WinningSeller
অর্ডার ও কুরিয়ার১৩ মিনিটে পড়া যায়

থার্মাল প্রিন্টার, ওজন মেশিন আর টেপ, প্যাকিং টেবিলে কী কিনবেন, কত দাম

দিনে কত পার্সেল হলে থার্মাল প্রিন্টার কিনবেন, রিসিট আর লেবেল প্রিন্টারের পার্থক্য, ৪×৬ আর ৩×৪ ইঞ্চি লেবেলে কত খরচ, কোন ওজন মেশিন, টেপ গান আর তিন বাজেটের পুরো সেট, অক্টোবর ২০২৬-এর দোকানের দামসহ।

থার্মাল প্রিন্টার, ওজন মেশিন আর টেপ, প্যাকিং টেবিলে কী কিনবেন, কত দাম
এই লেখায় যা আছে
  1. দিনে কত পার্সেল হলে প্যাকিং টেবিল সাজানো দরকার
  2. থার্মাল প্রিন্টার কী, রিসিট আর লেবেল প্রিন্টারের পার্থক্য
  3. লেবেলের মাপ আর রোল, এক লেবেলে কত খরচ (উদাহরণ)
  4. ওজন মাপার মেশিন কোনটা, কুরিয়ারের সাথে ওজনের তর্ক কমে যেভাবে
  5. টেপ ডিসপেনসার, কাটার আর বাকি ছোট জিনিস
  6. পুরো সেটের খরচ, তিন বাজেটে
  7. কেনার পর প্রথম সপ্তাহে যা দেখবেন
  8. কখন এখনই কিনবেন না
  9. আজই করে ফেলুন

থার্মাল প্রিন্টারের দাম ২০২৬ সালের ১২ অক্টোবর Star Tech-এর ওয়েবসাইটে ছিল ৩,৩০০ টাকা থেকে শুরু, ছোট ৫৮ মিমি রিসিট প্রিন্টারে। পার্সেলের গায়ে লাগানোর লেবেল প্রিন্টার শুরু ৪,০০০ টাকা থেকে, আর ৪×৬ ইঞ্চির বড় লেবেল ছাপার মতো ৪ ইঞ্চি চওড়া Xprinter XP-420B ৯,৫০০ টাকা। দিনে ২০টার বেশি পার্সেল হাতে লিখলে প্রিন্টারটা সময় ফেরত দেয়। সাথে লাগবে একটা ওজন মাপার মেশিন আর একটা টেপ গান। নিচে প্রতিটার কাজ, দাম আর কোনটা আপনার এখন লাগবে, আর কোনটা এখনই লাগবে না।

সন্ধ্যার পর মেঝেতে ৪০টা পলি সাজানো, প্রতিটার গায়ে মার্কার দিয়ে নাম, ঠিকানা, ফোন আর টাকার অঙ্ক লিখছেন। পঁচিশ নম্বরে এসে একটা ফোন নম্বরের শেষ দুটো অঙ্ক উল্টে গেল, টের পেলেন না। দুদিন পর রাইডার ফোন দিয়ে বললেন নম্বর বন্ধ, পার্সেল ফেরত যাচ্ছে। হাতের লেখার এই ক্লান্তি আর ছোট ভুলগুলো থেকেই প্যাকিং টেবিল সাজানোর কথা আসে।

দিনে কত পার্সেল হলে প্যাকিং টেবিল সাজানো দরকার

সোজা হিসাবটা আগে করি। একটা পার্সেলের গায়ে নাম, ঠিকানা, ফোন আর COD-র টাকা হাতে লিখতে মোটামুটি দেড়-দুই মিনিট লাগে, যদি থেমে থেমে অর্ডারের লিস্ট দেখে লিখতে হয়। এটা একটা আন্দাজ, নিজে একদিন ঘড়ি ধরে দেখে নিন। দিনে ১০টা পার্সেলে ২০ মিনিট, সহ্য করা যায়। দিনে ৪০টায় এক ঘণ্টার বেশি, প্রতিদিন। মাসে ২৬ দিন কাজ ধরলে ২৬ ঘণ্টা, মানে তিন দিনের পুরো কাজের সময় শুধু ঠিকানা লেখায় যায়।

লেবেল প্রিন্টারে ৪০টা লেবেল বের হয় কয়েক মিনিটে, আর ঠিকানা আসে সরাসরি অর্ডার থেকে, তাই নম্বর উল্টানোর ভয় থাকে না। আমি হিসাবটা মোটামুটি এভাবে ভাগ করি। দিনে ১০টার কম পার্সেলে কিছু কিনবেন না, A4 কাগজে প্রিন্ট বা হাতের লেখাই চলে। দিনে ১৫ থেকে ২০টা হলে লেবেল প্রিন্টারের কথা ভাবা শুরু করুন। দিনে ৩০টার বেশি হলে আর দেরি করবেন না, কারণ তখন প্রতিদিন এক ঘণ্টা যায় শুধু লেখায়, আর ভুল নম্বরের প্রতিটা ফেরতে কুরিয়ার চার্জটা পুরো যায়।

