটার স্টক পাতলা হয়, আর কোনটা আসলে চলছে বোঝা যায় না।

কত টাকা আর কত পিস দিয়ে শুরু করবেন?

প্রথম চালানে ৫ থেকে ৬টা ডিজাইন নিন, প্রতিটা ৪ থেকে ৫ পিস। কেন এক ডিজাইনের ২০ পিস না, আর বাজারে গিয়ে অল্প পিসে পাইকারি দাম কীভাবে চাইবেন, সেটা ওপরের পাইকারি বাজারের লেখায় বিস্তারিত বলা আছে। এখানে দেখব ব্যবসাটা চালু রাখতে মোট কত টাকা হাতে লাগে, কারণ বাজারে যাওয়ার টাকা আর ব্যবসা চালানোর টাকা এক না।

টাকার হিসাবটা একটা উদাহরণে দেখি। নিচের সংখ্যাগুলো উদাহরণ, পাইকারি দাম কাপড়, কাজ আর বাজারভেদে অনেক আলাদা হয়।

  • প্রথম চালান, ৬টা ডিজাইন × ৫ পিস = ৩০ পিস, পিসপ্রতি ৭০০ টাকা ধরে ২১,০০০ টাকা
  • প্যাকেট আর পলিব্যাগ, ৩০টার জন্য ধরুন ৬০০ টাকা
  • ছবির জন্য সাদা কাপড় বা বোর্ড আর একটা মাপের ফিতা, কয়েকশো টাকা
  • প্রথম দুই সপ্তাহের অ্যাড, ধরুন ৭,০০০ টাকা
  • যে ডিজাইন চলবে সেটা আবার আনার টাকা, প্রথম চালানের সমান, ২১,০০০ টাকা

সব মিলিয়ে ৫০ হাজার টাকার মতো লাগে। শেষ লাইনটা অনেকে বাদ দেন, আর সেটাই সবচেয়ে বড় ভুল। ধরুন একটা ডিজাইন তিন দিনে শেষ হয়ে গেল, কিন্তু কুরিয়ারের টাকা তখনো আসেনি। হাতে আলাদা টাকা না থাকলে ঠিক যখন অর্ডার আসছে, তখনই কাস্টমারকে বলতে হবে "স্টক শেষ"। এই টাকাটা না থাকলে প্রথম চালান ছোট করুন, ৪টা ডিজাইনের ৪ পিস করে নিয়েও শুরু করা যায়।

দাম ঠিক করার সময় কেনা দামের সাথে একটা গোল অঙ্ক যোগ করে দেবেন না। কুরিয়ার, ফেরত আর অ্যাডের খরচ ধরে দাম কীভাবে বের করবেন, সেটা একটা থ্রি-পিসের উদাহরণ দিয়েই দাম নির্ধারণের লেখায় দেখানো আছে।

কাপড়ের ছবি কেমন হলে কাস্টমার বিশ্বাস করেন?

কাপড়ের কাস্টমার ছবি দেখে সবার আগে বুঝতে চান রংটা আসলে কী। তারপর দেখেন কাপড়টা পাতলা না মোটা, আর এমব্রয়ডারি বা প্রিন্টের কাজটা হাতে পেলে কেমন দেখাবে। ছবিতে এসবের উত্তর থাকলে ইনবক্সে প্রশ্ন কমে, ফেরতও কমে।

একটা থ্রি-পিস ডিজাইনের জন্য এই ছবিগুলো তুলুন।

  1. তিনটা অংশ একসাথে বিছিয়ে ওপর থেকে একটা ছবি, যাতে পুরো সেট এক নজরে দেখা যায়।
  2. কামিজ, সালোয়ার আর ওড়নার আলাদা আলাদা ছবি।
  3. এমব্রয়ডারি, প্রিন্ট বা লেসের কাজের কাছ থেকে তোলা ছবি।
  4. হাতের ওপর কাপড় রেখে একটা ছবি, যাতে বোঝা যায় কাপড় কতটা পাতলা।
  5. জানালার পাশে দিনের আলোয় রঙের একটা ছবি, কোনো ফিল্টার ছাড়া।

এর সাথে ১৫ থেকে ২০ সেকেন্ডের একটা ভিডিও দিন, কাপড়টা হাতে নিয়ে আলোর দিকে ঘুরিয়ে। স্থির ছবিতে কাপড়ের ঝুল বোঝা যায় না, ভিডিওতে যায়। গায়ে কেমন বসবে দেখাতে চাইলে ম্যানিকিনে পরিয়ে ছবি তুলুন।

