ফেসবুক অ্যাড চলছে না, নাকি রিজেক্ট? কারণ খুঁজে আবার চালু করবেন যেভাবে
অ্যাড পাবলিশ করলেন, সকালে দেখলেন রিচ শূন্য, নয়তো লাল অক্ষরে Rejected। Ads Manager-এর কোন স্ট্যাটাস কী বোঝায়, কারণটা কোথায় লেখা থাকে, কখন রিভিউ চাইবেন আর কখন পরিষ্কার একটা নতুন অ্যাড বানাবেন, এখানে ধরে ধরে বলছি।

এই লেখায় যা আছে
- ফেসবুক অ্যাড চলছে না, Not delivering মানে কী আর অ্যাডটা কোথায় আটকে?
- বাজেট, শিডিউল আর পেমেন্টের কারণে অ্যাড বন্ধ থাকলে কী দেখবেন?
- In review কত সময় নেয়, তার মধ্যে কী করবেন না?
- ফেসবুক অ্যাড রিজেক্ট কেন হয়, অনলাইন সেলারদের ৬টা কমন কারণ
- রিজেক্ট হলে রিভিউ চাইবেন, নাকি অ্যাড ঠিক করে নতুন করে দেবেন?
- অ্যাড চালু অথচ রিচ শূন্য, অডিয়েন্স আর বিড কোথায় ভুল?
- বুস্ট রিজেক্ট হলে কী আলাদা?
- পরের অ্যাড যেন আটকে না যায়, পাবলিশের আগের চেকলিস্ট
একটা উদাহরণ ধরুন। রাত এগারোটায় ঈদের অফারের অ্যাডটা পাবলিশ করে ঘুমাতে গেলেন। সকালে চা হাতে Ads Manager খুলে দেখলেন খরচ শূন্য, রিচ শূন্য, Delivery কলামে লেখা Not delivering, আর পাশের অ্যাডটায় লাল অক্ষরে Rejected। ফেসবুক অ্যাড চলছে না দেখলে প্রথম কাজ হলো ক্যাম্পেইন, অ্যাড সেট আর অ্যাড, তিনটা ট্যাবেই Delivery কলামটা দেখা, আর স্ট্যাটাসের ওপর মাউস রেখে কারণটা পড়া। কারণটা প্রায় সবসময় চার জায়গার একটায় লুকিয়ে থাকে। হয় পেমেন্ট বা শিডিউলে গোলমাল হয়েছে, নয়তো রিভিউ এখনো শেষ হয়নি। আবার পলিসির কারণে রিজেক্টও হতে পারে। আর না হলে অ্যাড চালু ঠিকই আছে, কিন্তু বাজেট আর অডিয়েন্স এত চাপা যে ফেসবুক কাউকে দেখাতেই পারছে না।
ওই সকালে বুকটা একটু ধক করে ওঠে, জানি। ঈদের আগের প্রতিটা দিন দামি, অ্যাড না চললে ধার করে তোলা স্টকটা গুদামে বসে থাকে। তবে মাথা ঠান্ডা রাখুন। বেশিরভাগ আটকে থাকা অ্যাড ঠিক করা যায়, শুধু কোথায় আটকেছে সেটা আগে ধরতে হয়। কোন স্ট্যাটাসে কী করবেন, নিচে Meta-র নিজের হেল্প পেজ মিলিয়ে একটা একটা করে বলছি।
ফেসবুক অ্যাড চলছে না, Not delivering মানে কী আর অ্যাডটা কোথায় আটকে?
