WinningSeller
অর্ডার ও কুরিয়ার১৪ মিনিটে পড়া যায়

হোম ডেলিভারি কিভাবে দিবো? দিনে কয়টা অর্ডারে নিজের ডেলিভারি ম্যান লাভ

মাস শেষে কুরিয়ারের বিল দেখে ভাবছেন নিজের একজন লোক রাখবেন কি না? ঢাকায় দিনে কয়টা অর্ডার হলে নিজের ডেলিভারি ম্যানে খরচ কম পড়ে, সেটা টাকার হিসাব দিয়ে দেখুন। সাথে জেনে নিন বেতন কীভাবে ঠিক করবেন, রুট কীভাবে সাজাবেন আর রোজ সন্ধ্যায় টাকা কীভাবে বুঝে নেবেন।

হোম ডেলিভারি কিভাবে দিবো? দিনে কয়টা অর্ডারে নিজের ডেলিভারি ম্যান লাভ
এই লেখায় যা আছে
  1. নিজে ডেলিভারি দিলে কি কুরিয়ারের চেয়ে খরচ কম?
  2. দিনে কয়টা অর্ডার হলে নিজের ডেলিভারি ম্যান রাখা লাভ? টাকার হিসাব
  3. ডেলিভারি ম্যান এর বেতন কত, কীভাবে ঠিক করবেন?
  4. ডেলিভারি ম্যান সাইকেলে যাবেন, মোটরসাইকেলে নাকি বাসে-রিকশায়?
  5. এক রুটে কয়টা ডেলিভারি সাজাবেন?
  6. কেক আর রান্না করা খাবারের হোম ডেলিভারি কিভাবে দিবো?
  7. ডেলিভারির টাকা প্রতিদিন কীভাবে বুঝে নেবেন?
    1. দরজায় কাস্টমার পার্সেল না নিলে ডেলিভারি ম্যান কী বলবেন
  8. ঢাকায় নিজে, বাইরে কুরিয়ার, দুটো একসাথে চালাবেন যেভাবে

হোম ডেলিভারি কিভাবে দিবো, এই প্রশ্নের উত্তরে রাস্তা আসলে দুইটা। হয় পার্সেল কুরিয়ারে দেবেন, নয়তো নিজের একজন ডেলিভারি ম্যান রাখবেন। ছোট করে বললে, অর্ডার যদি ঢাকার ভেতরে আপনার আশেপাশের কয়েকটা এলাকায় যায়, আর দিনে মোটামুটি ১৩টার বেশি হয়, তাহলে নিজের লোকে খরচ কম পড়তে পারে। এর কম হলে, বা অর্ডার সারা ঢাকায় ছড়িয়ে থাকলে, কুরিয়ারই সস্তা আর কম ঝামেলার। আর ঢাকার বাইরের অর্ডার সবসময় কুরিয়ারেই দিন।

মাস শেষে কুরিয়ারের বিলটা হাতে নিয়ে অনেক সেলারেরই মনে হয়, এই টাকায় তো একজন লোক রাখা যেত। কথাটা কোনো দোকানের বেলায় সত্যি, কোনো দোকানের বেলায় একদম ভুল। ১৩ সংখ্যাটা কোথা থেকে এলো, সেটা নিচে টাকার হিসাব দিয়ে দেখাচ্ছি। সাথে ডেলিভারি ম্যানের বেতন কীভাবে ঠিক করবেন, রুট কীভাবে সাজাবেন, আর প্রতিদিন সন্ধ্যায় টাকা কীভাবে বুঝে নেবেন, সেটাও বলছি। কারণ নিজের লোক রাখার আসল ঝুঁকিটা খরচে না, ঝুঁকিটা হলো রাস্তায় ঘোরা নগদ টাকায়।

নিজে ডেলিভারি দিলে কি কুরিয়ারের চেয়ে খরচ কম?

সবসময় কম পড়ে না। কুরিয়ারের খরচ প্রতিটা পার্সেলের সাথে বাড়ে আর কমে। দিনে ৫টা পাঠালে ৫টার চার্জ দেন, ৫০টা পাঠালে ৫০টার। নিজের ডেলিভারি ম্যানের খরচ উল্টো। তাঁর বেতন মাস শেষে দিতেই হবে, সেদিন অর্ডার দুইটা হোক বা ত্রিশটা। তাই অর্ডার কম থাকলে নিজের লোক দামি পড়ে, আর অর্ডার বাড়লে প্রতিটা পার্সেলের খরচ কমতে থাকে।

কুরিয়ারের খরচটা আগে পরিষ্কার করে নিই। ২০২৬ সালের অক্টোবরে Pathao-র কুরিয়ার পেজে লেখা আছে, ঢাকার ভেতরে আধা কেজি পর্যন্ত পার্সেলে ৬০ টাকা আর এক কেজি পর্যন্ত ৭০ টাকা, সাথে রেট টেবিলের নিচে ১% ক্যাশ অন ডেলিভারি চার্জ লেখা। একই পেজের প্রশ্নোত্তরে অবশ্য ঢাকার ভেতরে ০.৫% লেখা আছে, তাই নিজের প্যানেলে একবার দেখে নিন। VAT এই রেটের বাইরে, বিলে আলাদা যোগ হয়। Steadfast আর RedX-এর রেট কাছাকাছি, তিন কোম্পানির পুরো তুলনা আছে কোন কুরিয়ার ভালো, সেই লেখায়।