একটা গোছানো প্যাকিং টেবিলে একজন তরুণ পার্সেল প্যাক করছেন, এক পাশে একটা ছোট লেবেল প্রিন্টার থেকে স্টিকার বের হচ্ছে, মাঝখানে একটা ডিজিটাল ওজন মেশিনের ওপর পলিতে মোড়া পার্সেল, আরেক পাশে একটা টেপ গান আর কাঁচি
প্রিন্টার, স্কেল আর টেপ গান, তিনটা জিনিস হাতের নাগালে

টেবিলের সাজটাও কাজের ক্রমে করুন। বাঁয়ে খালি পলি আর বক্স, মাঝে প্রোডাক্ট আর স্কেল, ডানে প্রিন্টার আর টেপ, তার পাশে তৈরি পার্সেলের ঝুড়ি। হাত একদিকে এগোবে, ফিরে আসবে না। নতুন সেলাররা প্রায়ই প্রিন্টারটা টেবিলের এক কোণে আর স্কেলটা মেঝেতে রাখেন, তারপর প্রতিটা পার্সেলে তিনবার উঠে দাঁড়ান। একশো পার্সেলের দিনে এই উঠাবসাই কোমর ধরিয়ে দেয়।

আরেকটা লাভ আছে, যেটা পরে টের পাবেন। যেদিন প্রথম একজন সাহায্যকারী রাখবেন, সেদিন তাঁকে শেখাতে হবে। টেবিল কাজের ক্রমে সাজানো থাকলে দশ মিনিটে বুঝিয়ে দেওয়া যায়, "বাঁ থেকে ডানে যাবেন, শেষে ঝুড়ি"। এলোমেলো টেবিলে প্রতিটা জিনিস আপনাকেই খুঁজে দিতে হয়, আর আপনার ছুটির দিনে প্যাকিং থেমে থাকে।

থার্মাল প্রিন্টার কী, রিসিট আর লেবেল প্রিন্টারের পার্থক্য

থার্মাল প্রিন্টারে কালি লাগে না। প্রিন্টারের মাথা গরম হয়ে বিশেষ কাগজের ওপর কালো দাগ ফোটায়। খরচ তাই শুধু কাগজের, আর কাগজটা হতে হয় থার্মাল, সাধারণ কাগজ চলে না। এখানে দুই রকম প্রিন্টার আছে, আর অনেক নতুন সেলার ভুলটা এখানেই করেন।

রিসিট প্রিন্টার দোকানের ক্যাশ কাউন্টারের মতো লম্বা রোলে ছাপে। রোল ৫৮ মিমি বা ৮০ মিমি চওড়া, আর কাগজটা স্টিকার না, সাধারণ পাতলা কাগজ। এতে ইনভয়েস বা অর্ডারের স্লিপ ভালো হয়। কিন্তু পার্সেলের গায়ে লাগাতে টেপ মারতে হয়। ১২ অক্টোবর Star Tech-এ ৫৮ মিমি রিসিট প্রিন্টার ছিল ৩,৩০০ থেকে ৪,৫০০ টাকার মধ্যে, যেমন Rongta RP582 ৩,৫০০ টাকা। ৮০ মিমির Xprinter XP-80T, যাতে নিজে কাগজ কাটার ব্যবস্থা আছে, ৬,৫০০ টাকা।

লেবেল প্রিন্টার ছাপে স্টিকারের রোলে। প্রতিটা স্টিকার আলাদা, পেছনের কাগজ ছিঁড়ে সরাসরি পার্সেলের গায়ে লাগানো যায়। পার্সেলের জন্য আসল জিনিস এটাই। এখানে প্রিন্টার কেনার আগে একটা সংখ্যা দেখুন, কত চওড়া লেবেল নিতে পারে। Star Tech-এর পেজে Xprinter XP-365B-U (৭,০০০ টাকা) লেবেল নেয় ২০ থেকে ৮২ মিমি চওড়া, মানে ৩ ইঞ্চি পর্যন্ত। Xprinter XP-420B (৯,৫০০ টাকা) ছাপতে পারে ১০৮ মিমি চওড়া, মানে ৪ ইঞ্চির লেবেল। Xprinter XP-410B-ও ৯,৫০০ টাকা, এটা ১১৬ মিমি পর্যন্ত কাগজ নেয় আর USB-র সাথে Wi-Fi-তেও চলে।

দুটো জিনিস পাশাপাশি রাখা একটা নকশা, বাঁয়ে একটা লম্বা সরু ৮০ মিমি রিসিটের কাগজ, ডানে একটা চওড়া ৪×৬ ইঞ্চির স্টিকার লেবেল যাতে ঠিকানার ঘর, বড় করে টাকার অঙ্ক আর নিচে একটা বারকোড
বাঁয়ে রিসিট, টেপ লাগে। ডানে লেবেল, ছিঁড়ে লাগিয়ে দিলেই হয়

