রেডএক্স (RedX) মার্চেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম, যেন টাকা ঠিক দিনে আসে
RedX-এ মার্চেন্ট একাউন্ট খুলতে কী লাগে, OTP আর NID দিয়ে কীভাবে ভেরিফাই করবেন, পিকআপ আর bKash বা ব্যাংক কীভাবে বসাবেন, প্রথম পার্সেল আর এক্সেলে বাল্ক আপলোড কীভাবে দেবেন, আর টাকা ও ফেরত পার্সেল প্যানেলের কোথায় দেখবেন।

এই লেখায় যা আছে
- RedX মার্চেন্ট একাউন্ট খুলতে কী কী লাগে?
- ধাপ ১: সাইন আপ আর ভেরিফাই
- ধাপ ২: পিকআপ ঠিকানা আর শপের তথ্য
- ধাপ ৩: পেমেন্ট মেথড, bKash না ব্যাংক?
- ধাপ ৪: প্রথম পার্সেল এন্ট্রি আর বাল্ক আপলোড
- RedX থেকে টাকা কবে আসে, কোথায় দেখবেন?
- ফেরত পার্সেল কোথায় দেখবেন, হাতে পাবেন কবে?
- RedX মার্চেন্ট অ্যাপ নাকি ওয়েব প্যানেল?
- অর্ডার বাড়লে RedX-এ পার্সেল তোলার কাজ কমাবেন কীভাবে?
রেডএক্স (RedX) মার্চেন্ট একাউন্ট খুলতে redx.com.bd-তে গিয়ে Sign up চাপুন, অথবা Google Play থেকে REDX অ্যাপটা নামান। প্রথম ফর্মে শুধু আপনার নাম, শপের নাম, দিনে মোটামুটি কয়টা পার্সেল পাঠান আর মোবাইল নম্বর দিলেই চলে। নম্বরে ৪ সংখ্যার একটা OTP আসবে, সেটা বসালেই একাউন্ট খুলে যায়। তারপর NID-র তথ্য আর ছবি দিতে হয়, পিকআপের ঠিকানা বসাতে হয়, আর টাকা নেওয়ার জন্য bKash বা ব্যাংক একাউন্ট অ্যাড করতে হয়। এই কাজগুলো সেরে ফেললেই প্রথম পার্সেলের এন্ট্রি দিতে পারবেন।
একাউন্ট খোলা কয়েক মিনিটের কাজ, RedX নিজেও লিখেছে সাইন আপে ২ মিনিট লাগে। কিন্তু শুরুর এই কয়েকটা ঘর কীভাবে পূরণ করলেন, তার ওপরেই নির্ভর করে পরে আপনার কষ্টের টাকা ঠিক দিনে আসবে কি না। ভুল নম্বরে পেমেন্ট গেলে, বা ফেরত পার্সেলের ফোন এমন কারও কাছে গেলে যিনি ব্যাপারটা জানেন না, ক্ষতিটা আপনারই হয়। তাই প্রতিটা ধাপে কোন ঘরে কী দেবেন আর কেন দেবেন, সেটা নিচে খুলে বললাম।
সব তথ্য অক্টোবর ২০২৬-এ RedX-এর ওয়েবসাইট, FAQ, মার্চেন্ট টার্মস আর Google Play-র অ্যাপ পেজ দেখে লেখা। মেনু আর বাটনের নাম মাঝে মাঝে চেঞ্জ হয়, তাই না মিললে স্ক্রিনে যা দেখাবে সেটাই ধরবেন। RedX-এর চার্জ অন্য দুই বড় কুরিয়ারের সাথে পাশাপাশি রাখা আছে কোন কুরিয়ার ভালো, সেই তুলনার লেখায়, তাই এখানে চার্জের টেবিল দিচ্ছি না।
RedX মার্চেন্ট একাউন্ট খুলতে কী কী লাগে?