১% ধরে হিসাব করলে ১,২০০ টাকার একটা অর্ডার ঢাকার ভেতরে কুরিয়ারে দিলে আপনার যায় ৭০ টাকা আর COD-র ১২ টাকা, মোট ৮২ টাকার মতো। কাস্টমার যে ডেলিভারি চার্জ দেন, সেটা দুই রাস্তাতেই আপনার কাছে আসে, তাই হিসাবে ওটা ধরছি না। আরেকটা কথা মনে রাখবেন। কাস্টমার দরজা থেকে পার্সেল ফেরত দিলেও ডেলিভারি চার্জ সাধারণত আপনাকেই দিতে হয়, Steadfast-এর টার্মসে এটা পরিষ্কার লেখা আছে। তাই যে কয়টা পার্সেল বের হয়, প্রতিটার চার্জ ধরতে হয়, শুধু ডেলিভারি হওয়াগুলোর না।

নিজের লোকের খরচ কিন্তু শুধু বেতনে শেষ হয় না। এর সাথে যোগ হয় তেল বা গাড়িভাড়া, মোবাইলের বিল আর বাইক মেরামত। আর সবচেয়ে বড় খরচটা হলো আপনার নিজের সময়। কে কোন রুটে যাবেন সেটা ঠিক করা আর সন্ধ্যায় টাকা মেলানোতে রোজ আধা ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা চলে যায়। এই সময়ের দাম না ধরলে নিজের ডেলিভারি সবসময় সস্তা দেখাবে, আর আপনি নিজের হিসাবেই নিজে ঠকবেন।

দিনে কয়টা অর্ডার হলে নিজের ডেলিভারি ম্যান রাখা লাভ? টাকার হিসাব

নিচের সংখ্যাগুলো একটা উদাহরণ, কোনো দোকানের আসল হিসাব না। নিজের বেতন, তেল আর কুরিয়ারের রেট বসিয়ে একবার কষে দেখুন।

ধরুন আপনার দোকান মিরপুরে। মাসে ২৬ দিন ডেলিভারি হয়, প্রতিটা অর্ডার গড়ে ১,২০০ টাকার, আর সব পার্সেল এক কেজির মধ্যে। ডেলিভারি ম্যানকে মাসে ১৮,০০০ টাকা ফিক্সড বেতন দেবেন, সাথে প্রতিটা ডেলিভারি হওয়া পার্সেলে ৫ টাকা। তিনি নিজের মোটরসাইকেল চালান, তেল আপনি দেন। ধরুন দিনে দেড় লিটার অকটেন লাগে। bdnews24-এর ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর খবর অনুযায়ী জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ অক্টোবরেও অকটেনের দাম লিটারপ্রতি ১৬৫ টাকাই রেখেছে। তাহলে দিনে তেলে যায় প্রায় ২৫০ টাকা, মাসে ৬,৫০০ টাকা। মোবাইল আর বাইক মেরামতের জন্য আরও ১,৫০০ টাকা ধরুন।

তাহলে আপনার মাসের বাঁধা খরচ দাঁড়াল ১৮,০০০ + ৬,৫০০ + ১,৫০০ = ২৬,০০০ টাকা। এর ওপর প্রতিটা পার্সেলে ৫ টাকা। অন্যদিকে কুরিয়ারে প্রতিটা পার্সেলে ৮২ টাকা। মানে নিজের লোক দিয়ে পাঠালে প্রতিটা পার্সেলে আপনার ৭৭ টাকা বাঁচে, আর সেই বাঁচানো টাকা দিয়েই মাসের ২৬,০০০ টাকা উঠে আসতে হবে। ২৬,০০০ ÷ ৭৭ = প্রায় ৩৩৮টা পার্সেল, মানে মাসে ২৬ দিন ধরলে দিনে প্রায় ১৩টা। এর বেশি হলে নিজের লোকে লাভ, কম হলে কুরিয়ারে।

কুরিয়ার সস্তা হলে এই সংখ্যাটা ওপরে ওঠে। যেমন RedX-এর ওয়েবসাইটে ঢাকা সিটির ভেতরে ১ কেজির রেট ৬৫ টাকা আর COD চার্জ শূন্য লেখা। সেখানে প্রতিটা পার্সেলে বাঁচে ৬০ টাকা, আর লাভে যেতে দিনে মোটামুটি ১৭টা পার্সেল লাগে। তাই হিসাবটা যে কুরিয়ার আসলে কাজে লাগাচ্ছেন, তার রেট দিয়েই করুন।

এবার Pathao-র রেট ধরে দুটো দোকানের হিসাব পাশাপাশি রাখলে ব্যাপারটা পরিষ্কার চোখে পড়ে।

