নতুন কাস্টমার কিভাবে বানাবো? একটাও অর্ডার নেই, প্রথম ১০০ জন আনুন এভাবে
নতুন পেজে অর্ডার আসছে না? প্রথম ১০ জন চেনা মানুষ, তারপর এলাকার গ্রুপ আর ছোট বুস্ট, তারপর একটা প্রোডাক্টে একটা অ্যাড। প্রতিটা ধাপে কী বলবেন, কত টাকা যায় আর কোন সংখ্যা দেখবেন, উদাহরণসহ।

এই লেখায় যা আছে
- নতুন কাস্টমার কিভাবে বানাবো, প্রথম অর্ডার আসে না কেন?
- প্রথম ১০টা অর্ডার, চেনা মানুষের কাছ থেকে, লজ্জা না পেয়ে
- ১০ থেকে ৩০, এলাকার গ্রুপ আর ছোট বুস্ট
- ৩০ থেকে ১০০, একটা প্রোডাক্টে একটা অ্যাড
- প্রথম কাস্টমারকে দিয়ে পরের কাস্টমার আনবেন যেভাবে
- কোন ধাপে কোন সংখ্যা দেখবেন?
- প্রথম ১০০ অর্ডারে যে ভুলে টাকা আর নাম দুটোই যায়
- আজ রাতেই কোন কাজটা শুরু করবেন?
ধরুন রাত সাড়ে এগারোটা। তিন দিন আগে পেজ খুলেছেন, ঘিয়ের বয়ামের ছবি দিয়ে চারটা পোস্টও দিয়েছেন। শোয়ার আগে পঞ্চমবারের মতো ইনবক্স খুললেন, একটাও মেসেজ নেই। নতুন কাস্টমার কিভাবে বানাবো, এই প্রশ্নের সোজা উত্তর হলো, প্রথম ১০০ জন কাস্টমার এক জায়গা থেকে একসাথে আসেন না, আসেন তিন ধাপে। প্রথম দশজন সাধারণত আসেন চেনা মানুষের মধ্য থেকে। তারপর এলাকার ফেসবুক গ্রুপ আর একটা ছোট বুস্ট আপনাকে ৩০ জনের কাছাকাছি নিয়ে যায়। আর ৩০ থেকে ১০০-তে ওঠেন একটা প্রোডাক্টের একটা ভালো অ্যাড আর আগের কাস্টমারদের মুখের কথায়।
এই চুপচাপ সময়টা অনেক নতুন সেলারের কাছে সবচেয়ে কঠিন লাগে। মনে হয় সবাই বিক্রি করছে, শুধু আপনার পেজটাই থেমে আছে। ভালো খবর হলো, শুরুতে অ্যাডে এক টাকাও লাগে না। গ্রুপের ধাপে হয়তো হাজারখানেক টাকার একটা বুস্ট লাগবে। অ্যাডের আসল খরচ শুরু হয় শেষ ধাপে, আর ততদিনে আপনার হাতে প্রমাণ জমে যায় যে প্রোডাক্টটা মানুষ সত্যিই কেনেন। নিচে তিনটা ধাপ একটা একটা করে বলছি, কী বলবেন আর কত টাকা যায়, উদাহরণসহ।

নতুন কাস্টমার কিভাবে বানাবো, প্রথম অর্ডার আসে না কেন?
নতুন পেজে অর্ডার না এলে বেশিরভাগ মানুষ প্রথমে ফেসবুককে দোষ দেন। সেলারদের গ্রুপে এই প্রশ্নটা প্রায় রোজ দেখবেন, "ভাই, পেজে ৩০০ লাইক, তবু একটা অর্ডারও নাই কেন? রিচ কি চাপা দিয়ে রেখেছে?" কথাটা পুরো মিথ্যা না, নতুন পেজের পোস্ট আসলেই খুব কম মানুষের কাছে যায়। কিন্তু আসল কারণ সাধারণত আরও সহজ, আর সেটা আপনার হাতেই ঠিক করা যায়।
সবচেয়ে বড় কারণটা হলো, কেউ জানেই না পেজটা আছে। ওই ৩০০ লাইকের বেশিরভাগ হয়তো ইনভাইট পাওয়া বন্ধু, যাঁরা একবার লাইক দিয়ে আর ফিরে আসেননি। আপনার ঘি যাঁর সত্যিই দরকার, তিনি এখনো আপনার একটা পোস্টও দেখেননি।
আবার যাঁরা দেখেন, তাঁরা বিশ্বাস করার মতো কিছু পান না। তাঁরা দেখেন অচেনা একটা পেজ, তাতে দুই-তিনটা পোস্ট, ছবিগুলো সাপ্লায়ারের, দামের জায়গায় লেখা "ইনবক্স করুন", আর কোনো কাস্টমারের একটা কথাও নেই। ক্যাশ অন ডেলিভারিতে কাস্টমারের টাকা যায় না ঠিকই, তবু ভুল জিনিস আসবে, দরজায় দাঁড়িয়ে ঝামেলা হবে, এই ভয়টা থাকে। পেজ খোলার পর প্রথম কোন পোস্টগুলো দিয়ে এই ভয় কমাবেন, সেটা ফেসবুক বিজনেস পেজ সেটআপের লেখায় ধাপে ধাপে আছে।