ফোনে এডিট করার সময় কাপড়ের বেলায় একটা নিয়ম মনে রাখুন। উজ্জ্বলতা একটু বাড়ানো চলে, কিন্তু রং বদলানো চলে না। মেরুনকে লাল বানিয়ে দিলে পার্সেল খুলেই কাস্টমার ঠকেছেন মনে করবেন।

একজন তরুণ সেলার জানালার পাশে মেঝেতে সাদা চাদর বিছিয়ে তার ওপর একটা থ্রি-পিসের কামিজ, সালোয়ার আর ওড়না সাজিয়েছেন, আর দাঁড়িয়ে মোবাইলে ওপর থেকে ছবি তুলছেন
দিনের আলোয়, ওপর থেকে, তিনটা অংশ একসাথে। এই একটা ছবিতেই কাস্টমার পুরো সেট বুঝে যান

সাইজ চার্ট আর রঙের অমিলে ফেরত কমাবেন কীভাবে?

কাপড় ফেরত আসার দুটো বড় কারণ সাইজ আর রং, এটা প্রায় সব কাপড়ের সেলারের অভিজ্ঞতা। দুটোর সমাধানই এক। অর্ডারের আগে কাস্টমার যেন ঠিক জানেন কী পাচ্ছেন, আর কনফার্মের সময় আপনি যেন সেটা আরেকবার মুখে মিলিয়ে নেন।

আনস্টিচড থ্রি-পিসে সাইজ চার্ট লাগে না, কিন্তু কাপড়ের মাপ লাগে। কামিজের কাপড় কত গজ, ওড়না কত লম্বা, সালোয়ারের কাপড় কতটা, এগুলো নিজে ফিতা দিয়ে মেপে লিখুন। লম্বা মানুষের কামিজে কাপড় বেশি লাগে, তাই দর্জির কাছে যাওয়ার আগে কাস্টমার ঠিক এই মাপটাই খোঁজেন।

রেডিমেড কাপড়ে সাইজ চার্ট ছাড়া বিক্রি করবেন না। শুধু S, M, L লিখে দিলে হবে না, কারণ এক পাইকারের M আর আরেক পাইকারের M এক মাপের হয় না। প্রতিটা সাইজের বুক, কোমর আর লম্বা ইঞ্চিতে লিখুন। মাপটা নিজে নিন। জামা টেবিলে সমান করে বিছিয়ে এক বগলের নিচ থেকে আরেক বগলের নিচ পর্যন্ত মাপুন, তারপর দুই দিয়ে গুণ করলে বুকের মাপ পাবেন।

টেবিলে বিছানো একটা কামিজের ড্রয়িংয়ে বগলের নিচ থেকে বগলের নিচ পর্যন্ত মাপের ফিতা, কোমর আর লম্বার মাপ, পাশে খাতায় M, L আর XL-এর বুক, কোমর আর লম্বা ইঞ্চিতে লেখা সাইজ চার্ট
পাইকারের ট্যাগের সাইজ না, নিজের ফিতায় মাপা ইঞ্চি লিখুন

সাইজ নিয়ে কাস্টমার দ্বিধায় থাকলে তাঁকে আন্দাজে সাইজ বাছতে বলবেন না। বলুন, "আপা, আপনার যে কামিজটা গায়ে সবচেয়ে ভালো বসে, ওটা বিছিয়ে বগলের নিচ থেকে বগলের নিচ পর্যন্ত মেপে আমাকে বলেন, আমি সাইজ মিলিয়ে দিচ্ছি।" এক মিনিটের এই কাজে একটা এক্সচেঞ্জ বাঁচে।

রঙের নামও কথায় লিখুন, যেমন "মেরুন", "অফ-হোয়াইট" বা "অ্যাশ", কারণ এতে কাস্টমারের মাথায় একটা নির্দিষ্ট রং বসে যায়।

