WinningSeller
মার্কেটিং ও ল্যান্ডিং পেজ১৪ মিনিটে পড়া যায়

ROAS কি? অ্যাডের ১০০ টাকায় কত টাকার ডেলিভারি এলে লাভ

ROAS মানে অ্যাডের ১ টাকায় কত টাকার বিক্রি এলো। ক্যাশ অন ডেলিভারির ব্যবসায় Ads Manager-এর ROAS কেন বেশি দেখায়, নিজের মার্জিনে ব্রেক-ইভেন ROAS কত, আর ডেলিভারি আর ক্যাম্পেইন ধরে আসল ROAS বের করার নিয়ম, টাকার উদাহরণসহ।

ROAS কি? অ্যাডের ১০০ টাকায় কত টাকার ডেলিভারি এলে লাভ
এই লেখায় যা আছে
  1. ROAS কি, এক লাইনে আর একটা উদাহরণে
  2. Ads Manager-এর ROAS আর আসল ROAS আলাদা কেন?
  3. ব্রেক-ইভেন ROAS, কত ROAS-এর নিচে আপনার লস?
  4. ডলার রেট আর ভ্যাট ধরে অ্যাড খরচ টাকায়
  5. ডেলিভারি ধরে ROAS বের করবেন যেভাবে
  6. ক্যাম্পেইন ধরে আলাদা হিসাব, UTM লিংক দিয়ে
  7. অর্ডারপ্রতি অ্যাড খরচ নাকি ROAS, কোনটা কখন দেখবেন?
  8. ROAS দেখে কখন বাজেট বাড়াবেন, কখন বন্ধ করবেন?
  9. আজ কোথা থেকে শুরু করবেন

ROAS কি, এক কথায় বললে এটা হলো অ্যাডে ১ টাকা খরচ করে কত টাকার বিক্রি এলো, তার হিসাব। ROAS মানে Return on Ad Spend। ১০০ টাকার অ্যাডে ৩০০ টাকার বিক্রি এলে ROAS ৩। কিন্তু ক্যাশ অন ডেলিভারির ব্যবসায় এখানে একটা বড় ফাঁদ আছে। বিক্রি গুনতে হবে শুধু সেই অর্ডার থেকে, যেটা ডেলিভারি হয়ে টাকা হাতে এসেছে। আর ROAS কত হলে লাভ, সেটা কেউ বাইরে থেকে বলে দিতে পারবেন না। সেটা ঠিক হয় আপনার নিজের প্রোডাক্টের মার্জিন দিয়ে। কারও জন্য ২.৫ মানেই লাভ, আবার কারও জন্য ৪-ও লস।

একটা দৃশ্য ভাবুন। রাত এগারোটায় Ads Manager খুলে দেখলেন ROAS লেখা ৪, মনটা ভালো হয়ে গেল। পরদিন সকালে বাজেট দ্বিগুণ করে দিলেন। মাস শেষে কুরিয়ারের পেমেন্ট আর কার্ডের বিল পাশাপাশি রেখে দেখলেন, হাতে প্রায় কিছুই থাকেনি, উল্টো নতুন স্টক তোলার টাকায় টান পড়েছে। এমন হলে দোষটা আপনার খাটুনির না। দোষটা ছিল কোন সংখ্যাটাকে বিশ্বাস করেছেন, সেখানে। নিচে একটা খাতা আর ক্যালকুলেটর দিয়েই নিজের আসল ROAS আর নিজের ব্রেক-ইভেন ROAS বের করার পুরো নিয়মটা দেখাচ্ছি।

ROAS কি, এক লাইনে আর একটা উদাহরণে

সূত্রটা খুব ছোট।

ROAS = অ্যাড থেকে আসা বিক্রি ÷ অ্যাড খরচ

ধরুন এক সপ্তাহে ফেসবুক অ্যাডে ৫,০০০ টাকা খরচ করলেন, আর সেই অ্যাড থেকে আসা অর্ডারে ১৫,০০০ টাকার বিক্রি হলো। তাহলে ROAS হলো ১৫,০০০ ভাগ ৫,০০০, মানে ৩। কেউ কেউ এটাকে শতাংশে বলেন, ৩০০%। দুটোর মানে একই, অ্যাডের প্রতি ১ টাকায় ৩ টাকার বিক্রি।

এখানে সবচেয়ে বড় ভুলটা হয় একটা জায়গায়। অনেকে ROAS ৩ শুনে ভাবেন, অ্যাডের তিন গুণ লাভ হয়েছে। আসলে ROAS লাভ মাপে না, বিক্রি মাপে। ওই ১৫,০০০ টাকা থেকে প্রোডাক্টের কেনা দাম যাবে, কুরিয়ার চার্জ যাবে, প্যাকেজিং যাবে, ফেরত আসা পার্সেলের খরচ যাবে। তারপর অ্যাডের ৫,০০০ টাকা বাদ দিলে যা থাকে, সেটা লাভ। কম মার্জিনের প্রোডাক্টে সেই অঙ্কটা শূন্যও হতে পারে।

আরেকটা শব্দ প্রায়ই পাশাপাশি শোনেন, ROI। ROI দেখে সব খরচ বাদ দিয়ে কত লাভ থাকল, আর ROAS দেখে শুধু অ্যাডের টাকার বিপরীতে কত বিক্রি এলো। ROAS তাই একটা মাঝপথের সংখ্যা। এটা কাজে লাগে তখনই, যখন জানেন আপনার প্রোডাক্টে কত ROAS-এর নিচে নামলে লস শুরু হয়। সেটা একটু পরে বের করব।

Ads Manager-এর ROAS আর আসল ROAS আলাদা কেন?