RedX-এর FAQ-তে একটা প্রশ্ন আছে, ফেসবুক পেজ না থাকলে কি মার্চেন্ট হওয়া যায়? উত্তরে লেখা, যায়, শুধু একটা রেজিস্টার্ড ফোন নম্বর লাগে। সাইন আপ ফর্মেও ট্রেড লাইসেন্সের কোনো ঘর নেই। তাই যিনি সবে বাসা থেকে দিনে দুই-চারটা পার্সেল পাঠাচ্ছেন, তিনিও একাউন্ট খুলতে পারবেন।
তবে একাউন্ট খোলার পরে RedX আপনার পরিচয় মিলিয়ে নেয়। প্যানেলে NID verification নামে একটা ধাপ আছে, আর সেখানে পরিষ্কার লেখা, NID-র তথ্য না দিলে একাউন্ট বাতিল হয়ে যেতে পারে। তাই সাইন আপে বসার আগে এগুলো হাতের কাছে রাখুন।
- নিজের নামের একটা মোবাইল নম্বর, যেটা সবসময় আপনার কাছে থাকে। লগইনের OTP এই নম্বরেই আসে, আর পেমেন্টের তথ্য চেঞ্জ করতেও এই নম্বরের OTP লাগে। কর্মচারীর নম্বর দিলে আপনার টাকার চাবিটা তাঁর হাতে চলে যায়।
- NID কার্ড, সামনে আর পেছনের আলাদা দুইটা পরিষ্কার ছবি। নাম আর জন্মতারিখ NID-তে যেভাবে লেখা, ঠিক সেভাবেই দিতে হয়।
- পিকআপের পুরো ঠিকানা, আর নিজের একটা ইমেইল। RedX লিখেছে, জরুরি নোটিফিকেশন শপের ইমেইলেই পাঠায়।
- টাকা নেওয়ার bKash নম্বর বা ব্যাংক একাউন্ট, নিজের নামে। কোনো দিন টাকা নিয়ে ঝামেলা হলে প্রমাণ দেখানো সহজ হয়।
ধাপ ১: সাইন আপ আর ভেরিফাই
কম্পিউটার বা মোবাইলের ব্রাউজারে redx.com.bd খুলে "Become a merchant" বাটনে চাপুন। "Sign up as a merchant" নামে একটা ছোট ফর্ম আসবে। সেখানে চায় Merchant name, Shop name, Daily Parcel Volume আর Phone number। নিচে RedX-এর টার্মস অ্যান্ড কন্ডিশনসে রাজি হওয়ার লাইন থাকে, তারপর Sign up বাটন।
অ্যাপ থেকেও একই কাজ হয়, আর ওয়েব আর অ্যাপে একই একাউন্ট চলে। অ্যাপের ডেসক্রিপশনে লেখা আছে, সাইন আপ শেষ হলেই সরাসরি ডেলিভারি প্যানেলে নিয়ে যাবে।
Shop name-এর ঘরে আপনার পেজের সেই নামটাই দিন, যে নামে কাস্টমার আপনাকে চেনেন। পরে সাপোর্টে ফোন দিলে বা কোনো পার্সেলের হিসাব মেলাতে গেলে এই নাম দিয়েই আপনাকে খোঁজা হয়। দুইটা পেজে দুই রকম ব্যবসা থাকলে প্যানেলে পরে আলাদা শপ বানানো যায়। Daily Parcel Volume-এ আজ যতগুলো পাঠান, সেই সত্যি সংখ্যাটাই লিখুন।
Sign up চাপার পরে নম্বরে ৪ সংখ্যার একটা OTP আসে। "Verify phone number" পেজে সেটা বসিয়ে Verify চাপুন। কোড না এলে একটু পরে Resend OTP চাপুন, আর তার আগে দেখে নিন নম্বরের কোনো অঙ্ক ভুল লেখেননি তো।
এরপর নিজের তথ্য দিতে হয়। Full name আর Date of birth, দুই ঘরের পাশেই লেখা "As per NID", মানে NID-তে যেমন আছে হুবহু তেমন। ডাকনাম বা বানান একটু এদিক-ওদিক করলে পরে NID মিলবে না, আর ভেরিফিকেশন আটকে যাবে। Referred by ঘরটা না দিলেও চলে, কেউ রেফার না করলে খালি রাখুন। তারপর কমপক্ষে ৮ অক্ষরের একটা পাসওয়ার্ড বানান। এই প্যানেলেই আপনার বিক্রির টাকার হিসাব থাকে, তাই ফেসবুকের পাসওয়ার্ডটাই আবার এখানে দেবেন না।
শেষে আসে NID-র ছবি, সামনে আর পেছনের আলাদা করে, কার্ডটা সমান জায়গায় রেখে আর আলোতে। এখানে একটা "Skip for now" বাটনও দেখবেন। চাপবেন না। প্যানেলে স্পষ্ট লেখা থাকে, NID দিয়ে ভেরিফাই না করলে একাউন্ট বাতিল হতে পারে। প্রথম পার্সেলের দিন এই কারণে আটকে থাকার চেয়ে আজকেই পাঁচ মিনিট দিয়ে কাজটা সেরে ফেলা ভালো।
ধাপ ২: পিকআপ ঠিকানা আর শপের তথ্য
লগইন করার পরে ড্যাশবোর্ডে "Complete profile" নামে একটা অংশ দেখবেন। সেখানে Add Pickup Store, Setup Payment আর Add NID, এই তিনটা কাজ বাকি দেখাবে। আগে পিকআপ স্টোরটা ধরুন, কারণ এটা ছাড়া রাইডার জানবেন না কোথা থেকে পার্সেল তুলবেন।