আরেকটা কারণ চোখে পড়ে কম। অনেক পেজে অফারটাই ঝাপসা থাকে। পেজে বিশটা প্রোডাক্ট, কোনটা কার জন্য বোঝা যায় না। মানুষ এক নজরে বুঝতে না পারলে স্ক্রল করে চলে যান, কারণ তাঁর হাতে আরও একশো পেজ আছে।

তাই প্রথম ১০০ জন কাস্টমারের আসল কাজ শুধু বিক্রি না। প্রতিটা ডেলিভারি হওয়া পার্সেলের পরে পেজে একটু একটু করে আসল ছবি আর কাস্টমারের কথা জমে। এগুলো দেখেই পরের অচেনা মানুষটা আপনাকে বিশ্বাস করেন। এজন্য শুরুটা হয় তাঁদের দিয়ে, যাঁরা আপনাকে আগে থেকেই বিশ্বাস করেন।
প্রথম ১০টা অর্ডার, চেনা মানুষের কাছ থেকে, লজ্জা না পেয়ে
অনেকে এই ধাপেই আটকে যান। বন্ধুকে বা খালাতো ভাইকে "আমার কাছ থেকে কেনো" বলতে লজ্জা লাগে, মনে হয় ভিক্ষা চাইছি। কথাটা একটু অন্যভাবে ভাবুন। আপনি একটা ভালো জিনিস ন্যায্য দামে দিচ্ছেন, যেটা তিনি কোথাও না কোথাও থেকে এমনিতেই কিনতেন। অচেনা কারও কাছ থেকে না কিনে আপনার কাছ থেকে কিনলে তাঁর ঠকার ভয়টাও কম। এখানে লজ্জার কিছু নেই, শুধু চাপ দেবেন না।
কাজটা এভাবে করুন। ফোনের কন্টাক্ট লিস্ট, ফেসবুক ফ্রেন্ড লিস্ট আর অফিস বা ভার্সিটির পরিচিতদের দিকে একবার তাকান। সবাইকে না, শুধু তাঁদের নাম একটা খাতায় লিখুন যাঁদের এই প্রোডাক্টটা সত্যিই কাজে লাগতে পারে। ঘি বেচলে যাঁর বাসায় রান্না হয়, পাঞ্জাবি বেচলে যিনি পাঞ্জাবি পরেন। ৩০ থেকে ৫০টা নাম হলেই যথেষ্ট।
তারপর একজন একজন করে মেসেজ দিন, নাম ধরে। সবাইকে একসাথে একই মেসেজ পাঠাবেন না, কারণ গ্রুপ মেসেজ দেখলেই মানুষ বোঝেন এটা অ্যাড, আর এড়িয়ে যান। এমন কিছু লিখতে পারেন।
"রাশেদ ভাই, কেমন আছেন? একটা খবর দিই, আমি ঘরে বানানো খাঁটি গাওয়া ঘি নিয়ে একটা ছোট ব্যবসা শুরু করেছি। আধা কেজি ৭৫০ টাকা, হাতে পেয়ে টাকা দেবেন। বাসায় লাগলে বলবেন, না লাগলেও কোনো সমস্যা নেই। আর পরিচিত কারও লাগলে পেজের লিংকটা দিয়ে দিয়েন।"
শেষ লাইনটা খেয়াল করুন। "না লাগলেও সমস্যা নেই" কথাটা মানুষকে চাপ থেকে মুক্তি দেয়, আর চাপ না থাকলে মানুষ বেশি কেনেন। দামটাও মেসেজেই লিখে দিন। দাম লুকালে চেনা মানুষও সন্দেহ করেন।
নিজের প্রোফাইলেও একটা পোস্ট দিন, পেজের না, নিজের। ছবিতে থাকুন আপনি নিজে, প্রোডাক্ট হাতে নিয়ে, আর দুই-তিন লাইনে লিখুন কেন শুরু করলেন। মানুষ অচেনা দোকানের চেয়ে চেনা মুখের গল্পে বেশি সাড়া দেন।

একটা উদাহরণ দিয়ে বলি, সংখ্যাগুলো ধরে নেওয়া। ৪০ জনকে মেসেজ দিলেন, ২০ জন উত্তর দিলেন, ৮ জন নিলেন। শুনতে কম মনে হতে পারে, কিন্তু এই ৮টা অর্ডারে অ্যাডের এক টাকাও যায়নি। আর আপনি জীবনে প্রথমবার পার্সেল প্যাক করলেন, কুরিয়ারে এন্ট্রি দিলেন, ডেলিভারির খবর পেলেন আর টাকা হাতে এলো। পুরো রাস্তাটা একবার চলে দেখা হয়ে গেল, অচেনা মানুষের অর্ডারে নিজের টাকা ঝুঁকিতে না ফেলেই।
১০ থেকে ৩০, এলাকার গ্রুপ আর ছোট বুস্ট