মাসের খরচ (উদাহরণ) দিনে ৮টা পার্সেল দিনে ২৫টা পার্সেল
কুরিয়ারে (প্রতিটা ৮২ টাকা) ১৭,০৫৬ টাকা ৫৩,৩০০ টাকা
নিজের ডেলিভারি ম্যান (২৬,০০০ + প্রতিটা ৫ টাকা) ২৭,০৪০ টাকা ২৯,২৫০ টাকা
কোনটায় কম কুরিয়ারে প্রায় ১০,০০০ টাকা কম নিজের লোকে প্রায় ২৪,০০০ টাকা কম

দিনে ৮টা পার্সেলের দোকান নিজের লোক রাখলে মাসে প্রায় দশ হাজার টাকা বেশি গুনবে। দিনে ২৫টার দোকান একই কাজে মাসে চব্বিশ হাজারের মতো বাঁচাবে। সিদ্ধান্ত একই, শুধু অর্ডারের সংখ্যার কারণে ফলটা উল্টে গেল। মাস শেষে কুরিয়ারের বিল মেটানোর পর হাতে চব্বিশ হাজার টাকা বেশি থাকা মানে, ধরুন, আরেকজন লোকের বেতন, বা পরের মাসের স্টকের একটা বড় অংশ। ব্যবসায় এমন একটা মাস মনে অনেকটা স্বস্তি দেয়।

তবে হিসাবটা কাগজে যত সহজ, রাস্তায় তত না। দিনে ২৫টা পার্সেল একজন মানুষ তখনই দিতে পারবেন, যখন সেগুলো মিরপুর, পল্লবী, কাফরুলের মতো পাশাপাশি এলাকায় যায়। একটা উত্তরা, একটা যাত্রাবাড়ী, একটা মোহাম্মদপুর হলে ঢাকার জ্যামে দিনে দশটাও কঠিন। তাই আগে গত এক মাসের অর্ডারগুলো এলাকা ধরে গুনুন। আপনার পাঁচ-ছয় কিলোমিটারের মধ্যে দিনে কয়টা যায়, আসল সংখ্যা সেটাই।

ঢাকার একটা সহজ নকশায় মিরপুর, পল্লবী আর কাফরুল নিজের ডেলিভারি ম্যানের জন্য এক রঙে দাগানো, ভেতরে দোকান থেকে নয়টা থামার এক সকালের রুট, দূরের উত্তরা, গুলশান, মোহাম্মদপুর আর যাত্রাবাড়ী কুরিয়ারের জন্য, পাশে দিনে ১৩টা পার্সেলের হিসাব
কাছের এলাকাগুলো নিজের লোকের, দূরেরগুলো কুরিয়ারের। আগে অর্ডার এলাকা ধরে গুনুন

ডেলিভারি ম্যান এর বেতন কত, কীভাবে ঠিক করবেন?

এর কোনো বাঁধা রেট নেই। একটা ধারণা পেতে চাকরির বিজ্ঞাপন দেখাই সবচেয়ে কাজের। ২০২৬ সালের অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে চাকরির সাইট ezjobsbangla.com-এ ঢাকার কয়েকটা বিজ্ঞাপনে যা লেখা ছিল, সেটা বলি। Daraz-এর ডেলিভারি ম্যানের বিজ্ঞাপনে মাসে ১২,০০০ থেকে ২৬,০০০ টাকা, সাথে প্রতি পার্সেলে কমিশন, আর নিজের মোটরসাইকেল বা সাইকেল লাগবে। FosholGhor Agritech-এর বিজ্ঞাপনে ১৮,০০০ থেকে ২০,০০০ টাকা, নিজের বাইক আর বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স লাগবে, তেলের খরচ কোম্পানির নিয়মে আলাদা। Pathao Courier-এর সাইকেলের রাইডারের বিজ্ঞাপনে বেসিক আর কমিশন মিলিয়ে ২৫,০০০ থেকে ৪০,০০০ টাকা।

এই সংখ্যাগুলো বড় কোম্পানির, যাদের একজন রাইডার দিনে অনেক পার্সেল দেন, তাই কমিশনের অংশটাও বড়। আপনার দোকানে হয়তো অত পার্সেল নেই। তবু একটা জিনিস পরিষ্কার। ভালো একজন ডেলিভারি ম্যান এই বাজারের কাছাকাছি টাকা না পেলে অন্য জায়গায় চলে যাবেন, আর প্রতিবার নতুন লোক শেখাতে আপনার এক-দুই সপ্তাহ নষ্ট হবে। নিয়োগের আগে নিজের এলাকার চলতি কয়েকটা বিজ্ঞাপন দেখে নিন।

বেতন কীভাবে দেবেন, সেটা নিয়ে একটা পরামর্শ দিই, যেটা ডেলিভারির কাজে বিশেষ করে খাটে। একটা ফিক্সড অংশ রাখুন, সাথে প্রতিটা ডেলিভারি হওয়া পার্সেলে কয়েক টাকা দিন। শুধু "দরজায় গিয়েছিলাম" বললেই যেন সেই টাকা না আসে। এতে তিনি নিজেই চাইবেন কাস্টমারকে আগে ফোন দিয়ে বাসায় পেতে, আর দরজায় একটু বুঝিয়ে পার্সেলটা দিয়ে আসতে। শুধু পার্সেল ধরে টাকা দিলে আবার উল্টো সমস্যা হয়। খারাপ দিনে তাঁর আয় এত কমে যায় যে তিনি মাস না ঘুরতেই চলে যান।