শেষ পাহারাটা হলো কনফার্মের ফোন। ফোনে বলুন, "আপা, আপনি ৩ নম্বর ডিজাইনের মেরুন রঙেরটা নিচ্ছেন, আনস্টিচড, দাম ১,২৫০ টাকা আর ডেলিভারি চার্জ আলাদা, ঠিক আছে তো?" রেডিমেড হলে সাইজ আর বুকের মাপটাও বলুন। কাস্টমার এখানে "না না, আমি তো নীলটা চেয়েছিলাম" বললে আপনি একটা ফেরত পার্সেলের খরচ বাঁচালেন। আর প্যাকেট করার আগে প্রতিটা পিস একবার খুলে দাগ, ছেঁড়া আর সেলাই দেখে নিন। পাইকারের বান্ডেলে মাঝে মাঝে খুঁতওয়ালা পিস থাকে, আর সেটা কাস্টমারের হাতে গেলে খরচটা আপনার।

এক্সচেঞ্জের নিয়ম কী রাখবেন, আর পেজে কীভাবে লিখবেন?

নির্দেশিকা বলেছে ফেরত আর বদলের শর্ত বাংলায় পরিষ্কার লিখে রাখতে। কিন্তু কত দিনের মধ্যে বদলাতে হবে, সেটা ঠিক করে দেয়নি। তাই নিয়মটা আপনাকেই ঠিক করতে হবে। একটা ভালো নিয়ম পড়ে কাস্টমার বুঝে যান কত দিনের মধ্যে জানাতে হবে আর কাপড়টা কোন অবস্থায় থাকলে বদলানো যাবে। সাথে লেখা থাকে আসা-যাওয়ার কুরিয়ার চার্জ কে দেবে।

পেজে আর প্রোডাক্টের নিচে এমন কিছু লিখতে পারেন।

"পার্সেল হাতে পাওয়ার ৩ দিনের মধ্যে জানালে রং বা সাইজ বদলে দেব, যদি কাপড় ধোয়া বা পরা না হয় আর ট্যাগ থাকে। ভুল ডিজাইন, ভুল সাইজ বা কাপড়ে দাগ-ছেঁড়া থাকলে দুই দিকের ডেলিভারি চার্জ আমাদের। আপনার পছন্দ বদলালে ডেলিভারি চার্জ আপনার।"

৩ দিন কেন? এতে কাস্টমার খুলে দেখার আর বাসায় দেখানোর সময় পান, কিন্তু কোনো অনুষ্ঠানে পরে তারপর ফেরত দেওয়ার সুযোগ থাকে না। আর দোষ যার, চার্জ তার, এই ভাগটা কাস্টমারের কাছেও ন্যায্য লাগে।

এক্সচেঞ্জের খরচ একটা একটা করে ছোট দেখায়, কিন্তু যোগ করলে বড় হয়। একটা এক্সচেঞ্জে নতুন পার্সেল যায় আর পুরনোটা ফেরত আসে, মানে দুই দিকের কুরিয়ার চার্জ দিতে হয়। ঢাকা থেকে অন্য জেলায় Pathao-র রেটে আধা থেকে এক কেজির পার্সেল একদিকে ১৩০ টাকা, তাই দুই দিকে প্রায় ২৬০ টাকা, VAT আলাদা। এখানে ধরে নিয়েছি যে ফেরত আনাটাও সাধারণ পার্সেলের রেটেই হবে। আপনার কুরিয়ারে আলাদা নিয়ম থাকতে পারে, তাই প্যানেলে দেখে নিন।

দরজা থেকে ফেরত আর এক্সচেঞ্জ কিন্তু এক জিনিস না। কাস্টমার পার্সেলটাই না নিলে Pathao-র পেজ অনুযায়ী ঢাকার বাইরের ফেরতে ডেলিভারি চার্জের সাথে আরও ৫০% রিটার্ন চার্জ যোগ হয়। মানে এক কেজির একটা পার্সেলে ১৩০ যোগ ৬৫, মোট ১৯৫ টাকা যায়। ঢাকা মেট্রোর ভেতরের ফেরতে রিটার্ন চার্জ নেই, শুধু ডেলিভারি চার্জটা যায়। তাই কাস্টমারকে "পছন্দ না হলে ফেরত দিয়ে দিয়েন" বলবেন না, বলুন "পছন্দ না হলে বদলে দেব"। এক্সচেঞ্জে বিক্রিটা থেকে যায়, ফেরতে বিক্রি আর চার্জ দুটোই যায়।

অভিযোগ এলে দেরি করবেন না। ওই একই নির্দেশিকায় বলা আছে, কাস্টমারের অভিযোগ পাওয়ার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সমাধান করে তাঁকে ফোন, ইমেইল বা SMS-এ জানাতে হবে। ঈদের আগে প্রি-অর্ডারে অগ্রিম নিলেও একটা কথা মনে রাখুন। অগ্রিম নিয়ে সময়মতো কাপড় দিতে না পারলে কাস্টমার যেভাবে টাকা দিয়েছিলেন, ধরুন bKash-এ, সেভাবেই সর্বোচ্চ ১০ দিনের মধ্যে পুরো টাকা ফেরত দিতে হবে।

থ্রি-পিসের প্রথম ১০০ অর্ডারে আসলে কত লাভ থাকে?

