WinningSeller
অর্ডার ও কুরিয়ার১৩ মিনিটে পড়া যায়

স্টেডফাস্ট মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট খোলার নিয়ম, প্রথম পার্সেল আর পেমেন্ট

Steadfast-এ মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট খুলতে কী লাগে, সাইন আপের পর bKash বা ব্যাংক কীভাবে অ্যাড করবেন, প্রথম পার্সেল এন্ট্রি আর পিকআপ রিকোয়েস্ট কীভাবে দেবেন, আর পেমেন্ট রিকোয়েস্ট দিলে টাকা কবে আসে, ধাপে ধাপে।

স্টেডফাস্ট মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট খোলার নিয়ম, প্রথম পার্সেল আর পেমেন্ট
এই লেখায় যা আছে
  1. স্টেডফাস্ট মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট খুলতে কী কী লাগে?
  2. ধাপ ১: সাইন আপ ফর্ম পূরণ আর কোড দিয়ে ভেরিফাই
  3. ধাপ ২: পেমেন্ট মেথড অ্যাড করুন, bKash না ব্যাংক?
  4. ধাপ ৩: পিকআপ ঠিকানা আর পিকআপ রিকোয়েস্ট
  5. ধাপ ৪: প্রথম পার্সেল এন্ট্রি দেবেন যেভাবে
  6. পেমেন্ট রিকোয়েস্ট কীভাবে করবেন, টাকা কবে আসে?
  7. Steadfast-এ চার্জ কত কাটে (ঢাকা, ঢাকার বাইরে, COD)?
  8. অ্যাকাউন্ট খোলার পর যে ভুলে পার্সেল আটকে যায়
    1. ঠিকানা আধা লেখা, বা নম্বরে একটা অঙ্ক ভুল
    2. বাতিলের রিকোয়েস্টে সাড়া না দেওয়া
    3. বিকেল ৪টার পরে পিকআপ রিকোয়েস্ট
    4. ওজন কম লেখা
    5. আগে ফেরত দেওয়া নম্বরে না দেখে পাঠানো
  9. কখন হাতে হাতে পার্সেল এন্ট্রি আর চলে না?

স্টেডফাস্ট মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট খুলতে steadfast.com.bd/register পেজে গিয়ে ব্যবসার নাম, নিজের নাম, মোবাইল নম্বর, ইমেইল, পিকআপ ঠিকানা আর একটা পাসওয়ার্ড দিতে হয়। ফোনে আর ইমেইলে দুটো কোড আসে, সেগুলো বসালেই অ্যাকাউন্ট তৈরি হয়ে যায়। এরপর Steadfast-এর টিম আপনার তথ্য ভেরিফাই করে অ্যাকাউন্ট চালু করে দেয়। চালু হলে প্যানেলে bKash বা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট অ্যাড করবেন, প্রথম পার্সেল এন্ট্রি দেবেন, তারপর পিকআপ রিকোয়েস্ট পাঠাবেন। পার্সেল ডেলিভারি হয়ে গেলে প্যানেল থেকে পেমেন্ট রিকোয়েস্ট দিলেই টাকা আপনার অ্যাকাউন্টে চলে আসে।

সাইন আপ ফর্ম পূরণ করতে দুই মিনিট লাগে বলে Steadfast নিজেই লিখেছে। কিন্তু ভেরিফাই করতে ওদের টিম কত দিন নেয়, সেটা কোথাও লেখা নেই। নিচে প্রতিটা ধাপ আলাদা করে লিখেছি, কোন ঘরে কী দেবেন আর কেন দেবেন সেটাসহ। সব তথ্য ২০২৬ সালের অক্টোবরে Steadfast-এর নিজের ওয়েবসাইট, রেট ক্যালকুলেটর আর টার্মস অ্যান্ড কন্ডিশনস দেখে লেখা। প্যানেলের ভেতরের মেনুর নাম মাঝে মাঝে চেঞ্জ হয়, তাই কোথাও নাম না মিললে স্ক্রিনে যা দেখছেন সেটাই ধরবেন।

স্টেডফাস্ট মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট খুলতে কী কী লাগে?

Steadfast-এর বিজনেস পেজে লেখা আছে, সাইন আপের জন্য লাগে ব্যবসার নাম, আপনার মোবাইল নম্বর, একটা ইমেইল অ্যাড্রেস আর পিকআপ ঠিকানা। টাকা নেওয়ার ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট পরে ড্যাশবোর্ড থেকে অ্যাড করতে হয়। মানে ফর্মটা খুব ছোট। কিন্তু পরের ধাপগুলোর জন্য কয়েকটা জিনিস আগে গুছিয়ে রাখলে মাঝপথে কাজ আটকাবে না।

