Paperfly মার্চেন্ট হবেন? চার্জ, পিকআপ টাইম আর ফেরতের নিয়ম আগে জানুন
Paperfly-তে মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট খুলতে কী লাগে, প্রথম পার্সেল কীভাবে দেবেন, ঢাকা আর ঢাকার বাইরে চার্জ কত, COD-র টাকা কবে আসে, আর ফেরত বা হারানো পার্সেলে কী পাবেন, টাকার উদাহরণসহ পুরোটা এখানে।

এই লেখায় যা আছে
Paperfly-তে মার্চেন্ট হতে paperfly.com.bd-তে "Register Now" চাপুন, মার্চেন্ট টাইপে SellerOne সিলেক্ট করুন, তারপর নিজের নাম, দোকান বা পেজের নাম, ইমেইল আর ফোন নম্বর দিয়ে ফর্মটা জমা দিন। ইউজার আইডি আর পাসওয়ার্ড SMS-এ আসে। লগইন করে প্রোফাইলে পিকআপ ঠিকানা আর টাকা নেওয়ার bKash বা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বসান, আর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ওদের রিলেশনশিপ ম্যানেজারের ফোন এলে তথ্য মিলিয়ে দিন। চার্জ নিয়ে ২০২৬ সালের অক্টোবরে ওদের চার্জের পেজে লেখা আছে, ১ কেজি পর্যন্ত একই শহরে ৭০ টাকা, সাব-আর্বান এলাকায় ১১০ টাকা আর বাকি বাংলাদেশে ১৩০ টাকা, আর ফেরতের জন্য আলাদা কোনো চার্জ নেই।
ধরুন বৃহস্পতিবার রাত। ঈদের আর দশ দিন বাকি, ঘরের এক কোণে চল্লিশটা পার্সেল প্যাক করা পড়ে আছে। আপনার একমাত্র কুরিয়ারের পিকআপ আজ আসেনি, কাল শুক্রবার, আর ইনবক্সে একজন কাস্টমার তিনবার জিজ্ঞেস করে ফেলেছেন পার্সেল কবে পাবেন। এমন রাতে বুকের ভেতর যে চাপটা লাগে, যাঁরা কয়েক বছর COD-তে বেচেছেন তাঁরা সবাই চেনেন। তখনই মনে হয়, হাতে আরেকটা কুরিয়ার থাকলে আজ এত অসহায় লাগত না।
দ্বিতীয় কুরিয়ার হিসেবে Paperfly ভেবে দেখার মতো একটা নাম, কারণ ওরা লিখেছে ৬৪ জেলার ৪,৫৫৪টা ইউনিয়নে দরজায় ডেলিভারি দেয়। নিচে অ্যাকাউন্ট খোলা থেকে ফেরতের নিয়ম পর্যন্ত সব লিখেছি, কোন কাজটা কেন করবেন সেটাসহ। সব তথ্য ২০২৬ সালের অক্টোবরে paperfly.com.bd-র চার্জের পেজ, FAQ, টার্মস আর রিটার্ন পলিসি দেখে লেখা। ওদের নিজের পেজগুলোতেই কয়েকটা সংখ্যা মেলে না, সেগুলো আলাদা করে বলে দিয়েছি।
Paperfly মার্চেন্ট একাউন্ট খুলতে কী কী লাগে?
Paperfly-র টার্মসে লেখা আছে, অ্যাকাউন্ট খুলতে লাগে আপনার নাম, কোম্পানির নাম, ইমেইল আর ফোন নম্বর, আর তথ্যগুলো ঠিক আর আপডেট রাখার দায় আপনার। ফর্মটা ছোট, কিন্তু লগইনের পরে প্রোফাইলে আরও কিছু তথ্য দিতে হয়। চা খেতে খেতে দশ মিনিট বসে নিচের জিনিসগুলো হাতের কাছে নিয়ে নিন, তাহলে মাঝপথে উঠে খুঁজতে হবে না।
- এমন একটা ফোন নম্বর দিন, যেটা সবসময় আপনার কাছেই থাকে। ইউজার আইডি আর পাসওয়ার্ড এই নম্বরেই SMS-এ আসে, আর পিকআপের লোক আর রিলেশনশিপ ম্যানেজারও এই নম্বরেই ফোন দেবেন।
- কোম্পানির নামের ঘরে দোকান বা পেজের সেই নামটা লিখুন, যে নামে কাস্টমার আপনাকে চেনেন।
- পিকআপের পুরো ঠিকানা লিখে রাখুন, সাথে জেলা আর থানা। প্রোফাইলের লোকেশন অংশে জেলা আর থানা আলাদা করে সিলেক্ট করতে হয়।
- টাকা কোথায় নেবেন ঠিক করে রাখুন, bKash, Rocket নাকি ব্যাংক। FAQ-তে লেখা আছে, একজন মার্চেন্ট একটাই অ্যাকাউন্ট রাখতে পারেন, হয় ব্যাংক নয়তো মোবাইল ওয়ালেট।