এই অংশের সব সংখ্যা একটা বানানো উদাহরণ, কোনো আসল দোকানের হিসাব না। কুরিয়ার চার্জগুলো অক্টোবর ২০২৬-এ Pathao-র কুরিয়ার পেজে লেখা রেট থেকে নেওয়া, আধা থেকে এক কেজির পার্সেল ধরে, VAT ছাড়া। বাকি সব সংখ্যা ধরে নেওয়া, তাই নিজের সংখ্যা বসিয়ে একবার কষে দেখুন।

ধরুন আপনি ওপরের মতো ৬টা ডিজাইনের ৩০ পিস আনস্টিচড থ্রি-পিস দিয়ে শুরু করলেন। প্রতিটা কেনা ৭০০ টাকায়, বিক্রি ১,২৫০ টাকায়, আর ডেলিভারি চার্জ কাস্টমার আলাদা দেন। প্রথম ১০ দিনে দুটো ডিজাইন শেষ হয়ে গেল, দুটো ধীরে চলল, আর বাকি দুটো থেকে মাত্র একটা করে অর্ডার এলো। চলতি ডিজাইনগুলো আপনি তিন দফায় আরও ৯০ পিস আনলেন, তাই সব মিলিয়ে কেনা হলো ১২০ পিস।

পাঁচ-ছয় সপ্তাহে আপনি ১০০টা কনফার্ম অর্ডার পাঠালেন। এর মধ্যে ৮২টা ডেলিভারি হলো, আর ১৮টা দরজা থেকে ফেরত এলো, যার ৬টা ঢাকার ভেতরের আর ১২টা বাইরের। যাঁরা পার্সেল রাখলেন, তাঁদের ৬ জন পরে এক্সচেঞ্জ চাইলেন। ৪ জনের রং মনের মতো হয়নি, আর ২ জনের কাপড়ে দাগ ছিল। শুরুর দিকে কাস্টমার ধরে রাখতে আপনি ছয়টারই চার্জ নিজে দিলেন।

খাত কীভাবে গোনা টাকা
৮২টা ডেলিভারি থেকে হাতে এলো ৮২ × (১,২৫০ থেকে ১% COD চার্জ, প্রায় ১৩ টাকা বাদ) ১,০১,৪৩৪
৮২ পিসের কেনা দাম ৮২ × ৭০০ − ৫৭,৪০০
অ্যাড ১০০টা অর্ডারে গড়ে ২৫০ টাকা − ২৫,০০০
দরজা থেকে ফেরত ৬ × ৭০ (ঢাকা) + ১২ × ১৯৫ (বাইরে) − ২,৭৬০
এক্সচেঞ্জ ৬ × (২৬০ কুরিয়ার + ২০ প্যাকেট) − ১,৬৮০
দাগওয়ালা ২ পিস, পাইকার বদলে দেননি ২ × ৭০০ − ১,৪০০
প্যাকেট ১০০ × ২০ − ২,০০০
আসল লাভ ১১,১৯৪

১০০টা অর্ডার পাঠিয়ে লাভ থাকল ১১,১৯৪ টাকা। মানে ডেলিভারি হওয়া প্রতিটা পার্সেলে প্রায় ১৩৭ টাকা, অথচ কাগজে কেনা আর বেচার ফারাক ছিল ৫৫০ টাকা। সবচেয়ে বড় খরচটা গেছে অ্যাডে। আর ফেরতের ২,৭৬০ টাকা দেখতে ছোট, কিন্তু ওই ১৮টা অর্ডার আনতে অ্যাডে যে ৪,৫০০ টাকা গেছে, সেটাও পুরোটা জলে গেছে।