Meta-র Business Help Centre-এর "Purchases ROAS" পেজে হিসাবটা এভাবে লেখা আছে। Purchase-এর মোট দামকে খরচ করা টাকা দিয়ে ভাগ করা হয়, আর Purchase-এর খবর আসে আপনার পিক্সেল বা Conversions API-র মতো Meta-র টুল থেকে। একই পেজে এটাও বলা আছে, কিছু ক্ষেত্রে সংখ্যাটা আন্দাজ করে বসানো হয়। মানে Ads Manager ঠিক ততটুকুই জানে, যতটুকু আপনার ওয়েবসাইট তাকে জানিয়েছে। COD দোকানে এই জানানোটাই চার জায়গায় গোলমাল করে।

সবচেয়ে বড় গোলমালটা হয় Purchase কখন যায়, সেখানে। অনেক ওয়েবসাইট অর্ডার জমা পড়ার সাথে সাথেই Purchase পাঠায়। তখন ফেক অর্ডার, কনফার্ম কলে বাতিল হওয়া অর্ডার আর দরজা থেকে ফেরত আসা পার্সেল, সবই ফেসবুকের কাছে বিক্রি। পরে পার্সেল ফেরত এলেও ফেসবুক সেটা জানে না, তাই ROAS থেকে ওই টাকা আর কমে না। কখন Purchase পাঠানো ঠিক, সেটা ফেসবুক পিক্সেল আর Conversions API-র লেখায় তিনটা উপায় পাশাপাশি রেখে বলা আছে।

খরচের দিকেও হিসাব মেলে না। Meta-র VAT-এর হেল্প পেজে লেখা আছে, আপনার দৈনিক বাজেটে VAT ধরা থাকে না, VAT যোগ হয় বিলের সময়। Ads Manager-এর খরচের ঘরটাও তাই আপনার কার্ড থেকে আসলে যত টাকা কাটল, তার চেয়ে কম দেখায়। এর ওপর ব্যাংকের ডলার রেটের ফারাক তো আছেই।

আরেকটা কথা, Ads Manager আপনার কেনা দাম জানে না। ১,০৫০ টাকার একটা ইয়ারফোন আর ১,৩০০ টাকার একটা পাঞ্জাবি তার কাছে শুধুই দুটো বিক্রি, অথচ একটায় আপনার হাতে থাকে ১৮০ টাকা আর আরেকটায় ৫৭০ টাকা। তাই একই ROAS ৪ একটা দোকানে ভালো লাভ, আরেকটায় লস। শেষ ফারাকটা ছোট, কিন্তু আছে। ফেসবুক নিজের হিসাবে কোন অর্ডারকে নিজের অ্যাডের ফল ধরবে, সেই নিয়ম ফেসবুকের, আপনার খাতার না।

এবার টাকায় দেখুন। নিচের সব সংখ্যা বোঝানোর জন্য ধরে নেওয়া, কোনো আসল দোকানের হিসাব না।

ধরুন আপনি একটা পাঞ্জাবি বিক্রি করেন। কাস্টমার পাঞ্জাবির ১,২০০ টাকা আর ডেলিভারি চার্জ ১০০ টাকা মিলিয়ে মোট ১,৩০০ টাকা দেন। এক মাসে Ads Manager-এ খরচ দেখাচ্ছে ২৬,০০০ টাকার সমান, আর Purchase দেখাচ্ছে ৮০টা। ৮০ গুণ ১,৩০০ মানে ১,০৪,০০০ টাকা, ভাগ ২৬,০০০। Ads Manager-এর ROAS তাই ৪।

এবার নিজের খাতা খুলুন। ৮০টা অর্ডারের ১২টা কনফার্ম কলেই বাতিল হলো, পাঠালেন ৬৮টা। তার মধ্যে ১৩টা ফেরত এলো, ডেলিভারি হলো ৫৫টা। ৫৫ গুণ ১,৩০০ মানে হাতে এলো ৭১,৫০০ টাকা। আর কার্ডের স্টেটমেন্টে VAT আর ডলার রেট মিলিয়ে কাটা গেছে ৩০,০০০ টাকা। আসল ROAS হলো ৭১,৫০০ ভাগ ৩০,০০০, মানে প্রায় ২.৩৮। যে সংখ্যা দেখে আপনি বাজেট দ্বিগুণ করেছিলেন, সেটা ছিল ৪। আসলটা ২.৩৮।

অ্যাডের রিপোর্টের হিসাবে ROAS ৪ আর নিজের খাতার হিসাবে ROAS ২.৩৮ পাশাপাশি, মাঝে ৮০টা অর্ডার থেকে বাতিল আর ফেরত বাদ দিয়ে ৫৫টা ডেলিভারিতে নামার হিসাব
অ্যাডের রিপোর্টের ROAS আর খাতার ROAS প্রায়ই মেলে না, আর টাকা আসে খাতার হিসাবেই