ছোট Bluetooth বা মোবাইল প্রিন্টারও আছে, যেমন Star Tech-এ Tigo POS-5820DD Bluetooth লেবেল প্রিন্টার ৪,০০০ টাকা। ফোন থেকে প্রিন্ট দেওয়া যায় বলে শুরুতে লোভনীয় লাগে। কিন্তু এগুলোর লেবেল ছোট, প্রিন্ট ধীরে হয়, আর অনেকগুলো একসাথে ছাপতে গেলে বিরক্ত লাগে। মেলায় বা দোকানে দুই-চারটা স্লিপের জন্য ঠিক আছে, দিনে ৩০টা পার্সেলের প্যাকিং টেবিলের জন্য না। ইনভয়েস থার্মালে ছাপবেন নাকি A4-এ, সেটা ইনভয়েসের লেখায় আলাদা করে বলা আছে।

লেবেলের মাপ আর রোল, এক লেবেলে কত খরচ (উদাহরণ)

পার্সেল লেবেলের দুটো মাপ বেশি চলে, ৪×৬ ইঞ্চি (প্রায় ১০০×১৫০ মিমি) আর ৩×৪ ইঞ্চি (প্রায় ৭৫×১০০ মিমি)। ৪×৬-এ ঠিকানা, ফোন, COD-র টাকা আর বারকোড বড় অক্ষরে আঁটে, রাইডার রোদের মধ্যেও একবারে পড়েন। ৩×৪ সস্তা আর ছোট পলিতে সুন্দর বসে, কিন্তু লম্বা ঠিকানা ছোট অক্ষরে নেমে যায়।

এবার দাম। ২০২৬ সালের ১২ অক্টোবর Star Tech-এর ওয়েবসাইটে ১০০×১৫০ মিমির রোল, প্রতি রোলে ৩৫০টা লেবেল, ১,০০০ টাকা। ৭৫×১০০ মিমির রোল, প্রতি রোলে ৫০০টা লেবেল, ৬৫০ টাকা। দুই পেজেই লেখা "Minimum 10 PCS Bundle Order", মানে অন্তত ১০টা রোল একসাথে কিনতে হয়। ওই দোকানে "৪×৬ ইঞ্চি" নামে আরেকটা রোল ১,১০০ টাকায় আছে, কিন্তু তার নামে ৩৫০টা লেবেল আর বিবরণে ১,০০০টা লেখা। এমন গরমিল দেখলে কেনার আগে ফোন করে জেনে নিন রোলে আসলে কয়টা।

উদাহরণ ধরে হিসাব করি। ধরুন দিনে ৪০টা পার্সেল যায়, মাসে ২৬ দিন, মানে ১,০৪০টা লেবেল।

  • ৪×৬ ইঞ্চি। ১,০০০ ÷ ৩৫০ = প্রতি লেবেল প্রায় ২.৮৬ টাকা। মাসে ১,০৪০ × ২.৮৬ = প্রায় ২,৯৭৪ টাকা। প্রথমবার ১০টা রোল কিনতে ১০,০০০ টাকা, যাতে ৩,৫০০ লেবেল, মানে তিন মাসের বেশি চলে।
  • ৩×৪ ইঞ্চি। ৬৫০ ÷ ৫০০ = প্রতি লেবেল ১.৩০ টাকা। মাসে ১,০৪০ × ১.৩০ = ১,৩৫২ টাকা। ১০টা রোল ৬,৫০০ টাকা, ৫,০০০ লেবেল, প্রায় পাঁচ মাস।

পার্থক্য মাসে ১,৬০০ টাকার মতো। কোনটা নেবেন? পার্সেল বেশিরভাগ ছোট পলিতে গেলে আর ঠিকানা সাধারণত দুই লাইনে আঁটলে ৩×৪-ই যথেষ্ট, আর তাহলে ৭,০০০ টাকার ৩ ইঞ্চি প্রিন্টারেই কাজ চলে। বক্সে পাঠালে, ঠিকানা লম্বা হলে, বা লেবেলে প্রোডাক্টের নাম আর কোডও রাখতে চাইলে ৪×৬ নিন, আর তাহলে ৪ ইঞ্চির প্রিন্টার কিনতেই হবে। ৩ ইঞ্চির প্রিন্টার কিনে পরে ৪×৬ চাইলে প্রিন্টারটাই বদলাতে হয়, এই ভুলটা অনেকে করেন।

একজন যুবক একটা লেবেল প্রিন্টারের ঢাকনা খুলে ভেতরে নতুন স্টিকারের রোল বসাচ্ছেন, রোলের মাথা প্রিন্টারের মুখ দিয়ে বের করে আনছেন, পাশে আরও কয়েকটা রোল রাখা
রোল বসানোর পর প্রথম লেবেলটা সবসময় টেস্ট