- NID-র ছবি আর থাকলে ট্রেড লাইসেন্সের কপি ফোনে রেখে দিন। ওয়েবসাইটে কাগজের কোনো লিস্ট দেওয়া নেই, তবে ম্যানেজার ভেরিফাই করার সময় কিছু চাইলে যেন আপনার দিক থেকে দেরি না হয়।
ট্রেড লাইসেন্স নেই বলে সাইন আপ আটকে যাবে, এমন কথা ওদের সাইটে কোথাও পাইনি। তবু ব্যবসা নিয়মিত চললে লাইসেন্সটা করে ফেলুন, কারণ পরে bKash মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট বা ব্যাংকের কাজে এটাই চাইবে।
ধাপ ১: সাইন আপ আর ভেরিফাই
paperfly.com.bd-এর হোমপেজে "Register Now" চাপলে go.paperfly.com.bd-তে রেজিস্ট্রেশন ফর্ম খোলে। ওদের FAQ বলছে, নতুন মার্চেন্ট হলে SellerOne অপশন সিলেক্ট করে ফর্ম পূরণ করতে হয়। তাই মার্চেন্ট টাইপের ঘরে অন্য কিছু না ছুঁয়ে SellerOne-ই দেবেন। ফর্মের একদম নিচে টার্মস মেনে নেওয়ার একটা টিক আছে।
টিক দেওয়ার আগে টার্মসটা একবার খুলে পড়ুন, বিশেষ করে শেষের রেট লিস্ট আর হারানো পার্সেলের অংশটা। জানি, এই লম্বা লেখা কেউ পড়েন না। কিন্তু পরে কোনো পার্সেল হারালে বা ভাঙলে কত টাকা পাবেন, সেটা ঠিক এখানেই লেখা থাকে। আর তখন "আমি জানতাম না" বলে কোনো লাভ হয় না।

ফর্ম জমা দিলে ইউজার আইডি আর পাসওয়ার্ড SMS-এ আপনার নম্বরে আসে। এরপর go.paperfly.com.bd-তে গিয়ে লগইন করবেন, হোমপেজের "Merchant Panel" বাটনও ওখানেই নিয়ে যায়। লগইনের পর প্রথম কাজ পাসওয়ার্ডটা নিজের মতো চেঞ্জ করা। কেন? SMS-এর পাসওয়ার্ড মাসের পর মাস ফোনে পড়ে থাকে, ফোনটা অন্য কারো হাতেও যায়, অথচ এই প্যানেলেই আপনার বিক্রির সব টাকার হিসাব।
FAQ-তে লেখা আছে, প্রোফাইল আপডেট করার পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ওদের একজন রিলেশনশিপ ম্যানেজার আপনার সাথে যোগাযোগ করেন, তথ্য ভেরিফাই করতে। তাই এই দিনটায় অচেনা নম্বরের ফোন কেটে দেবেন না। এই মানুষটাই পরে আপনার পার্সেল আটকালে, টাকা দেরি হলে বা রেট নিয়ে কথা বলতে হলে প্রথম ভরসা। নামটা আর নম্বরটা ফোনে সেভ করে রাখুন।
ধাপ ২: পিকআপ ঠিকানা আর পেমেন্ট মেথড
প্রোফাইলে পিকআপের ঠিকানা লেখার সময় শুধু "উত্তরা" লিখে ছেড়ে দেবেন না। বাসার নম্বর, রোড, কত তলা আর কাছের একটা চেনা দোকান বা মসজিদের নাম লিখুন। পিকআপের লোক ঠিকানা খুঁজে না পেলে ফোনের পর ফোন দেবেন, আর সেদিনের পিকআপ ফসকে যেতে পারে।
পিকআপের সময়টাও জেনে রাখুন। Paperfly-র টার্মসে লেখা আছে, মার্চেন্টকে প্রতিদিন বিকেল ৩টার মধ্যে অর্ডার তুলতে হবে। FAQ বলছে, এই কাট-অফ সময়ের পর থেকে পিকআপ শুরু হয় আর সাধারণত সন্ধ্যা ৬টা-৭টা পর্যন্ত চলে। মানে সকালের অর্ডার দুপুরের মধ্যে কনফার্ম করে প্যানেলে তুলে ফেললে সেদিনই পার্সেল রওনা দেয়। চাইলে সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে নিজে গিয়ে Paperfly-র কাউন্টারেও পার্সেল দিয়ে আসা যায়।
এবার টাকা নেওয়ার অ্যাকাউন্ট। FAQ-তে পথটা লেখা আছে, প্যানেলের Menu থেকে Bank Information, তারপর Edit payment info। একটাই অ্যাকাউন্ট রাখা যায়, তাই তাড়াহুড়ো না করে ভেবে দিন। আপনার পাইকার যদি bKash-এ টাকা নেন আর অ্যাডের টাকাও মোবাইল থেকে যায়, তাহলে bKash-এ নেওয়াই সহজ। ব্যাংক ভালো তখন, যখন অঙ্কটা বড় আর পরিষ্কার একটা স্টেটমেন্ট চান। পরে ব্যাংক লোনের দরকার হলে এই স্টেটমেন্টই আপনার বিক্রির প্রমাণ।