তেলের টাকা বেতনের ভেতরে ঢুকিয়ে দেবেন না। "সব মিলিয়ে ২২ হাজার" বললে তিনি তেল বাঁচাতে দূরের পার্সেলটা পরের দিনে ঠেলে দেবেন। তেল দিন আলাদা করে, পাম্পের রিসিট দেখে, অথবা রুটের দূরত্ব ধরে দিনের একটা ঠিক অঙ্ক। বাইকটা তাঁর নিজের হলে মেরামতের জন্য মাসে একটা ছোট অঙ্ক দিন, কারণ আপনার কাজে তাঁর বাইকের টায়ার আর ইঞ্জিন ক্ষয় হচ্ছে।

কাজের সময়টাও আগে থেকে লিখে নিন। অনেক বিজ্ঞাপনে লেখা থাকে "পার্সেল শেষ না হওয়া পর্যন্ত"। কিন্তু বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬-এর ধারা ১০০ অনুযায়ী একজন প্রাপ্তবয়স্ক শ্রমিক সাধারণত দিনে আট ঘণ্টার বেশি কাজ করবেন না। একই ধারায় বলা আছে, ওভারটাইম মিলিয়ে দিনে দশ ঘণ্টা পর্যন্ত কাজ করানো যায়। আর ধারা ১০৮ অনুযায়ী বাড়তি সময়ের জন্য সাধারণ মজুরির দ্বিগুণ হারে ভাতা দিতে হয়। তাই ঈদের আগে যখন রাত পর্যন্ত পার্সেল টানতে হয়, সেই বাড়তি সময়ের টাকা আলাদা করে দিন। মানুষটা খুশি থাকলে পরের ঈদেও তাঁকে পাশে পাবেন। নিয়োগপত্র আর লিখিত শর্তের কথা বিস্তারিত আছে মডারেটর আর কল সেন্টার টিম রাখার লেখায়, ডেলিভারি ম্যানের বেলায়ও একই নিয়ম।

ডেলিভারি ম্যান সাইকেলে যাবেন, মোটরসাইকেলে নাকি বাসে-রিকশায়?

মোটরসাইকেলে দিনে সবচেয়ে বেশি পার্সেল যায়, আর দূরের এলাকাতেও যাওয়া যায়। তবে এর সাথে তেল আর মেরামতের খরচ আছে, রাস্তার ঝুঁকিও আছে। মোটরসাইকেলের ডেলিভারি ম্যান রাখলে তাঁর বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স আর বাইকের কাগজ আগে নিজের চোখে দেখে নিন, ফটোকপি রেখে দিন। নিচের সতর্কতাটা পড়ে নিন, কারণ লাইসেন্স না থাকলে দায়টা শুধু তাঁর থাকে না।

সাইকেলে তেলের খরচ নেই, জ্যামের ফাঁক দিয়েও বের হওয়া যায়। কিন্তু একজন মানুষ সাইকেলে দিনে কত কিলোমিটার যাবেন, তার একটা সীমা আছে, আর গরমে বা বৃষ্টিতে গতি আরও কমে। তাই সাইকেলের ডেলিভারি ম্যান মানায় যখন আপনার বেশিরভাগ অর্ডার তিন-চার কিলোমিটারের মধ্যে, আর পার্সেল হালকা। একটা কথা মাথায় রাখবেন। ওপরের বিজ্ঞাপনে দেখলেন, সাইকেলের রাইডারের বেতনও কম না। সাইকেল নিলে লোকের বেতন কমে যায় না, শুধু তেলের খরচটা বাঁচে।

বাস, রিকশা বা সিএনজিতে পার্সেল দিয়ে আসা চলে দিনে দুই-তিনটা অর্ডারে, বিশেষ করে দামি জিনিস বা কেক হলে। এর বেশি হলে ভাড়া আর সময় দুটোই এত বাড়ে যে কুরিয়ারের চেয়ে দামি পড়ে। আর প্রতিটা ভাড়ার হিসাব রাখা কঠিন, মাস শেষে এই খরচটাই সবচেয়ে বেশি হারিয়ে যায়।

এক রুটে কয়টা ডেলিভারি সাজাবেন?