Not delivering মানে অ্যাডটা আপনার দিক থেকে চালু, কিন্তু ফেসবুক সেটা কাউকে দেখাচ্ছে না, তাই টাকাও কাটছে না। এটাকে রোগ ভাববেন না, এটা জ্বরের মতো একটা লক্ষণ। আসল কারণটা লুকিয়ে থাকে তিন লেভেলের কোনো একটায়।
Meta-র হেল্প পেজেই লেখা আছে, ক্যাম্পেইন, অ্যাড সেট আর অ্যাডের স্ট্যাটাস আলাদা হতে পারে। মানে ক্যাম্পেইনের ঘরে সবুজ Active জ্বলছে, অথচ ভেতরের অ্যাডটা Rejected হয়ে বসে আছে। অনেকে শুধু ক্যাম্পেইনের ঘর দেখে সারাদিন অপেক্ষা করেন, আর বিকেলে গিয়ে টের পান যে অ্যাড সকাল থেকেই আটকে ছিল। তাই Campaigns, Ad sets আর Ads, তিনটা ট্যাবেই ঢুকুন। কম্পিউটারে স্ট্যাটাসের ওপর মাউস রাখলে ছোট একটা লেখা আসে, যেখানে Meta বলে দেয় সমস্যাটা কী আর কী করতে হবে।

যে স্ট্যাটাসগুলো সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ে, সেগুলোর মানে Meta-র "View ad delivery status" পেজ থেকে নিচে সহজ কথায় দিলাম।
| স্ট্যাটাস | মানে | আপনি কী করবেন |
|---|---|---|
| In review | অ্যাডটা Advertising Standards মানছে কি না দেখা হচ্ছে | অপেক্ষা করুন, এই সময়ে এডিট করবেন না |
| Rejected | অ্যাডটা Advertising Standards মানেনি, চলবে না | কারণটা পড়ুন, তারপর নিচের রিভিউ না নতুন অ্যাডের অংশ দেখুন |
| Scheduled | অ্যাড সেট সামনের কোনো তারিখে শুরু হবে | শুরুর তারিখটা ঠিক আছে কি না দেখুন |
| Processing | আপনার চেঞ্জ আপডেট হচ্ছে, সাধারণত কয়েক মিনিট, কখনো কয়েক ঘণ্টাও লাগে | আর কিছু না বদলে অপেক্ষা করুন |
| Preparing | রিভিউ পাস করেছে, এখন অডিয়েন্স আর বিডের সাথে মেলানো হচ্ছে | একটু সময় দিন, প্রথম ইমপ্রেশনের পরে চালু হয় |
| Ad set off বা Ads off | ক্যাম্পেইন চালু, কিন্তু ভেতরের অ্যাড সেট বা অ্যাড বন্ধ | ভেতরের টগলটা অন করুন |
| No ads | ক্যাম্পেইন বা অ্যাড সেটে কোনো পাবলিশ করা অ্যাড নেই | অ্যাডটা আসলে পাবলিশ হয়েছিল কি না দেখুন |
| Completed | শেষের তারিখ পার হয়ে গেছে | তারিখ বাড়ান বা নতুন করে চালান |
আর Learning limited দেখে ভয় পাবেন না। এর মানে অ্যাড চলছে, টাকাও কাটছে, শুধু লার্নিং ফেজ পার হওয়ার মতো যথেষ্ট রেজাল্ট আসছে না। এটা আলাদা বিষয়, অ্যাড আটকে থাকার সমস্যা না।
বাজেট, শিডিউল আর পেমেন্টের কারণে অ্যাড বন্ধ থাকলে কী দেখবেন?
পলিসির ঝামেলা খোঁজার আগে সাধারণ জিনিসগুলো দেখে নিন। এগুলো অনেক সময় দুই মিনিটেই ঠিক হয়, অথচ মানুষ ঘণ্টার পর ঘণ্টা পলিসি পড়ে কাটায়।
সবার আগে দেখুন পেমেন্ট ফেল করেছে কি না। Meta-র "Fix a failed payment issue" পেজে লেখা আছে, পেমেন্ট মেথড ফেল করলে অ্যাড পজ হয়ে যায়, আর বাকি টাকা না দেওয়া পর্যন্ত অ্যাড অ্যাকাউন্ট ডিজেবল থাকে। ঠিক করতে Billing and payments থেকে অ্যাকাউন্টটা সিলেক্ট করে Payment methods-এ যান, তারপর Pay now চাপুন। কার্ডের দিক থেকে Meta কয়েকটা জিনিস দেখতে বলে। কার্ডে অনলাইন লেনদেন চালু আছে কি না, যথেষ্ট ডলার আছে কি না, মেয়াদ পার হয়েছে কি না, আর ব্যাংকের OTP যে নম্বরে যায় সেই ফোনটা হাতের কাছে আছে কি না। রাত বারোটায় OTP আসে মায়ের ফোনে, আর আপনি বসে আছেন দোকানে, এমন ছোট কারণেও পুরো একটা রাতের অ্যাড থেমে থাকে। ডলার কার্ড নেওয়া আর তার লিমিটের হিসাব ডুয়েল কারেন্সি কার্ডের লেখায় ধাপে ধাপে আছে।
পেমেন্ট দেওয়ার পরেও অ্যাড পজ থাকলে Meta বলছে, হয়তো তাদের ঠিক করে দেওয়া দৈনিক খরচের লিমিটে পৌঁছে গেছেন। আর এজেন্সির অ্যাকাউন্টে অ্যাড চালালে কার্ডটা তাদের, তাই সাথে সাথে এজেন্সিকে জানান।

তারপর শিডিউল আর তারিখটা মিলিয়ে নিন। শুরুর তারিখ ভুল করে কালকের দিলে স্ট্যাটাস Scheduled দেখায়, আর শেষের তারিখ পার হলে Completed। কেউ কেউ শুধু রাত ৮টা থেকে ১১টায় চালানোর শিডিউল দেন। Meta বলছে, শিডিউল খুব চাপা হলে অ্যাড দেখানোর সময়ই কমে যায়, তাই দরকার না থাকলে ঢিলা করুন।
কোনো দিন খরচ কম দেখলেই ভাববেন না অ্যাড বন্ধ হয়ে গেছে। Meta-র "How daily budgets work" পেজে লেখা, কোনো দিন তারা দৈনিক বাজেটের চেয়ে ৭৫% পর্যন্ত বেশি খরচ করে, অন্য দিন কম, আর সপ্তাহে গড়টা বাজেটের কাছাকাছি থাকে। তাই ১,০০০ টাকার দৈনিক বাজেটে কোনো দিন ৪০০ টাকা খরচ দেখলে ঘাবড়াবেন না। রাত দশটায় বাজেট বাড়ালেও সেদিন পুরো টাকা খরচ হবে না, কারণ দিনের মাত্র দুই ঘণ্টা বাকি।
In review কত সময় নেয়, তার মধ্যে কী করবেন না?
