WinningSeller
অর্ডার ও কুরিয়ার১৪ মিনিটে পড়া যায়

পাঠাও মার্চেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম, প্রথম পার্সেল আর প্যানেল চালানো

Pathao-তে মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট খুলতে কী লাগে, সাইন আপের পর স্টোর আর bKash বা ব্যাংক কীভাবে অ্যাড করবেন, প্রথম পার্সেল আর বাল্ক আপলোড কীভাবে দেবেন, আর প্যানেলে টাকা, ইনভয়েস আর ফেরত পার্সেল কোথায় দেখবেন।

পাঠাও মার্চেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম, প্রথম পার্সেল আর প্যানেল চালানো
এই লেখায় যা আছে
  1. পাঠাও মার্চেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম, শুরুতে কী কী লাগে?
  2. ধাপ ১: সাইন আপ আর ভেরিফাই
  3. ধাপ ২: স্টোর আর পিকআপ ঠিকানা
  4. ধাপ ৩: পেমেন্ট মেথড, bKash না ব্যাংক?
  5. ধাপ ৪: প্রথম অর্ডার এন্ট্রি আর বাল্ক আপলোড
  6. পাঠাও মার্চেন্ট প্যানেলে টাকা আর ইনভয়েস কোথায় দেখবেন?
  7. ফেরত পার্সেল প্যানেলে কোথায় দেখবেন, হাতে পাবেন কবে?
  8. পাঠাও মার্চেন্ট অ্যাপ নাকি ওয়েব প্যানেল?
  9. কখন Pathao-কে নিজের অর্ডার সিস্টেমের সাথে কানেক্ট করবেন?

পাঠাও মার্চেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম খুব ছোট। merchant.pathao.com/register পেজে গিয়ে ব্যবসার নাম, মালিকের নাম, মোবাইল নম্বর আর ইমেইল দিয়ে Sign Up চাপলেই হয়। একটু পরেই আপনার ফোনে একটা SMS আসবে, তাতে থাকবে লগইন আইডি, পাসওয়ার্ড আর মার্চেন্ট প্যানেলের লিংক। লগইন করার পর আরও দুটো কাজ বাকি থাকে। প্রথমে স্টোর বানাবেন, মানে রাইডার কোন ঠিকানা থেকে পার্সেল তুলবেন সেটা বলে দেবেন। তারপর বিক্রির টাকা নেওয়ার জন্য একটা ব্যাংক বা bKash অ্যাকাউন্ট অ্যাড করবেন। এটুকু হলেই প্রথম পার্সেলের এন্ট্রি দিতে পারবেন।

নিচের সব কথা ২০২৬ সালের অক্টোবরে Pathao-র কুরিয়ার পেজ (pathao.com/courier), মার্চেন্ট হেল্প সেন্টার, মার্চেন্ট টার্মস আর অ্যাপ স্টোরের পেজ দেখে লেখা। Pathao-র ডেলিভারি, COD আর ফেরতের চার্জ অন্য দুই কুরিয়ারের সাথে পাশাপাশি রাখা আছে কোন কুরিয়ার ভালো, সেই তুলনার লেখায়, তাই এখানে আবার লিখছি না। প্যানেলের কোনো মেনুর নাম না মিললে স্ক্রিনে যা দেখছেন সেটাই ধরবেন, কারণ এসব নাম মাঝে মাঝে চেঞ্জ হয়।

পাঠাও মার্চেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম, শুরুতে কী কী লাগে?

Pathao-র কুরিয়ার পেজে লেখা আছে, সাইন আপের জন্য চারটা জিনিস লাগে। ব্যবসার নাম, মালিকের নাম, মোবাইল নম্বর আর ইমেইল অ্যাড্রেস। NID বা ট্রেড লাইসেন্স জমা দেওয়ার কথা সাইন আপ ফর্মে বা মার্চেন্ট টার্মসে কোথাও নেই। হেল্প সেন্টারে ওরা এটাও লিখেছে যে মার্চেন্ট হতে ফেসবুক পেজ বা ওয়েবসাইট থাকা বাধ্যতামূলক না। তাই যিনি সবে বাসা থেকে বিক্রি শুরু করছেন, তিনিও অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন।

ফর্ম ছোট হলেও মোবাইল নম্বর আর ইমেইল বাছতে একটু ভাবুন। Pathao পাসওয়ার্ডটা পাঠায় SMS-এ, তাই নম্বরটা এমন হতে হবে যেটা সবসময় আপনার নিজের হাতে থাকে। কর্মচারীর নম্বর দিলে প্যানেলের পাসওয়ার্ড প্রথম দিনেই তাঁর কাছে চলে যাবে। ইমেইলটাও নিজের দিন, কারণ পাসওয়ার্ড রিসেটের লিংক আর প্রতিটা পেমেন্টের স্টেটমেন্ট ওই ইমেইলেই আসে।