সাইন আপে বসার আগে এগুলো হাতের কাছে রাখুন।

  • একটা মোবাইল নম্বর, যেটা সবসময় আপনার কাছে থাকে। এই নম্বরে কোড আসবে, আর পরে রাইডার আর সাপোর্ট টিম এই নম্বরেই ফোন দেবে। দোকানের কর্মচারীর নম্বর দিলে জরুরি ফোনটা আপনার কাছে পৌঁছাবে না।
  • একটা ইমেইল অ্যাড্রেস, যেটা আপনি নিজে খুলতে পারেন। ইমেইলেও একটা কোড আসে। Steadfast-এর সাইন আপ পেজে লেখা আছে, পরে মোবাইল নম্বর বা এই ইমেইল দিয়ে লগইন করা যায়।
  • পুরো পিকআপ ঠিকানা, এলাকার নাম আর চেনার মতো একটা জায়গাসহ। রাইডার এই ঠিকানাতেই পার্সেল নিতে আসবেন।
  • bKash, Nagad, Rocket নম্বর অথবা ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য। নিজের নামের অ্যাকাউন্ট দিন, যাতে কোনো দিন টাকা নিয়ে ঝামেলা হলে প্রমাণ দেখানো সহজ হয়।
  • NID-র ছবি, আর থাকলে ট্রেড লাইসেন্স। Steadfast-এর টার্মসে লেখা আছে, অ্যাকাউন্ট চালুর আগে ভেরিফিকেশনে ফোন কল, কাগজ জমা আর ব্যবসার ঠিকানা মিলিয়ে দেখা হতে পারে। কোন কাগজ চাইবে সেটা ওরা নির্দিষ্ট করে লেখেনি, তাই এই দুটো রেডি রাখা ভালো।

সাইন আপের জন্য ওদের ওয়েবসাইটে যা যা চাওয়া হয়েছে, তার মধ্যে ট্রেড লাইসেন্স নেই। তাই লাইসেন্স না থাকলেও সাইন আপ আটকাবে না। তবে ভেরিফিকেশনের সময় চাইলে দিতে হবে, আর পরে bKash মার্চেন্ট বা ব্যাংকের কাজেও লাইসেন্স লাগে। ব্যবসা নিয়মিত চললে এটা করে ফেলাই ভালো।

ধাপ ১: সাইন আপ ফর্ম পূরণ আর কোড দিয়ে ভেরিফাই

steadfast.com.bd-এর হোমপেজে "Become a merchant" বাটনে চাপ দিলে সাইন আপ ফর্ম খোলে। ফর্মে Business name, Your name, Mobile number, Email address, Pickup address আর Password চাওয়া হয়। মোবাইলের কোড SMS-এ নেবেন নাকি WhatsApp-এ, সেটা ফর্মেই সিলেক্ট করা যায়।

Business name-এর ঘরে আপনার পেজ বা দোকানের নামটাই দিন, যে নামে কাস্টমার আপনাকে চেনেন। কারণটা সহজ। কুরিয়ারের মেসেজে চেনা দোকানের নাম দেখলে কাস্টমার বুঝতে পারেন এটা তাঁর নিজের অর্ডার, আর পার্সেলটা ধরতে দ্বিধা করেন না। পেজে এক নাম আর কুরিয়ারে আরেক নাম থাকলে নিজের হিসাব মেলাতেও গোলমাল লাগে।

পাসওয়ার্ড কমপক্ষে ৮ অক্ষরের হতে হবে, তাতে বড় হাতের অক্ষর, ছোট হাতের অক্ষর আর একটা সংখ্যা থাকা লাগবে। এই নিয়মটা ফর্মের নিচেই লেখা আছে। এই প্যানেলে আপনার বিক্রির টাকা জমা থাকে, তাই ফেসবুকের পাসওয়ার্ডটাই আবার এখানে দেবেন না।

Continue চাপার পরে দুটো কোড আসে। মোবাইলে আসে ৬ অঙ্কের একটা কোড, আর ইমেইলে আসে আরেকটা। Steadfast-এর সাইন আপ পেজে লেখা আছে, দুটো কোড বসালেই অ্যাকাউন্ট তৈরি হয়ে যায়। ইমেইলের কোড না পেলে স্প্যাম ফোল্ডারটা দেখুন, অনেক সময় ওখানেই পড়ে থাকে।

মার্চেন্ট সাইন আপ ফর্মের সহজ নকশা, Business name, Mobile number, Email address, Pickup address আর Password ঘরে নম্বর দেওয়া, ডানে প্রতিটা ঘরে কী দেবেন আর সাইন আপের পরের ধাপ
সাইন আপের আগে নম্বর, ইমেইল আর পিকআপ ঠিকানা হাতের কাছে রাখলে কাজ কয়েক মিনিটেই শেষ হয়

অ্যাকাউন্ট তৈরি হলেই যে পুরোপুরি চালু হয়ে গেল, তা না। Steadfast-এর টার্মসে লেখা আছে, ওদের টিম আপনার দেওয়া তথ্য রিভিউ করে, দরকার হলে ফোন দেয় বা কাগজ চায়, তারপর অ্যাকাউন্ট চালু করে ইমেইলে বা ফোনে জানায়। এই কয়েকদিন অচেনা নম্বর থেকে ফোন এলে ধরবেন। ফোন না ধরলে ভেরিফিকেশন পিছিয়ে যায়, আর সাথে আপনার প্রথম পিকআপও পিছিয়ে যায়।

ধাপ ২: পেমেন্ট মেথড অ্যাড করুন, bKash না ব্যাংক?