Meta-র "About ads in review" পেজে লেখা আছে, বেশিরভাগ অ্যাড ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রিভিউ হয়, তবে কিছু ক্ষেত্রে বেশি সময় লাগতে পারে। রিভিউ বেশিরভাগই মেশিন করে, আর দেখা হয় ছবি, লেখা, টার্গেটিং আর যে পেজে মানুষকে পাঠাচ্ছেন সেটাও। চালু হওয়ার পরেও একটা অ্যাড আবার রিভিউ হতে পারে, তাই আজ পাস করা অ্যাড কাল রিজেক্ট হওয়াটাও অস্বাভাবিক না।
সেলারদের গ্রুপে প্রায়ই এই প্রশ্নটা দেখি, "ভাই, ছয় ঘণ্টা হয়ে গেল, এখনো In review, কী করব?" সত্যি উত্তরটা হলো, কিছুই করবেন না। In review চলার সময় সবচেয়ে বড় ভুল হলো অস্থির হয়ে অ্যাডটা বারবার এডিট করা। Meta-র নিয়মে টার্গেটিং, ছবি, ভিডিও, লেখা, লিংক বা অপটিমাইজেশন বদলালেই নতুন করে রিভিউ শুরু হয়। সকালে একটা লাইন, দুপুরে ছবি বদলালে প্রতিবার আপনি নিজেই লাইনের শেষে গিয়ে দাঁড়ান। তবে বাজেট, বিড বা শিডিউল বদলালে নতুন রিভিউ হয় না।
আরেকটা ভুল হলো একই অ্যাডের পাঁচটা কপি ছেড়ে দেওয়া, কোনো একটা পাস করবে এই আশায়। প্রতিটা কপি আলাদা রিভিউ হয়। অ্যাডে সত্যিই সমস্যা থাকলে পাঁচটাই রিজেক্ট হতে পারে, আর Meta লিখেছে, বারবার ভায়োলেশন হলে অ্যাড দেওয়াই আটকে যেতে পারে।
ফেসবুক অ্যাড রিজেক্ট কেন হয়, অনলাইন সেলারদের ৬টা কমন কারণ
রিজেক্টের মেইলটা দেখলে রাগ হওয়াই স্বাভাবিক, বিশেষ করে যখন মনে হয় অ্যাডে খারাপ কিছুই লেখেননি। অ্যাড রিজেক্ট হলে Meta একটা ইমেইল নোটিফিকেশন পাঠায়, সাথে Meta Business Support Home-এর একটা লিংক, আর কারণটা ওখানেই লেখা থাকে। কাপড়, কসমেটিকস, মধু বা গ্যাজেট বেচা সেলারদের অ্যাড সাধারণত নিচের ছয়টা জায়গায় আটকায়। প্রতিটার পাশে Meta-র নিয়মটাও বলে দিচ্ছি, যাতে বোঝেন কেন আটকাল।
১. রোগ সারানো আর "৭ দিনে ফল" ধরনের দাবি
Meta-র Advertising Standards-এর Health and Wellness অংশে স্পষ্ট লেখা, ডায়াবেটিস, থাইরয়েড, সোরিয়াসিস, ক্যান্সারের মতো কয়েকটা রোগ সারিয়ে দেওয়ার দাবি অ্যাডে চলবে না। স্বাস্থ্য বা ওজনের অ্যাডে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্দিষ্ট ফলের বাড়াবাড়ি দাবিও চলবে না, যদি না সাথে শর্ত বা ব্যাখ্যা থাকে। মধু, কালোজিরা বা হারবাল চা বেচলে "ডায়াবেটিস ভালো হয়" বা "৭ দিনে ৫ কেজি কমবে" বাদ দিন, লিখুন প্রোডাক্টটা কী, কোথা থেকে আসে, কত গ্রাম। আরেকটা কথা অনেকে মিস করেন। ডায়েট, স্বাস্থ্য, ওজন কমানো বা বাড়ানোর জিনিসের অ্যাড Meta-র নিয়মে ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সীদের টার্গেট করতেই হয়। কসমেটিক প্রসিডিউরের অ্যাডেও একই নিয়ম।
২. "আপনি" দিয়ে মানুষের ব্যক্তিগত বিষয় ধরা