WinningSeller-এ অর্ডারের লিস্ট থেকে অর্ডার বাছাই করে একসাথে "লেবেল প্রিন্ট" দেওয়া যায়। কাগজের মাপে তিনটা অপশন, "স্টিকার ৪×৬ ইঞ্চি", "স্টিকার ৩×৪ ইঞ্চি" আর সাধারণ প্রিন্টারের জন্য "A4 পাতায় ৮টি"। লেবেলে বারকোডে যায় কুরিয়ারের কনসাইনমেন্ট নম্বর, পার্সেল কুরিয়ারে না গিয়ে থাকলে অর্ডার নম্বর, আর প্রোডাক্টের নামের পরে আর্টিকেল নম্বর। ইনভয়েসের জন্য আলাদা "ইনভয়েস প্রিন্ট", A4 বা A5। যা করে না, সেটাও জানুন। WinningSeller প্রিন্টার বেচে না, ড্রাইভারও বসায় না। প্রিন্ট যায় ব্রাউজারের সাধারণ প্রিন্টের জানালা দিয়ে, তাই প্রিন্টারের ড্রাইভার আপনার কম্পিউটারে বসানো থাকতে হবে। অর্ডার সামলানোর বাকি কাজগুলো, যেমন বাল্ক অ্যাকশন আর এক ক্লিকে কুরিয়ারে পাঠানো, এক জায়গায় পাবেন WinningSeller-এর ফিচারের লিস্টে।

অর্ডার বাছাই করে একসাথে লেবেল প্রিন্ট করে দেখুনপ্রথম মাস মাত্র ৯৯ টাকা, তারপর রেগুলার দাম

ওজন মাপার মেশিন কোনটা, কুরিয়ারের সাথে ওজনের তর্ক কমে যেভাবে

কুরিয়ার চার্জ ধাপে ধাপে বাড়ে, আর ধাপের সীমায় কয়েক গ্রামই টাকা বদলে দেয়। ২০২৬ সালের ১২ অক্টোবর Steadfast-এর রেট ক্যালকুলেটরে ঢাকার ভেতরে আধা কেজি পর্যন্ত চার্জ ৬৫ টাকা, আধা কেজির ওপরে ১ কেজি পর্যন্ত ৭৫ টাকা, তারপর প্রতি কেজিতে ২০ টাকা বাড়ে। মানে ৪৮০ গ্রামের পার্সেলে ৬৫ টাকা, অথচ পলি আর বাবল র‍্যাপ মিলে ৫২০ গ্রাম হলে ৭৫ টাকা। Steadfast-এর ক্যালকুলেটরেই লেখা আছে, ওজন দিতে হবে প্যাকেজিং ধরে।

তাই মাপবেন প্যাক শেষ করে, শুধু প্রোডাক্ট না। আর গোল করবেন ওপরের ধাপে। স্কেলে ৯৮০ গ্রাম দেখালে প্যানেলে ১ কেজিই লিখুন, ৯৫০ গ্রাম না। হাবে আবার মাপা হয়, আর সেখানে আপনার লেখার চেয়ে বেশি এলে বিল আসে হাবের ওজনে। মাস শেষে খাতার সাথে কুরিয়ারের বিল না মেলার একটা বড় কারণ এই আন্দাজের ওজন। Pathao-র কুরিয়ার পেজের টেবিলেও একই ছাঁচ, একই শহরের ভেতরে আধা কেজি পর্যন্ত ৬০ টাকা, ১ কেজি পর্যন্ত ৭০ টাকা আর ২ কেজি পর্যন্ত ৯০ টাকা, VAT আলাদা।

কুরিয়ারের সাথে ওজনের তর্ক কমানোর সবচেয়ে সস্তা উপায় একটা ছবি। ভারী বা দামি পার্সেলে স্কেলের পর্দাসহ পার্সেলের একটা ছবি তুলে রাখুন, পার্সেলের গায়ে মার্কারে ওজনটাও লিখে দিন। বিলে কোনো পার্সেলের ওজন বেশি দেখালে সেই ছবি আর কনসাইনমেন্ট নম্বর দিয়ে KAM বা মার্চেন্ট সাপোর্টকে লিখুন। ছবি ছাড়া "আমি তো মেপেছিলাম" বললে কথাটা মুখের কথাই থেকে যায়।

কোন মেশিন? কাপড়, কসমেটিকস বা গ্যাজেটের পার্সেলের জন্য ৩০ থেকে ৪০ কেজির টেবিল স্কেল, যেটা ৫ বা ১০ গ্রাম ঘরে মাপে, সেটাই যথেষ্ট। ২০২৬ সালের ১২ অক্টোবর Rokomari-তে Xpart-এর ৪০ কেজির ফ্ল্যাট ট্রে স্কেল ছিল ২,৭৪৯ টাকায়, ট্রে ৩৪০×২৩০ মিমি স্টেইনলেস স্টিলের, যাতে একটা মাঝারি বক্স আঁটে। একই দিনে সেখানে ৫০ কেজির একটা ঝুলানো স্কেল ছিল ৪৫০ টাকায়, ১০ গ্রাম ঘরে মাপে। ঝুলানোটা সস্তা, কিন্তু প্রতিটা পার্সেল হুকে ঝোলাতে হয়, দিনে ৪০টায় সেটা বিরক্তিকর। শুরুতে চলে, পরে টেবিল স্কেলে যান।

