WinningSeller
মার্কেটিং ও ল্যান্ডিং পেজ১৩ মিনিটে পড়া যায়

ফেসবুক এড একাউন্ট খোলার নিয়ম, কারেন্সি আর টাইম জোন ভুল না করে

নিজের পোর্টফোলিওতে নিজের নামে অ্যাড অ্যাকাউন্ট খোলার পুরো ধাপ। কারেন্সি আর টাইম জোন কেন পরে বদলানো যায় না, ভুল কারেন্সিতে একটা শূন্য বেশি পড়লে কত টাকা যায়, স্পেন্ডিং লিমিট আর বিলিং থ্রেশহোল্ড কী, আর খোলার দিনেই কী দেখে নেবেন।

ফেসবুক এড একাউন্ট খোলার নিয়ম, কারেন্সি আর টাইম জোন ভুল না করে
এই লেখায় যা আছে
  1. অ্যাড অ্যাকাউন্ট কী, পেজ আর পোর্টফোলিওর সাথে সম্পর্ক
  2. ধাপে ধাপে ফেসবুক এড একাউন্ট খোলার নিয়ম
  3. কারেন্সি কোনটা দেবেন, টাকা না ডলার (উদাহরণ)
  4. টাইম জোন কেন Asia/Dhaka
  5. স্পেন্ডিং লিমিট আর বিলিং থ্রেশহোল্ড, কোনটা কী
  6. দ্বিতীয় অ্যাডমিন আর একাধিক অ্যাড অ্যাকাউন্ট
    1. কখন নতুন অ্যাড অ্যাকাউন্ট খুলবেন না
  7. খোলার পর প্রথম দিনেই যা চেক করবেন
  8. আজই করে ফেলুন

ফেসবুক এড একাউন্ট খোলার নিয়ম জটিল না, ঘড়ি ধরলে মিনিট পাঁচেক লাগে। Business Suite-এর Settings থেকে Ad accounts-এ গিয়ে Create a new ad account চাপবেন, অ্যাকাউন্টের নাম, টাইম জোন আর কারেন্সি দেবেন, তারপর কার্ড যোগ করবেন। কিন্তু এই পাঁচ মিনিটের ভেতরে দুটো ঘর আছে, কারেন্সি আর টাইম জোন, যেগুলো পরে বদলাতে গেলে পুরো অ্যাকাউন্টটাই বন্ধ হয়ে যায়। তাই এই দুই ঘর ভরার আগে একটু থামুন, আর নিচের কথাগুলো পড়ে নিন।

ধরুন এতদিন এজেন্সির কাছ থেকে ডলার কিনে অ্যাড চালিয়েছেন। এবার ব্যাংক থেকে ডুয়েল কারেন্সি কার্ড হাতে পেয়েছেন, ঠিক করেছেন নিজের অ্যাকাউন্টে নিজে চালাবেন। রাতে ল্যাপটপ খুলে বসলেন, আর একটা স্ক্রিনে এসে আটকে গেলেন, যেখানে জিজ্ঞেস করছে কোন কারেন্সি, কোন টাইম জোন। এই লেখা ঠিক ওই মুহূর্তের জন্য। কোন ঘরে কী দেবেন, কেন দেবেন, আর ভুল দিলে কত টাকার ঝামেলা, সব টাকার হিসাবসহ বলছি।

অ্যাড অ্যাকাউন্ট কী, পেজ আর পোর্টফোলিওর সাথে সম্পর্ক

তিনটা জিনিস আলাদা করে বুঝে নিলে বাকিটা সহজ হয়ে যায়। ফেসবুক পেজ হলো আপনার দোকানের মুখ, কাস্টমার যেটা দেখেন। অ্যাড অ্যাকাউন্ট হলো টাকার খাতা। কার্ড, বিল, কারেন্সি, টাইম জোন আর এ পর্যন্ত চালানো সব অ্যাডের হিসাব এখানে থাকে। আর বিজনেস পোর্টফোলিও হলো একটা আলমারি, যার ভেতরে পেজ, অ্যাড অ্যাকাউন্ট আর কে কোনটায় হাত দিতে পারবেন, সব গুছিয়ে রাখা থাকে।

অ্যাড চালানোর সময় এই তিনটা একসাথে কাজ করে। অ্যাড দেখায় পেজের নামে, টাকা কাটে অ্যাড অ্যাকাউন্ট থেকে, আর দুটোর মালিকানা থাকে পোর্টফোলিওর হাতে। পোর্টফোলিও এখনো না থাকলে সেটা খোলা আর পেজ যোগ করার ধাপ আলাদা করে আছে মেটা বিজনেস স্যুট আর পোর্টফোলিওর লেখায়। এখানে ধরে নিচ্ছি পোর্টফোলিও আপনার আছে, শুধু নিজের অ্যাড অ্যাকাউন্টটা নেই।