এটা অনেকে জানেনই না। Meta-র Privacy Violations and Personal Attributes নিয়মে অ্যাড এমনভাবে লেখা যাবে না, যাতে মনে হয় আপনি জানেন দেখা মানুষটার কোনো রোগ আছে, টাকার টানাটানি আছে, বা তাঁর ধর্ম, বয়স কী। Meta-র নিজের উদাহরণে "Depression counseling" চলে, কিন্তু "Depression getting you down?" চলে না। বাংলায় ধরুন "ডায়াবেটিসে ভুগছেন?" বা "ঋণে ডুবে আছেন?" লিখলে আটকাবে। একই কথা ঘুরিয়ে লিখুন, "চিনি ছাড়া মিষ্টি, যাঁরা চিনি এড়িয়ে চলেন তাঁদের জন্য"। প্রোডাক্টের কথা বলুন, মানুষটার কথা না।
৩. চেহারা নিয়ে খোঁচা, আর রং ফর্সার দাবি
ওজন কমানো বা কসমেটিকসের অ্যাডে কারও চেহারা, শরীরের কোনো অংশ বা পরিচ্ছন্নতা নিয়ে ছোট করে বলা কথা Meta-র নিয়মে চলে না। "মোটা শরীর নিয়ে লজ্জা পান?" বা "দাগে মুখটা নষ্ট হয়ে গেছে?" এই ধরনের লাইন বাদ দিন। পেট বা কোমরের চর্বি চিমটি কেটে ধরা ক্লোজআপ ছবিও চলে না। আর যে ফর্সা করার বা ব্লিচিং প্রোডাক্ট চামড়ার রং স্থায়ীভাবে বদলে দেয়, তার অ্যাড Meta-র নিয়মে চলে না। ক্রিম বা ফেসওয়াশ বেচলে কী উপাদান আছে আর কীভাবে লাগাবেন, সেটা বলাই নিরাপদ।

৪. ভুয়া ছাড় আর অনুমতি ছাড়া অন্যের নাম-ছবি
Meta-র Prohibited Commercial Practices নিয়মে ধোঁকার দাম আর অনুমতি ছাড়া কারও সুপারিশ দেখানো নিষেধ। মানে যে জিনিস কোনোদিন ২,৫০০ টাকায় বেচেননি, তার গায়ে "আগে ২,৫০০, এখন ৯৯০" লিখবেন না। কোনো নায়ক বা ক্রিকেটারের ছবি বসিয়ে এমন ভাব করবেন না যে তিনি আপনার প্রোডাক্টের কথা বলছেন। আর অন্য কোম্পানির নাম আর লোগো দিয়ে কপি জিনিস বেচলে Intellectual Property-র নিয়মে আটকায়।
৫. যেসব প্রোডাক্টে অ্যাড চলে না বা শর্ত আছে
কিছু প্রোডাক্টের অ্যাড যত সুন্দর করেই লিখুন, আটকাবেই। Meta-র Advertising Standards-এর Restricted goods and services অংশে ওষুধ, তামাক আর ভেপ জাতীয় জিনিস, অস্ত্র ও গোলাবারুদ, অ্যালকোহল, বিপজ্জনক জিনিস আর যৌন আনন্দের জিনিসের আলাদা নিয়ম আছে। তাই নতুন প্রোডাক্টের স্টক কেনার আগেই Meta-র ওই পেজে নিজের ক্যাটাগরিটা পড়ে নিন, কারণ স্টক কেনার পরে জানলে লসটা পুরো আপনার।
৬. লিংকের পেজে যা লেখা, সেটাও রিভিউ হয়
অ্যাডের লেখা পরিষ্কার, তবু রিজেক্ট? Meta-র হেল্প পেজে লেখা আছে, রিভিউতে অ্যাডের destination, মানে অ্যাডে চাপ দিলে মানুষ যে পেজে বা ওয়েবসাইটে যায়, সেটাও দেখা হতে পারে। অ্যাডে শুধু "খাঁটি মধু" লিখলেন, কিন্তু ল্যান্ডিং পেজে বড় করে লেখা "ক্যান্সার আর ডায়াবেটিস সারায়", তাহলে আটকানোর সম্ভাবনা থেকেই যায়। তাই ল্যান্ডিং পেজটাও একই চোখে পড়ুন।
এই জায়গায় একটা সহজ রাস্তা আছে। WinningSeller-এর AI দিয়ে ল্যান্ডিং পেজ বানালে রোগ সারানো বা শরীরের ফলের দাবি, আর "সেরা" ধরনের বাড়াবাড়ি কথা পেজে বসার আগেই কেটে দেওয়া হয়, AI-কে আপনি নিজে সেই কথা লিখে দিলেও। তবে পরে এডিটরে হাতে যা লিখবেন, সেটা আপনাকেই দেখতে হবে। আর অ্যাড পাস করবে কি না, শেষ সিদ্ধান্ত Meta-র, তাই পাবলিশের আগে পেজটা নিজে একবার পড়ে নিন।
রিজেক্ট হলে রিভিউ চাইবেন, নাকি অ্যাড ঠিক করে নতুন করে দেবেন?