অ্যাকাউন্ট চালু হলে প্রথম কাজ হলো ঠিক করা যে টাকা কোথায় নেবেন। Steadfast-এর বিজনেস পেজে লেখা আছে, পেআউটের জন্য ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট ড্যাশবোর্ড থেকে অ্যাড করতে হয়। প্যানেলে পেমেন্ট বা পেআউটের সেটিংস যেখানে পাবেন, সেখানে নম্বর বা অ্যাকাউন্টের তথ্য বসিয়ে সেভ করে দিন।

ওদের টার্মসে টাকা নেওয়ার তিন রকম অপশনের কথা লেখা আছে। সেগুলো হলো ব্যাংক ট্রান্সফার, bKash, Nagad বা Rocket-এর মতো মোবাইল ওয়ালেট, আর ক্যাশ। ক্যাশ নিতে চাইলে হেড অফিস বা কিছু নির্দিষ্ট হাবে যেতে হয়। ব্যাংকে নিলে রিকোয়েস্ট করে সপ্তাহের একটা নির্দিষ্ট দিনে পেমেন্ট নেওয়ার শিডিউলও করা যায়।

কোনটা নেবেন, সেটা নির্ভর করে টাকাটা পরে কোথায় খরচ করবেন তার ওপর। আপনার পাইকার যদি bKash-এ টাকা নেন, আর অ্যাডের টাকাও মোবাইল থেকে দেন, তাহলে bKash-এ নিলে টাকা এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় সরাতে সময় যায় না। ক্যাশ আউট করলে চার্জ কাটে, তাই যে টাকা নগদে লাগবে না সেটা bKash-এ রেখেই পেমেন্ট করে দিন।

ব্যাংক ভালো তখন, যখন টাকার অঙ্ক বড় আর আপনি পরিষ্কার হিসাব রাখতে চান। ব্যাংকের স্টেটমেন্টে প্রতিটা পেআউট আলাদা লাইনে থাকে, আর পরে ব্যাংক লোন নিতে গেলে এই স্টেটমেন্টই আপনার বিক্রির প্রমাণ হয়। তবে শুক্র আর শনিবার ব্যাংক বন্ধ থাকে, তাই বৃহস্পতিবার বিকেলে রিকোয়েস্ট দিলে টাকা রবিবারে গিয়ে পৌঁছাতে পারে।

যে নম্বরই দিন, চেষ্টা করুন সেটা যেন ব্যবসার আলাদা নম্বর হয়। সংসারের bKash-এ কুরিয়ারের টাকা এলে মাস শেষে বোঝা যায় না কোনটা স্টকের টাকা আর কোনটা বাজারের। কুরিয়ারের টাকা আসতে কত দিন লাগে আর এই ফাঁকে হাতে কত টাকা রাখতে হয়, সেটা বিস্তারিত হিসাব করে দেখানো আছে ক্যাশ অন ডেলিভারির ক্যাশ ফ্লো নিয়ে লেখায়।

ধাপ ৩: পিকআপ ঠিকানা আর পিকআপ রিকোয়েস্ট

সাইন আপের সময় যে পিকআপ ঠিকানা দিয়েছেন, রাইডার সেখানেই আসবেন। তাই ঠিকানায় শুধু "মিরপুর ১০" লিখে ছেড়ে দেবেন না। বাসা বা দোকানের নম্বর, রোড, কত তলা আর কাছের একটা চেনা জায়গার নাম লিখে দিন। রাইডার ঠিকানা খুঁজে না পেলে বারবার ফোন দেবেন, আর সেদিনের পিকআপ ফসকে যেতে পারে।

Steadfast-এর টার্মসে লেখা আছে, সাধারণ ডেলিভারির জন্য পিকআপ রিকোয়েস্ট বিকেল ৪টার মধ্যে মার্চেন্ট প্যানেল থেকে পাঠাতে হয়। দিনে কতবার পিকআপ চাইবেন, তার কোনো সীমা নেই বলেও ওরা লিখেছে। ওদের হোমপেজে আরও লেখা আছে, ঢাকায় রাইডার একই দিনে আসেন আর ঢাকার বাইরে পরের দিন সকালে, আর আসার আগে ফোন দেন।

এখান থেকে নিজের জন্য একটা সহজ নিয়ম বানিয়ে নিন। সকালের অর্ডারগুলো দুপুরের মধ্যে কনফার্ম করে প্যাক করে ফেলুন, আর ৪টার অনেক আগেই পিকআপ রিকোয়েস্ট দিয়ে দিন। ৪টার পরে দিলে পার্সেল পরের দিন যায়, ফলে ঢাকার বাইরের কাস্টমারের কাছে পৌঁছাতে আরও একদিন দেরি হয়। COD অর্ডারে যত দিন দেরি হয়, কাস্টমারের মন বদলানোর সুযোগ তত বাড়ে।