যে অ্যাকাউন্টই দিন, সেটা নিজের নামে হোক আর সংসারের খরচের অ্যাকাউন্ট থেকে আলাদা হোক। একই bKash-এ বাজারের টাকা আর কুরিয়ারের টাকা মিশে গেলে মাস শেষে বোঝা যায় না, ব্যবসা আসলে লাভে চলছে নাকি লসে।
ধাপ ৩: প্রথম পার্সেল এন্ট্রি
লগইনের পর প্যানেলে দুটো রাস্তা দেখবেন, একটা পার্সেল তোলার আর অনেকগুলো একসাথে তোলার। FAQ বলছে, অনেকগুলো তুলতে একটা ডেমো এক্সেল ফাইল ডাউনলোড করে সেই ছাঁচে তথ্য বসিয়ে আপলোড করতে হয়। প্রথম কয়েকটা পার্সেল একটা একটা করেই দিন। তাতে প্রতিটা ঘরের মানে হাতে-কলমে বোঝা হয়ে যায়।
প্রতিটা পার্সেলে লাগবে কাস্টমারের নাম, মোবাইল নম্বর, পুরো ঠিকানা, ডেলিভারির জেলা আর থানা, প্রোডাক্টের বিবরণ, ওজন আর কাস্টমারের কাছ থেকে কত টাকা নিতে হবে। হোম ডেলিভারি নাকি কাস্টমার নিজে Paperfly পয়েন্ট থেকে নেবেন, সেটাও সিলেক্ট করার অপশন আছে। টার্মসে আরও লেখা আছে, প্রতিটা পার্সেলের সাথে একটা ইনভয়েস দিতে হবে।
টাকার ঘরে লিখবেন কাস্টমার দরজায় মোট যত টাকা দেবেন, ডেলিভারি চার্জসহ। টার্মস অনুযায়ী Paperfly পুরো টাকা নিয়ে তবেই পার্সেল হাতে দেয়। তাই এখানে ১০০ টাকা কম লিখলে ওই ১০০ টাকা আপনার পকেট থেকেই গেল। কাস্টমার আগেই পুরো টাকা দিয়ে থাকলে পার্সেলটা Non-COD হয়। তখন কাস্টমারের ফোনে একটা OTP যায়, সেটা মিললে তবেই ডেলিভারি হয়, তাই কাস্টমারকে আগেই বলে রাখুন।

নতুন কোনো নম্বরে সন্দেহ লাগলে পার্সেল তোলার আগে প্যানেলের Smart Check দেখে নিতে পারেন। ওদের FAQ বলছে, এটা দিয়ে কাস্টমারের আগের ডেলিভারির রেকর্ড দেখা যায়, আর এর জন্য আলাদা টাকা লাগে না। আর একটা কথা। টার্মসে লেখা আছে, প্যানেলে অর্ডার তুলে পার্সেল হাতে না দিলে ৫ দিন পরে অর্ডারটা নিজে থেকেই মুছে যায়। তাই "পরে পাঠাব" ভেবে আগে থেকে এন্ট্রি দিয়ে রাখবেন না।
হাতে এন্ট্রিতে আসল ঝামেলা শুরু হয় অর্ডার বাড়লে। দিনে ৩০টা অর্ডার হলে একই নাম, নম্বর, ঠিকানা আর টাকা আপনি দুইবার লেখেন, একবার নিজের খাতায় আর একবার কুরিয়ারের প্যানেলে। রাত দশটায় চোখ জ্বালা করতে করতে কপি করার সময় নম্বরের একটা অঙ্ক উল্টে যাওয়া খুব সহজ। আর সেই একটা ভুলের দাম হয় একটা ফেরত পার্সেল, সাথে একজন রাগী কাস্টমার।
WinningSeller-এ Paperfly কানেক্ট করে রাখলে কনফার্ম করা অর্ডারগুলো "কোন কুরিয়ারে পাঠাবেন" থেকে Paperfly সিলেক্ট করে এক ক্লিকে একসাথে বুক হয়ে যায়, আলাদা করে কিছু টাইপ করতে হয় না। কানেক্ট করতে Paperfly-র রিলেশনশিপ ম্যানেজার বা info@paperfly.com.bd-এর কাছে API-র username, password আর Paperfly key চেয়ে নিতে হয়। পিকআপের ফোন, ঠিকানা, থানা আর জেলা একবার বসাতে হয়, থানা-জেলা ইংরেজিতে Paperfly-র বানানে। কাস্টমারের ঠিকানার শেষে থানা আর জেলা না থাকলে অর্ডারটা বুক হওয়ার আগেই আটকে যায় আর কারণটা অর্ডারে লেখা থাকে, তাই ভুল হাবে পার্সেল যাওয়ার আগেই ভুলটা ধরা পড়ে।
পেপারফ্লাই কুরিয়ার সার্ভিস চার্জ কত, ঢাকা আর বাইরে
নিচের রেট ২০২৬ সালের অক্টোবরে paperfly.com.bd-র "Delivery Charges" পেজ থেকে নেওয়া, দরজায় ডেলিভারির জন্য। ওরা লিখেছে চার্জে VAT আর ট্যাক্স ধরা আছে, মানে ওপরে আর কিছু যোগ হবে না।