রিজেক্টের পরে Meta আপনাকে তিনটা রাস্তা দেয়। অ্যাডটা এডিট করতে পারেন, তাহলে সেটা নিজে থেকেই আবার রিভিউতে যায়। একদম নতুন একটা অ্যাড বানাতে পারেন। আর যদি মনে হয় ভুল করে রিজেক্ট হয়েছে, Business Support Home থেকে আবার রিভিউ চাইতে পারেন।
কোনটা নেবেন, তার আগে Meta-র "Troubleshoot a rejected ad" পেজের চারটা কথা জেনে রাখুন। এক, একটা অ্যাডে রিভিউ কার্যত একবারই চাওয়া যায়। দুই, Meta ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সিদ্ধান্ত দেওয়ার চেষ্টা করে, আর এবার মানুষ বেশি দেখে। তিন, রিভিউতে রিজেক্ট উঠে গেলে সেটা ভায়োলেশন হিসেবে গোনা হয় না। চার, এডিট বা ডিলিট করলেও আগের ভায়োলেশন মোছে না, আর ডিলিট করলে রিভিউর সুযোগও হারাতে পারেন।
এই চারটা মিলিয়ে সিদ্ধান্তের নিয়মটা এমন দাঁড়ায়।
কারণের সাথে অ্যাডের কোনো লাইন বা ছবি মিলে গেলে রিভিউ চাইবেন না। ধরুন কারণ বলছে Health and Wellness, আর আপনার অ্যাডে সত্যিই "৭ দিনে ফল" লেখা। তখন লাইনটা ঠিক করে এডিট করুন। রিভিউ চাইলে একমাত্র সুযোগ আর ৪৮ ঘণ্টা দুটোই যাবে।
কারণ পড়ে অ্যাডের কিছুই না মিললে রিভিউ চান, অ্যাড ডিলিট করবেন না। ধরুন সাধারণ একটা টি-শার্টের অ্যাড স্বাস্থ্যের নিয়মে আটকেছে। Meta নিজেও মানে, মেশিন আর মানুষ দুজনেই ভুল করে। রিভিউ জিতলে ভায়োলেশনও গোনা হয় না, তাই চাওয়াটাই লাভ।
অফার আজই চালাতে হলে দুটো একসাথে করুন। পুরনোটার রিভিউ চেয়ে রাখুন, আর পাশে সন্দেহের লাইনটা বাদ দিয়ে একটা পরিষ্কার নতুন অ্যাড চালু করুন। পুরনোটা ডিলিট করবেন না, শুধু বন্ধ থাকুক।
রিভিউতেও রিজেক্ট হলে লড়াই থামান। একই লেখা আর একই ছবি নতুন নাম দিয়ে আবার ছাড়বেন না। হয় কারণটা ধরে লেখা, ছবি আর ল্যান্ডিং পেজ বদলে একদম নতুন অ্যাড বানান, নয়তো মেনে নিন যে এই প্রোডাক্ট বা এই কথা ফেসবুকে অ্যাড দিয়ে চলবে না। একই প্রোডাক্টের অ্যাড বারবার আটকাতে থাকলে পরের ধাপে অ্যাড অ্যাকাউন্ট বা পেজই আটকে যেতে পারে, আর সেই ঝামেলা কতটা বড়, তা ফেসবুক পেজ রেস্ট্রিক্টেড হলে কী করবেন লেখাটা পড়লেই বুঝবেন।

রিভিউ চাওয়ার ধাপগুলো Meta-র পেজ অনুযায়ী এমন।
- Meta Business Support Home-এ যান।
- যে অ্যাড অ্যাকাউন্টে রিজেক্ট হওয়া অ্যাড আছে, সেটা সিলেক্ট করুন।
- যে অ্যাড, অ্যাড সেট বা ক্যাম্পেইন ভুল করে রিজেক্ট হয়েছে মনে করেন, সেটা সিলেক্ট করুন।
- Request review চেপে Submit দিন।
রিভিউ কোথায় আছে, Business Support Home-এই দেখা যায়। রিজেক্ট উঠে গেলে আর ক্যাম্পেইন চালু থাকলে অ্যাডটা নিজে থেকেই চলা শুরু করে।
অ্যাড চালু অথচ রিচ শূন্য, অডিয়েন্স আর বিড কোথায় ভুল?