একই দিনে ডেলিভারি চাইলে নিয়ম আরও কড়া। টার্মস অনুযায়ী Same-Day Delivery শুধু ঢাকা মেট্রো আর চট্টগ্রাম মেট্রোর ভেতরে পাওয়া যায়, আর এর জন্য পিকআপ রিকোয়েস্ট আর পার্সেল এন্ট্রি দুটোই সকাল ১১টার আগে দিতে হয়।

একজন পুরুষ কুরিয়ার রাইডার একটা দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে মোবাইল দিয়ে পার্সেলের লেবেল স্ক্যান করছেন, আর দোকানের তরুণ ছেলে মালিক পার্সেলগুলো এগিয়ে দিচ্ছেন
পিকআপের সময় রাইডার প্রতিটা পার্সেল স্ক্যান করেন, সেই মুহূর্ত থেকে প্যানেলে পার্সেলটা দেখা যায়

ধাপ ৪: প্রথম পার্সেল এন্ট্রি দেবেন যেভাবে

পার্সেল এন্ট্রি মানে প্যানেলে একটা পার্সেলের তথ্য লিখে কুরিয়ারের সিস্টেমে তোলা। প্রতিটা পার্সেলের জন্য লাগবে কাস্টমারের নাম, মোবাইল নম্বর, পুরো ঠিকানা আর কাস্টমারের কাছ থেকে কত টাকা নিতে হবে সেটা। সাথে নিজের একটা ইনভয়েস বা অর্ডার নম্বর আর দরকার হলে একটা নোট দেওয়া যায়। প্যানেলের ভার্সন অনুযায়ী ঘরগুলোর নাম একটু আলাদা দেখাতে পারে।

সবচেয়ে বেশি ভুল হয় টাকার ঘরে। এখানে লিখবেন কাস্টমার দরজায় মোট যত টাকা দেবেন, ডেলিভারি চার্জসহ। Steadfast-এর টার্মসে লেখা আছে, কাস্টমারকে পোর্টালে দেখানো টাকাটাই দিতে হয়, আর সেটা চেঞ্জ করতে হলে মার্চেন্টের অনুমোদন লাগে। তাই আপনি ১০০ টাকা কম লিখলে রাইডারও ১০০ টাকা কম তুলবেন, আর সেই টাকাটা আপনার লোকসান।

কাস্টমার আগেই পুরো টাকা দিয়ে দিলে টাকার ঘরে ০ লিখবেন। Steadfast তখন পার্সেলটাকে Non-COD ধরে, আর কাস্টমারের ফোনে একটা OTP পাঠায়। কাস্টমার রাইডারকে সেই কোড বললে তবেই পার্সেলটা ডেলিভারি হয়, তাই অগ্রিম দেওয়া কাস্টমারকে আগেভাগে বলে রাখুন যে একটা কোড আসবে। শুধু ডেলিভারি চার্জ অগ্রিম নিলে কত লিখবেন, আর ফোনে ছাড় দিলে প্যানেলে কী চেঞ্জ করবেন, সেটা উদাহরণসহ আছে প্যানেলে COD-র টাকা কত লিখবেন, সেই লেখায়।

এন্ট্রি দিলে প্রতিটা পার্সেলের একটা কনসাইনমেন্ট আইডি তৈরি হয়। টার্মসে লেখা আছে, প্রতিটা পার্সেলে একটা ঠিকঠাক SFC কনসাইনমেন্ট আইডি থাকতে হবে, যাতে ভেতরে কী আছে আর দাম কত সেটা বোঝা যায়। প্যানেল থেকে লেবেল বা আইডি নিয়ে পার্সেলের গায়ে লাগিয়ে দিন। হাতে লেখা ঠিকানার ওপর ভরসা করবেন না, কারণ ঝাপসা একটা অঙ্কেই পার্সেল ভুল জায়গায় চলে যায়।

প্যাকিংয়েও খেয়াল রাখুন। টার্মস অনুযায়ী ঠিকমতো প্যাক না করার কারণে কিছু ভাঙলে বা নষ্ট হলে Steadfast দায় নেয় না। ওরা CCTV-র সামনে প্যাক করার কথাও লিখেছে। ফোনটা স্ট্যান্ডে রেখে প্যাক করার সময় একটা ভিডিও করে রাখলেই চলে, পরে কোনো অভিযোগ এলে এই ভিডিওটাই আপনার প্রমাণ।

পেমেন্ট রিকোয়েস্ট কীভাবে করবেন, টাকা কবে আসে?