একটা ডিজিটাল টেবিল স্কেলের স্টিলের ট্রেতে পলিতে মোড়া একটা পার্সেল রাখা, পর্দায় গ্রামের হিসাবে সংখ্যা জ্বলছে, পাশে একজন পুরুষের হাত মার্কার দিয়ে পার্সেলের গায়ে ওজন লিখছে
প্যাক শেষে মাপুন, তারপর ওপরের ধাপে গোল করুন

নতুন স্কেল এলে প্রথমে একবার পরীক্ষা করুন। সিল করা ১ লিটারের একটা পানির বোতল রাখুন, বোতলসহ সাধারণত ১ কেজির একটু বেশি দেখানোর কথা। একদম অন্য রকম দেখালে বা প্রতিবার আলাদা আসলে মেশিন ফেরত দিন। আর স্কেলটা নড়বড়ে টেবিলে বা কার্পেটে রাখবেন না, শক্ত সমান জায়গায় রাখুন। ভারী বা বড় পার্সেলের ওজন আর সাইজ নিয়ে পুরো হিসাব ভারী পার্সেলের লেখায় আছে।

টেপ ডিসপেনসার, কাটার আর বাকি ছোট জিনিস

টেপ গান বা টেপ ডিসপেনসার শুনতে বিলাসিতা লাগে, যতক্ষণ না দিনে পঞ্চাশটা পার্সেল হাতে টেপ মেরেছেন। হাতে টেপ টানলে প্রতিবার মাথা খুঁজতে হয়, দাঁত দিয়ে বা কাঁচিতে কাটতে হয়, আর টেপ বাঁকা বসে। গানে এক টানে টেপ লাগে আর ধারালো দাঁতে কেটে যায়। কবজির ব্যথাটা প্রথম সপ্তাহেই বোঝা যায়।

২০২৬ সালের ১২ অক্টোবর Rokomari-তে Deli-র ২ ইঞ্চি টেপের প্যাকিং টেপ ডিসপেনসার E800 ছিল ১,০৪৯ টাকায়। কেনার আগে দেখুন কত চওড়া টেপ নেয়, কারণ বাজারের বেশিরভাগ প্যাকিং টেপ ২ ইঞ্চি, আর ছোট ডিসপেনসারে সেটা ঢোকে না।

টেপ লাগানোর ধরনেও একটা কাজের কথা আছে। ফেরত আসা পার্সেলের টেপ অনেক সময় দেখা যায় কেটে আবার লাগানো, আর তখন ভেতরের জিনিস ঠিক আছে কি না, সেই তর্ক শুরু হয়। কার্টনের মুখে টেপ লাগানোর পর জোড়ের ওপর মার্কার দিয়ে একটা সই বা দোকানের ছোট সিল দিয়ে দিন। পার্সেল ফেরত এলে প্রথমে দেখুন সই অক্ষত কি না, তারপর খুলুন, আর খোলার সময় একটা ভিডিও করুন। কুরিয়ারের কাছে অভিযোগ করতে এই দুটো জিনিসই সবচেয়ে বেশি কাজে লাগে।

একজন পুরুষের হাত একটা টেপ গান দিয়ে এক টানে একটা কার্টনের মুখ সিল করছে, পাশে একটা মোটা প্যাকিং টেপের রোল আর একটা কাটার রাখা
এক টানে সিল, পঞ্চাশটা পার্সেলের পরেও কবজি ঠিক থাকে

বাকি ছোট জিনিসগুলোর দাম কম, কিন্তু না থাকলে কাজ আটকায়। একটা ভালো কাটার আর একটা কাঁচি, পলি আর কার্টন খোলার জন্য। দুটো মোটা মার্কার, লেবেল না চললে বা "ভঙ্গুর" লিখতে। একটা ছোট ঝুড়ি বা ক্রেট, তৈরি পার্সেল কুরিয়ার ধরে আলাদা রাখতে। প্রতিটা ঝুড়ির গায়ে কুরিয়ারের নাম লিখে দিলে পিকআপের সময় রাইডারকে খুঁজে খুঁজে দিতে হয় না। কোন পলি বা বক্স কিনবেন আর কত দাম, সেটা কুরিয়ার পলির সাইজ আর দামের লেখায় আছে, আর প্যাক করার নিয়ম প্যাকেজিংয়ের লেখায়।

পুরো সেটের খরচ, তিন বাজেটে

ওপরের দামগুলো এক জায়গায় আনি। দামগুলো Star Tech আর Rokomari-র নিজের ওয়েবসাইটে ১২ অক্টোবর ২০২৬-এ যা ছিল, তাই। এগুলো একটা উদাহরণ, কোনো ব্র্যান্ডের সুপারিশ না। অন্য দোকানে একই জিনিস কম-বেশি দামে পাবেন।