সবচেয়ে কষ্টের অবস্থা এটা। কোনো লাল লেখা নেই, অ্যাড Active, অথচ ইমপ্রেশন প্রায় শূন্য। মনে হয় ফেসবুক যেন ইচ্ছা করেই আপনার সাথে লুকোচুরি খেলছে। আসলে তা না, সাধারণত সেটআপের কোনো একটা জিনিস ফেসবুকের হাত বেঁধে রেখেছে। Meta-র "One of your ad sets isn't running" পেজের চেকগুলোই সহজ করে বলছি।
হয়তো বাজেটটা আপনার বেছে নেওয়া ফলের তুলনায় খুব কম। Meta-র পেজে একটা সাধারণ নিয়ম লেখা আছে, দৈনিক বাজেট হওয়া উচিত যে ফলের জন্য অপটিমাইজ করছেন, তার গড় খরচের অন্তত ১০ গুণ। টাকায় একটা উদাহরণ দেখি, সংখ্যাগুলো শুধু উদাহরণ। ধরুন Sales ক্যাম্পেইনে Purchase-এর জন্য অপটিমাইজ করছেন, আর আগের হিসাবে একটা অর্ডার আনতে গড়ে ২৫০ টাকার মতো লাগে। তাহলে নিয়ম অনুযায়ী দৈনিক বাজেট অন্তত ২,৫০০ টাকা হওয়া ভালো। আপনি দিচ্ছেন দিনে ৩০০ টাকা। এই টাকায় ফেসবুক দিনে হয়তো একটা অর্ডারও আনতে পারে না, তাই শেখার কিছুই পায় না।
হাতে টাকা থাকলে বাজেট বাড়ান। না থাকলে Meta নিজেই বলছে, ফানেলের ওপরের দিকের কোনো ফলের জন্য অপটিমাইজ করুন, যেমন Purchase-এর বদলে Landing page views। প্রতি ফলের খরচ কম বলে কম বাজেটেও ফেসবুক কাজ করার মতো ডেটা পায়।

অডিয়েন্স এত ছোট হতে পারে যে ফেসবুক মানুষই খুঁজে পাচ্ছে না। শুধু রংপুর সদর, ২৫ থেকে ২৮ বছর, তার ওপর তিনটা ইন্টারেস্ট একসাথে, এভাবে চাপতে চাপতে অডিয়েন্স এত ছোট হয়ে যায় যে ফেসবুক কাকে দেখাবে খুঁজেই পায় না। Meta-র পেজেও লেখা আছে, খুব সরু অডিয়েন্স অ্যাড চলা আটকে দিতে পারে। অ্যাড সেট বানানোর সময় পাশে অডিয়েন্সের আনুমানিক সাইজ দেখায়, সেটা খেয়াল করুন।
আপনার নিজের অ্যাড সেটগুলোই হয়তো একে অন্যের সাথে লড়ছে, অথবা বিড খুব কম দিয়েছেন। একই রকম অডিয়েন্সে চার-পাঁচটা অ্যাড সেট চালালে Meta বলছে সেগুলো নিলামে একে অন্যের সাথে লড়ে। ছোট বাজেটে একটা-দুটো অ্যাড সেটই যথেষ্ট। আর Bid cap বা Cost per result goal বাজারের তুলনায় কম দিলে ফেসবুক নিলামে জিততেই পারে না, তাই শুরুতে এগুলো না দেওয়াই ভালো।
অ্যাডটা আগে ভালোই চলত, এখন হঠাৎ থেমে গেছে? এটা আলাদা কেস। Meta বলছে, একই অডিয়েন্স একই অ্যাড অনেকবার দেখে ফেললে Delivery কলামে Creative limited বা Creative fatigue দেখাতে পারে। তখন নতুন ছবি বা ভিডিওর অ্যাড লাগবে, পুরনোটায় বাজেট বাড়ালে লাভ হয় না।
পিক্সেল থেকে ফেসবুকে কোনো Purchase যায়ই না, এমনও হয়। Sales ক্যাম্পেইনে Purchase-এর জন্য অপটিমাইজ করছেন, অথচ ওয়েবসাইটের পিক্সেল কোনোদিন একটা Purchase-ও পাঠায়নি। তাহলে ফেসবুক জানেই না কে কিনছে, কাকে খুঁজবে। Events Manager-এর Test events খুলে নিজে একটা টেস্ট অর্ডার দিয়ে দেখুন ইভেন্টটা আসে কি না। পুরো সেটআপ ধাপে ধাপে ফেসবুক পিক্সেল আর Conversions API-র লেখায় আছে।
WinningSeller-এ "ফেসবুক, TikTok ও Google ট্র্যাকিং" পেজে নিজের Pixel ID আর Conversions API-র তথ্য বসিয়ে ট্র্যাকিং চালু করে নিলে অর্ডারের Purchase ইভেন্ট সার্ভার থেকে নিজেই যায়। Purchase কখন যাবে সেটাও আপনি বেছে নেন, অর্ডার আসার সাথে সাথে, কনফার্মের পরে বা ডেলিভারির পরে, যাতে ফেক অর্ডার দেখে ফেসবুক ভুল মানুষ খুঁজতে না শেখে।
সব চেক করার পরেও যদি কিছু না বদলায়, Meta-র পরামর্শ হলো, অ্যাড অন্তত ৪৮ ঘণ্টা পাবলিশ থাকার পরেও না চললে অ্যাডটা ডিলিট করে নতুন করে বানান। খেয়াল রাখবেন, এটা চালু কিন্তু না চলা অ্যাডের কথা। রিজেক্ট হওয়া অ্যাডের বেলায় ওপরের নিয়মটাই খাটবে, আগে ডিলিট না।
বুস্ট রিজেক্ট হলে কী আলাদা?