পরের দুই ধাপের জন্য আরও দুটো জিনিস হাতের কাছে রাখুন। একটা হলো পিকআপের পুরো ঠিকানা, শহর, জোন আর এলাকার নামসহ। আরেকটা হলো টাকা নেওয়ার অ্যাকাউন্ট, হয় সেভিংস বা কারেন্ট ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, নয়তো নিজের একটা পার্সোনাল bKash নম্বর।

Pathao-র টার্মসে একটা কথা আছে যেটা মাথায় রাখা দরকার। সাইন আপের সময় আপনি যা লিখবেন, সেটা আপনার নিজের ঘোষণা হিসেবে ধরা হয়। তাই ব্যবসার নাম, ঠিকানা আর নম্বর সত্যিকারেরটাই দিন। পরে কোনো পার্সেল বা টাকা নিয়ে ঝামেলা হলে এই তথ্য দিয়েই আপনাকে মেলানো হবে।

ধাপ ১: সাইন আপ আর ভেরিফাই

সাইন আপ দুইভাবে করা যায়। কম্পিউটার বা মোবাইলের ব্রাউজারে merchant.pathao.com/register খুলে ফর্ম পূরণ করতে পারেন। আবার Google Play বা App Store থেকে PATHAO LTD-এর "Pathao Merchant" অ্যাপ নামিয়েও সাইন আপ করা যায়। দুই জায়গায় একই অ্যাকাউন্ট চলে, তাই যেটায় আপনার সুবিধা সেটাই ধরুন।

ব্যবসার নামের ঘরে আপনার পেজ বা দোকানের সেই নামটা দিন, যে নামে কাস্টমার আপনাকে চেনেন। এর পেছনে একটা কাজের কারণ আছে। Pathao-র হেল্প সেন্টার পিকআপের ঝামেলা এড়াতে প্রতিটা পার্সেলের গায়ে মার্চেন্টের নাম লিখতে বলে। অ্যাকাউন্টে এক নাম আর পার্সেলে আরেক নাম থাকলে হাবে পার্সেল মেলাতে গোলমাল হয়। সাপোর্টে ফোন দিলেও তখন আপনাকে খুঁজে পেতে সময় লাগে।

Sign Up চাপার পরে Pathao আপনার নম্বরে SMS পাঠায়, তাতে লগইন আইডি, পাসওয়ার্ড আর প্যানেলের লিংক থাকে। এই SMS আসা মানেই আপনার নম্বরটা ঠিক আছে। আলাদা কোনো কোড বসানোর কথা Pathao-র পেজে লেখা নেই। কয়েক মিনিটেও SMS না এলে আবার ফর্ম পূরণ করার আগে দেখে নিন, নম্বরের কোনো অঙ্ক ভুল লিখেছেন কিনা। তারপরও না এলে হেল্পলাইনে ফোন দিন।

লগইন করেই প্রথম কাজ পাসওয়ার্ডটা চেঞ্জ করা। হেল্প সেন্টার অনুযায়ী Profile থেকে Password অপশনে গিয়ে পুরনো আর নতুন পাসওয়ার্ড দিয়ে Save চাপলেই হয়। কারণটা সহজ। পাসওয়ার্ডটা এসেছে SMS-এ, আর বাসার অনেকেই আপনার ফোনের SMS দেখতে পান। অথচ এই প্যানেলেই আপনার বিক্রির টাকার হিসাব আর পেমেন্টের অ্যাকাউন্ট থাকে।

ধাপ ২: স্টোর আর পিকআপ ঠিকানা

Pathao-র প্যানেলে "স্টোর" মানে আপনার পিকআপের জায়গা, যেখান থেকে রাইডার পার্সেল তুলবেন। হেল্প সেন্টার অনুযায়ী প্যানেলের Stores অপশনে গিয়ে Create চাপলে একটা ফর্ম খোলে। সেখানে স্টোরের নাম, যোগাযোগের মানুষের নাম আর ফোন নম্বর দিতে হয়। তারপর শহর, জোন আর এলাকা সিলেক্ট করে বিস্তারিত ঠিকানা লিখতে হয়।

শহর, জোন আর এলাকার ড্রপডাউনে তাড়াহুড়া করবেন না। কোন এলাকার রাইডার আপনার কাছে আসবেন, সেটা সাধারণত এখান থেকেই ঠিক হয়। ভুল জোন দিলে পিকআপ দেরিতে আসতে পারে, অথবা আসবেই না। বিস্তারিত ঠিকানার ঘরে বাসা বা দোকানের নম্বর, রোড, তলা আর কাছের একটা চেনা জায়গার নাম লিখুন।

যোগাযোগের নম্বরে এমন কারও নম্বর দিন, যিনি দুপুরের পরে বাসায় বা দোকানে থাকেন আর পার্সেল হাতে তুলে দিতে পারবেন। হেল্প সেন্টার বলছে, যতগুলো দরকার ততগুলো স্টোর বানানো যায়। আপনার স্টক যদি বাসায় আর গোডাউনে ভাগ করা থাকে, তাহলে দুটো আলাদা স্টোর বানিয়ে নিন।

পিকআপের সময়গুলো জানা থাকলে প্রতিদিনের কাজ সাজানো সহজ হয়। নিচের সময়গুলো ২০২৬ সালের অক্টোবরে Pathao-র হেল্প সেন্টার আর কুরিয়ার পেজে দেখা।