এর কোনো বাঁধা সংখ্যা নেই, কারণ মিরপুরের এক গলিতে পাঁচটা বাসা আর গুলশান থেকে কেরানীগঞ্জ এক জিনিস না। সংখ্যাটা নিজে মেপে বের করুন। প্রথম সপ্তাহে ডেলিভারি ম্যানকে বলুন প্রতিটা পার্সেল দেওয়ার সময়টা স্লিপে লিখে রাখতে। সপ্তাহ শেষে দেখবেন একটা পার্সেলে গড়ে কত মিনিট লাগছে, যাওয়া, কাস্টমারকে নিচে নামানো, টাকা গোনা সব মিলিয়ে।

ধরুন গড়ে ২৫ মিনিট লাগছে। তাহলে চার ঘণ্টার একটা রাউন্ডে মোটামুটি ৯-১০টা পার্সেল যায়। সকালে একটা রাউন্ড আর বিকেলে একটা দিলে আট ঘণ্টার দিনে ১৮-২০টা। এটাও একটা উদাহরণ, আপনার এলাকার জ্যাম আর কাস্টমারের অভ্যাস দেখে সংখ্যাটা বদলাবে।

রুট সাজানোর কাজটা আগের রাতেই সেরে রাখুন। রাত ১০টার মধ্যে যে অর্ডারগুলো কনফার্ম হলো, সেগুলো এলাকা ধরে ভাগ করুন। কাছের এলাকাগুলো সকালের রাউন্ডে, একটু দূরেরগুলো বিকেলে। একই রাউন্ডের পার্সেলগুলো একটা লাইনে সাজান, যাতে ডেলিভারি ম্যান এক রাস্তা দুবার না ঘোরেন। Google Maps-এ একাধিক স্টপ যোগ করে রুটটা একবার দেখে নিলে উল্টোপাল্টা ঘোরা অনেক কমে।

রওনা দেওয়ার আগে প্রতিটা কাস্টমারকে একটা ফোন বা মেসেজ দিন, "ভাই, আজ দুপুর ১২টা থেকে ২টার মধ্যে আপনার পার্সেল যাচ্ছে, বাসায় থাকবেন তো?" এই একটা ফোন অনেকগুলো খালি যাত্রা বাঁচায়। কুরিয়ারে এই ফোনটা আপনার হাতে থাকে না, নিজের লোকের বেলায় থাকে। নিজের ডেলিভারির সবচেয়ে বড় সুবিধাগুলোর একটা এটাই।

কেক আর রান্না করা খাবারের হোম ডেলিভারি কিভাবে দিবো?

যিনি কেক, বিরিয়ানি, পিঠা বা ঘরে রান্না করা খাবার বেচেন, তাঁর কাছে নিজের ডেলিভারি অনেক সময় বেছে নেওয়ার জিনিস না, দরকার। জন্মদিনের কেক পরের দিন পৌঁছালে সেটা আর কেক থাকে না, একটা অভিযোগ হয়ে যায়। আর কেক কাত হয়ে গেলে ক্রিম গলে যায়, অন্য পার্সেলের নিচে চাপা পড়লে পুরোটা নষ্ট।

এই কাজে শুরুটা হয় অর্ডার নেওয়ার সময়েই। কাস্টমারের সাথে দুই ঘণ্টার একটা সময়ের ঘর ঠিক করে নিন, যেমন "বিকেল ৪টা থেকে ৬টা"। শুধু "আজকের মধ্যে" বললে কাস্টমার চারটা থেকে অপেক্ষা শুরু করেন, আর সাতটায় রেগে ফোন দেন। এরপর ডেলিভারি ম্যানকে একটা চৌকো ডেলিভারি ব্যাগ কিনে দিন, যেখানে কেকের বক্স সমান হয়ে বসে থাকে। রান্না করা খাবার পাঠালে গরম-ঠান্ডা ধরে রাখার একটা ব্যাগও লাগবে। রওনা দেওয়ার সময় কাস্টমারকে একটা ফোন দিন, আর পৌঁছানোর দশ মিনিট আগে আরেকটা। জন্মদিনের কেক অনেক সময় চমক হিসেবে পাঠানো হয়, তাই কাকে ফোন দেবেন সেটা অর্ডারের সময়েই জিজ্ঞেস করে নিন।

নিজের লোক না থাকলেও একই দিনের ডেলিভারি দেওয়া যায়। ২০২৬ সালের অক্টোবরে Pathao-র কুরিয়ার পেজে ঢাকার ভেতরে একই দিনের ডেলিভারির চার্জ ১ কেজি পর্যন্ত ১৫০ টাকা লেখা, VAT আলাদা। দিনে এক-দুইটা কেকের অর্ডারে এটাই সস্তা। কিন্তু দিনে আট-দশটা হলে প্রতিদিন দেড় হাজার টাকার মতো যায়, তখন নিজের একজন লোক রাখার হিসাবটা আবার কষে দেখুন।

খাবারের ব্যবসার আরেকটা সুবিধা আছে। অর্ডার সাধারণত বিকেল আর সন্ধ্যায় বেশি। তাই সকালে ডেলিভারি ম্যান বাজার করা বা প্যাকিংয়ে হাত লাগাতে পারেন, আর বিকেলে ডেলিভারিতে বের হন। একই বেতনে দুটো কাজ হয়, আর বেতনটা গায়ে কম লাগে।

ডেলিভারির টাকা প্রতিদিন কীভাবে বুঝে নেবেন?