শপের তথ্যে চায় শপের নাম, ইমেইল, ঠিকানা আর কী ধরনের প্রোডাক্ট বেচেন। পিকআপের অংশে চায় Pickup address, Pickup area আর Pickup phone number। Pickup area ড্রপডাউনে তাড়াহুড়া করবেন না। প্যানেলে লেখা থাকে, পার্সেল এই এলাকা থেকেই তোলা হবে, তাই ভুল এলাকা দিলে রাইডার দেরিতে আসবেন বা আসবেনই না। ঠিকানার ঘরে বাসা বা দোকানের নম্বর, রোড, তলা আর কাছের একটা চেনা জায়গার নাম লিখুন।
Pickup phone number-এ রাইডার পিকআপের সময় ফোন দেবেন। RedX-এর FAQ অনুযায়ী সাধারণ পিকআপ হয় বিকেল ৩টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে, তাই এমন কারও নম্বর দিন যিনি এই সময়ে বাসায় বা দোকানে থাকেন। মার্চেন্ট টার্মসে লেখা আছে, পার্সেল রেডি না থাকলে রাইডার অপেক্ষা করবেন না, আর তার জন্য চার্জও লাগতে পারে।
সময়ের আরেকটা নিয়ম মাথায় রাখুন। একই দিনে পিকআপ চাইলে দুপুর ৩টার মধ্যে অন্তত একটা পার্সেলের এন্ট্রি দিতে হয়, পার্সেল বানানোর পেজেও এটা বাংলায় লেখা থাকে। একদিন দেরি মানে ঢাকার বাইরের কাস্টমারের দরজায় পার্সেল যাবে আরও একদিন পরে, আর ক্যাশ অন ডেলিভারিতে যত দেরি, কাস্টমারের মন বদলানোর সুযোগ তত বেশি। তাই সকালের অর্ডার দুপুর ২টার মধ্যে কনফার্ম আর প্যাক করে ফেলার অভ্যাস করে নিন।
শপের তথ্যে Return number নামে একটা ঘর আছে, এটা অনেকে খালি রেখে দেন। RedX লিখেছে, কোনো পার্সেল ফেরত এলে সবার আগে এই নম্বরে ফোন যায়। আর নোটিফিকেশন সেটিংসে লেখা, ফেরত পার্সেলের ফোন আর OTP দুটোই এই নম্বরে আসে। মানে ফেরত পার্সেল হাতে নেওয়ার চাবিটা থাকে এই নম্বরের কাছেই। তাই এমন মানুষের নম্বর দিন, যিনি ফেরত আসা প্যাকেট খুলে মিলিয়ে দেখবেন।
স্টক বাসা আর গোডাউনে ভাগ করা থাকলে Manage pickup থেকে আরেকটা পিকআপ লোকেশন অ্যাড করা যায়। আর আপনার মডারেটর বা প্যাকিংয়ের লোককে নিজের পাসওয়ার্ড দেবেন না, Manage Team থেকে Editor হিসেবে অ্যাড করুন। প্যানেলে লেখা আছে, এই রোলে পেমেন্টের তথ্য ছাড়া বাকি সব চেঞ্জ করা যায়। পার্সেল বানানোর কাজ তিনি করবেন, কিন্তু টাকা কোথায় যাবে সেটা থাকবে শুধু আপনার হাতে।

ধাপ ৩: পেমেন্ট মেথড, bKash না ব্যাংক?
এবার ঠিক করার পালা, বিক্রির টাকা কোথায় নেবেন। ড্যাশবোর্ডের Setup Payment থেকে bKash অথবা ব্যাংক, যেকোনো একটা বসাতে পারবেন। পরে চেঞ্জ করতে চাইলে RedX-এর FAQ অনুযায়ী প্রোফাইল আইকনের ড্রপডাউন থেকে Shop Settings-এ যান, সেখানে পেমেন্ট মেথড আর তার তথ্য আপডেট করা যায়। চেঞ্জ করার সময় একটা OTP আসে, তাই আপনার নিজের ফোনটা হাতের কাছে রাখবেন।
এখানে একটা জিনিস আছে যেটা অনেকেই জানেন না, আর এতে টাকা হাতে আসার দিন বদলে যায়। RedX-এর FAQ-তে লেখা আছে, শনিবারেও পেমেন্ট প্রসেস হয়, তবে শুধু সেই মার্চেন্টদের, যাঁরা City Bank বা bKash-এ টাকা নেন। নিচের সংখ্যাগুলো উদাহরণ। ধরুন বৃহস্পতিবার আপনার ২০টা পার্সেল ডেলিভারি হলো, আর চার্জ কেটে পাওনা দাঁড়াল ২২,০০০ টাকা। শুক্রবার পেমেন্ট হয় না। অন্য কোনো ব্যাংকে টাকা নিলে সেটা আসবে রবিবার, আর bKash বা City Bank হলে আসার কথা শনিবারেই। শনিবার সকালে পাইকারের দোকানে গিয়ে টাকার অভাবে খালি হাতে ফেরার কষ্ট যিনি একবার পেয়েছেন, তিনি জানেন এই একটা দিন কত বড়।
তবে খোলাখুলি বলি, RedX-এর মার্চেন্ট টার্মসে টাকা পাঠানোর দিন লেখা রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার, শনিবারের কথাটা আছে শুধু FAQ-তে। তাই প্রথম কয়েক সপ্তাহ নিজে দেখে নিন, বৃহস্পতিবারের টাকা কোন দিন এলো।