| পার্সেল কোথায় যাবে | ১ কেজি পর্যন্ত | প্রতি বাড়তি কেজি | COD চার্জ |
|---|---|---|---|
| একই শহর | ৭০ টাকা | ২০ টাকা | ০% |
| সাব-আর্বান বা আশপাশের এলাকা | ১১০ টাকা | ২০ টাকা | তোলা টাকার ১% |
| বাকি বাংলাদেশ | ১৩০ টাকা | ২০ টাকা | তোলা টাকার ১% |
"একই শহর" মানে আপনি ঢাকার মার্চেন্ট হলে শুধু ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকা। আপনি ঢাকার বাইরের মার্চেন্ট হলে আপনার জেলার সদর এলাকা। ঢাকার মার্চেন্টের জন্য সাব-আর্বান মানে সাভার, কেরানীগঞ্জ, দোহার, টঙ্গী, গাজীপুর আর নারায়ণগঞ্জ। ঢাকার বাইরের মার্চেন্টের জন্য সাব-আর্বান হলো নিজের জেলার সদরের বাইরের এলাকা। মানে রংপুরের একজন সেলারের রংপুর সদরের কাস্টমার ৭০ টাকার ঘরে পড়েন, পীরগঞ্জ বা মিঠাপুকুরের কাস্টমার ১১০ টাকার ঘরে, আর ঢাকার কাস্টমার ১৩০ টাকার ঘরে।
এখানে একটা সত্যি কথা বলে রাখি। ওদের টার্মসের শেষে যে রেট লিস্ট আছে, সেখানে বাড়তি কেজি একই শহরে আর আশপাশে ১৫ টাকা, বাকি দেশে ৩০ টাকা। একই শহরে COD চার্জ সেখানে ০.৫%, আর সবচেয়ে ভারী পার্সেল ৫ কেজি, যেখানে চার্জের পেজে লেখা ৮ কেজি। দুই পেজের কোনটা আপনার অ্যাকাউন্টে খাটে, সেটা প্রথম দিনেই রিলেশনশিপ ম্যানেজারকে জিজ্ঞেস করে নিন, আর প্রথম কয়েকটা পার্সেলের পরে প্যানেলের ইনভয়েসে কী কাটল মিলিয়ে দেখুন।
এবার হিসাবটা টাকায় দেখি। নিচের সংখ্যাগুলো একটা উদাহরণ, কোনো দোকানের আসল হিসাব না। ধরুন আপনি মিরপুর থেকে শার্ট বেচেন। ১ কেজির কম ওজনের একটা পার্সেলে কাস্টমার সব জায়গাতেই ডেলিভারি চার্জসহ মোট ১,২০০ টাকা দেন।
ধানমন্ডির কাস্টমারের বেলায় ৭০ টাকা ডেলিভারি চার্জ কাটে আর COD চার্জ শূন্য, আপনার হাতে আসে ১,১৩০ টাকা। সাভারের কাস্টমারের বেলায় কাটে ১১০ টাকা আর ১,২০০ টাকার ১% মানে ১২ টাকা, হাতে আসে ১,০৭৮ টাকা। রংপুরের কাস্টমারের বেলায় কাটে ১৩০ আর ১২, হাতে আসে ১,০৫৮ টাকা। একই শার্ট, একই দাম, অথচ হাতে আসা টাকায় ৭২ টাকার ফারাক। দিনে দশটা পার্সেল ঢাকার বাইরে গেলে ৩০ দিনে ৩০০টা, আর ৩০০ × ৭২ মানে ঢাকার পার্সেলের তুলনায় মাসে ২১,৬০০ টাকা বেশি কাটে। কাস্টমারের কাছ থেকে ঢাকা আর ঢাকার বাইরে একই ডেলিভারি চার্জ নিলে টাকাটা কাটে সোজা আপনার মার্জিন থেকে।

ওজনের হিসাবেও একটা ফাঁদ আছে। টার্মসে লেখা আছে, আসল ওজন আর ভলিউমেট্রিক ওজনের মধ্যে যেটা বেশি সেটা ধরে বিল হয়। ভলিউমেট্রিক ওজন মানে বাক্সের দৈর্ঘ্য, প্রস্থ আর উচ্চতা ইঞ্চিতে গুণ করে ৩৬৬ দিয়ে ভাগ। ধরুন একটা হালকা জ্যাকেট ১৬ × ১২ × ৮ ইঞ্চির বাক্সে পাঠালেন। ১৬ × ১২ × ৮ = ১,৫৩৬, আর ১,৫৩৬ ÷ ৩৬৬ ≈ ৪.২ কেজি, অথচ জ্যাকেটের আসল ওজন হয়তো এক কেজিও না। ঢাকা থেকে রংপুরে গেলে চার্জের পেজের ২০ টাকা কেজি ধরলেও চার্জ ১৩০ থেকে লাফিয়ে প্রায় ১৯০-২১০ টাকায় ওঠে, ভাঙা কেজি ওরা কীভাবে গোনে তার ওপর। টার্মসের ৩০ টাকা কেজি খাটলে আরও বেশি। একটা জ্যাকেটে আশি টাকা বাড়তি গেলে লাভের অর্ধেকটাই হয়তো চলে গেল। তাই হালকা কিন্তু বড় জিনিস ফোলা বাক্সে না, টাইট পলিতে পাঠান।
COD-র টাকা কবে, কোথায় আসে?