চেনা মানুষের পরে আপনার দরকার এমন মানুষ, যাঁরা আপনাকে চেনেন না কিন্তু কাছাকাছি থাকেন। কাছাকাছি কেন? কারণ নিজের শহরে ডেলিভারি চার্জ কম পড়ে, পার্সেল তাড়াতাড়ি পৌঁছায়, আর "আমাদের এলাকারই একজন বেচছেন" কথাটায় একটা আলাদা ভরসা আছে।
এর সবচেয়ে সহজ জায়গা ফেসবুক গ্রুপ। ফেসবুকের সার্চে নিজের শহরের নাম লিখে পাশে "বাই সেল" দিন, কয়েকটা গ্রুপ এমনিতেই বেরিয়ে আসবে। তার সাথে এমন গ্রুপও খুঁজুন, যেখানে আপনার প্রোডাক্টের মানুষগুলো আড্ডা দেন। ঘি বেচলে রান্নার গ্রুপ, বাচ্চার জিনিস বেচলে মা-বাবাদের গ্রুপ। Facebook-এর Help Center-এ Marketplace-এর পাশেই "Buy-and-sell groups" নামে আলাদা অংশ আছে, মানে গ্রুপে কেনাবেচা Facebook নিজেও একটা স্বাভাবিক রাস্তা হিসেবে ধরে। কিন্তু প্রতিটা গ্রুপের নিজের নিয়ম ঠিক করেন সেই গ্রুপের অ্যাডমিন। তাই পোস্ট দেওয়ার আগে গ্রুপের রুলস পড়ুন। অনেক গ্রুপে বিক্রির পোস্ট শুধু সপ্তাহের একটা দিনে চলে, কোথাও একদম চলে না। সন্দেহ হলে অ্যাডমিনকে একটা মেসেজ দিয়ে জিজ্ঞেস করে নিন। নিয়ম ভেঙে পোস্ট দিলে পোস্ট তো যায়ই, অনেক সময় আপনাকে গ্রুপ থেকেই বের করে দেওয়া হয়।
গ্রুপের পোস্টে চারটা জিনিস থাকতেই হবে। ছবিটা হবে নিজের তোলা, দাম লিখবেন পরিষ্কার করে, ডেলিভারি চার্জ কত সেটাও বলে দেবেন, আর অর্ডার কীভাবে করবেন সেটা এক লাইনে লিখে দেবেন। "হাতে পেয়ে টাকা দেবেন" কথাটা লিখতে ভুলবেন না, নতুন পেজের জন্য এই এক লাইনই অনেক ভয় কমায়। আর পোস্টের পর এক-দুই ঘণ্টা ফোনের কাছে থাকুন। কেউ দাম বা সাইজ জিজ্ঞেস করলে পাঁচ মিনিটে উত্তর দিলে অর্ডার হয়, পাঁচ ঘণ্টা পরে দিলে সেই মানুষটা ততক্ষণে অন্য পোস্টে চলে গেছেন।

একই পোস্ট একদিনে বিশটা গ্রুপে কপি-পেস্ট করবেন না। অ্যাডমিনরা এটা পছন্দ করেন না, আর বারবার একই লেখা পোস্ট করলে ফেসবুকের স্প্যামের নিয়মে আটকে যাওয়ার ঝুঁকিও থাকে। তিন-চারটা ভালো গ্রুপ বেছে নিন, সেখানে নিয়মিত থাকুন। মাঝে মাঝে অন্যদের প্রশ্নের উত্তরও দিন, শুধু বিক্রির সময় হাজির হবেন না। এভাবেই মানুষ আপনার নামটা চিনে ফেলেন।
এই সময়ে একটা ছোট বুস্টও দিতে পারেন, তবে দুটো শর্তে। পেজে অন্তত ছয়-সাতটা পোস্ট থাকতে হবে, আর প্রথম কাস্টমারদের দু-একটা সত্যিকারের কমেন্ট বা ছবি থাকতে হবে। বুস্ট দেবেন সেই পোস্টে, যেটায় পেজে বা গ্রুপে আগে থেকেই মানুষ সবচেয়ে বেশি সাড়া দিয়েছেন। এলাকা রাখুন শুধু নিজের শহর বা যেখানে ডেলিভারি সহজ।
ধরুন দিনে ২৫০ টাকা করে চার দিন বুস্ট দিলেন, মানে ১,০০০ টাকা। এর ওপর ১৫% VAT যোগ হয়ে বিল আসবে প্রায় ১,১৫০ টাকা, কার্ডের চার্জ থাকলে আরেকটু বেশি। এই উদাহরণে চার দিনে ৭টা অর্ডার এলো, ৬টা কনফার্ম হলো, মানে কনফার্ম হওয়া প্রতিটা অর্ডারে খরচ পড়ল প্রায় ১৯২ টাকা। প্রথমবার একজন পুরো অচেনা মানুষ অর্ডার দিলে যে খুশিটা লাগে, সেটা আলাদা। তবু মাথা ঠান্ডা রাখুন। মেসেজ বা লাইক কত এলো সেটা গুনবেন না, গুনবেন কয়টা অর্ডার কনফার্ম হলো আর পরে কয়টা ডেলিভারি হলো। মোবাইল থেকে বুস্টের পুরো নিয়ম, গোল আর অডিয়েন্স কী দেবেন, সেটা ফেসবুক বুস্ট করার নিয়মের লেখায় আছে।