bKash পার্সোনাল নম্বর হলে চলবে নাকি মার্চেন্ট নম্বর লাগবে, সেটা RedX-এর ওয়েবসাইটে লেখা নেই, তাই সেট করার আগে হেল্পলাইনে জিজ্ঞেস করে নিন। আর নম্বরটা সেভ করার আগে দুইবার মিলিয়ে নিন। ভুল তথ্যের কারণে টাকা ফেরত গেলে প্যানেলে "Payment bounced" নোটিশ আসে, তখন তথ্য ঠিক করে key account manager-এর সাথে কথা বলতে হয়। মানে কষ্টের টাকাটা কয়েক দিন ঝুলে থাকে।
bKash আর ব্যাংকের মধ্যে কোনটা কার জন্য সুবিধার, সেই পুরো যুক্তি আছে স্টেডফাস্ট মার্চেন্ট একাউন্টের গাইডে, নিয়মটা RedX-এও একই রকম খাটে।
ধাপ ৪: প্রথম পার্সেল এন্ট্রি আর বাল্ক আপলোড
পার্সেল বানাতে মেনু থেকে Create Parcel-এ যান। সেখানে Single parcel আর Multiple upload, দুইটা অপশন। প্রথমবার Single parcel দিয়েই শুরু করুন, তাহলে প্রতিটা ঘরের মানে বুঝবেন।
ফর্মের প্রথম অংশের নাম Customer Information। এখানে কাস্টমারের নাম, ফোন নম্বর, আরেকটা বাড়তি নম্বর আর ঠিকানা দিতে হয়। বাড়তি নম্বরের ঘরটা খালি রাখবেন না। মেইন ফোন বন্ধ থাকলে রাইডার এই নম্বরে ফোন দিয়ে পার্সেলটা বাঁচাতে পারেন।
দ্বিতীয় অংশের নাম Parcel Information। এখানে Delivery Area সিলেক্ট করতে হয়, তারপর Product Category, Selling Price, Cash to be Collected, Parcel Weight আর Invoice ID। Selling Price আর Cash to be Collected, এই দুইটা ঘর অনেকে গুলিয়ে ফেলেন। Selling Price হলো প্রোডাক্টটার দাম। RedX লিখে দিয়েছে, পার্সেল হারালে বা নষ্ট হলে ক্ষতিপূরণ এই দাম ধরেই হিসাব হবে। Cash to be Collected হলো রাইডার দরজায় কাস্টমারের কাছ থেকে মোট যত টাকা তুলবেন।
একটা উদাহরণ দিই। ধরুন ৯৫০ টাকার একটা পাঞ্জাবি, আর কাস্টমার ডেলিভারি চার্জ হিসেবে দেবেন ১২০ টাকা। Selling Price-এ লিখবেন ৯৫০, আর Cash to be Collected-এ ১,০৭০। দ্বিতীয় ঘরে কম লিখলে রাইডারও কম তুলবেন, আর বাকিটা আপনার পকেট থেকে যাবে। ফর্মের পাশে "Your Receivable Breakdown"-এ দেখায়, Delivery Charge আর COD Charge কেটে হাতে কত আসবে। Confirm চাপার আগে অঙ্কটায় একবার চোখ বুলিয়ে নিন।
ওজন লিখতে হয় গ্রামে, প্যাকেটসহ। আধা কেজি মানে ৫০০, এক কেজি মানে ১০০০। RedX লিখেছে, এই ওজন হাবে মেপে মিলিয়ে দেখা হয়, তাই আন্দাজে কম লিখে লাভ নেই। Invoice ID-তে নিজের অর্ডার নম্বরটা দিন, তাহলে পরে প্যানেলে ঠিক পার্সেলটা খুঁজে পেতে সময় লাগবে না।
কাস্টমারের নম্বর বসালে প্যানেল অনেক সময় একটা Delivery Success Rate দেখায়, মানে আগে এই নম্বরে যাওয়া পার্সেলের কত শতাংশ ডেলিভারি হয়েছে। ফেরতের চান্স বেশি হলে একটা ওয়ার্নিংও আসে, পার্সেলটা ফেরত আসার চান্স কত শতাংশ। এমন কাস্টমারকে আগে একটা ফোন দিন, আর দরকার হলে ডেলিভারি চার্জটা অগ্রিম চেয়ে নিন।
পার্সেল বানানোর পরে ভুল ধরা পড়লে সুযোগ খুব মাপা। প্যানেলে লেখা আছে, ডেলিভারির আগে পর্যন্ত ফোন নম্বর, টাকার অঙ্ক আর ঠিকানা, প্রতিটা সর্বোচ্চ একবার করে চেঞ্জ করা যায়। তাই এন্ট্রির আগে কাস্টমারকে ফোন দিয়ে নম্বর আর ঠিকানা মিলিয়ে নেওয়াই সবচেয়ে কম খরচের কাজ।
অর্ডার বেশি হলে Multiple upload ধরুন। Download Sample File চেপে স্যাম্পল এক্সেল ফাইলটা নামান, প্রতিটা কলামে তথ্য বসান। তারপর পিকআপ লোকেশন সিলেক্ট করে Upload excel file দিয়ে ফাইলটা দিন, আর Validate চাপুন। ভুলগুলো তখনই ধরা পড়ে। প্রোডাক্টের দাম ঠিক আছে, এই ঘরে টিক দিয়ে Confirm চাপলে সব পার্সেল একসাথে তৈরি হয়। ফাইলেও ঠিকানা ইংরেজিতে রাখবেন।
RedX থেকে টাকা কবে আসে, কোথায় দেখবেন?