এখানে একটা ব্যাপার অনেকে খেয়াল করেন না। প্রথমবার পেজ থেকে বুস্ট করার দিন অনেকের প্রোফাইলের নিচে একটা অ্যাড অ্যাকাউন্ট তৈরি হয়ে যায়, যেটা কোনো পোর্টফোলিওতে নেই। বছর দুয়েক পরে কেউ আর মনে করতে পারেন না সেটার কারেন্সি কী, টাইম জোন কী। নতুন করে শুরু করলে পোর্টফোলিওর ভেতরেই নতুন অ্যাকাউন্ট খুলুন, প্রোফাইলের পুরনোটায় নতুন কার্ড বসাবেন না।

কোন পোর্টফোলিওতে খুলছেন, সেটা নিয়ে সবচেয়ে বেশি সাবধান হতে হয়। ২০২৬ সালের অক্টোবরে Meta-র "Add an ad account to your business portfolio" হেল্প পেজে লেখা আছে, পোর্টফোলিওর ভেতরে নতুন অ্যাড অ্যাকাউন্ট খুললে সেটা চিরদিনের জন্য ওই পোর্টফোলিওর হয়ে যায়। ডিলিটও করা যায় না, অন্য পোর্টফোলিওতে সরানোও যায় না। মানে এজেন্সির বা বন্ধুর পোর্টফোলিওতে "আপাতত" খুলে দিলে সেই অ্যাকাউন্ট আর কোনোদিন আপনার হবে না।

একটা নকশা, ওপরে একটা বড় বাক্সে বিজনেস পোর্টফোলিও লেখা, তার ভেতরে বাম পাশে ফেসবুক পেজ আর ডান পাশে অ্যাড অ্যাকাউন্ট, অ্যাড অ্যাকাউন্টের ঘরে কার্ড, কারেন্সি আর টাইম জোনের ছোট চিহ্ন, নিচে দুজন পুরুষ অ্যাডমিনের ছবি পোর্টফোলিওর সাথে দাগ দিয়ে জোড়া
পেজ দোকানের মুখ, অ্যাড অ্যাকাউন্ট টাকার খাতা, আর দুটোই থাকে নিজের পোর্টফোলিওতে

ধাপে ধাপে ফেসবুক এড একাউন্ট খোলার নিয়ম

শুরুর আগে তিনটা জিনিস হাতের কাছে রাখুন। নিজের পোর্টফোলিওতে full control, মানে পুরো অ্যাক্সেস। নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে টু-ফ্যাক্টর চালু, কারণ কার্ড বসানো অ্যাকাউন্টে কেউ ঢুকলে প্রথমেই টাকা খরচ করে। আর যে কার্ড দিয়ে টাকা দেবেন, সেটা। কার্ডের গায়ে যার নাম, অ্যাকাউন্টের বিলিং তথ্যেও সেই নাম রাখা ভালো, তাহলে পরে পেমেন্ট নিয়ে প্রশ্ন উঠলে কাগজ মেলাতে সুবিধা হয়।

এবার কাজের ধাপ। কম্পিউটার থেকে করুন, বড় স্ক্রিনে ঘরগুলো পরিষ্কার দেখা যায়। Meta-র Add an ad account হেল্প পেজে ২০২৬ সালের অক্টোবরে ধাপগুলো এভাবেই লেখা আছে।

  1. business.facebook.com খুলে নিজের পোর্টফোলিও সিলেক্ট করুন, তারপর Settings-এ যান।
  2. বাম পাশের মেনুতে Accounts, তার নিচে Ad accounts চাপুন।
  3. ওপরের + Add ড্রপডাউন থেকে Create a new ad account সিলেক্ট করুন।
  4. তিনটা ঘর ভরুন। Ad account name, Time zone আর Currency। নাম, টাইম জোন আর কারেন্সি কী দেবেন, নিচের দুই অংশে আলাদা করে বলছি। Next চাপুন।
  5. অ্যাকাউন্টটা কার কাজে লাগবে জিজ্ঞেস করবে। নিজের দোকানের জন্য হলে My business সিলেক্ট করুন। Another business or client শুধু এজেন্সির জন্য, যারা অন্যের হয়ে অ্যাড চালায়।
  6. শর্তে রাজি হওয়ার টিক দিয়ে Create ad account চাপুন।
  7. এরপর Add payment info চাপলে সেখানেই কার্ড বসানো যায়। পরে করতে চাইলে Done চাপুন, Billing & payments-এর Payment methods থেকেও পরে যোগ করা যায়।

নামের ঘরটা অনেকে হালকাভাবে নেন, অথচ ছয় মাস পরে এটাই সবচেয়ে কাজে লাগে। নামের সাথে কারেন্সিটা লিখে দিন, যেমন "রংপুর শুজ BDT" বা "রংপুর শুজ USD"। পরে দ্বিতীয় অ্যাকাউন্ট হলে, বা কাউকে অ্যাক্সেস দিলে, ড্রপডাউনে কেউ ভুল অ্যাকাউন্টে ক্যাম্পেইন বানাবেন না। নামটা পরে বদলানো যায়, কারেন্সি যায় না, তাই নামেই কারেন্সি লিখে রাখা সবচেয়ে সস্তা পাহারা।