Steadfast-এ বিক্রির টাকা তুলতে আপনাকে রিকোয়েস্ট দিতে হয়, টাকা নিজে থেকে চলে আসে না। ওদের টার্মসে স্পষ্ট লেখা আছে, পেমেন্টের রিকোয়েস্ট শুধু মার্চেন্টই প্যানেল থেকে দিতে পারেন। বিজনেস পেজে লেখা আছে, পার্সেল ডেলিভারি হয়ে গেলে ড্যাশবোর্ড থেকে পেআউট রিকোয়েস্ট দেওয়া যায়, আর ড্যাশবোর্ড প্রতিটা পার্সেল লাইন ধরে হিসাব মিলিয়ে দেয়।

কাজটা এভাবে করবেন। প্যানেলে লগইন করে পেমেন্ট বা পেআউটের অংশে যান, সেখানে দেখবেন কত টাকা তোলার মতো জমেছে। এই টাকা হলো ডেলিভারি হওয়া পার্সেলের টাকা, তার থেকে ডেলিভারি চার্জ আর COD চার্জ বাদ দিয়ে যা থাকে। রিকোয়েস্ট পাঠানোর আগে পার্সেলের লিস্টটা একবার দেখে নিন, কোন কোন অর্ডারের টাকা এতে ধরা আছে।

টাকা কবে আসে, সেটা নিয়ে Steadfast-এর হোমপেজে লেখা আছে "Payout the next day", মানে পরের দিন পেআউট। মাঝে শুক্রবার, সরকারি ছুটি বা ব্যাংক বন্ধের দিন পড়লে বাস্তবে একটু বেশি সময় লাগতে পারে। অর্ডার নেওয়া থেকে টাকা হাতে আসা পর্যন্ত পুরো অপেক্ষার হিসাব ধাপ ২-এ দেওয়া ক্যাশ ফ্লোর লেখাতে করা আছে, তাই এখানে আর লিখছি না।

একটা অভ্যাস করে ফেলুন। প্রতিদিন সকালে চায়ের সাথে প্যানেল খুলে রিকোয়েস্টটা দিয়ে দিন। সপ্তাহে একবার দিলে প্রতিটা পার্সেলের টাকা গড়ে আরও তিন দিনের মতো কুরিয়ারের কাছে পড়ে থাকে। ছোট ব্যবসায় ওই কয়েক দিনের টাকা দিয়েই পরের সপ্তাহের স্টক কেনা হয়।

টাকা আসার পরে সপ্তাহে একবার কুরিয়ারের হিসাবের সাথে নিজের অর্ডারের লিস্ট মিলিয়ে দেখুন। দেখবেন কোন পার্সেলের টাকা এসেছে আর কোনটার আসেনি, আর কোথাও চার্জ বেশি কেটেছে কিনা। Steadfast-এর বিজনেস পেজে লেখা আছে, ডেলিভারি, ফেরত আর COD-র মাসিক রিপোর্ট শিট হিসেবে ডাউনলোড করা যায়। এই শিট পাশে রাখলে মেলানো অনেক সহজ হয়।

Steadfast-এ চার্জ কত কাটে (ঢাকা, ঢাকার বাইরে, COD)?

নিচের রেটগুলো ২০২৬ সালের অক্টোবরে steadfast.com.bd-এর রেট ক্যালকুলেটর থেকে নেওয়া, সাধারণ পার্সেল আর হোম ডেলিভারির জন্য। ক্যালকুলেটরের নিচেই লেখা আছে, এই চার্জে VAT আর ট্যাক্স ধরা নেই, আর পার্সেলের আকার অনুযায়ী চার্জ চেঞ্জ হতে পারে। যাঁদের সাথে Steadfast-এর আলাদা চুক্তির রেট আছে, তাঁদের বিল সেই রেটেই হয়।

পার্সেল কোথায় যাবে আধা কেজি ১ কেজি
ঢাকা সিটির ভেতরে ৬৫ টাকা ৭৫ টাকা
ঢাকা সিটি থেকে ঢাকার সাব-আর্বান এলাকায় ১০৫ টাকা ১০৫ টাকা
ঢাকা থেকে অন্য জেলায় (যেমন রংপুর) ১১৫ টাকা ১৩৫ টাকা
একই জেলার ভেতরে (যেমন রংপুর থেকে রংপুর) ৬০ টাকা ৬০ টাকা

১ কেজির পরে প্রতি কেজিতে ২০ টাকা করে যোগ হয়, আর কাস্টমার বাসায় না নিয়ে কাছের Steadfast পয়েন্ট থেকে নিজে তুললে চার্জ ১৫ টাকা কম দেখায়। এর ওপর আছে COD চার্জ। Steadfast-এর টার্মসে লেখা আছে, কাস্টমারের কাছ থেকে তোলা টাকা থেকে ডেলিভারি চার্জ বাদ দিয়ে বাকিটার ওপর ১% "Cash Handling & Risk Management" চার্জ কাটা হয়।