ধরুন রাত দশটা বাজে। ডেলিভারি ম্যান এখনো ফেরেননি, তাঁর পকেটে সেদিনের বিশ হাজার টাকা, আর ফোনটা বন্ধ। হয়তো ফোনের চার্জ শেষ, হয়তো অন্য কিছু হয়েছে। এই দশ মিনিটের দুশ্চিন্তা যিনি একবার পেয়েছেন, তিনি জানেন নিজের ডেলিভারির আসল খরচ বেতনে না, এখানে। কুরিয়ারে এই ঝুঁকিটা কুরিয়ার নেয়। নিজের লোকের বেলায় নিয়মটা আপনাকেই বানাতে হবে, আর প্রথম দিন থেকেই।

সকালে বের হওয়ার সময় তাঁর হাতে একটা স্লিপ দিন। কাগজে হোক বা ফোনে, স্লিপে এই কয়টা জিনিস থাকবে।

  • অর্ডার নম্বর, কাস্টমারের নাম, ফোন নম্বর আর ঠিকানা
  • কাস্টমারের কাছ থেকে কত টাকা তুলবেন, অগ্রিম থাকলে সেটা বাদ দিয়ে
  • কোন পার্সেল কোন রাউন্ডে, কোন সিরিয়ালে
  • ফেরার পর ফলাফল লেখার ঘর, ডেলিভারি হলো, ফেরত এলো, নাকি কাল আবার যাবে

সন্ধ্যায় ফেরার পর দুজনে বসে স্লিপ ধরে মেলান। যে কয়টা ডেলিভারি হলো, তাদের টাকা যোগ করলে একটা অঙ্ক আসবে, হাতের টাকা ঠিক সেটাই হতে হবে। যে পার্সেলগুলো ফেরত এলো, সেগুলো নিজের চোখে দেখে স্টকে তুলুন। তারপর স্লিপে দুজনেই সই করুন। পুরো কাজে দশ মিনিট লাগে, আর এই দশ মিনিট মাসের পর মাস ভুল বোঝাবুঝি থেকে বাঁচায়।

সন্ধ্যায় দোকানের টেবিলে একজন তরুণ ছেলে সেলার আর একজন পুরুষ ডেলিভারি ম্যান মুখোমুখি বসে টাকা গুনছেন, টেবিলে সেদিনের ডেলিভারি স্লিপ আর পাশে দুটো ফেরত আসা পার্সেল
প্রতিদিন সন্ধ্যায় স্লিপ ধরে টাকা আর ফেরত পার্সেল মিলিয়ে দুজনেই সই করুন

কয়েকটা নিয়ম শুরু থেকেই রাখুন। সেদিনের টাকা সেদিনই জমা হবে, "কাল দিয়ে দেব" একবার মানলে সেটা অভ্যাস হয়ে যায়। খুচরা দেওয়ার জন্য সকালে তাঁকে পাঁচশো টাকার মতো ভাংতি দিন, সেটাও স্লিপে লিখে রাখুন, যাতে সন্ধ্যায় সেই টাকা আলাদা করে ফেরত আসে। দুই-তিন হাজার টাকার বেশি দামের অর্ডারে কাস্টমারকে bKash-এ সরাসরি দোকানের নম্বরে টাকা পাঠাতে বলুন। তাহলে নগদ টাকা রাস্তায় কম ঘোরে, আর ডেলিভারি ম্যানের ঝুঁকিও কমে। নিয়োগের সময় তাঁর NID-র কপি আর বাসার ঠিকানা রাখুন, আর পরিচিত কারও সুপারিশ থাকলে আরও ভালো।

দরজায় কাস্টমার পার্সেল না নিলে ডেলিভারি ম্যান কী বলবেন

কুরিয়ারের রাইডার দরজায় তর্ক করলে দোষটা যায় কুরিয়ারের ঘাড়ে। আপনার নিজের লোক তর্ক করলে দোষটা যায় আপনার দোকানের ঘাড়ে, আর কাস্টমার সেটা পেজে লিখে দিতে পারেন। তাই তাঁকে আগে থেকে শিখিয়ে দিন কী বলবেন।

প্রথমে শান্তভাবে কারণটা জিজ্ঞেস করবেন, "ভাই, কোনো সমস্যা হয়েছে? প্রোডাক্টটা খুলে দেখতে পারেন।" কাস্টমার যদি বলেন রং বা সাইজ মেলেনি, তাহলে দরজা থেকেই আপনাকে ফোন দেবেন, "ভাই, দোকানের সাথে একটু কথা বলিয়ে দিই?" আপনি তখন চেঞ্জ করে দেওয়ার কথা বলতে পারেন, আর নিজের লোক থাকলে এক্সচেঞ্জটা পরের দিনই হয়ে যায়। কাপড় বা জুতার দোকানে এই সুবিধাটা কুরিয়ারের চেয়ে অনেক বড়। কাস্টমার তবুও না নিলে ডেলিভারি ম্যান ভদ্রভাবে "ঠিক আছে ভাই, সমস্যা নেই" বলে চলে আসবেন, আর স্লিপে কারণটা লিখবেন। কোনো অবস্থাতেই কাস্টমারের সাথে গলা চড়াবেন না, দরজা থেকে টাকা দাবি করবেন না।