চার নম্বর ধাপে এসে প্রায় সবাই একই ভুলটা করেন। টাইম জোন আর কারেন্সির ঘরে Meta আগে থেকে কিছু একটা বসিয়ে রাখে, আর মানুষ ধরে নেন ওটাই ঠিক। Next চাপার আগে ঘর দুটো নিজের চোখে পড়ুন, আর স্ক্রিনটার একটা স্ক্রিনশট নিয়ে রাখুন। পরে কেউ জিজ্ঞেস করলে, বা নিজের মনে সন্দেহ হলে, ওই ছবিটাই প্রমাণ।

একজন তরুণ সেলার রাতে বাসার টেবিলে ল্যাপটপে Business Suite খুলে নতুন অ্যাড অ্যাকাউন্টের ফর্ম ভরছেন, পাশে একটা ডুয়েল কারেন্সি কার্ড আর ফোন, ফোনে স্ক্রিনশট তোলার জন্য হাত তোলা
Create চাপার আগে কারেন্সি আর টাইম জোনের ঘর দুটোর একটা স্ক্রিনশট

কারেন্সি কোনটা দেবেন, টাকা না ডলার (উদাহরণ)

প্রথমে ভালো খবরটা। Meta-র ডেভেলপার সাইটে অ্যাড অ্যাকাউন্টে চলে এমন কারেন্সির যে লিস্ট আছে, ২০২৬ সালের অক্টোবরে সেখানে বাংলাদেশি টাকা, BDT, লেখা আছে। মানে টাকায় অ্যাকাউন্ট খোলা যায়। কিন্তু খোলা যায় বলেই সেটা আপনার জন্য ঠিক, তা না। Meta-র "Change the currency" হেল্প পেজে আরেকটা লাইন আছে, কোন পেমেন্ট মেথড পাবেন, সেটা নির্ভর করে কোন কারেন্সি বেছেছেন তার ওপর।

তাই প্রশ্নটা আসলে কার্ডের। আপনি যে কার্ডে টাকা দেবেন, Meta টাকা কাটলে সেটা কার্ডের কোন অংশ থেকে, কোন কারেন্সিতে কাটবে, সেটা আগে ব্যাংককে জিজ্ঞেস করুন। বাংলাদেশের অনেক সেলার ডলারের অ্যাকাউন্ট রাখেন, কারণ ডুয়েল কারেন্সি কার্ডের ডলার অংশ থেকে বিল সরাসরি কাটে, আর ব্যাংকের দেওয়া বছরের ডলার লিমিটের হিসাবও তাতে পরিষ্কার থাকে। কার্ড করা, লিমিট আর পেমেন্ট ফেল হওয়ার কারণগুলো ডুয়েল কারেন্সি কার্ডের লেখায় আছে। তাই ক্রমটা এমন রাখুন, আগে ব্যাংকের সাথে কথা, তারপর কারেন্সির ঘর। এই ক্রম উল্টালে পরে পুরো অ্যাকাউন্ট নতুন করে খুলতে হয়।

কারেন্সি ভুল হলে ক্ষতিটা কোথায় হয়, সেটা একটা হিসাবে দেখুন। উদাহরণ। নিচের ডলারের রেট ধরে নেওয়া, আপনার ব্যাংকের রেট আলাদা হবে। ধরুন ডলার ১২২ টাকা। আপনি দিনে মোটামুটি ১,০০০ টাকার অ্যাড চালাতে চান। ডলারের অ্যাকাউন্টে বাজেটের ঘরে লিখবেন ৮ ডলার, কারণ ৮ × ১২২ = ৯৭৬ টাকা। ত্রিশ দিনে যায় ২৪০ ডলার, মানে ২৯,২৮০ টাকা। এই পর্যন্ত সব ঠিক।

এবার সেই ভুল, যেটা ক্লান্ত চোখে রাত বারোটায় হয়। অভ্যাসে টাকার হিসাবে বাজেটের ঘরে লিখে ফেললেন ১০০০। অ্যাকাউন্ট ডলারের, তাই Meta পড়ল দিনে ১,০০০ ডলার। টাকায় সেটা ১,০০০ × ১২২ = ১,২২,০০০ টাকা, এক দিনে। উল্টোটাও হয়। টাকার অ্যাকাউন্টে ডলারের অভ্যাসে লিখলেন ৮, অ্যাড সারাদিনে প্রায় কাউকেই দেখাল না, আর আপনি ভাবলেন অ্যাড কাজ করছে না। দুই ক্ষেত্রেই দোষ অ্যাডের না, মাথার ভেতরের কারেন্সি আর অ্যাকাউন্টের কারেন্সি না মেলার।