তার মানে এই না যে Ads Manager-এর ROAS ফেলে দেবেন। একই দোকানের দুটো অ্যাডের মধ্যে কোনটা ভালো চলছে, রোজকার সেই তুলনায় সংখ্যাটা কাজের। কিন্তু বাজেট বাড়ানো, প্রোডাক্ট বন্ধ করা বা স্টক তোলার মতো টাকার সিদ্ধান্ত নেবেন নিজের খাতার ROAS দেখে।

ব্রেক-ইভেন ROAS, কত ROAS-এর নিচে আপনার লস?

ব্রেক-ইভেন মানে যে জায়গায় লাভও নেই, লসও নেই। ব্রেক-ইভেন ROAS হলো সেই ROAS, যেখানে অ্যাডের টাকা ঠিক উঠে আসে, কিন্তু আর এক টাকাও বাড়তি থাকে না। এর ওপরে থাকলে লাভ, নিচে নামলে প্রতিটা ডেলিভারিতে পকেট থেকে টাকা যায়। এই একটা সংখ্যা জানা থাকলে Ads Manager-এর ৪ দেখে আর মন ভোলে না।

বের করতে দুটো সংখ্যা লাগবে। এক, ডেলিভারি হওয়া একটা অর্ডার থেকে কত টাকা আসে। দুই, অ্যাডের খরচ ধরার আগে সেই অর্ডারে আপনার হাতে কত থাকে।

ব্রেক-ইভেন ROAS = ডেলিভারিপ্রতি বিক্রি ÷ অ্যাডের আগে ডেলিভারিপ্রতি হাতে থাকা টাকা

ওপরের পাঞ্জাবি দিয়েই কষে দেখি। কাস্টমার দেন ১,৩০০ টাকা। পাঞ্জাবি কিনতে পড়ে ৫৫০ টাকা, পলি আর ইনভয়েস মিলিয়ে প্যাকেজিং ৩০ টাকা, কুরিয়ার চার্জ ১০০ টাকা। কুরিয়ার পাঞ্জাবির ১,২০০ টাকার ওপর ধরুন ১% COD চার্জ কাটে, মানে ১২ টাকা। এই চারটা বাদ দিলে হাতে থাকে ৬০৮ টাকা।

এখানে থামলে ভুল হবে, কারণ ফেরত আসা পার্সেলের খরচও এই ডেলিভারি হওয়া অর্ডারগুলোকেই মেটাতে হয়। ধরুন ১০টা পাঠালে ২টা ফেরত আসে, আর প্রতিটা ফেরতে কুরিয়ার চার্জ আর নষ্ট প্যাকেট মিলে যায় ১৫০ টাকা। দুটো ফেরতে ৩০০ টাকা, সেটা বাকি ৮টা ডেলিভারিতে ভাগ করলে প্রতিটায় সাড়ে ৩৭ টাকা। গোল করে ৩৮ বাদ দিলে অ্যাডের আগে ডেলিভারিপ্রতি হাতে থাকে ৫৭০ টাকা। প্রতিটা খরচের লাইন কীভাবে খুঁজে বের করবেন, সেটা প্রোডাক্টের দাম নির্ধারণের লেখায় একটা একটা করে বলা আছে।

এবার ভাগ করুন। ১,৩০০ ভাগ ৫৭০ মানে প্রায় ২.২৮। এটাই এই পাঞ্জাবির ব্রেক-ইভেন ROAS। টাইটেলের প্রশ্নের উত্তরটাও এখান থেকে আসে। এই প্রোডাক্টে অ্যাডের প্রতি ১০০ টাকায় অন্তত ২২৮ টাকার ডেলিভারি না এলে আপনি লসে আছেন। ওপরের মাসে আসল ROAS ছিল ২.৩৮, ব্রেক-ইভেনের মাত্র একটু ওপরে। হিসাব করলে দেখবেন, ৩০,০০০ টাকার অ্যাড চালিয়ে আর ৮০ জনকে ফোন করে পুরো মাসে লাভ থেকেছে দেড় হাজার টাকার মতো।

একই নিয়মে তিনটা আলাদা প্রোডাক্ট পাশাপাশি রাখলে দেখবেন, "ভালো ROAS" কথাটার আসলে কোনো মানে নেই। এগুলোও ধরে নেওয়া সংখ্যা, প্রতিটার সব খরচ আর ফেরতের ভাগ বাদ দিয়ে।

প্রোডাক্ট (উদাহরণ) ডেলিভারিপ্রতি বিক্রি অ্যাডের আগে হাতে থাকে ব্রেক-ইভেন ROAS
পাঞ্জাবি ১,৩০০ টাকা ৫৭০ টাকা প্রায় ২.২৮
এক কেজি মধু ৯৫০ টাকা ৩৮০ টাকা ২.৫
ব্লুটুথ ইয়ারফোন ১,০৫০ টাকা ১৮০ টাকা প্রায় ৫.৮৩