পেজ থেকে পোস্ট বুস্ট করলে Meta-র ভাষায় আপনি আসলে একটা ফেসবুক অ্যাডই বানাচ্ছেন। তাই রিভিউ, Advertising Standards আর রিজেক্টের কারণ সব একই। রিভিউও চাইবেন একই Business Support Home থেকে।
আলাদা যেটা, তা হলো এডিটের সুযোগ। Meta-র "How to edit boosted posts" পেজে লেখা, বুস্ট একবার রিভিউ হয়ে পাবলিশ হলে তার লেখা, ছবি বা ভিডিও আর বদলানো যায় না। লেখা বা ছবিতে সমস্যা থাকলে নতুন একটা পোস্ট দিয়ে সেটা বুস্ট করতে হয়। অডিয়েন্স, বাজেট, শেষের তারিখ আর পেমেন্ট মেথড বদলানো যায়, পেজের Ad Centre থেকে বুস্টটার More options চেপে Edit ad দিয়ে। ফোনের অ্যাপে অপশনটা খুঁজে না পেলে ব্রাউজারে facebook.com খুলে চেষ্টা করুন।

তাই বুস্টের বেলায় আসল কাজটা পোস্ট দেওয়ার আগে। পোস্টটাই আপনার অ্যাড, তাই ওপরের ছয়টা কারণ মাথায় রেখে লিখুন। মোবাইল থেকে বুস্টের পুরো ধাপ ফেসবুক বুস্ট করার নিয়মের লেখায় আছে।
আর Rejected আর Boost unavailable গুলিয়ে ফেলবেন না। Boost unavailable মানে পোস্টটা রিভিউতেই যায়নি, বুস্টই করা যাচ্ছে না। Meta-র লিস্টে এর কারণ হিসেবে আছে শেয়ার করা পোস্ট, কভার ফটো, মেয়াদ পার হওয়া অফার, পাবলিশ না হওয়া পেজ, আর ডিজেবল অ্যাড অ্যাকাউন্ট বা পেমেন্ট। এখানে রিভিউ চাওয়ার কিছু নেই, কারণটা ঠিক করলেই বুস্ট করা যায়।
পরের অ্যাড যেন আটকে না যায়, পাবলিশের আগের চেকলিস্ট
একটা অ্যাড আটকালে যে টেনশন যায়, তার তুলনায় দুই মিনিটের এই চেক কিছুই না। Publish চাপার আগে মিলিয়ে নিন।
- অ্যাডে কোনো রোগ সারানোর দাবি বা "এত দিনে এত কেজি" ধরনের কথা নেই।
- লেখায় "আপনার কি… আছে?" দিয়ে কারও রোগ, টাকার অবস্থা, বয়স বা ধর্ম ধরা হয়নি।
- কারও চেহারা বা শরীর নিয়ে ছোট করে কিছু বলা নেই।
- "আগের দাম" সত্যি, আর কোনো নামী মানুষের ছবি বা অন্য ব্র্যান্ডের লোগো অনুমতি ছাড়া নেই।
- ল্যান্ডিং পেজেও ওপরের কোনো কথা নেই, আর লিংকটা ঠিক পেজে খোলে।
- ওজন, ডায়েট বা স্বাস্থ্যের জিনিসের অ্যাড হলে বয়স ১৮ বা তার বেশি দেওয়া আছে।
- কার্ডে ডলার আছে, আর OTP-র ফোন হাতের কাছে।
- দৈনিক বাজেট বেছে নেওয়া ফলের খরচের তুলনায় খুব কম না, আর অডিয়েন্স খুব সরু না।
- অফারের অ্যাড হলে এক-দুই দিন আগে শিডিউল করে রিভিউ করিয়ে রাখা হয়েছে।
একটা ছোট অভ্যাসও রাখুন। যে অ্যাড পাস করে ভালো চলেছে, তার লেখা আর ছবি একটা ফোল্ডারে রেখে দিন, আর পরের অ্যাড সেটাকে ছাঁচ ধরে লিখুন। কোন কথা Meta মেনে নেয়, তার প্রমাণ তখন আপনার হাতেই থাকে। আর আজ যে অ্যাডটা আটকে আছে, তার Delivery কলামটা এখনই খুলুন, কারণটা পড়ুন, তারপর ওপরের ঠিক অংশটা থেকে শুরু করুন।
সাধারণ প্রশ্ন
Facebook ad not delivering মানে কী?