Paperfly-র টার্মসে লেখা আছে, bKash, Rocket, EBL, City Bank বা BRAC Bank-এ টাকা নিলে ডেলিভারির পর অর্ডারটা ইনভয়েস হলে সেদিনই, ব্যাংকিং সময়ের মধ্যে, বা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে টাকা আসে। অন্য ব্যাংকে টাকা আসে পরের ব্যাংকিং দিনে। কাস্টমারের কাছ থেকে তোলা টাকা থেকে ডেলিভারি চার্জ, COD কমিশন আর অন্য কোনো চার্জ থাকলে সেটা কেটে বাকিটা পাঠায়। হোমপেজে ওরা বড় করে লিখেছে, ডেলিভারির ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মার্চেন্ট পেমেন্ট।
কিন্তু এর সাথে দিনের হিসাবটাও লাগবে। ওদের FAQ-তে লেখা আছে, ইনভয়েস তৈরি হয় রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার, আর টাকা যায় পরের কাজের দিনে। সরকারি বা ব্যাংক ছুটি পড়লে টার্মস অনুযায়ী টাকা যায় তার পরের কাজের দিনে।
ওদের লেখা নিয়ম মিলিয়ে দেখলে মোটামুটি এমন দাঁড়ায়। মঙ্গলবার দুপুরে রংপুরে একটা পার্সেল ডেলিভারি হলে bKash-এ টাকা সাধারণত বুধবারের মধ্যেই চলে আসার কথা। কিন্তু বৃহস্পতিবার বিকেলে ডেলিভারি হলে অন্য ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে টাকা রবিবারের আগে আসবে না, কারণ মাঝে শুক্র আর শনি। ঈদের ছুটিতে এই অপেক্ষা আরও লম্বা হয়। FAQ-তে লেখা আছে, দুই ঈদের দুই দিন ওরা পুরো বন্ধ থাকে।

বড় কোম্পানির কাছে দুই-তিন দিন কিছু না, কিন্তু ছোট ব্যবসায় এই দুই-তিন দিনেই টান পড়ে। ঈদের আগে ঠিক এই টাকা দিয়েই পরের লটের মাল তোলেন অনেকে, অ্যাডের ডলারও কেনেন। তাই বুধবার-বৃহস্পতিবারের মধ্যে পাইকারের টাকা দিতে হলে আগের সপ্তাহের টাকার ওপর ভরসা রাখুন, এই সপ্তাহের ডেলিভারির টাকার ওপর না।
আর সপ্তাহে একবার প্যানেলের ইনভয়েসের সাথে নিজের অর্ডারের লিস্ট মিলিয়ে নিন। দেখবেন কোন পার্সেলের টাকা এসেছে, কোনটার আসেনি, আর কোথাও চার্জ বেশি কেটেছে কিনা। হিসাবে গরমিল রোজ হয় না, কিন্তু যেদিন হয়, সেদিন না ধরলে পরে ওই টাকা চাওয়ার মতো কোনো প্রমাণ আপনার হাতে থাকে না।
ফেরত পার্সেল আর ক্লেইম
ভালো খবর দিয়ে শুরু করি। Paperfly-র চার্জের পেজে লেখা আছে, ফেরতের জন্য আলাদা চার্জ নেই, শুধু একবার ডেলিভারির চেষ্টার চার্জটা কাটে। মানে রংপুরের একটা ১ কেজির পার্সেল ফেরত এলে আপনার যায় ১৩০ টাকা, সাথে নষ্ট প্যাকেটের খরচ। কাস্টমার সাইজ বদলাতে চাইলে এক্সচেঞ্জ করা যায়, আর এক্সচেঞ্জ বা পার্শিয়াল ডেলিভারিতে ডেলিভারি চার্জের আরও ৫০% যোগ হয়। রংপুরে সেটা ১৩০ টাকার সাথে আরও ৬৫ টাকা।