ইয়ারফোনের লাইনটা আরেকবার দেখুন। এখানে Ads Manager-এ ROAS ৪ দেখে কেউ খুশি হয়ে বাজেট বাড়ালে প্রতিটা ডেলিভারিতে অ্যাডেই যাচ্ছে ১,০৫০ ভাগ ৪, মানে প্রায় ২৬৩ টাকা। অথচ হাতে থাকে ১৮০ টাকা। প্রতিটা খুশির অর্ডারে ৮৩ টাকার মতো লস।

একটা সহজ বার চার্ট, বাঁ দিকে ১০০ টাকার অ্যাড, পাশে তিনটা উদাহরণ প্রোডাক্টের জন্য লস এড়াতে কত টাকার ডেলিভারি লাগে, পাঞ্জাবি ২২৮, মধু ২৫০ আর ইয়ারফোন ৫৮৩ টাকা
উদাহরণের তিন প্রোডাক্ট, অ্যাডের ১০০ টাকায় লস এড়াতে কত টাকার ডেলিভারি লাগে

ব্রেক-ইভেনে থাকা মানে কিন্তু টিকে থাকা না। দোকান ভাড়া, স্টাফের বেতন আর নিজের সময় তো এই হিসাবে নেই। তাই আরেকটা সংখ্যা বানিয়ে নিন, টার্গেট ROAS। ধরুন পাঞ্জাবির প্রতিটা ডেলিভারিতে অ্যাডের পরে অন্তত ১৫০ টাকা রাখতে চান। তাহলে অ্যাডে খরচ করতে পারবেন ৫৭০ থেকে ১৫০ বাদ দিয়ে ৪২০ টাকা। ১,৩০০ ভাগ ৪২০ মানে প্রায় ৩.১। এই দোকানের টার্গেট ROAS তাই ৩.১, আর ব্রেক-ইভেন ২.২৮।

ডলার রেট আর ভ্যাট ধরে অ্যাড খরচ টাকায়

ROAS-এর ভাগের নিচের সংখ্যাটা, মানে অ্যাড খরচ, ভুল হলে পুরো হিসাবই ভুল। তাই অ্যাড খরচ লিখবেন Ads Manager থেকে না, যেখান থেকে টাকা আসলে বের হয়েছে সেখান থেকে। ডলার কার্ডে চালালে কার্ডের স্টেটমেন্ট, এজেন্সি দিয়ে চালালে এজেন্সিকে bKash বা ব্যাংকে যত টাকা পাঠিয়েছেন, সেই অঙ্ক।

কারণটা সহজ। Ads Manager-এর অঙ্কের সাথে বিলে VAT যোগ হয়, ব্যাংক নিজের রেটে ডলার কাটে, আর এজেন্সি ডলারপ্রতি নিজের রেট নেয়। এই ফারাক প্রতি মাসেই থাকে, আর ওপরের উদাহরণে সেটা ছিল ২৬,০০০ আর ৩০,০০০ টাকার ফারাক। VAT-এর হার কত, ডলার কোন রেটে কাটে আর একেকটা বিল কেন আটকে যায়, সেগুলো ডুয়েল কারেন্সি কার্ডের লেখায় সোর্সসহ বলা আছে।

আরেকটা জিনিস প্রায় সবাই বাদ দেন। নিজের পার্সোনাল কার্ড থেকে মাঝে মাঝে দুই-তিনশো টাকার যে বুস্ট দেন, সেটাও অ্যাড খরচ। ছোট বলে খাতায় না তুললে মাস শেষে ROAS একটু ভালো দেখায়, আর সেই একটুর দাম দেন পরের মাসের সিদ্ধান্তে।

ডেলিভারি ধরে ROAS বের করবেন যেভাবে

এবার পুরো কাজটা হাতে-কলমে। একটা খাতা বা Google Sheet নিন, আর প্রতি সপ্তাহের জন্য একটা লাইন রাখুন। সাতটা কলাম রাখবেন, সপ্তাহ, অ্যাড খরচ টাকায়, অর্ডার এলো, কুরিয়ারে পাঠালেন, ডেলিভারি হলো, ফেরত এলো, আর ডেলিভারি হওয়া অর্ডার থেকে আসা মোট টাকা।

প্রতি রাতে দুই মিনিটে অর্ডার আর পাঠানোর ঘরটা ভরে রাখুন। ডেলিভারি আর ফেরতের ঘর ভরবেন কুরিয়ারের প্যানেল দেখে, পার্সেলের ফয়সালা হলে। এখানে একটা ধৈর্যের ব্যাপার আছে। সোমবারের অর্ডার ঢাকার বাইরে পৌঁছাতে আর টাকা হতে কয়েক দিন লাগে। তাই এই সপ্তাহের লাইনটা পুরোপুরি পাকা হবে পরের সপ্তাহের শেষে। যেসব পার্সেল এখনো কুরিয়ারের কাছে, সেগুলো আলাদা করে লিখে রাখুন, কিন্তু বিক্রির ঘরে তুলবেন না। কুরিয়ারের কাছে থাকা পার্সেল এখনো টাকা না, শুধু কাস্টমারের দেওয়া কথা।