অ্যাডটা আপনার দিক থেকে চালু, কিন্তু ফেসবুক কাউকে দেখাচ্ছে না, তাই টাকাও কাটছে না। কারণটা থাকে ক্যাম্পেইন, অ্যাড সেট বা অ্যাড, এই তিন লেভেলের কোনো একটায়। তিনটা ট্যাবেই Delivery কলাম দেখুন আর স্ট্যাটাসের ওপর মাউস রেখে কারণটা পড়ুন।
ফেসবুক অ্যাড রিভিউ হতে কত সময় লাগে?
Meta-র হেল্প পেজে লেখা আছে, বেশিরভাগ অ্যাড ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রিভিউ হয়, তবে কখনো বেশি সময়ও লাগে। চালু হওয়ার পরেও অ্যাড আবার রিভিউ হতে পারে। তাই অফারের অ্যাড শেষ মুহূর্তে না দিয়ে এক-দুই দিন আগে শিডিউল করে রাখুন।
রিজেক্ট হওয়া অ্যাডের রিভিউ কয়বার চাওয়া যায়?
একটা অ্যাডের জন্য কার্যত একবার। Meta-র হেল্প পেজ অনুযায়ী দ্বিতীয় রিভিউতেও রিজেক্ট হলে অ্যাডটা রিজেক্টই থাকে, আর ওই অ্যাডের জন্য আবার রিভিউ চাওয়া যায় না। Meta লিখেছে তারা ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সিদ্ধান্ত দেওয়ার চেষ্টা করে।
রিজেক্ট হওয়া অ্যাড কি ডিলিট করে দেব?
রিভিউ চাইবেন কি না ঠিক করার আগে ডিলিট করবেন না। Meta লিখেছে, ডিলিট করলে রিভিউ চাওয়ার সুযোগ হারাতে পারেন। আর এডিট বা ডিলিট করলেও আগের ভায়োলেশনটা অ্যাকাউন্ট থেকে মুছে যায় না।
বারবার অ্যাড রিজেক্ট হলে কি অ্যাড অ্যাকাউন্টের ক্ষতি হয়?
হতে পারে। Meta-র নিয়মে গুরুতর বা বারবার ভায়োলেশন হলে অ্যাড অ্যাকাউন্ট, পেজ বা প্রোফাইলের অ্যাড দেওয়া আটকে যেতে পারে। তবে রিভিউ চাইলে আপনার কোনো ক্ষতি হয় না, আর রিভিউতে রিজেক্ট উঠে গেলে সেটা ভায়োলেশন হিসেবে গোনা হয় না।
বুস্ট রিজেক্ট হলে পোস্টের লেখা এডিট করলেই কি চলবে?
সাধারণত না। Meta-র হেল্প পেজে লেখা, বুস্ট একবার রিভিউ হয়ে পাবলিশ হলে তার লেখা, ছবি বা ভিডিও আর এডিট করা যায় না, শুধু অডিয়েন্স, বাজেট আর সময় বদলানো যায়। লেখা বা ছবি বদলাতে হলে নতুন পোস্ট দিয়ে সেটা বুস্ট করুন।
আরও পড়ুন
ওয়েবসাইটের মেনু আর ফুটারে কী রাখবেন? অনলাইন দোকানের জরুরি পেজসহ
ওয়েবসাইটের মেনুতে কয়টা লিংক রাখবেন, হেডারে কল আর WhatsApp বাটন কেন, ফুটারে ঠিকানা আর ট্রেড লাইসেন্স নম্বর কোথায় বসবে, আর About, যোগাযোগ, ডেলিভারি ও রিটার্নের পেজে কী লিখবেন। ফোনে দোকান খুলে এক ঘণ্টায় গুছিয়ে নেওয়ার পুরো নিয়ম।
গুগল সার্চ কনসোল কি? দোকানের ওয়েবসাইট গুগলে তুলবেন যেভাবে
গুগল সার্চ কনসোল হলো Google-এর ফ্রি টুল, যেখানে দেখা যায় কোন সার্চে আপনার দোকান আসছে আর কোন পেজ গুগলের লিস্টে আছে। নিজের ডোমেইনে DNS দিয়ে মালিকানা প্রমাণ, sitemap.xml সাবমিট, URL Inspection, "Not indexed" দেখলে কী করবেন, আর কোন পথ দোকানে আসলে কাজ করে না।
বিজনেস ক্যাপশন, ফেসবুকে সেল পোস্টে কী লিখলে অর্ডার আসে
ছবি সুন্দর, তবু ইনবক্সে সবাই শুধু দাম জিজ্ঞেস করে? সেল পোস্টের প্রথম দুই লাইনে কী লিখবেন, ক্যাপশনে কোন পাঁচটা কথা থাকতেই হবে, দাম লিখবেন কি না, নতুন মাল, অফার, স্টকে ফেরা আর রিভিউর চারটা নমুনা, আর কোন কথায় পোস্ট রিপোর্ট খায়।