কাজ সময় কোথায় লেখা
সাধারণ ডেলিভারির এন্ট্রি দেওয়ার শেষ সময় বিকেল ৪টা হেল্প সেন্টার
পিকআপ (ঢাকা) দুপুর ২টা থেকে রাত ৯টা হেল্প সেন্টার
পিকআপ (ঢাকার বাইরের মার্চেন্ট) সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত হেল্প সেন্টার
একই দিনে ডেলিভারির এন্ট্রি (শুধু ঢাকা মেট্রো) দুপুর ১২টার আগে, ডেলিভারি রাত ৮টার মধ্যে কুরিয়ার পেজ

এই টেবিলের সবচেয়ে কাজের লাইন হলো বিকেল ৪টা। পিকআপ দুপুর ২টায় শুরু হয়, তাই দুপুরের আগের অর্ডারগুলো প্যাক করে রাখলে রাইডার এলেই দিয়ে দিতে পারবেন। ৪টার পরে এন্ট্রি দিলে পার্সেলটা পরের দিনের হিসাবে চলে যায়। আপনি ঢাকার বাইরে থাকলেও সমস্যা নেই, হেল্প সেন্টারে লেখা আছে Pathao ৬৪ জেলা থেকেই পার্সেল তোলে। শুধু মনে রাখবেন, বাইরের মার্চেন্টদের পিকআপ সন্ধ্যা ৭টায় শেষ হয়।

রাইডার পার্সেল নেওয়ার সময় তাঁর কাছ থেকে একটা পিকআপ স্লিপ চেয়ে নিন। Pathao-র হেল্প সেন্টারেই এটা নিতে বলা আছে। পরে "পার্সেল পাইনি" ধরনের কথা উঠলে এই স্লিপটাই আপনার প্রমাণ।

একজন তরুণ ছেলে সেলার নিজের ছোট দোকানের কাউন্টারে বসে মোবাইলে কুরিয়ার মার্চেন্ট প্যানেলের স্টোর তৈরির ফর্ম পূরণ করছেন, পাশে প্যাক করা কয়েকটা পার্সেল সাজানো
স্টোর মানে পিকআপের জায়গা। জোন আর এলাকা ঠিক দিলে রাইডার সময়মতো আসেন

ধাপ ৩: পেমেন্ট মেথড, bKash না ব্যাংক?

এবার ঠিক করার পালা, বিক্রির টাকা কোথায় নেবেন। Pathao-র কুরিয়ার পেজে লেখা আছে, ব্যাংকে নিলে সেভিংস বা কারেন্ট, যেকোনো অ্যাকাউন্ট দেওয়া যায়। কিন্তু bKash-এ নিলে শুধু পার্সোনাল bKash অ্যাকাউন্ট দেওয়া যায়, মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট না। এটা অনেকে উল্টো ভাবেন, তাই আগে বলে রাখলাম।

পরে মেথড চেঞ্জ করতে চাইলে প্যানেলের ওপরে প্রোফাইল আইকনে চাপ দিয়ে Payment Information অপশনে যান। পাসওয়ার্ড দিয়ে কনফার্ম করার পরে আপডেটের পেজ খোলে। ব্যাংক দিলে অ্যাকাউন্ট হোল্ডারের নাম আর নম্বর লিখে ড্রপডাউন থেকে ব্যাংক আর ব্রাঞ্চ সিলেক্ট করতে হয়। bKash দিলে শুধু নম্বর লিখে সেভ করলেই হয়। হেল্প সেন্টার বলছে, নতুন অ্যাকাউন্ট ভেরিফাই হয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অ্যাপ্রুভ হয়। তাই বড় কোনো পেমেন্ট আসার ঠিক আগের দিন মেথড চেঞ্জ করবেন না।

bKash আর ব্যাংকের মধ্যে আসল তফাত হলো টাকা কত তাড়াতাড়ি খরচ করতে পারবেন। Pathao-র টার্মসে লেখা আছে, ব্যাংকে টাকা যায় BEFTN দিয়ে, আর বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়মে এর নিজস্ব প্রসেসিং সময় লাগে। শুক্র আর শনিবার ব্যাংক বন্ধ, তাই বৃহস্পতিবারের টাকা অনেক সময় রবিবারে গিয়ে পৌঁছায়। আপনার পাইকার যদি bKash-এ টাকা নেন, তাহলে bKash-এ নেওয়াই সহজ। শুধু মনে রাখবেন, পার্সোনাল bKash-এর লেনদেনের একটা লিমিট আছে, বিক্রি বাড়লে সেটা একসময় আটকাবে। bKash না ব্যাংক, কোনটা কার জন্য সুবিধার, সেই পুরো যুক্তি আছে স্টেডফাস্ট মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টের গাইডে। নিয়মটা দুই কুরিয়ারেই একই রকম খাটে।