৩০ থেকে ১০০, একটা প্রোডাক্টে একটা অ্যাড
৩০ জন কাস্টমার হয়ে গেলে আপনার হাতে এমন কিছু আছে যা শুরুতে ছিল না। আপনি জানেন কোন প্রোডাক্টটা মানুষ বেশি নিয়েছেন, কোন প্রশ্ন বারবার আসে, আর কাস্টমাররা প্রোডাক্টটা নিয়ে কী বলেন। এবার সত্যিকারের অ্যাডের সময়।
নিয়মটা একটাই, একটা প্রোডাক্টে একটা অ্যাড। প্রথম ৩০ জনের মধ্যে যেটা সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে, বা যেটা নিয়ে কেউ বলেছেন "আরেকটা লাগবে", সেটা দিয়েই শুরু করুন। পাঁচটা প্রোডাক্টে পাঁচটা অ্যাড চালালে ছোট বাজেট পাঁচ ভাগ হয়ে যায়। তখন কোনো অ্যাডই ফেসবুকের শেখার মতো যথেষ্ট অর্ডার পায় না, আর আপনিও বুঝতে পারেন না কোনটা কাজ করছে। এক প্রোডাক্টে থাকলে কাস্টমারও আপনাকে একটা জিনিসের জন্য মনে রাখেন। "ঘি লাগলে ওই ভাইয়ের পেজ" কথাটা মানুষের মুখে মুখে ছড়ায়।
অ্যাড থেকে মানুষকে পাঠান অর্ডার ফর্মসহ একটা পেজে, ইনবক্সে না। ইনবক্সের অ্যাডে মেসেজ আসে অনেক, কিন্তু প্রতিটা মেসেজে আপনার সময় যায়, অনেকে দাম জেনেই চুপ হয়ে যান, আর কোন অ্যাড থেকে আসল অর্ডার এলো সেটাও মাপা কঠিন। একটা প্রোডাক্টের পেজে দাম, ছবি, প্রশ্নের উত্তর আর ফর্ম এক জায়গায় থাকলে কাস্টমার নিজেই অর্ডার দিয়ে দেন, রাত দুইটায়ও।
এই পেজ বানাতে এখন ডেভেলপার বা ফ্রিল্যান্সারের পেছনে দৌড়াতে হয় না। WinningSeller-এ AI দিয়ে ৫ মিনিটে ল্যান্ডিং পেজ বানানো যায়। প্রোডাক্টটা কী, কার জন্য আর অফারটা কী, এমন কয়েকটা প্রশ্নের উত্তর দেবেন, আর অর্ডার ফর্মসহ পুরো একটা পেজের ড্রাফট তৈরি হয়ে যাবে। ছবি বসে আপনার নিজের প্রোডাক্টের ছবি থেকে, AI ছবি বানায় না। আর প্রতিটা লাইন পাবলিশের আগে নিজে চেঞ্জ করতে পারেন।
এবার টাকার হিসাব। নিচের সংখ্যাগুলো একটা উদাহরণ, কোনো দোকানের আসল হিসাব না। ধরুন আধা কেজি ঘি ৭৫০ টাকায় বেচেন। বানাতে আর কিনতে পড়ে ৪৩০ টাকা, বয়াম আর প্যাকেটে ৪০ টাকা, ডেলিভারি চার্জ কাস্টমার দেন। তাহলে একটা পার্সেল ডেলিভারি হলে হাতে থাকে ২৮০ টাকা। একটা পার্সেল ফেরত এলে কুরিয়ারের চার্জ আর নষ্ট প্যাকেট মিলে ধরুন ১৩০ টাকা যায়।
প্রথম মাসে অ্যাডে গেল VAT সহ মোট ৫,০০০ টাকা, দুটো আলাদা ভিডিও দিয়ে। তিন-চার দিন হাত না দিয়ে দেখলেন কোনটা কম খরচে অর্ডার আনছে, অন্যটা বন্ধ করলেন। মাস শেষে এলো ৪২টা অর্ডার। কনফার্ম হলো ৩৫টা, ডেলিভারি হলো ৩১টা, ফেরত এলো ৪টা।
ডেলিভারি থেকে এলো ৩১ × ২৮০ = ৮,৬৮০ টাকা। ফেরতে গেল ৪ × ১৩০ = ৫২০ টাকা। অ্যাডের ৫,০০০ টাকা বাদ দিলে হাতে থাকল ৮,৬৮০ − ৫২০ − ৫,০০০ = ৩,১৬০ টাকা। টাকাটা হয়তো বড় না। কিন্তু মাস শেষে খাতায় প্রথমবার মাইনাসের বদলে প্লাস দেখার যে স্বস্তি, সেটা টাকায় মাপা যায় না। সাথে পেলেন ৩১ জন নতুন কাস্টমার, যাঁদের কেউ কেউ আবার কিনবেন, আর কেউ কেউ পরিচিত কাউকে আপনার কথা বলবেন।