প্রথম ভুলটা থেকে আপনাকে বাঁচাতে পারে একটা জিনিস, অ্যাকাউন্ট স্পেন্ডিং লিমিট, যেটা নিচে আলাদা করে বলছি। ধরুন আগেই লিমিট দিয়ে রেখেছিলেন ৩০০ ডলার। তাহলে সবচেয়ে খারাপ দিনেও খরচ থামবে ৩০০ ডলারে, মানে ৩৬,৬০০ টাকায়, এক লাখ বাইশ হাজারে না। কষ্ট লাগবে, কিন্তু মাসের স্টকের টাকা বেঁচে যাবে।

আর কারেন্সি পরে বদলাতে চাইলে কী হয়? Meta-র ওই হেল্প পেজে লেখা আছে, বকেয়া বিল না থাকলে ৬০ দিনে একবার কারেন্সি বদলানো যায়। কিন্তু বদলানো মানে আসলে নতুন একটা অ্যাড অ্যাকাউন্ট তৈরি হওয়া। পুরনোটা Ads Manager-এর ড্রপডাউনে দেখা যায়, কিন্তু বন্ধ, তার সব অ্যাড থেমে যায়, আর সেখানে চলা অ্যাডের বিল আসে পুরনো কারেন্সিতেই। মাসিক ইনভয়েসে বিল দিলে খোলার পর কারেন্সি বদলানোই যায় না। নতুন অ্যাকাউন্টে সাধারণত সবকিছু আবার ছোট থেকে শুরু হয়, থ্রেশহোল্ডও। খোলার দিনের দুই মিনিটের সাবধানতা এর চেয়ে অনেক সস্তা।

টাইম জোন কেন Asia/Dhaka

Meta-র "How to change the time zone for your ad account" হেল্প পেজে ২০২৬ সালের অক্টোবরে লেখা আছে, নতুন অ্যাড অ্যাকাউন্টের ডিফল্ট টাইম জোন Pacific Standard Time, মানে আমেরিকার পশ্চিম উপকূলের সময়। ঘরটা না দেখে Next চাপলে আপনার অ্যাকাউন্ট চলবে ক্যালিফোর্নিয়ার ঘড়িতে। তালিকাটা লম্বা, তাই ঘরে Dhaka লিখে খুঁজুন, আর Asia/Dhaka বা GMT+6 লেখা ঘরটা নিন।

ঘড়ি ভুল হলে তিনটা জায়গায় টের পাবেন। ডেইলি বাজেটের "দিন" শুরু হবে ঢাকার দুপুরে, রাত বারোটায় না। Ads Manager-এর "Today" রিপোর্টে আজকের হিসাব দুপুরে কেটে যাবে, ফলে সন্ধ্যায় মনে হবে আজকে খরচ হয়নি। আর কোন ঘণ্টায় অর্ডার আসে মিলিয়ে দেখতে গেলে Ads Manager-এর ঘণ্টা আর আপনার অর্ডার লিস্টের ঘণ্টা কয়েক ঘণ্টা সরে থাকবে। কত ঘণ্টা সরে, আর পুরনো অ্যাকাউন্ট Pacific Time-এ থাকলে কীভাবে হিসাব মেলাবেন, সেটা ফেসবুক অ্যাড শিডিউলের লেখায় পুরো দেখানো আছে।

টাইম জোন বদলানোর নিয়মটাও কারেন্সির মতোই কড়া। একই হেল্প পেজ বলছে, টাইম জোন বদলালে চালু অ্যাকাউন্টটা বন্ধ হয়ে যায়, তার অ্যাড থেমে যায়, সেটা আর চালু করা যায় না, আর নতুন টাইম জোনে নতুন একটা অ্যাকাউন্ট তৈরি হয়। তাই নতুন অ্যাকাউন্টে প্রথমবারেই ঢাকা দিন। পুরনো কোনো অ্যাকাউন্ট ভুল টাইম জোনে থাকলে, আর তাতে মাসের পর মাসের ইতিহাস জমে থাকলে, তাড়াহুড়ো করে বদলাবেন না, আগে ভেবে নিন ওই ইতিহাস হারানোর দাম কত।

নতুন অ্যাড অ্যাকাউন্টের ফর্মের একটা নকশা, তিনটা ঘর, অ্যাকাউন্টের নামের ঘরে দোকানের নাম আর USD, টাইম জোনের ঘরে Asia/Dhaka লাল বৃত্তে দাগানো, কারেন্সির ঘরে একটা তীর আর পাশে লেখা পরে বদলানো যায় না
টাইম জোনে ঢাকা, নামের সাথে কারেন্সি, তারপর Next