টাকা আরও তাড়াতাড়ি চাইলে Pathao-র InstaPay আছে। কুরিয়ার পেজে লেখা, সাধারণ InstaPay দিনে ৩ বার নিজে থেকে টাকা পাঠায়। এটা চালাতে একটা Pathao Pay মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট লাগে, আর সার্ভিসটা ফ্রি না। কত দিন টাকা আটকে থাকে আর কখন এই ফি দেওয়া লাভের, সেই হিসাব আছে ক্যাশ অন ডেলিভারির ক্যাশ ফ্লো নিয়ে লেখায়।

ধাপ ৪: প্রথম অর্ডার এন্ট্রি আর বাল্ক আপলোড

একটা একটা করে অর্ডার দিতে হেল্প সেন্টার অনুযায়ী প্যানেলের Dashboard থেকে New Delivery-তে যান। সেখানে কাস্টমারের নাম, ঠিকানা আর ফোন নম্বর দিতে হয়। তারপর পার্সেলের ওজন, ভেতরে কয়টা জিনিস, আর দরজায় কত টাকা তুলতে হবে সেটা লিখতে হয়। ডেলিভারির জন্য বিশেষ কোনো কথা থাকলে সেটাও লেখার ঘর আছে।

টাকার ঘরে লিখবেন কাস্টমার দরজায় মোট যত টাকা দেবেন, ডেলিভারি চার্জ তাঁর কাছ থেকে নিলে সেটাসহ। রাইডার ঠিক এই অঙ্কটাই তুলবেন, কম লিখলে বাকিটা আপনার লোকসান। কাস্টমার পুরো টাকা আগেই bKash-এ দিয়ে দিলে এই ঘরে ০ লিখবেন।

ওজন লিখবেন প্যাকেটসহ, আন্দাজে কম লিখবেন না। চার্জ ওজন ধরে হয়, কম লিখলে পরে বিলের সাথে আপনার হিসাব মিলবে না। বিশেষ নির্দেশনার ঘরটাও খালি রাখবেন না। "অফিসের ঠিকানা, বিকেল ৫টার পরে দেবেন না" বা "আসার আগে ফোন দিবেন", এমন একটা লাইনেই অনেক ফেরত বাঁচে। একই দিনে ডেলিভারি চাইলে New Delivery-তেই ডেলিভারির ধরন হিসেবে Same Day Delivery সিলেক্ট করতে হয়।

এন্ট্রি দিলে প্রতিটা পার্সেলের একটা কনসাইনমেন্ট আইডি তৈরি হয়। Pathao-র হেল্প সেন্টার বলে, পার্সেলের গায়ে মার্চেন্টের নাম, কনসাইনমেন্ট আইডি, কাস্টমারের নাম, ফোন নম্বর আর ঠিকানা পরিষ্কার করে লিখে দিতে। কাগজের চিরকুটে লিখে আটকে দেবেন না, পার্মানেন্ট মার্কার দিয়ে সরাসরি প্যাকেটের গায়ে লিখুন। চিরকুট পথে খুলে পড়ে যায়, তখন পার্সেলটা কার সেটা আর বোঝা যায় না।

পারলে প্যাক করার আগে আর পরে জিনিসটার ছবি তুলে রাখুন, আর স্কেলে ওজন মেপে নিন। এটাও Pathao-র পরামর্শ। কিছু ভাঙলে বা হারালে অভিযোগ করার সময় ওরা ঠিক এই ছবিগুলোই চায়।

একজন তরুণ ছেলে টেবিলে বসে প্যাক করা পার্সেলের গায়ে পার্মানেন্ট মার্কার দিয়ে কনসাইনমেন্ট আইডি, কাস্টমারের নাম আর ফোন নম্বর লিখছেন, পাশে একটা ছোট ওজন মাপার স্কেল
চিরকুট না, মার্কার দিয়ে সরাসরি প্যাকেটের গায়ে লিখুন। প্যাক করার আগে একটা ছবি আর ওজনও রেখে দিন

অর্ডার বেশি হলে একটা একটা করে এন্ট্রি দিতে অনেক সময় যায়, তখন বাল্ক আপলোড কাজে লাগে। হেল্প সেন্টার অনুযায়ী New Delivery থেকে Bulk Order অপশনে যান। সেখানে "Download Sample CSV" চেপে নমুনা ফাইলটা নামান, প্রতিটা কলামে তার নাম অনুযায়ী তথ্য বসিয়ে সেভ করুন। তারপর "Import CSV" দিয়ে ফাইলটা আপলোড করুন। কোনো লাইনে ভুল থাকলে সেটা লাল হয়ে দেখায়, আর "Go to error" চাপলে সরাসরি ভুলের জায়গায় নিয়ে যায়। ভুল ঠিক করে আবার আপলোড দিলেই হয়।

ফাইলটা Excel-এ খুললে একটা জিনিসে খেয়াল রাখুন। ফোন নম্বরের কলাম সাধারণ সংখ্যা হিসেবে থাকলে Excel শুরুর ০ মুছে দেয়, তখন 017… হয়ে যায় 17…। নম্বর বসানোর আগে পুরো কলামটা Text হিসেবে সেট করে নিন। না হলে এক ফাইলের সব নম্বর একসাথে ভুল হয়ে যাবে, আর রাইডার কোনো কাস্টমারকেই ফোনে পাবেন না।

পাঠাও মার্চেন্ট প্যানেলে টাকা আর ইনভয়েস কোথায় দেখবেন?