এখানে যে সংখ্যাটা সবচেয়ে জরুরি, সেটা হলো ডেলিভারি হওয়া প্রতিটা অর্ডারের পেছনে অ্যাডে কত গেল। ৫,০০০ ÷ ৩১ = প্রায় ১৬১ টাকা। এক ডেলিভারিতে আপনার হাতে থাকে ২৮০ টাকা, তাই এই উদাহরণে অ্যাড লাভের মধ্যেই আছে। এই সংখ্যাটা ২৮০-র কাছে চলে গেলে বুঝবেন অ্যাড আপনার পুরো লাভ খেয়ে ফেলছে। কোন সংখ্যার নিচে থাকলে বাজেট বাড়াবেন আর কখন বন্ধ করবেন, তার পুরো হিসাব উইনিং প্রোডাক্ট টেস্ট করার লেখায় আছে।

প্রথম কাস্টমারকে দিয়ে পরের কাস্টমার আনবেন যেভাবে
প্রথম ১০০ জনের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো তাঁদের মুখের কথা। আপনার নিজের কথার চেয়ে একজন কাস্টমারের "ভাই, ঘিটা আসলেই ভালো" কথাটা অনেক বেশি বিশ্বাস পায়। কিন্তু খুশি কাস্টমার অনেক সময় নিজে থেকে কাউকে বলেন না। তাঁকে একটু মনে করিয়ে দিতে হয়।
এর সবচেয়ে সহজ উপায় একটা ফোন। ডেলিভারির ৫ থেকে ৭ দিন পর ফোন দিয়ে জিজ্ঞেস করুন, প্রোডাক্টটা কেমন লাগল। খারাপ কিছু বললে আগে সেটা মিটিয়ে দিন, সেদিন আর কিছু চাইবেন না। ভালো বললে দুটো জিনিস চাইতে পারেন।
"ভাই, আপনার কথাটা কি আমাদের পেজে দিতে পারি? আপনার নম্বর আর ঠিকানা থাকবে না। আর পরিচিত কারও খাঁটি ঘি লাগলে আমার নম্বরটা দিয়ে দিয়েন, খুব উপকার হবে।"
অনুমতি ছাড়া কারও চ্যাটের স্ক্রিনশট পেজে দেবেন না। দিলে নাম, নম্বর আর ছবি ঢেকে দিন। মানুষ নিজের কথা পেজে দেখলে খুশি হন, কিন্তু না জানিয়ে দিলে মন খারাপ করেন, কেউ কেউ রেগেও যান।
পার্সেলের ভেতরে একটা ছোট কার্ড রাখুন, হাতে লেখা হলে আরও ভালো। তাতে পেজের নাম, অর্ডারের নম্বর আর এক লাইন, "ভালো লাগলে একজন পরিচিতকে আমাদের কথা বলবেন।" কার্ডটা রান্নাঘরের তাকে বা ড্রয়ারে থেকে গেলে, পরে কারও দরকার হলে নম্বরটা ওখান থেকেই পাওয়া যায়।

কেউ কাউকে এনে দিলে তাঁকে ধন্যবাদ দিন কাজে। যেমন, "আপনার রেফারেন্সে যিনি নিয়েছেন তাঁর পার্সেল পৌঁছে গেছে, আপনার পরের অর্ডারে ডেলিভারি চার্জ লাগবে না।" এতে আপনার খরচ শুধু একটা ডেলিভারি চার্জ, যা ওপরের উদাহরণে একটা ডেলিভারি হওয়া অর্ডারের পেছনে অ্যাডের ১৬১ টাকার চেয়ে সাধারণত কম। তবে উপহারটা দেবেন শুধু সত্যিকারের কেনার পরে, ডেলিভারি হলে। লাইক, শেয়ার বা রিভিউয়ের বদলে কিছু দেওয়ার কথা বলবেন না, ফেসবুকের নিয়মে সেটা সমস্যা তৈরি করতে পারে।
আর প্রতিটা নতুন কাস্টমারকে কনফার্ম কলে একটা প্রশ্ন করুন, "আমাদের কথা কোথায় শুনলেন?" উত্তরটা অর্ডারের পাশে লিখে রাখুন। মাস শেষে এটাই বলে দেবে কোন রাস্তা আপনাকে সবচেয়ে বেশি কাস্টমার দিচ্ছে, অ্যাড, গ্রুপ নাকি মানুষের মুখ।
ফোনের এই কাজটা প্রথমে খাতায় চালানো যায়। কাস্টমার বাড়লে নাম হারিয়ে যায়, কাকে ফোন দেওয়া হলো মনে থাকে না। WinningSeller-এর ফলোআপ কল সিস্টেমে ডেলিভারি হওয়া কাস্টমাররা নিজে থেকেই কলের লিস্টে চলে আসেন, তাই প্রথম দিকের কোনো কাস্টমার ফোনের বাইরে থেকে যান না।
কোন ধাপে কোন সংখ্যা দেখবেন?