লাইন পাকা হলে সূত্র বসান।

আসল ROAS = ডেলিভারি হওয়া অর্ডার থেকে আসা টাকা ÷ টাকায় অ্যাড খরচ

কাস্টমার পার্সেলের একটা অংশ রেখে বাকিটা ফেরত দিলে বিক্রির ঘরে লিখবেন শুধু যত টাকা আসলে এসেছে, অর্ডারের পুরো অঙ্ক না। আর মাসে একবার চার সপ্তাহের লাইন যোগ করে মাসের ROAS বের করুন। এক সপ্তাহের ROAS ঈদের ভিড় বা বৃষ্টির দিনে অনেক ওঠানামা করে, মাসেরটা অনেক বেশি শান্ত।

এই হিসাবটা প্রথম দুই-তিন সপ্তাহ হাতে করলে আপনার চোখ খুলে যাবে, কারণ কোন সংখ্যা কোথা থেকে আসছে নিজে দেখবেন। তারপর চাইলে কাজটা সিস্টেমকে দিতে পারেন। WinningSeller-এর হিসাব-নিকাশ পেজে অ্যাডের খরচ লেখেন নিজেই, কার্ডের বিল দেখে টাকায়, আর সাথে বলে দেন কোন প্ল্যাটফর্মের অ্যাড, Facebook, Google Ads না TikTok। সারাংশে "ROAS (অ্যাডের ফল)" আর "অর্ডারপ্রতি অ্যাড খরচ" হিসাব হয় শুধু ডেলিভারড অর্ডার ধরে, আর কুরিয়ারের কাছে থাকা অর্ডারগুলো আলাদা লাইনে দেখায়, ডেলিভারি হলে তবে যোগ হয়। প্রোডাক্টে কেনা দাম দেওয়া না থাকলে পেজ নিজেই জানিয়ে দেয় যে লাভ আসলের চেয়ে বেশি দেখাচ্ছে। হিসাবের বাইরে আর কী কী করে, সেটা WinningSeller-এর সব ফিচারের পেজে দেখে নিতে পারেন।

ক্যাম্পেইন ধরে আলাদা হিসাব, UTM লিংক দিয়ে

দোকানের মোট ROAS ২.৫ হলে মনে হতে পারে সব ঠিক আছে। অথচ ভেতরে হয়তো একটা ক্যাম্পেইন চলছে ৪-এ, আরেকটা ১.২-এ। মোট সংখ্যাটা ভালো ক্যাম্পেইনের লাভ দিয়ে খারাপটার লস ঢেকে রাখে। তাই প্রতিটা ক্যাম্পেইনের ROAS আলাদা দেখতে হয়, আর এর জন্য জানতে হয় কোন অর্ডার কোন অ্যাড থেকে এসেছে।

এই কাজটা করে UTM। UTM হলো লিংকের শেষে জুড়ে দেওয়া কয়েকটা ছোট লেবেল, যা পড়ে বোঝা যায় মানুষটা কোথা থেকে এসেছেন। Google-এর Analytics হেল্পের "URL builders" পেজে তিনটা প্রধান লেবেলের কথা বলা আছে। utm_source মানে কোথা থেকে এলো, যেমন facebook। utm_medium মানে কোন মাধ্যমে, যেমন paid বা email। আর utm_campaign মানে কোন ক্যাম্পেইন বা অফার, যেমন eid_panjabi। ওই পেজেই Google-এর Campaign URL Builder টুলের কথা আছে, যেখানে ঘর ভরে দিলেই পুরো লিংক বানিয়ে দেয়।

একটা লিংক দেখতে এমন হয়।

https://apnarshop.com/panjabi?utm_source=facebook&utm_medium=paid&utm_campaign=eid_panjabi

সবচেয়ে সহজ উপায় হলো ফেসবুকে অ্যাড বানানোর সময় Website URL ঘরে পুরো লিংকটাই বসিয়ে দেওয়া। Ads Manager-এ অ্যাডের Tracking অংশে URL parameters নামেও একটা ঘর থাকে, ওখানে প্রশ্নবোধক চিহ্নের পরের অংশটা দিলেও প্রতিটা ক্লিকের লিংকে এটা জুড়ে যায়। নাম দেওয়ার সময় তিনটা জিনিস মানবেন। ছোট হাতের ইংরেজি অক্ষরে লিখবেন, স্পেস না দিয়ে আন্ডারস্কোর দেবেন, আর খাতায় অ্যাড খরচ লেখার সময় হুবহু একই নাম লিখবেন। এক জায়গায় "Eid Panjabi" আর আরেক জায়গায় "eid-panjabi" থাকলে দুটো আর মেলে না।

ওয়েবসাইট যদি অর্ডারের সাথে লিংকের utm_campaign সেভ করে রাখে, তাহলে সপ্তাহ শেষে প্রতিটা ক্যাম্পেইনের ডেলিভারি হওয়া অর্ডার আলাদা করে যোগ করা যায়। ইনবক্সে নেওয়া অর্ডারে লিংক থাকে না, তাই সেখানে এই হিসাব মেলে না। যাঁরা পুরোটাই ইনবক্সে চালান, তাঁরা অন্তত প্রতিটা ক্যাম্পেইনে আলাদা একটা অফার কোড দিতে পারেন, কাস্টমার কোডটা বললেই বোঝা যায় কোন অ্যাড থেকে এসেছেন।