এবার স্টকটা দেখুন। কেনা হয়েছিল ১২০ পিস। বাসা থেকে বের হয়েছে ১০৬ পিস, ১০০টা অর্ডারে আর ৬টা এক্সচেঞ্জে। ফিরে এসেছে ১৮টা ফেরত পার্সেল আর এক্সচেঞ্জের ৪টা ভালো পিস। তাই হাতে আছে ৩৬ পিস বিক্রির মতো কাপড়, কেনা দামে ২৫,২০০ টাকা। এর ৮ পিস, মানে ৫,৬০০ টাকার কাপড়, সেই দুই ডিজাইনের যেগুলো প্রথম দিন থেকেই চলেনি।

এই উদাহরণের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো, কেনা আর বেচার ফারাক দেখে লাভ ভাববেন না। অ্যাড আর ফেরত বাদ দেওয়ার পর এখানে থাকল ওই ফারাকের চার ভাগের এক ভাগ। লাভ বাড়াতে চাইলে দাম বাড়াতে হবে, নয়তো অর্ডারপ্রতি অ্যাডের খরচ বা ফেরত কমাতে হবে।

খেয়াল করুন, খাতার ১১ হাজার টাকা লাভের চেয়ে স্টকে বসে থাকা ২৫ হাজার টাকা বড়। তাই মাস শেষে হাতে নগদ কম দেখলে অবাক হবেন না। আর ওই ৫,৬০০ টাকা আপনাকে শিখিয়ে দিল আপনার কাস্টমার কোন ধরনের ডিজাইন নেন না। এটা শেখার খরচ, কিন্তু পরের চালানে একই ভুল করলে তখন সেটা শুধুই ক্ষতি।

কাপড়ের ব্যবসায় যে ভুলে স্টক আটকে যায়

নিজের পছন্দে ডিজাইন কেনা

যে ডিজাইন আপনার চোখে সবচেয়ে সুন্দর, সেটা আপনার কাস্টমারের পছন্দ নাও হতে পারে। পাইকারকে জিজ্ঞেস করুন গত দুই সপ্তাহে কোন ডিজাইন বেশি গেছে। নিজের পছন্দের ডিজাইন চালানে একটা রাখতে পারেন, পুরো চালান না।

প্রতিটা ডিজাইন সব রং আর সব সাইজে কেনা

একটা রেডিমেড ডিজাইন তিন রঙে আর চার সাইজে আনলে এক ডিজাইনেই ১২ রকম স্টক হয়। এর মধ্যে দুই-তিনটা চলবে, বাকিগুলো এক-দুই পিস করে পড়ে থাকবে। পাইকার একই ডিজাইন ছয় রঙে দেখালেও আপনি দুইটা নিন, একটা গাঢ় আর একটা হালকা। সাইজও আনুন সবচেয়ে বেশি চলা দুইটা, বাকিটা অর্ডার দেখে পরের চালানে।

ঈদের স্টক দেরিতে আর বেশি কেনা

ঈদের ঠিক আগে পাইকারি বাজারে ভিড় বাড়ে, পছন্দের ডিজাইন শেষ হয়ে যায়, আর কুরিয়ারেও পার্সেল জমে। এজন্য অনেক সেলার ঈদের তিন-চার সপ্তাহ আগেই স্টক তুলে ছবি আর পোস্ট শেষ করে রাখেন। ঈদের পরে চাহিদা হঠাৎ কমে, তাই শেষ সপ্তাহে ভয় পেয়ে কেনা বড় চালান প্রায়ই পরের ঈদ পর্যন্ত বসে থাকে।

ফেরত আসা পিস হিসাবে না তোলা

ফেরত পার্সেল অনেক সময় একটা আলাদা ব্যাগে পড়ে থাকে। তখন খাতায় স্টক শেষ দেখায়, অথচ ঘরে ওই ডিজাইনের পাঁচ পিস আছে। ফেরত পার্সেল যেদিন আসে সেদিনই খুলে দেখুন, তারপর আবার স্টকের লিস্টে তুলুন।

না চলা ডিজাইনে আরও অ্যাড ঢালা

একটা ডিজাইন না চললে মনে হয় অ্যাড একটু বাড়ালেই চলবে। বেশিরভাগ সময় চলে না, কারণ সমস্যাটা অ্যাডে না, ডিজাইনে বা দামে। শুরুর জন্য একটা সহজ নিয়ম রাখতে পারেন। প্রথম ১০ দিনে যে ডিজাইনের ৫ পিসের ২টাও যায়নি, সেটা আর আনবেন না। যা আছে, সেটা পুরনো কাস্টমারদের আগে অফার করুন। এটা মেপে বের করা নিয়ম না, শুরুর একটা মাপকাঠি মাত্র। দুই-তিন মাস পরে নিজের অর্ডার দেখে এটা বদলে নিন।

আজ থেকে কোথায় শুরু করবেন?