প্রতিটা ধাপে আপনি আসলে একটা প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন, আর সেই প্রশ্নই বলে দেয় কোন সংখ্যা দেখবেন। নিচের টেবিলটা শুরু করার জন্য, এখানে কোনো সংখ্যা "সবার জন্য ভালো" বলে দেওয়া নেই।
| ধাপ | যে প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন | যে সংখ্যা দেখবেন |
|---|---|---|
| প্রথম ১০ জন | এই দামে মানুষ জিনিসটা নেন কি না, পেয়ে খুশি হন কি না | কতজনকে বললেন, কতজন নিলেন, কতজন ভালো বললেন, কয়টা ফেরত এলো |
| ১০ থেকে ৩০ | অচেনা মানুষ আপনাকে বিশ্বাস করেন কি না | কোন গ্রুপ বা পোস্ট থেকে কয়টা অর্ডার, বুস্টে কনফার্ম হওয়া অর্ডারপ্রতি খরচ |
| ৩০ থেকে ১০০ | অ্যাডের টাকায় লাভ থাকে কি না | ডেলিভারি হওয়া অর্ডারপ্রতি অ্যাডের খরচ, কনফার্মের হার, ফেরতের হার, কয়জন রেফারেন্সে এলেন |
প্রতিদিন রাতে দশ মিনিট খাতা বা শিট খুলে লিখুন, সেদিন কয়টা অর্ডার এলো, কোথা থেকে এলো, কয়টা কনফার্ম হলো আর অ্যাডে কত গেল। পরে ডেলিভারি আর ফেরতের ঘরও ভরবেন। হিসাবের পুরো খাতা কীভাবে রাখবেন, সেটা অনলাইন ব্যবসা শুরুর পুরো গাইডে আছে।
পরের ধাপে কখন যাবেন, তার একটা সহজ নিয়ম ধরে নিতে পারেন। প্রথম ১০ জনের বেশিরভাগ ভালো বললে আর "ছবির সাথে মেলে না" বলে কেউ ফেরত না দিলে গ্রুপে যান। আর চেনা মানুষও ন্যায্য দামে না নিলে থামুন। তখন সমস্যা মার্কেটিংয়ে না, প্রোডাক্ট বা দামে, আর অ্যাডের টাকা দিয়ে সেটা ঢাকা যায় না। কথাটা শুনতে কষ্টের, কিন্তু এক হাজার টাকায় এটা জানা দশ হাজার টাকা হারিয়ে জানার চেয়ে অনেক ভালো।
৩০ জনে পৌঁছে দেখুন, একটা প্রোডাক্ট কি বাকিগুলোর চেয়ে পরিষ্কার এগিয়ে? থাকলে সেটাই আপনার অ্যাডের প্রোডাক্ট। না থাকলে আরও কয়েক সপ্তাহ গ্রুপ আর ছোট বুস্টে থাকুন, তাড়াহুড়ো করবেন না।
প্রথম ১০০ অর্ডারে যে ভুলে টাকা আর নাম দুটোই যায়
শুরুর দিকের ভুলগুলো দুইভাবে কষ্ট দেয়। টাকা তো যায়ই, তার ওপর নতুন পেজের সুনামেও দাগ পড়ে, যখন সুনাম বলতে আছে মাত্র কয়েকটা কমেন্ট।
অনেকে পেজ খালি দেখে লাইক কিনে ফেলেন। মন খারাপের সময়টাতেই "৫০০ টাকায় ৫ হাজার লাইক" অফার লোভ দেখায়। কিন্তু কেনা লাইকের পেছনের অ্যাকাউন্টগুলো কোনোদিন কিছু কিনবে না, আর ১০ হাজার ফলোয়ারের পেজে প্রতিটা পোস্টে দুটো রিঅ্যাকশন দেখলে কাস্টমার বুঝে ফেলেন কিছু গোলমাল আছে। Meta-র Community Standards-এর Spam অংশেও লাইক আর ফলো কেনাবেচা নিষেধ বলে লেখা আছে।
কেউ কেউ প্রথম দিনেই বড় স্টক তুলে ফেলেন। দশটা বিক্রির আগেই একশো পিস কিনে ফেললে টাকা মালের মধ্যে আটকে যায়। প্রোডাক্ট না চললে পরের প্রোডাক্ট ধরার টাকাও থাকে না। শুরুতে অল্প কিনুন, বা এমন সাপ্লায়ার রাখুন যিনি দুই দিনে মাল দিতে পারেন।