WinningSeller-এ এই মেলানোর কাজটা নিজে থেকেই হয়। অ্যাড খরচ লেখার সময় "কোন ক্যাম্পেইন" ঘরে নামটা দিলে, সেটা অর্ডারের utm_campaign-এর সাথে মিলিয়ে নেওয়া হয়, বড় হাতের বা ছোট হাতের অক্ষরের ফারাক ধরে না। তারপর "ক্যাম্পেইনভিত্তিক ফল" টেবিলে প্রতিটা ক্যাম্পেইনের অ্যাড খরচ, ডেলিভারড অর্ডার, রিটার্ন আর ROAS পাশাপাশি দেখায়, আর প্রোডাক্টে কেনা দাম দেওয়া থাকলে লাভও। কোন অর্ডার কোন প্ল্যাটফর্মের অ্যাড থেকে এলো, সেটাও লিংক দেখে বোঝা হয়। ফেসবুক, Google আর TikTok প্রতিটা ক্লিকের লিংকে নিজের একটা চিহ্ন জুড়ে দেয় (fbclid, gclid, ttclid), সেটা না থাকলে utm_source দেখা হয়।

টেবিলে চোখ রাখলেই যে সিদ্ধান্তটা আসে, সেটা অবশ্য আপনার। ১.২ ROAS-এর ক্যাম্পেইন বন্ধ করার আগে দেখে নিন সমস্যাটা অ্যাডে না প্রোডাক্টে। একই প্রোডাক্টের আরেকটা ক্যাম্পেইন ভালো চললে দোষ অ্যাডের ছবি বা অডিয়েন্সের। সব ক্যাম্পেইনেই খারাপ হলে দোষ দাম, অফার বা প্রোডাক্টের।

অর্ডারপ্রতি অ্যাড খরচ নাকি ROAS, কোনটা কখন দেখবেন?

অনেক সেলার ROAS না দেখে দেখেন একটা ডেলিভারি আনতে অ্যাডে কত গেল। দুটো আসলে একই হিসাবের দুই চেহারা, কিন্তু দুটো আলাদা জায়গায় কাজে লাগে।

অর্ডারপ্রতি অ্যাড খরচ সহজ, যখন আপনি একটাই প্রোডাক্ট একই দামে বেচেন। পাঞ্জাবির উদাহরণে অ্যাডের আগে হাতে থাকে ৫৭০ টাকা। তাই ডেলিভারিপ্রতি অ্যাড খরচ ৫৭০-এর নিচে থাকলেই বুঝবেন লাভে আছেন, ভাগ-গুণের দরকার নেই। শুধু একটা জিনিস মেলাবেন। ৫৭০ টাকাটা ডেলিভারিপ্রতি হিসাব, তাই অ্যাড খরচও ভাগ করবেন ডেলিভারি হওয়া অর্ডার দিয়ে। নেওয়া অর্ডার দিয়ে ভাগ করলে খরচটা কম দেখাবে, তখন ব্রেক-ইভেনটাও সেই হারে কমিয়ে নিতে হয়, নইলে দুটো আর মেলে না।

ROAS দরকার হয় যখন অর্ডারের অঙ্ক এক থাকে না। ধরুন একই পাঞ্জাবির দুটো ক্যাম্পেইন চালাচ্ছেন। ক্যাম্পেইন ক-তে একটা পাঞ্জাবি, কাস্টমার দেন ১,৩০০ টাকা। ক্যাম্পেইন খ-তে দুটো পাঞ্জাবির কম্বো, কাস্টমার দেন ২,৫০০ টাকা। ক-তে একটা ডেলিভারি আনতে অ্যাডে যায় ৪৫০ টাকা, খ-তে যায় ৬০০ টাকা। শুধু অর্ডারপ্রতি খরচ দেখলে মনে হবে ক ভালো, কারণ ৪৫০ কম।

এবার ROAS দেখুন। ক-এর ROAS ১,৩০০ ভাগ ৪৫০, প্রায় ২.৮৯। খ-এর ROAS ২,৫০০ ভাগ ৬০০, প্রায় ৪.১৭। আর লাভ? ক-তে অ্যাডের আগে হাতে থাকে ৫৭০, অ্যাড বাদে ১২০ টাকা। খ-তে দুটো পাঞ্জাবির কেনা দাম, প্যাকেজিং, কুরিয়ার, COD আর ফেরতের ভাগ বাদে ধরুন থাকে ১,১৫০ টাকা, অ্যাড বাদে ৫৫০ টাকা। যে ক্যাম্পেইনটা অর্ডারপ্রতি খরচে "খারাপ" দেখাচ্ছিল, সেটাই প্রতি ডেলিভারিতে সাড়ে চার গুণের বেশি লাভ রেখে যাচ্ছে।

তাই নিয়মটা এরকম রাখুন। এক প্রোডাক্ট আর এক দাম হলে অর্ডারপ্রতি খরচ দেখুন। কম্বো, আপসেল, আলাদা দামের অনেক প্রোডাক্ট বা আলাদা প্ল্যাটফর্মের তুলনা হলে ROAS দেখুন, আর সবসময় নিজের ব্রেক-ইভেনের পাশে রেখে।

ROAS দেখে কখন বাজেট বাড়াবেন, কখন বন্ধ করবেন?