স্পেন্ডিং লিমিট আর বিলিং থ্রেশহোল্ড, কোনটা কী

নতুন অ্যাকাউন্টে প্রথম সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন আসে টাকা কাটা নিয়ে। "ভাই, দুই দিনে তিনবার কার্ড থেকে টাকা কাটল, হ্যাক হলো নাকি?" বেশিরভাগ সময় কিছুই হয়নি, শুধু চারটা আলাদা জিনিস মাথায় এক হয়ে গেছে। এক টেবিলে আলাদা করে দেখুন।

জিনিসটা কে ঠিক করে কী করে
ডেইলি বাজেট আপনি, প্রতিটা অ্যাড সেট বা ক্যাম্পেইনে একটা অ্যাড দিনে মোটামুটি কত খরচ করবে
অ্যাকাউন্ট স্পেন্ডিং লিমিট আপনি, পুরো অ্যাকাউন্টের জন্য সব ক্যাম্পেইন মিলিয়ে মোট খরচের ছাদ, ছুঁলে সব অ্যাড থামে
বিলিং থ্রেশহোল্ড Meta খরচ এই অঙ্কে পৌঁছালেই কার্ড থেকে সেই টাকা কাটে
Meta-র দৈনিক খরচের সীমা Meta নতুন অ্যাকাউন্ট দিনে কত খরচ করতে পারবে, প্রতিদিন নতুন করে শুরু

এবার একটা একটা করে। অ্যাকাউন্ট স্পেন্ডিং লিমিট নিয়ে Meta-র হেল্প পেজে লেখা আছে, এটা অ্যাকাউন্টের সব ক্যাম্পেইনের মিলিত খরচের সীমা, আর সীমায় পৌঁছালে অ্যাড থেমে যায়। থামার পর Payment settings থেকে লিমিট বাড়ালে বা খরচের হিসাব শূন্য করলে প্রায় ১৫ মিনিটে অ্যাড আবার চলে। কিছু অ্যাকাউন্টে প্রতি মাসের ১ তারিখে হিসাবটা নিজে থেকে শূন্য হওয়ার অপশনও আসে। নতুন অ্যাকাউন্টে আমি এটাকে সিটবেল্টের মতো দেখি। প্রথম মাসে যত টাকার অ্যাড চালানোর প্ল্যান, তার চেয়ে একটু বেশি অঙ্কে লিমিট দিয়ে রাখুন। ওপরের উদাহরণের মতো একটা শূন্য বেশি পড়লে এই লিমিটই আপনাকে থামাবে।

বিলিং থ্রেশহোল্ড ব্যাপারটা আরও সোজা। Meta-র "About payment thresholds" পেজে লেখা আছে, আপনার খরচ একটা নির্দিষ্ট অঙ্কে পৌঁছালেই Meta সেই অঙ্কটা কেটে নেয়। নতুন অ্যাকাউন্টে অঙ্কটা ছোট থাকে। পেজের UK ইংরেজি সংস্করণের উদাহরণে অঙ্কটা ২৫ ডলার, তবে আপনারটা আলাদা হতে পারে। পেমেন্ট ঠিকঠাক গেলে থ্রেশহোল্ড ধাপে ধাপে বাড়তে পারে। তাই প্রথম দিকে দিনে ১,০০০ টাকার অ্যাডেও সপ্তাহে কয়েকবার কার্ড থেকে টাকা কাটবে, আর অ্যাড বন্ধ করার পরেও একটা শেষ বিল আসতে পারে। Meta নিজেই লিখেছে, এক মাসে কয়েকবার টাকা কাটা স্বাভাবিক। আপনার এখনকার থ্রেশহোল্ড কত, দেখবেন Ads Manager-এর Payment settings-এ, Next bill অংশে।

শেষটা নিয়ে নতুনরা সবচেয়ে বেশি গুলিয়ে ফেলেন। Meta-র "Change your ad account spending limit" পেজে একটা নোট আছে, আপনার বাজেট বা স্পেন্ডিং লিমিট শেষ না হলেও অ্যাড থেমে গেলে হয়তো Meta-র ঠিক করা দৈনিক খরচের সীমায় পৌঁছেছেন, যেটা প্রতিদিন নতুন করে শুরু হয়। সেলারদের সাধারণ অভিজ্ঞতা হলো, নতুন অ্যাকাউন্টে এই সীমা কম থাকে, আর নিয়মিত পেমেন্টের ইতিহাস জমলে বাড়ে। এটা পার হওয়ার জন্য পাঁচটা নতুন অ্যাকাউন্ট খুলবেন না। প্রতিটা নতুন অ্যাকাউন্ট আবার নিচ থেকে শুরু করে, আর বন্ধ করলেও পোর্টফোলিওর লিমিটে গোনা হয়, সেটা নিচে বলছি। একটা অ্যাকাউন্টে নিয়মিত পেমেন্ট দিন, সময় দিন।