RedX-এর FAQ-তে লেখা আছে, একদিনে যত পার্সেল ডেলিভারি হয়, তার সব টাকা পরের কর্মদিবসে bKash বা ব্যাংকে পাঠানো হয়। পরের দিনটা ছুটি হলে টাকা যায় পরের ব্যাংকিং দিনে। তবে ডেলিভারিতেও সময় যায়। FAQ অনুযায়ী পিকআপের পরে ঢাকার ভেতরে পরের দিন, ঢাকার আশেপাশে ৪৮ ঘণ্টা আর ঢাকার বাইরে ৭২ ঘণ্টা। তাই অর্ডার থেকে টাকা হাতে আসা পর্যন্ত অপেক্ষাটা কয়েক দিনের।
টাকার হিসাব দেখবেন মেনুর Payment Info-তে আর ড্যাশবোর্ডের Payment Information অংশে। "Delivered today" মানে আজকের ডেলিভারি, যার টাকা আসবে কাল। "Payment In Process" মানে হিসাব মিলিয়ে ইনভয়েস বানানো চলছে। "Disbursement Due" মানে ইনভয়েস হয়েছে, টাকা এখনো যায়নি। আর "Payment Disbursed Already" মানে টাকা আপনার একাউন্টে চলে গেছে। "View all invoices" থেকে প্রতিটা ইনভয়েস আলাদা করে খোলা যায়।
সপ্তাহে একদিন আধা ঘণ্টা সময় নিয়ে হিসাবটা মেলান। মেনুর Parcels-এ গিয়ে Payment status দিয়ে ফিল্টার করুন, তাহলে কোন পার্সেলের টাকা এসেছে আর কোনটার আসেনি, আলাদা হয়ে যাবে। কোনো চার্জ বেশি কাটা মনে হলে দেরি করবেন না। RedX-এর টার্মসে লেখা আছে, ইনভয়েস হাতে পাওয়ার ৭ দিনের মধ্যে আপত্তি না জানালে সেটা মেনে নেওয়া হয়েছে বলে ধরা হয়।
উল্টো দিকের একটা নোটিশও আসতে পারে, "Payment Due to REDX", মানে আপনার কাছে RedX-এর চার্জ পাওনা আছে। টার্মস বলছে, পাওনা সময়মতো না দিলে RedX আপনার COD-র টাকা থেকে কেটে রাখতে পারে, আর বকেয়া থাকলে পিকআপও আটকে যেতে পারে।
কুরিয়ারের টাকা আসার এই কয়েক দিনের ফাঁকে স্টক আর অ্যাডের টাকা কীভাবে চালাবেন, সেই পুরো হিসাব করা আছে ক্যাশ অন ডেলিভারির ক্যাশ ফ্লো নিয়ে লেখায়।
ফেরত পার্সেল কোথায় দেখবেন, হাতে পাবেন কবে?