একটা উদাহরণে দেখি আপনার হাতে আসলে কত আসে। ঢাকা থেকে রংপুরে ১ কেজির একটা পার্সেলে কাস্টমার মোট ১,২০০ টাকা দিলেন। ১৩৫ টাকা ডেলিভারি চার্জ বাদ দিলে থাকে ১,০৬৫ টাকা, তার ১% মানে প্রায় ১১ টাকা COD চার্জ। ক্যালকুলেটরও ঠিক এটাই দেখায়, আপনার হাতে আসে ১,০৫৪ টাকা। তাই প্রোডাক্টের দাম ঠিক করার সময় এই ১৪৬ টাকা আগেই হিসাবে ধরে রাখবেন।

ফেরত পার্সেলের বেলায় একটা কথা জানা দরকার। টার্মসে লেখা আছে, পার্সেল ডেলিভারি হোক বা বাতিল, হ্যান্ডওভার করা প্রতিটা পার্সেলের ডেলিভারি চার্জ মার্চেন্টকে দিতে হয়, আর ফেরতের জন্য আলাদা চার্জ নেই। কিন্তু ওদের বিজনেস পেজের প্রশ্নোত্তরে লেখা আছে, রিটার্ন চার্জ আলাদা করে লাগে। দুই জায়গার কথা মিলছে না, তাই প্রথম ফেরত পার্সেলের পরে প্যানেলে কী কাটল নিজে দেখে নিন। Pathao আর RedX-এর রেটের সাথে পাশাপাশি রেখে হিসাব করতে চাইলে কোন কুরিয়ার ভালো, সেই তুলনাটা দেখুন।

অ্যাকাউন্ট খোলার পর যে ভুলে পার্সেল আটকে যায়

ঠিকানা আধা লেখা, বা নম্বরে একটা অঙ্ক ভুল

রাইডার কাস্টমারকে ফোনে না পেলে বা ঠিকানা খুঁজে না পেলে পার্সেল হাবে ফিরে যায়। পরে ঠিকানা চেঞ্জ করতে গেলে খরচ আছে। Steadfast-এর টার্মসে লেখা আছে, পার্সেল গন্তব্যে পৌঁছানোর পরে ঠিকানা চেঞ্জ করলে নতুন জায়গার জন্য আবার পুরো চার্জ লাগে। তাই এন্ট্রি দেওয়ার আগে কাস্টমারকে ফোন দিয়ে নম্বর আর ঠিকানাটা একবার মিলিয়ে নিন।

বাতিলের রিকোয়েস্টে সাড়া না দেওয়া

কাস্টমার পার্সেল নিতে না চাইলে Steadfast আপনার সাথে কথা বলে প্যানেলে বাতিলের রিকোয়েস্ট দেয়। টার্মস অনুযায়ী আপনি সেটা অ্যাপ্রুভ করার পরেই পার্সেল আপনার কাছে ফেরত রওনা দেয়। প্যানেল না দেখলে এই রিকোয়েস্ট পড়ে থাকে, আর আপনার প্রোডাক্ট ততদিন রাস্তায় আটকে থাকে, যেটা অন্য কাস্টমারের কাছে বেচা যেত। কাস্টমার পুরো পার্সেলের বদলে কয়েকটা জিনিস রাখলে Partially Delivered দেখাতেও আপনার অনুমোদন লাগে।

বিকেল ৪টার পরে পিকআপ রিকোয়েস্ট

রিকোয়েস্ট দেরিতে দিলে পার্সেল পরের দিন রওনা দেয়। সেলারদের অভিজ্ঞতায় দেখা যায়, একদিন দেরি হলে ঢাকার বাইরের অনেক কাস্টমার অন্য পেজ থেকে কিনে ফেলেন, তারপর দরজায় আপনার পার্সেল ফেরত দেন। আর এই ফেরতের খরচ পুরোটাই আপনার ঘাড়ে পড়ে।

ওজন কম লেখা

প্যাকেটসহ ওজন লিখবেন। Steadfast-এর ক্যালকুলেটরে লেখা আছে, ওজনের মধ্যে প্যাকেজিংও ধরতে হবে। কম ওজন লিখলে পরে চার্জ বেড়ে যেতে পারে, আর মাস শেষে আপনার হিসাবের সাথে কুরিয়ারের হিসাব মেলে না।

আগে ফেরত দেওয়া নম্বরে না দেখে পাঠানো

যে নম্বর আগে কয়েকবার পার্সেল ফেরত দিয়েছে, সেখানে আবার পাঠালে আবার ফেরত আসার সম্ভাবনাই বেশি। Steadfast-এর বিজনেস পেজে লেখা আছে, প্যানেলে নম্বর দিয়ে দেখা যায় ওই কাস্টমার কতগুলো পার্সেল নিয়েছেন আর কতগুলো ফেরত দিয়েছেন। নতুন কাস্টমারের পার্সেল এন্ট্রি দেওয়ার আগে এটা একবার দেখে নিন। কয়েকটা ফেরত থাকলে অন্তত ডেলিভারি চার্জটা অগ্রিম চেয়ে নিন। যে কাস্টমার সত্যিই প্রোডাক্টটা চান, তিনি সাধারণত এতে রাজি হয়ে যান।

কখন হাতে হাতে পার্সেল এন্ট্রি আর চলে না?