আজ একটা কাগজে লিখুন কোন কাপড় দিয়ে শুরু করবেন, কয়টা ডিজাইন, প্রতিটা কত পিস, আর আবার স্টক আনার টাকা কোথা থেকে আসবে। তারপর ওপরের এক্সচেঞ্জের নিয়মটা নিজের মতো করে লিখে ফেলুন, কারণ ওটা না থাকলে প্রথম ফেরত পার্সেলেই কাস্টমারের সাথে ঝগড়া হবে।

একটা সত্যি কথাও বলে রাখি। এই পদ্ধতি তাঁদের জন্য, যাঁরা অল্প টাকায় নিজে স্টক রেখে শুরু করতে চান। আপনি যদি বিয়ের লেহেঙ্গা বা অনেক দামি ডিজাইনার শাড়ি বেচতে চান, সেখানে অল্প পিসে শুরু করা কঠিন, আর কাস্টমার কেনার আগে দোকানে এসে দেখতে চান। তাঁদের হিসাব আলাদা।

অর্ডার বাড়লে এই কাজগুলো খাতায় সামলানো কঠিন হয়ে যায়। WinningSeller-এ AI দিয়ে ৫ মিনিটে একটা ল্যান্ডিং পেজ বানিয়ে প্রতিটা ডিজাইনের ছবি, কাপড়ের মাপ আর এক্সচেঞ্জের নিয়ম এক জায়গায় রাখা যায়। অর্ডার এলে নম্বর দিয়ে ফ্রড চেক করে নিতে পারেন, তারপর Steadfast, Pathao, RedX সহ ৬টা কুরিয়ারে এক ক্লিকে পার্সেল যায়। কোন পাইকারের কাছ থেকে কত পিস আনলেন, সেটা সাপ্লায়ার আর পারচেজ অর্ডারে থাকে, আর লাভ-ক্ষতি গোনা হয় শুধু ডেলিভারি হওয়া অর্ডার থেকে, ঠিক ওপরের হিসাবের মতো। সব ফিচার এখানে দেখে নিন, আর নিজের দোকানের সংখ্যা দিয়ে একবার মিলিয়ে নিতে পারেন (প্রথম মাস মাত্র ৯৯ টাকা, তারপর রেগুলার দাম)।

সাধারণ প্রশ্ন

অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা শুরু করতে কত টাকা লাগে?

পিসপ্রতি ৭০০ টাকা কেনা দাম ধরলে ৬টা ডিজাইনের ৩০ পিস, প্যাকেট, দুই সপ্তাহের অ্যাড আর চলতি ডিজাইন আবার আনার টাকা মিলিয়ে উদাহরণে ৫০ হাজার টাকার মতো লাগে। কম টাকায় শুরু করতে চাইলে ৪টা ডিজাইনের ৪ পিস করে নিন। যত টাকাই থাকুক, একটা অংশ আবার স্টক আনার জন্য আলাদা রাখুন।

থ্রি-পিসের ব্যবসা কি ঘরে বসে করা যায়?

হ্যাঁ, অনেক সেলার বাসা থেকেই করেন, কারণ থ্রি-পিস রাখতে বেশি জায়গা লাগে না আর পার্সেল হালকা হয়। স্টক কিনতে মাসে এক-দুইবার পাইকারি বাজারে যেতে হয়, অথবা চেনা পাইকারের কাছ থেকে ছবি দেখে আনাতে হয়। ছবি, পোস্ট, অর্ডার আর প্যাকেটের কাজ ঘরেই হয়।

থ্রি-পিস বিক্রি করে পিসপ্রতি কত লাভ থাকে?