শুরুতেই একটা কথা পরিষ্কার করে রাখি। পেমেন্টের ইতিহাস প্যানেলের ঠিক কোন মেনুতে থাকে, সেটা Pathao-র হেল্প সেন্টারে নাম ধরে লেখা নেই। তবে টাকার হিসাব দেখার তিনটা জায়গার কথা ওদের নিজের লেখাতেই আছে। প্রথমটা প্যানেলের পেমেন্ট বা ইনভয়েসের অংশ, স্ক্রিনে যে নামেই দেখাক। দ্বিতীয়টা মার্চেন্ট অ্যাপ, যার বিবরণে "See Invoice Details" ফিচারের কথা লেখা আছে। তৃতীয়টা আপনার ইমেইল, কারণ টার্মসে লেখা আছে প্রতিটা পেমেন্টের পরে মার্চেন্ট ইমেইলে একটা Statement of Payment পান।

টাকা কীভাবে আসবে, সেটা বুঝতে টার্মসের একটা অংশ জানা দরকার। সেখানে দুই রকম ব্যবস্থার কথা লেখা আছে। একটায় কাস্টমারের কাছ থেকে তোলা টাকা থেকে Pathao আগে নিজের চার্জ কেটে রাখে, তারপর বাকিটা আপনাকে পাঠায়। আরেকটায় তোলা টাকা পুরোটাই আপনার কাছে আসে, আর Pathao পরে একটা ইনভয়েস পাঠায়। সেই ইনভয়েসের টাকা ইনভয়েসে লেখা সময়ের মধ্যে আপনাকে Pathao-কে দিতে হয়।

আপনার অ্যাকাউন্ট কোন ব্যবস্থায় চলছে, প্রথম মাসেই সাপোর্টে ফোন দিয়ে জেনে নিন। কেন জানা দরকার, সেটা একটা উদাহরণে দেখি। নিচের সংখ্যাগুলো উদাহরণ, Pathao-র আসল রেট না। ধরুন এক সপ্তাহে ৫০টা পার্সেল ডেলিভারি হলো, কাস্টমারদের কাছ থেকে উঠল ৬০,০০০ টাকা, আর সব চার্জ মিলে হলো ৬,০০০ টাকা।

প্রথম ব্যবস্থায় আপনার অ্যাকাউন্টে আসবে ৫৪,০০০ টাকা, হিসাব সেখানেই শেষ। দ্বিতীয় ব্যবস্থায় আসবে পুরো ৬০,০০০ টাকা। এখন আপনি যদি ভাবেন পুরো টাকাটাই আপনার, আর সবটা দিয়ে নতুন স্টক কিনে ফেলেন, তাহলে কয়েক দিন পরে ৬,০০০ টাকার ইনভয়েস এলে হাতে টাকা থাকবে না। তাই এই ব্যবস্থায় প্রতিটা পেমেন্ট এলেই চার্জের আন্দাজি টাকাটা আলাদা করে সরিয়ে রাখুন।

সপ্তাহে একবার হিসাব মিলিয়ে নিন। প্যানেলের Deliveries অপশনে All চাপলে আপনার সব পার্সেল দেখা যায়। ডেলিভারি হওয়া পার্সেলগুলো ইমেইলের স্টেটমেন্টের সাথে মিলিয়ে দেখুন, কোনটার টাকা এসেছে আর কোনটার আসেনি। কোনোটার টাকা অনেক দিন না এলে সেই কনসাইনমেন্ট আইডি ধরে সাপোর্টে জিজ্ঞেস করুন।

টাকা কত দিনে আসে, সেটা নিয়ে Pathao-র নিজের দুই ব্লগে দুই রকম কথা আছে। মে ২০২৬-এর একটা লেখায় সাধারণ পেআউট পরের কর্মদিবসে বলা হয়েছে। জুন ২০২৬-এর লেখায় বলা হয়েছে ঢাকার ভেতরে ১ থেকে ৩ কর্মদিবস, আর ঢাকার বাইরের ডেলিভারিতে ৭ থেকে ১০ দিন পর্যন্ত। তাই প্রথম দুই সপ্তাহ খাতায় লিখে রাখুন, কোন দিনের ডেলিভারির টাকা কোন দিন এলো। আপনার নিজের অ্যাকাউন্টের সংখ্যাটাই আসল।

ফেরত পার্সেল প্যানেলে কোথায় দেখবেন, হাতে পাবেন কবে?