পার্সেল ফেরত আসার আগে ওরা কয়েকবার চেষ্টা করে। রিটার্ন পলিসিতে লেখা আছে, প্রথমবার কাস্টমারকে না পেলে আরও দুইবার, দুই আলাদা দিনে চেষ্টা করে, তারপর ফেরত পাঠায়। কাস্টমার চাইলে বা ফোনে না পাওয়া গেলে পার্সেল ৩ দিন পর্যন্ত হোল্ডে রাখা যায় বলে FAQ-তে লেখা। হোল্ড, ইন ট্রানজিট বা পার্শিয়াল ডেলিভারির মতো স্ট্যাটাস দেখলে কী করবেন, সেটা পার্সেলের স্ট্যাটাসের মানে নিয়ে লেখায় বিস্তারিত আছে।
ফেরত নিয়ে টানাটানিতে Paperfly-র দুটো জিনিস আপনার পাশে থাকে। একটা হলো Return OTP। FAQ বলছে, মার্চেন্ট আর কাস্টমার দুজনের OTP মিল না হলে কোনো পার্সেল ফেরত যায় না। মানে রাইডার নিজে থেকে "কাস্টমার নেননি" লিখে দিলেন, এমনটা হওয়ার সুযোগ কম। আরেকটা হলো Smart Log। FAQ অনুযায়ী এতে ডেলিভারি টিম আর কাস্টমারের মধ্যে যোগাযোগের রেকর্ড থাকে। কাস্টমার যখন মুখের ওপর বলেন "আমাকে তো কেউ ফোনই দেয়নি", তখন এই লগটাই আপনার প্রমাণ।

ফেরত পার্সেল কবে হাতে আসবে, সেটা নিয়ে ওদের দুই পেজে দুই রকম লেখা। FAQ বলছে ঢাকার ভেতরে ৭ দিন, আশপাশের জেলায় ১০ দিন আর অন্য জেলায় ১৫ দিনের মধ্যে। রিটার্ন পলিসি বলছে একই জেলায় ৭ থেকে ১০ দিন আর অন্য জেলায় ১০ থেকে ১৫ দিন। দুটো মিলিয়ে ধরে নিন, ঢাকার বাইরের ফেরত মাল দুই সপ্তাহের মতো রাস্তায় আটকে থাকতে পারে। ঈদের আগে এই দুই সপ্তাহে ওই মাল আরেকজনকে বেচা যেত।
ফেরত হাতে নেওয়ার নিয়মটাও জেনে রাখুন। পলিসিতে লেখা আছে, প্যাকেট ছিঁড়ে গেলে, ময়লা হলে বা ইনভয়েস হারিয়ে গেলেও ভেতরের প্রোডাক্ট ঠিক থাকলে ফেরতটা আপনাকে নিতে হবে। আবার কাস্টমার বাক্সের সিল খুলে তারপর ফেরত দিতে চাইলে সেটা ফেরত হিসেবে নেওয়ার দায় Paperfly নেয় না। তাই ফেরত পার্সেল হাতে নিয়েই ওদের লোকের সামনে প্যাকেট খুলে প্রোডাক্টটা দেখে নিন, দরকার হলে ফোনে একটা ভিডিও করে রাখুন। লোকটা চলে যাওয়ার পরে কিছু কম পেলে সেটা প্রমাণ করা অনেক কঠিন।
পার্সেল হারালে বা পুরো নষ্ট হলে টার্মস আর FAQ-তে লেখা আছে, আলোচনা করে প্রোডাক্টের তৈরি বা কেনা দামের সর্বোচ্চ ৫০% দেওয়া হয়, তবে ৫,০০০ টাকার বেশি না। রিটার্ন পলিসি পেজের নিচের অংশে একই কথায় ১০,০০০ টাকা লেখা, তাই দামি প্রোডাক্ট পাঠানোর আগে আপনার চুক্তিতে কোনটা আছে সেটা লিখিত জেনে নিন। ক্লেইম করতে হবে পিকআপের দিন থেকে ১৫ দিনের মধ্যে, আর FAQ অনুযায়ী টাকা পেতে ১৫ থেকে ২০ দিন লাগে। মেরামত করা যায় এমন ক্ষতিতে ওরা শুধু মেরামতের খরচ দেয়।
কোন সেলারের জন্য Paperfly ভালো, কার জন্য না?