দ্বিতীয় অ্যাডমিন আর একাধিক অ্যাড অ্যাকাউন্ট

অ্যাকাউন্ট খোলার দিনেই আরেকজন বিশ্বস্ত মানুষকে অ্যাডমিন করুন, ব্যবসার পার্টনার, ভাই বা যিনি আপনি না থাকলে অ্যাড বন্ধ করতে পারবেন। কারণটা সোজা। আপনার প্রোফাইল কোনোদিন লক হলে, বা আপনি হাসপাতালে থাকলে, চলতি অ্যাড বন্ধ করার বা কার্ড বদলানোর মানুষ থাকতে হবে। নইলে সেই কয়েক দিন অ্যাড চলতেই থাকে, টাকা কাটতেই থাকে।

Meta-র হেল্প পেজে লেখা আছে, অ্যাড অ্যাকাউন্ট একবার পোর্টফোলিওতে ঢুকলে কাকে অ্যাক্সেস দেবেন, সেটা ঠিক করতে হয় পোর্টফোলিও থেকেই, Settings-এর Ad accounts ট্যাব বা People ট্যাবে গিয়ে। মানুষটাকে আগে পোর্টফোলিওতে যোগ করুন, তারপর অ্যাড অ্যাকাউন্টে পুরো অ্যাক্সেস দিন। যোগ করার পর তাঁকে বলুন নিজের ফোন থেকে একবার Ads Manager খুলে দেখতে, অ্যাকাউন্টটা তাঁর ড্রপডাউনে আসছে কি না। এই ছোট পরীক্ষাটা না করলে অনেক সময় বিপদের দিন গিয়ে দেখা যায় ইনভাইটটা অ্যাকসেপ্টই হয়নি।

এজেন্সি বা ফ্রিল্যান্সার দিয়ে অ্যাড চালালে তাঁকে আপনার পোর্টফোলিওতে মালিক বানাবেন না। Meta-তে "অ্যাক্সেস শেয়ার" করার আলাদা রাস্তা আছে, যেখানে অ্যাকাউন্ট আপনার পোর্টফোলিওতেই থাকে আর তাঁরা শুধু কাজ করেন। কাজ শেষ হলে অ্যাক্সেস তুলে নিলেই হয়।

দুজন যুবক একটা দোকানের পেছনের ছোট অফিসে বসে আছেন, একজন ল্যাপটপে Business Suite-এর People অংশে নতুন মানুষ যোগ করছেন, পাশের জন নিজের ফোনে ইনভাইটের নোটিফিকেশন দেখাচ্ছেন
দ্বিতীয় অ্যাডমিন যোগ করেই তাঁর ফোনে একবার মিলিয়ে দেখা

একাধিক অ্যাড অ্যাকাউন্টের ব্যাপারে Meta-র নিয়ম পরিষ্কার। একই হেল্প পেজে লেখা আছে, একদম নতুন পোর্টফোলিও প্রথমে একটার বেশি অ্যাড অ্যাকাউন্ট খুলতে পারে না। অন্তত একটা ক্যাম্পেইন চলে টাকা কাটা হলে সংখ্যাটা তিনে ওঠে, আর পরে খরচ যত বাড়ে, লিমিটও তত বাড়ে। আর বন্ধ করে দেওয়া অ্যাকাউন্টও এই গোনার বাইরে যায় না। মানে শখ করে খোলা আর পরে বন্ধ করা প্রতিটা অ্যাকাউন্ট আপনার ঘর খেয়ে বসে থাকে।

দ্বিতীয় অ্যাকাউন্ট তখনই খুলুন, যখন সত্যিকারের আলাদা কারণ আছে। যেমন একই মালিকের দুটো আলাদা দোকান, যাদের হিসাব আলাদা রাখতে চান। "এই প্রোডাক্টের জন্য আলাদা অ্যাকাউন্ট" বা "পুরনোটা স্লো চলছে" কোনো কারণ না।

কখন নতুন অ্যাড অ্যাকাউন্ট খুলবেন না

পুরনো অ্যাকাউন্ট রেস্ট্রিক্টেড বা ডিজেবল হলে নতুন অ্যাকাউন্ট খুলে সমস্যা থেকে পালানোর চেষ্টা করবেন না। একই প্রোফাইল, একই পেজ আর একই কার্ড নতুন অ্যাকাউন্টেও যায়, আর সমস্যার কারণটা থেকেই যায়। আগে রিভিউ চান, কারণ খুঁজে ঠিক করুন। এজেন্সির অ্যাকাউন্টে চালাচ্ছেন আর এখনো ডলার কার্ড হাতে আসেনি, এমন অবস্থায়ও খালি অ্যাকাউন্ট খুলে বসিয়ে রাখার দরকার নেই। কার্ড হাতে আসার দিন খুলুন, যাতে খোলার দিনেই কার্ড, লিমিট আর অ্যাডমিন একসাথে সেট হয়ে যায়।