ফেরত পার্সেলও বাকি সব পার্সেলের সাথে প্যানেলের Deliveries > All লিস্টে থাকে। হেল্প সেন্টার অনুযায়ী সেখান থেকে যেকোনো পার্সেলে চাপ দিলে তার বিস্তারিত দেখা যায়। ফেরতের স্ট্যাটাস ঠিক কোন নামে লেখা থাকে, সেটা Pathao কোথাও লিখে দেয়নি, তাই স্ক্রিনে যা দেখাবে সেটাই ধরবেন। প্রতিদিন একবার এই লিস্টে চোখ বুলিয়ে নিন, তাহলে কোন পার্সেল ফেরতের পথে আছে সেটা আগেভাগে জানবেন।

ফেরত পার্সেল কবে হাতে আসবে, তার একটা মাপ Pathao-র টার্মসে দেওয়া আছে। সেখানে লেখা, পিকআপ থেকে ডেলিভারির চেষ্টা পর্যন্ত পার্সেলটার যত সময় লেগেছিল, ফেরত আসতেও মোটামুটি তত সময় লাগে। মানে ঢাকার ভেতরের পার্সেল তাড়াতাড়ি ফেরে, আর ঢাকা থেকে রংপুরে যাওয়া পার্সেল ফিরতেও কয়েক দিন নেয়। চার্জের কথাও জেনে রাখুন। কুরিয়ার পেজ অনুযায়ী ঢাকার বাইরে থেকে ফেরত এলে ডেলিভারি চার্জের সাথে তার অর্ধেক রিটার্ন চার্জ যোগ হয়, আর ঢাকা মেট্রোর ভেতরে রিটার্ন চার্জ নেই।

অনেক কাস্টমার বলেন "পরশু দিয়ে যান"। হেল্প সেন্টারে লেখা আছে, Pathao এমন পার্সেল সর্বোচ্চ ৩ দিন ধরে রাখতে পারে, কারণ বেশি দিন রাখলে জিনিস নষ্ট হওয়ার ভয় থাকে। এর বেশি সময় দরকার হলে আপনার অ্যাকাউন্ট ম্যানেজারকে জানাতে হয়, অথবা পার্সেলে গিয়ে More থেকে Report Issue দিয়ে লিখে দিতে হয়। কাস্টমার তিন দিনের বেশি সময় চাইলে বরং পার্সেলটা ফেরত এনে পরে নতুন করে পাঠানোর কথা ভাবুন।

কাস্টমারকে আগেই বলে রাখুন, তিনি যেন রাইডারের সামনেই প্যাকেট খুলে জিনিস দেখে নেন। হেল্প সেন্টারে লেখা আছে, কাস্টমার পার্সেল নিয়ে নেওয়ার পরে কোনো অভিযোগ তুললে Pathao সেটা আর তদন্ত করতে পারে না। কোনো ফেরত পার্সেল সময়মতো না এলে বা ভাঙা অবস্থায় এলে Deliveries থেকে সেই পার্সেলে গিয়ে More > Report Issue দিন। সমস্যার ধরন সিলেক্ট করে বিস্তারিত লিখুন, আর ছবি দিন।

ক্ষতিপূরণের সীমাটাও জেনে রাখা দরকার। Pathao-র টার্মসে লেখা আছে, রাইডারের অবহেলায় কিছু হারালে বা নষ্ট হলে আর সেটা প্রমাণ হলে ওরা টাকা দেয়। তবে সেটা ইনভয়েসের দাম আর ১০,০০০ টাকার মধ্যে যেটা কম, তার বেশি হবে না। তাই ২০,০০০ টাকার একটা ফোন বা ঘড়ি পাঠালে প্যাকিংয়ে টাকা বাঁচাতে যাবেন না। হারালে বা ভাঙলে ১০,০০০ টাকার বেশি ফেরত পাবেন না, বাকিটা আপনার লোকসান।

ডেলিভারির পরে কাস্টমার জিনিস বদলাতে চাইলে Deliveries থেকে সেই অর্ডারে গিয়ে More > Reverse Delivery দিন। হেল্প সেন্টার অনুযায়ী এভাবে কাস্টমারের কাছ থেকে জিনিসটা আপনার কাছে ফিরিয়ে আনা যায়।

পাঠাও মার্চেন্ট অ্যাপ নাকি ওয়েব প্যানেল?

দুটোই একই অ্যাকাউন্টে চলে, তাই আসল প্রশ্ন হলো কোন কাজে কোনটা। App Store-এ Pathao Merchant অ্যাপের বিবরণে লেখা আছে, অ্যাপ থেকে অর্ডার বানানো, নোটিফিকেশন পাওয়া, ইনভয়েসের বিস্তারিত দেখা, আর স্টোর ও পেমেন্টের তথ্য চেঞ্জ করা যায়। মানে প্রতিদিনের ছোট কাজগুলো মোবাইলেই হয়ে যায়।

অ্যাপের বিবরণে বাল্ক আপলোডের কথা নেই, আর CSV ফাইল এমনিতেও কম্পিউটারে বানানো সহজ। নিজের ওয়েবসাইটের সাথে Pathao কানেক্ট করার Developer API অপশনও হেল্প সেন্টার অনুযায়ী ওয়েব প্যানেলে থাকে। তাই দিনে কয়েকটা অর্ডার হলে আর আপনি বেশিরভাগ সময় বাইরে থাকলে অ্যাপই যথেষ্ট। দিনে ২০টার বেশি অর্ডার হলে, বা প্রতি সন্ধ্যায় একসাথে সব অর্ডার তুললে, কম্পিউটারে ওয়েব প্যানেল আর বাল্ক আপলোড ধরুন। অনেকে দুটোই চালান, নোটিফিকেশন দেখেন মোবাইলে আর বড় কাজ করেন কম্পিউটারে।