শুরুর দিকে দিনে ৫ থেকে ১০টা অর্ডার হলে হাতে এন্ট্রি দেওয়াই ঠিক আছে। এতে প্যানেলটা ভালো করে চেনা হয়, আর প্রতিটা ঘরের মানে বোঝা যায়। সমস্যা শুরু হয় অর্ডার বাড়লে, কারণ একই তথ্য তখন দুইবার লিখতে হয়। প্রথমে ইনবক্স থেকে খাতায় বা শিটে লেখেন, তারপর সেটাই আবার Steadfast-এর প্যানেলে বসান।

একটা উদাহরণে হিসাবটা দেখি। এই সময়গুলো আন্দাজ, মাপা না। ধরুন একটা পার্সেলের নাম, নম্বর, ঠিকানা আর টাকা কপি করে প্যানেলে বসাতে ২ থেকে ৩ মিনিট লাগে। দিনে ৩০টা অর্ডার হলে শুধু এন্ট্রিতেই চলে যায় এক থেকে দেড় ঘণ্টা। তার ওপর প্রতিবার কপি করার সময় নম্বরের একটা অঙ্ক বা টাকার একটা শূন্য ভুল হওয়ার সুযোগ থাকে, আর একটা ভুলের দাম একটা ফেরত পার্সেল।

এখানে একটা সহজ নিয়ম ধরে নিতে পারেন। দিনে ১৫ থেকে ২০টার বেশি অর্ডার হলে, অথবা সপ্তাহে দুইবারের বেশি এন্ট্রির ভুলে পার্সেল ফেরত এলে, হাতে এন্ট্রি বন্ধ করার সময় হয়েছে। এর জন্য তিনটা রাস্তা আছে। প্রথমটা Steadfast-এর নিজের বাল্ক আপলোড। ওদের বিজনেস পেজে লেখা আছে, একটা স্প্রেডশিটে ৫০০টা পর্যন্ত অর্ডার তোলা যায়, আর প্রতিটা লাইনের জন্য একটা আইডি আর ট্র্যাকিং লিংক ফিরে আসে। দ্বিতীয়টা ওদের API আর প্লাগইন, যেটা দিয়ে নিজের ওয়েবসাইট থেকে সরাসরি অর্ডার পাঠানো যায়।

তৃতীয় রাস্তা হলো এমন একটা অর্ডার সিস্টেম, যেখানে অর্ডার একবার ঢুকলে সেখান থেকেই কুরিয়ারে চলে যায়। WinningSeller-এ Steadfast, Pathao, RedX, Paperfly, Carrybee আর eCourier, এই ছয়টা কুরিয়ার কানেক্ট করা যায়। Steadfast প্যানেলের API অংশ থেকে API Key আর Secret Key এনে একবার বসালে কনফার্ম করা অর্ডার এক ক্লিকে পার্সেল হয়ে যায়। অনেকগুলো অর্ডার একসাথে পাঠানো যায়, আর পার্সেলের স্ট্যাটাস নিজে থেকেই আপডেট হয়। নম্বর দিয়ে ফ্রড চেকও অর্ডারের পাশেই দেখা যায়। নিজের কয়েকটা অর্ডার দিয়ে আগে দেখে নিতে পারেন (প্রথম মাস মাত্র ৯৯ টাকা, তারপর রেগুলার দাম)।

এই পরামর্শ সবার জন্য না। আপনি যদি সপ্তাহে ১০-১৫টা পার্সেল পাঠান, তাহলে Steadfast-এর প্যানেল বা মোবাইল অ্যাপই যথেষ্ট, আলাদা কিছু লাগবে না। আজকের কাজ হলো অ্যাকাউন্টটা খুলে ফেলা, পেমেন্ট মেথড অ্যাড করা আর প্রথম পার্সেলটা ৪টার আগে পিকআপে দেওয়া। বাকিটা অর্ডার বাড়লে দেখবেন।

সাধারণ প্রশ্ন

স্টেডফাস্ট মার্চেন্ট একাউন্ট খুলতে কি ট্রেড লাইসেন্স লাগে?

Steadfast-এর বিজনেস পেজে সাইন আপের জন্য চাওয়া হয়েছে ব্যবসার নাম, মোবাইল নম্বর, ইমেইল অ্যাড্রেস আর পিকআপ ঠিকানা, ট্রেড লাইসেন্সের কথা সেখানে নেই। তবে ওদের টার্মসে লেখা আছে, অ্যাকাউন্ট চালুর আগে ভেরিফিকেশনের সময় ফোন আসতে পারে আর কাগজ চাইতে পারে। তাই NID-র ছবি আর থাকলে ট্রেড লাইসেন্স হাতের কাছে রাখুন।

স্টেডফাস্ট মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট খুলতে কত টাকা লাগে?