সেট কাদের জন্য কী কী মোট প্রায়
শুরুর সেট দিনে ১০ থেকে ২০ পার্সেল ঝুলানো স্কেল ৪৫০, টেপ ডিসপেনসার ১,০৪৯, লেবেল বাসার A4 প্রিন্টারে ১,৫০০ টাকা
মাঝারি সেট দিনে ২০ থেকে ৬০ পার্সেল Xprinter XP-365B-U ৭,০০০, ৩×৪ ইঞ্চির ১০ রোল ৬,৫০০, টেবিল স্কেল ২,৭৪৯, টেপ ডিসপেনসার ১,০৪৯ ১৭,৩০০ টাকা
বড় সেট দিনে ৬০-এর বেশি Xprinter XP-420B ৯,৫০০, ৪×৬ ইঞ্চির ১০ রোল ১০,০০০, টেবিল স্কেল ২,৭৪৯, দুটো টেপ ডিসপেনসার ২,০৯৮ ২৪,৩৫০ টাকা

মাঝারি আর বড় সেটে রোলের দামটাই বড় অংশ, কিন্তু সেটা তিন থেকে পাঁচ মাসের লেবেল। প্রিন্টার, স্কেল আর ডিসপেনসার একবারের খরচ। শুরুর সেটে A4-এ লেবেল প্রিন্ট করে কেটে টেপ দিয়ে লাগাতে হয়, ঝামেলা একটু বেশি, কিন্তু কিছু কিনতে হয় না।

তিনটা কার্ডের নকশা পাশাপাশি, বাঁয়ে শুরুর সেটে একটা ঝুলানো স্কেল আর টেপ ডিসপেনসার, মাঝে মাঝারি সেটে একটা ছোট লেবেল প্রিন্টার, স্টিকারের রোল, টেবিল স্কেল আর টেপ ডিসপেনসার, ডানে বড় সেটে একটা চওড়া লেবেল প্রিন্টার, বেশি রোল আর দুটো ডিসপেনসার, প্রতিটার নিচে মোট টাকা
দেড় হাজার, সতেরো হাজার, চব্বিশ হাজার। পার্সেলের সংখ্যা দেখে বাছুন

কেনার পর প্রথম সপ্তাহে যা দেখবেন

প্রথম দিনেই দশ রোল লেবেল খুলে ফেলবেন না। একটা লেবেল প্রিন্ট করুন, একটা পার্সেলে লাগান, আর পিকআপের সময় রাইডারকে দেখান। তিনি ঠিকানা আর ফোন পড়তে পারছেন কি না, বারকোড তাঁদের যন্ত্রে স্ক্যান হয় কি না, আর তাঁদের নিজের লেবেলের জায়গা থাকছে কি না, এই তিনটা জিনিস দেখে নিন। কুরিয়ারভেদে নিয়ম আলাদা, কোথাও কোথাও হাবে নিজেদের স্টিকারও লাগায়।

ব্রাউজারের প্রিন্টের জানালায় কাগজের মাপ একবার ঠিক করে সেভ করে দিন। প্রিন্টারের নিজের সেটিংসে "4 x 6" বা "100 x 150" না বাছলে প্রথম কয়েকটা লেবেল অর্ধেক কাটা বের হয়, আর মনে হয় প্রিন্টার নষ্ট। নতুন রোল বসালে অনেক লেবেল প্রিন্টারকে একবার ক্যালিব্রেট করতে হয়, যাতে দুই লেবেলের মাঝের ফাঁকটা চেনে, নিয়মটা প্রিন্টারের সাথে আসা কাগজে থাকে। ড্রাইভার বসানোর পর প্রিন্টারের নিজের টেস্ট পেজ একবার বের করুন, তারপর ব্রাউজার থেকে বাংলা নামসহ একটা লেবেল।

লেবেলে কী কী আছে, সেটাও প্রথম সপ্তাহে চোখ দিয়ে মিলিয়ে নিন। কাস্টমারের নাম, পুরো ঠিকানা আর থানা, ফোন নম্বর, আর COD-র টাকার অঙ্ক বড় করে, যাতে রাইডার দরজায় দাঁড়িয়েই বলতে পারেন কত টাকা নেবেন। প্রোডাক্টের নাম আর কোড থাকলে প্যাকিংয়ের সময় ভুল প্রোডাক্ট ঢোকানোর ভুলটাও ধরা পড়ে, কারণ হাতে নেওয়া প্রোডাক্টের সাথে লেবেলের কোড মিলিয়ে নেওয়া যায়। প্রথম কয়েক দিন প্রতিটা পার্সেলে এই মেলানোটা করুন, তারপর অভ্যাস হয়ে যাবে।