একটা জায়গায় অনেকে গুলিয়ে ফেলেন। Google Play-তে "Pathao Merchant" ছাড়াও "Pathao Pay Merchant" নামে আরেকটা অ্যাপ আছে। দ্বিতীয়টা Pathao Pay-এর জন্য, যেখানে InstaPay-এর টাকা জমা হয়। পার্সেলের এন্ট্রি আর কুরিয়ারের কাজের জন্য নামাবেন প্রথমটা, PATHAO LTD-এর Pathao Merchant।

কখন Pathao-কে নিজের অর্ডার সিস্টেমের সাথে কানেক্ট করবেন?

শুরুর দিকে প্যানেলে হাতে এন্ট্রি দেওয়াই ভালো, এতে প্রতিটা ঘরের মানে বোঝা যায়। ঝামেলা শুরু হয় যখন একই তথ্য দুই-তিনবার লিখতে হয়। প্রথমে ইনবক্স থেকে খাতায়, তারপর খাতা থেকে CSV-তে, তারপর Pathao-তে। প্রতিবার কপি করার সময় নম্বরের একটা অঙ্ক বা টাকার একটা শূন্য ভুল হওয়ার সুযোগ থাকে। আর একটা ভুলের দাম প্রায়ই একটা ফেরত পার্সেল।

নিজের জন্য একটা সহজ মাপ রাখুন। প্রতিদিন বাল্ক আপলোডের ফাইল বানাতেই যদি আধা ঘণ্টার বেশি যায়, অথবা আপনি Pathao-র পাশাপাশি আরেকটা কুরিয়ারও চালান, তাহলে এমন একটা অর্ডার সিস্টেম দরকার যেখানে অর্ডার একবার ঢুকলে সেখান থেকেই কুরিয়ারে চলে যায়।

WinningSeller-এ Steadfast, Pathao, RedX, Paperfly, Carrybee আর eCourier, এই ছয়টা কুরিয়ার কানেক্ট করা যায়। Pathao কানেক্ট করতে প্যানেলের Developer API অংশ থেকে Client ID আর Client Secret আনতে হয়, সাথে লাগে আপনার মার্চেন্ট ইমেইল আর পাসওয়ার্ড। একবার বসিয়ে কোন স্টোর থেকে পিকআপ হবে সেটা সিলেক্ট করলেই কাজ শেষ। এরপর কনফার্ম করা অর্ডার এক ক্লিকে Pathao-তে পার্সেল হয়ে যায়, অনেকগুলো একসাথেও পাঠানো যায়, আর পার্সেলের স্ট্যাটাস নিজে থেকে আপডেট হয়। নতুন অর্ডারের পাশে নম্বর দিয়ে ফ্রড চেকও দেখা যায়। নিজের কয়েকটা অর্ডার দিয়ে আগে চালিয়ে দেখতে পারেন (প্রথম মাস মাত্র ৯৯ টাকা, তারপর রেগুলার দাম)।

তবে এই পরামর্শ সবার জন্য না। আপনি যদি দিনে ৫ থেকে ১০টা পার্সেল পাঠান, তাহলে Pathao-র অ্যাপ আর প্যানেলই যথেষ্ট, আলাদা কিছু লাগবে না। আজকের কাজ চারটা। অ্যাকাউন্টটা খুলুন, পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করুন, স্টোর আর পেমেন্ট মেথড ঠিকঠাক বসান। তারপর প্রথম পার্সেলটা বিকেল ৪টার আগে এন্ট্রি দিন। বাকিটা অর্ডার বাড়লে দেখবেন।

সাধারণ প্রশ্ন

পাঠাও মার্চেন্ট একাউন্ট খুলতে কি ট্রেড লাইসেন্স বা ফেসবুক পেজ লাগে?

না, সাইন আপের জন্য লাগে না। Pathao-র সাইন আপ ফর্মে শুধু ব্যবসার নাম, মালিকের নাম, মোবাইল নম্বর আর ইমেইল চাওয়া হয়, ট্রেড লাইসেন্সের কথা সেখানে নেই। হেল্প সেন্টারেও ওরা লিখেছে, মার্চেন্ট হতে ফেসবুক পেজ বা ওয়েবসাইট থাকা বাধ্যতামূলক না। তবে ব্যবসা নিয়মিত চললে ট্রেড লাইসেন্স করে রাখা ভালো, কারণ ব্যাংক আর মার্চেন্ট পেমেন্টের কাজে পরে এটা লাগে।

পাঠাও মার্চেন্ট একাউন্ট খুলতে কত টাকা লাগে?