বাজেটে হাত দেওয়ার আগে একটা শর্ত মানবেন। ৮-১০টা ডেলিভারি দেখে কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন না। ধরুন ৪,০০০ টাকার অ্যাডে ৮টা পাঞ্জাবি ডেলিভারি হলো, ROAS ২.৬। এর মধ্যে একটা পার্সেল ফেরত এলেই ROAS নেমে যায় ২.২৮-এ, মানে লাভ থেকে সোজা ব্রেক-ইভেনে। এত অল্প সংখ্যায় একটা পার্সেলই পুরো ছবি উল্টে দেয়। অন্তত ২০ থেকে ৩০টা ডেলিভারি জমা হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন, তারপর নিচের নিয়মে মেলান। এটা আমাদের পরামর্শ, কোনো বাঁধা নিয়ম না।

আসল ROAS ব্রেক-ইভেনের নিচে। প্রতিটা ডেলিভারিতে আপনার পকেট থেকে টাকা যাচ্ছে। দুই সপ্তাহের হিসাবেও নিচে থাকলে ক্যাম্পেইন থামান। তবে থামানোর আগে খুঁজুন ক্ষতিটা কোথায়। অর্ডারই কম এলে সমস্যা অ্যাডে, কনফার্ম কলে অনেকে পিছিয়ে গেলে সমস্যা দাম বা অ্যাডের কথায়, আর ফেরত বেশি এলে সমস্যা প্রোডাক্টে বা কাস্টমার বাছাইয়ে। কারণ না বুঝে আরেকটা ক্যাম্পেইন চালালে একই টাকা আবার যাবে।

ব্রেক-ইভেনের ওপরে, কিন্তু টার্গেটের নিচে। খাতায় লাভ আছে, কিন্তু এতটা পাতলা যে ভাড়া আর বেতন দিলে কিছু থাকে না। এখানে বাজেট বাড়াবেন না। কাজ করুন ROAS-এর ভেতরের সংখ্যা নিয়ে। দশটায় দুটো ফেরতের জায়গায় একটা ফেরত এলেই পাঞ্জাবির ব্রেক-ইভেন ২.২৮ থেকে নেমে প্রায় ২.২-এ আসে, আর একই অ্যাডে লাভ বাড়ে। ছবি বা অফার বদলালে ডেলিভারিপ্রতি অ্যাড খরচ কমতে পারে।

টানা দুই সপ্তাহ টার্গেটের ওপরে। এবার বাজেট বাড়ান, তবে ধীরে, কয়েক দিন পর পর অল্প করে। Meta-র learning phase-এর হেল্প পেজে বলা আছে, বাজেটের চেঞ্জ কত বড়, তার ওপর নির্ভর করে সেটা এমন বড় এডিট হতে পারে যাতে অ্যাড সেট আবার নতুন করে শেখা শুরু করে। আর অনেক সেলারের অভিজ্ঞতা হলো, বাজেট বাড়লে ROAS সাধারণত কিছুটা নামে, কারণ ফেসবুককে তখন একটু কম আগ্রহী মানুষের কাছেও যেতে হয়। প্রতিবার বাড়ানোর পর এক সপ্তাহ দেখুন ROAS টার্গেটের ওপরে থাকছে কি না।

আজ কোথা থেকে শুরু করবেন

আজ রাতে বড় কিছু করতে হবে না। আপনার সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া প্রোডাক্টটা নিন, আর একটা কাগজে চারটা লাইন লিখুন। কাস্টমার মোট কত দেন, কেনা দাম আর প্যাকেজিং কত, কুরিয়ার আর COD-তে কত যায়, আর গত মাসে দশটা পাঠালে কয়টা ফেরত এসেছে। এই চারটা থেকেই ব্রেক-ইভেন ROAS বেরিয়ে আসবে, পাঁচ মিনিটে।

তারপর গত মাসের কার্ডের স্টেটমেন্ট খুলে অ্যাডে মোট কত টাকা কেটেছে দেখুন, আর কুরিয়ারের প্যানেল থেকে ডেলিভারি হওয়া অর্ডারের মোট টাকা নিন। ভাগ করলে পাবেন আপনার আসল ROAS। সংখ্যাটা ব্রেক-ইভেনের ওপরে না নিচে, সেটা জানার পর থেকে Ads Manager-এর সংখ্যা দেখে আর ভয় বা লোভ কোনোটাই হবে না। অ্যাডের প্রতিটা টাকার হিসাব তখন আপনার নিজের হাতে।

সাধারণ প্রশ্ন

ROAS কি, সহজ কথায়?

ROAS মানে Return on Ad Spend, অর্থাৎ অ্যাডে ১ টাকা খরচ করে কত টাকার বিক্রি এলো। হিসাবটা হলো বিক্রি ভাগ অ্যাড খরচ। ৫,০০০ টাকার অ্যাডে ১৫,০০০ টাকার বিক্রি এলে ROAS ৩, যাকে কেউ কেউ ৩০০% ও বলেন।

ভালো ROAS কত?