Paperfly সবচেয়ে কাজে দেয় সেই সেলারের, যাঁর অনেক কাস্টমার উপজেলা আর ইউনিয়ন পর্যায়ে থাকেন। ওদের হোমপেজে ৪,৫৫৪টা ইউনিয়নের পাশাপাশি ৪৯১টা উপজেলার কথাও লেখা। গ্রামের দিকে অর্ডার বেশি আসা মধু, কাপড় বা খেলনার সেলারদের জন্য এই কাভারেজটাই আসল কথা। কাস্টমারকে যদি পার্সেল আনতে শহরে যেতে হয়, অনেকে আর যান না, আর সেই পার্সেল ফেরত আসে।
ঢাকা সিটির ভেতরে বেশি বেচলে চার্জের পেজের ০% COD চার্জটা চোখে রাখার মতো। একটা উদাহরণ ধরুন। দিনে ৫০টা ঢাকার পার্সেল, প্রতিটায় গড়ে ১,০০০ টাকা। যে কুরিয়ার ১% কাটে তার তুলনায় এখানে দিনে ৫০০ টাকা কম কাটে। তবে টার্মসের ০.৫%-এর কথাটা মাথায় রাখুন। ঢাকার বাইরের সেলারের জন্যও একটা সুবিধা আছে। নিজের জেলার সদরের কাস্টমার ৭০ টাকার ঘরে পড়েন। আর বাসায় মাল রাখার জায়গা না থাকলে ওদের ওয়্যারহাউস আর ফুলফিলমেন্ট সার্ভিসের কথা জিজ্ঞেস করে দেখতে পারেন, যেখানে মাল ওদের কাছে থাকে আর ওরাই প্যাক করে পাঠায়।
কার জন্য না, সেটাও সোজাসুজি বলি। কাচ, তরল বা কসমেটিকস যাঁর মূল প্রোডাক্ট, তাঁর জন্য ক্ষতিপূরণ না থাকাটা বড় ঝুঁকি। টার্মসে পচনশীল জিনিস আর ৫ কেজির বেশি ওজনের পার্সেল দিতে নিষেধ করা আছে, তাই তাজা খাবার বা ভারী জিনিসের সেলারের জন্য এটা মূল কুরিয়ার হবে না। আর আপনার বর্তমান কুরিয়ার যদি ঠিক সময়ে ডেলিভারি দেয় আর টাকা পাঠায়, তাহলে পাঁচ-দশ টাকার জন্য পুরোটা সরিয়ে আনার দরকার নেই।
বেশিরভাগ সেলারের জন্য ভালো রাস্তা হলো Paperfly-কে দ্বিতীয় কুরিয়ার হিসেবে রাখা। যে জেলাগুলোতে আপনার মূল কুরিয়ারের ফেরত বেশি, সেখানকার ২০-৩০টা পার্সেল এক মাস Paperfly দিয়ে পাঠান। মাস শেষে তিনটা জিনিস মেলান, কয়টা ডেলিভারি হলো, টাকা কয় দিনে এলো, আর ফেরত কয় দিনে হাতে পেলেন। দুটো কুরিয়ার কেন রাখবেন আর কীভাবে ভাগ করবেন, সেটা কোন কুরিয়ার ভালো, সেই লেখায় হিসাব করে দেখানো আছে। বাকি কুরিয়ারগুলো কে কোথায় যায়, তার ছোট পরিচয় পাবেন কুরিয়ার সার্ভিস লিস্টে।
তবে দুটো কুরিয়ার মানে দুটো প্যানেলে ঘোরাঘুরি। WinningSeller-এ Steadfast, Pathao, RedX, Paperfly, Carrybee আর eCourier, ছয়টা কুরিয়ারই একসাথে কানেক্ট করে রাখা যায়, আর কোন অর্ডার কোন কুরিয়ারে যাবে সেটা পাঠানোর সময় বেছে নেন। Paperfly নিজে থেকে স্ট্যাটাস জানায় না, তাই প্রতিটা খোলা পার্সেলের খবর প্রায় প্রতি ঘণ্টায় নিজে থেকেই চেক হয়ে অর্ডারে বসে যায়। নিজের কয়েকটা অর্ডার দিয়ে আগে দেখে নিতে পারেন (প্রথম মাস মাত্র ৯৯ টাকা, তারপর রেগুলার দাম)।

আজকের কাজ ছোট। Paperfly-তে অ্যাকাউন্টটা খুলে ফেলুন, ম্যানেজারের ফোন এলে রেট আর ক্ষতিপূরণের সীমা লিখিত জেনে নিন, আর প্রথম পার্সেলটা বিকেল ৩টার আগে প্যানেলে তুলুন। সেই বৃহস্পতিবার রাতের মতো দিন আবার আসবে, কিন্তু তখন অন্তত আপনার হাতে আরেকটা রাস্তা খোলা থাকবে।
সাধারণ প্রশ্ন
পেপারফ্লাই কুরিয়ার সার্ভিস চার্জ কত?
২০২৬ সালের অক্টোবরে paperfly.com.bd-র চার্জের পেজে ১ কেজি পর্যন্ত একই শহরে ৭০ টাকা, সাব-আর্বান এলাকায় ১১০ টাকা আর বাকি বাংলাদেশে ১৩০ টাকা লেখা আছে, VAT আর ট্যাক্সসহ। ১ কেজির পরে প্রতি কেজিতে ২০ টাকা যোগ হয়। COD চার্জ একই শহরে ০% আর বাকি জায়গায় তোলা টাকার ১%। ওদের টার্মসের রেট লিস্টে বাড়তি কেজি আর COD-র সংখ্যা একটু আলাদা, তাই প্যানেলে নিজের রেটটা মিলিয়ে নিন।
Paperfly মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট খুলতে কি ট্রেড লাইসেন্স লাগে?