সবচেয়ে দামি ভুলটা হয় অচেনা নম্বরে না দেখে পার্সেল পাঠালে। গ্রুপ আর অ্যাড থেকে প্রথমবার অচেনা মানুষের অর্ডার আসে, আর এখানেই প্রথম ভুয়া অর্ডারও আসে। ৩০টা অর্ডারের মধ্যে ৫টা দরজা থেকে ফেরত এলে ঘিয়ের উদাহরণে ৬৫০ টাকা চলে যায়, যা দুইটার বেশি ডেলিভারির লাভ। পাঠানোর আগে নম্বরটার কুরিয়ার রেকর্ড দেখে নিন। আগে কয়টা পার্সেল নিয়েছেন, কয়টা ফেরত দিয়েছেন, এক নজরে বোঝা যায়। WinningSeller-এ কুরিয়ার অ্যাকাউন্ট কানেক্ট করা থাকলে প্রতিটা অর্ডারের নম্বরে এই ফ্রড চেক দেখা যায়। আর এখনই একটা নম্বর দেখতে চাইলে ফ্রি চেকারে বসিয়ে দেখতে পারেন।
যা দেখাচ্ছেন ঠিক সেটাই পাঠান, নইলে নাম যায় সবার আগে। সাপ্লায়ারের চকচকে ছবি দিয়ে বেচলেন, পার্সেল খুলে কাস্টমার অন্য জিনিস দেখলেন। নতুন পেজে পাঁচটা কমেন্টের একটা যদি "ছবির সাথে মেলে না" হয়, তাহলে পরের প্রতিটা অচেনা মানুষ সেটা পড়েন। প্রথম ১০০ জনই আপনার নাম ছড়ান, ভালো হোক বা খারাপ।
এক সপ্তাহ অর্ডার না এলেই প্রোডাক্ট পাল্টে ফেলা আরেকটা ফাঁদ। এক সপ্তাহে দুইটা অর্ডারও এলো না, তাই নতুন প্রোডাক্ট ধরলেন। এভাবে চললে কোনো প্রোডাক্টই যথেষ্ট সময় পায় না, আর মানুষ বুঝতে পারেন না আপনার পেজটা আসলে কীসের। একটা প্রোডাক্টকে অন্তত কয়েক সপ্তাহ আর তিনটা ধাপের সুযোগ দিন।
শেষ ভুলটা ছোট দেখায়, উত্তর দিতে দেরি করা। নতুন পেজে প্রতিটা প্রশ্নের পেছনে একজন কাস্টমার বসে আছেন। কমেন্টে বা মেসেজে পরের দিন উত্তর দিলে তিনি ততক্ষণে অন্য কোথাও থেকে কিনে ফেলেছেন। প্রথম ১০০ জন পর্যন্ত ফোনের নোটিফিকেশন চালু রাখুন, এই কয়েক সপ্তাহ একটু কষ্ট করুন।
আজ রাতেই কোন কাজটা শুরু করবেন?
আজ বড় কিছু করতে হবে না। একটা খাতা নিন, আর যাঁদের আপনার প্রোডাক্ট সত্যিই কাজে লাগতে পারে, এমন ৩০ থেকে ৪০ জনের নাম লিখুন। ওপরের মেসেজটা নিজের ভাষায় একবার লিখে নিন। আজ রাতেই প্রথম দশজনকে পাঠান, একজন একজন করে, নাম ধরে। কাল সকালে পেজটা একবার খুলে দেখুন, অচেনা কেউ এলে বিশ্বাস করার মতো ছয়-সাতটা পোস্ট আছে কি না।
প্রথম অর্ডারটা যেদিন আসবে, সেদিন একটু খুশি হবেন, হওয়ারই কথা। তারপর পার্সেলটা যত্ন করে প্যাক করুন, কারণ ওটাই আপনার পরের কাস্টমারের দরজা খোলে। আর যখন গ্রুপ আর অ্যাডের ধাপে যাবেন, তখন অর্ডার ফর্মসহ পেজ, ফ্রড চেক আর প্রথম কাস্টমারদের ফোনের লিস্ট এক জায়গায় চাইলে WinningSeller আগে চালিয়ে দেখতে পারেন (প্রথম মাস মাত্র ৯৯ টাকা, তারপর রেগুলার দাম)। না নিলেও ওপরের তিনটা ধাপ খাতা আর ফোন দিয়েই করা যায়, শুধু একটু বেশি সময় যায়।
সাধারণ প্রশ্ন
নতুন পেজে প্রথম অর্ডার পেতে কত দিন লাগে?
এর কোনো বাঁধা দিন নেই, পুরোটা নির্ভর করে আপনি কার কাছে কতটা পৌঁছাচ্ছেন তার ওপর। শুধু পোস্ট দিয়ে বসে থাকলে সপ্তাহের পর সপ্তাহ চলে যেতে পারে। চেনা মানুষদের একজন একজন করে মেসেজ দিলে অনেকের প্রথম অর্ডার প্রথম সপ্তাহেই আসে, কারণ তাঁরা আপনাকে আগে থেকেই বিশ্বাস করেন।
বন্ধু আর আত্মীয়দের কাছে বিক্রি করা কি ঠিক?