RedX-এর প্যানেলে ফেরত পার্সেলের জন্য আলাদা একটা মেনু আছে, Return Approvals। কোনো পার্সেল ফেরত হিসেবে মার্ক হলে আগে এখানে আসে, ওপরে লেখা থাকে "পার্সেল রিটার্ন এখন আপনার হাতে!"। নির্দিষ্ট কয়েক ঘণ্টার মধ্যে আপনি ঠিক করবেন পার্সেলটা ফেরত নেবেন, নাকি আরেকবার ডেলিভারির চেষ্টা করাবেন। দ্বিতীয়টার নাম Reattempt, এর জন্য একটা ইস্যু সিলেক্ট করে Confirm চাপতে হয়। কত ঘণ্টা সময় পাবেন সেটা লিস্টেই লেখা থাকে, আর সময় পেরোলে RedX নিজে থেকেই পার্সেলটা ফেরত পাঠায়।
এই মেনুটা রোজ একবার খুলুন, কারণ এখানে সত্যিকারের টাকা বাঁচে। সংখ্যাগুলো উদাহরণ। ধরুন রংপুরের একজন কাস্টমার ১,২০০ টাকার একটা থ্রি-পিস অর্ডার করেছিলেন, আর অর্ডারটা আনতে অ্যাডে গেছে ১৫০ টাকা। রাইডার দুপুরে ফোন দিয়েছিলেন, কাস্টমার তখন মিটিংয়ে, ধরতে পারেননি। রাত এগারোটায় প্যানেল খুলে দেখলেন পার্সেলটা Return Approvals-এ বসে আছে। আপনি কিছু না করলে ১৫০ টাকার অ্যাড পুরোটাই জলে, থ্রি-পিসটা কয়েক দিন রাস্তায় ঘুরবে, আর ফেরতের চার্জ যা কাটে তা আলাদা।
এখন দুই মিনিটের একটা ফোন। "আপু, আমি সাদিক ফ্যাশন থেকে বলছি। আপনার থ্রি-পিসটা আজ নিয়ে গিয়েছিল, আপনাকে ফোনে পায়নি। কাল কয়টার দিকে বাসায় থাকবেন বললে আমি ওই সময়ে আরেকবার পাঠাতে বলে দিই।" কাস্টমার সময় বললে Reattempt দিন। পরের দিন পার্সেলটা ডেলিভারি হলে বিক্রিটা বাঁচল, অ্যাডের টাকাটাও বাঁচল। মাসে এমন দশটা পার্সেল বাঁচানো মানে কয়েক হাজার টাকা, আর মনটাও অনেক হালকা থাকে।
যে পার্সেল সত্যিই ফিরছে, সেটা কোথায় আছে দেখবেন ড্যাশবোর্ডের Return In Progress অংশে। পার্সেলটা প্রথমে At Delivery Hub, তারপর In Transit to Return Hub, তারপর At Return Hub ঘরে যায়। শেষে Rider Out for Return দেখালে বুঝবেন, রাইডার পার্সেল নিয়ে আপনার দিকে রওনা দিয়েছেন। কত দিনে হাতে আসবে, RedX নির্দিষ্ট করে লেখেনি, তবে ঢাকার বাইরে থেকে ফিরতে সাধারণত কয়েক দিন লাগে। ফেরতের চার্জও ওয়েবসাইটে লেখা নেই, তাই হেল্পলাইনে জিজ্ঞেস করে লিখিত উত্তর নিয়ে রাখুন।
ফেরত পার্সেল হাতে নেওয়ার সময় একটু সাবধান থাকুন। ফেরতের OTP যায় আপনার Return number-এ, আর রাইডার সেই কোডটা চান। প্যাকেট খুলে ভেতরের জিনিস মিলিয়ে নেওয়ার পরেই কোডটা বলুন। RedX-এর FAQ-তে লেখা আছে, ফেরত বা ডেলিভারি একবার সফল হয়ে গেলে তার পরে কোনো অভিযোগ ওরা আর নেয় না।

কিছু হারালে বা ভাঙলে FAQ অনুযায়ী ৩ দিনের মধ্যে Report Issues থেকে জানাতে হয়। RedX-এর মার্চেন্ট টার্মসে লেখা, ওদের দোষে কিছু হারালে বা নষ্ট হলে পাবেন ইনভয়েসের দাম আর ৫,০০০ টাকার মধ্যে যেটা কম। তাই ৮,০০০ টাকার একটা ঘড়ি পাঠালে প্যাকিংয়ে কৃপণতা করবেন না, কারণ হারালে বাকি ৩,০০০ টাকা আপনার লোকসান।
কাস্টমার জিনিস বদলাতে চাইলে Create Parcel-এ গিয়ে Reverse অপশন দিন। RedX লিখেছে, কাস্টমারের কাছ থেকে কোনো পার্সেল আপনার কাছে ফিরিয়ে আনার জন্যই এটা।
RedX মার্চেন্ট অ্যাপ নাকি ওয়েব প্যানেল?
দুটোই একই একাউন্টে চলে, তাই আসল প্রশ্ন হলো কোন কাজটা কোথায় করবেন। Google Play-তে খুঁজবেন "REDX: Nationwide Coverage" নামে, ডেভেলপার ShopUp Mobile, আর এটা ৫ লাখের বেশি বার নামানো হয়েছে। একই ডেভেলপারের "REDX Trucks" অ্যাপগুলো ট্রাক ভাড়ার জন্য, ভুল করে ওগুলো নামাবেন না। অ্যাপে লাইভ পার্সেল ট্র্যাকিং আছে, আর FAQ বলছে অ্যাপ থেকেও লাইভ চ্যাটে সাপোর্ট পাওয়া যায়। তাই একটা-দুইটা পার্সেল বানানো, স্ট্যাটাস দেখা আর Return Approvals খোলার কাজ মোবাইলেই হয়ে যায়।
এক্সেলে বাল্ক আপলোড, টিমের লোক যোগ করা আর সপ্তাহের হিসাব মেলানো কম্পিউটারের বড় স্ক্রিনে অনেক আরামের। তাই দিনে কয়েকটা অর্ডার হলে অ্যাপই যথেষ্ট। দিনে ২০টার বেশি অর্ডার হলে, বা প্রতি সন্ধ্যায় সব অর্ডার একসাথে তুললে, কম্পিউটারে ওয়েব প্যানেল ধরুন। অনেকে দুটোই চালান, নোটিফিকেশন দেখেন মোবাইলে আর বড় কাজ করেন কম্পিউটারে।
অর্ডার বাড়লে RedX-এ পার্সেল তোলার কাজ কমাবেন কীভাবে?