ঢাকায় নিজে, বাইরে কুরিয়ার, দুটো একসাথে চালাবেন যেভাবে

বেশিরভাগ দোকানের জন্য উত্তরটা "নিজে না কুরিয়ার" না, দুটোই। নিজের ডেলিভারি ম্যান চালাবেন আপনার আশেপাশের যে এলাকাগুলোয় দিনে অনেক অর্ডার যায়, সেখানে। ঢাকার বাকি এলাকা আর পুরো দেশ যাবে কুরিয়ারে। ঈদের আগে অর্ডার যখন তিনগুণ হয়, তখনো বাড়তিটুকু কুরিয়ারে দিন। একজন মানুষকে দিয়ে সেই চাপ সামলাতে গেলে দেরি হবে, আর দেরির পার্সেলই সবচেয়ে বেশি ফেরত আসে। ডেলিভারি ম্যানের ছুটির দিনেও কুরিয়ারই ভরসা।

এভাবে চালানোর একটা সমস্যা আছে, আর সেটা হিসাবের। কুরিয়ারের পার্সেলের হিসাব কুরিয়ারের প্যানেলে থাকে, নিজের লোকের পার্সেলের হিসাব থাকে স্লিপে। মাস শেষে দুটো মিলিয়ে লাভ-ক্ষতি বের করতে গিয়ে অনেকেই আটকে যান। এখানে নিয়ম একটাই, লাভ গুনবেন শুধু ডেলিভারি হওয়া অর্ডার থেকে, দুই রাস্তাতেই। এটা বিস্তারিত বলা আছে অনলাইন ব্যবসার হিসাব রাখার লেখায়। নিজের লোকের বেতন, তেল আর মেরামতের খরচ হিসাবের খাতায় "ডেলিভারি খরচ" ঘরে তুলুন, যাতে তিন মাস পরে দেখতে পারেন সিদ্ধান্তটা আসলেই লাভ দিচ্ছে কি না।

WinningSeller-এ এই দুই রাস্তা একই অর্ডার লিস্টে চালানো যায়। ফোন বা ইনবক্সের অর্ডার ম্যানুয়াল অর্ডার হিসেবে তুলে নিন। নিজের ডেলিভারি ম্যানের অর্ডারগুলোতে "নিজের ডেলিভারি" নামে একটা ট্যাগ দিন, তাহলে ফিল্টার করলে শুধু সেগুলো দেখা যায়। সকালে ডেলিভারি ম্যান বের হলে বাল্ক অ্যাকশনে সেগুলোর স্ট্যাটাস একসাথে বদলে দিন, আর সন্ধ্যায় টাকা মিলিয়ে যেগুলো ডেলিভারি হলো, সেগুলো একসাথে "ডেলিভারড" করে দিন। বাকি অর্ডার Steadfast, Pathao, RedX, Paperfly, Carrybee বা eCourier-এ এক ক্লিকে পার্সেল হয়ে যায়, স্ট্যাটাসও নিজে আপডেট হয়। আর লাভ-ক্ষতির হিসাব আসে দুই রাস্তার ডেলিভারি হওয়া অর্ডার থেকেই। WinningSeller-এর সব ফিচার এক জায়গায় দেখে নিতে পারেন।

আজ একটা কাজ করুন। গত এক মাসের ঢাকার অর্ডারগুলো এলাকা ধরে একটা কাগজে গুনুন। আপনার আশেপাশের এলাকায় দিনে গড়ে কয়টা যায়, সেই সংখ্যাটা ওপরের হিসাবে বসান। সংখ্যাটা ১৩-র অনেক নিচে হলে নিশ্চিন্তে কুরিয়ারেই থাকুন, এখন নিজের লোক রাখার সময় হয়নি। ওপরে হলে এক মাস একজনকে দিয়ে চালিয়ে দেখুন, আর মাসের শেষে কুরিয়ারের পুরনো বিলের পাশে নতুন খরচটা রাখুন। সংখ্যাই বলে দেবে কোন পথে থাকবেন।

সাধারণ প্রশ্ন

ডেলিভারি ম্যান এর বেতন কত?

বাঁধা কোনো বেতন নেই, কোম্পানি আর কাজ ধরে অঙ্কটা অনেক ওঠানামা করে। ২০২৬ সালের অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে ezjobsbangla.com-এ ঢাকার কয়েকটা বিজ্ঞাপনে মাসে ১২,০০০ থেকে ৪০,০০০ টাকা পর্যন্ত লেখা ছিল, বেশিরভাগ জায়গায় বেসিক বেতনের সাথে পার্সেলপ্রতি কমিশন। ছোট দোকানে সাধারণত একটা ফিক্সড বেতন আর প্রতিটা ডেলিভারি হওয়া পার্সেলে কয়েক টাকা ইনসেন্টিভ দিলে দুই পক্ষেরই সুবিধা হয়।

দিনে কয়টা অর্ডার হলে নিজের ডেলিভারি ম্যান রাখা লাভ?

এই লেখার উদাহরণে Pathao-র রেট ধরলে ঢাকার ভেতরে দিনে মোটামুটি ১৩টার বেশি পার্সেল গেলে নিজের লোকে খরচ কম পড়ে, আর RedX-এর মতো সস্তা রেট ধরলে সংখ্যাটা ১৭-র কাছাকাছি। আপনার সংখ্যাটা আলাদা হবে, কারণ বেতন, তেলের খরচ আর কুরিয়ারের রেট দোকানভেদে বদলায়। অর্ডারগুলো কাছাকাছি কয়েকটা এলাকায় না গেলে বেশি অর্ডারেও একজন মানুষ কুলিয়ে উঠতে পারবেন না।

ডেলিভারি ম্যান মোটরসাইকেল চালালে কি লাইসেন্স লাগবে?