খোলার পর প্রথম দিনেই যা চেক করবেন

অ্যাকাউন্ট খুলে প্রথম ক্যাম্পেইন বানানোর আগে Ads Manager-এর Payment settings একবার খুলুন। Business info অংশে Currency and time zone ঘরে যা লেখা, সেটা আপনার স্ক্রিনশটের সাথে মেলান। Payment methods-এ কার্ডটা ঠিকঠাক বসেছে কি না দেখুন। আর Account spending limit অংশে লিমিটটা দিয়ে দিন, এখনই, প্রথম অ্যাডের আগে।

এরপর ছোট বাজেটের একটা পরীক্ষা চালান, এক দিনের জন্য। উদ্দেশ্য অর্ডার আনা না, দেখা যে কার্ড থেকে টাকা কাটছে, ডেলিভারি শুরু হচ্ছে, আর রিপোর্টের ঘণ্টাগুলো ঢাকার ঘড়ির সাথে মিলছে। পরের দিন সকালে ব্যাংকের SMS আর Meta-র Billing পেজের অঙ্ক পাশাপাশি রেখে মিলিয়ে নিন। কার্ডে টাকা না কাটলে বা পেমেন্ট ফেল দেখালে তখনই ঠিক করুন, বড় সেলের দিনে না।

পরীক্ষা ঠিকঠাক গেলে আসল ক্যাম্পেইনের পালা। Sales objective, বাজেট আর অডিয়েন্স কীভাবে সাজাবেন, ধাপে ধাপে আছে Ads Manager-এ ক্যাম্পেইন সেট আপের লেখায়। তার আগে ওয়েবসাইটে পিক্সেল বসানো থাকলে অ্যাড বুঝতে পারে কে অর্ডার দিল।

এখানে WinningSeller কোথায় কাজে আসে, সেটা পরিষ্কার করে বলি। অ্যাড অ্যাকাউন্ট খোলা, কার্ড বসানো বা বিল দেওয়া WinningSeller করে না, এগুলো Meta-তে আপনার নিজের কাজ। কিন্তু পরের ধাপগুলো এখানে সহজ। দোকানে Facebook Pixel আর Conversions API জুড়ে দেওয়া যায়, চাইলে Purchase ইভেন্ট পাঠানো যায় পার্সেল কাস্টমারের হাতে পৌঁছানোর পরে, তাহলে ফেরত আসা অর্ডার Meta-র হিসাবে বিক্রি হয়ে বসে থাকে না। আর অ্যাডে কত গেল সেটা দোকানে তুলে রাখলে ডেলিভারি হওয়া অর্ডার ধরে মাসের লাভ-ক্ষতি দেখা যায়, শুধু অর্ডারের সংখ্যা না। কোন ফিচার কী করে, এক জায়গায় দেখতে পাবেন সব ফিচারের পেজে।

আজই করে ফেলুন

  1. ব্যাংকে ফোন দিয়ে জিজ্ঞেস করুন, আপনার কার্ডে Meta-র বিল কোন কারেন্সিতে, কার্ডের কোন অংশ থেকে কাটবে। উত্তরটা খাতায় লিখুন।
  2. Business Suite-এ Settings খুলে দেখুন পোর্টফোলিওতে আপনার full control আছে কি না, আর আগে থেকে কোনো অ্যাড অ্যাকাউন্ট আছে কি না।
  3. নিজের প্রোফাইলে টু-ফ্যাক্টর চালু আছে কি না দেখে নিন।
  4. অ্যাকাউন্টের নামটা ঠিক করে ফেলুন, দোকানের নাম আর কারেন্সি একসাথে।
  5. প্রথম মাসে মোট কত টাকার অ্যাড চালাবেন, সেই অঙ্কটা লিখুন। এটাই হবে আপনার অ্যাকাউন্ট স্পেন্ডিং লিমিট।
  6. যাঁকে দ্বিতীয় অ্যাডমিন করবেন, তাঁকে আজই বলে রাখুন, আর তাঁর প্রোফাইলেও টু-ফ্যাক্টর চালু করান।

সাধারণ প্রশ্ন

ফেসবুক এড একাউন্ট খুলতে কি টাকা লাগে?

অ্যাকাউন্ট খুলতে কোনো টাকা লাগে না। টাকা লাগে অ্যাড চালানোর সময়, তাই অ্যাড পাবলিশের আগে একটা পেমেন্ট মেথড, সাধারণত ডুয়েল কারেন্সি কার্ড, অ্যাকাউন্টে যোগ করতে হয়। কার্ড পরে যোগ করলেও চলে।

ফেসবুক অ্যাড অ্যাকাউন্টের কারেন্সি কি পরে বদলানো যায়?