একটা কুরিয়ার পিকআপের সময় একজন রাইডার হাতের স্ক্যানার দিয়ে পার্সেলের গায়ের ছাপানো লেবেলের বারকোড স্ক্যান করছেন, পাশে দোকানের একজন তরুণ পার্সেলের ঝুড়ি এগিয়ে দিচ্ছেন
দশ রোল কেনার আগে একটা লেবেল রাইডারকে দেখিয়ে নিন

ঈদের সপ্তাহের কথা আগে ভাবুন। ওই সময় অর্ডার অনেক বেড়ে যায়, আর দোকানেও রোল শেষ হয়ে যায়। সবসময় একটা বাড়তি রোল আর বাড়তি টেপ হাতে রাখুন। প্রিন্টারের মাথায় কাগজের গুঁড়া জমে লেখা ফিকে হলে প্রিন্টারের সাথে আসা কাগজে বলা নিয়মে পরিষ্কার করুন।

কখন এখনই কিনবেন না

দিনে ১০টার কম পার্সেল হলে এখনই লেবেল প্রিন্টার কিনবেন না। ৭,০০০ টাকা আর ৬,৫০০ টাকার রোলের বান্ডেল মিলে প্রায় সাড়ে তেরো হাজার টাকা আটকে যায়, যেটা এই সময়ে স্টক বা অ্যাডে বেশি কাজে লাগে। বাসায় সাধারণ প্রিন্টার থাকলে A4 কাগজে ৮টা লেবেল প্রিন্ট করে কেটে লাগান, অর্ডার থেকে ঠিকানা আসে বলে ভুলের ভয়টা এতেই কমে।

আরও তিনটা অবস্থায় অপেক্ষা করুন। এক, আপনি এখনো ঠিক করেননি পার্সেল পলিতে যাবে না বক্সে, তাহলে লেবেলের মাপও ঠিক করা যায় না। দুই, যদি প্রতিদিন মেলায় বা অন্য জায়গায় ঘুরে বেচেন, তাহলে বড় প্রিন্টার না, ছোট একটা মোবাইল প্রিন্টারই বেশি কাজের। তিন, কম্পিউটার নেই, শুধু ফোন। বেশিরভাগ লেবেল প্রিন্টার চলে USB-তে কম্পিউটার দিয়ে, তাই আগে নিশ্চিন্তে প্রিন্ট দেওয়ার মতো একটা পুরনো ল্যাপটপ জোগাড় করুন, তারপর প্রিন্টার।

যেটা প্রায় সবার এখনই লাগে, সেটা ওজন মাপার মেশিন। ৪৫০ টাকার একটা ঝুলানো স্কেল প্রথম মাসেই কুরিয়ারের বিলের গরমিল ধরিয়ে দেয়। প্রিন্টারের আগে এটা কিনুন।

আজই করে ফেলুন

  1. কাল যতগুলো পার্সেল যাবে, তার প্রথম দশটার লেবেল লিখতে কত মিনিট লাগল, ঘড়ি ধরে দেখুন। সেটাকে দিনের পার্সেল দিয়ে গুণ করুন।
  2. আপনার সবচেয়ে বেশি চলা তিনটা প্রোডাক্ট প্যাক করে বাসার রান্নাঘরের স্কেলে বা কোনো দোকানে মেপে দেখুন, আধা কেজি বা ১ কেজির সীমার কাছে কোনটা।
  3. আপনার পলি আর বক্সের মাপ লিখুন, আর দেখুন ৩×৪ ইঞ্চির লেবেলে ঠিকানা আঁটে কি না। একটা কাগজ ওই মাপে কেটে পার্সেলের ওপর রেখে দেখলেই বোঝা যায়।
  4. কোন দোকান থেকে কিনবেন, তার ওয়েবসাইটে প্রিন্টারের লেবেলের চওড়া আর রোলের লেবেলের সংখ্যা আজই মিলিয়ে নিন, আর দোকানে ফোন করে জিজ্ঞেস করুন বাংলা প্রিন্ট দেখিয়ে দেবে কি না।
  5. প্যাকিং টেবিলটা বাঁ থেকে ডানে কাজের ক্রমে সাজান, খালি পলি থেকে তৈরি পার্সেলের ঝুড়ি পর্যন্ত।

সাধারণ প্রশ্ন

থার্মাল প্রিন্টারের দাম কত?

২০২৬ সালের ১২ অক্টোবর Star Tech-এর ওয়েবসাইটে ৫৮ মিমি রিসিট প্রিন্টার ৩,৩০০ থেকে ৪,৫০০ টাকায়, ৮০ মিমির Xprinter XP-80T ৬,৫০০ টাকায়, আর পার্সেল লেবেলের Xprinter XP-365B-U ৭,০০০ টাকা ও ৪ ইঞ্চি চওড়া XP-420B ৯,৫০০ টাকায় দেখা গেছে। দাম দোকান আর মাসভেদে বদলায়, কেনার দিন মিলিয়ে নিন।

পার্সেল লেবেলের জন্য কোন সাইজ ভালো, ৪×৬ না ৩×৪ ইঞ্চি?