ওদের টার্মসে সাইন আপের জন্য চাওয়া হয়েছে নাম, কোম্পানির নাম, ইমেইল আর ফোন নম্বর, ট্রেড লাইসেন্সের কথা সেখানে নেই। তবে সাইন আপের পর ওদের রিলেশনশিপ ম্যানেজার ফোন দিয়ে তথ্য ভেরিফাই করেন। তাই NID আর থাকলে ট্রেড লাইসেন্স হাতের কাছে রাখুন।
Paperfly-র COD-র টাকা কবে পাওয়া যায়?
ওদের টার্মসে লেখা আছে, bKash, Rocket, EBL, City Bank বা BRAC Bank-এ টাকা নিলে ডেলিভারির পরে ইনভয়েস হওয়ার দিনেই বা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে টাকা আসে। অন্য ব্যাংকে আসে পরের ব্যাংকিং দিনে। ইনভয়েস হয় রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার, আর সরকারি বা ব্যাংক ছুটি থাকলে টাকা পরের কাজের দিনে যায়।
Paperfly কি রিটার্ন চার্জ নেয়?
২০২৬ সালের অক্টোবরে ওদের চার্জের পেজে লেখা আছে ফেরতের জন্য আলাদা চার্জ নেই, শুধু একবার ডেলিভারির চেষ্টার চার্জটা কাটে। মানে রংপুরের একটা ১ কেজির পার্সেল ফেরত এলে ১৩০ টাকা যায়। এক্সচেঞ্জ বা পার্শিয়াল ডেলিভারিতে ডেলিভারি চার্জের আরও ৫০% যোগ হয়।
Paperfly merchant login কোথায় করব, অ্যাপ আছে?
paperfly.com.bd-র Merchant Panel বাটন আপনাকে go.paperfly.com.bd-র লগইন পেজে নিয়ে যায়। সাইন আপের পরে SMS-এ যে ইউজার আইডি আর পাসওয়ার্ড আসে, সেটা দিয়েই লগইন করবেন। ফোন থেকে চালাতে চাইলে Google Play-তে ওদের Paperfly GO অ্যাপ আছে, সেখান থেকেও অর্ডার তোলা আর ট্র্যাক করা যায়।
Paperfly-র হেল্পলাইন নম্বর কত?
ওদের FAQ পেজে ফোন নম্বর দেওয়া আছে 09678-300900, আর ইমেইল info@paperfly.com.bd। মার্চেন্ট হলে একজন রিলেশনশিপ ম্যানেজার পাবেন, পার্সেল বা টাকা আটকালে আগে তাঁকেই ফোন দিন। Google Play-তে Paperfly GO অ্যাপের পরিচিতিতে লেখা আছে, অ্যাপ থেকে হেল্পলাইনে ফ্রি কলও করা যায়।
আরও পড়ুন
হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল না গ্রুপ? পুরনো কাস্টমারকে নতুন মালের খবর দিন
নতুন কালেকশনের খবর পুরনো কাস্টমারকে দিতে চান, কিন্তু চ্যানেল খুলবেন, গ্রুপ, না স্ট্যাটাস? কে কার নম্বর দেখে, কে উত্তর দিতে পারে, চ্যানেল খোলার ধাপ, কী পোস্ট দেবেন, গ্রুপের নিয়ম আর ঝুঁকি, আর এক মাসে কোনটায় কত সময় যায়, হিসাবসহ।
শার্ট, প্যান্ট আর টি-শার্টের সাইজ চার্ট বানাবেন যেভাবে, ফেরত কমবে
সাপ্লায়ারের ট্যাগে M লেখা, অথচ কাস্টমার বলেন টাইট। টি-শার্ট, শার্ট আর প্যান্ট টেবিলে বিছিয়ে ফিতা দিয়ে মাপার নিয়ম, ইঞ্চিতে নিজের সাইজ চার্ট বানানো, কাস্টমারকে নিজের শার্ট মেপে সাইজ বাছতে শেখানো, আর একটা ভুল সাইজে কত টাকা যায়, হিসাবসহ।
প্রোডাক্ট ক্যাটালগ ও প্রাইস লিস্ট বানানোর নিয়ম, পাইকার আর অফিসের জন্য
পাইকার, রিসেলার বা অফিসের লোক বলছেন "ক্যাটালগ আর রেট দেন"? প্রতিটা প্রোডাক্টে কী লিখবেন, খুচরা আর পাইকারি দাম কেন আলাদা ফাইলে, পরিমাণ ধরে দামের ধাপ টাকায়, PDF না লিংক, আর দাম বদলালে পুরনো কপি থামাবেন কীভাবে।