যায়, কিন্তু আসলে বদলায় না, নতুন অ্যাকাউন্ট খোলে। Meta-র হেল্প পেজ অনুযায়ী বকেয়া বিল না থাকলে ৬০ দিনে একবার কারেন্সি বদলানো যায়, আর বদলালে পুরনো অ্যাকাউন্টটা বন্ধ হয়ে তার সব অ্যাড থেমে যায়। তাই খোলার দিনেই ঠিক কারেন্সি দিন।

একটা বিজনেস পোর্টফোলিওতে কয়টা অ্যাড অ্যাকাউন্ট খোলা যায়?

নতুন পোর্টফোলিও শুরুতে মাত্র একটা অ্যাড অ্যাকাউন্ট বানাতে পারে। কোনো ক্যাম্পেইন চলে পেমেন্ট হলে সেটা তিনটা পর্যন্ত বাড়ে, আর খরচ বাড়লে লিমিট আরও বাড়ে। বন্ধ করা অ্যাকাউন্টও এই লিমিটে গোনা হয়।

বাংলাদেশ থেকে অ্যাড অ্যাকাউন্টে কোন টাইম জোন দেব?

ঢাকার সময়, তালিকায় Asia/Dhaka বা GMT+6 লেখা ঘরটা। Meta নতুন অ্যাকাউন্টে নিজে থেকে আমেরিকার Pacific Time বসিয়ে রাখে, আর পরে বদলালে অ্যাকাউন্টটাই বন্ধ হয়ে যায়। তাই Create চাপার আগে ঘরটা একবার নিজে দেখে নিন।

স্পেন্ডিং লিমিট আর ডেইলি বাজেটের পার্থক্য কী?

ডেইলি বাজেট একটা অ্যাড সেট বা ক্যাম্পেইন দিনে কত খরচ করবে, সেটা। অ্যাকাউন্ট স্পেন্ডিং লিমিট পুরো অ্যাকাউন্টের সব ক্যাম্পেইন মিলিয়ে মোট কত খরচ হতে পারবে, তার একটা ছাদ। ছাদ ছুঁলে সব অ্যাড থেমে যায়, তাই ভুল বাজেটের বিপদ থেকে এটাই আপনাকে বাঁচায়।

বিলিং থ্রেশহোল্ড কী, মাসে কয়বার কার্ড থেকে টাকা কাটে?

অ্যাডের খরচ একটা নির্দিষ্ট অঙ্কে পৌঁছালেই Meta সেই টাকাটা কার্ড থেকে কেটে নেয়, এই অঙ্কটাই থ্রেশহোল্ড। শুরুতে এটা ছোট থাকে, ঠিকমতো পেমেন্ট হতে থাকলে বাড়তে পারে। তাই একই মাসে কয়েকবার টাকা কাটা স্বাভাবিক, এতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই।

#ফেসবুক এড একাউন্ট#অ্যাড অ্যাকাউন্ট খোলা#Ads Manager#বিজনেস পোর্টফোলিও#অ্যাড অ্যাকাউন্টের কারেন্সি#টাইম জোন#বিলিং থ্রেশহোল্ড

আরও পড়ুন

ওয়েবসাইটের মেনু আর ফুটারে কী রাখবেন? অনলাইন দোকানের জরুরি পেজসহ

ওয়েবসাইটের মেনুতে কয়টা লিংক রাখবেন, হেডারে কল আর WhatsApp বাটন কেন, ফুটারে ঠিকানা আর ট্রেড লাইসেন্স নম্বর কোথায় বসবে, আর About, যোগাযোগ, ডেলিভারি ও রিটার্নের পেজে কী লিখবেন। ফোনে দোকান খুলে এক ঘণ্টায় গুছিয়ে নেওয়ার পুরো নিয়ম।

·১২ মিনিটে পড়া যায়

গুগল সার্চ কনসোল কি? দোকানের ওয়েবসাইট গুগলে তুলবেন যেভাবে

গুগল সার্চ কনসোল হলো Google-এর ফ্রি টুল, যেখানে দেখা যায় কোন সার্চে আপনার দোকান আসছে আর কোন পেজ গুগলের লিস্টে আছে। নিজের ডোমেইনে DNS দিয়ে মালিকানা প্রমাণ, sitemap.xml সাবমিট, URL Inspection, "Not indexed" দেখলে কী করবেন, আর কোন পথ দোকানে আসলে কাজ করে না।

·১২ মিনিটে পড়া যায়

বিজনেস ক্যাপশন, ফেসবুকে সেল পোস্টে কী লিখলে অর্ডার আসে

ছবি সুন্দর, তবু ইনবক্সে সবাই শুধু দাম জিজ্ঞেস করে? সেল পোস্টের প্রথম দুই লাইনে কী লিখবেন, ক্যাপশনে কোন পাঁচটা কথা থাকতেই হবে, দাম লিখবেন কি না, নতুন মাল, অফার, স্টকে ফেরা আর রিভিউর চারটা নমুনা, আর কোন কথায় পোস্ট রিপোর্ট খায়।

·১০ মিনিটে পড়া যায়