সবার জন্য এক সংখ্যা নেই, কারণ ROAS লাভ না, বিক্রি মাপে। যে প্রোডাক্টে মার্জিন বেশি, সেখানে ২-এর একটু ওপরেও লাভ থাকতে পারে। আবার কম মার্জিনের গ্যাজেটে ৪-ও লস হতে পারে। নিজের ব্রেক-ইভেন ROAS বের করুন, তার ওপরে যতটা থাকবেন, ততটাই আপনার জন্য ভালো।

ROAS ৩ মানে কি অ্যাডের তিন গুণ লাভ?

না। ROAS ৩ মানে অ্যাডের তিন গুণ টাকার বিক্রি এসেছে, লাভ না। সেই বিক্রি থেকে প্রোডাক্টের কেনা দাম, কুরিয়ার, প্যাকেজিং, ফেরতের খরচ আর অ্যাডের টাকা বাদ দিলে তবে লাভ। মার্জিন কম হলে ROAS ৩-এও হাতে কিছু না থাকতে পারে।

ROAS আর ROI-এর পার্থক্য কী?

ROAS দেখে অ্যাডের টাকার বিপরীতে কত বিক্রি এলো। ROI দেখে পুরো খরচের বিপরীতে কত লাভ থাকল, মানে সব খরচ বাদ দিয়ে। দোকান চালানোর সিদ্ধান্তে শেষ পর্যন্ত লাভটাই আসল, তাই ROAS-কে নিজের ব্রেক-ইভেনের সাথে মিলিয়ে পড়তে হয়।

ব্রেক-ইভেন ROAS কীভাবে বের করব?

একটা ডেলিভারি হওয়া অর্ডার থেকে কত টাকা আসে, সেটাকে অ্যাড বাদে ওই অর্ডারে আপনার হাতে কত থাকে তা দিয়ে ভাগ করুন। ধরুন অর্ডারে আসে ১,৩০০ টাকা, আর অ্যাডের আগে হাতে থাকে ৫৭০ টাকা। তাহলে ব্রেক-ইভেন ROAS প্রায় ২.২৮। এর নিচে নামলে প্রতিটা ডেলিভারিতে লস।

Ads Manager-এ ROAS দেখাচ্ছে না কেন?

Meta-র হিসাবে ROAS হলো Purchase-এর দাম ভাগ খরচ, তাই Purchase ইভেন্টের সাথে অর্ডারের দাম না গেলে ROAS আসে না। পিক্সেল বা Conversions API ঠিকমতো বসানো আছে কি না, আর Purchase-এর সাথে value যাচ্ছে কি না, Events Manager-এ দেখে নিন। Meta-র হেল্প পেজে এটাও লেখা আছে, কিছু Purchase সরাসরি গোনা না গেলে Meta সেগুলো আন্দাজ করে বসায়।

#ROAS#ব্রেক-ইভেন ROAS#ফেসবুক অ্যাড#অ্যাড খরচ#UTM#ক্যাশ অন ডেলিভারি

আরও পড়ুন

ওয়েবসাইটের মেনু আর ফুটারে কী রাখবেন? অনলাইন দোকানের জরুরি পেজসহ

ওয়েবসাইটের মেনুতে কয়টা লিংক রাখবেন, হেডারে কল আর WhatsApp বাটন কেন, ফুটারে ঠিকানা আর ট্রেড লাইসেন্স নম্বর কোথায় বসবে, আর About, যোগাযোগ, ডেলিভারি ও রিটার্নের পেজে কী লিখবেন। ফোনে দোকান খুলে এক ঘণ্টায় গুছিয়ে নেওয়ার পুরো নিয়ম।

·১২ মিনিটে পড়া যায়

গুগল সার্চ কনসোল কি? দোকানের ওয়েবসাইট গুগলে তুলবেন যেভাবে

গুগল সার্চ কনসোল হলো Google-এর ফ্রি টুল, যেখানে দেখা যায় কোন সার্চে আপনার দোকান আসছে আর কোন পেজ গুগলের লিস্টে আছে। নিজের ডোমেইনে DNS দিয়ে মালিকানা প্রমাণ, sitemap.xml সাবমিট, URL Inspection, "Not indexed" দেখলে কী করবেন, আর কোন পথ দোকানে আসলে কাজ করে না।

·১২ মিনিটে পড়া যায়

বিজনেস ক্যাপশন, ফেসবুকে সেল পোস্টে কী লিখলে অর্ডার আসে

ছবি সুন্দর, তবু ইনবক্সে সবাই শুধু দাম জিজ্ঞেস করে? সেল পোস্টের প্রথম দুই লাইনে কী লিখবেন, ক্যাপশনে কোন পাঁচটা কথা থাকতেই হবে, দাম লিখবেন কি না, নতুন মাল, অফার, স্টকে ফেরা আর রিভিউর চারটা নমুনা, আর কোন কথায় পোস্ট রিপোর্ট খায়।

·১০ মিনিটে পড়া যায়