হ্যাঁ, যদি প্রোডাক্টটা তাঁদের কাজে লাগে আর আপনি পুরো দাম নেন। জোর করবেন না, একজন একজন করে ভদ্রভাবে জানান। তাঁদের অর্ডারেই আপনি প্যাকিং, কুরিয়ার আর টাকা হাতে আসার পুরো কাজটা প্রথমবার ঝুঁকি ছাড়া শিখে নেন।
ফেসবুক গ্রুপে কি প্রোডাক্টের পোস্ট দেওয়া যায়?
যায়। Facebook-এর Help Center-এ Marketplace-এর পাশেই "Buy-and-sell groups" নামে আলাদা অংশ আছে, মানে গ্রুপে কেনাবেচা Facebook নিজেও একটা স্বাভাবিক রাস্তা হিসেবে ধরে। তবে প্রতিটা গ্রুপের নিয়ম ঠিক করেন সেই গ্রুপের অ্যাডমিন। পোস্ট দেওয়ার আগে গ্রুপের রুলস পড়ে নিন, অনেক গ্রুপে বিক্রির পোস্ট শুধু নির্দিষ্ট দিনে চলে, আবার অনেক গ্রুপে একদম চলে না।
নতুন পেজে বুস্ট দিয়ে শুরু করব, নাকি Ads Manager-এ অ্যাড?
প্রথম দিকে ছোট বাজেটে একটা বুস্ট দিয়ে শুরু করা সহজ, শুধু নিজের এলাকায়, আর সেই পোস্টটা দিয়ে যেটায় আগে থেকেই মানুষ সাড়া দিয়েছেন। ২০-৩০ জন কাস্টমার হয়ে গেলে আর একটা প্রোডাক্ট পরিষ্কার এগিয়ে গেলে Ads Manager-এ অর্ডার ফর্মসহ পেজে পাঠানোর অ্যাড চালান। তখন কোন অ্যাড থেকে আসল অর্ডার এলো, সেটা ভালোভাবে মাপা যায়।
প্রথম অর্ডারগুলোতে কি ডিসকাউন্ট দেওয়া উচিত?
সাধারণত না। শুরুতেই বড় ছাড় দিলে আপনি জানতেই পারবেন না আসল দামে মানুষ কিনবেন কি না, আর পরে দাম তুললে কাস্টমার মনে কষ্ট পান। ছাড়ের বদলে শহরের ভেতরে ফ্রি ডেলিভারি বা সাথে ছোট একটা উপহার দিন, তাতে খরচ কম আর আসল দামের পরীক্ষাটাও হয়ে যায়।
পেজে ফলোয়ার কম, তাহলে কি মানুষ কিনবেন?
কিনবেন, যদি পেজে আসল ছবি, পরিষ্কার দাম আর আগের কাস্টমারদের সত্যিকারের কথা দেখেন। ফলোয়ারের সংখ্যার চেয়ে কাস্টমার বেশি খেয়াল করেন পেজের পেছনে একজন আসল মানুষ আছেন কি না। দশজন খুশি কাস্টমারের ছবি দশ হাজার কেনা ফলোয়ারের চেয়ে বেশি কাজ করে।
আরও পড়ুন
খেলনা ব্যবসার আইডিয়া, কোন খেলনা অনলাইনে চলে আর নিরাপত্তার নিয়ম
বাচ্চাদের খেলনা অনলাইনে বেচতে চাইলে কোন খেলনা চলে, চকবাজার থেকে প্রথম লট কীভাবে নেবেন, ২০২৬ সালে BSTI-র তালিকায় খেলনা আসার মানে কী, ব্যাটারির খেলনা চালিয়ে দেখা, মাপ বোঝানো ছবি আর না ভাঙার প্যাকিং, একটা লটের টাকার হিসাবসহ।
থ্রিফট শপিং কি? পুরনো বিদেশি জ্যাকেট-শার্টের থ্রিফট ব্যবসার নিয়ম
থ্রিফট শপিং কি, মাল কোথা থেকে আসে আর পুরনো কাপড় আমদানির নিয়ম কী বলে, গাইট খুলে বাছাই, ধোয়া আর ছবি, কন্ডিশন সত্যি করে লেখা, আর একটা গাইট থেকে এক পিসের দাম কীভাবে বের করবেন, হিসাবসহ।
অনলাইনে শাড়ির ব্যবসা, তাঁতের শাড়ি থেকে প্রথম লট, ছবি আর ফেরত
অনলাইনে শাড়ির ব্যবসা শুরু করবেন? কোন শাড়ি চলে, টাঙ্গাইলের হাট আর পাইকার, BSTI-র ২০২৬ সালের নতুন শাড়ির নিয়ম, মডেল ছাড়া শাড়ির ছবি, মাপ আর যত্নের কথা লেখা, আর একটা লটে কত থাকে, হিসাবসহ।