অ্যাকাউন্ট খুলতে কোনো টাকা লাগে না। ২০২৬ সালের অক্টোবরে Pathao-র কুরিয়ার পেজে বা মার্চেন্ট টার্মসে সাইন আপ ফি-র কোনো কথা নেই। খরচ আসে প্রতিটা পার্সেলের ডেলিভারি চার্জ, COD চার্জ আর ঢাকার বাইরে থেকে ফেরতের চার্জ থেকে। কোন চার্জ কত, সেটা Steadfast আর RedX-এর সাথে পাশাপাশি রেখে আমাদের কুরিয়ার তুলনার লেখায় দেখানো আছে।

পার্সোনাল bKash নম্বর দিয়ে কি Pathao থেকে পেমেন্ট নেওয়া যায়?

হ্যাঁ, যায়। Pathao-র কুরিয়ার পেজে লেখা আছে, bKash-এ টাকা নিতে চাইলে শুধু পার্সোনাল bKash অ্যাকাউন্টই দেওয়া যায়। ব্যাংকে নিতে চাইলে সেভিংস বা কারেন্ট, দুই রকম অ্যাকাউন্টই চলে।

Pathao থেকে কুরিয়ারের টাকা কবে আসে?

ঢাকার ভেতরের ডেলিভারিতে সাধারণত ১ থেকে ৩ কর্মদিবসে, ঢাকার বাইরে ৭ থেকে ১০ দিন পর্যন্ত লাগতে পারে। এই হিসাব Pathao-র নিজের জুন ২০২৬-এর ব্লগে লেখা। তাড়াতাড়ি চাইলে InstaPay আছে, তবে এর জন্য ফি দিতে হয়। প্রথম কয়েক সপ্তাহ নিজের অ্যাকাউন্টে কোন দিনের টাকা কবে এলো লিখে রাখুন, সেটাই আপনার আসল হিসাব।

পাঠাও মার্চেন্ট প্যানেলে লগইন হচ্ছে না, কী করব?

আগে ব্রাউজারের cache আর cookies ক্লিয়ার করে আবার লগইন করুন, তারপর Ctrl+Shift+R চেপে পেজটা রিফ্রেশ দিন। Pathao-র হেল্প সেন্টার এটাই করতে বলে। পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে প্যানেলের রিসেট পাসওয়ার্ড অপশন থেকে ইমেইলে লিংক নিয়ে আবার ঢুকতে পারবেন। তাতেও না হলে মার্চেন্ট হেল্পলাইনে ফোন দিন।

পাঠাও মার্চেন্ট হেল্পলাইন নম্বর কত?

Pathao-র কুরিয়ার সাপোর্টের নম্বর 09610-003030, সকাল ৯টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত ফোন করা যায়। হেল্প সেন্টার থেকে Messenger-এ মেসেজ পাঠানোর অপশনও আছে। কোনো নির্দিষ্ট পার্সেলের সমস্যা হলে প্যানেল থেকে Report Issue দিন, তাহলে কনসাইনমেন্ট আইডিসহ রেকর্ড থাকে।

#Pathao#পাঠাও মার্চেন্ট একাউন্ট#পাঠাও মার্চেন্ট প্যানেল#পাঠাও মার্চেন্ট অ্যাপ#পার্সেল এন্ট্রি#কুরিয়ার

আরও পড়ুন

হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল না গ্রুপ? পুরনো কাস্টমারকে নতুন মালের খবর দিন

নতুন কালেকশনের খবর পুরনো কাস্টমারকে দিতে চান, কিন্তু চ্যানেল খুলবেন, গ্রুপ, না স্ট্যাটাস? কে কার নম্বর দেখে, কে উত্তর দিতে পারে, চ্যানেল খোলার ধাপ, কী পোস্ট দেবেন, গ্রুপের নিয়ম আর ঝুঁকি, আর এক মাসে কোনটায় কত সময় যায়, হিসাবসহ।

·১১ মিনিটে পড়া যায়

শার্ট, প্যান্ট আর টি-শার্টের সাইজ চার্ট বানাবেন যেভাবে, ফেরত কমবে

সাপ্লায়ারের ট্যাগে M লেখা, অথচ কাস্টমার বলেন টাইট। টি-শার্ট, শার্ট আর প্যান্ট টেবিলে বিছিয়ে ফিতা দিয়ে মাপার নিয়ম, ইঞ্চিতে নিজের সাইজ চার্ট বানানো, কাস্টমারকে নিজের শার্ট মেপে সাইজ বাছতে শেখানো, আর একটা ভুল সাইজে কত টাকা যায়, হিসাবসহ।

·১১ মিনিটে পড়া যায়

প্রোডাক্ট ক্যাটালগ ও প্রাইস লিস্ট বানানোর নিয়ম, পাইকার আর অফিসের জন্য

পাইকার, রিসেলার বা অফিসের লোক বলছেন "ক্যাটালগ আর রেট দেন"? প্রতিটা প্রোডাক্টে কী লিখবেন, খুচরা আর পাইকারি দাম কেন আলাদা ফাইলে, পরিমাণ ধরে দামের ধাপ টাকায়, PDF না লিংক, আর দাম বদলালে পুরনো কপি থামাবেন কীভাবে।

·১১ মিনিটে পড়া যায়