এই লেখার উদাহরণে ডেলিভারি হওয়া প্রতিটা পার্সেলে প্রায় ১৩৭ টাকা লাভ থেকেছে, যদিও কেনা আর বেচার ফারাক ছিল ৫৫০ টাকা। বাকিটা গেছে অ্যাড, ফেরত পার্সেল, এক্সচেঞ্জ আর প্যাকেটে। আপনার লাভ কত হবে সেটা ঠিক করে আপনার অ্যাড খরচ আর কয়টা পার্সেল ফেরত আসে, তাই নিজের সংখ্যা বসিয়ে একবার কষে দেখুন।

কাস্টমার কাপড় ফেরত দিলে কুরিয়ার চার্জ কে দেয়?

দরজা থেকে পার্সেল ফেরত এলে চার্জটা সেলারকেই দিতে হয়, কুরিয়ার সাধারণত আপনার অন্য পার্সেলের টাকা থেকে কেটে নেয়। অক্টোবর ২০২৬-এ Pathao-র কুরিয়ার পেজে লেখা, ঢাকার বাইরের ফেরতে ডেলিভারি চার্জের সাথে আরও ৫০% রিটার্ন চার্জ যোগ হয়। এক্সচেঞ্জের চার্জ কে দেবে, সেটা আপনার নিজের নিয়ম, তাই পেজে আগে থেকে লিখে রাখুন।

ফেসবুকে কাপড় বিক্রি করতে কি ট্রেড লাইসেন্স লাগে?

শুধু ট্রেড লাইসেন্সই লাগবে এমন না। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা ২০২১-এ বলা আছে, ট্রেড লাইসেন্স, VAT রেজিস্ট্রেশন, TIN, UBID বা PRA, এর মধ্যে যেটা আপনার জন্য খাটে সেটা নিয়ে পেজে দেখাতে হবে। আপনার জন্য কোনটা সহজ, সেটা নিজের এলাকার অফিসে জেনে নিন।

কাস্টমার পার্সেল খুলে দেখে টাকা দিতে চাইলে কী করব?

এটা কুরিয়ারভেদে আলাদা, তাই নিজের কুরিয়ারের সাথে কথা বলে জেনে নিন ডেলিভারিম্যান পার্সেল খুলে দেখতে দেবেন কি না। দেখতে না দিলে সেটা অর্ডার কনফার্মের ফোনেই কাস্টমারকে বলে দিন। সাথে বলুন যে ৩ দিনের মধ্যে রং বা সাইজ বদলে দেবেন, তাহলে কাস্টমার ভরসা করে পার্সেল রাখেন।

#কাপড়ের ব্যবসা#থ্রি-পিস#অনলাইন ব্যবসা#সাইজ চার্ট#এক্সচেঞ্জ#ক্যাশ অন ডেলিভারি

আরও পড়ুন

খেলনা ব্যবসার আইডিয়া, কোন খেলনা অনলাইনে চলে আর নিরাপত্তার নিয়ম

বাচ্চাদের খেলনা অনলাইনে বেচতে চাইলে কোন খেলনা চলে, চকবাজার থেকে প্রথম লট কীভাবে নেবেন, ২০২৬ সালে BSTI-র তালিকায় খেলনা আসার মানে কী, ব্যাটারির খেলনা চালিয়ে দেখা, মাপ বোঝানো ছবি আর না ভাঙার প্যাকিং, একটা লটের টাকার হিসাবসহ।

·১২ মিনিটে পড়া যায়

থ্রিফট শপিং কি? পুরনো বিদেশি জ্যাকেট-শার্টের থ্রিফট ব্যবসার নিয়ম

থ্রিফট শপিং কি, মাল কোথা থেকে আসে আর পুরনো কাপড় আমদানির নিয়ম কী বলে, গাইট খুলে বাছাই, ধোয়া আর ছবি, কন্ডিশন সত্যি করে লেখা, আর একটা গাইট থেকে এক পিসের দাম কীভাবে বের করবেন, হিসাবসহ।

·১২ মিনিটে পড়া যায়

অনলাইনে শাড়ির ব্যবসা, তাঁতের শাড়ি থেকে প্রথম লট, ছবি আর ফেরত

অনলাইনে শাড়ির ব্যবসা শুরু করবেন? কোন শাড়ি চলে, টাঙ্গাইলের হাট আর পাইকার, BSTI-র ২০২৬ সালের নতুন শাড়ির নিয়ম, মডেল ছাড়া শাড়ির ছবি, মাপ আর যত্নের কথা লেখা, আর একটা লটে কত থাকে, হিসাবসহ।

·১২ মিনিটে পড়া যায়