৪×৬ ইঞ্চিতে ঠিকানা, ফোন, COD-র টাকা আর বারকোড বড় করে আঁটে, রাইডার সহজে পড়েন। ৩×৪ ইঞ্চি সস্তা আর ছোট পলিতে মানায়, কিন্তু লম্বা ঠিকানা ছোট অক্ষরে নামে। ৪×৬ ছাপতে ৪ ইঞ্চি চওড়া লেবেল প্রিন্টার লাগে, ৩ ইঞ্চির প্রিন্টারে হয় না।

থার্মাল লেবেলের লেখা কি মুছে যায়?

ডাইরেক্ট থার্মাল লেবেল তাপ আর রোদে কালো হয়ে বা ফিকে হয়ে যেতে পারে, তাই বাড়তি রোল ড্রয়ারে বা বাক্সে রাখুন, জানালার পাশে না। পার্সেল কয়েক দিনেই পৌঁছায় বলে এতে সাধারণত সমস্যা হয় না, কিন্তু মাসের পর মাস রোদে রাখা রোলে হতে পারে।

পার্সেলের ওজন মাপতে কোন মেশিন কিনব?

ছোট পার্সেলের জন্য ৫ গ্রাম বা ১০ গ্রাম ঘরে মাপা যায়, এমন ৩০ থেকে ৪০ কেজির টেবিল স্কেলই যথেষ্ট। ২০২৬ সালের ১২ অক্টোবর Rokomari-তে ৪০ কেজির একটা ফ্ল্যাট ট্রে স্কেল ২,৭৪৯ টাকায় আর ৫০ কেজির ঝুলানো স্কেল ৪৫০ টাকায় দেখা গেছে। কেনার পর একটা ১ লিটারের পানির বোতল মেপে দেখুন মেশিন ঠিক আছে কি না।

থার্মাল প্রিন্টারে কি কালি লাগে?

না, থার্মাল প্রিন্টার তাপ দিয়ে বিশেষ কাগজে লেখা ফোটায়, কালি বা টোনার লাগে না। খরচ শুধু রোল বা লেবেলের। তাই সাধারণ কাগজ এতে চলে না, থার্মাল রোল বা থার্মাল স্টিকারই কিনতে হয়।

থার্মাল প্রিন্টারে কি বাংলা প্রিন্ট হয়?

ব্রাউজার থেকে প্রিন্ট দিলে সাধারণত হয়, কারণ ব্রাউজার পুরো পেজটাকে ছবির মতো করে প্রিন্টারে পাঠায়। কিন্তু কিছু প্রিন্টারের নিজের অ্যাপে বাংলা অক্ষর ভেঙে যায়। দোকানে বসেই একটা বাংলা নাম-ঠিকানাসহ লেবেল প্রিন্ট করে দেখে তারপর কিনুন।

#থার্মাল প্রিন্টার দাম#লেবেল প্রিন্টার#Xprinter#ওজন মাপার মেশিন#টেপ ডিসপেনসার#প্যাকিং

আরও পড়ুন

হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল না গ্রুপ? পুরনো কাস্টমারকে নতুন মালের খবর দিন

নতুন কালেকশনের খবর পুরনো কাস্টমারকে দিতে চান, কিন্তু চ্যানেল খুলবেন, গ্রুপ, না স্ট্যাটাস? কে কার নম্বর দেখে, কে উত্তর দিতে পারে, চ্যানেল খোলার ধাপ, কী পোস্ট দেবেন, গ্রুপের নিয়ম আর ঝুঁকি, আর এক মাসে কোনটায় কত সময় যায়, হিসাবসহ।

·১১ মিনিটে পড়া যায়

শার্ট, প্যান্ট আর টি-শার্টের সাইজ চার্ট বানাবেন যেভাবে, ফেরত কমবে

সাপ্লায়ারের ট্যাগে M লেখা, অথচ কাস্টমার বলেন টাইট। টি-শার্ট, শার্ট আর প্যান্ট টেবিলে বিছিয়ে ফিতা দিয়ে মাপার নিয়ম, ইঞ্চিতে নিজের সাইজ চার্ট বানানো, কাস্টমারকে নিজের শার্ট মেপে সাইজ বাছতে শেখানো, আর একটা ভুল সাইজে কত টাকা যায়, হিসাবসহ।

·১১ মিনিটে পড়া যায়

প্রোডাক্ট ক্যাটালগ ও প্রাইস লিস্ট বানানোর নিয়ম, পাইকার আর অফিসের জন্য

পাইকার, রিসেলার বা অফিসের লোক বলছেন "ক্যাটালগ আর রেট দেন"? প্রতিটা প্রোডাক্টে কী লিখবেন, খুচরা আর পাইকারি দাম কেন আলাদা ফাইলে, পরিমাণ ধরে দামের ধাপ টাকায়, PDF না লিংক, আর দাম বদলালে পুরনো কপি থামাবেন কীভাবে।

·১১ মিনিটে পড়া যায়