শুরুর দিকে হাতে এন্ট্রি দেওয়াই ভালো। ঝামেলা শুরু হয় যখন একই তথ্য ইনবক্স থেকে খাতায়, খাতা থেকে এক্সেলে, তারপর RedX-এ তিনবার লিখতে হয়। প্রতিবার কপি করার সময় নম্বরের একটা অঙ্ক বা টাকার একটা শূন্য ভুল হওয়ার সুযোগ থাকে, আর RedX-এ তা ঠিক করার সুযোগ মাত্র একবার।
নিজের জন্য একটা সহজ মাপ রাখুন। প্রতিদিন এন্ট্রি বা এক্সেল বানাতেই যদি আধা ঘণ্টার বেশি যায়, অথবা RedX-এর পাশাপাশি আরেকটা কুরিয়ারও চালান, তাহলে এমন একটা অর্ডার সিস্টেম দরকার যেখানে অর্ডার একবার ঢুকলে সেখান থেকেই কুরিয়ারে যায়। এই কাজের জন্য RedX-এর নিজের API আছে। FAQ অনুযায়ী key account manager-কে জানালে আগে টেস্টের টোকেন দেয়, টেস্ট ঠিক হলে আসলটা।
WinningSeller-এ Steadfast, Pathao, RedX, Paperfly, Carrybee আর eCourier, এই ছয়টা কুরিয়ার কানেক্ট করা যায়। RedX কানেক্ট করতে RedX থেকে পাওয়া API টোকেনটা একবার বসিয়ে কোন পিকআপ স্টোর থেকে পার্সেল যাবে সেটা সিলেক্ট করলেই হয়। এরপর কনফার্ম করা অর্ডার এক ক্লিকে RedX-এ পার্সেল হয়ে যায়, অনেকগুলো একসাথেও পাঠানো যায়, আর পার্সেলের স্ট্যাটাস নিজে থেকে আপডেট হয়। RedX প্রতিটা পার্সেলে Delivery Area চায়, তাই অর্ডারের ঠিকানা দেখে এলাকাটা মিলিয়ে দেখানো হয়। কোনো অর্ডারের এলাকা না মিললে সেটা আপনাকে একবার সিলেক্ট করে দিতে হয়। নতুন অর্ডারের পাশে নম্বর দিয়ে ফ্রড চেকও দেখা যায়। নিজের কয়েকটা অর্ডার দিয়ে আগে চালিয়ে দেখতে পারেন (প্রথম মাস মাত্র ৯৯ টাকা, তারপর রেগুলার দাম)।
তবে এই পরামর্শ সবার জন্য না। দিনে ৫ থেকে ১০টা পার্সেল পাঠালে RedX-এর অ্যাপ আর প্যানেলই যথেষ্ট, আলাদা কিছু লাগবে না। আজকের কাজ তিনটা। একাউন্টটা খুলুন আর NID দিয়ে ভেরিফাই করুন। পিকআপ স্টোর, Return number আর পেমেন্ট মেথড ঠিকঠাক বসান। তারপর প্রথম পার্সেলটা দুপুর ৩টার আগে এন্ট্রি দিন। কাল প্যানেল খুলে যখন দেখবেন পার্সেল রওনা দিয়েছে, আর ডেলিভারির পরের দিন প্রথম বিক্রির টাকাটা একাউন্টে ঢুকবে, তখন বুঝবেন কাজটা আসলে কত সহজ ছিল।
সাধারণ প্রশ্ন
RedX মার্চেন্ট একাউন্ট খুলতে কি ট্রেড লাইসেন্স বা ফেসবুক পেজ লাগে?
না, সাইন আপের জন্য লাগে না। RedX-এর FAQ-তে লেখা আছে, ফেসবুক পেজ ছাড়াও মার্চেন্ট হওয়া যায়, শুধু একটা রেজিস্টার্ড ফোন নম্বর লাগে। সাইন আপ ফর্মে ট্রেড লাইসেন্সের কোনো ঘরও নেই। তবে প্যানেলে NID দিয়ে ভেরিফাই করতে হয়, না করলে একাউন্ট বাতিল হতে পারে বলে RedX নিজেই লিখেছে।
RedX মার্চেন্ট একাউন্ট খুলতে কত টাকা লাগে?