২০২৬ সালের অক্টোবরে Steadfast-এর সাইন আপ ফর্মে বা বিজনেস পেজে কোনো সাইন আপ ফি-র কথা লেখা নেই। খরচটা আসে প্রতিটা পার্সেলের ডেলিভারি চার্জ আর ১% COD চার্জ থেকে। এই চার্জ কুরিয়ার আপনার বিক্রির টাকা থেকেই কেটে রাখে।

Steadfast-এ পেমেন্ট রিকোয়েস্ট দেওয়ার পর টাকা কবে আসে?

Steadfast-এর হোমপেজে লেখা আছে ওরা পরের দিন পেআউট দেয়। তবে রিকোয়েস্টটা আপনাকেই প্যানেল থেকে দিতে হয়, আর শুধু ডেলিভারি হওয়া পার্সেলের টাকাই তাতে আসে। মাঝে শুক্রবার, সরকারি ছুটি বা ব্যাংক বন্ধের দিন পড়লে এক-দুই দিন বেশি লাগতে পারে।

Steadfast কি রিটার্ন চার্জ নেয়?

বাতিল হয়ে ফেরত আসা পার্সেলেও যাওয়ার ডেলিভারি চার্জটা আপনাকে দিতে হয়, এটা Steadfast-এর টার্মস অ্যান্ড কন্ডিশনসে লেখা। এর ওপরে আলাদা রিটার্ন চার্জ আছে কিনা, সেটা নিয়ে ওদের সাইটেই দুই কথা। ২০২৬ সালের অক্টোবরে টার্মসে লেখা আছে ফেরত পার্সেলের জন্য তারা চার্জ নেয় না, কিন্তু বিজনেস পেজের প্রশ্নোত্তরে লেখা রিটার্ন চার্জ আলাদা। তাই প্রথম ফেরত পার্সেলের পরে প্যানেলের হিসাবে কী কাটল দেখে নিন, আর দরকার হলে হটলাইনে জিজ্ঞেস করুন।

মোবাইল দিয়ে কি স্টেডফাস্ট মার্চেন্ট প্যানেল চালানো যায়?

হ্যাঁ, যায়। Steadfast-এর মার্চেন্ট অ্যাপ Google Play আর App Store দুই জায়গাতেই আছে। ওদের বিজনেস পেজে লেখা আছে, অ্যাপ থেকে অর্ডার, পিকআপ, ফ্রড চেক আর পেআউট সবই চালানো যায়।

Steadfast-এর হেল্পলাইন নম্বর কত?

Steadfast-এর ওয়েবসাইটে হটলাইন নম্বর দেওয়া আছে 09678-045045, আর ইমেইল info@steadfast.com.bd। মার্চেন্ট হলে ড্যাশবোর্ড থেকে সাপোর্ট টিকেট খুলতে বলেছে ওরা, তাহলে টিম আপনার অ্যাকাউন্ট আর পার্সেল দেখে উত্তর দিতে পারে।

#Steadfast#স্টেডফাস্ট মার্চেন্ট একাউন্ট#কুরিয়ার#পেমেন্ট রিকোয়েস্ট#পার্সেল এন্ট্রি#ক্যাশ অন ডেলিভারি

আরও পড়ুন

হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল না গ্রুপ? পুরনো কাস্টমারকে নতুন মালের খবর দিন

নতুন কালেকশনের খবর পুরনো কাস্টমারকে দিতে চান, কিন্তু চ্যানেল খুলবেন, গ্রুপ, না স্ট্যাটাস? কে কার নম্বর দেখে, কে উত্তর দিতে পারে, চ্যানেল খোলার ধাপ, কী পোস্ট দেবেন, গ্রুপের নিয়ম আর ঝুঁকি, আর এক মাসে কোনটায় কত সময় যায়, হিসাবসহ।

·১১ মিনিটে পড়া যায়

শার্ট, প্যান্ট আর টি-শার্টের সাইজ চার্ট বানাবেন যেভাবে, ফেরত কমবে

সাপ্লায়ারের ট্যাগে M লেখা, অথচ কাস্টমার বলেন টাইট। টি-শার্ট, শার্ট আর প্যান্ট টেবিলে বিছিয়ে ফিতা দিয়ে মাপার নিয়ম, ইঞ্চিতে নিজের সাইজ চার্ট বানানো, কাস্টমারকে নিজের শার্ট মেপে সাইজ বাছতে শেখানো, আর একটা ভুল সাইজে কত টাকা যায়, হিসাবসহ।

·১১ মিনিটে পড়া যায়

প্রোডাক্ট ক্যাটালগ ও প্রাইস লিস্ট বানানোর নিয়ম, পাইকার আর অফিসের জন্য

পাইকার, রিসেলার বা অফিসের লোক বলছেন "ক্যাটালগ আর রেট দেন"? প্রতিটা প্রোডাক্টে কী লিখবেন, খুচরা আর পাইকারি দাম কেন আলাদা ফাইলে, পরিমাণ ধরে দামের ধাপ টাকায়, PDF না লিংক, আর দাম বদলালে পুরনো কপি থামাবেন কীভাবে।

·১১ মিনিটে পড়া যায়