হ্যাঁ, লাগবে। সড়ক পরিবহণ আইন ২০১৮-এর ধারা ৪ অনুযায়ী লাইসেন্স ছাড়া কেউ মোটরযান চালাতে পারেন না, আর কাউকে চালাতে দেওয়াও যায় না, মানে দায়টা আপনার ওপরেও আসে। একই আইনের ধারা ৪৯ অনুযায়ী চালক আর পেছনের আরোহী দুজনকেই হেলমেট পরতে হয়।

কেক বা রান্না করা খাবার একই দিনে ডেলিভারি দেব কীভাবে?

অর্ডার নেওয়ার সময়েই একটা সময়ের ঘর ঠিক করে নিন, যেমন বিকেল ৪টা থেকে ৬টা, আর রওনা দেওয়ার আগে কাস্টমারকে একবার ফোন দিন। কেক সমান করে রাখার মতো বক্স আর ব্যাগ লাগে, তাই এই কাজে নিজের লোকই ভালো। নিজের লোক না থাকলে কুরিয়ারের একই দিনের সার্ভিস আছে, অক্টোবর ২০২৬-এ Pathao-র পেজে ঢাকার ভেতরে ১ কেজি পর্যন্ত এর চার্জ ১৫০ টাকা লেখা ছিল।

ডেলিভারি ম্যানের হাতে টাকা রাখলে ঝুঁকি কমাব কীভাবে?

প্রতিদিন সন্ধ্যায় সেদিনের পুরো টাকা বুঝে নিন, "কাল দেব" কখনো মানবেন না। প্রতিটা পার্সেলের টাকার অঙ্ক একটা স্লিপে লিখে দিন, আর ফেরার পর স্লিপ ধরে টাকা আর ফেরত পার্সেল মিলিয়ে দুজনেই সই করুন। দামি অর্ডারে কাস্টমারকে bKash-এ সরাসরি দোকানের নম্বরে টাকা দিতে বলুন, তাহলে নগদ টাকা রাস্তায় কম ঘোরে।

ঢাকার বাইরে কি নিজের লোক দিয়ে ডেলিভারি দেওয়া যায়?

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে লাভ হয় না। একজন মানুষকে অন্য জেলায় পাঠানোর ভাড়া আর সময় দিয়ে কুরিয়ার কয়েক ডজন পার্সেল পৌঁছে দেয়। ঢাকার বাইরের অর্ডার কুরিয়ারেই দিন, নিজের লোক রাখুন শুধু আপনার আশেপাশের এলাকার জন্য।

#হোম ডেলিভারি#ডেলিভারি ম্যান#ডেলিভারি ম্যানের বেতন#কুরিয়ার#ক্যাশ অন ডেলিভারি#ঢাকায় ডেলিভারি

আরও পড়ুন

হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল না গ্রুপ? পুরনো কাস্টমারকে নতুন মালের খবর দিন

নতুন কালেকশনের খবর পুরনো কাস্টমারকে দিতে চান, কিন্তু চ্যানেল খুলবেন, গ্রুপ, না স্ট্যাটাস? কে কার নম্বর দেখে, কে উত্তর দিতে পারে, চ্যানেল খোলার ধাপ, কী পোস্ট দেবেন, গ্রুপের নিয়ম আর ঝুঁকি, আর এক মাসে কোনটায় কত সময় যায়, হিসাবসহ।

·১১ মিনিটে পড়া যায়

শার্ট, প্যান্ট আর টি-শার্টের সাইজ চার্ট বানাবেন যেভাবে, ফেরত কমবে

সাপ্লায়ারের ট্যাগে M লেখা, অথচ কাস্টমার বলেন টাইট। টি-শার্ট, শার্ট আর প্যান্ট টেবিলে বিছিয়ে ফিতা দিয়ে মাপার নিয়ম, ইঞ্চিতে নিজের সাইজ চার্ট বানানো, কাস্টমারকে নিজের শার্ট মেপে সাইজ বাছতে শেখানো, আর একটা ভুল সাইজে কত টাকা যায়, হিসাবসহ।

·১১ মিনিটে পড়া যায়

প্রোডাক্ট ক্যাটালগ ও প্রাইস লিস্ট বানানোর নিয়ম, পাইকার আর অফিসের জন্য

পাইকার, রিসেলার বা অফিসের লোক বলছেন "ক্যাটালগ আর রেট দেন"? প্রতিটা প্রোডাক্টে কী লিখবেন, খুচরা আর পাইকারি দাম কেন আলাদা ফাইলে, পরিমাণ ধরে দামের ধাপ টাকায়, PDF না লিংক, আর দাম বদলালে পুরনো কপি থামাবেন কীভাবে।

·১১ মিনিটে পড়া যায়