কোনো টাকা লাগে না, RedX-এর ওয়েবসাইটেই লেখা আছে সাইন আপ ফ্রি। খরচ আসে প্রতিটা পার্সেলের ডেলিভারি চার্জ আর COD চার্জ থেকে, যা কাস্টমারের কাছ থেকে তোলা টাকা থেকে কেটে রাখা হয়। কোন এলাকায় কত চার্জ, সেটা Steadfast আর Pathao-র সাথে মিলিয়ে আমাদের কুরিয়ার তুলনার লেখায় দেওয়া আছে।
RedX থেকে কুরিয়ারের টাকা কবে আসে?
RedX-এর FAQ অনুযায়ী যেদিন পার্সেল ডেলিভারি হয়, তার পরের দিন টাকা দেয়। পরের দিনটা ছুটি হলে টাকা যায় পরের ব্যাংকিং দিনে। bKash বা City Bank-এ টাকা নিলে শনিবারেও পেমেন্ট প্রসেস হয় বলে RedX লিখেছে, তাই বৃহস্পতিবারের ডেলিভারির টাকা শনিবারেই পেতে পারেন। তবে ওদের মার্চেন্ট টার্মসে টাকা পাঠানোর দিন রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার লেখা, তাই প্রথম কয়েক সপ্তাহ নিজে মিলিয়ে দেখুন।
RedX মার্চেন্ট হেল্পলাইন নম্বর কত?
RedX-এর FAQ-তে হেল্পলাইন নম্বর দেওয়া আছে 09610007339, আর ইমেইল contact@redx.com.bd। অ্যাপ আর ওয়েব প্যানেল থেকে লাইভ চ্যাটেও কথা বলা যায়। কোনো পার্সেলের সমস্যা হলে প্যানেলের Report Issues থেকে জানান, তাহলে ট্র্যাকিং আইডিসহ রেকর্ড থাকে।
কাস্টমার পরে নিতে চাইলে RedX পার্সেল কত দিন ধরে রাখে?
RedX-এর FAQ-তে লেখা আছে, পার্সেল শেষ হাবে পৌঁছানোর পরে ওরা ৩ দিনের বেশি ধরে রাখে না। কাস্টমার এর চেয়ে বেশি সময় চাইলে পার্সেলটা ফেরত এনে পরে নতুন করে পাঠানোই ভালো। তিন দিনের মধ্যে হলে Return Approvals থেকে Reattempt দিয়ে আরেকবার ডেলিভারির চেষ্টা করাতে পারেন।
RedX-এ পার্সেল হারালে বা ভাঙলে কত টাকা পাওয়া যায়?
RedX-এর মার্চেন্ট টার্মসে লেখা আছে, ওদের লোকের দোষে কিছু হারালে বা নষ্ট হলে ইনভয়েসের দাম আর ৫,০০০ টাকার মধ্যে যেটা কম, সেটাই সর্বোচ্চ পাবেন। সমস্যা জানাতে হয় ৩ দিনের মধ্যে, আর তদন্তে কমপক্ষে ৫ কর্মদিবস লাগে। ঘি, মধু, তেল বা কাচের বোতল ভাঙলে, অথবা প্যাকিং দুর্বল হলে কোনো টাকা দেয় না।
আরও পড়ুন
হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল না গ্রুপ? পুরনো কাস্টমারকে নতুন মালের খবর দিন
নতুন কালেকশনের খবর পুরনো কাস্টমারকে দিতে চান, কিন্তু চ্যানেল খুলবেন, গ্রুপ, না স্ট্যাটাস? কে কার নম্বর দেখে, কে উত্তর দিতে পারে, চ্যানেল খোলার ধাপ, কী পোস্ট দেবেন, গ্রুপের নিয়ম আর ঝুঁকি, আর এক মাসে কোনটায় কত সময় যায়, হিসাবসহ।
শার্ট, প্যান্ট আর টি-শার্টের সাইজ চার্ট বানাবেন যেভাবে, ফেরত কমবে
সাপ্লায়ারের ট্যাগে M লেখা, অথচ কাস্টমার বলেন টাইট। টি-শার্ট, শার্ট আর প্যান্ট টেবিলে বিছিয়ে ফিতা দিয়ে মাপার নিয়ম, ইঞ্চিতে নিজের সাইজ চার্ট বানানো, কাস্টমারকে নিজের শার্ট মেপে সাইজ বাছতে শেখানো, আর একটা ভুল সাইজে কত টাকা যায়, হিসাবসহ।
প্রোডাক্ট ক্যাটালগ ও প্রাইস লিস্ট বানানোর নিয়ম, পাইকার আর অফিসের জন্য
পাইকার, রিসেলার বা অফিসের লোক বলছেন "ক্যাটালগ আর রেট দেন"? প্রতিটা প্রোডাক্টে কী লিখবেন, খুচরা আর পাইকারি দাম কেন আলাদা ফাইলে, পরিমাণ ধরে দামের ধাপ টাকায়, PDF না লিংক, আর দাম বদলালে পুরনো কপি থামাবেন কীভাবে।


